Home Blog Page 464

‘সব ব্যাটারকেই দায়িত্ব নিতে হবে’

০

সীমিত ওভারের ক্রিকেট থেকে অবসরে। যে এক ফরম্যাট খেলছেন, সেই টেস্টেও রান পাচ্ছেন না মুশফিকুর রহিম। পঞ্চপাণ্ডবের একমাত্র ক্রিকেটার তিনি, যিনি দেশের হয়ে খেলতে নামেন এখনও। তবে ব্যাটে রান না থাকায় তাকে নিয়ে সমালোচনা কম হচ্ছে না। এবার মুশফিকের পাশে দাঁড়ালেন আরেক উইকেটরক্ষক ব্যাটার জাকের আলী অনিক। জাকের মনে করিয়ে দিয়েছেন, রান করার দায়িত্ব শুধু মুশফিকের নয়, প্রত্যেক ব্যাটারের। মুশফিক ফর্মে ফেরার জন্য অনেক পরিশ্রম করছেন বলেও জানান তিনি। জাকের বলেন, ‘উনি তো একা খেলছে না। উনাকেই রান করতে হবে এমন তো না, সবাইকেই করতে হবে। উনি রান পাচ্ছেন না, এটা যে কারও সাথেই হতে পারে। উনারই প্রতিদিন রান করতে হবে এমন তো কোনো কথা নেই। সবাইকেই রান করতে হবে। ব্যাটার যতজন আছে সবারই দায়িত্ব নিতে হবে। সবার রান করতে হবে।’ জাকেরের চাওয়া, রান আসুক বা না আসুক সবার মধ্যে যেন চেষ্টা থাকে, ‘রান না করলেও অন্তত ঐ ফাইটটা শো করতে হবে। যেমন গত ইনিংসে হাসান, ওর ব্যাটিং আমার কাছে খুবই ভালো লেগেছে। ও যে ফাইট করেছে। এরকম ইনটেন্ট থাকল। সবাই প্রতিদিন রান করবে না। অন্তত চেষ্টা করুক। চেষ্টা করলেই বড় রান করা সম্ভব। সবার স্টেপ আপ করা জরুরী। মুশফিক ভাই সবসময় কঠোর পরিশ্রম করেন, এখনও করছেন। উনি থেমে নেই আসলে। উনিও পথ খুঁজছেন, ইনশাআল্লাহ খুবই তাড়াতাড়ি কামব্যাক করবেন।’

