Home Blog Page 469

জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে বৈঠকে বসেছে জামায়াত

সংস্কার নিয়ে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে বৈঠকে বসেছে জামায়াতে ইসলামী। আজ শনিবার (২৬ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে জাতীয় সংসদ ভবনের এলডি হলে প্রবেশ করেন দলটির নেতারা।

এর আগে শুক্রবার দলটির পক্ষ থেকে বলা হয়, সভায় জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও সাবেক এমপি ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের এর নেতৃত্বে জামায়াতের একটি প্রতিনিধি দল অংশ নেবে।

প্রতিনিধি দলে থাকবেন সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান, ড. হামিদুর রহমান আযাদ সাবেক এমপি, অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট মতিউর রহমান আকন্দ।

জানা গেছে, জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত জানাবে জামায়াতের প্রতিনিধি দলটি।

এর আগে, গত ২০ মার্চ সংখ্যানুপাতিক নির্বাচন ও দুই কক্ষের সংসদের দাবি জানিয়ে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের কাছে লিখিত প্রস্তাব জমা দেয় জামায়াতে ইসলামী। সেসময় সংবিধান, জনপ্রশাসন, বিচার বিভাগ, নির্বাচন কমিশনসহ বেশ কিছু বিষয়ে মতামতও দেওয়া হয়। নির্দিষ্ট সময় নয়, নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য যতটুকু সময় দরকার তা সরকারকে জামায়াত দিতে চায় বলেও জানান দলটির নেতারা।

দুপুরের মধ্যে যেসব অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা

দুপুরের মধ্যে দেশের আট অঞ্চলের উপর দিয়ে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড় বয়ে যাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টি হতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর।

সোমবার (২৮ এপ্রিল) রাতে আবহাওয়া অধিদফতরের আবহাওয়াবিদ মো. তরিফুল নেওয়াজ কবিরের দেওয়া নদীবন্দরের জন্য পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়।

পূর্বাভাসে বলা হয়, রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, ঢাকা, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ এবং সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

এসব এলাকার নদীবন্দর সমূহকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

এদিকে, বাংলাদেশ আবহাওয়া অফিসের ফেসবুকে পোস্টে জানানো হয়, সকাল ১১টার মধ্যে রংপুর, ময়মনসিংহ, পাবনা, টাঙ্গাইল, নেত্রকোনা, সুনামগঞ্জ, সিলেট, হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার, কিশোরগঞ্জ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার ওপর দিয়ে ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বা তার অধিক গতিবেগে ঝোড়ো হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টি হতে পারে।

চীনের ঐতিহ্যবাহী চা অঞ্চল এখন কফির স্বাদে মাতোয়ারা

দক্ষিণ-পশ্চিম চীনের পাহাড়ঘেরা এক ক্যাফেতে লিয়াও শিহাও স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত কফি বিন দিয়ে তৈরি করছেন গরম কফি। এই অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী পানীয়ের মধ্যে এটি এখন এক আধুনিক সংযোজন। চীনের পু’এর থেকে এএফপি জানায়, শত শত বছর ধরে ইউনান প্রদেশের পু’এর অঞ্চল তার সমৃদ্ধ ফারমেন্টেড চায়ের জন্য বিখ্যাত, যাকে কখনও কখনও ‘পু-এহ’ চা হিসেবেও ডাকা হয়। এই চা পূর্ব এশিয়া ও বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলে ব্যাপক পরিচিত।

