Home Blog Page 454

ক্ষতি যা হওয়ার বাংলাদেশ ক্রিকেটের হয়ে গেছে, বলছেন হাথুরু

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সদ্য সাবেক সভাপতি ফারুক আহমেদকে যেসব কারণে অপসারণ করা হয়েছে তার মধ্যে একটি, সাবেক কোচ চন্ডিকা হাথুরুসিংহকে চাকরিচুত্য করা। এ ঘটনা অবশ্য চোখ এড়ায়নি হাথুরুর। ফারুকের বিদায় নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি পোস্ট করেছেন এই লঙ্কান কোচ।

লিংকডইনে হাথুরু লিখেছেন, ব্যাপারটি শুনেই হাথুরু বললেন, ‘ইন্টারেস্টিং!’ সঙ্গে জুড়ে দিলেন ভ্রু কুঁচকানো একটা ইমোজি। তবে হাথুরু মনে করেন, ক্ষতি যাওয়ার বাংলাদেশ ক্রিকেট ও তার হয়ে গেছে। লিটন-শান্তদের সাবেক কোচ বলেন, ‘ক্ষতি যা হওয়ার বাংলাদেশ ক্রিকেট এবং আমার হয়ে গেছে…।’

২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপে নাসুম আহমেদকে চড় মারার অভিযোগ ওঠে হাথুরুর বিরুদ্ধে। বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দলের পারফরম্যান্সও সন্তোষজনক ছিল না। দেরি হলেও বিসিবি পরিচালক ও বিশ্বকাপের পারফরম্যান্স পর্যালোচনা কমিটির সদস্য মাহবুব আনাম গতকাল নাসুমের চড় কাণ্ডের ঘটনাটি উড়িয়ে দিয়েছেন। কিছুটা চাপা কষ্ট নিয়েই যেন হাথুরু বললেন, ‘আমরা সবাই বিশ্বাস করি ওপরওয়ালা একজন আছেন, তিনি তার সময়মতো সবকিছু বুঝিয়ে দেবেন। দুর্ভাগ্যবশত ক্ষতি যা হওয়ার হয়ে গেছে!’

সম্প্রতি হাথুরু অস্ট্রেলিয়া এক সংবাদমাধ্যমকে আগের মতোই নাসুমকে আঘাতের ঘটনা অস্বীকার করেন। তিনি জানান, এমন কিছুই হয়নি সেই বিশ্বকাপে। উল্টো হাথুরুসিংহে তাঁর ক্যারিয়ারের ক্ষতি করার অভিযোগ তোলেন বিসিবির বিরুদ্ধে। ওই সংবাদমাধ্যমকে বলেছিলেন ‘ক্রিকেট আমার সবকিছু। কারণ এটাই আমার ক্যারিয়ার। তারা আমাকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না দিয়ে উল্টো অভিযোগ এনে আমার ক্যারিয়ার ধ্বংস করে দিয়েছে।’

বাড়ছে অজ্ঞাতনামা লাশ, কমছে না গণপিটুনি: এমএসএফ

বাংলাদেশে অজ্ঞাতনামা মরদেহ উদ্ধারের ঘটনা বাড়ছে এবং গণপিটুনির মাধ্যমে আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার প্রবণতাও অব্যাহত রয়েছে। শনিবার (৩১ মে) গণমাধ্যমে পাঠানো মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশন (এমএসএফ) তাদের মে মাসের মানবাধিকার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদনে এই উদ্বেগজনক তথ্য জানিয়েছে। বিভিন্ন পত্রিকার তথ্য বিশ্লেষণ করে প্রতি মাসের মতো এবারও এই প্রতিবেদন তৈরি করেছে এমএসএফ।

এমএসএফ-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, মে মাসে অজ্ঞাতনামা মরদেহ উদ্ধারের ঘটনা বেড়েছে, যা দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি নির্দেশ করে। পাশাপাশি, গণপিটুনির ঘটনাও বন্ধ হয়নি, যার ফলে হতাহতের সংখ্যা বাড়ছে। এই দুটি ঘটনাই নাগরিক জীবনে নিরাপত্তার অভাব এবং বিচারহীনতার সংস্কৃতির দিকে ইঙ্গিত দেয়।

