Home Blog Page 450

সন্ধ্যায় উপদেষ্টা পরিষদের জরুরি বৈঠক

জরুরি বৈঠক ডেকেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। শনিবার (১০ মে) সন্ধ্যায় এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।

বৈঠকের নির্দিষ্ট সময় ও স্থানের বিষয়েও কোনো তথ্য আনুষ্ঠানিকভাবে গণমাধ্যমকে জানানো হয়নি। তবে ধারণা করা হচ্ছে, আওয়ামী লীগের নিষিদ্ধের দাবি, ভারত-পাকিস্তান সংঘাতসহ সাম্প্রতিক ইস্যু উঠে আসতে পারে উপদেষ্টা পরিষদের আজকের বৈঠকে।

এদিকে আওয়ামী লীগের বিচার ও নিষিদ্ধের দাবিতে রাজধানীতে এনসিপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংগঠনের অবস্থান কর্মসূচির মধ্যে উপদেষ্টার পরিষদের এই বৈঠক আহ্বান করা হলো।

এর আগে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে বলা হয়েছিল, আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের বিষয়ে সরকার সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা করছে। এ বিষয়ে শিগগিরই সিদ্ধান্ত নেবে সরকার।

আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধের আলোচনা করতেই জরুরি বৈঠক: প্রেসসচিব

আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার বিষয়ে সরকারের দেওয়া বিবৃতির পর, বিষয়টি নিয়ে আলোচনার জন্য আজ রাতে উপদেষ্টা পরিষদের জরুরি বৈঠক ডাকা হয়েছে। শনিবার (১০ মে) বিকেলে যশোরের কেশবপুর পাথরা পল্লী উন্নয়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৪২ বছর পূর্তি উপলক্ষে এক পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব শফিকুল আলম এই তথ্য জানান।

তিনি বলেন, “আজ রাতে মিটিং আছে, সেখানে আইসিটি অ্যাক্টের অধ্যাদেশ প্রস্তাবনা নিয়ে আলোচনা হবে। এই কারণেই জরুরি মিটিং।”

সাবেক রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদের দেশত্যাগের ঘটনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “এই ঘটনায় কারা জড়িত, সেই ব্যাপারে অনুসন্ধান চলছে। ইতোমধ্যে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বাকি যারা জড়িত, তাদেরও আইনের আওতায় আনা হবে।”

শফিকুল আলম আরও বলেন, “বাংলাদেশে ফ্যাসিবাদের পতন হওয়ায় তাদের (ভারতের) মাথা খারাপ হয়ে গেছে। এই কারণে তারা আমাদের কয়েকটি মিডিয়ার সম্প্রচার তাদের দেশে বন্ধ করে দিয়েছে। আমরা সেই পথে হাঁটতে চাই না। আমরা দীর্ঘদিন ধরে দেখছি তারা আমাদের নিয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছে। ভারতীয় গণমাধ্যমে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার অভাব রয়েছে, বরং উচ্চকণ্ঠে নাটকীয় উপস্থাপনার মাধ্যমে বিনোদন দেওয়াই যেন তাদের সাংবাদিকতা। সেক্ষেত্রে আমাদের সাংবাদিকতা অনেক বেশি দায়িত্বশীল ও প্রশংসার যোগ্য। পক্ষান্তরে, বাংলাদেশের যেসব মিডিয়া বন্ধ করা হয়েছে, তারা অনেক ভালো সংবাদ পরিবেশন করে। এটি অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক।”

হিজাব পরে খেলার সুযোগ নেই: তাসনুভা তিশা

ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী তাসনুভা তিশা। সেলিব্রিটিদের নিয়ে সম্প্রতি আয়োজিত ক্রিকেট টুর্নামেন্ট ‘সেলিব্রিটি ক্রিকেট লিগ’ (সিসিএল)-এ অংশ নিয়েছেন তিনি। খেলা ও খেলোয়াড়দের প্রতি সামাজিক প্রতিক্রিয়া নিয়ে এক সাক্ষাৎকারে নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন এ অভিনেত্রী।

তাসনুভা তিশা বলেন, আমরা যারা মেয়েরা খেলছি, আমাদের নিয়ে অনেক সময় খুবই অপমানজনকভাবে প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। ইউটিউব বা অন্য মাধ্যমে খেলার পারফরম্যান্সের চেয়ে পোশাক নিয়ে আলোচনা বেশি হয়।

