Home Blog Page 451

তাণ্ডব সিনেমার শুটিং সেটে স্টান্টম্যানের মৃত্যু

রাজশাহী নগরীর হাই-টেক পার্কে শুটিং সেটে অসুস্থ হয়ে মনির হোসেন নামের এক স্টান্টম্যানের মৃত্যু হয়েছে।

শনিবার (৩ মে) বিকালে শাকিব খান অভিনীত ‘তাণ্ডব’ রাজশাহী নগরীতে সিনেমার শুটিং চলাকালে অসুস্থ হন মনির। ওই সময় তাকে  রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের জরুরী বিভাগে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন বলে জানিয়েছেন পরিচালক রায়হান রাফী।

সিনেমাটির পরিচালক বলেন, মনির শট দিয়েছেন দুপুরের দিকে। এরপর সবার সঙ্গে গল্প করছিলেন। এক-দুই ঘণ্টা পর হঠাৎ করে তার শরীর খারাপ করলে রামেক হাসপাতালের জরুরী বিভাগে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষনা করেন।

রায়হান রাফী বলেন, সকালের দিকেই তিনি (মনির) স্ট্রোক করছেন, কিন্তু কাউকে বুঝতে দেননি। অসুস্থতা বা খারাপ লাগার কথাও কাউকে জানাননি।

কলাকুশলীরা জানিয়েছেন, রাজশাহী নগরীর হাই-টেক পার্কে সেট বানিয়ে ‘তাণ্ডব’ সিনেমার শুটিং চলছে। সেখানেই মনির অসুস্থবোধ করেন।

মনির ঢাকার নারায়ণগঞ্জে বসবাস করতেন এবং কয়েক বছর ধরেই চলচ্চিত্রে স্টান্টম্যান হিসেবে কাজ করছিলেন। তিনি সহকারী ফাইট ডিরেক্টর নেপালীর সঙ্গে নিয়মিত কাজ করতেন। নেপালী জানান, সকাল থেকে মনির একদম ঠিকঠাক ছিল। শট শেষ হওয়ার পর হঠাৎ মাথা ঘোরা শুরু হয় এবং বমি করতে থাকে। তখনই হাসপাতালে নিয়ে যাই, কিন্তু ডাক্তার জানান সে মারা গেছে। মনির স্ট্রোক করেছিল।

প্রসঙ্গত, ‘তান্ডব’ সিনেমাটি মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে কুরবানির ঈদে। এতে শাকিব খানের বিপরীতে বড় পর্দায় পা রাখেন ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী সাবিলা নূর। মনিরের মৃত্যুতে পুরো ইউনিটে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। সহকর্মীদের চোখে মনির ছিলেন দায়িত্বশীল, হাসিখুশি এবং পেশাদার একজন শিল্পী।

বলিউডেও জায়গা করে নিচ্ছেন দক্ষিণী অভিনেত্রী শ্রীলীলা

দক্ষিণ ভারতের সিনেমায় আলোড়ন তোলা অভিনেত্রী শ্রীলীলা এবার বলিউডেও পা রাখতে চলেছেন। ‘পুষ্পা ২’-এর আইটেম গানে নজর কাড়ার পর থেকেই একের পর এক সিনেমার প্রস্তাব পাচ্ছেন এই অভিনেত্রী।

জানা গেছে, বলিউডে তার অভিষেক হতে যাচ্ছে অনুরাগ বসু পরিচালিত একটি রোমান্টিক সিনেমার মাধ্যমে, যেখানে তার বিপরীতে থাকবেন অভিনেতা কার্তিক আরিয়ান।

এদিকে ‘ড্রিম গার্ল’ সিরিজের পরিচালক রাজ শান্ডিল্য তার পরবর্তী সিনেমায় শ্রীলীলাকে নেওয়ার পরিকল্পনা করছেন। সেখানে অভিনেতা সিদ্ধার্থ মালহোত্রার সঙ্গে স্ক্রিন শেয়ার করতে পারেন এই দক্ষিণী তারকা। যদিও ছবির নাম ও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এখনও আসেনি, তবে প্রযোজনা সূত্রে জানা গেছে, এটি হবে একটি পূর্ণাঙ্গ বিনোদনধর্মী ছবি— যেখানে রোমান্স, কমেডি ও ড্রামা থাকবে সমানভাবে।

