Home Blog Page 460

জাতিসঙ্ঘ টিমের সাথে শেখ হাসিনার বৈঠকের ভিডিও সম্পর্কে যা জানা গেল

জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার আন্দোলনে গণঅভ্যুত্থানে পদত্যাগ করে ভারতে পালিয়ে যাওয়া সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে জাতিসঙ্ঘ টিমের বৈঠকের দাবি ভিন্ন ঘটনার পুরোনো ভিডিও প্রচার করা হয়েছে।

প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি)-এর অধীনে ফ্যাক্ট চেক এবং মিডিয়া গবেষণা ইউনিট ‘বাংলা ফ্যাক্ট’-এর অনুসন্ধানে এই তথ্য বেরিয়ে আসে।

প্রতিষ্ঠানটির অনুসন্ধান দেখা গেছে, ২০২৩ সালে লন্ডনে শেখ হাসিনাকে নাগরিক সংবর্ধনা দেয়ার ভিডিও আপলোড করে দিল্লিতে জাতিসঙ্ঘ টিমের সাথে বৈঠক দাবি করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করা হয়।

বাংলা ফ্যাক্ট-এর অনুসন্ধানে শেখ হাসিনার সাথে জাতিসঙ্ঘ টিমের বৈঠক দাবি ভিন্ন ঘটনার পুরোনো ভিডিও প্রচার করা হয়েছে এই সত্য ফ্যাক্ট চেকে বেরিয়ে আসে।

শেখ হাসিনার যে ছবিটি দিল্লিতে জাতিসঙ্ঘ টিমের বৈঠক দাবি করে প্রচার করা হয়, একই ছবি দিয়ে লন্ডনে তাকে ২০২৩ সালে আওয়ামী লীগের দেয়া সংবর্ধনা বিভিন্ন পোস্ট সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে খুঁজে পায় বাংলাফ্যাক্ট।

ফ্যাক্ট চেক প্রতিষ্ঠানটি জানায়, ভিন্ন ঘটনায় পুরনো ভিডিও প্রচার করা হয়েছে। সূত্র : বাসস

এ বছর নির্বাচন আয়োজন কঠিন হবে

বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার এখনো জননিরাপত্তা পুরোপুরি নিশ্চিত করতে পারেনি এবং এ বছর জাতীয় নির্বাচন আয়োজন করা কঠিন হবে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক মো: নাহিদ ইসলাম।

বৃহস্পতিবার (৬ মার্চ) ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘আমরা সবাই আশা করেছিলাম স্বল্পমেয়াদি সংস্কারের মাধ্যমে গত সাত মাসে পুলিশি ব্যবস্থা, আইন ও শৃঙ্খলা স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনা যাবে। এটা একটা মাত্রায় ঘটলেও আমাদের প্রত্যাশা অনুযায়ী হয়নি।’

তিনি বলেন, ‘বর্তমানে আইনশৃঙ্খলা ও পুলিশের যে অবস্থা তাতে আমি মনে করি না একটি জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্ভব হবে।’

তিনি আরো বলেন, ‘নির্বাচনের আগে কথিত ‘জুলাই বিপ্লবের ঘোষণাপত্র’ নিয়ে মতৈক্যে পৌঁছানো জরুরি।’

এনসিপি’র আহ্বায়ক বলেন, ‘আমরা যদি এক মাসের মধ্যে মতৈক্যে পৌঁছাতে পারি তাহলে আমরা শিগগিরই নির্বাচনের আহ্বান জানাতে পারব। কিন্তু এর জন্য যদি আরো সময় লাগে তাহলে নির্বাচন বিলম্বিত হবে।’

সূত্র : বিবিসি

লন্ডনে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ওপর হামলার চেষ্টা, ছেঁড়া হলো ভারতের পতাকা

লন্ডন সফরকালে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের ওপর স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠী খালিস্তানিরা হামলার চেষ্টা চালিয়েছে। এসময় ভারতের জাতীয় পতাকা ছিঁড়ে ফেলার ঘটনাও ঘটে।

আজ (বৃহস্পতিবার) ভারতীয় বার্তাসংস্থা এএনআই জানিয়েছে, গতকাল (বুধবার) রাতে লন্ডনের চ্যাথাম হাউসে একটি আলোচনা সভায় যোগ দিতে গিয়েছিলেন জয়শঙ্কর। খলিস্তানপন্থিরা পতাকা নিয়ে জড়ো হয়েছিলেন অদূরে রাস্তার উপর। পুলিশের সামনেই সেখানে তারা ভারত-বিরোধী নানা স্লোগান দেন।

