Home Blog Page 487

চিন্ময় দাসের আগাম জামিন শুনানির আবেদন নাকচ

জাতীয় পতাকা অবমাননার অভিযোগে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় গ্রেফতার বাংলাদেশ সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীর জামিন শুনানির অনুমতি চেয়ে করা আবেদন নাকচ করে দিয়েছেন আদালত।

বুধবার (১১ ডিসেম্বর) চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক সাইফুল ইসলাম শুনানি শেষে এ আবেদন খারিজ করে দেন।

জানা যায়, রবীন্দ্র ঘোষ নামে এক আইনজীবী ঢাকা থেকে চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের পক্ষে আসার খবরে চট্টগ্রাম আদালত চত্বরে বুধবার সকাল থেকে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়। আদালত প্রাঙ্গণ ও আশেপাশের এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট কফিল উদ্দিন বলেন, ‘ঢাকা থেকে আসা ওই আইনজীবী চিন্ময়ের মামলার নথি উপস্থাপন, জামিন শুনানির ধার্য তারিখ এগিয়ে আনা এবং আসামি কিংবা ফাইলিং আইনজীবীর সম্মতি ছাড়াই আবেদনগুলো শুনানির জন্য আদালতের অনুমতি চেয়ে মোট তিনটি আবেদন করেন। যেহেতু ওই আইনজীবীর ওকালতনামা ছিল না, তাই আদালত ‘নট মেইনটেইনেবল’ বলে ওই আইনজীবীর তিন আবেদনই খারিজ করে দেন।’

তিনি বলেন, ‘ঢাকা থেকে এলেও সংশ্লিষ্ট আদালতে কোনো আবেদন করার জন্য প্রথমত যার পক্ষে আবেদন করবেন তার সম্মতি, ফাইলিং আইনজীবীর সম্মতি কিংবা সংশ্লিষ্ট বারের একজন আইনজীবীর ওকালতনামা দিতে হয়। কিন্তু ঢাকা থেকে আসা ওই আইনজীবী এর কোনোটিই করেননি।’

গত ৩১ অক্টোবর চট্টগ্রাম নগরীর কোতোয়ালি থানায় চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীসহ ১৯ জনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলা দায়ের করা হয়। এ মামলায় ২৫ নভেম্বর চট্টগ্রামে ফেরার পথে শাহজালাল বিমানবন্দর থেকে চিন্ময় কৃষ্ণ ব্রক্ষ্মচারীকে আটক করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) একটি টিম। পর দিন তাকে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) কাছে হস্তান্তর করা হয়। ওই দিন তাকে কোতোয়ালি থানায় দায়ের হওয়া রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে হাজির করে পুলিশ। তার পক্ষে আদালতে জামিন আবেদন করা হলেও আদালত তার জামিন নামঞ্জুর করেন।

পরে গত ৩ ডিসেম্বর ফের জামিন শুনানির দিন ধার্য থাকলেও ওই দিন চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ আদালতে চিন্ময় কৃষ্ণের পক্ষে কোনো আইনজীবী ছিলেন না। যে কারণে আদালত জামিন শুনানি পিছিয়ে আগামী ২ জানুয়ারি দিন ধার্য করেন।

ভারতের সাথে নতজানু পররাষ্ট্রনীতি থেকে সরে এসেছে সরকার : আসিফ মাহমুদ

ভারতের সাথে নতজানু পররাষ্ট্রনীতি থেকে অন্তর্বর্তী সরকার সরে এসেছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজিব ভূইয়া।

বুধবার (১১ ডিসেম্বর) কুমিল্লা পল্লী উন্নয়ন একাডেমির (বার্ড) লালমাই অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত ফিন্যান্সিয়াল ইনক্লুশন অ্যান্ড রুরাল ট্রান্সফরমেশন বিষয়ক আন্তর্জাতিক প্রতিনিধি দলের কর্মশালায় সমাপনী অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

আসিফ মাহমুদ বলেন, জাতীয় স্বার্থ কমপ্রোমাইজ করে আমরা কোন পররাষ্ট্র সম্পর্ককে বিশ্বাস করি না। অন্তর্বর্তী সরকার ভারতের সাথে নতজানু পররাষ্ট্রনীতি থেকে সরে এসেছে। জাতীয় স্বার্থকে সামনে রেখে পরবর্তী সম্পর্কগুলো চলমান থাকবে।