সম্প্রতি শ্রীলীলাকে দেখা গেছে প্রযোজক মহাবীর জৈনের সঙ্গেও। ইনস্টাগ্রামে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লেখেন, ‘আনন্দ এল রাইয়ের জাদুভরা কাহিনিতে শ্রীলীলার সৌন্দর্য ও প্রতিভা দেখার অপেক্ষায়।’ এতে করে গুঞ্জন ছড়িয়েছে, শিগগিরই আনন্দ এল রাই ক্যাম্পেও দেখা যেতে পারে শ্রীলীলাকে।

বর্তমানে শ্রীলীলার হাতে রয়েছে দক্ষিণের তিনটি ছবি— ‘মাস উতরা’, ‘পরাশক্তি’ ও ‘লেনিন’। অন্যদিকে, সিদ্ধার্থ মালহোত্রা ব্যস্ত রয়েছেন ‘সুন্দরী’ ছবির শুটিংয়ে, যেখানে তার বিপরীতে রয়েছেন জাহ্নবী কাপুর।

বাজারে আসছে নতুন নোট, নকশায় জুলাই অভ্যুত্থানের গ্রাফিতি

বাংলাদেশ ব্যাংক নতুন নোট বাজারে ছাড়বে কোরবানির ঈদের আগেই। দুই টাকা থেকে শুরু করে ১ হাজার টাকার নতুন নোটের নকশায় জুলাই অভ্যুত্থানের গ্রাফিতির পাশাপাশি থাকবে দেশের ঐতিহাসিক ও সংস্কৃতির নির্দশন। এরই মধ্যে সব নোটের ডিজাইন ঠিক করা হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেছেন, নতুন নকশার নোট ছাপাতে কমপক্ষে এক থেকে দেড় বছর সময় লাগে। তবে, গ্রাহকদের চাহিদা মাথায় রেখে কোরবানি ঈদের আগেই নতুন নোট ছাড়া হবে। তিনি জানান, নতুন ৯ ধরনের নোট ছাপানো হলেও সবগুলো এখনই পাওয়া যাবে না।

এদিকে চাহিদা থাকলেও মুজিবের ছবিযুক্ত নোট গ্রাহকদের দিতে পারছে না ব্যাংকগুলো। ফলে খোলাবাজার থেকে ছেঁড়াফাটা নোট পরিবর্তন করতে গিয়ে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন গ্রাহকেরা। রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের ৯ মাস হলেও এখনও বাজারে আসেনি নতুন নকশার নোট। টাকায় শেখ মুজিবের ছবি থাকায়, গেল ঈদুল ফিতরে ছাড়া হয়নি নতুন নোট। ফলে চাহিদা বাড়ে খোলাবাজারে।

নতুন নোটের সংকটে গ্রাহকের হাতে বেড়েছে ছেঁড়াফাটা নোটের সংখ্যা। ফলে অনেকেই পুরোনো কিংবা ছেঁড়াফাটা নোট পরিবর্তন করছেন রাজধানীর গুলিস্তান ও মতিঝিল এলাকায়। বাড়তি টাকায় এসব নোট পরিবর্তন করতে গিয়ে আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে গ্রাহকদের।

এদিকে, ব্যাংকগুলোতে ছেঁড়াফাটা নোট পরিবর্তন করতে গ্রাহকদের অনেক নিয়ম-নীতির মধ্যে পড়তে হচ্ছে।  ভল্টে শেখ মুজিবের ছবিযুক্ত নোট থাকলেও, বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী গ্রাহকদের তা দিতে পারছে না ব্যাংকগুলো।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী গত ডিসেম্বর পর্যন্ত বাজারে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ইস্যুকৃত নোট ছিল ৩ লাখ ১ হাজার ৭৭৪ কোটি টাকার।  প্রতিবছর বিভিন্ন মূল্যমানের ১৫০ কোটি পিস নতুন টাকার চাহিদা থাকলেও, টাকশাল ছাপাতে পারে ১২০ কোটি পিস।

