Home Blog Page 458

আলাদা হয়ে গেলেন শুভ-অর্পিতা

সাড়ে ৯ বছরের দাম্পত্য জীবনের ইতি টেনেছেন অভিনেতা আরিফিন শুভ। গত ২০ জুলাই স্ত্রী অর্পিতার সঙ্গে বৈবাহিক সম্পর্কে ছেদ করেছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

বুধবার (৩১ জুলাই) রাতে নিজের ফ্যান পেজে বিষয়টি জানিয়েছেন আরিফিন শুভ।

বৈষম্য বিরোধী কোটা সংস্কার আন্দোলনে দেশ উত্তাল। এমন পরিস্থিতে দাম্পত্য জীবনে এ পরিস্থিতি জানাতে দ্বিধা ও সংকোচ প্রকাশ করে আরিফিন শুভ বিবৃতির শুরুতে লিখেছেন, দেশের এমন পরিস্থিতিতে ব্যক্তিগত কোন কিছু জানাতে যথেষ্ট দ্বিধা ও সংকোচ বোধ করছি, তারপরও মনে হল আপনাদের বিষয়টা জানানোর সময় এসেছে।

বুধবার রাত ৯টা ২৫ মিনিটে সামাজিক মাধ্যমে করা ওই পোস্টে ডিভোর্সের খবর শুভ লিখেছেন এভাবে, “আমি অত্যন্ত দু:খের সঙ্গে জানাচ্ছি যে, আমি আর অর্পিতা আমরা হয়তো বন্ধু হিসাবেই ঠিক আছি, জীবনসঙ্গী হিসাবে নয়। আমরা গত ২০ জুলাই এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছি, বন্ধুত্বটুকু নিয়ে দুইজনের সম্মতিতে বাকী জীবন নিজেদের মত করে বাঁচব।”

এরপরই কৃতজ্ঞতা ও ঋণ স্বীকার করেছেন প্রাক্তনের প্রতি। লিখেছেন, অনেক চড়াই-উৎরাই এর পরও অর্পিতা আমার এবং আমার মায়ের জন্য যা করেছেন, সেটার জন্য তাঁর প্রতি চিরকৃতজ্ঞ এবং চিরঋণী।

ব্যক্তিগত জীবনের এই কঠিন সময়ে ভক্তদের জন্য শুভ বলছেন, মা চলে যাওয়ার পর জীবনটা একেবারেই শূন্য হয়ে গেছে। কিন্তু আমি বিশ্বাস করি আপনাদের দোয়া ও ভালবাসা আমার সঙ্গে আছে, যেটা নিয়ে বাকী জীবনটা সুন্দর ও সুস্থভাবে বাঁচতে পারব।

দেশের সাম্প্রতিক কোটা আন্দোলনের ঘটনা নিয়েও কথা বলেছেন শুভ। বিবৃতির শেষ অংশে তিনি লিখেছেন, দেশের সাম্প্রতিক ঘটনায় শিক্ষার্থীসহ যারা প্রাণ হারিয়েছেন তাঁদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করছি। সবার জীবনে শান্তি আসুক, দেশেও শান্তি ফিরে আসুক এই কামনায়।

ফ্যাশন ডিজাইনার অর্পিতার সঙ্গে ২০১৫ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি বিয়ের পিঁড়িতে বসেন আরিফিন শুভ। গেল ২০ জুলাই তাদের মধ্যকার দাম্পত্য জীবনের ইতি ঘটলো।

বর্তমানে আরিফিন শুভর মুক্তির অপেক্ষায় আছে ‘নূর’, ‘নীলচক্র’ ও ‘ঠিকানা বাংলাদেশ’ সিনেমা। ভারতের সনি লিভ এর একটি ওয়েব সিরিজে কাজের গুঞ্জনও শোনা যাচ্ছে এই নায়কের।

মুরগিতেই খানিক স্বস্তি

ব্রয়লার মুরগির মাংসের দাম কমে আসায় কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে জনমনে।

খুচরা বাজারে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ১৬৫ থেকে ১৭৫ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে। যা গত সপ্তাহেও ছিল ২৩০-২৪০ টাকা পর্যন্ত।

তবে গরুর মাংস, মাছ-ডিমসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় প্রায় প্রতিটি দ্রব্যের দামের আগুনে হাত পুড়ছে মধ্য ও নিম্নবিত্ত শ্রেণির মানুষের।

