Home Blog Page 455

দুই নারীকে ধূমপানে বাধা দেয়া রিংকু কারাগারে

রাজধানীর লালমাটিয়ায় একটি চায়ের দোকানে দু’ তরুণীর ধূমপানে বাধা দেয়া ও তাদের শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার অভিযোগে গ্রেফতার হওয়া রিংকুকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (১১ মার্চ) তাকে আদালতে উপস্থিত করে ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় গ্রেফতার দেখিয়ে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করে পুলিশ।

অন্যদিকে তার জামিন চেয়ে আবেদন করে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাসুমা রহমান রিংকুর জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

জানা যায়, গত ২ মার্চ রাজধানীর লালমাটিয়ার একটি চায়ের দোকানে দু’ তরুণী ধূমপান করছিলেন। এ সময় এক বয়স্ক ব্যক্তি তাদের ধূমপান নিয়ে আপত্তি জানান, যা নিয়ে শুরু হয় বাগবিতণ্ডা। মুহূর্তের মধ্যে পরিস্থিতি উত্তেজিত হয়ে ওঠে এবং রিংকু নামের ওই ব্যক্তি তরুণীদের সাথে দুর্ব্যবহার ও শারীরিক লাঞ্ছনার চেষ্টা করেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি শান্ত করলেও ঘটনাটির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়।

পরে সোমবার (১০ মার্চ) পুলিশ অভিযুক্ত রিংকুকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারের পর ফেসবুকে পোস্ট করে তথ্যটির সত্যতা নিশ্চিত করেন সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী।

প্রধান উপদেষ্টা ও জাতিসঙ্ঘের মহাসচিব কক্সবাজার যাচ্ছেন শুক্রবার

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনুস ও জাতিসঙ্ঘের মহাসচিব মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস আগামী শুক্রবার (১৪ মার্চ) কক্সবাজার সফরে আসছেন। এদিন দু’জনই রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্প পরিদর্শন ও রোহিঙ্গাদের সাথে ইফতারে অংশ নেবেন।

কক্সবাজার আগমন উপলক্ষে কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নিয়ে এক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সূত্র জানায়, প্রধান উপদেষ্টা ও জাতিসঙ্ঘের মহাসচিব দু’জন একইদিন কক্সবাজারে ভিন্ন ভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশ নিলেও তারা রোহিঙ্গাদের সাথে ইফতারে অংশ নেবেন বলে সফরসূচিতে জানানো হয়েছে।

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনুস জাতিসঙ্ঘের মহাসচিবসহ রোহিঙ্গাদের সাথে ইফতার, কক্সবাজার জেলা মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের উদ্বোধন, খুরুসকুল আশ্রয়ণ প্রকল্প পরিদর্শন, কক্সবাজার বিমানবন্দর পরিদর্শন, সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সাথে মতবিনিময়সহ আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রোগ্রামে অংশ নেবেন।

এছাড়া জাতিসঙ্ঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে বিশেষ হেলিকপ্টারযোগে কক্সবাজার বিমানবন্দরে পৌঁছাবেন। সেখান থেকে সড়ক পথে তিনি উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্পে যাবেন। রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্প পরিদর্শন করে জাতিসঙ্ঘের মহাসচিব সেখানে কয়েকটি মতবিনিময় সভা ও রোহিঙ্গা ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করবেন। পরে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনুসসহ রোহিঙ্গাদের সাথে ইফতারে যোগ দেবেন।

জাতিসঙ্ঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্প থেকে সড়কপথে কক্সবাজার পৌঁছে রাত সাড়ে ৮টার দিকে বিমানযোগে কক্সবাজার ত্যাগ করার কথা রয়েছে।

জাতিসংঘের মহাসচিবের এ সফরের শিরোনাম দেওয়া হয়েছে রামাদান সলিডারিটি ভিজিট। বাংলাদেশ সফরকালে মুসলিম সম্প্রদায়ের প্রতি সংহতি জানিয়ে রোজা রাখবেন তিনি। পবিত্র রমজান মাসে ঢাকায় আসছেন বলেই তিনি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

গত বছর রমজান মাসে মিশর ও জর্দান সফর করেছিলেন জাতিসঙ্ঘের মহাসচিব। সে সময় মুসলিমদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে রোজা রেখেছিলেন তিনি। এবারের রোজার শুরুতেই বিশ্বজুড়ে মুসলমানদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন জাতিসঙ্ঘের মহাসচিব।