এমএসএফ-এর পাঠানো প্রতিবেদন অনুযায়ী, মে মাসে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর আটকের ভয়ে পালাতে গিয়ে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড কম থাকলেও নিজেদের আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও সহিংসতায় হতাহতের ঘটনা বেড়েছে। এছাড়া দুষ্কৃতিকারীদের হাতে রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের নিহত হওয়ার ঘটনাও বৃদ্ধি পেয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, মে মাসে ৫৪টি রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনায় ৩৫৯ জন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এর মধ্যে ৮ জন নিহত এবং ৩৫১ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে ৯ জন গুলিবিদ্ধ। নিহতদের মধ্যে বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দলে ১ কিশোরসহ ৬ জন, নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরীণ কোন্দলে ১ কিশোর এবং আওয়ামী-জামাত সংঘর্ষে জামাতের ১ জন রয়েছেন।

এমএসএফ জানিয়েছে, সারা দেশে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও সরকারের পতন সংক্রান্ত বিভিন্ন মামলায় নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের ৪২২ জন নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর মধ্যে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকে কেন্দ্র করে গ্রেপ্তার হয়েছেন ১৪১ জন এবং অন্যান্য মামলায় ২৮১ জন। এছাড়াও চলতি মাসে ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট’-এ ৩২ জন এবং পুলিশের বিশেষ অভিযানে মামলা ও ওয়ারেন্টভুক্তসহ অন্যান্য মামলায় ২৪ হাজার ৭৩৩ জন গ্রেপ্তার হয়েছেন।

এমএসএফ-এর তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, এপ্রিল মাসের মতোই মে মাসেও নারী ও শিশু ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। নারী ও শিশুদের ওপর সহিংসতা যেমন হত্যা ও আত্মহত্যার ঘটনা বেড়েছে, তেমনি শিশু ও নারীদের প্রতি শারীরিক নির্যাতনও বৃদ্ধি পেয়েছে। মে মাসে ৩৬৮টি নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে, যা গত মাসের (৩৬২টি) চেয়ে ৬টি বেশি। এই মাসে ৫৯টি ধর্ষণের ঘটনা, ১৬টি সংঘবদ্ধ ধর্ষণ এবং ৫টি ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনা রেকর্ড করা হয়েছে। এর মধ্যে ৬ জন প্রতিবন্ধী কিশোরী ও নারী ধর্ষণের শিকার হয়েছেন।

এমএসএফ আরও জানিয়েছে, সীমান্তে হতাহতের ঘটনা বন্ধ হয়নি, বরং বাংলা ভাষাভাষীদের ‘পুশ ইন’ করার ঘটনা ঘটিয়ে সীমান্তকে অস্থিতিশীল করে তোলা হয়েছে। মে মাসে সীমান্তে গুলি করে হত্যা ও বাংলাদেশি নাগরিকদের ধরে নিয়ে যাওয়ার ঘটনাও ঘটেছে।

এমএসএফ সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্তৃপক্ষের কাছে মানবাধিকার লঙ্ঘন প্রতিরোধ ও সুরক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে রাজনৈতিক চর্চা, শান্তিপূর্ণ সমাবেশ, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, সমমর্যাদা এবং নাগরিক জীবনে নিরাপত্তার বিষয়গুলোর নিশ্চয়তা বিধানের জন্য জোর দাবি জানিয়েছে।

প্রথমবার চ্যাম্পিয়ন্স লিগের চ্যাম্পিয়ন পিএসজি

মিউনিখের এ মাঠে খেলা হলেই না কি নতুন কোনো দল চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শিরোপা জেতে। অলিখিত সেই নিয়মই যেন ধরে রাখল ২০২৫।  শনিবার রাতে ইন্টার মিলানকে ৫-০ গোলে বিধ্বস্ত করে প্রথমবার চ্যাম্পিয়ন্স লিগ চ্যাম্পিয়ন পারি সা জার্মেই।

ইউরোপ সেরা হবার অনুভুতি কেমন? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে দেখতে হবে পিএসজির উদযাপন। এ যেন অসাধ্যকে সাধন করল লা পারিসিয়ান। এই একটা ট্রফির জন্য কত কিছুইনা করেছে ফরাসি জায়ান্টরা, অবশেষে দিলো ধরা। ডেভিড বেকহ্যাম, রোনালদিনিয়ো থেকে মেসি, নেইমার, এমবাপ্পেরা যা করে দেখাতে পারেনি, সেটাই করে দেখালেন দেম্বেলে, দুয়েরা।

