Home Blog Page 466

ভিন্ন ভূমিকায় ফুটবলে ফিরলেন ক্লপ

০

কিছুটা ভিন্ন ভূমিকায় ফুটবলে ফিরেছেন লিভারপুলের সাবেক কোচ ইয়ুর্গেন ক্লপ। অস্ট্রিয়ার কোমল পানীয় প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান ‘রেড বুুল’ এর ‘হেড অব গ্লোবাল সকার’ হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত হয়েছেন জার্মানির সাবেক এই কোচ। আগামী বছরের জানুয়ারি থেকে নতুন ভূমিকায় দেখা যাবে ক্লপকে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রেড বুলের মালিকানাধীন বেশকিছু ফুটবল ক্লাব রয়েছে। এর মধ্যে জার্মান বুন্দেসলিগার ক্লাব আরবি লাইপজিগ, অস্ট্রিয়ান ক্লাব রেড বুল স্যালজবার্গ, যুক্তরাষ্ট্রের মেজর লিগ সকার বা এমএলএসের ক্লাব নিউ ইয়র্ক বুলস ও ব্রাজিলিয়ান ক্লাব রেড বুল ব্রাগানতিনো অন্যতম।
নতুন পদে ক্লপের কাজ কী হবে, সে সম্পর্কে কিছুটা ধারণা দিয়েছে রেড বুল। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, প্রিমিয়ার লিগের ক্লাব লিভারপুলের সাবেক এই কোচ তাদের মালিকাধীন ক্লাবগুলোর দৈনন্দিন কোনো কাজে লিপ্ত থাকবেন না। ক্লাবগুলোর সার্বিক উন্নয়নে বিভিন্ন কাজ করবেন তিনি। এর মধ্যে রয়েছে ফুটবলের নতুন দর্শন, ফুটবলার ট্রান্সফার স্ট্র্র্যাটেজি, কোচিং ডেভেলপমেন্ট ও ক্লাবগুলোর ভালোমন্দ নজরদারী করবেন ক্লপ।
এক বিবৃতিতে রেড বুল বলেছে, ‘তিনি (ক্লপ) ক্লাবগুলোর প্রতিদিনের ক্রিয়াকলাপের সাথে জড়িত থাকবেন না। কৌশলগত দৃষ্টিভঙ্গি প্রদান করবেন। রেড বুল আওতাধীন ক্লাবগুলোর ফুটবল দর্শনের অগ্রগতিতে কর্মরত ক্রীড়া পরিচালকদের সহযোগিতা করবেন।’ নতুন দায়িত্ব পেয়ে ক্লপ বলেন, ‘প্রায় ২৫ বছর সাইডলাইনে থাকার পর এমন প্রকল্পে জড়িত হতে পেরে আনন্দ অনুভব না করে পারা যায় না। দাায়িত্ব হয়তো পরিবর্তন হয়েছে। তবে ফুটবল এবং ফুটবলের সঙ্গে জড়িত মানুষদের প্রতি আমার আবেগের কখনো পরিবর্তন হবে না।’
উল্লেখ্য, প্রিমিয়ার লিগে ২০২৩-২০২৪ মৌসুম শেষ করে লিভারপুল কোচের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নেন ক্লপ।

ফিফার নিষেধাজ্ঞায় পাকিস্তান ফুটবল ফেডারেশন

০

পাকিস্তান ফুটবল ফেডারেশনে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে ফুটবল বিশ্বের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা। ২০১৭ সাল থেকে এ নিয়ে তৃতীয়বারের মতো নিষিদ্ধ হয়েছে দেশটির ফুটবলল সংস্থা। গতকাল রাতে এক বিবৃতিতে নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি জানায় ফিফা।  কারণ হিসেবে বলা হয়, পাকিস্তান ফুটবল ফেডারেশনের গঠনতন্ত্রে কিছু সংশোধন আনার প্রস্তাব করেছিল ফিফা। কিন্তু সেটি আমলে নেয়নি পিএসএফ। বোর্ডের কংগ্রেস ফিফার সেই প্রস্তাবগুলো বাতিল করে। এই কারণেই নিষেধাজ্ঞা আসে পাকিস্তানের ওপর।  বিবৃতিতে বলা হয়, ‘সংশোধিত গঠনতন্ত্র গ্রহণ করতে ব্যর্থ হওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে পিএফএফকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এটা গৃহীত হলে সত্যিকার অর্থে সুষ্ঠু ও গণতান্ত্রিক নির্বাচন নিশ্চিত করা হবে। একইসঙ্গে পিএফএফে চলমান স্বাভাবিককরণ প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ফিফার বাধ্যবাধকতাগুলোও পূরণ হবে। ’