কিন্তু এখন যখন তরুণ চীনারা তীব্র এসপ্রেসো, ফেনাযুক্ত লাটে ও ফ্ল্যাট হোয়াইটের স্বাদে আকৃষ্ট হচ্ছে, তখন অনেক চাষি ঐতিহ্যবাহী চায়ের পাশাপাশি কফি উৎপাদনের দিকেও ঝুঁকছেন। ‘মানুষ এখন আমাদের হাতে তৈরি ড্রিপ কফি চেখে দেখতে আসছেন এবং এর স্বাদের পূর্ণ অভিজ্ঞতা নিতে পারছেন,’ এএফপিকে বলেন ২৫ বছর বয়সী লিয়াও। ‘আগে তারা বেশিরভাগই বাণিজ্যিক কফির দিকেই ঝুঁকতেন, হাতে তৈরি শিল্পকর্মের মতো কফিতে আগ্রহ দেখাতেন না,’ যোগ করেন তিনি। লিয়াওর পরিবার তিন প্রজš§ ধরে ‘শিয়াওওয়াজি’ নামে পরিচিত কফি খামার পরিচালনা করছে। ছায়াঘেরা একটি উপত্যকায় অবস্থিত এই খামারে খাড়া পাহাড়ের ঢালে সারি সারি চিকন কফি গাছের সমাহার। গাছের চেরির মতো ফল কাঠের পাটাতনে শুকানো হয়। এ মাসে এএফপি যখন খামারটি পরিদর্শন করে, তখন দেখা যায়, বেশ কয়েকজন পর্যটক সবুজ ঢালের দিকে মুখ করে ক্যাফেতে বসে বিশেষ ধাঁচের কফি উপভোগ করছেন।

‘খুবই ভালো,’ বললেন ২১ বছর বয়সী কাই শুউয়েন, যিনি বার স্টুলে বসে একের পর এক নমুনা কফিতে চুমুক দিচ্ছিলেন। ‘যদিও কিছু বিন আমার ধারণার চেয়ে একটু টক লাগছে, আবার কিছু তো আমার প্রত্যাশাকেও ছাড়িয়ে গেছে।’ সরকারি তথ্যমতে, প্রতি বছর পু’এর অঞ্চলের খামারগুলো চীনের বড় বড় শহরে হাজার হাজার টন কফি বিক্রি করে। বেইজিং ও সাংহাইয়ের মতো মহানগরগুলোয় ২০ থেকে ৪০ বছর বয়সীদের দ্বারা পরিচালিত একটি সমৃদ্ধ ক্যাফে সংস্কৃতি গড়ে উঠেছে সাম্প্রতিক বছরগুলোয়।

কফি রোস্টিং ও বারিস্তা প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত লিয়াও মনে করেন, তার নিজের অঞ্চলের কফি ‘ক্রিমের মতো স্বাদযুক্ত এবং পেলব, আঁঠালো মুখভরা অনুভূতি’ দেয়। পু’এরে বাণিজ্যিকভাবে কফি চাষ শুরু হয় মূলত আশির দশকে। এখনও অঞ্চলটি তার শতাব্দীপ্রাচীন চা বাণিজ্যের জন্য বেশি পরিচিত।

লিয়াওর দাদা, ৮৩ বছর বয়সী লিয়াও শিউগুই বলেন, ‘কয়েক দশক আগে যখন আমি পু’এরে আসি, তখন এখানে কফি সম্পর্কে কেউ কিছু জানত না।’ তিনি ছিলেন সেই সময়ের খুব কমসংখ্যক চীনাদের একজন, যিনি কফি চাষ সম্পর্কে পড়াশোনা করেছিলেন। তবে এই অঞ্চলের অপেক্ষাকৃত উচ্চ ভূমি ও মৃদু জলবায়ু নতুন এই ফসলের জন্য বেশ উপযোগী ছিল বলে জানান তিনি।

‘আমরা যে কফি উৎপাদন করি, তা শক্তিশালী হলেও বেশি তেতো নয়, ফুলের সুবাসযুক্ত হলেও বেশি কটু নয় এবং সামান্য ফলের স্বাদও থাকে,’ যোগ করেন তিনি। কোনো রাসায়নিক কীটনাশক ছাড়া এবং জীববৈচিত্র্য রক্ষায় অন্যান্য প্রজাতির সঙ্গে মিশ্রভাবে চাষ করা হয় ‘শিয়াওওয়াজি’ খামারে। প্রতি বছর এখানে প্রায় ৫০০ টন কাঁচা কফি ফল উৎপাদিত হয়।
প্রতিদিন দুই-তিন কাপ কফি পান করেন লিয়াও শিউগুই। তিনি বলেন, এই পানীয়ই তার বার্ধক্যে তাকে সুস্থ ও তরুণ রাখছে। ‘কফি পান করলে আপনি তরুণ ও সুস্থ থাকবেন… বার্ধক্য ঠেকানো সম্ভব,’ হাসতে হাসতে বলেন তিনি। ‘আর এখন তো সবাই কাজে এত ক্লান্ত… তারা মস্তিষ্ককে চাঙা রাখতে চায়।’