দারাজ বাংলাদেশের ৫.৫ ক্যাম্পেইনে থাকছে সেরা দামে পণ্য কেনার সুবর্ণ সুযোগ

দেশের শীর্ষস্থানীয় অনলাইন মার্কেটপ্লেস দারাজ বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করেছে ‘৫.৫ বেস্ট প্রাইস, বেস্ট ডিলস’ ক্যাম্পেইনে থাকছে সেরা দামে পণ্য কেনার সুবর্ণ সুযোগ।

সোমবার (৫ মে থেকে ৯ মে) পর্যন্ত চলা এই বিশেষ সেল উপলক্ষ্যে থাকছে সর্বোচ্চ ৮০% পর্যন্ত ছাড়, ফ্রি ডেলিভারি, এবং ভাউচার ডিসকাউন্ট, যা গ্রাহকদের জন্য একটি সাশ্রয়ী ও আনন্দদায়ক অনলাইন কেনাকাটার অভিজ্ঞতা নিয়ে আসবে।

এই ক্যাম্পেইনের প্রতিদিনই দারাজ অ্যাপে পাওয়া যাবে নতুন নতুন ফ্ল্যাশ সেল ডিল, যেখানে অংশ নিচ্ছে ডেটল, ওরাইমো, হায়ার, প্যারাস্যুট অ্যাডভান্সড এবং নিওকেয়ার-এর মতো জনপ্রিয় ব্র্যান্ডগুলো। ইলেকট্রনিকস, ফ্যাশন, স্বাস্থ্যসেবা থেকে শুরু করে দৈনন্দিন ব্যবহার্য নানা পণ্যে থাকছে আকর্ষণীয় অফার।

ফ্রি ডেলিভারি সুবিধা পেতে গ্রাহকদের ন্যূনতম ৭৯৯ টাকা মূল্যের পণ্য অর্ডার করতে হবে। অ্যাপের ভাউচার সেন্টার থেকে ‘ফ্রি ডেলিভারি’ ও অন্যান্য ডিসকাউন্ট ভাউচার সংগ্রহ করে আরো বেশি সাশ্রয় করা যাবে।

দারাজ জানায়, ক্যাম্পেইনটি শুধু ছাড় বা অফারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়—এটি গ্রাহকদের জন্য একটি বিস্তৃত ও নির্ভরযোগ্য অনলাইন শপিং অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করতেই নেওয়া হয়েছে। গ্যাজেট, বিউটি প্রোডাক্ট, ফ্যাশন, হোম অ্যাপ্লায়েন্স থেকে শুরু করে আরও অনেক ক্যাটাগরির পণ্যে থাকছে অফার, যা প্রতিটি গ্রাহকের চাহিদা পূরণে সহায়ক হবে।

এই ক্যাম্পেইনের প্রতিটি দিনেই থাকছে নতুন নতুন চমক। তাই চোখ রাখুন দারাজ বাংলাদেশের ফেসবুক পেজ এবং দারাজ অ্যাপে।

দারাজ গ্রুপ সম্পর্কে ২০১৫ সালে প্রতিষ্ঠিত দারাজ দক্ষিণ এশিয়ার শীর্ষস্থানীয় ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম যা পাকিস্তান, বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা, নেপাল এবং মায়ানমারে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এটি ৫০ কোটির ও বেশি মানুষের বৃদ্ধিশীল এ অঞ্চলে বিক্রেতা ও ক্রেতাদের সর্বাধুনিক মার্কেটপ্লেস প্রযুক্তি প্রদান করে। ই-কমার্স, লজিস্টিকস, পেমেন্ট ও আর্থিক পরিষেবাগুলোকে নিয়ে এক সমন্বিত অবকাঠামো গড়ে দারাজ উন্নত শপিং অভিজ্ঞতা প্রদান এবং ব্যবসায়িক দক্ষতা বৃদ্ধি করে দক্ষিণ এশীয় সম্প্রদায়ের উন্নয়নে কাজ করছে।

