Home Blog Page 479

মানবকল্যাণে সম্পৃক্ত থাকলেই স্রষ্টার সন্তুষ্টি অর্জনে সক্ষম হবো : তারেক রহমান

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, মহামানবদের জীবন দর্শন যথাযথভাবে উপলব্ধি করতে পারলেই মানবকল্যাণে নিজেদেরকে সম্পৃক্ত করা সম্ভব। আর তাহলেই স্রষ্টার সন্তষ্টি অর্জনে আমরা সক্ষম হবো

মঙ্গলবার বড়দিন উপলক্ষে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বাণীতে তিনি একথা বলেন।

বাণীতে শুভ বড়দিন উপলক্ষে বাংলাদেশসহ বিশ্বের সকল খৃষ্ট ধর্মাবলম্বীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান এবং তাদের সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন তারেক রহমান।

তিনি বলেন, ‘সত্যনিষ্ঠা, ন্যায়নীতি, শান্তি, করুণার দিশারী মহান যীশুখৃষ্টের এদিনে পৃথিবীতে আগমণ ঘটে। বিশ্বের সকল খৃষ্ট ধর্মাবলম্বীর কাছে তাই এ দিনটি অত্যন্ত পবিত্র ও মহিমান্বিত। তিনি এসেছিলেন মানবিক বন্ধনকে আরো সুদৃঢ় করতে। বিশ্বের একটি বড় জনগোষ্ঠীর মানুষ যীশুখৃষ্টের ধর্ম ও দর্শনের অনুসারী। সকল ধর্মের মর্মবাণী শান্তি, সহাবস্থান ও মনুষ্যত্বের অনুসন্ধান। যুগে যুগে মহামানবগণ নিঃস্বার্থ আত্মনিবেদনের মাধ্যমে মানুষকে সত্য ও ন্যায়ের পথে চলার পথপ্রদর্শক হয়েছিলেন। মানুষকে অনুপ্রাণিত করেছিলেন অসত্যের বিনাশ সাধন করে উন্নত নৈতিক উৎকর্ষতা অর্জনের মধ্য দিয়ে সমষ্টিগত সুখময় জীবন গড়ে তুলতে। মহান যীশুখৃষ্টও একইভাবে তার অনুসারীদের নিরলস, একনিষ্ঠভাবে মানবপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করেছেন।’

তিনি আরো বলেন, ‘মানুষ হিসেবে আমাদের কর্তব্য দেশ, সমাজ ও মানুষের কল্যাণে যার যার অবস্থান থেকে কাজ করে যাওয়া। হিংসা ত্যাগ করে সমাজে শান্তি ও স্থিতি প্রতিষ্ঠা এবং সব ধরনের অবিচার-নির্মমতা প্রতিরোধে আমাদের সকলকে অঙ্গীকারাবদ্ধ হওয়া অত্যন্ত জরুরি। মহামানবদের জীবন দর্শন যথাযথভাবে উপলব্ধি করতে পারলেই মানবকল্যাণে নিজেদেরকে সম্পৃক্ত করা সম্ভব। আর তাহলেই স্রষ্টার সন্তষ্টি অর্জনে আমরা সক্ষম হবো। আমি বড়দিনের সকল কর্মসূচির সর্বাঙ্গীণ সাফল্য কামনা করি।’

নির্বাচন নিয়ে অধৈর্য হওয়ায় সংস্কার ব্যাহত হচ্ছে : আসিফ মাহমুদ

নির্বাচন নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলো অধৈর্য হওয়ায় সংস্কার কাজ ব্যাহত হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ।

আজ মঙ্গলবার দিনাজপুরের কাহারোলে এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, নির্বাচনের সময়টা নির্ভর করবে সংস্কার কার্যক্রমের ওপর।

তিনি বলেন, ‘সংস্কার কমিশনগুলো দ্রুত রিপোর্ট দেয়ার পর দলগুলোর সাথে আলোচনার মাধ্যমে সরকার সংস্কার বাস্তবায়নের দিকে যাবে। সংস্কার কার্যক্রম বাস্তবায়নের পর আমরা নির্বাচনের দিকে যাবো। নির্বাচন কমিশন এ নিয়ে কাজ করছে।’

আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘নির্বাচন নিয়ে অধৈর্য হয়ে যাওয়ায় সংস্কার কার্যক্রম কিছুটা ব্যাহত করছে। সেখানে এক ধরনের বাধার সৃষ্টি করছে। আশা করব, দলগুলো সংস্কার কার্যক্রমে তাদের মতামত দিয়ে সহযোগিতা করুক। তাদের সাথে আলোচনার ভিত্তিতেই সংস্কার সম্পন্ন হবে।’

সন্ত্রাসী ও গণহত্যার সাথে জড়িতদের বিএনপিতে জায়গা নেই : মির্জা ফখরুল

সন্ত্রাসী ও গণহত্যার সাথে জড়িতদের বিএনপিতে কখনো জায়গা হবে না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি বলেন, ‘আমাদের নেতাকর্মীদের নির্দেশ দেয়া আছে, যারা সন্ত্রাসী ও গণহত্যার সাথে জড়িত ছিল তাদের কাউকেই বিএনপিতে নেয়া হবে না। কেউ যদি সে চেষ্টা করে তবে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

মঙ্গলবার দুপুরে ঠাকুরগাঁও প্রেস ক্লাবে অসহায় ও দুস্থদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা আলমগীর বলেন, ‘দুর্নীতি ও ফ্যাসিবাদ থেকে উত্তরণের একমাত্র উপায় গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠা করা।’

তিনি বলেন, ‘গণতন্ত্র রক্ষার একমাত্র উপায় সুষ্ঠু নির্বাচন। জনগণের মতামতের ভিত্তিতে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে গঠিত সংসদই হতে পারে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার একমাত্র প্রতিষ্ঠান। জনগণের শাসনকে স্থাপন করতে হবে। জনগণের নির্বাচিত পার্লামেন্ট দিয়ে দেশ পরিচালনা করতে হবে। এছাড়া আর অন্য কোনো উপায় আছে বলে আমার জানা নেই। আমি জানি সকল প্রতিষ্ঠানগুলোতে যদি গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা যায় তাহলে এটাই হবে সব থেকে বড় রক্ষাকবজ।’

উত্তরবঙ্গের শীতার্ত মানুষদের দ্রুত সহায়তার তাগিদ দিয়ে তিনি বলেন, ‘দেশের উত্তরাঞ্চলে শীতের প্রকোপটা বেশি। সরকারিভাবে উত্তরবঙ্গের শীতের বরাদ্দ দ্রুত আসবে এমনটাই আশা ছিল। তবে এখনো যেহেতু আসেনি, তাই জেলা বিএনপি নিজস্ব অর্থায়নেই শীতার্তদের মাঝে কিছু কম্বল বিতরণ করেছে। তবে আশা করছি, অসহায় এসব মানুষ দ্রুত সরকারি সহযোগিতা পাবে।’

এ সময় জেলা বিএনপির অর্থবিষয়ক সম্পাদক শরিফুল ইসলাম শরিফ, দফতর সম্পাদক মামুনুর রশিদ, ঠাকুরগাঁও প্রেস ক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি লুৎফর রহমান মিঠুসহ বিএনপির অঙ্গ সংগঠনের বিভিন্ন নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে একই গ্রুপে বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান

ভারত-পাকিস্তান দ্বন্দ্বের কারণে এখনো প্রকাশ পায়নি চ্যাম্পিয়নস ট্রফির সূচি। তবে ইএসপিএন ক্রিকইনফো প্রকাশ করেছে তার রূপরেখা। যেখানে দেখা যাচ্ছে, প্রথম ম্যাচেই বড় পরীক্ষা দিতে হবে টাইগারদের, মুখোমুখি হবে ভারতের।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) তরফ থেকে এখনো সূচি ঘোষণা হয়নি। তবে জানা গেছে, আগামী ১৯ ফেব্রুয়ারি আইসিসি চ্যাম্পিয়নস ট্রফির পর্দা উঠবে পাকিস্তানে।