শুক্রবার (২ আগস্ট) বিভিন্ন বাজারে ক্রেতা-বিক্রেতার সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে।

সোনালি মুরগির কেজিতে ৩০ টাকা পর্যন্ত কমেছে। বাজারে প্রতি কেজি গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৭৮০-৮০০ টাকা, খাসির মাংস ১১০০ টাকা।

মুরগির মাংস বিক্রেতা আলী আতিক বলেন, গত কয়েকদিনে ব্রয়লার মুরগির দামটাও একটু কম। ১৭০ টাকা কেজি সর্বশেষ মাসখানেক আগে ছিল, এরপর আবার দামটা বেড়ে যায়। গত সপ্তাহেও ২০০ টাকার বেশি ছিল, আজ ১৭০ করে বিক্রি করছি।

তিনি বলেন, ‘সাপ্তাহিক ছুটির দিনে মাংসের চাহিদাটা একটু বেড়ে যায়, বাজারে যদি সেই পরিমাণে সরবরাহ না থাকে, তাহলেই দাম বেড়ে যায়, যেখানে আমাদের কিছুই করার থাকে না। তবে আশা করছি এখন মোটামুটি ১৭০-১৮০ টাকার মধ্যেই থাকবে।’

আগের মতো চড়া দামে প্রতি কেজি পাঙাশ ২০০-২২০, তেলাপিয়া ২০০-২৫০, চাষের কৈ ২৫০-২৭০, ছোট রুই ২৫০-২৬০, কার্প জাতীয় মাছ ৩০০, চাষের শিং ৪৫০-৬০০, সাগরের পোয়া ৪০০-৬৫০ ও বাইলা মাছ বিক্রি হচ্ছিল ৬৫০-৭০০ টাকায়।

সম্প্রতি কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে সব ধরনের পণ্য সরবরাহ ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছিল। বাজারে খাদ্যপণ্যের দামও কয়েকগুণ বেড়ে গিয়েছিল। যদিও কারফিউ জারি ও সেনাবাহিনী নামানোর পর পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে।

সিলেট টেস্টে দায়িত্ব পালনকালে বিসিবি কর্মকর্তার মৃত্যু

বাংলাদেশ-জিম্বাবুয়ে টেস্টের চতুর্থ দিন সকালে দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়ে সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামের নিরাপত্তা কর্মকর্তা মো. ইকরাম চৌধুরী ইকরাম মৃত্যুবরণ করেছেন।

দায়িত্ব পালনকালে আজ বুধবার সকাল ৯টার দিকে ইকরাম হঠাৎ বুকে ব্যথা অনুভব করেন। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে সিলেটের আল হারামাইন হাসপাতালে নেওয়া হয়।

সেখানে ইসিজি করার পর চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, তিনি হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়েছেন। দ্রুত অবস্থার অবনতি হলে ইকরামকে হাসপাতালের সিসিইউয়ের ভেন্টিলেশনে রাখা হয়।

সব চেষ্টা ব্যর্থ করে দুপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) এই কর্মকর্তার বয়স হয়েছিল ৫০ বছর।

ইকরামের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছে বিসিবি।

২০১৪ সাল থেকে ইকরাম চৌধুরী সিলেটে বিসিবির নিরাপত্তা সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন বলে ক্রিকেট বোর্ড জানিয়েছে।

গাজায় পোলিও টিকা সরবরাহ বন্ধ

দিন যতই গড়াচ্ছে ইসরায়েলি বাহিনীর হামলা তীব্র থেকে তীব্রতর হচ্ছে ফিলিস্তিনের গাজায়। নিরাপদ বলে আর কোনও স্থান বাকি নেই অবরুদ্ধ উপত্যকাটিতে। একদিকে চলছে নির্বিচার অভিযান, অন্যদিকে আটকে দেওয়া হয়েছে সব রকমের ত্রাণ সহায়তা। বুলেট-গোলার আঘাতে ফিলিস্তিনিদের প্রাণহানি তো নৈমিত্তিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছেই; খাদ্য-পানি-ওষুধ আর চিকিৎসার অভাবেও দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হচ্ছে মৃত্যুর মিছিল।