গত কয়েক বছরে চীনে কফির উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে, যদিও ব্রাজিল, ভিয়েতনাম ও কলম্বিয়ার মতো ঐতিহ্যবাহী উৎপাদনকারীদের তুলনায় এখনও অনেক পিছিয়ে রয়েছে। চীনের প্রায় সব কফি উৎপাদনই হয় ইউনান প্রদেশে, যার বেশিরভাগই কেন্দ্রীভূত পু’এরে।

গত মাসে ইউনান সফরে গিয়ে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং বলেছিলেন, এই প্রদেশের কফি ‘চীনকে প্রতিনিধিত্ব করে’, রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্যমতে। এই খাত আরও সম্প্রসারণে সরকার নীতিমালা প্রণয়ন করেছে, যাতে উৎপাদন উন্নত হয়, বিনিয়োগ আকৃষ্ট হয় এবং রপ্তানি বাড়ে। সরকার পর্যটনের সঙ্গেও কফি উৎপাদনকে যুক্ত করেছে দেশের অভ্যন্তরীণ ভোক্তা ব্যয় বৃদ্ধির কেন্দ্রীয় উদ্যোগের অংশ হিসেবে।

৫১ বছর বয়সী অভিজ্ঞ কৃষক ইউ দুন বলেন, তিনি তার খামার পরিদর্শন, হোমস্টে এবং তার দাই জাতিসত্তার রন্ধনশৈলীর সঙ্গে কফির সংমিশ্রণে পরিচালিত রেস্তোরাঁর মাধ্যমে নতুন আয়ের উৎস খুঁজে পেয়েছেন। তিনি বলেন, এখন নিজেই বিন প্রক্রিয়াজাত ও রোস্ট করতে শেখার ফলে আগের তুলনায় ‘দশগুণ’ বেশি আয় করছেন। ‘আগে বলতাম কফি শুধু ধনীদের জন্য, কিন্তু এখন সেই ধারণা পুরোপুরি পাল্টে গেছে,’ বলেন ইউ দুন।

ইতালির রোমে গির্জায় সমাহিত পোপ ফ্রান্সিস

ইতালির রাজধানী রোমের কেন্দ্রস্থলে সান্তা মারিয়া মাজোরে ব্যাসিলিকার ভেতরে সমাধিস্থ করা হয়েছে পোপ ফ্রান্সিসকে। তার শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী গির্জাই হলো চূড়ান্ত বিশ্রামস্থল। এক বিবৃতিতে জানিয়েছে ভ্যাটিকান।

গত শনিবার ভ্যাটিকানের সেন্ট পিটার’স চত্বরে শেষকৃত্যের প্রার্থনসভা অনুষ্ঠানের পর পোপ ফ্রান্সিসের শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী তার মরদেহবাহী কফিন সমাধিস্থ করার জন্য রোমের ওই ব্যাসিলিকাটিতে নিয়ে যাওয়া হয়। আর্জেন্টাইন এই পোপ সোমবার স্ট্রোক করে ও হৃদযন্ত্র বিকল হয়ে মারা যান। তার বয়স হয়েছিল ৮৮ বছর।