চট্টগ্রাম টেস্টেও জয়ে আত্মবিশ্বাসী কারান

০

দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজের প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশকে ৩ উইকেটে হারিয়েছে জিম্বাবুয়ে। সিলেট টেস্টে বাংলাদেশের চোখে চোখ রেখে লড়াই করেছে জিম্বাবুয়ে। শেষ পর্যন্ত জিতে নিয়েছে ম্যাচটাও। এবার চট্টগ্রাম টেস্টেও জেতার ব্যাপারে দারুণ আশাবাদী জিম্বাবুয়ে দল। আগামীকাল ২৮ এপ্রিল চট্টগ্রামে গড়াবে বাংলাদেশ এবং জিম্বাবুয়ের মধ্যকার দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচ। সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে আছে জিম্বাবুয়ে। দ্বিতীয় টেস্ট উপলক্ষে চলছে অনুশীলন ও প্রস্তুতি। অনুশীলন শেষে গতকাল (২৬ এপ্রিল) জিম্বাবুয়ের প্রতিনিধি হিসেবে সংবাদ সম্মেলনে এসেছিলেন বেন কারান। সিলেট টেস্ট জিতে দারুণ আত্মবিশ্বাসী কারান চট্টগ্রামেও হারাতে চান বাংলাদেশকে। কারান বলেছেন, ‘(বাংলাদেশকে হারাতে) সবসময়ই আত্মবিশ্বাসী। আমরা চেষ্টা করে যাব নিজেদের প্রক্রিয়া সঠিকভাবে চালানোর, নিজেদের সঠিকভাবে প্রস্তুত করার চেষ্টা করব। কন্ডিশন সিলেটের চেয়ে ভিন্ন হবে এখানে, ফলে আমাদের মানিয়ে নিতে হবে এবং দ্রুত মানিয়ে নিতে হবে। ভিন্ন চ্যালেঞ্জ এখানে। ফলে মুখিয়ে আছি সেসবের জন্য।’
তবে বাংলাদেশও যে ছেড়ে কথা বলবে না তাও ভালো করেই জানা আছে কারানের। তিনি বলেছেন, ‘অবশ্যই প্রত্যাশা করছি বাংলাদেশ আমাদের উপর চড়াও হবে। একদমই আশা করছি না যে এটা খুব সহজ ম্যাচ হবে। টেস্ট ক্রিকেট অনেক কঠিন। যদি জিততে চান তাহলে কঠোর পরিশ্রম করতে হবে। সামনের সপ্তাহে আশা করি গত ম্যাচের মত করেই পারফরম্যান্স দেখাতে পারব আমরা।’
এছাড়া জিম্বাবুয়ের এমন বিখ্যাত জয় ভবিষ্যতে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে খেলার দুয়ার খুলে দেবে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে কারান বলেছেন, ‘হ্যাঁ আমাদের দলে তারুণ্য এবং অভিজ্ঞতার মিশ্রণ আছে। ফলে আমরা এসব জায়গার জন্য নিজেদের প্রস্তুত করতে পারি। ঘরোয়া ক্রিকেট থেকে অনেক ছেলে উঠে আসছে আমাদের। নিজেদের কাজটা ঠিকভাবে করে যেতে চাই আমরা, পরের টেস্টেও।’
এছাড়া বাংলাদেশ সিরিজ শেষে দক্ষিণ আফ্রিকা, ইংল্যান্ডের মত দলের বিরুদ্ধে টেস্ট ম্যাচ খেলবে জিম্বাবুয়ে। সিলেটে পাওয়া জয় সেখানে বাড়তি আত্মবিশ্বাস দেবে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে কারান বলেছেন, ‘অবশ্যই জয় সবসময়ই আপনাকে আত্মবিশ্বাস দেবে। সিলেট টেস্ট থেকে আমরা সবাই শিক্ষা নিয়েছি। আলাদা করে সবাই নিজেদের ব্যাপারেও অনেক কিছু শিখেছে।’
নিজের দুই ভাই স্যাম কারান এবং টম কারান খেলছেন আইপিএল এবং পিএসএলে। সেখানের খেলা দেখছেন কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে বেন কারান জানিয়েছেন, ‘হ্যাঁ। গত রাতেও দেখছিলাম (আইপিএল এবং পিএসএল), দারুণ (টুর্নামেন্ট)।’
নিজের জিম্বাবুয়ের জার্সিতে খেলার ব্যাপারে কারান বলেন, ‘অবশ্যই, এটা আমার জন্য একটা অর্জন। দারুণ কিছু স্মৃতি আছে জিম্বাবুয়ে দলের হয়ে। আমি কেবল চেষ্টা করে যাচ্ছি জিম্বাবুয়ের হয়ে আমার সেরাটা দিয়ে যাওয়ার এবং উপভোগ করার।’
চট্টগ্রাম টেস্টের পিচ নিয়ে বেন কারান জানিয়েছেন, ‘পিচ কাভারে ঢাকা ছিল। তাই দেখতে পারিনি (হাসি)। তবে এটা অনেক ভিন্ন ধরনের হবে তা নিশ্চিত। আগে অনেকে খেলেছে এখানে। দ্রুত মানিয়ে নিতে হবে আমাদেরকে।’

পাঁচশ’ টাকার ইন্টারনেট প্যাকেজে ১০ এমবিপিএস গতির সেবা পাবেন গ্রাহকরা

৫০০ টাকার ইন্টারনেট প্যাকেজে ১০ এমবিপিএস গতির সেবা পাবেন গ্রাহকরা। আগে গতি ছিল ৫ এমবিপিএস। আজ শনিবার (১৯ এপ্রিল) থেকেই তা কার্যকর হবে।

টেলিকম রিপোর্টারদের সংগঠন টিআরএনবি আয়োজিত ‘ইন্টারনেট সেবা: সমস্যা, সম্ভাবনা ও করণীয়’ বিষয়ক সেমিনারে আইএসপি অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ইমদাদুল হক এসব তথ্য জানান।