ইসরায়েলের আরোপিত অবরোধে ত্রাণ প্রবেশ করতে না পারায় তীব্র খাদ্য ও ওষুধ সংকটে ভুগছে গাজাবাসী। শঙ্কা বাড়ছে রোগ-বালাই ও মহামারির। সরবরাহ বন্ধ থাকায় অবরুদ্ধ উপত্যকাটিতে স্থগিত হয়ে গেছে পোলিও টিকাদান কর্মসূচিও। এমন পরিস্থিতিতে বড় বিপর্যয়ের শঙ্কা বিরাজ করছে গাজা জুড়ে; শারীরিক অক্ষমতার ঝুঁকিতে আছে প্রায় ৬ লাখ শিশু।

বার্তাসংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এমনটাই দাবি করেছেন গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র খলিল দেকরান।  অাজ বুধবার (২৩ এপ্রিল) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে আল জাজিরা।

খলিল দেকরান বলেছেন, অবিলম্বে পোলিও ভ্যাকসিন না পৌঁছালে আমরা একটি সত্যিকারের বিপর্যয়ের সাক্ষী হবো বলে মনে হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, শিশু ও রোগীদের রাজনৈতিক ব্ল্যাকমেইলের কার্ড হিসাবে ব্যবহার করা উচিত নয়। গত ২ মার্চ ইসরায়েলের আরোপিত অবরোধের কারণে গাজায় ভ্যাকসিনসহ সব ধরনের চিকিৎসা সরঞ্জাম প্রবেশ আটকে গেছে এবং প্রায় ৬ লাখ ২ হাজার শিশু স্থায়ী পক্ষাঘাত এবং দীর্ঘস্থায়ী অক্ষমতার ঝুঁকিতে পড়ে গেছে।

প্রসঙ্গত, বিগত দুই দশকেরও বেশি সময়ের মধ্যে প্রথমবারের মতো গাজায় পুনরায় আবির্ভূত ঘটেছে পোলিওর। তারপর থেকে গত বছরের সেপ্টেম্বর, অক্টোবর এবং চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে তিন দফা টিকাদান কার্যক্রম পরিচালনা করেছে জাতিসংঘ, ফিলিস্তিনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এবং অন্যান্য দাতব্য সংস্থাগুলো।

খাদ্যে কৃত্রিম রং নিষিদ্ধ করছে ট্রাম্প প্রশাসন

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য সরবরাহ ব্যবস্থা থেকে কৃত্রিম খাদ্য রং নিষিদ্ধ করার পরিকল্পনার ঘোষণা দিয়েছে, একটি পদক্ষেপ যা স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের স্বাগত এবং বর্তমান তীব্র বিভক্ত রাজনৈতিক পরিবেশে বিরল দ্বিদলীয় ঐকমত্যের ইঙ্গিত দেয়। খবর বাসসের।

ওয়াশিংটন থেকে এএফপি জানায়, স্বাস্থ্য সচিব রবার্ট এফ কেনেডি জুনিয়র ‘মেক আমেরিকা হেলদি অ্যাগেইন’ (এমএএইচএ) কর্মসূচির আওতায় যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য ব্যবস্থা সংস্কারের অঙ্গীকার করেছেন। এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ অনুমোদিত আটটি কৃত্রিম খাবার রঙ পর্যায়ক্রমে বন্ধ করে দেয়া হবে।

এই পদক্ষেপ সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সময় নিষিদ্ধ করা রেড ডাই ৩-এর ওপর ভিত্তি করে আরও দ্রুত কার্যক্রম গ্রহণের পাশাপাশি শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে এসব উপাদানের প্রভাব নিয়ে জাতীয় স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটকে (এনআইএইচ) বিস্তৃত গবেষণা পরিচালনার নির্দেশ দেবে।

ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (এফডিএ) কমিশনার মার্টি মাকারি শিশু ও পরিবার ঘেরা এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘গত ৫০ বছরে আমেরিকান শিশুরা ক্রমাগত একটি বিষাক্ত রাসায়নিক পরিবেশে বেড়ে উঠছে।’ তিনি এডিএইচডি (মনোযোগ ঘাটতি ও অতিসক্রিয়তা ব্যাধি), ডায়াবেটিস, ক্যানসার, জেনেটিক গঠনে বিঘ্ন, হজমজনিত সমস্যা ইত্যাদির সঙ্গে এসব রঙের সম্পর্ক থাকার বিভিন্ন গবেষণার কথা উল্লেখ করেন।

পেট্রোলিয়াম থেকে তৈরি আটটি কৃত্রিম রঙের মধ্যে ইয়েলো ৫, ইয়েলো ৬ এবং রেড ৪০ সবচেয়ে বেশি ব্যবহƒত হয় বলে জানিয়েছেন ‘সেন্টার ফর সায়েন্স ইন দ্য পাবলিক ইন্টারেস্ট’ নামক অলাভজনক সংস্থার সভাপতি ও নির্বাহী পরিচালক পিটার লুরি।