১৯ ফেব্রুয়ারি উদ্বোধনী ম্যাচে করাচিতে পাকিস্তান-নিউজিল্যান্ড ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে চ্যাম্পিয়নস ট্রফি। বাংলাদেশ মাঠে নামবে দ্বিতীয় দিনে। ২০ ফেব্রুয়ারি নিরপেক্ষ ভেন্যু দুবাইয়ের মাঠে গড়াবে বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচটি।

২০২৫ চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে খেলছে আট দল। যা ভাগ করা হয়েছে দু’ভাগে। এর মাঝে ‘এ’ গ্রুপে আছে স্বাগতিক পাকিস্তান, বাংলাদেশ, ভারত ও নিউজিল্যান্ড। গ্রুপ ‘বি’তে আছে অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা ও আফগানিস্তান।

ভারতের ম্যাচগুলো ছাড়া দুই গ্রুপের বাকি সব ম্যাচই হবে লাহোর, করাচি ও রাওয়ালপিন্ডিতে। ভারতের ম্যাচগুলোহবে হাইব্রিড মডেলে, দুবাইয়ে।

রোববার সংযুক্ত আরব আমিরাত ক্রিকেট বোর্ডের সাথে কথা বলে চ্যাম্পিয়নস ট্রফির নিরপেক্ষ ভেন্যু হিসেবে দুবাইকে চূড়ান্ত করে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। যেখানে প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ-ভারত।

একই মাঠে ২৩ ফেব্রুয়ারি সবচেয়ে হাইভোল্টেজ ম্যাচে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানের মুখোমুখি হবে ভারত। আর গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে ভারত দুবাইয়ে খেলবে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে। এই ম্যাচটি হবে ২ মার্চ।

এদিকে পাকিস্তান ২৭ ফেব্রুয়ারি গ্রুপ পর্বে নিজেদের শেষ ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশের বিপক্ষে, রাওয়ালপিন্ডিতে। বাকি ম্যাচগুলোর সূচি সম্পর্কে জানতে অবশ্য অপেক্ষা করতেই হচ্ছে দর্শকদের।

৪ ও ৫ মার্চ গড়াবে দুই সেমিফাইনাল। দু’টি ম্যাচের জন্যই এক দিন করে রিজার্ভ রাখা হয়েছে। ভারত সেমিফাইনালে উঠলে ৪ মার্চ খেলবে দুবাইয়ে। ফাইনালে উঠলে ৯ মার্চের শিরোপা নির্ধারণীও সেখানেই হবে। আর ভারত ফাইনালে বা সেমিফাইনালে না উঠতে পারলে ওই ম্যাচ পাকিস্তান আয়োজন করবে।

সিরিয়ার পাশে থাকবে তুরস্ক : পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফিদান

তুরস্ক সিরিয়ার পাশে থাকবে বলে মন্তব্য করেছেন তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান।

রোববার দামেস্কে সিরিয়ার নতুন প্রশাসনের সাথে বৈঠকে তিনি এ মন্তব্য করেন।

বৈঠকে আসাদ পতনের পর যুদ্ধবিধ্বস্ত সিরিয়ার পুনর্গঠন ও রাজনৈতিক উত্তরণে সাহায্য করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে তুরস্ক।

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়েব এরদোগান সিরিয়ার নতুন কাঠামো নিয়ে আলোচনার জন্য ফিদানের দামেস্কে যাওয়ার কথা বলার দু’দিন পর এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

দামেস্কে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে সিরিয়ার একতা ও স্থিতিশীলতা ওপর জোর দিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান ও সিরিয়ার বিপ্লবী নেতা আহমেদ আল-শারা। একইসাথে দেশটির ওপর থেকে সব রকমের আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা উঠিয়ে নেয়ারও আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

আল-শারার সাথে সংবাদ সম্মেলনে দেয়া বক্তব্যে ফিদান বলেন, ‘তুরস্ক সিরিয়ার পাশে থাকবে। আশা করি, সিরিয়ার অন্ধকারতম দিনগুলোর অবসান হয়েছে। সামনে আমাদের জন্য আরো ভালো দিন অপেক্ষা করছে।’