একই ফ্রেমে আনন্দ-বেদনা, দেড় দশকের খরা কাটানো হলো না নেরাজ্জুরিদের। যাদের কিনা দেড় মাস আগে সুযোগ ছিল ট্রেবল জয়ের, তবে মৌসুম শেষে শূন্য হাতে ফিরল সিমোনে ইনজাঘির দল। তিন মৌসুমে দ্বিতীয়বার ফাইনাল খেলেও শিরোপাটা ছোঁয়া হলোনা ইতালিয়ান বসের।

ইতিহাসের পাতায় লুইস এনরিক। ভিন্ন ক্লাবের হয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগসহ একবারের বেশি ট্রেবল জয়ের এলিট ক্লাসে নাম লেখালেন স্প্যানিশ ট্যাকটিশিয়ান। তার আগে এই কীর্তি আছে শুধু পেপ গার্দিওয়ালার।

মিউনিখ দখলে নিয়েছিল পিএসজি সমর্থকরা। তাদেরও হতাশ করেনি পারি সা জার্মেই। প্রথমার্ধেই দুই গোলের লিড। দিজিরে দুয়ের পাস থেকে স্কোরশিটে নাম লেখান আশরাফ হাকিমি। নিজের সাবেক ক্লাবের বিপক্ষে ছিলো না গোল উদযাপন।

প্রথম গোলের কারিগর এবার অনেকটা ভাগ্যের ছোঁয়ায় জালের দেখা পেয়েছেন। সবচেয়ে কম ১৯ বছর বয়সে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফাইনালে গোল ও অ্যাসিস্টের রেকর্ড গড়লেন দুয়ে।

দ্বিতীয়ার্ধে যেন হাল ছেড়ে দিয়েছে ইন্টার মিলান। ৬৩ থেকে ৮৪ আরও তিন গোল ইতালিয়ান জায়ান্টদের জালে। দুয়ে পূর্ণ করেন জোড়া।

কাভারাৎস্খেলিয়া ও আরেক তরুণ তুর্কি সিনে মায়ুলু জয়ের আনন্দ বড় করেছেন। চ্যাম্পিয়ন্স লিগ মৌসুমে ১৩ গোলে অবদান ওসমান দেম্বেলের। পিএসজি জার্সিতে ছাড়িয়ে গেছেন এমবাপ্পেকে। ব্যালন ডি অর জয়ের যোগ্য দাবিদার ফরাসি তারকা।

চ্যাম্পিয়ন্স লিগে মিউনিখের ইতিহাস অক্ষুণ্ন রইলো। পাঁচ ফাইনালে প্রতিবারই নতুন চ্যাম্পিয়ন পেলো ইউরোপ।

শিল্পীদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়া ন্যক্কারজনক: আবুল হায়াত

ছোট পর্দার বরেণ্য অভিনেতা আবুল হায়াত শিল্পীদের হাতকড়া পরিয়ে গ্রেপ্তার করার ঘটনাকে ‘ন্যক্কারজনক’ বলে অভিহিত করেছেন। শনিবার (৩১ মে) রাজধানীর পার্বত্য চট্টগ্রাম কমপ্লেক্সে অনুষ্ঠিত অভিনয় শিল্পী সংঘ বাংলাদেশের ‘অ্যাক্টর’স ফ্যামিলি ডে ও অভিষেক-২০২৫’ অনুষ্ঠানে তিনি এই মন্তব্য করেন।

আবুল হায়াত বলেন, “কথা নেই, বার্তা নেই, শিল্পীদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যায়, এক হাজারজনের মধ্যে সে নাকি আসামি, মানুষ খুন করেছে। তাকে সঙ্গে সঙ্গে নিয়ে জেলখানায় ধরে রিমান্ডে দিয়ে দেওয়া হচ্ছে।”

এই ধরনের গ্রেপ্তারের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি অভিনয় শিল্পী সংঘের লিগ্যাল কমিটির প্রতি আইনি বিষয়ে আরও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানান।