এটি হবে আন্তোনিও গুতেরেসের বাংলাদেশে দ্বিতীয় সফর। এর আগে ২০২৩ সালে রোহিঙ্গা সঙ্কটও জলবায়ু ইস্যুতে আলোচনা করতে ঢাকায় এসেছিলেন তিনি। পর্তুগালের নাগরিক আন্তোনিও গুতেরেস ২০১৭ সালের ১ জানুয়ারি জাতিসঙ্ঘের মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব নেন। তিনি ১৯৯৫ সাল থেকে ২০০২ সাল পর্যন্ত পর্তুগালের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।

এর মধ্যে উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার রোহিঙ্গা সমস্যা ও অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত বিষয়াবলি সংক্রান্ত হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ ড. খলিলুর রহমান।

গত সোমবার দুপুরে উখিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্প-২০-এর হ্যালিপ্যাড মাঠে নেমে রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন এবং আইনশৃঙ্খলা সভায় অংশ গ্রহণ করেন।

এ সময় তার সাথে ছিলেন শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার (অতিরিক্ত সচিব) মিজানুর রহমান এপিবিএন হেডকোয়ার্টারের ডিআইজি প্রলয় চিচিং চাকমা, কক্সবাজার পুলিশ সুপার সাইফুদ্দিন শাহিন, উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ কামরুল হোসেন চৌধুরী ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অলক বিশ্বাস, ক্যাম্পে দায়িত্বরত সিআইসি প্রতিনিধি, সেনাবাহিনী সদস্য, রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আইনশৃঙ্খলায় নিয়োজিত এপিবিএন পুলিশ, গোয়েন্দা সংস্থা এবং এনজিও সংস্থার প্রতিনিধিরা।

শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কার্যালয়ের সূত্রে জানা গেছে, আগামী শুক্রবার (১৪ মার্চ) রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনে আসছেন প্রধান উপদেষ্টা ও জাতিসঙ্ঘের মহাসচিব।

উপাধ্যক্ষ সাইফুর হত্যায় অভিযুক্ত দম্পতি গ্রেফতার

রাজধনীর উত্তরখান থানাধীন পুরান পাড়া এলাকায় ভাড়া বাসায় হাবীবুল্লাহ বাহার কলেজের উপাধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মাদ সাইফুর রহমান ভূঁইয়া (৫০) হত্যায় অভিযুক্ত রুপা (২২) ও নাজিম (২০) দম্পতিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (১১ মার্চ) ওই অভিযুক্ত দম্পতিকে ফরিদপুর থেকে গ্রেফতার করা হয়।

পুলিশ জানায়, রমজানের শুরুর দিকে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে অসহায় ওই দম্পতিকে এনে নিজের বাসায় আশ্রয় দেন উপাধ্যক্ষ সাইফুর রহমান। গত রোববার দিবাগত রাত ২টা থেকে ভোর ৪টার মধ্যে এ হত্যাকাণ্ডটি সংগঠিত হয়। ঘটনাক্রমে ওই দম্পতি সাইফুর রহমানকে হত্যা করে পালিয়ে যান বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর থেকে ওই বাসায় তাদের দেখা যায়নি। এতে দম্পতিকে ঘিরে সন্দেহ তৈরি হয়। অভিযুক্ত আসামিরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে দাবি করেছেন, তারা স্বামী-স্ত্রী। এই হত্যার পেছনে ‘ধর্ষণকাণ্ড’ রয়েছে বলেও দাবি করেন তারা। তবে অভিযুক্তদের তথ্য যাচাই-বাছাই করে দেখা হচ্ছে। এছাড়াও অন্যান্য দিকও বিবেচনায় রেখে এ হতাকাণ্ডের তদন্ত করা হচ্ছে।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, বাসায় আশ্রয় দেয়া ওই দম্পতি সাইফুর রহমানকে গুরুতর জখম করে পালিয়ে যাওয়ার সময় মোবাইল ফোন ও বাসার সব চাবি সাথে নিয়ে যান। তারা কয়েক দিন ধরে ওই বাসায় থাকলেও তাদের সাথে কোনো সম্পর্ক ছিল না ওই শিক্ষকের। রেলস্টেশনে পরিচয় হওয়ার পর তাদের বাসায় আশ্রয় দেন উপাধ্যক্ষ সাইফুর।