তিনি জানান, ব্রডব্যান্ড সেবার সর্বনিম্ন গতি ২০ এমবিপিএস করতে চায় সংগঠনটি। এজন্য লাইসেন্স আপগ্রেডেশন প্রয়োজন। অন্যদিকে বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে লাইসেন্সের মেয়াদ ১০ বছর নির্ধারণের দাবি জানান ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডাররা। এমনকি সহজ শর্তে ঋণ প্রাপ্তির দাবিও জানান তারা।

নেটওয়ার্ক আপগ্রেডেশনের জন্য সোশ্যাল অবলিগেশন ফান্ড (এসওএফ) তিন বছরের জন্য স্থগিত রাখার আহ্বান জানান আইএসপি ব্যবসায়ীরা। তারা বলেন, লাইসেন্সিং প্রক্রিয়া ও নিয়মকানুন সহজ করা প্রয়োজন।

বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশকে ১০ হাজার কোটি টাকা দেবে

বে টার্মিনাল নির্মাণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করার জন্য বাংলাদেশকে মোট ৮৫০ মিলিয়ন ডলার দেবে বিশ্বব্যাংক। দেশীয় মুদ্রায় এ অর্থের পরিমাণ ১০ হাজার ৩৭০ কোটি টাকা (প্রতি ডলার ১২২ টাকা ধরে)।

বৃহস্পতিবার (২৪ এপ্রিল) বিশ্বব্যাংকের ঢাকা অফিস সূত্র নিশ্চিত করেছে এ তথ্য।

এর আগে বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে বাংলাদেশের পক্ষে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের সিদ্দিকী এবং বিশ্বব্যাংকের পক্ষে ভারপ্রাপ্ত কান্ট্রি ডিরেক্টর গেইল এইচ. মার্টিন চুক্তিপত্রে সই করেন।

এ সময় বাংলাদেশ সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ এবং দক্ষিণ এশিয়ার বিশ্বব্যাংকের ভাইস প্রেসিডেন্ট মার্টিন রাইজারও উপস্থিত ছিলেন বলে বিশ্বব্যাংকের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি বলা হয়, বিশ্বব্যাংক বন্দর নগরী চট্টগ্রামে বে টার্মিনাল মেরিন অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য বাংলাদেশকে ৬৫০ মিলিয়ন ডলার দেবে। এছাড়া সামাজিক সুরক্ষা জোরদার প্রকল্প বাস্তবায়নে ২০০ মিলিয়ন ডলার দেবে।

বিশ্বব্যাংকের অন্তর্বর্তীকালীন কান্ট্রি ডিরেক্টর গেইল মার্টিন জানিয়েছেন, বাংলাদেশে প্রতিবছর প্রায় ২০ লাখ তরুণ শ্রমবাজারে প্রবেশ করে। টেকসই প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে হলে এই বিপুল জনগোষ্ঠীর জন্য মানসম্পন্ন কর্মসংস্থান তৈরি করা জরুরি।

তিনি আরও বলেন, অনুমোদিত ৮৫০ মিলিয়ন ডলারের অর্থায়ন প্যাকেজটি রপ্তানি প্রতিযোগিতা বাড়ানো এবং সামাজিক সুরক্ষা থেকে চাকরির বাজারে উত্তরণে সহায়তা করে কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে যুগান্তকারী ভূমিকা রাখবে।

অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব শাহরিয়ার সিদ্দিকী জানিয়েছেন, বাংলাদেশ ও বিশ্বব্যাংকের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারিত্ব দেশের অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এই প্রকল্পগুলো জলবায়ু স্থিতিস্থাপকতা বৃদ্ধি ও একটি সমৃদ্ধ ভবিষ্যতের পথে অগ্রসর হতে দেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

এই অর্থায়ন এসেছে বিশ্বব্যাংকের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা (আইডিএ) থেকে। বাংলাদেশ বিশ্বব্যাংকের অন্যতম প্রাথমিক উন্নয়ন সহযোগী।

বাংলাদেশ থেকে ৭২৫ সেনাসদস্য নেবে কাতার

কাতার বিভিন্ন ক্ষেত্রে দায়িত্ব পালনের লক্ষ্যে বাংলাদেশ থেকে ৭২৫ জন সেনাসদস্য নেবে। আগামী দুই মাসের মধ্যে বাংলাদেশ থেকে এই সেনাসদস্য নেয়া শুরু হবে।