খবরে আরও বলা হয়েছে, জয়শঙ্কর কর্মসূচি শেষে বের হওয়ার সময় বিক্ষোভকারীদের ভিড় থেকে এক ব্যক্তি হঠাৎই ছুটে তার গাড়ির সামনে পৌঁছে যান। এরপর কনভয়ের সামনেই ভারতের জাতীয় পতাকা ছিঁড়ে ফেলেন। এসময় আরও কয়েক জন খলিস্তানপন্থি কর্মী ভারতীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কনভয়ের কাছে এসে স্লোগান দিতে শুরু করেন। প্রাথমিকভাবে পুলিশ কিছুটা দ্বিধাগ্রস্ত হলেও কিছুক্ষণ পরে বিক্ষোভকারীদের সরিয়ে নিয়ে যায়।

এদিকে, জয়শংকরের ওপর হামলার ঘটনার ভিডিয়োটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে পড়েছে।

ভাইরাল ভিডিওতে দেখা গেছে, জয়শংকরের গাড়ির দিকে ছুটে যাচ্ছে এক ব্যক্তি। সেখানে ভারতীয় জাতীয় পতাকা ছেঁড়ে সেই ব্যক্তি। সামনেই লন্ডনের পুলিশ কর্মকর্তা ছিলেন। তবে সেই হামলাকারী ব্যক্তিকে সরাতে কিছুই করেনি সেই পুলিশকর্মীরা।

ভিডিওতে আরও দেখা যায়, কয়েকজন খালিস্তান সমর্থক হলুদ পতাকা ধরে আছে এবং বিক্ষোভ দেখাচ্ছে।

এএনআই জানিয়েছে, এই হামলার নেপথ্যে খলিস্তানপন্থি নেতা গুরপতবন্ত সিং পন্নুনের সংগঠন ‘শিখস ফর জাস্টিস’ (এসএফজে) রয়েছে বলে প্রাথমিক ভাবে মনে করা হচ্ছে। অতীতে এই সংগঠনের সদস্যরা ব্রিটেনে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার বিক্রম দুরাইস্বামীর ওপর স্কটল্যান্ডের গ্লাসগোয় আলবার্ট ড্রাইভের গুরুদ্বারে হামলা চালিয়েছিল। এ ছাড়া লন্ডনের ভারতীয় হাইকমিশনের সামনে বিক্ষোভ প্রদর্শন ও হামলার চেষ্টারও অভিযোগ রয়েছে এসএফজের বিরুদ্ধে।

সূত্র : পার্সটুডে

সিরিয়ায় আসাদ অনুগতদের সাথে সরকারি বাহিনীর ব্যাপক সংঘর্ষ, নিহত ৭০

সিরিয়ার বর্তমান প্রশাসনের নিরাপত্তা বাহিনী সাথে দেশটির উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের একটি উপকূলীয় এলাকায় ক্ষমতাচ্যুত আসাদ সরকারের অনুগত যোদ্ধাদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষে ৭০ জনেরও বেশি নিহত হয়েছেন। সংঘর্ষের পর শুক্রবার সকাল পর্যন্ত সেখানে কারফিউ ঘোষণা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার রাতে সিরিয়া-ভিত্তিক বার্তাসংস্থা স্টেপ জানিয়েছে, সরকার-সমর্থিত বাহিনী প্রায় ৭০ জন আসাদ অনুগত যোদ্ধাকে হত্যা করেছে এবং জাবলেহ ও এর আশপাশের এলাকায় ২৫ জনেরও বেশি যোদ্ধাকে আটক করা হয়েছে।

এদিকে ফরাসি বার্তাসংস্থা এএফপি একটি যুদ্ধ পর্যবেক্ষণকারী সংস্থার বরাত দিয়ে জানিয়েছে, সংঘর্ষে মোট ৪৮ জন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে ১৬ জন সরকারি নিরাপত্তা কর্মী, ২৮ জন আসাদপন্থী যোদ্ধা এবং চারজন বেসামরিক নাগরিক রয়েছে।