‘পিএফএফ কংগ্রেস যদি ফিফা ও এএফসির প্রস্তাবিত সংশোধিত সংবিধানকে অনুমোদন দেয়, তাহলে এই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হবে। ’

এই বিষয়ে পিএফএফের স্বাভাবিককরণ কমিটির চেয়ারম্যান হারুন মালিক বলেছেন, ‘আন্তর্জাতিক মানের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ করতে পিএফএফের সংবিধানে কিছু সংশোধন করতে চায় ফিফা। তবে পিএফএফ কংগ্রেসের নব-নির্বাচিত সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ফিফার প্রস্তাবে সম্মত হয়নি। ’

নিষেধাজ্ঞার অর্থ হলো, উদ্ভূত সমস্যার সমাধান না হওয়া পর্যন্ত পাকিস্তানের কোনো ফুটবল দল আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে পারবে না। ফিফার কাছ থেকে কোনো ধরনের সহায়তাও পাবে না দেশটির ফুটবল ফেডারেশন।

টিউলিপের বিকল্প খুঁজছে লেবার পার্টি

টিউলিপ সিদ্দিককে মন্ত্রিত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে তার দল লেবার পার্টি। বর্তমানে সিটি মিনিস্টার হিসেবে দায়িত্বরত টিউলিপ সিদ্দিককে তার পদ থেকে সরিয়ে দিলে কারা সেই পদে দায়িত্ব নিতে পারেন সেরকম একট তালিকাও নাকি প্রস্তুত করা হয়েছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য টাইমস তাদের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।  প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের ঘনিষ্ঠ সহযোগীরা একটি সম্ভাব্য পরিস্থিতি নিয়ে ভাবছেন যেখানে ব্রিটিশ এমপি টিউলিপ সিদ্দিক পদত্যাগ করলে তার স্থলাভিষিক্ত কে হতে পারেন।  সূত্র বরাতে সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, টিউলিপের বিরুদ্ধে ফ্ল্যাট নিয়ে ওঠা অভিযোগ এবং তার খালা শেখ হাসিনার মাধ্যমে বাংলাদেশের সঙ্গে তার সম্পর্কের বিষয়টি সামনে আসার পরই এই আলোচনা শুরু হয়। তবে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের একজন মুখপাত্র টিউলিপকে তার পদ থেকে সরিয়ে ওই পদে দায়িত্ব পালনের জন্য সম্ভাব্য ব্যক্তিদের সংক্ষিপ্ত তালিকা তৈরির বিষয়টিকে ‘সম্পূর্ণ অসত্য’ বলে দাবি করেছেন। এর আগে প্রধানমন্ত্রী স্টারমারও বলেছেন— তিনি টিউলিপ সিদ্দিকের উপর পূর্ণ আস্থা রেখেছেন।    কিন্তু সংবাদমাধ্যমটির সূত্র বলছে, প্রধানমন্ত্রী স্টারমারের ঘনিষ্ঠদের কেউ কেউ অনানুষ্ঠানিকভাবেই টিউলিপের উত্তরসূরি খোঁজা শুরু করছেন।  এদিকে সোমবার টিউলিপ নিজেই ঘোষণা করেন, তিনি প্রধানমন্ত্রীর নৈতিকতা পর্যবেক্ষকের কাছে এই বিষয়ে স্বচ্ছতার জন্য নিজেকে উপস্থাপন করবেন। এর আগে, গত সপ্তাহান্তেই কিছু কর্মকর্তাকে তার সম্ভাব্য উত্তরসূরি নির্ধারণে কাজ করতে দেখা গেছে।এই পরিস্থিতি সিদ্দিকের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ এবং লেবার পার্টিতে তার অভ্যন্তরীণ অবস্থান সম্পর্কে নতুন জল্পনা-কল্পনা তৈরি করেছে।