কে কী পরল, কতটুকু পরল—এসব নিয়ে মন্তব্য করে আমাদের অসম্মান করা হয়। এসব প্রতিবেদনে এমনভাবে উপস্থাপন করা হয় যেন আমরা খেলতে আসিনি, এসেছি শুধু পোশাক প্রদর্শনের জন্য এমন মন্তব্য করেন তিনি।

জনপ্রিয় এ অভিনেত্রী আরও বলেন, আমি নিজেও এ ধরনের পরিস্থিতির শিকার হয়েছি। মানুষ আমাদের ব্যক্তিজীবন নিয়ে আগ্রহী, এটা স্বাভাবিক। কিন্তু আমাদের দেশে বলিউডের মতো পাপারাজ্জি সংস্কৃতি নেই। তার বদলে যা হয়, তা হলো হয়রানি। আমাদের অজান্তেই ভিডিও করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছেড়ে দেয়া হয়, যা নেতিবাচকভাবে উপস্থাপন করা হয়। আর এ কারণেই আমরা সামাজিকভাবে ভুগি। কারণ আমাদের পরিবার আছে, তারা এসব দেখে, পড়ে এবং পরে আমাদের কাছেই প্রশ্নের উত্তর চায়।

পোশাক বিতর্ক প্রসঙ্গে তাসনুভা তিশা বলেন, অনেকে আবার বলেন—ঠিকমতো পোশাক পরলেই তো হয়। কিন্তু সেটা করলেও কমেন্ট থেমে থাকে না। শাড়ি পরলেও কথা হয়, আবার ওড়না পরলেও ছাড় নেই। আসলে কী পরব বুঝে উঠতে পারি না। খেলা তো খেলা। সেটা ছেলে-মেয়ে নির্বিশেষে সবার জন্যই এক। কিন্তু বাস্তবতা হলো- খেলতে গিয়ে ওড়না বা হিজাব পরে মাঠে নামার কোনো বাস্তব সুযোগ নেই।

জনপ্রিয় এ অভিনেত্রী মনে করেন, সমাজে নারীদের পোশাক নিয়ে অনাকাঙ্ক্ষিত দৃষ্টিভঙ্গি এখনও তীব্র। যা শুধু তাদের ব্যক্তিগত জীবন নয়, পেশাগত পরিসরেও প্রভাব ফেলে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

নতুন নেতৃত্ব পেল চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতি

নানা নাটকীয়তার পর নতুন নেতৃত্ব পেয়েছে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতি। নতুন মেয়াদে পরিচালক সমিতির সভাপতি শাহীন সুমন ও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন শাহীন কবির টুটুল। আজ শুক্রবার ঢাকা ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে নির্বাচন শেষে ফলাফল ঘোষণা করেন নির্বাচন কমিশনের চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ বাচ্চু।

বিজয়ী হয়ে প্রতিক্রিয়ায় নতুন সভাপতি শাহীন সুমন বলেন, বিপুল ভোটে বিজয়ের জন্য সবার কাছে কৃতজ্ঞতা। এই বিজয় আমাদের একা নয়, সবার। সবার প্রতি অসীম ভালোবাসা। সাধারণ সদস্যরা বারবার আমাকে নির্বাচিত করছে। তাদের কৃতজ্ঞতায় সব সময় থাকতে চাই। বারবার এভাবে নির্বাচিত করুক। আমাদের প্রথম কাজ হবে সংগঠন এগিয়ে নেওয়ার। সমিতির কল্যাণে কাজ করব৷ আমরা ইশতেহার দিয়ে নির্বাচন করি না, কাজে প্রমাণ দেই। বরাবরের মতো এবারও কাজে প্রমাণ দেব।

নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক শাহীন কবির টুটুল বলেন, বিভিন্ন কারণে নির্বাচনে জটিলতা তৈরি হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত সাধারণ সদস্যদের অংশ গ্রহণে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়েছে। আমরা বিজয়ী হয়েছি। আমি মার্কেটিং-এর লোক। কিভাবে সংগঠন এগিয়ে নিতে হবে সেটা জানি। নিয়মিত কাজগুলো চালিয়ে নেব।