দামেস্কের নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে ‘যত তারাতারি সম্ভব’ তা উঠিয়ে নেয়ার কথা বলেন ফিদান। ‘সিরিয়াকে উঠে দাঁড়ানোর জন্য এবং দেশ ছেড়ে যাওয়া মানুষদের ফিরে আসার জন্য’ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে একত্রিত হওয়ার কথাও বলেন তিনি।

আল-শারাও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে সিরিয়ার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়ার আহ্বান জানান। আসাদ পতন অভিযানে নেতৃত্ব প্রদান ও দু’সপ্তাহ আগে ক্ষমতা নেয়ার পর এটি তার প্রথম সংবাদ সম্মেলন।

এছাড়াও বৈঠকটিতে সিরিয়ার সংখ্যালঘুদের রক্ষার জন্য নতুন সংবিধানের একটি খসড়ার প্রয়োজনীয়তা নিয়েও আলোচনা করা হয়েছে। সিরীয় শরণার্থী, ইসরাইলের সিরিয়ার সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন এবং কুর্দি পিপলস প্রোটেকশন ইউনিটের (ওয়াইপিজি) বিষয়গুলোও আলোচনায় উঠে এসেছে।

সূত্র : আল-জাজিরা

বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনা তদন্তে কমিশন গঠন

রাজধানীর পিলখানায় বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনায় তদন্ত কমিশন গঠন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো: জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী

আজ সোমবার রাজধানীর পিলখানায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদর দফতরে বিজিবি দিবস উপলক্ষে এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা জানান।

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনায় সাত সদস্যের তদন্ত কমিশন গঠন করা হয়েছে। গতকাল রোববার রাতে প্রধান উপদেষ্টা এতে সই করে দিয়েছেন।

এ সময় কুমিল্লায় মুক্তিযোদ্ধা হেনস্তাকারীদের আইনের আওতায় আনা হবে বলেও জানান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।

জাহাঙ্গীর আলম বলেন, যারা মুক্তিযোদ্ধাদের হেনস্তা করছে, তাদের আইনের আওতায় অবশ্যই নিয়ে আসব।

শেখ হাসিনাকে ফেরাতে ভারতকে চিঠি

ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরাতে ভারত সরকারকে চিঠি দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন।

আজ সোমবার দুপুরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।

তৌহিদ হোসেন বলেন, আমরা ভারতকে জানিয়েছি ক্লিয়ারলি। আমরা যে তাকে (শেখ হাসিনা) ফেরত চাচ্ছি বিচার ব্যবস্থার জন্য, সেটা জানিয়েছি।

ফেরত চাওয়ার প্রক্রিয়াটা কী হতে পারে, জানতে চাইলে তিনি বলেন, ভারত সরকারকে কূটনৈতিক পত্রের মাধ্যমে জানানো হয়েছে।

এর আগে সকালে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফেরত আনার বিষয়ে ভারতের সাথে যোগাযোগ করতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে চিঠি দেয়া হয়েছে বলে জানান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো: জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।

বিজিবি দিবসে পদক প্রদান ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, বন্দি প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ীই তাকে ফেরানো যাবে।

নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পেছনে মাস্কের নেপথ্য শক্তি হওয়াকে অস্বীকার ট্রাম্পের

নবনির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, তিনি বিলিয়নার ইলন মাস্ককে তার প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা হস্তান্তর করেছেন। রোববার অ্যারিজোনা অঙ্গরাজ্যে দেয়া এক ভাষণে ওই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেন তিনি। তবে মাস্ক ইতোমধ্যে হোয়াইট হাউসের নবনির্বাচিত ট্রাঞ্জিশনে নেপথ্য ক্ষমতাধর শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

কিছুদিন আগে মার্কিন কংগ্রেসে আলোচনাধীন একটি বাজেটে নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্টের পাশাপাশি টেসলা ও এক্স এর নির্বাহী মাস্ককেও হস্তক্ষেপ করতে দেখা গেছে। ফলে এই অভিযোগ জোরালোভাবে উঠেছে।