এ বিষয়ে মঙ্গলবার (১১ মার্চ) অভিযুক্ত দম্পতিকে আটক করার বিষয়টি স্বীকার করে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) উত্তরা বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) মো: মুহিদুল ইসলাম বলেন, ‘উপাধ্যক্ষ হত্যার ঘটনায় সন্দেহভাজন দম্পতিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তারা হত্যার কথা স্বীকার করেন। অভিযুক্তরা দাবি করছেন, হত্যাকাণ্ডের পেছনে ‘ধর্ষণকাণ্ড’ রয়েছে। এছাড়াও আরো কিছু তথ্য দিয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘রমজানের শুরুতে কমলাপুর স্টেশন থেকে ওই দম্পতিকে তার বাসায় নিয়ে আসে। হতেও পারে, উপাধ্যক্ষ সাইফুরের কোনো অশুভ উদ্দেশ্য ছিল, আবার অভিযুক্তদের দেয়া তথ্য ভুলও হতে পারে। আবার হয়তো অন্য কোনো কারণে ওই দম্পতি তাকে (উপাধ্যক্ষ) ধারালো অস্ত্র দিয়ে হত্যা করতে পারেন। তবে সব তথ্যই আমরা যাচাই-বাছাই করে দেখছি।’

তিনি বলেন, ‘তাদের আটক করে নিয়ে আসা হয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।’

এদিকে, নিহত উপাধ্যক্ষ সাইফুর রহমানের লাশ ময়নাতদন্ত মঙ্গলবার শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ মর্গে সম্পন্ন হয়েছে। সাইফুরের দু’ হাতেই ছুরিকাঘাতের চিহ্ন রয়েছে। গলার বাম পাশে বিরাট এক জখম রয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে নিহতের লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেছে পুলিশ।

দক্ষিণখান জোনের সহকারী কমিশনার (এসি) মো: নাসিম এ-গুলশান বলেন, ‘গত কয়েক মাস ধরে উত্তরখানের পুরানপাড়া বাথানের শাহী শাহনেওয়াজের বাড়ির চতুর্থ তলার একটি ভাড়া ফ্ল্যাটে একাই থাকতেন সাইফুর রহমান ভূঁইয়া। গত সোমবার সকালে রাজধনীর উত্তরার উত্তরখান থানা এলকার পুরান পাড়ার একটি বাসার চতুর্থ তলার ফ্ল্যাট থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয় তাকে। তাকে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করে বাথরুমে আটকে রাখা হয়। পরবর্তী সময়ে বাথরুমের দরজা ভেঙে বের করে প্রতিবেশীরা উত্তরার একটি হাসপাতলে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে পুলিশ হাসপাতাল থেকে তার লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ মর্গে পাঠান। এ ঘটনায় গত সোমবার রাতে নিহতের ভাই মুজাহিদুর রহমান ভূঁইয়া অজ্ঞাতনামা আসামি করে মামলা দায়ের করেন।

উত্তরখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: জিয়াউর রহমান বলেন, ‘সাইফুর রহমান ভূঁইয়াকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে বাথরুমে আটকে রাখা হয়। একপর্যায়ে তিনি বাথরুম থেকে বেরিয়ে চিৎকার করে আশপাশের লোকজনকে ডাকেন। তারপর আশপাশের লোকজন তাকে উত্তরার একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।’ ওসি বলেন, ‘নিহত সাইফুরের সাথে তার স্ত্রীর দূরত্ব তৈরি হয় এবং এই কারণে উপাধ্যক্ষ সাইফুর উত্তরখানে থাকা শুরু করেন।’

এদিকে নিহতের ভাই মুজাহিদুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, ‘সাইফুরের বাসা শান্তিনগরে। সেখানে দু’ ছেলেসহ তার স্ত্রী থাকেন। তবে কয়েক মাস ধরে সাইফুর উত্তরখান এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকছিলেন। এমন কিছু সাইফুরের স্ত্রী ও ছেলেরা আমাকে কখনো বলেননি।’

সাইফুর রহমান হাবিবউল্লাহ বাহার কলেজের গণিত বিভাগের শিক্ষক ছিলেন। সরকার পরিবর্তনের পর শিক্ষার্থীরা আন্দোলন করে অধ্যক্ষ থেকে শুরু করে সবাইকে পদত্যাগ করিয়ে নতুন করে শিক্ষকদের পদন্নতি দেয়া হয়। সেখানে সাইফুর রহমান ভূঁইয়াকে উপাধ্যক্ষ করা হয়েছিল।

ভারতের সংবাদমাধ্যমে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী নিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ভেতর অভ্যুত্থান ও চেইন অব কমান্ড ভেঙে পড়া নিয়ে প্রকাশিত সংবাদকে ভিত্তিহীন বলে জানিয়েছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতর (আইএসপিআর)।

মঙ্গলবার (১১ মার্চ) বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর জনসংযোগ শাখা আইএসপিআর এ বিষয়ে বিবৃতি দিয়েছে।