আরো তথ্যের জন্য, অনুগ্রহ করে ভিজিট করুন দারাজ ওয়েবসাইট daraz.com অথবা নিয়মিত কর্পোরেট আপডেটের জন্য দারাজ লিংকডইন পেজ অনুসরণ করুন। www.daraz.pk

ঈদুল আজহার ১০ দিনের ছুটি ঘোষণা, ছুটি শুরু ৫ জুন

তবে আগমী  ১৭ মে ও ২৪ মে সাপ্তাহিক ছুটির দিন শনিবার সব সরকারি অফিস খোলা থাকবে।পবিত্র ঈদুল আজহার ছুটি শুরু আগামী ৫ জুন থেকে। টানা ১০ দিন ছুটি থাকবে। অর্থাৎ ছুটি শেষ হবে ১৪ জুন।

আজ মঙ্গলবার প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে ছুটির এই সিদ্ধান্ত হয়। বৈঠকে উপস্থিত দায়িত্বশীল একজন উপদেষ্টা ছুটির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে ১০ দিনের ছুটি ঘোষণার কথা জানান প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে তিনি এই সিদ্ধান্তের কথা জানান।

এ বছর পবিত্র ঈদুল ফিতরেও ২৮ মার্চ থেকে ৫ এপ্রিল পর্যন্ত টানা ৯ দিন ছুটি ছিল। ঈদ উপলক্ষে আগেই পাঁচ দিন টানা ছুটি ঘোষণা করেছিল সরকার। সেখানে নির্বাহী আদেশে আরও এক দিন ছুটি ঘোষণা করা হয়েছিল।
অবশ্য এই ছুটি শুরুর দুই দিন আগে ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের ছুটি ছিল। পরদিন বৃহস্পতিবার ২৭ মার্চ এক দিন অফিস খোলা ছিল।

অবৈধ বাংলাদেশি নারী শ্রমিকদের বৈধতা দিচ্ছে সৌদি

সৌদি আরব ও জর্ডানে অবস্থানরত অবৈধ বাংলাদেশি নারী শ্রমিকদের বৈধতার আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে সৌদি আরব বৈধতা দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে।
সৌদি আরব সফর শেষে মঙ্গলবার (৬ মে) সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানবিষয়ক উপদেষ্টা আসিফ নজরুল।আসিফ নজরুল বলেন, অবৈধ বাংলাদেশিদের বিষয়ে গত সৌদি আরব সফরের সময় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীর কাছে বৈধতা দেওয়ার অনুরোধ করেছিলাম।
এবারের সফরে জানতে পেরেছি, তারা ইতোমধ্যে অবৈধ নারী শ্রমিকদের বৈধতা দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে।
সাম্প্রতিক সফরে সৌদি আরবের মানবসম্পদ ও সামাজিক উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী (শ্রম) ড. আবদুল্লাহ এন আবুথনাইনের সঙ্গে বৈঠক করেন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল।
সৌদি আরবে অনুষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড অকুপেশনাল হেলথ অ্যান্ড সেফটি কনফারেন্সের ফাঁকে তিনি জর্ডানের এক মন্ত্রীর সঙ্গেও বৈঠক করেন।বৈঠকে জর্ডানের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ইচ্ছা প্রকাশ করলে সেখানকার অবৈধ বাংলাদেশি শ্রমিকরাও বৈধতা পেতে পারেন।
জানা যায়, গত ২১ বছরে( ২০০৪-২৫- এর এপ্রিল পর্যন্ত)) সৌদি আরব প্রায় ৬ লাখ বাংলাদেশি নারী শ্রমিক নিয়োগ দিয়েছে। একই সময়ে জর্ডানে নিয়োগ পেয়েছেন ২ লাখ ১১ হাজার বাংলাদেশি নারী শ্রমিক।
বাংলাদেশ সরকার জর্ডানে বাংলাদেশি পুরুষ শ্রমিক নিয়োগ বাড়ানোরও অনুরোধ জানিয়েছে।

আমু-সালমান-দীপু মনিসহ নতুন মামলায় গ্রেফতার ১০

ছাত্র-জনতার আন্দোলন নির্মূলের অভিযোগে সংগঠিত অপরাধে রাজধানীর বিভিন্ন থানার আনা পৃথক মামলায় আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য আমির হোসেন আমু, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, সাবেক মন্ত্রী ডা. দীপু মনিসহ দশ জনকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।