সিরিয়ার রাষ্ট্রীয় বার্তাসংস্থা সানা জানিয়েছে, সামরিক শক্তি বৃদ্ধি করে সৈন্যরা জাবলেহ শহরের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।

গত ডিসেম্বরে বাশার আল-আসাদের পতনের পর থেকে সিরিয়ার সরকারের সাথে যুক্ত বাহিনীর ওপর এটি সবচেয়ে সহিংস হামলার মধ্যে একটি। আলাউই সম্প্রদায়ের প্রাণকেন্দ্র ও আসাদ পরিবারের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত উপকূলীয় এলাকাগুলোতে সংঘর্ষ অব্যাহত রয়েছে।

এছাড়াও হোমস ও আলেপ্পো শহরেও সংঘর্ষের খবর পাওয়া গেছে।

সিরিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র কর্নেল হাসান আব্দুল গনি রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের মাধ্যমে লাতাকিয়ায় লড়াইরত আসাদের অনুগতদের প্রতি একটি সতর্কবার্তা জারি করেন।

তিনি বলেন, ‘হাজার হাজার মানুষ অস্ত্র সমর্পণ করে তাদের পরিবারের কাছে ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আবার কেউ কেউ খুনি ও অপরাধীদের রক্ষায় পালিয়ে যেতে ও মৃত্যুর মুখোমুখি হতে জোর দিচ্ছে। আপনাদের দু’টি পথ রয়েছে। হয় অস্ত্র রেখে দিন, নয়তো অনিবার্য পরিণতির মুখোমুখি হন।’

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান আহমেদ আল-শারার জন্য এই অঞ্চলটি একটি বড় নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তিনি দক্ষিণেও প্রতিরোধের মুখোমুখি হচ্ছেন। সেখানে সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ড্রুজ বাহিনীর সাথে নিরাপত্তা বাহিনীর সংঘর্ষ হয়েছে।

সূত্র : বিবিসি

মেইড ইন জিনজিরা’ ট্যাং-জুস-গ্লুকোজে সয়লাব রমজানের বাজার

জিনজিরা ঢাকার উপকণ্ঠে কেরানীগঞ্জের এই স্থানটির খ্যাতি এক বিশেষ কারণে-নকল পণ্য উৎপাদনে এই জায়গার জুড়ি মেলা ভার। মেশিনারি, গাড়ির যন্ত্রাংশ থেকে শুরু করে প্রসাধনী, নকল খাদ্যসামগ্রী-কী উৎপাদন হয় না সেখানে! স্থানটির এতই খ্যাতি যে, দেশে নকল কোনো পণ্য বোঝাতে ‘মেইড ইন জিনজিরা’ ট্যাগ লাগিয়ে দেন অনেকে।

ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে পবিত্রে রমজান মাসে জিনজিরায় তৈরি নকল ট্যাং, জুস ও গ্লুকোজে ইতোমধ্যে সয়লাব হয়ে গেছে বাজার। অসাধু ব্যবসায়ীরা বেশি মুনাফার আশায় নকল ও ভেজাল খাদ্যসামগ্রী তৈরি করে দেশের বিভিন্ন জেলায় সেসব সরবরাহ করছে। মফস্বল পর্যায়ের গ্রাহকরা এসব নকল খাদ্যসামগ্রী কিনে প্রতারিত হচ্ছেন, পড়ছেন মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকিতে।

চিকিৎসকদের মতে, এসব ভেজাল পণ্য পাকস্থলি ও ফুসফুসে ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায়। তবে স্বাস্থ্যঝুঁকির বিষয়টি জেনেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে তেমন কোনো তৎপরতা লক্ষ করা যাচ্ছে না।

ঢাকার কেরানীগঞ্জ উপজেলার জিনজিরা, মান্দাইল, আমিরাবাগ, বোরহানিবাগ, শুভঢ্যা, আগানগর, কালীগঞ্জ ও কাজিরগাঁও এলাকায় রমজান মাসে সৃষ্ট চাহিদার কথা মাথায় রেখে নকল ও ভেজাল অরেঞ্জ ও ম্যাংগো ড্রিঙ্কস পাউডার (ট্যাং) এবং বিভিন্ন নামীদামী কোম্পানির মোড়ক নকল করে কিটক্যাট, মিমিসহ বিভিন্ন ধরনের চকলেট তৈরি ও বিক্রি চলছে দেদারসে।