বিবৃতিতে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলা হয়, ‘দ্যা ইকোনোমিক টাইমস এবং দ্যা ইন্ডিয়া টুডেসহ কিছু ভারতীয় মিডিয়া বাংলাদেশ সেনাবাহিনী নিয়ে যে সংবাদ প্রকাশ করে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর স্থিতিশীলতা এবং সুনাম ক্ষুণ্ণ করার উদ্দেশে ইচ্ছাকৃত এসব বিভ্রান্তিমূলক সংবাদ প্রচার করা হচ্ছে।’

এতে আরো বলা হয়, ‘আমরা স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিতে চাই যে- বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সুসংগঠিত, ঐক্যবদ্ধ এবং সেনাপ্রধানের দক্ষ নেতৃত্বে সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। কমান্ড চেইনটি শক্তিশালী এবং সিনিয়র জেনারেলসহ বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সব সদস্য সংবিধান, চেইন অব কমান্ড এবং বাংলাদেশের জনগণের প্রতি তাদের আনুগত্যে অবিচল। পদমর্যাদার মধ্যে অনৈক্য বা আনুগত্যহীনতার যেকোনো অভিযোগ সম্পূর্ণরূপে বানোয়াট এবং বিদ্বেষপূর্ণ।’

বিবৃতিতে বলা হয়, ‘বিশেষ করে উদ্বেগের বিষয় হলো, দ্য ইকোনমিক টাইমস বারবার এই ধরনের বিভ্রান্তিকর প্রচারণায় লিপ্ত হয়েছে। এই সাম্প্রতিক প্রতিবেদন প্রকাশের মাত্র এক মাস আগে, গত ২৬ জানুয়ারি একই ধরনের মিথ্যা প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিল। এই ধরনের আচরণ এই সংবাদমাধ্যমগুলোর উদ্দেশ্য এবং বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উত্থাপন করে। তদুপরি, বেশ কয়েকটি অনলাইন পোর্টাল এবং কয়েকটি অখ্যাত টেলিভিশন চ্যানেলও এই মিথ্যা প্রচারণা চালিয়েছে, যা বিভ্রান্তিকর প্রচারণাকে আরো তীব্র করে তুলেছে। দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার নীতি মেনে চলার পরিবর্তে, তারা ভুল তথ্য ছড়িয়ে দেয়ার এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এবং বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে অবিশ্বাস তৈরির হাতিয়ার হিসেবে কাজ করছে বলে মনে হচ্ছে।’

আইএসপিআর এর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ‘আমরা এই সংবাদমাধ্যমগুলোকে, বিশেষ করে ভারত বেইজড সংবাদমাধ্যমগুলোকে, ভালো সাংবাদিকতা অনুশীলন মেনে চলার এবং যাচাই না করা এবং চাঞ্চল্যকর গল্প প্রকাশ করা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানাচ্ছি। আশা করা হচ্ছে যে এই ধরনের প্রতিবেদন প্রকাশের আগে তাদের আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ (আইএসপিআর) থেকে মন্তব্য চাওয়া এবং যাচাই করা উচিত। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সম্পর্কে সঠিক এবং অফিশিয়াল তথ্য দেয়ার জন্য আইএসপিআর সব সময় অ্যাভেইলেবল রয়েছে।’

আইএসপিআর জানিয়েছে, ‘বাংলাদেশ সেনাবাহিনী জাতির সার্বভৌমত্ব, অখণ্ডতা এবং নিরাপত্তা রক্ষার প্রতিশ্রুতিতে অটল রয়েছে। আমরা সকল সংবাদমাধ্যমকে দায়িত্বশীলতার সাথে কাজ করার এবং অপ্রয়োজনীয় উত্তেজনা ও বিভ্রান্তির সৃষ্টি করে এমন মিথ্যা তথ্য ছড়ানো থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানাচ্ছি।’

পাকিস্তানে ট্রেন থামিয়ে ৪৫০ যাত্রীকে বন্দী করল উগ্রবাদীরা

পাকিস্তানে একটি ট্রেন থামিয়ে ৪৫০ যাত্রীকে বন্দী করে নিয়ে গেছে উগ্রবাদীরা। মঙ্গলবার দুপুর ১টার দিকে বেলুচিস্তানের বোলান পাস এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিরাপত্তা বাহিনী জানিয়েছে, কোয়েটা থেকে পেশোয়ারগামী জাফর এক্সপ্রেসে হামলা চালিয়েছে উগ্রবাদীরা। ট্রেনটি যখন বোলান পাস এলাকার একটি দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় পৌঁছে, তারা সুড়ঙ্গ থেকে বেরিয়ে এসে চালকদের ট্রেন থামাতে বাধ্য করে। এরপর তারা নয়টি বগির যাত্রীদের বন্দী করে নিয়ে যায়। বন্দীদের মধ্যে নারী ও শিশুও রয়েছে।