ট্রাম্প বলেন, ‘তিনি প্রেসিডেন্সি ইলন মাস্কের হাতে ছেড়ে দিয়েছেন, এই ধারণাটি রাজনৈতিক প্রতিপক্ষদের ছড়ানো আরেকটি প্রতারণা।’ পরে ট্রাম্প রসিকতা করে বলেন যে মাস্কের প্রেসিডেন্ট হওয়ার ঝুঁকি নেই। কারণ, তিনি সাংবিধানিকভাবে এই পদে থাকতে পারবেন না।

ট্রাম্প বলেন, ‘আপনারা জানেন, কেন তিনি প্রেসিডেন্ট হতে পারবেন না? কারণ, তিনি এই দেশে জন্মগ্রহণ করেননি।’

সূত্র : আল জাজিরা

ভারত শেখ পরিবারের বাইরে অন্য কিছু চিন্তা করতে পারে না : দুদু

ভারত সবসময় আওয়ামী লীগ, শেখ মুজিব, শেখ হাসিনার বাইরে কখনো অন্য কোনো চিন্তা করতে পারে না বলে মন্তব্য করে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বলেছেন, ‘এর বাইরে কোনো চিন্তা করতে পারেনি বলে ভারত বাংলাদেশের জনগণের বন্ধু হতে পারেনি। বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের বন্ধু হতে পারেনি।’

সোমবার (২৩ ডিসেম্বর) জাতীয় প্রেস ক্লাবের ‘ভারতের আগ্রাসনে, হাসিনার দেশজুড়ে অরাজকতার’ প্রতিবাদে আয়োজিত এক বিক্ষোভ সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

অন্তর্বর্তী সরকারকে লক্ষ্য করে শামসুজ্জামান দুদু বলেন, ‘এই গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম দিক হচ্ছে একটি নির্বাচিত সরকার। সেই নির্বাচিত সরকার যতক্ষণ না আসবে গণঅভ্যুত্থান তার মর্যাদা হারাবে। যদি সেই মর্যাদা ধরে রাখতে হয়, তাহলে নির্বাচিত সরকার প্রতিষ্ঠা করার মধ্য দিয়ে সংকট কাটাতে হবে। এর কোনো ভিন্ন পথ আছে বলে এটা আমি মনে করি না। সেজন্য আমরা নির্বাচনের আহ্বান জানাচ্ছি। আমি মনে করি, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব নির্বাচনের দিকে দেশকে এগিয়ে নেয়া উচিত।’

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও তাতে ভারতের সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে দুদু বলেন, ‘ভারত বিগত ৫৩ বছরে মুক্তিযুদ্ধের সময় থেকে আজ পর্যন্ত আমাদের বন্ধুত্ব, আমাদের কৃতজ্ঞতাকে তারা তাদের স্বার্থে ব্যবহার করার চেষ্টা করেছে। মুক্তিযুদ্ধে জয়লাভ করার পরে তারা আমাদের তৎকালীন নব্য বাংলাদেশে কিভাবে লুটপাট করেছিল তাদের সেনাবাহিনী এবং তাদের জনগণ! শেখ হাসিনা যেমন লুটপাট করেছে, ঠিক তেমনই সেই সময় ভারতও বস্তা বস্তা টাকা লুট করেছে। হাজার হাজার কোটি টাকার অস্ত্র সেই সময় আমাদের বাংলাদেশে থাকার কথা ছিল। অর্থাৎ একটা সেনাবাহিনী তৈরি করার মতো অস্ত্র সেই সময় বাংলাদেশে ছিল। সেগুলো ভারত লুটপাট করে নিয়ে গেছে।’

ভারতের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘এক পৈশাচিক শাসক, পৈশাচিক দল, পৈশাচিক শাসনের পতন হয়েছে। কিন্তু সেই পতন ভারত আজ পর্যন্ত মেনে নিতে পারেনি। ভারত সেই ভয়ঙ্কর গণহত্যাকারী লুটেরার প্রধান শেখ হাসিনা এবং তার দলকে আশ্রয় দিয়েছে। এই আশ্রয়ের মধ্যে দিয়ে এটা প্রমাণ হয়েছে যে তারা (ভারত) গণহত্যাকারী ও লুটেরার পক্ষের একটা শক্তি।’