ক্ষমা-অনুশোচনার প্রশ্নে এখনো আওয়ামী লীগের ‘না

ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে পতন হয়েছে আওয়ামী সরকারের। আওয়ামীলের শীর্ষ নেতাদের অধিকাংশ দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন। কয়েকজন আছেন কারাগারে। ছাত্র-জনতার ওই আন্দোলন দমাতে হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছে শেখ হাসিনা সরকার ও আওয়ামী লীগ নেতারা।

সরকার পতনের ৯ মাস পার হলেও এর দায়ে ক্ষমা প্রার্থনা বা অনুশোচনা করেনি আওয়ামী লীগ। আন্দোলনে দমননীতি ও হত্যাকাণ্ডের জন্য আওয়ামী লীগ যদি ক্ষমা চায় বা অনুশোচনা করে, তাহলে আওয়ামী লীগ রাজনীতিতে ফিরতে পারে, এমন একটা আলোচনা রয়েছে রাজনীতিতে। অন্তর্র্বতী সরকারেরও কেউ কেউ এ ধরনের বক্তব্য দিয়েছেন।
তবে ক্ষমা চাওয়ার কোনো চিন্তা দলটিতে এখনো নেই।
তাদের মধ্যে কোনো অনুশোচনা আছে, এমন ইঙ্গিতও পাওয়া যায় না। বরং তারা এখনো ‘ষড়যন্ত্রতত্ত্ব’ নিয়েই আছেন। ক্ষমা চাওয়ার বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গন ও সামাজিক মাধ্যমের আলোচনা-সমালোচনা আমলে নিচ্ছে না আওয়ামী লীগ।
আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা ও সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত এখন বিদেশে অবস্থান করছেন।
তিনি বলেন, ‘আমরা সরকারের পতনের আগে এবং অন্তর্র্বতী সরকারের সময়ের সব হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার চাই। কিন্তু অনুশোচনার প্রশ্নে রাজনৈতিক দল হিসেবে আওয়ামী লীগ জনগণের কাছে জবাবদিহি করবে। এ জন্য অন্য কোনো পক্ষের প্রশ্নের জবাব দেওয়ার বিষয় নেই।’
বিদেশে অবস্থান করা দলটির আরেকজন নেতা জানান, পরিস্থিতি সামলাতে তাদের কিছু ভুল ছিল, এমন আলোচনাও তাদের মধ্যে আছে। দলগতভাবে অবশ্য তারা এখনো কিছু বলেননি।
তিনি উল্লেখ করেন, তাদের দলের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ এখনো হয়নি। তারা এখন পরিকল্পনার মাধ্যমে এগোতে চাইছেন এবং অল্প সময়ের মধ্যে আনুষ্ঠানিক বক্তব্য তুলে ধরার বিষয় নিয়েও তারা আলোচনা করছেন।
তবে শুরু থেকেই ক্ষমা চাওয়া বা অনুশোচনার বিষয়টি দলীয় সংস্কৃতিতে নেই বলে মনে করেন বিশ্লেষকেরা। তারা বলছেন, বাংলাদেশে ভুলের জন্য দলীয়ভাবে ক্ষমা চাওয়া বা অনুশোচনা করার সংস্কৃতি নেই। এর আগে কোনো দল তা করেনি।
আমেরিকান পাবলিক ইউনিভার্সিটি সিস্টেমের শিক্ষক সাঈদ ইফতেখার আহমেদ বলেন, ‘এখন আওয়ামী লীগও সে পথে হাঁটবে না। দলটি তাদের ন্যারেটিভ এবং অবস্থান নিয়েই রাজনীতিতে ফেরার চেষ্টা অব্যাহত রাখবে।’