এই রঙগুলো পানীয়, মিষ্টান্ন, সিরিয়াল, সস ও দুগ্ধজাত খাদ্যসহ নানা পণ্যে ব্যবহƒত হয়ে থাকে। রাজ্য পর্যায়েও এই উদ্যোগ জোর পাচ্ছে। মার্চ মাসে রিপাবলিকান প্রবণ পশ্চিম ভার্জিনিয়া কৃত্রিম রঙ নিষিদ্ধ করে আইন পাস করেছে। এর আগে ২০২৪ সালে ক্যালিফোর্নিয়া এই রঙগুলোকে পাবলিক স্কুলে নিষিদ্ধ করেছিল।

ক্যানসারের ঝুঁকির কারণে ২০২৭ ও ২০২৮ সালের মধ্যে খাদ্য ও ওষুধে রেড ডাই ৩ নিষিদ্ধের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে বাকি রঙগুলোও শিশুদের আচরণগত সমস্যার (যেমন- এডিএইচডি) সঙ্গে সম্পৃক্ত বলে গবেষণায় দেখা গেছে। ইউরোপে এই রঙগুলো পুরোপুরি নিষিদ্ধ না হলেও সতর্কতামূলক লেবেল দেয়ার নিয়মের ফলে অনেক কোম্পানি প্রাকৃতিক বিকল্পে চলে গেছে।

কৃত্রিম রঙ নিষিদ্ধ করার ক্ষেত্রে কেনেডির অবস্থান মূলধারার বৈজ্ঞানিক মতামতের সঙ্গে বিরলভাবে মিলছে, যা টিকাবিরোধী অবস্থান, সাম্প্রতিক হাম রুগ্ণতার গুরুত্ব খাটো করে দেখা এবং পাখিদের মধ্যে বার্ড ফ্লু ছড়িয়ে পড়তে দেয়ার মতো বিতর্কিত মতের পর এক ব্যতিক্রম।

তবে শিল্প খাতের কিছু বিরোধিতা দেখা যেতে পারে। ঐতিহাসিকভাবে খাদ্য প্রস্তুতকারকরা কড়াকড়ি নিয়ন্ত্রণের বিরুদ্ধে লবিং করে এসেছে। তবে লুরি মনে করেন, এবার হয়তো তাদের প্রতিক্রিয়া অনেকটা মৃদু হতে পারে। তিনি বলেন, ‘শিল্প খাত এখন ভাবছে, তারা কি এর বিরোধিতা করবে, না কি শেষ পর্যন্ত মেনে নেবে। আমার দেখা ইঙ্গিতগুলো বলছে, তারা হয়তো শেষ পর্যন্ত মেনে নেবে।’
তিনি রেড ডাই ৩ নিষিদ্ধ হওয়ার সময় দেয়া ‘উত্তাপহীন’ বিবৃতি এবং কেনেডির প্রথম হুঁশিয়ারিতে প্রায় নিঃপ্রতিক্রিয় শিল্প খাতের কথাও উল্লেখ করেন।

নতুন দল নিবন্ধনে সময় বাড়িয়ে গণবিজ্ঞপ্তি

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নতুন রাজনৈতিক দল নিবন্ধনে আবেদন জমা দেওয়ার সময়সীমা বাড়িয়ে গণবিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, নিবন্ধনের জন্য আগামী ২২ জুন পর্যন্ত আবেদনপত্র জমা দিতে পারবে নতুন দলগুলো।

অাজ বুধবার (২৩ এপ্রিল) নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের পক্ষ থেকে গণবিজ্ঞপ্তিটি জারি করা হয়।

এতে বলা হয়েছে, নিবন্ধনের জন্য আবেদন করতে আগ্রহী রাজনৈতিক দলগুলোকে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২-এর অনুচ্ছেদ ৯০ক এবং রাজনৈতিক দল নিবন্ধন বিধিমালা, ২০০৮ এর শর্তাবলী পূরণ সাপেক্ষে নির্ধারিত ফরম-১ পূরণ করে আবেদন করতে হবে।

তবে, কমিশনের পক্ষ থেকে স্পষ্ট করা হয়েছে, আগের গণবিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখিত সব শর্তাবলী অপরিবর্তিত থাকবে।