এ ঘটনার জেরে নিরাপত্তা সূত্র বলেছে, নিরীহ যাত্রীদের লক্ষ্য করে পরিচালিত এ হামলা এ কথাই প্রমাণ করে যে তাদের সাথে ইসলাম, পাকিস্তান বা বেলুচিস্তানের সাথে কোনো সম্পর্ক নেই।

এর আগে গুডালুর ও পেরু কানরির মধ্যে জাফর এক্সপ্রেসে প্রচণ্ড গোলাগুলির খবর পাওয়া গিয়েছিল। প্রাথমিক প্রতিবেদন অনুসারে, ট্রেনের চালক গুরুতর আহত হয়েছেন। এছাড়া কিছু যাত্রীও আহত হয়েছেন।

রেলওয়ে কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন, হামলার সময় ট্রেনের নয়টি বগিতে প্রায় ৪৫০ জন যাত্রী ছিলেন, যা তাদের নিরাপত্তা নিয়ে গুরুতর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। এ ঘটনার পর যাত্রী এবং ট্রেনের ক্রু উভয়ের সাথেই যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে।

রেলওয়ে এবং আইন প্রয়োগকারী কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন, হামলার পরপরই নিরাপত্তা বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। আক্রমণকারীদের খুঁজে বের করার জন্য আশেপাশের এলাকায় তল্লাশি অভিযান শুরু করা হয়েছে।

সূত্র : সামা টিভি ও অন্যান্য

শেখ হাসিনা-রেহানা পরিবারসহ ২৩ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট

রাজধানীর পূর্বাচলে ৬০ কাঠা প্লট বরাদ্দ নেয়ার প্রমাণ পাওয়ায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে আটটি অভিযোগপত্র বা চার্জশিট দাখিল করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

আজ সোমবার দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে চার্জশিট অনুমোদন হওয়ার পর আদালতে দাখিল করার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানা গেছে। গত ১২, ১৩ ও ১৪ জানুয়ারি তাদের বিরুদ্ধে মামলাগুলো দায়ের করা হয়েছিল। চার্জশিটে নতুন করে সাবেক প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ ও প্রধানমন্ত্রীর সাবেক একান্ত সচিব সালাউদ্দিনকে যুক্ত করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

আসামিদের বিরুদ্ধে সরকারের সর্বোচ্চ পদাধিকারী ও পাবলিক সার্ভেন্ট হিসেবে বহাল থাকাকালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের ওপর অর্পিত ক্ষমতার অপব্যবহার করে বরাদ্দ পাওয়ার যোগ্য না হওয়া সত্ত্বেও অসৎ উদ্দেশ্যে পূর্বাচল আবাসন প্রকল্পের ২৭ নম্বর সেক্টরের ২০৩ নং রাস্তার ছয়টি প্লট বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর ১৬১/১৬৩/১৬৪/৪০৯/১০৯ ধারা তৎসহ দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭ এর ৫(২) ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

চার্জশিটের আসামিরা হলেন- সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়, মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ (পুতুল), বোন শেখ রেহানা, শেখ রেহানার মেয়ে রেহানার মেয়ে ও ব্রিটিশ এমপি টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিক, ছেলে রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ও অপর মেয়ে আজমিনা সিদ্দিক।

অন্যদিকে জাতীয় গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের পুরাতন ১৪ আসামিরা হলেন- ওই মন্ত্রণালয়ের সচিব মো: শহীদ উল্লা খন্দকার, অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন) কাজী ওয়াছি উদ্দিন, প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো: সাইফুল ইসলাম সরকার, সিনিয়র সহকারী সচিব পূরবী গোলদার, রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান মো: আনিছুর রহমান মিঞা, সাবেক সদস্য (এস্টেট ও ভূমি) মোহাম্মদ খুরশীদ আলম, সদস্য (প্রশাসন ও অর্থ) কবির আল আসাদ, সদস্য (উন্নয়ন নিয়ন্ত্রণ) তন্ময় দাস, সদস্য (এস্টেট ও ভূমি) মো: নুরুল ইসলাম, সাবেক সদস্য (পরিকল্পনা) মোহাম্মদ নাসির উদ্দীন, সাবেক সদস্য মেজর (ইঞ্জিনিয়ার) সামসুদ্দীন আহমদ চৌধুরী (অব.), পরিচালক (এস্টেট ও ভূমি-২) শেখ শাহিনুল ইসলাম, উপ-পরিচালক মো: হাফিজুর রহমান ও হাবিবুর রহমান।