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, রোমের স্থানীয় সময় বেলা ১টায় ফ্রান্সিসকে সমাহিত করার অনুষ্ঠান শুরু হয়। এরপর আধা ঘণ্টার মধ্যেই শেষ শয্যায় শায়িত করা হয় তাকে। বিবৃতিতে ভ্যাটিকান বলেছে, ‘এক শতাব্দীরও বেশি সময়ের মধ্যে ভ্যাটিকানের বাইরে সমাহিত হওয়া প্রথম পোপ তিনি। তার এই সমাহিতকরণ একান্তে অনুষ্ঠিত হয়েছে। তার নিকটতমদের শ্রদ্ধা জানানোর অনুমতি দেয়া হয়েছিল।’ ফ্রান্সিসের ইচ্ছা অনুযায়ী, ইতালির রাজধানীর এই সান্তা মারিয়া মাজোরে গির্জাই হয়েছে তার শেষ বিশ্রামস্থল। ভ্যাটিকান জানিয়েছে, রোববার সকাল থেকে আগ্রহীরা ফ্রান্সিসের সমাধি পরিদর্শন করতে পারবেন। আর্জেন্টিনায় জন্ম নেয়া ফ্রান্সিস ৮৮ বছর বয়সে গত সপ্তাহে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার মৃত্যুর পরপরই প্রায় ১৫০ কোটি অনুসারীর ক্যাথলিক চার্চ পোপ বিদায়ের প্রাচীন রীতি ও আনুষ্ঠানিকতা শুরু করে।

তাকে শ্রদ্ধা জানাতে বুধবার সকাল থেকে শুক্রবার সন্ধ্যা পর্যন্ত পোপের মরদেহ ষোড়শ শতাব্দীতে নির্মিত সেন্ট পিটার’স ব্যাসিলিকায় শায়িত রাখা হয়। এই সময়ের মধ্যে প্রায় আড়াই লাখ মানুষ তার প্রতি শেষ শ্রদ্ধা প্রদর্শন করেছেন বলে জানিয়েছে ভ্যাটিকান। তারপর শনিবার সেন্ট পিটার’স চত্বরে ভ্যাটিকানের স্থানীয় সময় সকাল ১০টা থেকে পোপ ফ্রান্সিসের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার প্রার্থনাসভা শুরু হয়। এই প্রার্থনাসভা শেষ হওয়ার পর একটি বিশেষ গাড়িতে করে পোপের কফিন সান্তা মারিয়া মাজোরে গির্জায় নিয়ে যাওয়া হয়। এখানে একান্তে একটি সংক্ষিপ্ত প্রার্থনাসভা অনুষ্ঠিত হওয়ার পর কার্ডিনাল চেম্বারলেইন কেভিন জোসেফ ফারেলের নেতৃত্বে পোপ ফ্রান্সিসকে সমাহিত করা হয়। ভ্যাটিকান জানিয়েছে, ইতালির রাজধানীর রাজপথ দিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় পোপের কফিনের মিছিল দেখতে প্রায় দেড় লাখ মানুষ রাস্তার পাশে জড়ো হয়েছিলেন।

এর আগে সেন্ট পিটার্স চত্বরে পোপের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার অনুষ্ঠানে আড়াই লাখ মানুষ হাজির হয়েছিলেন বলে জানিয়েছে তারা। আর ইতালির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই দুই স্থানে অন্তত চার লাখ মানুষ জড়ো হয়েছিলেন।

ইইউতে পোশাক রপ্তানিতে বেড়েছে ৩৭ শতাংশ

 ২০২৫ সালের জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি মাসে দেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি উল্লেখযোগ্যভাবে ৩৬ দশমিক ৯৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

ইউরোপীয় ইউনিয়নে (ইইউ) বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে, যা ২০২৫ সালের জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি মাসে ৩ দশমিক ৬৯ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে, ২০২৪ সালের জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি মাসে এই রপ্তানির পরিমাণ ছিল ২ দশমিক ৬৯ বিলিয়ন ডলার।

২০২৫ সালের জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি সময়ে ইইউতে পোশাক আমদানি ১৭ দশমিক ৮১ শতাংশ বেড়ে ১৬ দশমিক ১০ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছায়।

ইইউতে পোশাক আমদানির পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে ২৮ দশমিক ৬৬ শতাংশ এবং গড় ইউনিট মূল্যে ৮ দশমিক ৪৪ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে।