এর আগে, গত ১০ মার্চ প্রকাশিত গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নতুন রাজনৈতিক দল নিবন্ধনের জন্য ২০ এপ্রিল পর্যন্ত সময় নির্ধারণ করা হয়েছিল। পরে জুলাই অভ্যুত্থানে নেতৃত্বদানকারী ছাত্রনেতাদের নিয়ে গঠিত জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ (এনসিপি) বিভিন্ন নতুন রাজনৈতিক দল নিবন্ধনের সময় বৃদ্ধির আবেদন করলে সেসব বিবেচনায় নিয়ে সময়সীমা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয় নির্বাচন কমিশন।

২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে দেশে আবারো কমেছে সোনার দাম

দাম বাড়ানোর ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে এবার দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এবার ভরিতে ৫ হাজার ৩৪২ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৭২ হাজার ৫৪৬ টাকা নির্ধারণ করেছে সংগঠনটি।

অাজ বুধবার (২৩ এপ্রিল) বিকেলে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। নতুন এ দাম আজ থেকেই কার্যকর হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য কমেছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন দাম অনুযায়ী, প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭২ হাজার ৫৪৬ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৬৪ হাজার ৬৯৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৪১ হাজার ১৬৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ১৬ হাজার ৭৮০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস আরও জানায়, স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে আবশ্যিকভাবে সরকার-নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ৬ শতাংশ যুক্ত করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির তারতম্য হতে পারে।

এর আগে, সবশেষ গত ২২ এপ্রিল দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সে সময় ভরিতে একলাফে ৫ হাজার ৩৪২ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ১ লাখ ৭৭ হাজার ৮৮৮ টাকা নির্ধারণ করেছিল সংগঠনটি।

ইসরায়েলের বিরুদ্ধে সব মুসলিমদের জন্য জিহাদের ফতোয়া জারি

গাজায় অবরুদ্ধ ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে ১৭ মাস ধরে চলা ভয়াবহ যুদ্ধের পরিপ্রেক্ষিতে বেশ কয়েকজন বিশিষ্ট মুসলিম বিশেষজ্ঞ এক বিরল ধর্মীয় ফরমান বা ফতোয়া জারি করেছেন। তারা সমস্ত মুসলিম ও মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশকে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে জিহাদ করার আহ্বান জানিয়েছেন।

মিশরীয় ইসলামী পণ্ডিত ইউসুফ আল-কারাদভীর নেতৃত্বাধীন ইসলামি সংগঠন ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন অব মুসলিম স্কলারসের (আইইউএমএস) মহাসচিব ও প্রভাবশালী কুর্দি সুন্নি ইসলাম পণ্ডিত শেখ আলী আল-কারাদাঘি শুক্রবার (৪ এপ্রিল) সমস্ত মুসলিম দেশকে তাদের ম্যান্ডেট অনুসারে ফিলিস্তিনে চলমান গণহত্যা ও ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ বন্ধে অবিলম্বে সামরিক, অর্থনৈতিক এবং রাজনৈতিকভাবে হস্তক্ষেপ করার আহ্বান জানান।

শেখ আলী আল-কারাদাঘি শরিয়া ও ফিকাহ এবং ইসলামী অর্থনীতির বিশেষজ্ঞ। তিনি দোহার কাতার বিশ্ববিদ্যালয়ের শরিয়া ও ইসলামিক স্টাডিজ অনুষদের আইনশাস্ত্রের অধ্যাপক। ইসরায়েলকে প্রতিহত করতে তিনি প্রায় ১৫ দফা ফরমান বা ফতোয়া জারি করেছেন।

ফতোয়ায় আলী আল-কারাদাঘি বলেন, গাজা ধ্বংস হওয়ার সময় আরব ও ইসলামি সরকারগুলোর সমর্থন দেওয়ার ব্যর্থতা ইসলামী আইন অনুসারে সেখানকার নির্যাতিত মানুষদের প্রতি বড় অন্যায়। গাজার মুসলমানদের নির্মূলের চেষ্টা করা কাফের শত্রু ইসরায়েলকে সমর্থন করা নিষিদ্ধ, তা সে যে ধরণের সমর্থনই করুক না কেন। ইসরায়েলিদের কাছে অস্ত্র বিক্রি করা নিষিদ্ধ। সুয়েজ খাল, বাব আল-মান্দাব, হরমুজ প্রণালী, অথবা অন্য কোনো স্থল, সমুদ্র বা আকাশপথের মতো বন্দর বা আন্তর্জাতিক জলপথ দিয়ে তাদের জন্য অস্ত্র পরিবহন সহজতর করা নিষিদ্ধ।

ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন অব মুসলিম স্কলারস যে ফতোয়া জারি করেছে, সেটিতে গাজার মুসলিমদের সমর্থনে দখলদার শত্রুর (ইসরায়েল) জন্য আকাশ, স্থল ও সমুদ্র অবরোধের দাবি করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

ফরমান বা ফতোয়া হলো ধর্মীয় জ্ঞানের অধিকারী একজন সম্মানিত ব্যক্তির দেওয়া বাধ্যতামূলক ইসলামী আইনি রায়। এটি সাধারণত কুরআন বা মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর বাণী ও ইসলামী অনুশীলনের ওপর ভিত্তি করে প্রণয়ন করা হয়। ফতোয়ায় আলী আল-কারাদাঘি মধ্যপ্রাচ্যের সবচেয়ে সম্মানিত ধর্মীয় কর্তৃপক্ষের একজন। তার ফতোয়াগুলো পৃথিবীর ১৭০ কোটি সুন্নি মুসলিমের কাছে ব্যাপক গুরুত্ব বহন করে।

কারাদাঘির ফতোয়াকে সমর্থন জানিয়েছেন আরও ১৪ জন ইসলামিক ব্যক্তিত্ব। তারা যেসব মুসলিম দেশের সঙ্গে ইসরায়েলের ‘শান্তি চুক্তি’ আছে সেগুলো যেন পুনর্বিবেচনা বা পর্যালোচনা করার কথা বলেছেন। একইসঙ্গে তারা যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে তার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী আগ্রাসন নির্মূল ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় মুসলিমদের ওপর হত্যাযজ্ঞ বন্ধ করতে বাধ্য করতে মার্কিন মুসলিমদেরকে চাপ সৃষ্টির আহ্বান জানান।

গত জানুয়ারিতে ক্ষমতায় আসার আগে নির্বাচনী প্রচারণার সময় বারবার যুদ্ধ বন্ধ করার প্রতিশ্রুতি ও অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি ঘোষণার কথা বলেন ট্রাম্প। কিন্তু গত মাসে ফিলিস্তিনের বিরুদ্ধে ফের যুদ্ধ শুরু করতে ইসরায়েলকে সবুজ সংকেত দেখান তিনি। যুদ্ধবিরতি চুক্তি বাতিল করার পর থেকে ইসরায়েল শত শত শিশুসহ এক হাজার ২০০ জনেরও বেশি ফিলিস্তিনিকে হত্যা করে। ২০২৩ সালের অক্টোবরে গাজায় যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ৫০ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে।

ইসরায়েলি হামলায় গাজায় আরও ৩২ ফিলিস্তিনি নিহত

গাজা ভূখণ্ডে ইসরায়েলি হামলায় একদিনে কমপক্ষে আরও ৩২ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও অর্ধশতাধিক। এতে করে অবরুদ্ধ এই উপত্যকাটিতে নিহতের মোট সংখ্যা ৫১ হাজার ২৬০ ছাড়িয়ে গেছে।

গত ১৮ মার্চ গাজায় নতুন করে ইসরায়েলি হামলা শুরু হওয়ার পর থেকে প্রায় ১৯০০ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।

বুধবার (২৩ এপ্রিল) এই তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।

সংবাদমাধ্যমটি বলছে, ইসরায়েলি বাহিনী গাজায় বোমাবর্ষণ অব্যাহত রেখেছে এবং গাজা শহরের আল ডোরা পেডিয়াট্রিক হাসপাতালে আক্রমণ করেছে। এছাড়া মঙ্গলবার উপত্যকা জুড়ে কমপক্ষে ৩২ জন ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে ইসরায়েল।

পৃথক প্রতিবেদনে বার্তাসংস্থা আনাদোলু বলছে, গাজা উপত্যকায় ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে ইসরায়েলের গণহত্যামূলক আগ্রাসনে ভূখণ্ডটিতে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫১ হাজার ২৬৬ জনে পৌঁছেছে বলে মঙ্গলবার গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইসরায়েলি আক্রমণে আহত হওয়া আরও ৬০ জনেরও বেশি মানুষকে গাজার বিভিন্ন হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। এর ফলে সংঘাতের শুরু থেকে আহতের সংখ্যা বেড়ে ১ লাখ ১৬ হাজার ৯৯১ জনে পৌঁছেছে। অনেক মানুষ এখনও ধ্বংসস্তূপের নিচে এবং রাস্তায় পড়ে থাকলেও উদ্ধারকারীরা তাদের কাছে পৌঁছাতে পারেননি।