বাংলাদেশে অবাধ-সুষ্ঠু নির্বাচন চায় অস্ট্রেলিয়া

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু দেখতে চায় অস্ট্রেলিয়া। প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনকে সহায়তা দেওয়ার আগ্রহও প্রকাশ করেছে দেশটি।বৃহস্পতিবার (২৪ এপ্রিল) প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে নির্বাচন ভবনে সাক্ষাতের পর এমন মন্তব্য করেন দেশটির হাইকমিশনার সুসান রাইলি।বৃহস্পতিবার (২৪ এপ্রিল) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার সুসান রাইলি।সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে সুসান রাইলি বলেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনার আমাদের সময় দিয়েছেন, এজন্য তাকে ধন্যবাদ। আমরা বাংলাদেশে আসন্ন নির্বাচনের প্রস্তুতি সম্পর্কে জানতে পেরেছি। অস্ট্রেলিয়া আশা করে, এই নির্বাচন হবে অবাধ ও সুষ্ঠু। আমাদের মধ্যে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে এবং আমরা নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনকে সহায়তা দিতে প্রস্তুত।এর আগে বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকরাও নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠকে সুষ্ঠু নির্বাচনের আহ্বান জানিয়েছেন। অনেক দেশ নির্বাচনি সহায়তা দেওয়ার আগ্রহও প্রকাশ করেছে। ইতোমধ্যে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি) নির্বাচন কমিশনকে নির্বাচনি উপকরণ সরবরাহের মাধ্যমে সহায়তা দিচ্ছে।আগামী ডিসেম্বর থেকে ২০২৬ সালের জুন মাসের মধ্যে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন।

পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ঢাকা সফর স্থগিত

কাশ্মীর ইস্যুতে ভারতের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মধ্যে আসন্ন ঢাকা সফর স্থগিত করেছেন পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসাক দার। পরবর্তীতে দুই দেশের আলোচনার ভিত্তিতে সফরের সময়সূচি নির্ধারণ করা হবে।

বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়ে কথা বলেছেন ইসাক দার।
জানা যায়, আগামী রবিবার (২৭ এপ্রিল) দুই দিনের সরকারি সফরে পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ঢাকায় আসার কথা ছিল।
গত ১৭ এপ্রিল পাকিস্তানের পররাষ্ট্রসচিব আমনা বালুচের ঢাকা সফরের সময় মন্ত্রী পর্যায়ের এই সফরের দিনক্ষণ চূড়ান্ত হয়।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তাকে উদ্ধৃত করে বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাসস জানিয়েছিল, ইসাক দারের সফরকালে বেশ কয়েকটি চুক্তি সই হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এসব বিষয় চূড়ান্ত করার লক্ষ্যে কাজ করছে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান।
ইসাক দারের এই সফরকে বাংলাদেশ-পাকিস্তান সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছিল।
যা বিগত ১৩ বছরের মধ্যে কোনো পাকিস্তানি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রথম সফর হওয়ার কথা

যাদের কফি খাওয়া ঠিক নয়

সকালের নাশতার পর এক কাপ কফি খাওয়ার অভ্যাস অনেকেরই আছে। কেউ কেউ দিনে কয়েক কাপ পর্যন্ত কফি খান। শরীরের ক্লান্তি কাটাতে, তাৎক্ষণিক শক্তি জোগাতে কফির তুলনা নেই। কিন্তু কফির মতো একটি অতি উপকারী পানীয়ও কিন্তু সকলের জন্য ভালো নয়। কারণ এতে থাকা ক্যাফিন সবার সহ্য হয় না। এজন্য কিছু ব্যক্তিকে কফি খাওয়া থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা—

​আইবিএস থাকলে

ইরিটেবল বাওয়েল সিনড্রোমের মতো অসুখ থাকলে কফি খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে । কারণ কফিতে থাকা ক্যাফিন এই রোগে ভুক্তভোগীদের অন্ত্রের স্বাস্থ্যের অবস্থা খারাপ করতে পারে। একবার কোলোনের অবস্থা খারাপ হলে গ্যাস, অ্যাসিডিটি, ডায়ারিয়ার মতো জটিল অসুখে ভোগার আশঙ্কা বাড়ে। তাই এই রোগে ভুক্তভোগীরা কফি খাওয়া এড়িয়ে চলুন।

ওভার অ্যাকটিভ ব্লাডার​

যারা এই রোগে ভোগেন তারা দীর্ঘক্ষণ প্রস্রাব চেপে রাখতে পারেন না। তাই এই সমস্যায় ভুক্তভোগীদের কিছু পানীয় এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। আর সেই তালিকায় কফিও রয়েছে। কারণ এই পানীয়ে এমন কিছু উপাদান রয়েছে যা কিনা এই রোগে ভুক্তভোগীদের বারবার প্রস্রাবে যেতে বাধ্য করে। তাই ওভার অ্যাকটিভ ব্লাডারের সমস্যা থাকলে কফি না খাওয়াই ভালো।