আজ মঙ্গলবার কাতারের দোহায় প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম এ তথ্য জানান।

আর্থনা শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে বাংলাদেশের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল বর্তমানে দোহা সফরে রয়েছেন।

প্রেস সচিব বলেন, কুয়েতে দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের সেনাসদস্যরা কর্মরত রয়েছেন। একইভাবে কাতারও বাংলাদেশ থেকে নিয়মিতভাবে সেনাসদস্য নিতে চায়। প্রতি তিন বছর পরপর ৭২৫ জন করে সেনাসদস্য নেয়া হবে, তবে আমরা এই সংখ্যাটা বাড়ানোর চেষ্টা করছি বলে জানান শফিকুল আলম।

এদিকে, প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে আজ আর্থনা শীর্ষ সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কাতারের মন্ত্রী এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ স্বাগত জানিয়েছেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সাথে কুশল বিনিময় করেন প্রধান উপদেষ্টা।

প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস ‘আর্থনা শীর্ষ সম্মেলন’-এ যোগ দিতে এখন চার দিনের সফরে কাতার রয়েছেন।

সোমবার (দোহার সময়) রাত ৯:৪০ মিনিটে অধ্যাপক ড. ইউনূস বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট হামাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছালে তাঁকে স্বাগত জানান কাতারে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. নজরুল ইসলাম।

এর আগে, তিনি সোমবার সন্ধ্যা (ঢাকা সময়) ৭:০০ টায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে রওনা হন।

রোমে বাংলাদেশ হাউস পরিদর্শন করলেন প্রধান উপদেষ্টা

রোমে অবস্থিত বাংলাদেশ হাউস (বাংলাদেশ দূতাবাস) পরিদর্শন করেছেন অন্তবর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

স্থানীয় সময় শুক্রবার পরিদর্শনে গিয়ে সেখানে রাখা পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করেন তিনি।

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম এ তথ্য জানিয়েছেন।

রোমান ক্যাথলিক ধর্মগুরু পোপ ফ্রান্সিসের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় যোগ দিতে অধ্যাপক ইউনূস বর্তমানে ইতালিতে অবস্থান করছেন। আজ শনিবার ভ্যাটিকান সিটিতে পোপের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সম্পন্ন হবে।

প্রয়াত পোপ ফ্রান্সিস অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের কাজের দারুণ ভক্ত ছিলেন এবং তাঁর কাজের ভূয়সী প্রশংসা করতেন। বিশেষ করে বিশ্বজুড়ে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য অধ্যাপক ইউনূসের কর্মযজ্ঞ এবং তাঁর ‘তিন শূন্য’ দৃষ্টিভঙ্গি—যেখানে কোনো বেকারত্ব, দারিদ্র্য এবং কার্বন নিঃসরণ থাকবে না, এর প্রশংসা করতেন।

রোমের ভ্যাটিকানে তিনি ২০০৬ সালের শান্তিতে নোবেল বিজয়ীর সঙ্গে যৌথভাবে ‘তিন শূন্য উদ্যোগ’ও চালু করেছিলেন।

ক্রিকেটারদের সঙ্গে জরুরি বৈঠকে বিসিবি সভাপতি

০

তাওহীদ হৃদয়ের নিষেধাজ্ঞা ইস্যুতে উত্তাল ক্রিকেট পাড়া। ক্রিকেটার ও আম্পায়ার কমিটির চাপে পড়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। এই সমস্যা সমাধানে এর মাঝেই মোহামেডানের ক্রিকেটার ও আম্পায়ারদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন বিসিবি সভাপতি ফারুক আহমেদ।

শুক্রবার (২৫ এপ্রিল) বেলা ১১টা নাগাদ তামিম ইকবালের প্রবেশের পর ক্রিকেটারদের আনাগোনা আরো বাড়তে শুরু করে। মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, মোস্তাফিজুর রহমানদের পাশাপাশি দেখা যায় নাঈম শেখ এমন কী শরিফুল ইসলামদেরও।