তার মতে, “আইনি বিষয়ে আমাদের আরো শক্ত হতে হবে। এ জিনিসগুলো নিয়েও আমাদের লিগ্যাল কমিটির কাজ করতে হবে, অনেক করণীয় আছে। কারণ, পাবলিকের কাছে আমাদের জবাবদিহি করতে হয়।”

একজন শিল্পীকে গ্রেপ্তার করা হলে জনমনে যে প্রশ্ন তৈরি হয়, সে বিষয়েও আবুল হায়াত আলোকপাত করেন। তিনি বলেন, একটি সংবাদমাধ্যম থেকে তাকে একজন শিল্পীর গ্রেপ্তার প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বলেছেন, “আমার ফিলিংয়ের কিছু নেই, ওনার যদি অপরাধ থাকে, সেটা তদন্ত হবে, বিচার হবে; কিন্তু অপরাধ যদি না থাকে, তাহলে এভাবে নিয়ে যাওয়া ন্যক্কারজনক, এটা রীতিমতো অন্যায়।”

আবুল হায়াত মনে করেন, রাজনীতি করার অধিকার সবারই আছে। তবে, কে কতটা রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকছেন এবং তা দেশের বা সংগঠনের ক্ষতি করছে কিনা, সেদিকে নজর রাখা জরুরি।

তিনি বলেন, “এই সব ব্যাপার এখন ওপরে আসছে, সংগঠনকে এ বিষয়গুলো দেখতে হবে।”

স্বামী রবিনের আবেগঘন বার্তায় ভাসছেন পূর্ণিমা

চিত্রনায়িকা দিলারা হানিফ পূর্ণিমা ও তার জীবনসঙ্গী আশফাকুর রহমান রবিন আজ তাদের ভালোবাসার তিন বছর উদযাপন করছেন! ২০২৩ সালের ২৭ মে তাদের নতুন পথচলা শুরু হয়েছিল, আর দেখতে দেখতেই কেটে গেল তিনটি বছর, যা ভরে উঠেছে ভালোবাসা, বোঝাপড়া আর অসংখ্য সুন্দর স্মৃতিতে।

বিশেষ এই দিনে স্ত্রীর জন্য এক আবেগঘন বার্তা দিয়েছেন আশফাকুর রহমান রবিন। নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্টে পূর্ণিমার সঙ্গে কিছু চমৎকার মুহূর্তের ছবি শেয়ার করে তিনি লিখেছেন, “আলহামদুলিল্লাহ, আজ আমাদের বৈবাহিক জীবনের তিন বছর পূর্ণ হলো, যা ছিল ভালোবাসা, ধৈর্য আর অগণিত স্মৃতির এক অসাধারণ যাত্রা।”

রবিন তার পোস্টে আরও স্পষ্ট করে তুলে ধরেছেন, কীভাবে পূর্ণিমা শুধু একটি দিন নয়, বরং প্রতিদিনের জীবনের ভাঁজে ভাঁজে তার হৃদয়ের বিশেষ স্থানটি অধিকার করে আছেন। তিনি লিখেছেন, “আল্লাহর কাছে অশেষ কৃতজ্ঞতা যে, তিনি আমাকে দিলারা হানিফ পূর্ণিমার মতো একজন জীবনসঙ্গী দিয়েছেন। যে বোঝে, সমর্থন দেয়, আর সবসময় নিঃশব্দে পাশে থাকে। তুমি আমাদের এই পথচলাকে এতটা বিশেষ করে তুলেছো— আমি এর চেয়ে বেশি কিছু কল্পনাও করিনি।”

দেশের ৫০ লাখ মানুষ বিদ্যুৎবিহীন

সাগরে নিম্নচাপের প্রভাবে ঝড়-বৃষ্টিতে প্লাবিত হয়েছে অনেক জেলা। ঝড়ে লাইন বিচ্ছিন্ন হয়ে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল, উপকূলীয় এলাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। এতে কমপক্ষে ৫০ লাখ গ্রাহক বিদ্যুৎবিহীন হয়ে পড়ে। দুর্ঘটনা এড়াতে অনেক স্থানে বন্ধ রাখা হয় সংযোগ। ‍বিদ্যুৎ না থাকায় ব্যাহত হচ্ছে মোবাইল ফোন ও ইন্টারনেট সেবা।

পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের সদস্য (বিতরণ) আব্দুর রহিম মল্লিক গতকাল শুক্রবার জানান, দু’দিনের ঝড়-বৃষ্টিতে তাদের কমপক্ষে ৫০ লাখ গ্রাহক বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছিল। তবে সন্ধ্যার মধ্যে একটা বড় অংশের বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হয়েছে। যেসব মোবাইল ফোন টাওয়ার বিদ্যুতের অভাবে অচল হয়ে পড়েছিল, সেগুলো সচল হয়েছে। তবে বিচ্ছিন্ন কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। ওই লাইনগুলো মেরামতের কাজ চলছে।

এদিকে মোবাইল ফোন অপারেটরগুলো জানিয়েছে, শুক্রবার পর্যন্ত তিন অপারেটরের অচল হওয়া সাইটের সংখ্যা (টাওয়ার) প্রায় ১৩ হাজার। এর মধ্যে গ্রামীণফোনের ৪ হাজার ৪৭৪টি, বাংলালিংকের ৩ হাজার ২০টি এবং রবির ৫ হাজার ৫০০টি টাওয়ার রয়েছে। তবে গতকাল সন্ধ্যার মধ্যে এসব টাওয়ার ৮০ শতাংশ সচল হয়েছে।

সংবিধান ও মুক্তিযুদ্ধই সেনাবাহিনীর চেতনার উৎস: সেনাবাহিনী প্রধান

সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেছেন, বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর চেতনার মূল উৎস হলো সংবিধানের নির্দেশনা এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় জাতির অসীম আত্মত্যাগ থেকে পাওয়া শিক্ষা। এই চেতনায় বাংলাদেশ বিশ্ব শান্তি রক্ষায় দৃঢ় অঙ্গীকারাবদ্ধ।

বৃহস্পতিবার (২৯ মে) আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবসে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে বাংলাদেশ সশস্ত্রবাহিনী বিভাগ আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি। বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আহত শান্তিরক্ষীদের সংবর্ধনার জন্য এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে প্রাণ উৎসর্গ করা দেশের বীর সৈনিক ও পুলিশ সদস্যদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে সেনাপ্রধান তাঁর বক্তব্য শুরু করেন। তিনি বলেন, ‘আমি শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি, ১৬৮ জন বীর সৈনিক ও পুলিশ সদস্যদের, যারা বিভিন্ন শান্তিরক্ষা মিশনে প্রাণ উৎসর্গ করেছেন। তাদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি। তাদের এই আত্মত্যাগ জাতি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ রাখবে।’

জেনারেল ওয়াকার বলেন, বাংলাদেশ ১৯৮৮ সাল থেকে জাতিসংঘের আহ্বানে সাড়া দিয়ে বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছে। বর্তমানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৪৮৮০ জন, নৌবাহিনীর ৩৪৩ জন, বিমান বাহিনীর ৩৯৬ জন এবং পুলিশ বাহিনীর ১৯৯ জনসহ মোট ৫৫১৮ জন শান্তিরক্ষী বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নয়টি শান্তিরক্ষা মিশনে নিয়োজিত রয়েছেন।

সেনাপ্রধান বলেন, ‘আমাদের শান্তিরক্ষীরা নিজেদের জীবন ঝুঁকি নিয়ে উন্নত প্রশিক্ষণ, নৈতিক মূল্যবোধ ও দক্ষতার প্রমাণ রেখে নিরপেক্ষতার সঙ্গে সকল চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে যাচ্ছে। পুরুষ সদস্যদের পাশাপাশি ৩৬৪৫ জন নারী শান্তিরক্ষী সফলভাবে শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেছেন। বর্তমানে ৪৪৪ জন নারী শান্তিরক্ষী সক্রিয়ভাবে কাজ করছেন।’