অনিয়মিত হৃৎস্পন্দন

অনিয়মিত হৃৎস্পন্দন সমস্যার আরেক নাম অ্যারিথমিয়া। যারা এ সমস্যায় ভোগেন তারা কফি খাওয়া এড়িয়ে চলুন। কারণ এই পানীয়ে উপস্থিত ক্যাফিন হঠাৎ করে রক্তচাপ বাড়িয়ে দিতে পারে। তবে শুধু অ্যারিথমিয়া নয়, যে কোনও ধরনের হৃদরোগ থাকলেই কফি খাওয়া থেকে বিরত থাকুন।

অনিদ্রার সমস্যা 

যাদের অনিদ্রার সমস্যা আছে তাদেরও কফি খাওয়া ঠিক নয়। এই পানীয়তে উপস্থিত কিছু উপাদান সরাসরি ঘুমের বিঘ্ন ঘটায়। এমনকী অত্যাধিক পরিমাণে কফি খেলে ঘুমের সাইকেলও ব্যাহত হতে পারে। এ কারণে বিশেষজ্ঞরা ইনসোমনিয়ায় ভুক্তভোগীদের কফি খেতে বারণ করেন।

উৎকণ্ঠায় ভুগলে

আমাদের মধ্যে অনেকেই সব বিষয়ে টেনশন করেন। আর এই ধরনের মানুষের সমস্যা আরও বাড়িয়ে দিতে পারে কফি। তাই উৎকণ্ঠায় ভুক্তভোগীদের কফি এড়িয়ে যাওয়া ভালো।  গর্ভাবস্থা এবং স্তন্যদানকারী মায়েদেরও কফি খাওয়া থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।

বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার রঙে সজ্জিত অস্ট্রেলিয়া

বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে লাল সবুজের আলোকসজ্জায় সাজানো হয়েছে ক্যানবেরার গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা।

অস্ট্রেলিয়ার রাজধানীর বড় বড় এসব স্থাপনা বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার রঙে আলোকসজ্জায় সজ্জিত করা হয়।

অস্ট্রেলিয়ার সরকারের বন্ধুত্বের নিদর্শন হিসেবে এ প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। স্থানীয় সময় শুক্রবার (৬ মে) সন্ধ্যা থেকে শনিবার ভোর পর্যন্ত এ আলোকসজ্জা প্রদর্শন করা হয়।

এদিন বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার রঙে আলোক সজ্জায় সজ্জিত করা হয় অস্ট্রেলিয়ার পুরাতন পার্লামেন্ট ভবন, ঐতিহাসিক জন গর্টন বিল্ডিং এবং ন্যাশনাল ক্যারিলিয়ন। প্রবাসী বাংলাদেশি ও হাইকমিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এ আলোকসজ্জা উপভোগ করেন।

এর আগে, বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে গত ২৭ মার্চ ন্যাশনাল ক্যারিলিয়নেও এ ধরনের আলোকসজ্জার প্রদর্শন করা হয়েছিল।

কেমোর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া রুখতে ন্যাড়া হলেন হিনা

০

অনেকটা আতঙ্ক জড়িয়ে আছে ক্যানসার শব্দটির সঙ্গে। এই অসুখের প্রতিরোধে সবচেয়ে বেশি যা জরুরি, তা হল মনের জোর।

ক্যানসারের মূলত তিন ধরনের চিকিৎসা পদ্ধতি আছে। স্টেজ ১-এ রোগ ধরা পড়লে অস্ত্রোপচার করে ক্যানসার সমূলে বিনাশ করা যায়।

কিন্তু অসুখ ছড়িয়ে পড়লে কেমোথেরাপি, সার্জারি ও রেডিয়োথেরাপির সাহায্য নেওয়ার দরকার হয়।

টেলি অভিনেত্রী হিনা খান সমাজমাধ্যমে  এরই মধ্যে জানিয়েছেন, তিনি স্টেজ ৩ স্তন ক্যানসারে আক্রান্ত। ইতিমধ্যেই কেমোথেরাপি শুরু হয়েছে অভিনেত্রীর।

সম্প্রতি হিনা ইনস্টাগ্রামে একটি ভিডিও ভাগ করে নিয়েছেন, যেখানে দেখা যাচ্ছে, তিনি কেমোর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থেকে বাঁচতে মাথার চুল কামিয়ে একেবারে ন্যাড়া হয়ে গিয়েছেন।