অভিযোগে রাজনৈতিক বিবেচনায় সরকারের বিশেষ ক্ষমতাবলে শেখ হাসিনা ক্ষমতার অপব্যবহার করে অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের যোগসাজশে নিজের ও ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়, মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুল, বোন শেখ রেহানা, বোনের ছেলে রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ববি ও মেয়ে আজমিনা সিদ্দিক রূপান্তির নামে পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পের ২৭ সেক্টরের কূটনৈতিক জোনের ২০৩ নম্বর রোড থেকে ১০ কাঠা করে মোট ৬০ কাঠার ছয়টি প্লট বরাদ্দের অভিযোগ ছিল।

শেখ হাসিনাসহ তার পরিবারের ছয় সদস্যের বিরুদ্ধে পূর্বাচলে প্লট বরাদ্দে অনিয়মের অভিযোগ দুদক থেকে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত দেয়ার কথা গত ২৭ ডিসেম্বর জানিয়েছিল দুদক। দেড় দশক দেশ শাসনের পর ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে গত ৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর পদ ছেড়ে ভারতে আশ্রয় নেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। এরপর থেকে সেখানেই রয়েছেন তিনি।

দুদক গত বছরের ২২ ডিসেম্বর সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়ের বিরুদ্ধে ওঠা ৩০০ মিলিয়ন ডলার (৩০ হাজার কোটি টাকা) বিদেশে পাচারের অভিযোগ অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয়। তার আগে, শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা পরিবারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন প্রকল্পে ৮০ হাজার কোটি টাকা দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধানে পাঁচ সদস্যের একটি অনুসন্ধান দল গঠন করেছে। একই দলকে নতুন করে আসা ৩০০ মিলিয়ন ডলার পাচারের অভিযোগটি অনুসন্ধানের নির্দেশ দেয় কমিশন। সবগুলোই অনুসন্ধান পর্যায়ে রয়েছে বলে জানা গেছে।

গাজায় ত্রাণের পর এবার বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করল ইসরাইল

গাজায় ত্রাণ সরবরাহ বন্ধের পর এবার বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছে ইসরাইল। এতে স্থানীয় একটি ডিস্যালিনেশন প্ল্যান্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সোমবার (১০ মার্চ) বার্তা সংস্থা এপি এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরাইল গাজায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছে। এতে শুষ্ক ভূখণ্ডের কিছু অংশের জন্য জলবিদ্যুৎ উৎপাদনকারী একটি ডিস্যালিনেশন প্ল্যান্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। হামাস এটিকে ইসরাইলের ‘অনাহার নীতির’ অংশ হিসেবে অভিহিত করেছে।

সূত্রটি আরো জানিয়েছে, ইসরাইল গত সপ্তাহে ২০ লাখের বেশি ফিলিস্তিনির র জন্য পণ্য সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছে। এটি যেন যুদ্ধের প্রথম দিনগুলোর মতো অবস্থার প্রতিধ্বনি।

ইসরাইল মূলত যুদ্ধবিরতির প্রথম ধাপের মেয়াদ আরো বাড়াতে ইচ্ছুক। এর মাধ্যমে তারা অবশিষ্ট বন্দীদের অর্ধেককেও মুক্ত করতে চায়। কিন্তু প্রথম পর্যায়ের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় হামাস দ্বিতীয় পর্যায় শুরু করতে বেশি আগ্রহী। যার মধ্যে রয়েছে অবশিষ্ট বন্দীদের মুক্তি, গাজা থেকে ইসরাইলি বাহিনী প্রত্যাহার এবং স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা। কিন্তু ইসরাইল কৃত চুক্তির শর্ত পূরণে টালবাহানা করছে।

তবে হামাস সতর্ক করে দিয়েছে যে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে বন্দীদের উপর এর প্রভাব পড়তে পারে। একইসাথে তারা জানিয়েছে যে তারা চুক্তির দ্বিতীয় পর্যায় নিয়ে মধ্যস্থতাকারীদের সাথে আলোচনা শেষ করেছে।

উল্লেখ্য, হামাসের হাতে এখনো ২৪ ইসরাইলি বন্দী রয়েছে। এছাড়া আরো ৩৫ ইসরাইলির লাশ রয়েছে।