শিল্প সংশ্লিষ্টরা বলেছেন, এই ইতিবাচক রপ্তানি প্রবণতার পেছনে বেশ কিছু বিষয় ভূমিকা রেখেছে, যার মধ্যে রয়েছে- ইইউর অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার, শুল্কমুক্ত বাজারে প্রবেশাধিকার, নিরাপত্তা মান মেনে চলা এবং নির্মাতা ও শ্রমিকদের সহযোগিতামূলক প্রচেষ্টা।

এসব উন্নয়ন ক্রেতাদের আস্থা বাড়িয়েছে এবং বাংলাদেশের রপ্তানি বাজারে অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করেছে।

ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে, ২০২৫ সালের পুরো বছর জুড়ে কাজের অর্ডার বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যা প্রবৃদ্ধির ধারা বজায় রাখতে সহায়ক হবে।

বিশ্বব্যাপী উত্তেজনা (বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র এবং অন্যান্য দেশের মধ্যে) বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে ক্রেতারা বাংলাদেশে তাদের সোর্সিং কার্যক্রম বাড়াচ্ছেন, ফলে প্রবৃদ্ধির ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে।

তুলনামূলকভাবে, চীন, ভারত, পাকিস্তান এবং কম্বোডিয়া ২০২৫ সালের জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি মাসে উল্লেখযোগ্য রপ্তানি প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে।

চীনের ইউরোপীয় ইউনিয়নে পোশাক রপ্তানি ২০২৪ সালের জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারির ৩.৬৩ বিলিয়ন ডলার থেকে বেড়ে ২০২৫ সালে ৪.৫৪ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে।

অন্যদিকে, ইউরোপে তুরস্কের পোশাক রপ্তানি ৩.৬৪ শতাংশ কমে ১.৬১ বিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছে, আর ভিয়েতনাম ১৬.৫৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করে ৭৫৯ মিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে।

ভারত, পাকিস্তান এবং কম্বোডিয়া ইউরোপীয় বাজার থেকে যথাক্রমে ৮৬৫ মিলিয়ন, ৭১১ মিলিয়ন এবং ৭৭৫ মিলিয়ন ডলার আয় করেছে।

ব্র্যান্ড বিজিএমইএ-র সাবেক পরিচালক এবং বাংলাদেশ অ্যাপারেল এক্সচেঞ্জের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও ডেনিম এক্সপার্ট লিমিটেডের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুহিউদ্দিন রুবেল বলেন, উপস্থাপিত তথ্য ভবিষ্যৎ প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে কৌশলগত অভিযোজনের প্রয়োজনীয়তার দিক নির্দেশ করে।

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের রপ্তানিতে পরিমাণ ও মূল্যের দিক থেকে স্থিতিশীলতা বজায় রাখার সক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও বৈশ্বিক মূল্য হ্রাসের প্রবণতার মধ্যে দেশের প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান টিকিয়ে রাখা এবং লাভের মার্জিন বৃদ্ধি অপরিহার্য হয়ে পড়েছে।’

রুবেল আরও বলেন, মূল্য সংযোজন এবং বাজার সম্প্রসারণ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক স্থায়িত্ব ও সমৃদ্ধির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে বাংলাদেশ বিশ্ববাজারে মোট ৩৮.৪৮ বিলিয়ন ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি করেছিল, যার মধ্যে ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে আয় হয়েছিল ১৯.৭৭ বিলিয়ন ডলার।

কবি দাউদ হায়দার মারা গেছেন

বাংলাদেশের প্রথম নির্বাসিত কবি দাউদ হায়দার মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। শনিবার (২৬ এপ্রিল) রাতে জার্মানির রাজধানী বার্লিনের একটি বয়স্ক নিরাময় কেন্দ্রে মৃত্যু হয় তার।

তার ভাতিজি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক শাওন্তী হায়দার বিষয়টি নিশ্চিত করে গণমাধ্যমকে জানান, স্থানীয় সময় রাত ৯টা ২০ মিনিটে মারা গেছেন তার চাচা।

১৯৭৪ সালে দেশ ছেড়ে কয়েক বছর কলকাতায় থাকার পর ১৯৮৭ সালে দাউদ হায়দার জার্মানিতে চলে যান। এরপর থেকে জার্মানিতে ছিলেন তিনি।