ভিডিওতে হিনা বলেছেন, ‘প্রত্যেক বার চুলে হাত দেব আর মুঠো মুঠো চুল উঠে আসবে, এই অস্বস্তির মধ্যে দিয়ে আমি যেতে চাই না! এই কষ্ট থেকে বাঁচতে যা করণীয়, আমি আগে থেকেই তা করে ফেলতে চাই। তাই এই পদক্ষেপ করেছি।’

আলাদা হয়ে গেলেন শুভ-অর্পিতা

০

সাড়ে ৯ বছরের দাম্পত্য জীবনের ইতি টেনেছেন অভিনেতা আরিফিন শুভ। গত ২০ জুলাই স্ত্রী অর্পিতার সঙ্গে বৈবাহিক সম্পর্কে ছেদ করেছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

বুধবার (৩১ জুলাই) রাতে নিজের ফ্যান পেজে বিষয়টি জানিয়েছেন আরিফিন শুভ।

বৈষম্য বিরোধী কোটা সংস্কার আন্দোলনে দেশ উত্তাল। এমন পরিস্থিতে দাম্পত্য জীবনে এ পরিস্থিতি জানাতে দ্বিধা ও সংকোচ প্রকাশ করে আরিফিন শুভ বিবৃতির শুরুতে লিখেছেন, দেশের এমন পরিস্থিতিতে ব্যক্তিগত কোন কিছু জানাতে যথেষ্ট দ্বিধা ও সংকোচ বোধ করছি, তারপরও মনে হল আপনাদের বিষয়টা জানানোর সময় এসেছে।

বুধবার রাত ৯টা ২৫ মিনিটে সামাজিক মাধ্যমে করা ওই পোস্টে ডিভোর্সের খবর শুভ লিখেছেন এভাবে, “আমি অত্যন্ত দু:খের সঙ্গে জানাচ্ছি যে, আমি আর অর্পিতা আমরা হয়তো বন্ধু হিসাবেই ঠিক আছি, জীবনসঙ্গী হিসাবে নয়। আমরা গত ২০ জুলাই এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছি, বন্ধুত্বটুকু নিয়ে দুইজনের সম্মতিতে বাকী জীবন নিজেদের মত করে বাঁচব।”

এরপরই কৃতজ্ঞতা ও ঋণ স্বীকার করেছেন প্রাক্তনের প্রতি। লিখেছেন, অনেক চড়াই-উৎরাই এর পরও অর্পিতা আমার এবং আমার মায়ের জন্য যা করেছেন, সেটার জন্য তাঁর প্রতি চিরকৃতজ্ঞ এবং চিরঋণী।

ব্যক্তিগত জীবনের এই কঠিন সময়ে ভক্তদের জন্য শুভ বলছেন, মা চলে যাওয়ার পর জীবনটা একেবারেই শূন্য হয়ে গেছে। কিন্তু আমি বিশ্বাস করি আপনাদের দোয়া ও ভালবাসা আমার সঙ্গে আছে, যেটা নিয়ে বাকী জীবনটা সুন্দর ও সুস্থভাবে বাঁচতে পারব।

দেশের সাম্প্রতিক কোটা আন্দোলনের ঘটনা নিয়েও কথা বলেছেন শুভ। বিবৃতির শেষ অংশে তিনি লিখেছেন, দেশের সাম্প্রতিক ঘটনায় শিক্ষার্থীসহ যারা প্রাণ হারিয়েছেন তাঁদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করছি। সবার জীবনে শান্তি আসুক, দেশেও শান্তি ফিরে আসুক এই কামনায়।

ফ্যাশন ডিজাইনার অর্পিতার সঙ্গে ২০১৫ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি বিয়ের পিঁড়িতে বসেন আরিফিন শুভ। গেল ২০ জুলাই তাদের মধ্যকার দাম্পত্য জীবনের ইতি ঘটলো।

বর্তমানে আরিফিন শুভর মুক্তির অপেক্ষায় আছে ‘নূর’, ‘নীলচক্র’ ও ‘ঠিকানা বাংলাদেশ’ সিনেমা। ভারতের সনি লিভ এর একটি ওয়েব সিরিজে কাজের গুঞ্জনও শোনা যাচ্ছে এই নায়কের।