তিনি বলেন, সরকারি ও প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের অতিরিক্ত দায়িত্ব দিয়ে জনপ্রতিনিধিদের কাজ পরিচালনা করা অনেক কষ্ট হয়ে যাচ্ছে। যে কারণে স্থানীয় সরকারের প্রতিনিধি নির্বাচনের বিষয়ে কোনো ব্যবস্থা নেয়া যায় কি না স্থানীয় সংস্কার কমিশন ও নির্বাচন কমিশনের কাজ শেষ হলে সে উদ্যোগ নেয়া হবে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ সরকারের অতিরিক্ত সচিব ও বার্ড-এর মহাপরিচালক সাইফ উদ্দিন আহমেদ। অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি বক্তব্য রাখেন আর্ডো’র গবেষণা বিভাগের প্রধান ড. খুশনুদ আলী।

শ্রীলঙ্কা, মিশর, ভারত, ঘানা, জাম্বিয়া, নামিবিয়া, গাম্ভিয়া, পাকিস্তান, ওমান, মালয়শিয়া, কেনিয়া এবং বাংলাদেশসহ ১২টি দেশের ২০ জন উর্ধ্বতন কর্মকর্তা এ কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেছেন।

বিএনপির লং মার্চ : আগরতলা সীমান্তে সতকর্তা বাড়িয়েছে ভারত

বিএনপির আগরতলা অভিমুখে লং মার্চের প্রেক্ষাপটে ভারতের দিকে সীমান্তে সতকর্তা বাড়ানো হয়েছে।

আগরতলায় আন্তর্জাতিক সীমান্ত চেক পোস্টে বাড়তি বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন পশ্চিম ত্রিপুরা জেলার পুলিশ সুপারিনটেন্ডেন্ট কিরণ কুমার কে।

তিনি বলেছেন, ‘গত এক সপ্তাহ ধরেই আমরা বাড়তি পুলিশ বসিয়েছি এখানে। ২৪ ঘণ্টা সতর্কতা রয়েছে। বিএসএফের সাথেও নিয়মিত যোগাযোগ রাখছি আমরা। সীমান্তবর্তী অঞ্চল ও সাম্প্রদায়িকভাবে সংবেদনশীল এলাকাগুলোতে টহল দেয়া চলছে। সীমান্তেও প্রহরা বাড়ানো হয়েছে। পরিস্থিতির দিকে নজর রাখা হচ্ছে।’

সীমান্ত চেকপোস্টে গিয়ে দেখা যায়, সেখানে সীমান্তের কাছে বিএসএফ যেমন বাড়তি বাহিনী মোতায়েন করেছে, তার সাথেই কেন্দ্রীয় রিজার্ভ পুলিশ বাহিনী এবং ত্রিপুরা স্টেট রাইফেলস-এর সদস্যরাও রয়েছেন।

সীমান্ত অবশ্য বন্ধ করা হয়নি। কয়েকজনকে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে আসতেও দেখা গেছে।
সূত্র : বিবিসি

এশিয়া কাপ বিজয়ী দলকে ক্রীড়া উপদেষ্টার ৫০ লাখ টাকা পুরস্কার ঘোষণা

দুবাইয়ে কাল ভারতকে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপ জিতেছে বাংলাদেশ। যুবাদের এই সাফল্যে ৫০ লাখ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করেছেন যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।

সোমবার জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা বলা হয়েছে।

এর আগে গতকাল এক শুভেচ্ছা বার্তায় ক্রীড়া উপদেষ্টা বাংলাদেশ দলের সাফল্যে তাদেরকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। এ সময় তিনি অনুর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট দল তাদের সাফল্যের ধারাবাহিকতা বজায় রাখবে এবং ভবিষ্যতে আরো সুনাম বয়ে আনবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এবারের আসরের ফাইনালে বাংলাদেশ ৫৯ রানে হারিয়েছে আটবারের চ্যাম্পিয়ন ভারতকে।

গত বছর সংযুক্ত আরব আমিরাতকে ১৯৫ রানে হারিয়ে প্রথমবারের মতো যুব এশিয়া কাপ জিতেছিল বাংলাদেশ।
সূত্র : বাসস