সহ-সভাপতি পদে নির্বাচিত হয়েছেন আবুল খায়ের বুলবুল, উপমহাসচিব কবিরুল ইসলাম রানা, কোষাধ্যক্ষ সাইমন তারিক, প্রচার, প্রকাশনা ও দপ্তর সচিব ওয়াজেদ আলী বাবলু, আন্তর্জাতিক ও তথ্যপ্রযুক্তি বন্ধন বিশ্বাস, সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া মুস্তাফিজুর রহমান মানিক।

কার্যনির্বাহী সদস্য পদে নির্বাচিত হয়েছেন ছটকু আহমেদ, শাহাদাৎ হোসেন লিটন, পল্লী মালেক, জাকির হোসেন রাজু, বজলুর রাশেদ চৌধুরী, সাঈদুর রহমান সাঈদ, হাবিবুল ইসলাম হাবিব, জয়নাল আবেদীন (জয় সরকার)।

এর আগে কয়েকদফা নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা হলেও শেষ পর্যন্ত নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি। সকল জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শেষ পর্যন্ত স্থগিতই হয়ে গেল আইপিএল

শেষ পর্যন্ত স্থগিতই হয়ে গেল আইপিএল ২০২৫ । ভারত-পাকিস্তান সীমান্তে চলমান উত্তেজনার কারণে টুর্নামেন্ট স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিসিসিআই, জানিয়েছে ক্রিকইনফো। খুব শিগগিরই বিষয়টি নিয়ে একটি আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।

টুর্নামেন্ট স্থগিত হওয়ার খবর আসে বৃহস্পতিবার পাঞ্জাব কিংস (পিবিকেএস) ও দিল্লি ক্যাপিটালস (ডিসি)-এর ম্যাচটি মাঝপথে পরিত্যক্ত হওয়ার পর। ওই ম্যাচের প্রথম ইনিংস চলছিল যখন, তখনই খেলা বন্ধ করে দেওয়া হয়। ঘটনার পরপরই জানা যায়, ধর্মশালার বিমানবন্দরসহ আশেপাশের অঞ্চলের সব বিমানবন্দরও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে নিরাপত্তাজনিত কারণে।

এর ফলে পাঞ্জাব ও দিল্লির খেলোয়াড় এবং সাপোর্ট স্টাফদের দিল্লি নেওয়া হয় বিশেষ একটি ট্রেনে করে, যা আইপিএলের পক্ষ থেকেই শুক্রবার সকালে ব্যবস্থা করা হয়।

আইপিএল ২০২৫ এর এ পর্যন্ত ৫৮টি ম্যাচ হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ধর্মশালার সেই পরিত্যক্ত ম্যাচটিও। গ্রুপ পর্বে এখনো বাকি রয়েছে ১২টি ম্যাচ। ম্যাচগুলো হওয়ার কথা ছিল লক্ষ্ণৌ (২টি), হায়দরাবাদ, আহমেদাবাদ (৩টি), দিল্লি, চেন্নাই, বেঙ্গালুরু (২টি), মুম্বাই এবং জয়পুরে। এরপর ছিল প্লে-অফ পর্ব, যার সব ম্যাচ হওয়ার কথা ছিল হায়দরাবাদ ও কলকাতায়।

চলতি আইপিএল শুরু হয়েছিল ২২ মার্চ। ১০ দলের এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছেন বিশ্বের অনেক বড় ক্রিকেট তারকা। আইপিএলের ফাইনাল হওয়ার কথা ২৫ মে কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে। এই ম্যাচ টিভিতে বিশ্বের কোটি কোটি দর্শক দেখবেন বলে আশা করা হয়।

ভারত ও পাকিস্তান এর আগেও তিনটি বড় যুদ্ধ করেছে। যার মধ্যে দুটি হয়েছে কাশ্মীর নিয়ে। ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ শাসনের অবসান হওয়ার পর থেকেই কাশ্মীর নিয়ে দুই দেশের বিরোধ চলছে।

পিএসএল অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত ঘোষণা

সকালে ঘোষণা এল, ভারত ও পাকিস্তানের সংঘাতের কারণে পাকিস্তানের ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট পিএসএলের বাকি ম্যাচগুলো সরিয়ে দুবাইয়ে আয়োজন করা হবে। কিন্তু এর কয়েক ঘন্টা যেতে না যেতেই এখন আবার ইউটার্ন নিয়েছে পাকিস্তানের ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। কিছুক্ষণ আগে বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে, পিএসএল অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করা হয়েছে।