দীর্ঘ ১৫ মাস সামরিক অভিযানের পর যুক্তরাষ্ট্র ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের চাপে গত ১৯ জানুয়ারি গাজায় যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয় ইসরায়েল। তারপর প্রায় দু’মাস গাজায় কম-বেশি শান্তি বজায় ছিল; কিন্তু গাজা থেকে সেনা প্রত্যাহারের প্রশ্নে হামাসের মতানৈক্যকে কেন্দ্র করে মার্চ মাসের তৃতীয় গত সপ্তাহ থেকে ফের গাজায় বিমান হামলা শুরু করে ইসরায়েল।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুসারে, গত ১৮ মার্চ থেকে গাজায় নতুন করে শুরু হওয়া ইসরায়েলি বিমান হামলায় এখন পর্যন্ত প্রায় ১ হাজার ৯০০ ফিলিস্তিনি নিহত এবং আরও ৪ হাজার ৯৫০ জন আহত হয়েছেন। ইসরায়েলের বর্বর এই হামলা চলতি বছরের জানুয়ারিতে কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তি ভেঙে দিয়েছে।

জাতিসংঘের মতে, ইসরায়েলের বর্বর আক্রমণের কারণে গাজার প্রায় ৮৫ শতাংশ ফিলিস্তিনি বাস্তুচ্যুত হয়েছিলেন। এছাড়া অবরুদ্ধ এই ভূখণ্ডের ৬০ শতাংশ অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়ে গেছে।

এর আগে গত বছরের নভেম্বরে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত গাজায় যুদ্ধাপরাধ এবং মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু এবং তার সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্টের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে।

অবরুদ্ধ এই ভূখণ্ডে আগ্রাসনের জন্য আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে গণহত্যার মামলার মুখোমুখিও হয়েছে ইসরায়েল।