একাডেমি ভবনে আলোচনায় বসেন ক্রিকেটাররা। যা চলে দীর্ঘক্ষণ। এরপর জুমার নামাজের বিরতির পর ক্রিকেটারদের সঙ্গে বৈঠকে বসতে যাচ্ছেন বিসিবি সভাপতি ফারুক আহমেদ। সেখানে থাকবেন আম্পায়ার্স কমিটির চেয়ারম্যান ইফতেখার রহমান মিঠুও। মিটিং শেষে জানা যাবে বিস্তারিত।

ঘটনার সূত্রপাত গেল ১২ এপ্রিল দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী আবাহনী ও মোহামেডানের ম্যাচে। আম্পায়ার শরফুদ্দৌলা ইবনে শহিদ সৈকতের সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে দুই ম্যাচের নিষেধাজ্ঞায় পড়েছিলেন তাওহিদ হৃদয়। এরপর তার নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে মোহামেডানের তরফে আপিল করা হয়েছিল।

পরে তার শাস্তির মেয়াদ অনেকটা নাটকীয়ভাবে কমানো হয়। দুই ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা এক ম্যাচে নেমে আসে। প্রিমিয়ার লিগের সুপার লিগ পর্বের দ্বিতীয় ম্যাচেই আবার মাঠে নেমে ছিলেন হৃদয়। মূলত হৃদয়কে খেলাতে টুর্নামেন্টের মাঝপথে বদলে যায় কোড অব কন্টাক্ট। সেদিন সুপার লিগে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে অগ্রণী ব্যাংকের বিপক্ষে মাঠে নেমেছিলেন হৃদয়। সেই সঙ্গে অধিনায়কত্বেও ফিরেন।

এরপর সেই ইস্যু নিয়ে জল গড়িয়েছে অনেক দূর। বিসিবির আম্পায়ারিং করতে চান না বলে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছিলেন আইসিসির এলিট প্যানেলের আম্পায়ার শরফুদ্দৌলা সৈকত। এমন উত্তাপের মধ্যেই নতুন করে সেই এক ম্যাচের শাস্তি পুনঃবহাল হচ্ছে হৃদয়ের। গতকাল গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বিষয়টি নিশ্চিত করেন বিসিবি পরিচালক ও সিসিডিএমের নতুন কনভেইনর নাজমুল আবেদিন ফাহিম।

আবারো নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়ায় সুপার লিগে মোহামেডানের পরবর্তী ম্যাচে খেলতে পারবেন না হৃদয়। এর মধ্যেই শোনা যায়, মোহামেডানের ক্রিকেটারদের নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করতে পারেন তামিম।

বাঘা শরীফ টানা দুই বারের চ্যাম্পিয়ন

০

চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী জব্বারের বলী খেলার ১১৬তম আসরে রাশেদ বলীকে হারিয়ে টানা ২য় বারের মতো চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন কুমিল্লার হোমনা উপজেলার মনিপুর গ্রামের বাঘা শরীফ। গতবারের আসরেও তিনি রাশেদকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলেন।

শুক্রবার (২৫ এপ্রিল) বিকাল সাড়ে ৪টা থেকে নগরীর লালদীঘি ময়দানে এ খেলা শুরু হয়।

আবদুল জব্বার স্মৃতি কুস্তি প্রতিযোগিতা ও মেলা কর্তৃপক্ষ জানায়, এবারের বলী খেলার ১১৬তম আসর ১২০ জন বলী অংশ নেন।

বাঘা শরীফের ২য় বারের মতো চ্যাম্পিয়ন হওয়ার খবরে হোমনা, বাঞ্ছারামপুর, তিতাস ও মেঘনা উপজেলার বাসিন্দাদের মধ্যে আনন্দের বন্যা ও মিষ্টিমুখ করার খবর আসতে শুরু করেছে।

বাঞ্ছারামপুর, আড়াইহাজার উপজেলায় রয়েছে বাঘা শরীফের হাজার হাজার ভক্ত। হোমনা-বাঞ্ছারামপুরে এই বলী খেলাকে স্থানীয় ভাষায় বলা হয় ‘ডুগ খেলা’।

জানা গেছে, জব্বারের বলী খেলার চ্যাম্পিয়ন বাঘা শরীফ এর আগে বিভিন্ন স্তরে বলী খেলে অন্তত ১০০টি পুরস্কার জয় করেছেন।

যা বলী খেলার ইতিহাসে বিরল। তিনি হোমনা উপজেলার মনিপুর গ্রামের বাসিন্দা ও পেশায় একজন মাংস ব্যবসায়ী।