এই পর্যায়ে কূটনীতিক ও বিদেশি অতিথিদের উদ্দেশ্যে ইংরেজিতে সেনাপ্রধান বলেন, ‘আমি আপনাদের অবহিত করতে চাই, বাংলাদেশ বৈশ্বিক শান্তির প্রতি তার সুদৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করছে, যা প্রতিনিয়ত জাতিসংঘের আহ্বানে সাড়া দেওয়ার মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে। আমাদের চেতনার উৎস হলো সংবিধানের নির্দেশনা এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় অসীম আত্মত্যাগ থেকে শিক্ষা। আমরা ভবিষ্যতেও বৈশ্বিক শান্তির পক্ষে অবিচলভাবে অটল থাকব।’

এতে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমের ওপর একটি বিশেষ উপস্থাপনা তুলে ধরা হয়। জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী গোয়েন লুইস ও ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্রসচিব মো . রুহুল আলম সিদ্দিকী বক্তব্য দেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন অর্থ উপদেষ্টা ড . সালেহউদ্দিন আহমেদ। তিনি শেষভাগে বক্তব্য দেন এবং শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে নিয়োজিত বাংলাদেশি সদস্যদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে মতবিনিময় করেন।

বাংলাদেশে চালু হচ্ছে ‘গুগল পে’, মিলবে যেসব সুবিধা

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, এক মাসের মধ্যে  বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হতে যাচ্ছে বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয় ডিজিটাল পেমেন্ট সেবা ‘গুগল পে’। শুক্রবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে এক পোস্টে এ তথ্য জানান তিনি।

আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর, বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয় ডিজিটাল পেমেন্ট সেবা ‘গুগল পে’ আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশে চালু হতে যাচ্ছে।’ আগামী এক মাসের মধ্যেই এই সেবা দেশের ডিজিটাল লেনদেন ব্যবস্থায় তাদের কার্যক্রম শুরু করবে। এই সেবা চালুর মাধ্যমে বাংলাদেশের স্মার্টফোন ব্যবহারকারীরা তাদের হাতে থাকা ডিভাইসকেই একটি ‘পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল ওয়ালেট হিসেবে ব্যবহার করতে পারবেন।’ এর ফলে আলাদা করে ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ড বহন করার প্রয়োজনীয়তা অনেকাংশে কমে যাবে।

প্রসঙ্গত, এখন পর্যন্ত দেশের ব্যাংকিং অবকাঠামোর সাথে গুগল ওয়ালেটের সমন্বয় না থাকায় বাংলাদেশে এই সেবা চালু করা সম্ভব হয়নি। তবে প্রযুক্তি-প্রেমী শহুরে ব্যবহারকারীদের মধ্যে এনএফসি পেমেন্টের চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। এই উদ্যোগ দেশের আর্থিক লেনদেনের খাতে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে।

সিটি ব্যাংক ও গুগল একসাথে এই প্রকল্প বাস্তবায়নের দায়িত্ব নিয়েছে। চালু হলে ব্যবহারকারীরা কনট্যাক্টলেস পয়েন্ট অফ সেল (পিওএস) টার্মিনালে সহজেই ‘ট্যাপ অ্যান্ড গো’ পেমেন্ট করতে পারবেন, যা তাদের কেনাকাটাকে করবে আরও দ্রুত, নিরাপদ ও আধুনিক।

বহুমুখী সংকটে বাংলাদেশের পোশাকখাত

বাংলাদেশের রপ্তানিনির্ভর তৈরি পোশাক (আরএমজি) খাত গত এক বছরে ১০ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। তবে এই খাত বর্তমানে একাধিক জটিল সংকটে আক্রান্ত—যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক বৃদ্ধি, ভারতের বাণিজ্য প্রতিবন্ধকতা এবং অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক অস্থিরতা এ শিল্পের টেকসই প্রবৃদ্ধিকে গুরুতর হুমকির মুখে ফেলেছে। জাপানভিত্তিক সংবাদমাধ্যম নিক্কেই এশিয়ার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, দেশের মোট রপ্তানির প্রায় ৮০ শতাংশ আসে এই খাত থেকে, যেখানে লাখ লাখ শ্রমিকের কর্মসংস্থান জড়িত। তবে চলতি বছরের ১৭ মে ভারত সীমান্তবর্তী স্থলবন্দরগুলো দিয়ে বাংলাদেশের তৈরি পোশাকসহ কিছু পণ্যের আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করে। এই পদক্ষেপটি বাংলাদেশ কর্তৃক ভারতীয় সুতা আমদানিতে আরোপিত নিষেধাজ্ঞার জবাবে দেওয়া হয়। এতে বাংলাদেশের ভারতের বাজারে রপ্তানির প্রায় ৪২ শতাংশ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, ফলে রপ্তানিকারকদের ব্যয়বহুল ও সময়সাপেক্ষ সমুদ্রপথ ব্যবহার করতে হচ্ছে।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্র এরই মধ্যে বাংলাদেশের পণ্যে অতিরিক্ত ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছে, যা ৩৭ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে। যদিও ট্রাম্প প্রশাসনের এই শুল্ক আরোপকে মার্কিন আন্তর্জাতিক বাণিজ্য আদালত অনৈতিক বলে মন্তব্য করেছে, তবে এখনও তা প্রত্যাহার হয়নি।