বিগত সময়ে র‌্যাবের পক্ষ থেকে বারবার ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করায় এই সমস্ত ভেজাল খাদ্য উৎপাদন কারখানা প্রায় একেবারেই বন্ধ হয়ে গিয়েছিল।

তবে গত ৫ আগস্ট দেশের রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর র‌্যাবের পক্ষ থেকে ভেজালবিরোধী তৎপরতা একেবারেই নেই। এই সুযোগে আসাধু ব্যবসায়ীরা আবার জেগে উঠেছে নতুন রূপে।

সরজমিনে উপজেলার গদাবাগ, মুক্তির বাগ, আমিরাবাগ, নেকরোজ বাগ, খোলামোড়া, জিয়ানগর ও তেঘরিয়া, শুভঢ্যা, আগানগর কালীগঞ্জ, কাজিরগাঁও ও আব্দুল্লাহপুর এলাকা দেখা গেছে, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে ভেজাল ও নকল শিশুখাদ্য তৈরি করে অতি চতুরতার সাথে ওই সব বাজারজাতকরণের প্রক্রিয়া চলছে।

মুক্তিরবাগ এলাকায় একটি কারখানায় দেখা গেছে, বেশ কয়েকজন নারী শ্রমিক হাত দিয়েই বোতলে ভরছেন ভেজাল জুস। এই কাজে হাতে গ্লাভস পরার প্রয়োজনীয়তাও মনে আসেনি তাদের। মাথায় চুলের জাল (হেয়ারনেট) না পরেই অরেঞ্জ ড্রিংকস বোতলজাত করছেন তারা। আবার অরেঞ্জ ড্রিংকস পাউডার মোড়কজাত করার সময় বাতাসে তা যাতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে না যায়, সেজন্য ফ্যান বন্ধ করে কাজ করছেন শ্রমিকরা। এতে করে তারা ঘেমে একেবারে কর্দমাক্ত হয়ে যাচ্ছেন।

সেখানে কথা হয় কারখানাটির ম্যানেজার শাকিল আহমেদের সঙ্গে। তিনি জানান, তাদের বিএসটিআই ও পরিবেশ ছাড়পত্র আছে। তবে দেখতে চাইলে সেগুলো দেখাতে পারেননি তিনি।

ল্যাব আছে কি না জানতে চাইলে তিনি অকপটে ল্যাব না থাকার কথা স্বীকার করে বলেন, ‘আমাদের কাছে রেসিপি আছে। সেই অনুযায়ী, আমরা ড্রিংকস পাউডার প্রস্তুত করে দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে পাঠাই। পরে আমাদের বিক্রয়-প্রতিনিধি পণ্যগুলো বিভিন্ন দোকানে দোকানে বিক্রি করেন।’

এ সমস্ত ভেজাল ও কৃত্রিম রঙ মিশ্রিত অরেঞ্জ ড্রিংকস স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের আবহাওয়া খুবই ভালো। এখানে সবকিছুই হজম হয়ে যায়। কয়েক বছর যাবত তো এই প্রোডাক্ট মার্কেটে বিক্রি করছি, কোথাও থেকে কখনো কোনো দুঃসংবাদ এখনো পাইনি।’

তবে এসব ভেজাল খাদ্যসামগ্রী স্বাস্থ্যের পক্ষে অত্যন্ত ক্ষতিকর বলে জানিয়েছেন স্যার সলিমুল্লাহ মেডিক্যাল কলেজ (মিটফোর্ড) হাসপাতালের সহযোগী অধ্যাপক ডা. রোজিনা আমিন।

তিনি বলেন, ‘কৃত্রিম রঙ মিশ্রিত ভেজাল ড্রিংকস স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। এসব ড্রিংকস সবচাইতে বেশি লিভার ও কিডনিকে আক্রান্ত করে এবং শরীরে ইনসুলিনের পরিমাণ কমিয়ে দেয়।’

এই চিকিৎসকের মতে, ‘ছোট শিশুদের জন্য এগুলো আরো বেশি ভয়াবহ, কারণ এতে চিনির পরিমাণ অনেক বেশি থাকে।’

তবে রমজান মাসে রোজাদারদের পানির চাহিদা পূরণ করতে জুস অপরিহার্য হলেও তা ঘরে বিভিন্ন দেশীয় ফল দিয়ে তৈরি করে পান করা উত্তম বলে পরামর্শ দেন তিনি।

কেরানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্যানিটারি ইন্সপেক্টর শাহিনুর রহমান বলেন, ‘অসাধু ব্যবসায়ীরা উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়ে অবৈধ অরেঞ্জ ড্রিংকস পাউডার প্রস্তুত কারখানা তৈরি করেছে-খবর পেয়েছি। এসব কারখানায় অভিযানের জন্য আমাদের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট প্রয়োজন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) সাথে কথা হয়েছে। তিনি এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করলেই আমরা অভিযানে নামব।

কেরানীগঞ্জের ইউএনও রিনাত ফৌজিয়া বলেন, ‘ভেজাল খাদ্যদ্রব্য প্রস্তুত করা বড় ধরনের অপরাধ। আমরা দ্রুতই ভেজাল ও নকল সামগ্রী তৈরির প্রতিষ্ঠানে অভিযান পরিচালনা করব।’ সূত্র : ইউএনবি

২৬ মার্চ দ্বিপক্ষীয় সফরে চীন যাবেন ড. ইউনূস

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূস বুধবার (২৬ মার্চ) দু’দিনের সফরে চীন যাচ্ছেন। তিনি দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় সফরে দেশটিতে যাবেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, প্রধান উপদেষ্টার আগামী ২৭ ও ২৮ মার্চ চীন সফর করার কথা রয়েছে। তার চীনের দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রদেশ হাইনানে বাও ফোরাম ফর এশিয়ার (বিএফএ) সম্মেলনে যোগ দেয়ার পাশাপাশি দ্বিপক্ষীয় সফরে বেইজিং যাওয়ার প্রস্তুতি চলছে।

ঢাকা-বেইজিংয়ের কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, প্রধান উপদেষ্টার ২৬ মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠান শেষে চীনের উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে। পরদিন ২৭ মার্চ ড. ইউনূস বাও ফোরাম ফর এশিয়ার (বিএফএ) সম্মেলনে যোগ দেবেন।

পরদিন তিনি বেইজিংয়ে চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের সাথে সাক্ষাৎ করবেন। একইদিন প্রধান উপদেষ্টা চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সাথে বৈঠক করবেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, আগামী ২৬ মার্চ চীনা প্রেসিডেন্টর পাঠানো বিশেষ ফ্লাইটে দেশটিতে যাবেন ড. ইউনূস। সফরের সময় সংক্ষিপ্ত হওয়ায় হাইনানে বাও ফোরামে যোগ দিয়ে চীনা প্রেসিডেন্টর পাঠানো বিশেষ ফ্লাইটে ফের বেইজিং আসতে পারেন তিনি।

গত বছরের ৮ আগস্ট ড. ইউনূসের নেতৃত্বে বাংলাদেশে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। সরকার প্রধানের দায়িত্ব পাওয়ার পর তিনি গত সেপ্টেম্বরে নিউইয়র্কে জাতিসঙ্ঘের অধিবেশনে যোগ দেন। এরপর নভেম্বরে আজারবাইজানে কপ-২৯ সম্মেলনে যোগ দেন প্রধান উপদেষ্টা। গত ডিসেম্বরে ড. ইউনূস ডি-৮ সম্মেলনে যোগ দিতে মিসর সফর করেন।

সবশেষ চলতি বছরের জানুয়ারিতে দাভোসে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) বার্ষিক সম্মেলনে যোগ দেন তিনি। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রধান উপদেষ্টার প্রথম সফর বেইজিংয়ে হলে শেখ হাসিনাকে দিল্লির আগে সফর না করাতে পারার আক্ষেপ হয়ত ঘুচবে চীনের। আর এটি হয়ত কূটনৈতিক প্রতিশোধ হবে বেইজিংয়ের।

চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ফাইনালে আম্পায়ার যারা

দেখতে দেখতে প্রায় শেষ হয়ে এলো চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি। আর মাত্র একটি ম্যাচ, তারপরই পর্দা নামবে ক্রিকেটের বৈশ্বিক এই আসরের। শিরোপানির্ধারণী সেই ম্যাচে মুখোমুখি হবে ভারত ও নিউজিল্যান্ড।

আগামী রোববার (৯ মার্চ) দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে গড়াবে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ফাইনাল। মহাগুরুত্বপূর্ণ এই ম্যাচের আগে খেলা পরিচালনাকারীদের তালিকা প্রকাশ করেছে আইসিসি।