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে চ্যাম্পিয়ন বলীর হাতে ট্রফি ও নগদ অর্থ পুরস্কার তুলে দেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহদাত হোসেন।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন বলীখেলা আয়োজক কমিটির সদস্য সচিব, আবদুল জব্বার সওদাগরের নাতি শওকত আনোয়ার বাদল।

জানা গেছে, ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে দেশের যুবকদের সংগঠিত করতে ১৯০৯ সালে চট্টগ্রামের বকশিরহাটের ব্যবসায়ী আবদুল জব্বার সওদাগর চালু করেছিলেন বলী খেলা। এরপর ২০১৯ সাল পর্যন্ত প্রতি ১২ বৈশাখ লালদীঘি ময়দানে অনুষ্ঠিত হতো জব্বারের বলী খেলা। এই খেলাকে কেন্দ্র করে লালদীঘির আশপাশের প্রায় কয়েক কিলোমিটার এলাকাজুড়ে বসে বৈশাখী মেলা। মেলায় কয়েক লাখ মানুষের সমাগম ঘটে।

নারায়ণগঞ্জে কারখানা খুলবে সুইডিশ কোম্পানি নিলোর্ন

নারায়ণগঞ্জে ব্যবসায় নামতে শিল্পপ্রতিষ্ঠান খুলতে যাচ্ছে সুইডিশ কোম্পানি নিলোর্ন বাংলাদেশ লিমিটেড। জেলার আড়াইহাজারে অবস্থিত বাংলাদেশ স্পেশাল ইকোনমিক জোনে (বিএসইজেড) কারখানা স্থাপন করতে ইতোমধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হয়েছে।

মঙ্গলবার (৮ এপ্রিল) বাংলাদেশ বিশেষ অর্থনীতি অঞ্চলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তারো কাওয়াচির সঙ্গে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছেন নিলোর্ন বাংলাদেশ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আব্দুল কাইয়ুম। মূলত, নিলোর্ন পোশাক ও অন্যান্য পণ্যের লেভেলিং ও ব্র্যান্ডিং সল্যুশন দিয়ে থাকে। নতুন এ কারখানা প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বাংলাদেশে কোম্পানিটির বিনিয়োগ আরো সম্প্রসারিত হবে বলে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এর আগে এদিন সকালে বিএসইজেড পরিদর্শন করেছেন বিদেশি বিনিয়োগকারীরা। এ সময় তাদের জাপানের সহায়তায় গড়ে ওঠা এই বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের অবকাঠামো, সম্ভাবনা ও চলমান প্রকল্প সম্পর্কে জানানো হয়ে। পরিদর্শনকালে প্রতিনিধিরা সরকারের বিনিয়োগবান্ধব উদ্যোগের প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যতে এই অঞ্চলে বিনিয়োগের আগ্রহ প্রকাশ করেন।

মূলত, বিএসইজেড জাপান ইকোনমিক জোন নামেও পরিচিত। যা বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) এবং জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সির (জাইকা) যৌথ উদ্যোগে বাস্তবায়িত হচ্ছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই সফরের মাধ্যমে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের মধ্যে সরাসরি মাঠ পর্যায়ে সম্ভাবনা পরখ করার সুযোগ তৈরি হয়েছে। এর আগে সোমবার সম্মেলনের প্রথম দিন ৭০ জন বিনিয়োগকারীর একটি দল চট্টগ্রামের মিরেরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চল পরিদর্শন করেছেন।

এসডিজি অর্জনে বড় বাধা তামাক, প্রতিদিন মৃত্যু ৪৪২

বাংলাদেশে অসংক্রামক রোগে মৃত্যুর অন্যতম কারণ তামাক। তামাক ব্যবহারজনিত রোগে দেশে প্রতিদিন ৪৪২ জন মানুষ মারা যায়। তামাক নিয়ন্ত্রণ ব্যতীত অসংক্রামক রোগে মৃত্যু এক-তৃতীয়াংশে কমিয়ে আনাসহ এসডিজির অন্যান্য লক্ষ্য অর্জন সম্ভব নয়। অবিলম্বে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন শক্তিশালীকরণের দাবি জানিয়েছেন জনস্বাস্থ্যবিদ, চিকিৎসক, অর্থনীতিবিদসহ বিশেষজ্ঞরা। আইন শক্তিশালীকরণে যত দেরি হবে তামাকজনিত মৃত্যু ও ক্ষয়ক্ষতি ততই বাড়বে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তারা।