চিরকুমার দাউদ হায়দার দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা ভুগছিলেন। গত বছর ডিসেম্বরে বার্লিনে তার বাসার সিঁড়িতে পড়ে গিয়ে মাথায় গুরুতর আঘাত পান, তখন তাকে হাসপাতালে আইসিইউতে ভর্তি করা হয়। হাসপাতাল থেকে মুক্তি পেলেও তিনি আর সুস্থ জীবনে ফিরতে পারেননি।

উল্লেখ্য, ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি পাবনায় জন্মগ্রহণ করেন দাউদ হায়দার। তিনি একাধারে ছিলেন কবি, লেখক এবং সাংবাদিক।

১৯৭৪ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি দৈনিক সংবাদে তার কবিতা ‘কালো সূর্যের কালো জ্যোৎস্নায় কালো বন্যায়’প্রকাশিত হলে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেওয়ার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। এরপর আন্দোলন শুরু হলে ১১ মার্চ তাকে আটক করা হয়।

২০ মে মুক্তি পেলেও নিরাপত্তা না পেয়ে পরদিন সকালে বাংলাদেশ বিমানের ফ্লাইটে তাকে কলকাতায় পাঠানো হয়

হজ ফ্লাইট মঙ্গলবার থেকে শুরু

পবিত্র হজের ফ্লাইট আগামী মঙ্গলবার (২৯ এপ্রিল) থেকে শুরু হচ্ছে। এ বছর ৮৭ হাজার ১০০ জন বাংলাদেশি পবিত্র হজ পালন করতে সৌদি আরব যাচ্ছেন। এর মধ্যে ৫ হাজার ২০০ জন হজযাত্রী সরকারি ব্যবস্থাপনায় এবং বাকি ৮১ হাজার ৯০০ জন বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ পালন করবেন।

ফ্লাইটের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন অন্তর্বর্তী সরকারের ধর্ম বিষয়ক উপদেষ্টা আ ফ ম খালিদ হোসেন। প্রথম দিনে ৪১৯ জন হজযাত্রী সৌদি আরবের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়বেন।

প্রথম ফ্লাইটটি রাত ২টা ১৫ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সৌদি আরবের উদ্দেশে ছেড়ে যাবে। হজ ব্যবস্থাপনাকে নির্বিঘ্ন করতে সরকারি পর্যায়ে ১১২ জন এবং বেসরকারি পর্যায়ে ১ হাজার ৭৪৩ জন গাইড দায়িত্ব পালন করবেন। পাশাপাশি ৭০ জন মোয়াল্লেম হজযাত্রীদের সার্বিক সহায়তা করবেন।

হজযাত্রী পরিবহনের জন্য প্রস্তুত রয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসসহ তিনটি এয়ারলাইনস। ৩১ মে পর্যন্ত হজের ফ্লাইট চলবে। ফিরতি ফ্লাইট শুরু হবে ১০ জুন এবং শেষ হবে ১০ জুলাই।

পবিত্র হজ উপলক্ষে এ বছর বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস পরিচালনা করবে ১১৮টি, সাউদিয়া ৮০টি এবং নাস এয়ারলাইনস ৩৪টি ফ্লাইট।

হজের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো আরাফাতের ময়দানে হজের খুতবা, যা ৯ জিলহজ মসজিদে নামিরা থেকে প্রদান করা হয়। এবারও বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সরাসরি সম্প্রচারিত হবে হজের খুতবা, এবং তাৎক্ষণিক অনুবাদ করা হবে ২০টি ভাষায়।

যেসব ভাষায় হজের খুতবা অনুবাদ করা হবে সেগুলো হলো- বাংলা, ফরাসি (ফ্রেঞ্চ), মালয়, উর্দু, ফারসি, চাইনিজ, তুর্কি, রাশিয়ান, হাউসা, ইংরেজি, সুইডিশ, স্প্যানিশ, সোয়াহিলি, আমহারিক, ইতালিয়ান, পর্তুগিজ, বসনিয়ান, মালায়লাম, ফিলিপিনো এবং জার্মান।