বাংলাদেশ নিটওয়্যার প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিকেএমইএ) সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, ‘আমরা অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক উভয় দিক থেকেই সংকটে আছি। নীতিগত সহায়তার ঘাটতি, উচ্চ সুদের হার, গ্যাস সংকট, উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি এবং আমদানি-রপ্তানিতে প্রতিবন্ধকতা শিল্পকে চাপে ফেলেছে।’

গ্যাস ঘাটতির কারণে অনেক টেক্সটাইল কারখানার উৎপাদন সক্ষমতা ৩০ থেকে ৪০ শতাংশে নেমে গেছে। সেই সঙ্গে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি ও এনবিআর কর্মকর্তাদের ধর্মঘট ব্যবসা-বাণিজ্যে বড় ধরনের বিঘ্ন সৃষ্টি করছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, ভারতের এসব পদক্ষেপ মূলত দুই দেশের রাজনৈতিক সম্পর্কের অবনতির প্রেক্ষাপটে এসেছে। গত বছরের আগস্টে শেখ হাসিনার পদত্যাগের পর দুই দেশের মধ্যে টানাপোড়েন বৃদ্ধি পেয়েছে। এর জেরে ভারত ট্রান্সশিপমেন্ট সুবিধা স্থগিত করে, যার প্রভাব গার্মেন্টস রপ্তানিতে পড়ছে।

জায়ান্ট গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও বিজিএমইএ-এর সাবেক সভাপতি ফারুক হাসান বলেন, ‘ভারতের ট্রান্সশিপমেন্ট বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সরাসরি ফ্লাইট না থাকা দেশগুলোতে রপ্তানি ব্যয় বেড়েছে ও সময়ও বেশি লাগছে।’

বিজিএমইএ-এর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৫ সালের মার্চ পর্যন্ত ভারত হয়ে ৩৬টি দেশে ৩৪,৯০০ মেট্রিক টন পোশাক রপ্তানি করেছে বাংলাদেশ, যার মূল্য প্রায় ৪৬২.৩৪ মিলিয়ন ডলার।

রাজনৈতিক অস্থিরতা ও ধর্মঘটও বড় প্রতিবন্ধকতা হয়ে দাঁড়িয়েছে। সরকারি কর্মচারী থেকে শুরু করে পোশাকশ্রমিকরা নিয়মিত আন্দোলনে অংশ নিচ্ছেন, ফলে সরকারের মনোযোগ মূলত এসব দমনেই ব্যস্ত, বাণিজ্য নীতিনির্ধারণে নয়।

এই পরিস্থিতির মধ্যেও জুলাই ২০২৪ থেকে এপ্রিল ২০২৫ পর্যন্ত সময়ে তৈরি পোশাক খাত ৩২.৬৪ বিলিয়ন ডলারের রপ্তানি আয় করেছে, যা আগের বছরের তুলনায় ১০ শতাংশ বেশি।

হাতেম বলেন, ‘আমাদের উদ্যোক্তারা কঠোর পরিশ্রম করছেন, নতুন বাজার খুঁজছেন, পণ্যের মান ও বৈচিত্র্য বাড়াচ্ছেন। ক্রেতারাও আমাদের ওপর আস্থা রাখছেন।’

তবে সব কিছুর পরেও ছোট ও মাঝারি কারখানাগুলো মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফারুক হাসান বলেন, ‘ছোট কারখানাগুলো রক্ষা না করলে ভবিষ্যতে পুরো খাত বিপদে পড়বে। কারণ এদের মধ্য থেকেই বড় শিল্প গড়ে ওঠে।’