বৃহস্পতিবার (২৪ এপ্রিল) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে প্রজ্ঞা (প্রগতির জন্য জ্ঞান) এবং অ্যান্টি টোব্যাকো মিডিয়া এলায়েন্স (আত্মা) আয়োজিত ‘জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও টেকসই উন্নয়নে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন শক্তিশালীকরণ: বাংলাদেশ প্রেক্ষিত’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে বক্তারা এসব বিষয়ে আলোচনা করেন।

গোলটেবিল বৈঠকে জানানো হয়, ২০১৫ সালে জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (এসডিজি) গৃহীত হয় যেখানে স্বাস্থ্য সংক্রান্ত লক্ষ্য ‘৩এ’ অর্জনের জন্য ডব্লিওএইচও ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন অন টোব্যাকো কন্ট্রোল (এফসিটিসি)-এর বাস্তবায়ন সরকারসমূহের জন্য বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। বিশ্বের অন্যতম ১ম দেশ হিসেবে বাংলাদেশ ২০০৩ সালে এফসিটিসি স্বাক্ষর করে।

গোলটেবিল বৈঠকে আরো জানানো হয়, তামাক ব্যবহারজনিত মৃত্যু এবং অসুস্থতা শুধু এসডিজি’র ৩য় লক্ষ্যমাত্রা- সুস্বাস্থ্য অর্জনের ক্ষেত্রেই বাধা নয়, বরং অন্যান্য লক্ষ্য অর্জনেও বাধা হিসেবে কাজ করছে। বাংলাদেশে তামাক ব্যবহারকারী পরিবারগুলোর মাসিক খরচের ৫ শতাংশ তামাক ব্যবহারে এবং ১০ শতাংশ তামাক ব্যবহারজনিত রোগের চিকিৎসায় ব্যয় হয়। তামাক ব্যবহারের স্বাস্থ্য ব্যয় ৩০ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। তামাকের কারণে দরিদ্র মানুষ, আরও দরিদ্র হয়ে পড়ে, যা এসডিজি’র দারিদ্র্য নির্মূল সংক্রান্ত লক্ষ্যমাত্রা-১ অর্জনে বড় বাধা। তামাক চাষে বছরে ব্যবহৃত হয় এক লক্ষ একরের বেশি জমি, যা দেশে খাদ্য নিরাপত্তা ও টেকসই কৃষির (লক্ষ্যমাত্রা-২) জন্য ক্রমশ: হুমকি তৈরি করছে। তামাক পাতা পোড়াতে এবং প্রক্রিয়াজাত করতে উজাড় হচ্ছে দেশের ৩০ শতাংশ বন। বিড়ি এবং জর্দা-গুল তৈরিতে ব্যবহার হচ্ছে নারী ও শিশুশ্রম। প্রকৃতিতে ছড়িয়ে পড়া সিগারেটের অবশিষ্টাংশসহ পলিথিনের মোড়ক ও জর্দা-গুলে ব্যবহৃত প্লাস্টিক কৌটা প্রতিনিয়ত পরিবেশ দূষণ করছে। এভাবে তামাকের উৎপাদন এবং ব্যবহার টেকসই উন্নয়নের প্রায় সবকটি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বড় বাধা হিসেবে কাজ করছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ও গণসাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক রাশেদা কে. চৌধুরী বলেন, নারী শিশুসহ অধূমপায়ীদের সুরক্ষায় শতভাগ ধূমপানমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। এক্ষেত্রে আইন শক্তিশালীকরণের কোন বিকল্প নেই।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও পাবলিক হেলথ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ এর প্রেসিডেন্ট ইলেক্ট ডা. আবু জামিল ফয়সাল বলেন, ‘তামাক ক্যানসার, হৃদরোগসহ বিভিন্ন অসংক্রামক রোগের অন্যতম প্রধান কারণ। এসডিজির লক্ষ্য পূরণে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন শক্তিশালী করার কোনো বিকল্প নেই।’