ভোটার তালিকা প্রণয়নে ‘আপগ্রেড’ চায় বিএনপি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য সঠিক ভোটার তালিকা প্রণয়নে ‘বাড়ি বাড়ি যাওয়া নয়, আপগ্রেড’ চায় বিএনপি। আজ সন্ধ্যায় দলের নির্বাচন সংস্কারবিষয়ক কমিটির আহ্বায়ক ও স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খান এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘সত্যিকার অর্থে যদি আমরা সঠিক ভোটার তালিকা করতে চাই, তাহলে বাড়ি বাড়ি যাওয়া নয়, আমরা কম্পিউটার দিয়ে তা করতে চাই। কম্পিউটারকে বলে দিলে সে নিজেই করে দিতে পারে, সেটা এ্যাবসুলেটলি একুয়রেট হবে।’

তিনি আরো বলেন, ‘বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষের বাড়ি বাড়ি যাওয়ার প্রয়োজন নেই। বাড়ি বাড়ি যাওয়া অত্যন্ত সময় সাপেক্ষ এবং অপ্রয়োজনীয়। এটাতে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি। যিনি মারা গেছেন, তার নামটা অটোমেটিক্যালি বাদ যাবে। সেজন্য এই বিষয়ে (ভোটার তালিকা) আমরা সংস্কার প্রস্তাবে স্পষ্ট করেছি যে এটা আপগ্রেড হতে হবে।’

সংবাদ সম্মেলনে আবদুল মঈন খান বিগত সরকারের আমলে আরপিও-এর সংশোধনে যে সম্পূরক আদেশ এনেছিল তা বাতিল, নির্বাচনী পরিচালনায় কিছু বিধিমালা সংশোধন, রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের জন্য আচরণ বিধিমালা ও রাজনৈতিক দলের নিবন্ধনের নীতিমালা সংশোধন, নির্বাচন পর্যবেক্ষণ নীতিমালা আপগ্রেড করা, নির্বাচন কমিশনের সক্ষমতা বৃদ্ধি, গণমাধ্যমের নির্বাচনী আচরণ বিধিমালাসহ ১০ দফা সংস্কার প্রস্তাব তুলে ধরেন। এই সংস্কার প্রস্তাবসমূহ তারা সরকারের গঠিত নির্বাচন সংস্কার কমিশনের কাছে দিয়েছে।

তিনি বলেন, ‘লেভেল প্ল্যায়িং ফিল্ড তৈরির জন্য যাতে সত্যিকারভাবে মানুষ নিজের ভোট নিজে দিতে পারে এবং জনগণের সত্যিকার প্রতিনিধি নির্বাচিত করতে পারে, সেজন্য আমাদের এই সংস্কার প্রস্তাব।’

তিনি আরো বলেন, ‘প্রশাসনের মাধ্যমে নির্বাচনকে কুক্ষিগত করতে বিগত সরকার অনেক কিছু করেছে।’

গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এই সংবাদ সম্মেলন হয়।

স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘আমরা যেসব প্রস্তাব করেছি, সে অনুযায়ী দ্রুত নির্বাচন সম্ভব। এখানে এমন কোনো প্রস্তাব করা হয়নি, যাতে নতুন কিছু করতে হবে। আমরা নির্বাচন কমিশন শক্তিশালী করার কথা বলেছি। নির্বাচনের সচিবালয় করা এবং তাদের কিছু ক্ষমতা দেয়া ইত্যাদির কথাও বলেছি। আমরা প্রচলিত আইনগুলোর সংশোধন ও সংস্কারের কথা বলেছি। এগুলোর জন্য অধিক সময়ের প্রয়োজন হয় না।’

তিনি আরো বলেন, ‘একটা নির্বাচনের বেসিক কাজ ভোটার তালিকা প্রণয়ন করা। ওই ভোটার তালিকা প্রণয়নে বাড়ি বাড়ি যাওয়া, আমরা বুঝিনি এটা কোন ধরনের এক্সসারসাইজ হবে। ব্যাপারটা হচ্ছে, তালিকা ঘোষণার সময় এটাও ঘোষণা করা হয় যে কারো নাম যুক্ত না হলে তারা স্থানীয় নির্বাচন কমিশনের কার্যালয়ে গিয়ে নাম অন্তর্ভুক্ত করবেন। কারো ব্যাপারে অভিযোগ থাকে যে তিনি বেঁচে নেই, এরকম কারো নাম তালিকায় থাকলে তা কার্যালয়ে গিয়ে জানালেই তো ভোটার তালিকা হয়ে গেল। এরপর নির্বাচনী প্রস্তুতি, সিডিউল ঘোষণা করা, রুল অনুযায়ী প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র দাখিল করবে। এসব কিছু করতে এতো বেশি সময় লাগার কথা না। আমরা যেসব প্রস্তাব দিয়েছি, সেগুলো মেনে নির্বাচন অনুষ্ঠানে খুব বেশি বিলম্ব হওয়ার প্রয়োজন হয় না।’

নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘যাদের নেতৃত্বে অপকর্ম হয়েছে, ছাত্র-জনতার আন্দোলনে তারা বিতাড়িত হয়েছে। যাদের মাধ্যমে অপকর্ম হয়েছে, তাদের ব্যাপারে আমরা তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়ার কথা বলেছি। যেন তারা আগামীতে নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় না থাকে, সেই প্রস্তাবও রেখেছি। কাজেই আমরা বিশ্বাস করি, অন্তবর্তীকালীন সরকার ক্ষমতায় থাকছে তার নির্বাচনী কোনো স্ট্যাক নেই, নিরপেক্ষভাবে কাজ করবে। যারা নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় যুক্ত থাকবে, তাদের মধ্যে যারা এই ধরনের অপকর্মের সাথে আগে যুক্ত ছিল বা থাকতে পারে, তাদের ব্যাপারে কার্যকর ব্যবস্থা নিয়ে এমন লোকদেরকে নিযুক্ত করা যারা এই ধরনের অপকর্মে যুক্ত হবেন না।’

স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘দলের পক্ষ থেকে সুচিন্তিতভাবে আমরা যেসব সংস্কার প্রস্তাব দিয়েছি, এক্সপার্ট কমিটির সাথে বসেছি, অনেকের সাথে কথা বলেছি। আমরা যেসব সংস্কারের কথা বলেছি সেগুলো অধিকাংশই আইনি সংস্কারের বিষয়, কাগজের বিষয়। প্রাকটিক্যালি যে কাজগুলোর জন্য নির্বাচন কমিশন সময় নেয় যেমন ভোটার তালিকা প্রণয়ন, নতুন ভোটার সংযোজন, কী কী ভুল-ভ্রান্তি আছে, ভুয়া ভোটার স্ক্রটনি করা তারপরে নির্বাচন কাজ অফিসার নিয়োগ, ডিলিমিটেশন ইত্যাদি এসব কাজ গোছাতে প্রাকটিক্যালি দুই থেকে তিন মাসের বেশি সময় লাগার কথা না।’

তিনি আরো বলেন, ‘সরকারের আরো সংস্কার, প্রশাসনিক সংস্কার, জুডিশিয়াল সংস্কার, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সংস্কার আছে, এগুলো সব সম্পন্ন করে নির্বাচন উপহার দিতে আমাদের মনে হয় না খুব বেশি হলে তিন থেকে চার মাসের বেশি সময় লাগবে। সব রিকমন্ডেশন ফাইনাল হওয়ার পরে আপনারা ধারণা পাবেন, প্রাকটিক্যালি আমাদের কয়দিন সময় লাগবে একটা ইনক্লুসিভ ইলেকশন অনুষ্ঠানের জন্য।’

এক প্রশ্নের জবাবে সালাহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘কেয়ার টেকার সরকার ইনপ্রেইস আছে বা হবে। এটাই ছিল সবচাইতে বড় বাধা একটা ফ্রি ফেয়ার ইলেকশন না হওয়ার।’

তিনি আরো বলেন, ‘ডিলিমিটেশন, অপকর্মে জড়িতদের নির্বাচন প্রক্রিয়া থেকে বাদ রাখা এসব হচ্ছে উপসর্গ। আসল রোগ হচ্ছে, কেয়ার টেকার সরকার না থাকাটা। কেয়ারটেকার সরকার পুনর্বহাল হলে এসব উপসর্গ আর থাকবে না। কেয়ারকেটাকার সরকার হলে দেশে সুষ্ঠু নির্বাচন হতে বাধ্য।’

ভারতে আ’লীগের ৪ নেতা গ্রেফতারের ঘটনায় সারা দেশ তোলপাড়

ভারতে ধর্ষণ মামলায় আওয়ামী লীগের চার নেতা গ্রেফতারের ঘটনায় সারা দেশে তোলপাড় শুরু হয়েছে।