গতকাল ভারতের ড্রোন হামলায় পাকিস্তানের রাওয়ালপিন্ডি স্টেডিয়ামের কিছু অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর রাওয়ালপিন্ডিতেই হতে যাওয়া পিএসএলের পেশোয়ার-লাহোর ম্যাচটি স্থগিত করা হয়। এরপর আজ সকালে পিসিবির দিক থেকে ঘোষণা আসে, পিএসএলের বাকি ৮ ম্যাচ দুবাইয়ে সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা।

এদিকে গতকালই ভারতের জম্মুসহ সীমান্তবর্তী কয়েকটি শহরে পাকিস্তানের ড্রোন হামলার পর সীমান্তবর্তী আরেক অঞ্চল ধর্মশালায় আইপিএলের দিল্লি-পাঞ্জাব ম্যাচটি দশ ওভার হওয়ার পর হঠাৎ স্থগিত ঘোষণা করা হয়। আনুষ্ঠানিক কারণ হিসেবে ফ্লাডলাইটের সমস্যার কথা বলা হলেও মূলত ড্রোন হামলার কারণেই এই সিদ্ধান্ত। এরপর আজ ভারতের ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) ঘোষণা দেয়, আইপিএলের বাকি ১৮টি ম্যাচ আপাতত এক সপ্তাহের জন্য স্থগিত।

এখন আবার এল পিএসএল স্থগিত হওয়ার ঘোষণা। বিবৃতিতে পিসিবি লিখেছে, ‘প্রধানমন্ত্রী মিয়াঁ মুহাম্মদ শাহবাজ শরীফের পরামর্শক্রমে স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’

মেঘালয় সীমান্তে রাত্রিকালীন কারফিউ জারি

সিলেট সীমান্তের ওপারে ভারতের মেঘালয়ের জৈন্তিয়া হিলস এলাকায় রাত্রিকালীন কারফিউ জারি করেছে দেশটির জেলা প্রশাসন। গতকাল শুক্রবার পূর্ব জৈন্তিয়া হিলস জেলা ম্যাজিস্ট্রেট স্বাক্ষরিত এক আদেশে এই কারফিউ জারি করা হয়।

আদেশে বলা হয়েছে, সীমান্তে নিষিদ্ধ জঙ্গি গোষ্ঠীর সদস্য, চোরাকারবারি এবং অন্যান্য অবৈধ কার্যকলাপের সম্ভাবনা রয়েছে। যেহেতু পূর্ব জৈন্তিয়া জেলার সীমান্তবর্তী পাহাড়ি অঞ্চলে সম্পূর্ণরূপে বেড়া দেওয়া নেই, তাই অবৈধ অভিবাসীদের অনুপ্রবেশের ঝুঁকি বেশি। সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলো আন্তর্জাতিক এই সীমান্তে জড়ো হয়ে কার্যকলাপ চালাতে পারে। এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে কারফিউ জারি করা হয়েছে।

পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এ কারফিউ চলমান থাকবে বলেও আদেশে বলা হয়।

এ বিষয়ে বিজিবির সিলেট সেক্টর কমান্ডার কর্নেল মো. সাইফুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, শোনা গেছে পূর্ব জৈন্তিয়া হিলস জেলা ম্যাজিস্ট্রেট রাত্রিকালীন কারফিউ জারি করেছে। তবে এ ব্যাপারে অফিশিয়ালি কোনো তথ্য এখনও আসেনি।

পারমাণবিক অস্ত্রের অথরিটির সঙ্গে জরুরি বৈঠকে পাক প্রধানমন্ত্রী

পেহেলগামে হামলাকে কেন্দ্র করে পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের নয়টি স্থানে হামলা চালায় ভারত। ইতোমধ্যে ভারতেও পাল্টা সামরিক হামলা শুরু করেছে পাকিস্তান। এমন অবস্থায় পাকিস্তানের পারমাণবিক অস্ত্রের দেখভাল করা ও এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা ন্যাশনাল কমান্ড অথরিটির (এনসিএ) সঙ্গে জরুরি বৈঠকে বসছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ। শনিবার (১০ মে) বিবিসি বাংলার ওয়েসাইট থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