স্থানীয় সরকার সংস্কার কমিশন-এর সদস্য ও বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্রাটেজিক স্টাডিজ (বিআইআইএসএস)-এর রিসার্চ ডিরেক্টর ড. মাহফুজ কবীর বলেন, ‘কোম্পানিগুলো আইন শক্তিশালীকরণের সাথে রাজস্ব আয় হারানোর যে যুক্তি দেখায় তার কোনো ভিত্তি নেই। এনবিআরের রাজস্ব আদায়ের চিত্রে এটি প্রমাণিত। তবে দীর্ঘমেয়াদে আমাদের চিন্তা করতে হবে কিভাবে তামাক রাজস্বের নির্ভরতা কমিয়ে অন্য খাতগুলো থেকে রাজস্ব আয় বাড়ানো যায়।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. সৈয়দ আব্দুল হামিদ বলেন, ‘জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন শক্তিশালী করতে হবে। এতে জনগণ ও সরকার উভয়ই লাভবান হবে।’

চিকিৎসক ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব ডা. আব্দুন নূর তুষার বলেন, ‘শুধু চিকিৎসা ব্যবস্থায় মনোযোগ না দিয়ে রোগের কারণ চিহ্নিত করে প্রতিরোধ ব্যবস্থার উপর জোর দিতে হবে। তামাক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম সরকারের অগ্রাধিকার তালিকায় রাখা উচিত বলে আমি মনে করি।’

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও ইন্টারন্যাশনাল স্পোর্টস ডেভেলপমেন্ট কনসালটেন্ট অধ্যাপক ডা. অনুপম হোসেন বলেন, ‘তরুণদের মধ্যে ব্যাপকভাবে ই-সিগারেট ব্যবহারের প্রবণতা লক্ষ্য করছি। এটির স্বাস্থ্যক্ষতি তামাকের মতোই। আইন সংশোধনের মাধ্যমে এগুলো নিষিদ্ধ করতে হবে।’

এনটিভির হেড অফ নিউজ জহিরুল আলম বলেন, ‘তামাক নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশের গণমাধ্যম খুবই শক্তিশালী ভূমিকা পালন করছে। খসড়া সংশোধনী দ্রুত পাস করতে এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে হবে।’

গোলটেবিল বৈঠকে আরো বক্তব্য রাখেন আত্মা’র কনভেনর মর্তুজা হায়দার লিটন ও প্রজ্ঞা’র নির্বাহী পরিচালক এবিএম জুবায়েরসহ বিভিন্ন তামাকবিরোধী সংগঠনের প্রতিনিধিবৃন্দ। অনুষ্ঠানে প্ল্যাকার্ড হাতে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধনের প্রতি সমর্থন জানায় প্রত্যাশা ইয়ুথ ক্লাবের সদস্যবৃন্দ। আত্মা’র কো-কনভেনর নাদিরা কিরণের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে মূল উপস্থাপনা তুলে ধরেন প্রজ্ঞা’র তামাক নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক প্রকল্প প্রধান হাসান শাহরিয়ার।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশে ৩৫.৩ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক জনগোষ্ঠী তামাক ব্যবহার করেন। তামাকের সার্বিক ক্ষতি বিবেচনা করে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ২০২১ সালে এফসিটিসি-এর আলোকে আইন শক্তিশালীকরণের উদ্যোগ নেয়। বর্তমানে একটি উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন উপদেষ্টা কমিটি খসড়া সংশোধনীতে প্রয়োজনীয় পরিমার্জনের কাজ করছে। খসড়াতে সকল পাবলিক প্লেস ও পাবলিক পরিবহনে ধূমপানের জন্য নির্ধারিত স্থান রাখার বিধান বিলুপ্তকরণ, বিক্রয়স্থলে তামাকজাত দ্রব্য বা প্যাকেট প্রদর্শন নিষিদ্ধ, তামাক কোম্পানির সামাজিক দায়বদ্ধতা কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধকরণ, খুচরা বা খোলা তামাকজাত দ্রব্য বিক্রয় নিষিদ্ধ, ই-সিগারেট, ভ্যাপিং, হিটেড টোব্যাকো প্রোডাক্টসহ এধরনের সকল পণ্য উৎপাদন, আমদানি ক্রয়-বিক্রয় নিষিদ্ধ করাসহ বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ ধারা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।