নদীর পানি বণ্টন নিয়ে ভারত-বাংলাদেশ বৈঠকে জটিলতা

ফারাক্কায় গঙ্গার পানি মাপার পর দু’দিন ধরে বৈঠক করেন ভারত ও বাংলাদেশের প্রতিনিধিরা। বৈঠক জটিলতা দেখা দেয়। প্রথমদিকে সব ঠিকঠাক এগোলেও শেষ পর্যন্ত আলোচনায় জটিলতা দেখা দেয়। জার্মান বার্তা সংস্থা ডয়চে ভেলে এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায়।

দুই দেশের প্রতিনিধিরা একসাথে ফারাক্কায় গঙ্গার পানি মাপেন। প্রথম দিন গঙ্গার পানি বণ্টন নিয়ে আলোচনা হয়। দুই দেশের প্রতিনিধিদলের নেতা বৈঠকের মিনিটসে সই করেন। কিন্তু দ্বিতীয় দিনের বৈঠক ছিল সীমান্তের নদীগুলো নিয়ে। সেই বৈঠকের পর মিনিটসে সই হয়নি।

বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলের নেতা মোহাম্মদ আবুল হোসেন বলেন, ‘পরিকল্পনা মতো আমাদের বৈঠক হয়েছে। এর থেকে বেশি কিছু এই মুহূর্তে বলা সম্ভব নয়।’

কিন্তু ভারতের পক্ষ থেকে কেউ মুখ খোলেননি। বৈঠক শেষ হওয়ার পর সংবাদ সম্মেলন হয়নি। কেউ কোনো কথা বলেননি।

দ্বিতীয় বৈঠকের সমস্যা

শুক্রবারের বৈঠকে আলোচ্য ছিল ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে তথ্য ভাগাভাগি, বন্যা রিপোর্ট, সীমান্ত নদীগুলোকে কেন্দ্র করে দুই দেশের পরিকল্পনার বিষয়টি। একাধিক বিষয়ের আলোচনায় কোনো সিদ্ধান্তে না আসতে পারার কারণে বৈঠকের পর এখনো কোনো মিনিটসে সই করা হয়নি বলে সূত্র জানাচ্ছে।

গত বছর বন্যায় একাধিক সীমান্ত নদীতে ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে। বেশি কিছু জায়গায় বাঁধ ভেঙে পড়েছে। সীমান্ত নদী হওয়ার কারণে এই মেরামতির জন্য দুই দেশের সম্মতি প্রয়োজন। সূত্র জানাচ্ছে, ৭ মার্চের মিটিংয়ে বাংলাদেশ এই নদীগুলোর মেরামতের কাজ করতে চেয়েছিল। কিন্তু ভারত এখনো তাদের সম্মতি দেয়নি। তারা বিষয়টি আগে খতিয়ে দেখতে চায়।

তথ্য ভাগাভাগির বিষয়টি আলোচনা হয়েছে এবং ভারত তাতে রাজি থাকলেও তা মিনিটসের খাতায় তোলা নিয়ে সমস্যা দেখা যায়। ফলে শেষ পর্যন্ত মিনিটস-এ সই হয়নি।

ফারাক্কা সফর

গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তি মেনে পানি ভাগাভাগি হচ্ছে কিনা তা দেখতে প্রতি বছর বাংলাদেশ থেকে ভারতে আসেন সেই দেশের প্রতিনিধিরা। এ বছর ৪ মার্চ ফারাক্কায় গিয়ে পানি মাপার পর তারা জানিয়েছিলেন ভাগাভাগি নিয়ে তারা সন্তুষ্ট। যদিও তারা জানান, এ বছর পানি কম থাকার জন্য দুই দেশই পানি কম পাচ্ছে।

এরপর ৬ মার্চ ভারত বাংলাদেশের প্রতিনিধিদের মধ্যে গঙ্গাপানি বণ্টন, গঙ্গায় কম পানি এবং নদীর বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়। মিটিং শেষে আলোচনার সারাংশে সই করেন ভারত ও বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব শরদ চন্দ্র এবং মোহাম্মদ আবুল হোসেন।

জ্যাকুলিনের কণ্ঠে বাংলা গান

বছর চারেক আগে বলিউড অভিনেত্রী জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজের ‘বড়লোকের বেটি’শিরোনামের একটি গানে মজেছিল শ্রোতারা। সেই মিউজিক ভিডিওতে বাঙালি কন্যার বেশে জ্যাকুলিন তার রূপে নতুন মাত্রা এনে দিয়েছিলেন। এবার দ্বিতীয়বারের মতো বাংলা গানে দেখা গেল তাকে। ‘গেন্দা ফুল’ এর ‘বড় লোকের বেটি’ এবার বাংলা গান গাইলেন। খবর আনন্দবাজারের।