গ্রেফতারকৃত অন্যরা হলেন- ওয়ার্কাস পার্টি সভাপতি রাশেদ খান মেনন, সাবেক এমপি হাজী সেলিম, সাদেক খান, আব্দুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব, সাবেক আইজিপি শহীদুল হক ও চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন ও অভিনেত্রী শমী কায়সার।

আজ তাদের কারাগার থেকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে পুলিশ। এ সময় মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা তাদের এসব মামলায় গ্রেফতার দেখানোর আবেদন করেন।

শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জি এম ফারহান ইশতিয়াক তাদের এ মামলায় গ্রেফতার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেন। এরপর তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।

যাত্রাবাড়ী থানার সাজেদুর রহমান ওমর হত্যা মামলায় আমীর হোসেন আমু, সালমান এফ রহমান, ডা. দীপু মনি, শহীদুল হক, হাজী সেলিম ও চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুনকে গ্রেফতার দেখান আদালত।

শাহবাগ থানার মনির হোসেন হত্যা মামলায় রাশেদ খান মেনন, ভাটারা থানার হত্যাচেষ্টা মামলায় আব্দুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব, উত্তরা পূর্ব থানার জুবায়ের ইউসুফ হত্যাচেষ্টা মামলায় শমী কায়সার ও মোহাম্মদ থানার মামলায় সাদেক খানকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।

সাংবাদিকদের সুরক্ষা নিশ্চিতে আসুন ঐক্যবদ্ধ হই: তারেক রহমান

সাংবাদিকের সুরক্ষা নিশ্চিতে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস উপলক্ষে শুক্রবার রাতে ফেসবুক পেজে একটি পোস্টে তিনি এ আহ্বান জানান।

মেহেদী হকের একটি কার্টুন শেয়ার করে ওই পোস্টে তারেক রহমান লিখেছেন, বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবসে আসুন, আমরা নৈতিক ও সততার সঙ্গে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা এবং সত্য সম্পর্কে প্রতিবেদনকারী সাংবাদিকদের সুরক্ষার জন্য একত্রিত হই। সাংবাদিকরা গণতন্ত্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ হিসেবে কাজ করেন। তাদের কাজকে অবশ্যই রক্ষা করতে হবে এবং গ্রহণ করতে হবে, কোনোভাবে হামলা বা সেন্সরের মাধ্যমে দমন করা চলবে না। বাংলাদেশে আমরা সাম্প্রতিক ক্ষমতাচ্যুত কর্তৃত্ববাদী শাসকের পৃষ্ঠপোষকতায় দমন-পীড়নের মাধ্যমে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার নিয়মতান্ত্রিক অবক্ষয় প্রত্যক্ষ করেছি।

এ প্রসঙ্গে তিনি লেখেন, সেই সময় সাহস ও প্রতিশ্রুতির সঙ্গে অনেক সাংবাদিক দুর্নীতি, মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং আর্থসামাজিক ব্যর্থতা থেকে শুরু করে রাষ্ট্রের বিভিন্ন বিষয়ের ওপর আলোকপাত করেছিলেন। এই সাহসী সাংবাদিকরা সত্যের সন্ধানে, গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের জন্য লড়াই করে এবং মতপ্রকাশের মৌলিক মূল্যবোধ রক্ষা করে মূলধারার গণমাধ্যম এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মতামত তুলে ধরেছেন।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আরও লেখেন,  বিএনপি সাংবাদিকতার নতুন ব্র্যান্ডে অনুপ্রাণিত, যা নৈতিকতা ও সততার সর্বোচ্চ মান বহন করে। দলের এজেন্ডার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ না হলেও আমরা সাহসী ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতাকে সম্মান করি। আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা গণতন্ত্রের সাফল্য বা ব্যর্থতা নির্ধারণ করে। নিরপেক্ষ ও সৎ সাংবাদিকতা রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠে জনস্বার্থে কাজ করে। আমাদের যদি শক্তিশালী ও স্থিতিশীল গণতন্ত্র টিকিয়ে রাখতে হয়, তাহলে অবশ্যই সাংবাদিকতার অখণ্ডতা ও স্বাধীনতা বজায় রাখতে হবে। আসুন, আমরা এমন দেশ গড়ে তুলি, যেখানে সরকার মত প্রকাশের স্বাধীনতা, মানবাধিকার এবং সংবাদমাধ্যমসহ সবার জন্য আইনের শাসন নিশ্চিত করবে।