উল্লেখ্য, ১৪৪৬ হিজরির ৯ জিলহজ (চাঁদ দেখা সাপেক্ষে ২০২৫ সালের ৫ জুন) পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হবে।

ব্যাচেলর পয়েন্টের নতুন সিজন, উচ্ছ্বসিত ভক্তরা

০

কাজল আরিফিন অমি পরিচালিত বহুল আলোচিত টিভি সিরিয়াল ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’। ২০১৯ সালের শেষের দিকে সিরিয়ালটির প্রথম সিজনের সম্প্রচার শুরু হয় বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল বাংলা ভিশনে। পাশাপাশি এটি মুক্তি পেয়েছে ধ্রুব টিভির ইউটিউব চ্যানেলে।
দর্শক চাহিদা মাথায় রেখে নির্মিত হয় সিরিয়ালটির দ্বিতীয় ও তৃতীয় সিজন। ২০২১ সালের ১৩ এপ্রিল ধ্রুব টিভির ইউটিউব চ্যানেলে মুক্তি পায় তৃতীয় সিজনের শেষ পর্ব (৭৯)। এরপর চতুর্থ সিজন নির্মাণের দাবি জানান দর্শকরা। এ সিজন শেষ হয়েছে তাও আড়াই বছর আগে। বরাবরের মতো পঞ্চম সিজনের জোর দাবি ওঠে। কিন্তু তা আর হয়নি।
দীর্ঘ সময় বিরতি নিয়ে ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’ নাটকের পঞ্চম সিজন নিয়ে হাজির হতে যাচ্ছেন পরিচালক অমি। নতুন সিজনের একটি পোস্টারও প্রকাশ করেছেন এই নির্মাতা। অমি বলেন, “দীর্ঘ আড়াই বছর পর আবার শুরু হতে যাচ্ছে ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট।” পরিচালকের এ ঘোষণায় আনন্দিত ভক্ত-অনুরাগীরা। নির্মাতার পোস্টটি প্রায় ২০ হাজার শেয়ার পড়েছে।
মিনহাজ নামে একজন লেখেন, “মনটা ভালো করে দিলেন।” শুভঙ্কর দেবনাথ লেখেন, “অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি।” রফিকুল আমিন সাব্বির লেখেন, “তাড়াতাড়ি চাই সিজন ফাইভ।” ফারহান লেখেন, “আর অপেক্ষা করতে পারছি না।” অনেকে জানতে চেয়েছেন কবে থেকে নতুন সিজনের প্রচার শুরু হবে। যদিও এ তথ্য এখনো জানা যায়নি। এমন অসংখ্য মন্তব্য শোভা পাচ্ছে নির্মাতার কমেন্ট বক্সে।
গত দুই দিন ধরে নতুন সিজনের শুটিং চলছে। পূর্বের সিজনের অনেকেই শুটিংয়ে অংশ নিয়েছেন। তবে নতুন সিজনে কারা কারা অভিনয় করছেন সে বিষয়ে সুনির্দিষ্টভাবে জানা যায়নি। নতুন সিজনে চমক থাকবে বলে শোনা যাচ্ছে।

আগের সিজনের দেখা গেছে একঝাঁক তারকাকে। এ তালিকায় রয়েছেন- মিশু সাব্বির, জিয়াউল হক পলাশ, চাষী আলম, মারজুক রাসেল, সাবিলা নূর, সানজানা সরকার রিয়া, ফারিয়া শাহরিন, শরাফ আহমেদ জীবন, সুমন পাটোয়ারী, মনিরা মিঠু, আবদুল্লাহ রানা, শিমুল শর্মা, পারসা ইভানা, পাভেল প্রমুখ।