জানা গেছে, ফাইনালে অন-ফিল্ড আম্পায়ার হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন পল রাইফেল ও রিচার্ড ইলিংওয়ার্থ। দুজনই আইসিসির এমিরেটস এলিট প্যানেলভুক্ত আম্পায়ার।

এর আগে দুজনেই সেমিফাইনাল ম্যাচ পরিচালনা করেছেন। ইলিংওয়ার্থ ভারত-অস্ট্রেলিয়া সেমিফাইনালের দায়িত্বে ছিলেন। অন্যদিকে, পল রাইফেল ছিলেন নিউজিল্যান্ড-দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচে।

চারবারের আইসিসি বর্ষসেরা আম্পায়ার ইলিংওয়ার্থ এর আগে ২০২৩ সালের আইসিসি ওয়ানডে বিশ্বকাপ এবং ২০২৪ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালেও দায়িত্ব পালন করেছেন।

এমনকি গত জানুয়ারিতে টানা তৃতীয় ও ক্যারিয়ারে চতুর্থবারের মতো আইসিসির বর্ষসেরা আম্পায়ার নির্বাচিত হয়েছিলেন ইলিংওয়ার্থ।

এছাড়া ফাইনালে তৃতীয় আম্পায়ার হিসেবে থাকবেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের জোয়েল উইলসন। আর চতুর্থ আম্পায়ার হিসেবে থাকবেন শ্রীলঙ্কার কুমার ধর্মসেনা। ম্যাচ রেফারি হিসেবে থাকছেন রঞ্জন মাদুগালে।

আবারো ভেঙে পড়লো স্টারশিপ

মার্কিন ধনকুবের ইলনমাস্কের স্পেসএক্সের স্টারশিপ মহাকাশযান বৃহস্পতিবার উৎক্ষেপণের ১০ মিনিটের মধ্যেই পৃথিবীর সাথে সম্পর্ক ছিন্ন হয়ে যায় এবং তারপরেই তাতে আগুন লেগে যায়।

এ বছরে এটি দ্বিতীয় স্টারশিপ যাতে বিস্ফোরণ ঘটলো।

স্টারশিপে আগুন লাগার পর আকাশে অগ্নিদ্বগ্ধ ধ্বংসাবশেষ ছড়িয়ে পড়তে থাকে। এর ফলে ফ্লোরিডা ও তার কাছের এলাকায় বেশ কিছুক্ষণ বিমান চলাচল বন্ধ রাখা হয়।

কেন এই বিস্ফোরণ?

বৃহস্পতিবারের ঠিক দু’মাসও আগে ঠিক একইভাবে আরো একটি স্টারশিপে বিস্ফোরণ হয়। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ ধনকুবের ইলন মাস্কের স্পেসএক্সের এটি দ্বিতীয় ব্যর্থতা হিসেবে চিহ্নিত করা হচ্ছে।

টেক্সাসের বোকা চিকা থেকে স্থানীয় সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় (বাংলাদেশে শুক্রবার সকাল সাড়ে ৬টা) ৪০৩ ফুটের এই রকেটটি উৎক্ষেপণ করা হয়।

উৎক্ষেপণের প্রথম ভাগে কোনো সমস্যা হয়নি। বুস্টারটি সফলভাবে রকেট থেকে আলাদা হয়ে পৃথিবীর দিকে নেমে আসে। মাঝপথে তাকে ধরে ফেলে একটি ক্রেন।

কিন্তু কিছুক্ষণের মধ্যেই স্টারশিপের বাকি অংশ ঘুরতে থাকে। একাধিক ইঞ্জিন বন্ধ হয়ে যায়।

স্পেসএক্সের লাইভ ইভেন্টে তাদের মুখপত্র ড্যান হুয়ট বলেন, ‘দুর্ভাগ্যবশত একই ঘটনা শেষবারেও ঘটেছিল। আমাদের খানিকটা প্র্যাকটিস হয়ে যাচ্ছে।’

মাস্কের মঙ্গলযাত্রা কি সফল হবে?