সোমবার (৯ ডিসেম্বর) সকালে তাদের গ্রেফতারের সংবাদটি দৈনিক নয়া দিগন্তের অনলাইনে প্রকাশিত হওয়ার সাথে সাথে সিলেটসহ সারা দেশে তোলপাড় শুরু হয়। অনেকেই সংবাদটি শেয়ার দিয়ে নানা প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন।

এর আগে, রোববার দুপুরের দিকে কলকাতার নিউ টাউন এলাকার একটি ফ্ল্যাট থেকে কলকাতা পুলিশের সহায়তায় ওই চার নেতাকে গ্রেফতার করে শিলং পুলিশ। এরপর রোববার রাতেই তাদেরকে মেঘালয়ের রাজধানী শিলংয়ে আনা হয়।

গ্রেফতার হওয়া নেতারা হয়েছেন সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের অপসারিত চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট নাসির উদ্দিন খান, সিলেট মহানগর যুবলীগের সভাপতি আলম খান মুক্তি, সিলেট মহানগর যুবলীগের সহ-সভাপতি আব্দুল লতিফ রিপন ও মহানগর আওয়ামী লীগের সদস্য ইলিয়াস আহমদ জুয়েল।

শিলং পুলিশের একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে, আওয়ামী লীগের নেতারা সিলেট থেকে পালিয়ে শিলংয়ে অবস্থান করার সময় তাদের আবাসস্থলে এ ধর্ষণ হয়। এ ঘটনায় ভিকটিম শিলং থানায় ছয়জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন। এই মামলায় তাদেরকে গ্রেফতার করা হলেও আরো দু’জন আসামি পলাতক রয়েছেন। তারা হলেন সিলেট জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি আফসর আজিজ ও মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক দেবাংশু দাশ মিটু।

সংশ্লিষ্ট সূত্রমতে, কলকাতার এ আবাসস্থল থেকে নাসির, মুক্তি, রিপন ও জুয়েল ছাড়াও সুনামগঞ্জের এক ইউপি চেয়ারম্যানকেও গ্রেফতার করেছিল শিলং পুলিশ। পরে সেখানে অবস্থানরত আওয়ামী লীগ নেতা জাহাঙ্গীর কবির নানক ও কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল তাদেরকে ছাড়াতে তদবির শুরু করেন। এরপর মামলার এজহারে নাম না থাকায় সেই ইউপি চেয়ারম্যানকে ছেড়ে দেয়া হয়।

কলকাতায় বসবাসরত সিলেট আওয়ামী লীগের একাধিক দলীয় নেতা এর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

তবে একটি সূত্র বলেছে, ধর্ষণের ঘটনায় জড়িত ছিলেন সিলেট মহানগর যুবলীগের সহ-সভাপতি রিপন ও সদস্য জুয়েল। কিন্তু আওয়ামী লীগ নেতা নাসির ও যুবলীগ সভাপতি মুক্তিসহ এক আবাসস্থলে অবস্থান করায় তাদেরকেও মামলার আসামি করা হয়েছে। তাই পুলিশ তাদের গ্রেফতার করেছে।

তবে সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের এক শীর্ষ নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে দৈনিক নয়া দিগন্তকে বলেন, ‘শিলংয়ের মুভমেন্ট পাস নিয়ে সংশ্লিষ্ট থানায় না জানিয়ে কলকাতায় চলে যাওয়ায় তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে। দেশ ছেড়ে পালানোর পর শিলংয়ে ছিলেন নাসির উদ্দিনসহ ছয়জন। গত ১ ডিসেম্বর তারা শিলং ছেড়ে কলকাতা চলে যান।’

কলকাতায় অবস্থানরত এক নেতা বলেন, ‘শিলং ছেড়ে কলকাতায় আসার সময় তারা স্থানীয় থানায় অবগত করে আসেননি। পরে ওই ফ্ল্যাটে গিয়ে পুলিশ খোঁজ নিলে ফ্ল্যাট কর্তৃপক্ষ তাদের থানায় যোগাযোগের জন্য বলেন। কিন্তু কলকাতা থেকে শিলংয়ের দূরত্ব বেশি হওয়ায় তারা আবার সেখানে গিয়ে স্থানীয় থানা পুলিশের কাছে বিষয়টি অবগত করেননি।’