৫০০ কোটি টাকার নতুন বিনিয়োগে ওয়ান ফার্মা, ল‌ক্ষ‌্য ওষুধ রপ্তানি

বাংলাদেশের ওষুধ শিল্পে রপ্তানি বাজার স¤প্রসারণে নতুন মাইলফলক যোগ করতে যাচ্ছে ওয়ান ফার্মা লিমিটেড। বর্তমানে তিনটি দেশে ওষুধ রপ্তানি করলেও আগামী তিন বছরের মধ্যে নতুন করে আরও ১০টি দেশে রপ্তানি শুরুর পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। এর অংশ হিসেবে প্রায় ৫০০ কোটি টাকার নতুন বিনিয়োগ করছে প্রতিষ্ঠান‌টি।শুক্রবার ওয়ান ফার্মার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কোম্পানিটি বর্তমানে তিনটি দেশে ওষুধ রপ্তানি করছে। আরও কয়েকটি দেশে রপ্তানি করতে প্রক্রিয়া চলছে। পাশাপাশি বিভিন্ন দেশে কৃষিপণ্য রপ্তানি করতে চায় তারা। ওয়ান ফার্মা ও এগ্রিকেয়ারের চেয়ারম্যান নাজমুন নাহার বলেন, আমরা ইতোমধ্যে দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিভিন্ন দেশে ওষুধ রপ্তানি করছি। আমদানি নির্ভরতা কমিয়ে নিজস্ব প্রযুক্তিতে উৎপাদিত ওষুধ এখন দেশেই কম দামে সরবরাহ করছি, যা বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয়ে সহায়তা করছে।চেয়ারম্যান জানান, কোম্পানি বর্তমানে আফগানিস্তান, মিয়ানমার ও শ্রীলঙ্কায় ওষুধ রপ্তানি করছে। আলজেরিয়াসহ আফ্রিকার বিভিন্ন অনুন্নত দেশের সঙ্গে নতুন করে রপ্তানির আলোচনা চলছে। প্রতিষ্ঠানটির লক্ষ্য, আগামী ২ থেকে ৩ বছরের মধ্যে আরও ১০টি দেশে পণ্য পাঠানো। টেকসই ভবিষ্যৎ নির্মাণে একসঙ্গে পথ চলার অঙ্গীকার বাণিজ্য ঘাটতি কমিয়ে আনতে রপ্তানি বহুমুখীকরণের চেষ্টা থাকবেওষুধ খাতে নতুন মাত্রা যোগ করতে প্রতিষ্ঠানটি ক্যান্সারের জন্য বায়োটেক ওষুধ উৎপাদনের প্লান্ট স্থাপন করছে। এরই মধ্যে কিছু যন্ত্রপাতি স্থাপন হয়েছে এবং আরও যন্ত্রপাতি আমদানির প্রক্রিয়া চলছে। এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে দেশে উৎপাদিত ক্যান্সারের ওষুধ স্বল্পমূল্যে বাজারে সরবরাহ করা যাবে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারেও রপ্তানির দরজা খুলবে ব‌লে জানান ওয়ান ফার্মার চেয়ারম্যান নাজমুন নাহার।কোম্পানির পক্ষ থেকে জানানো হয়, ২০১৫ সালে এই ওষুধ কোম্পানি বগুড়ার বিসিক শিল্পনগরীতে যাত্রা শুরু করে। বর্তমানে এই ওষুধ কারখানায় ২০০ শ্রমিক কাজ করছে। শতাধিক জেনেরিক ওষুধ এখন তৈরি করছে কোম্পানিটি। ওয়ান ফার্মার প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা ইশতিয়াক আহমেদ বলেন, ২০১৮ সালে ওষুধ রপ্তানি শুরু করে প্রতিষ্ঠানটি। ২০২৪ সালে আফগানিস্তানে ২ মিলিয়ন ডলারের ওষুধ রপ্তানি করা হয়েছে। চলতি বছরে ৩ মিলিয়ন ডলারের অর্ডার রয়েছে। মিয়ানমারে রপ্তানির পরিমাণ ৫০ হাজার ডলার।তিনি আরও বলেন, আমরা ১০০টি দেশে রপ্তানির লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছি। বর্তমানে আমাদের বার্ষিক টার্নওভার ১৫০ থেকে ১৮০ কোটি টাকা। গত বছর প্রবৃদ্ধি ছিল ৬১ শতাংশ। বর্তমানে আফগানিস্তান ও মিয়ানমারে রপ্তানি হচ্ছে। শ্রীলঙ্কা থেকে রপ্তানি আদেশ দিয়েছে। এই তিন দেশে এখন রপ্তানি হচ্ছে। ক্যান্সারের ওষুধ উৎপাদন শুরু হলে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে রপ্তানির সুযোগ তৈরি হবে বলে জানান ওয়ান ফার্মার প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা।বাংলাদেশ ঔষধ শিল্প সমিতির তথ্যমতে, বর্তমানে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ২৬৯টিরও বেশি ছোট-বড় ওষুধ কারখানা রয়েছে। এর মধ্যে ১৬৪টি কারখানা নিয়মিতভাবে ওষুধ উৎপাদন করে যাচ্ছে। এসব কারখানায় প্রায় ৫ হাজার ব্র্যান্ডের ৮ হাজারেরও বেশি ওষুধ উৎপাদন করা হচ্ছে।কোম্পানির পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়, ন্যাশনাল এগ্রিকেয়ার গ্রæপের সহযোগী প্রতিষ্ঠান ওয়ান ফার্মা। এই গ্রæপ অব কোম্পানির চেয়ারম্যান নাজমুন নাহার। দেশে ফসল উৎপাদন বাড়াতে ২০০২ সালে যাত্রা শুরু করে ন্যাশনাল এগ্রিকেয়ার। তাদের এই কোম্পানি তখন থেকেই উচ্চ ফলনশীল জাতের দেশি বীজ বাজারে সরবরাহ করে আসছে। কোম্পানিটি এখন ধান, ভুট্টা ও সবজির উচ্চ ফলনশীল বীজ উৎপাদন করে বাজারে ছাড়ছে।কোম্পানির হেড অব বিজনেস ডেভেলপমেন্ট আবুল হাসান বলেন, আমরা প্রথম স্পেলেন্ডার ব্র্যান্ডের ওয়াটার ডিসপোজাবল গ্রানুলা কীটনাশক উৎপাদন করে বাজারে ছাড়ছি। এর ফলে অনেকে নিরাপদে এই কীটনাশক ব্যবহার করছে। কারণ এটি পাউডার ফ্রি হওয়ায় ব্যবহারে কোনো ক্ষতি নেই