মাস্ক ২০২৫ সালে মহাকাশ অভিযান প্রকল্পে গতি আনার কথা বলেছিলেন। পরপর দুবার এই ব্যর্থতার প্রভাব সেই পরিকল্পনার ওপর পড়তে পারে।

জানুয়ারিতে রকেট উৎক্ষেপণের আট মিনিটের মাথায় তা ভেঙে পড়ে। তার ধ্বংসাবশেষ ক্যারিবিয়ান দ্বীপপুঞ্জের উপর পড়তে দেখা যায়। এর ফলে টার্ক্স ও কাইকোস দ্বীপের একটি গাড়ি সামান্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

এই দশকের শেষে ইলন মাস্ক মঙ্গল গ্রহে মানুষ পাঠানোর পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করেছেন। স্টারশিপ সেই প্রকল্পের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

ভবিষ্যতে এর যেন পুনরাবৃত্তি না ঘটে সেই কথা মাথায় রেখে ফেডারেল অ্যাভিয়েশন আডমিনিস্ট্রেশন স্পেসএক্সকে এই ঘটনার তদন্ত করতে বলেছে।

সূত্র : ডয়চে ভেলে

এবার কাদের হাতে উঠল অস্কার

যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলসে ডবলি থিয়েটারে রোববার অনুষ্ঠিত হয়ে গেলো শোবিজ অঙ্গনের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ অ্যাকাডেমিক অ্যাওয়ার্ডস অর্থাৎ অস্কারের জমকালো ৯৭তম আসর।

এবারের আসরে সেরা চলচ্চিত্রের পুরস্কার পেয়েছে শন বেকারের ‘আনোরা’। এই চলচ্চিত্রে প্রেম, নারীর সামাজিক অবস্থান, নিম্নবিত্ত মানুষের জীবন বাস্তবতা এবং সাংস্কৃতিক সংঘাতের নানা প্রতিচ্ছবি ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।

সেরা চলচ্চিত্রের পাশাপাশি সেরা পরিচালক, সেরা অভিনেত্রী, মৌলিক চিত্রনাট্য এবং সেরা সম্পাদনাসহ মোট পাঁচটি ক্যাটাগরিতে অস্কার জিতে নিয়েছে ‘আনোরা’।

গত বছর কান উৎসবে স্বর্ণপাম জিতেছিল চলচ্চিত্রটি।

এদিকে, সেরা অভিনেতার পুরস্কার পেয়েছেন অ্যাড্রিয়েন ব্রোডি। দ্য ব্রুটালিস্ট চলচ্চিত্রে প্রধান ভূমিকায় অনবদ্য অভিনয় তাকে এই পুরস্কার এনে দেয়।

চলতি বছর একই সিনেমার জন্য গোল্ডেন গ্লোবেও সেরা অভিনেতা হয়েছেন তিনি।

এর আগে তিনি পিয়ানিস্ট চলচ্চিত্রে মূখ্য ভূমিকায় অভিনয়ের জন্য সেরা অভিনেতার পুরস্কার পেয়েছিলেন। তাও সেটা ২২ বছর আগের কথা।

সেরা অভিনেত্রী হয়েছেন ‘আনোরা’ সিনেমায় অভিনয় করা ২৫ বছর বয়সী মাইকি ম্যাডিসন।

‘এমিলিয়া পেরেজ’ চলচ্চিত্রে পার্শ্ব অভিনেত্রী হিসেবে অভিনয় করে অস্কার ছিনিয়ে নিলেন জোয়ি সালদানা। ‘অ্যা রিয়েল পেইন’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য সেরা পার্শ্ব অভিনেতার স্বীকৃতি পেয়েছেন কিয়েরান কালকিন।

ফিলিস্তিনি তথ্যচিত্র ‘নো আদার ল্যান্ড’ সেরা তথ্যচিত্রের জন্য পুরস্কার জিতেছে।

এবার সেরা অ্যানিমেশন ছবি (স্বল্পদৈর্ঘ্য) হিসেবে অস্কার পেল ‘ইন দ্য শ্যাডো অব সাইপ্রেস’, আর ফিচার অ্যানিমেশন হিসেবে পুরস্কার পেয়েছে ‘ফ্লো’।

সেরা প্রযোজক হিসেবে অস্কার পেয়েছেন নাথান ক্রাউলি এবং লি স্যান্ডেলস উইকড। সেরা ভিজ্যুয়াল ইফেক্টের জন্য অস্কার জেতেন ডেনিস ভিলেনিউভ।