পাকিস্তানের আইএসপিআর জানায়, প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ দেশটির ন্যাশনাল কমান্ড অথরিটির (এনসিএ) বৈঠক ডেকেছেন।

মূলত দেশটির স্থল, আকাশ ও নৌবাহিনীর জন্য যৌথ কৌশল প্রণয়নে ভূমিকা রাখে এনসিএ। তবে এর আরও গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য হলো পাকিস্তানের পারমাণবিক অস্ত্রের দেখভাল করা এবং এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া।

জানা গেছে, এনসিএ বৈঠকে সভাপতিত্ব করছেন প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ।

প্রসঙ্গত, ২২ এপ্রিল পেহেলগামে হামলায় ২৬ পর্যটক নিহত হন। এর জন্য পাকিস্তানের ওপর দায় চাপিয়েছে ভারত। তবে তা নাকচ করেছে পাকিস্তান। এ নিয়ে উত্তেজনার মধ্যে মঙ্গলবার দিবাগত রাতে পাকিস্তান ও দেশটির নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের নয়টি স্থানে ‘অপারেশন সিঁদুর’ নামে অভিযান চালায় ভারত। ওই রাতেই দেশটির পাঁচটি যুদ্ধবিমান ধ্বংসের দাবি করে পাকিস্তান।

বিভাজন নয়, ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে: মির্জা ফখরুল

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ধর্ম দিয়ে সমাজে বিভাজন না করে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। কোনো শক্তি যাতে আমাদের বিভক্ত করতে না পারে, সেই দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। শুক্রবার (৯ মে) বিকেলে রাজধানীর খামারবাড়িতে ইস্টার পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘প্রতিটি ধর্ম মানুষকে ভালো হতে শেখায়। ধর্ম দিয়ে বিভাজন করা ঠিক নয়। প্রতিটি ধর্মই ঐক্যের কথা বলে। স্বাধীনতা যুদ্ধে যেভাবে আমরা ঐক্যবদ্ধ ছিলাম, সেই চেতনা ধরে রাখতে হবে। কোনো শক্তি যেন আমাদের বিভক্ত করতে না পারে।’

তিনি বলেন, একটি গণতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থা চাই, যেখানে সবাই সবার কথা বলতে পারবে, সবাই ভোটাধিকার প্রয়োগ করে জনপ্রতিনিধি নির্বাচন করতে পারবে।

‘গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠা করার জন্য আমরা লড়াই করেছি। এর উদ্দেশ্য একটি, গণতন্ত্রের রাষ্ট্র চাই। সেখানে যে যার ভোট দিয়ে প্রতিনিধি নির্বাচন করবে। বিভাজন নয়, ঐক্যের মাধ্যমে আমাদের একসঙ্গে থাকতে হবে’, যোগ করেন তিনি।

সারাদেশে গণজমায়েতের ডাক হাসনাত আবদুল্লাহর

আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের দাবিতে আগামীকাল সারা দেশে গণজমায়েতের ডাক দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ। শুক্রবার (৯ মে) রাতে শাহবাগে তিনি এই কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন।

হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, সারা বাংলাদেশে যেসব স্থানগুলোতে গণজমায়েত হয়েছিল, সেখানে গণ জামায়াতের কর্মসূচি পালন করবে।

হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, আমাদের অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত রেখেছি, ২৫ ঘণ্টা হয়েছে। গতকাল রাত দশটা থেকে আমাদের অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেছি। আমরা জানি না এ কর্মসূচির শেষ কোথায়। যতক্ষণ না পর্যন্ত আওয়ামী লীগের নিষিদ্ধ করা হয়, কতক্ষণ পর্যন্ত আমাদের এই অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।

ইতোমধ্যে আমরা তিন দফা দাবি দিয়েছি। তিন দফার মধ্যে প্রথম দফা হচ্ছে, আওয়ামী লীগকে সন্ত্রাসী সংগঠন ঘোষণা করে, আওয়ামী লীগের যত সংগঠন সবগুলোকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে নিষিদ্ধ করতে হবে। দ্বিতীয় দফা দাবি হচ্ছে, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনে আওয়ামী লীগের দলগত বিচারের ব্যবস্থা করতে হবে। তৃতীয়, জুলাইয়ের ঘোষণাপত্র জারি করতে হবে।