প্রধান উপদেষ্টার উদ্দেশে ‍দুদু বলেন, ‘১৬ বছরে ভারতের সাথে শেখ হাসিনা কতগুলো চুক্তি করেছেন, এখন সেই চুক্তি এবং দেয়া-নেয়ার ব্যাপারটা জাতির সামনে আপনাকে উপস্থাপন করতে হবে।’

ভারত ও পাকিস্তান ব্রিটিশদের সাথে টেবিলে বসে দেন-দরবার করে স্বাধীনতা অর্জন করেছে উল্লেখ করে বিএনপির এই ভাইস চেয়ারম্যান বলেন, ‘ভারত এবং তাদের মিডিয়া বলছে তারা বাংলাদেশের কিছু অংশ দখল করে নেবে। আমি ভারতকে অনুরোধ করব, এই ভয়াবহ চিন্তা থেকে একটু দূরে থাকুন। এই ভূখণ্ডের মানুষ বীর জাতি। শুধু দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াতে নয়, সারা পৃথিবীর মধ্যে আমরা সশস্ত্র যুদ্ধ করে, সশস্ত্র লড়াই করে পাকিস্তানিদেরকে পরাজিত করে স্বাধীনতা অর্জন করেছি। ভারত ও পাকিস্তান ব্রিটিশদের সাথে টেবিলে বসে দেন দরবার করে স্বাধীনতা অর্জন করেছে। যুদ্ধ করে নয়। বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জন হয়েছে যুদ্ধের ময়দানে।’

তিনি বলেন, ‘আমরা ভারতের সাথে বন্ধুত্ব চাই সমমর্যাদার ভিত্তিতে। যুদ্ধ চাই না। ভারতের সাথে যদি মর্যাদার সাথে বন্ধুত্ব হয়, দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক হয়, স্বাধীন জাতির সাথে স্বাধীন জাতির বন্ধুত্ব হয় তাহলে আমাদের কোনো আপত্তি নাই।’

বছরখানেক সময় পেলে সংস্কার করে যাব : আসিফ নজরুল

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল বলেছেন, বছরখানেক সময় পেলে সংস্কার কাজগুলো করে যাব।

তিনি বলেন, ‌‘ঐকমত্য থাকলে পরবর্তী রাজনৈতিক সরকার সহজে এই সংস্কারগুলো বদলাতে বা বাতিল করতে পারবে না। আমাদের জন্য সংস্কারের কোনো বিকল্প নেই।’

আজ সোমবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে সেন্টার ফর গভর্নেন্স স্টাডিজ আয়োজিত সংলাপে তিনি এসব কথা বলেন।

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ও সংস্কার কমিশনের প্রধান জাতীয় ঐকমত্যের প্রশ্নে সংস্কার বাস্তবায়নে মৌখিক সম্মতি দিয়েছেন বলেও জানান তিনি।

ড. আসিফ নজরুল বলেন, ‌‘বাংলাদেশের উচ্চতর বিচার বিভাগকে এমন সব ক্ষমতা দেয়া হয়েছে, যা কাজে লাগিয়ে শেখ হাসিনার ফ্যাসিবাদী সরকারকে ক্ষমতায় রাখা হয়েছিল। তাদের কর্তৃত্ব সুসংহত করতে ব্যবহার করা হয়েছে। তখন অনেকে দোষী প্রমাণিত না হয়েও দীর্ঘ সময়ের জন্য আটক ছিলেন এবং জামিনের আবেদনগুলো প্রায়ই প্রত্যাখ্যান করা হতো।’

তিনি বলেন, ‘দেশে যদি প্রতি পাঁচ বছর পর পর সুষ্ঠু নির্বাচন হতো এবং নির্বাচিত দল সরকার গঠন করতো, তাহলে ক্ষমতাসীন দল বিচার বিভাগকে ব্যবহার করে এতটা স্বৈরাচারী আচরণ করতে পারত না।’

রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার ভিত্তিতে উচ্চ আদালতে বিচার বিভাগীয় নিয়োগ দেয়া হয়েছে উল্লেখ করে এ উপদেষ্টা বলেন, ‘তিনটি সংস্কার প্রস্তাবের ভিত্তিতে উচ্চ আদালতে বিচারক নিয়োগের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করা হবে।’