১৯৬৩ সালে বন্ধ হওয়া আলকাট্রাজ কারাগার ফের চালুর নির্দেশ ট্রাম্পের

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ১৯৬৩ সালে বন্ধ হয়ে যাওয়া যুক্তরাষ্ট্রের ঐতিহাসিক আলকাট্রাজ কারাগার পুনরায় চালুর নির্দেশ দিয়েছেন। ভয়ঙ্কর ও দাগী অপরাধীদের জন্য কারাগারটি আধুনিকভাবে সম্প্রসারণ ও পুনর্নির্মাণ করে আবারও চালু করা হবে বলে তিনি জানিয়েছেন।

ওয়াশিংটন থেকে তাস জানায়, নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ এক বিবৃতিতে ট্রাম্প লেখেন, ‘আলকাট্রাজ পুনর্নির্মাণ করুন এবং খুলে দিন! বহুদিন ধরে আমেরিকা সহিংস ও ধারাবাহিক অপরাধীদের দ্বারা জর্জরিত। এরা সমাজের জঞ্জাল, যারা সমাজে কেবল দুঃখ ও দুর্ভোগই বয়ে আনে।’

ট্রাম্প লিখেছেন, ‘অতীতে, যখন আমরা আরও সিরিয়াস জাতি ছিলাম, তখন আমরা ভয়ঙ্কর অপরাধীদের বিনা দ্বিধায় আটক করতাম এবং জনসাধারণ থেকে দূরে রাখতাম। এখন সেই সময় ফিরিয়ে আনার দরকার। এইসব অপরাধীর দৌরাত্ম্য আর সহ্য করা হবে না।’

তিনি বলেন, ‘আমরা আর অপরাধীদের হাতে জিম্মি থাকব না—না কোনো দুর্বল বিচারকের, না কোনো ব্যর্থ আইন ব্যবস্থার। যারা অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেছে এবং অপরাধে লিপ্ত হয়েছে, তাদের কঠোরভাবে দমন করাই আমাদের দায়িত্ব। নতুন করে চালু হওয়া আলকাট্রাজ হবে আইন, শৃঙ্খলা ও ন্যায়ের প্রতীক।’

উল্লেখ্য, সান ফ্রান্সিসকো উপসাগরের একটি দ্বীপে অবস্থিত আলকাট্রাজ কারাগার নির্মিত হয় ১৯১২ সালে। ১৯২০ সালের মধ্যেই এটি বন্দিদের পূর্ণ হয়ে যায়। শুরুতে এটি দীর্ঘমেয়াদি সামরিক কারাগার হিসেবে ব্যবহৃত হলেও পরে কুখ্যাত অপরাধীদের কঠোর শাস্তির স্থল হিসেবে পরিচিতি পায়। ১৯৩৬ সালে এটি যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগের আওতায় আসে এবং কঠোর নিরাপত্তার একটি কারাগারে রূপ নেয়। ১৯৬৩ সালে কারাগারটি বন্ধ করে দেওয়া হয়।

কোভিড-১৯ মহামারির জন্য দায়ী দাবিকৃত ভাইরাস গবেষণার ওপর নিষেধাজ্ঞার নির্দেশ ট্রাম্পের