কনক্লেভ চলচ্চিত্র সেরা রূপান্তরিত চিত্রনাট্যের পুরস্কার পেয়েছে পিটার স্ট্রগান।

‘এমিলিয়া পেরেজ’ ছবিটির ‘এল মাল’ গানের তিন সংগীতশিল্পী ক্লেমেন্ট ডুকল, ক্যামিল এবং জ্যাক অডিয়ার্ড সেরা মৌলিক গান ক্যাটাগরির অস্কারে ভূষিত হন।

বেস্ট কস্টিউম ক্যাটাগরিতে পুরস্কার ছিনিয়ে নিলেন ‘উইকড’ ছবির ডিজাইনার পল টাজেওয়েল। সেরা মেকাপ এবং হেয়ারস্টাইল বিভাগে পুরস্কার জিতেছে গত বছরের অন্যতম আলোচিত ছবি ‘দ্য সাবস্ট্যান্স’।

সূত্র : বিবিসি

অস্কার জিতল ইরানি অ্যানিমেটেড শর্ট ফিল্ম ‘ইন দ্য শ্যাডো অফ সাইপ্রেস

হোসেইন মোলায়েমি এবং শিরিন সোহানি পরিচালিত ইরানি শর্ট অ্যানিমেশন মুভি ‘ইন দ্য শ্যাডো অব সাইপ্রেস’ ২০২৫ সালের সেরা অ্যানিমেটেড শর্ট ফিল্মের জন্য অস্কার জিতেছে। ইরানি চলচ্চিত্র নির্মাতারা এই বিভাগে প্রথমবারের মতো একটি মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার জিতলেন।

রোববার স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় লস অ্যাঞ্জেলেসের ডলবি থিয়েটারে বিশ্বের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ চলচ্চিত্র পুরস্কার অ্যাকাডেমি অ্যাওয়ার্ডসের ৯৭তম আসরে ২০ মিনিটের এই স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রটি পুরস্কার পায়। এটি ইরানি ইনস্টিটিউট ফর দ্য ইন্টেলেকচুয়াল ডেভেলপমেন্ট অফ চিলড্রেন অ্যান্ড ইয়ং অ্যাডাল্টস-এর একটি প্রযোজনা।

ইরানের সরকারি বার্তাসংস্থা ‘ইরনা’র উদ্ধৃতি দিয়ে বার্তা সংস্থা এএফপি এই খবর জানিয়েছে।

দুই ইরানি পরিচালক অস্কারে উপস্থিত থাকার কথা ছিল না কিন্তু তারা শেষ মুহূর্তের ভিসা পেতে সক্ষম হন এবং অনুষ্ঠানের মাত্র তিন ঘণ্টা আগে লস অ্যাঞ্জেলেসে পৌঁছেন।

ইরানি অ্যানিমেটেড শর্ট ফিল্ম ‘ইন দ্য শ্যাডো অফ সাইপ্রেস’-এর একটি দৃশ্য।

এর আগে, ২০২৮ সালে ২১ থেকে ২৫ আগস্ট অনুষ্ঠিত ১২তম পোর্টল্যান্ড ফেস্টিভ্যাল অব সিনেমা, অ্যানিমেশন অ্যান্ড টেকনোলজিতে (পিএফসিএটি) শর্ট ফিল্মটি এই দুই পুরস্কার জিতেছে।

ইন্সটিটিউট ফর দ্য ইন্টেলেকচুয়াল ডেভেলপমেন্ট অব চিলড্রেন অ্যান্ড ইয়াং অ্যাডাল্টস (কানুন নামে পরিচিত) প্রযোজিত অ্যানিমেশন মুভিটি শর্ট অ্যানিমেশন বিভাগে সেরা টু-ডি অ্যানিমেটেড শর্ট এবং বেস্ট স্কোর বিভাগে দু’টি রৌপ্য পুরস্কার জিতেছে।

এছাড়া, এলএ শর্টস ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল, লেবু ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল এবং ট্রিবিকা ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে ব্যাপক প্রশংসা অর্জন করেছে ‘ইন দ্য শ্যাডো অব সাইপ্রেস’ ফিল্মটি।

এটি ভেনিস ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল, অ্যানি অ্যাওয়ার্ডস, অ্যানেন্সি ইন্টারন্যাশনাল অ্যানিমেশন ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল, মেলবোর্ন ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল এবং ক্লারমন্ড ফের্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে একাধিক মনোনয়ন অর্জন করে বেশ প্রভাব ফেলেছে।

সূত্র : বাসস