বর্তমান রাজনৈতিক ও বাণিজ্যিক অনিশ্চয়তা চলতে থাকলে এই প্রবৃদ্ধি ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়বে বলেও তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন।

এমন প্রেক্ষাপটে ব্যবসায়ীরা ২০২৫ সালের নভেম্বরে নির্ধারিত বাংলাদেশের স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা  থেকে উত্তরণ পেছানোর দাবি জানিয়েছেন, যাতে শুল্কমুক্ত সুবিধা কিছু সময়ের জন্য বজায় থাকে। যদিও যুক্তরাজ্য ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন তিন বছর, চীন দুই বছর এবং কানাডা ২০৩৪ সাল পর্যন্ত এই সুবিধা অব্যাহত রাখবে।

সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) বিশিষ্ট ফেলো মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘এই পরিবর্তনের প্রস্তুতি নিতে হলে আমাদের দক্ষতা ও উৎপাদনশীলতা বাড়াতে হবে, পণ্যে বৈচিত্র্য আনতে হবে এবং মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির দিকে দ্রুত এগোতে হবে।’

কোন বাদাম কেন খাবেন জেনে নিন

বাদাম আকৃতিতে ছোট হলেও এর রয়েছে বিস্তর পুষ্টিগুণ। একেক ধরনের বাদাম একেকভাবে উপকারিতা দেয়। ত্বকের উন্নতি থেকে শুরু করে কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ পর্যন্ত- প্রাকৃতিক প্রতিকারের জন্য নির্দিষ্ট বাদাম খেতে পারেন।

চলুন জেনে নেওয়া যাক কোন বাদাম কীভাবে উপকার করে-

১. কাঠ বাদাম: আপনি যদি আপনার ত্বকের স্বাস্থ্যের উন্নতি করতে চান তাহলে কাঠ বাদাম খান। কারণ এটি ভিটামিন ই সমৃদ্ধ। প্রতিদিন কমপক্ষে ৭ থেকে ১১টি কাঠ বাদাম খাওয়ার লক্ষ্য রাখুন। চাইলে কাঁচা বাদাম রাতে ভিজিয়ে রেখে সকালে খেতে পারেন। এটি ত্বকের জন্য আরও বেশি উপকারী।

২. ব্রাজিল নাটস: থাইরয়েডের স্বাস্থ্যের জন্য সেলেনিয়াম সমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে। তেমনই একটি খাবার হলো ব্রাজিল নাটস। বিশেষজ্ঞরা থাইরয়েডের কার্যকারিতা ঠিক রাখতে প্রতিদিন কমপক্ষে দুটি ব্রাজিল নাটস খাওয়ার পরামর্শ দেন। এটি যেকোনো সুপারশপে পেয়ে যাবেন।

৩. কাজু বাদাম: হাড় ভালো রাখতে ম্যাগনেসিয়াম সমৃদ্ধ খাবারের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে জানা আছে নিশ্চয়ই। কাজু হাড়ের স্বাস্থ্যের জন্য সাহায্য করে। কারণ এটি ম্যাগনেসিয়ামের একটি ভালো উৎস, যা ঘুমের মান উন্নত করতেও সাহায্য করে।

৪. পেস্তা: পেস্তা বাদাম কেবল ডেজার্টকে সুস্বাদু ও সুন্দর ডেকোরেশনই দেয় না, বরং এটি আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য দারুণ কার্যকরী। বিশেষ করে আপনি যদি ওজন কমানোর চেষ্টা করেন, তাহলে পেস্তা হতে পারে একটি সহায়ক সংযোজন। এতে প্রচুর ভিটামিন বি৬ থাকে এবং এটি একটি দুর্দান্ত স্বাস্থ্যকর খাবার, বিশেষ করে সন্ধ্যায়।

৫. আখরোট: আখরোট মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যের জন্য চমৎকার। এতে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে, যা মস্তিষ্কের প্রদাহ কমাতে সাহায্য করতে পারে। তাই নিয়মিত আখরোট খাওয়ার অভ্যাস করুন। এতে আরও অনেক উপকার মিলবে।