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সোমবার জৈবিক গবেষণা ‘গেইন-অফ-ফাংশন’-এর ওপর নতুন বিধিনিষেধ আরোপের নির্দেশ দিয়েছেন। তার প্রশাসন বলেছে, ওই গবেষণায় চীনে ল্যাব লিকিংয়ের মাধ্যমে কোভিড-১৯ মহামারি ঘটেছে।
সোমবার হোয়াইট হাউসে ট্রাম্প স্বাক্ষরিত একটি নির্বাহী আদেশ উদ্ধৃত করে ওয়াশিংটন থেকে এএফপি জানায়, যুক্তরাষ্ট্র কিছু দেশে রোগ জীবাণুর বৈশিষ্ট্য বৃদ্ধির লক্ষ্য নিয়ে তথাকথিত ‘গেইন-অফ-ফাংশন’ পরীক্ষার অর্থায়ন বন্ধ করবে।
স্বাস্থ্য মন্ত্রী রবার্ট এফ. কেনেডি জুনিয়র এক্স-এ লিখেছেন, ‘এমন কোনো ল্যাবরেটরি নেই যা লিক থেকে মুক্ত ও ভবিষ্যতে অসাবধানতাবশত লিক হওয়া এবং মানবতা বিপন্ন করা রোধ করতে পারে।’
জাতীয় স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের পরিচালক জয় ভট্টাচার্য বলেন, ‘কোন দেশ যারা এ ধরনের গবেষণায় জড়িত হয় তারা তাদের নিজস্ব জনসংখ্যার পাশাপাশি বিশ্বকেও বিপন্ন করে, যেমনটি আমরা কোভিড মহামারির সময় দেখেছি।’
ট্রাম্প দীর্ঘদিন ধরে যে তত্ত্বের পক্ষে কথা বলছেন সেটি হলো, উহান ইনস্টিটিউট অফ ভাইরোলজি থেকে ‘গেইন-অফ-ফাংশন’ গবেষণার ফলে ‘সার্স-সিও ভি-২’ ভাইরাসটি ছড়িয়েছে। তবে, এর বিকল্প তত্ত্বে বলা হয় ভাইরাসটি প্রাকৃতিকভাবে বন্য প্রাণী থেকে মানুষের মধ্যে একই শহরের একটি সামুদ্রিক খাবারের বাজারে ছড়িয়ে পড়েছিল।
মার্কিন সরকারের ওয়েবসাইট ‘কোভিড ডট গভ.’ ইতোপূর্বে ভ্যাকসিন প্রচার ও পরীক্ষার তথ্য প্রচারের ওপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করেছিল। ওয়েবসাইটটি এখন ল্যাব লিককে সমর্থনের যুক্তি তুলে ধরার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে।
ফেডারেল ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন, জ্বালানি বিভাগ ও সম্প্রতি, সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স এজেন্সিসহ বেশ ক’টি মার্কিন সংস্থা যারা ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে  ভাইরাস ছড়ানো প্রসঙ্গে তাদের অবস্থান পরিবর্তন করেছিল তারা এখন ল্যাব থেকে উৎপত্তির পক্ষে ঝুঁকে পড়েছে। তবে, বেশ ক’টি গোয়েন্দা সংস্থা প্রাকৃতিকভাবে ছড়িয়ে পড়ার পক্ষে।
২০১০-এর দশকে, জাতীয় স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটগুলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক অলাভজনক ইকোহেলথ অ্যালায়েন্সের মাধ্যমে উহান ইনস্টিটিউটে বাদুড়ের করোনাভাইরাস গবেষণায় (ব্যাট করোনা ভাইরাস রিসার্চ)-এ অর্থায়ন করে। তবে ট্রাম্প তার প্রথম মেয়াদে থাকাকালীন ২০২০ সালে ওই অনুদান বাতিল করে দেন। পরে সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের অধীনে অনুদানটি আংশিক পুনরুদ্ধার হয়।
ট্রাম্পের আদেশে চীনকে ‘উদ্বেগের দেশ’ অভিহিত করে বলা হয়, সেখানের এই ধরনের গবেষণা সমর্থন করা উচিত নয়।
ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশটি তার প্রশাসনের আমেরিকান বিজ্ঞান ও স্বাস্থ্য নীতি পুনর্গঠনের বিস্তৃত প্রচেষ্টার মধ্যে এসেছে। সরকারি বিজ্ঞানীদের ব্যাপকভাবে বরখাস্ত করা ও গবেষণা বাজেটে ব্যাপক হ্রাস সংস্কারের অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।