শনিবার নারী দিবসে প্রকাশ্যে এসেছে তার সেই গানের ভিডিও। জ্যাকুলিনের নতুন সেই গানটির নাম ‘আমি কাফি’। কয়েক মাস আগেই ‘স্টর্মরাইডার’ শীর্ষক গানে জ্যাকুলিনের উপস্থিতি শ্রোতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। এসভিএফ মিউজিকের সঙ্গে কাজ বেঁধে এই গানটিরই বাংলা সংস্করণ তৈরি করেছেন অমৃতা সেন এবং সিজি। তাদের পাশাপাশি মিউজিক ভিডিওটিতে গলা মিলিয়েছেন জ্যাকুলিন।

নির্মাতাদের দাবি, নারী দিবসের মূলমন্ত্র উচ্চারিত হয়েছে এই গানটির মাধ্যমে। জ্যাকুলিনও এই প্রথম বাংলা গানে কাজ করে উচ্ছ্বসিত। অভিনেত্রী বলেছেন, ‘বাংলা সংগীতের সঙ্গে যুক্ত হয়ে আমি আপ্লুত। এই গানটা আত্মবিশ্বাস এবং শক্তির প্রতীক। নতুন শ্রোতাদের জন্য বাংলা ভাষায় গানটিকে তৈরি করতে পেরে আরও ভালো লাগছে। আশা করছি শ্রোতাদের গানটি বেশ ভালো লাগবে’’ মিউজ়িক ভিডিওতে রয়েছেন রাজকুমারী কোকো, শতাব্দী দত্ত বণিক, ডিম্পল আচার্য এবং অঙ্কিতা সিংহ।

জ্যাকুলিনের সর্বশেষ মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমা ছিল সোনু সুদ অভিনীত ও পরিচালিত ‘ফতেহ’। এটি বক্স অফিসে সেভাবে না চললেও তাঁর অভিনয় প্রশংসিত হয়েছে। সিনেমায় জ্যাকুলিনের অভিনীত চরিত্রের নাম ‘খুশি শর্মা’। আগামীতে তাকে ‘হাউসফুল ৫’, ‘ওয়েলকাম টু দ্য জঙ্গল’ সিনেমায় দেখা যাবে।

নিউইয়র্কে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এলামনাই এসোসিয়েশন’র ইফতার অনুষ্ঠিত

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এলামনাই এসোসিয়েশন অফ ইউ এস এর ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়  গতকাল ০৭ মার্চ শুক্রবার জ্যাকসন হাইটস সানাই রেষ্টুরেন্টে । সংগঠনের সভাপতি প্রফেসর সোলাইমান এর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ বদিউল আলম এর পরিচালনায় আরও উপস্থিত  ছিলেন উপদেস্টা লং আইল্যান্ড ইউনিভার্সিটির প্রফেসর ডঃ শওকত আলী, সাবেক সভাপতি শামসুল ইসলাম মজনু ,সাবেক সভাপতি ডঃ মোহাম্মদ কাসেম,সাবেক সভাপতি এমলাক হোসেন ফয়সল, সিনিয়র এলামনাই এনামুল হায়দার,ব্রিগেডিয়ার জেঃ (অব)তোফায়েল আহমদ ,সিনিয়র এলামনাই এডভোকেট খায়রুল বাশার, সিনিয়র সহসভাপতি আশিক মাহামুদ . সহ-সভাপতি বদরুল হক আজাদ ,শাখাওয়াত হোসেন স্বপন,নুরুল মোস্তফা রইসী , নিউইয়র্ক বাংলাদেশ প্রেসক্লাব সেক্রেটারি মোমিন মজুমদার, সিঃ সাংবাদিক কাজী শামসুল হক, ইন্জিনিয়ার আহসান মুন .শরিফুল ইসলাম পিন্টু, কাউসার সরদার, নুরুল আমিন,কমিউনিটি লীডার ও প্রবাসী বরিশাল বিভাগীয় কল‍্যান সমিতির সাঃসম্পাদক রুহল আমিন নাসির, তারিক চৌধুরী দিপু , মোহাম্মদ সোহেল রানা ফয়সাল আহমেদ  ।

দোয়া মাহফিলে সমগ্র মানব জাতির কল‍্যানে ও পবিত্র মাহে রমজানের বরকত যাতে সবার নসিব হয় এ জন‍্য্য দোয়া করা হয় ।আগামী ১৩ জুলাই রবিবার বেলমন্ট লেক স্টেট পার্ক এ সংগঠনের বার্ষিক বনভোজন ২০২৫ এ সকল এলামনাই এবং অতিথি বৃন্দকে উপস্থিত থাকার জন‍্য আহ্বান জানানো হয় ।