আবারও বিচারক পূর্ণিমা

০

দিলারা হানিফ পূর্ণিমা, অভিনয়ে অনিয়মিত হলেও তার রয়েছে আলাদা দর্শকপ্রিয়তা। বিশেষকরে, তার সৌন্দর্যের কারণে এখনও তিনি সমাদৃত।
অভিনেত্রী হিসেবে পূর্ণিমার আলাদা গ্রহণযোগ্যতা থাকলেও এই অভিনত্রী অনেকদিন অভিনয় থেকে দূরে। কবে তিনি অভিনয়ে ফিরবেন, সেটিও অজানা।
তবে রান্নাবিষয়ক একটি রিয়েলিটি শো ‘সেরা রাঁধুনী’র বিচারক হয়ে পর্দায় ফিরলেন তিনি। মাছরাঙা টেলিভিশনে এর প্রচার শুরু হয়েছে।
কয়েক মাস ধরে এর প্রচার শুরু হলেও পূর্ণিমা এসেছেন স্টুডিও রাউন্ড থেকে। দেশসেরা রন্ধনশিল্পীদের রান্নায় শ্রেষ্ঠত্বের লড়াই, কুকিং রিয়েলিটি শোয়ের প্রধান বিচারকের একজনের দায়িত্ব পালন করছেন তিনি।
এ বিষয়ে পূর্ণিমা বলেন, ‘এর আগেও নানা অনুষ্ঠানে বিচারকের দায়িত্ব পালন করেছি। তবে রান্না অনুষ্ঠানে বিচারকের দায়িত্ব পালন উপভোগ করছি। আয়োজনে রন্ধনশিল্পীরা শ্রেষ্ঠত্বের লড়াই দেখাচ্ছেন। আশা করছি, এখান থেকে প্রতিভাবান রন্ধনশিল্পীরা বের হবেন।’
বলা প্রয়োজন, পূর্ণিমা অভিনীত দুটি সিনেমা ‘গাঙচিল’ ও ‘জ্যাম’ রয়েছে নির্মাণাধীন। তবে কবে নির্মাণ কাজ শেষ হবে, সে বিষয়ে রয়েছে সংশয়।

‘সব ব্যাটারকেই দায়িত্ব নিতে হবে’

০

সীমিত ওভারের ক্রিকেট থেকে অবসরে। যে এক ফরম্যাট খেলছেন, সেই টেস্টেও রান পাচ্ছেন না মুশফিকুর রহিম। পঞ্চপাণ্ডবের একমাত্র ক্রিকেটার তিনি, যিনি দেশের হয়ে খেলতে নামেন এখনও। তবে ব্যাটে রান না থাকায় তাকে নিয়ে সমালোচনা কম হচ্ছে না। এবার মুশফিকের পাশে দাঁড়ালেন আরেক উইকেটরক্ষক ব্যাটার জাকের আলী অনিক। জাকের মনে করিয়ে দিয়েছেন, রান করার দায়িত্ব শুধু মুশফিকের নয়, প্রত্যেক ব্যাটারের। মুশফিক ফর্মে ফেরার জন্য অনেক পরিশ্রম করছেন বলেও জানান তিনি। জাকের বলেন, ‘উনি তো একা খেলছে না। উনাকেই রান করতে হবে এমন তো না, সবাইকেই করতে হবে। উনি রান পাচ্ছেন না, এটা যে কারও সাথেই হতে পারে। উনারই প্রতিদিন রান করতে হবে এমন তো কোনো কথা নেই। সবাইকেই রান করতে হবে। ব্যাটার যতজন আছে সবারই দায়িত্ব নিতে হবে। সবার রান করতে হবে।’ জাকেরের চাওয়া, রান আসুক বা না আসুক সবার মধ্যে যেন চেষ্টা থাকে, ‘রান না করলেও অন্তত ঐ ফাইটটা শো করতে হবে। যেমন গত ইনিংসে হাসান, ওর ব্যাটিং আমার কাছে খুবই ভালো লেগেছে। ও যে ফাইট করেছে। এরকম ইনটেন্ট থাকল। সবাই প্রতিদিন রান করবে না। অন্তত চেষ্টা করুক। চেষ্টা করলেই বড় রান করা সম্ভব। সবার স্টেপ আপ করা জরুরী। মুশফিক ভাই সবসময় কঠোর পরিশ্রম করেন, এখনও করছেন। উনি থেমে নেই আসলে। উনিও পথ খুঁজছেন, ইনশাআল্লাহ খুবই তাড়াতাড়ি কামব্যাক করবেন।’