কলকাতায় অবস্থানরত যুবলীগের এক নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘রিপন আর জুয়েল এ অপকর্ম করেছেন বলে শুনেছি। তবে সেটি নিশ্চিত করে বলতে পারছি না যেহেতু আমি কলকাতায়। বাকিরা একই ফ্ল্যাটে থাকার কারণে ফেঁসে গেছেন। গ্রেফতার হওয়া জুয়েল মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেনের খালাত ভাই জানিয়ে ওই নেতা বলেন, ‘জুয়েল ও রিপনের অতীত রেকর্ড ভালো নয়। তাই এমন অভিযোগ উড়িয়ে দেয়া যাচ্ছে না। একই ফ্ল্যাটে থাকায় নাসির ও মুক্তি ফেঁসে গেছেন।’

কলকাতায় অবস্থানরত এক ছাত্রলীগ নেতা বলেন, ‘আমিও এমনটা শুনেছি। তবে ঘটনার সত্য মিথ্যা এখনো নিশ্চিত হতে পারিনি। তারা চারজন গ্রেফতার হয়েছেন এটা সত্য। তবে যতটুকু জানি তারা শিলং থেকে মুভমেন্ট পাস নিয়েছিলেন। কিন্তু কলকাতায় চলে আসার সময় নিয়ম অনুযায়ী স্থানীয় থানায় অবগত করে আসেননি। তারা যে ফ্ল্যাটে ছিলেন সেখান থেকে ফোন দিয়ে তাদের বিষয়টি নিষ্পত্তি করার জন্য বলাও হয়েছিল। কিন্তু নানা কারণে তারা আবার শিলং যেতে পারেননি। ফলে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়েছে।’

বাংলাদেশকে আরো ১০০ মিলিয়ন ডলার সহায়তা দেব এডিবি

বাংলাদেশে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের (পিপিপি) মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোগত উন্নয়নে সহায়তার জন্য অতিরিক্ত ১০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণ অনুমোদন করেছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)।

বাংলাদেশে এডিবির কান্ট্রি ডিরেক্টর হোয়ে ইউন জিয়ং বলেন, ‘এই প্রকল্প বাংলাদেশকে বেসরকারি খাতে অর্থায়ন ত্বরান্বিত, অবকাঠামোগত উন্নয়ন ঘাটতি মেটাতে সরকারি অর্থায়নের ওপর চাপ হ্রাস এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে সক্ষম করবে। এই ঋণ বাংলাদেশ ইনফ্রাস্ট্রাকচার ফাইন্যান্স ফান্ড লিমিটেডের (বিআইএফএফএল) আর্থিক ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি করবে, যাতে পিপিপি বাস্তবায়নের মাধ্যমে টেকসই বেসরকারি বিনিয়োগ সহায়ক পরিবেশ গড়ে তোলা যায়।’

এডিবির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘অর্থনৈতিক পরিবর্তন এবং সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পালাবদলের পর বাংলাদেশ একটি রূপান্তরমূলক পর্যায়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে এবং প্রাথমিকভাবে সরকারিভাবে পরিচালিত দেশের অবকাঠামোগত উন্নয়নে সীমিত সম্পদ এবং বাস্তবায়নের সীমাবদ্ধতার কারণে চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছে। অবকাঠামো বিনিয়োগের একটি প্রধান বাধা হলো- স্থানীয় বাজারে দীর্ঘমেয়াদি ঋণ তহবিলের ঘাটতি। এই ঘাটতি মেটাতে বিআইএফএফএলকে দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়নের মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো প্রকল্পগুলো সম্পন্ন করার পথ সুগম করে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে ত্বরান্বিত করাই এডিবি’র ঋণের লক্ষ্য।

সূত্র : বাসস

হাসিনার বক্তব্যে অসন্তুষ্ট বাংলাদেশ, ভারতকে বার্তা

ভারতে অবস্থানরত বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রাজনৈতিক বক্তব্য পছন্দ করছে না অন্তর্বর্তী সরকার। এই বার্তা পৌঁছে দিতে ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিশ্রিকে আহ্বান করেছে বাংলাদেশ।

সোমবার (৯ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় সেগুনবাগিচায় জনাকীর্ণ সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্র সচিব মো: জসীম উদ্দিন এ তথ্য জানান।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দিল্লিতে বসে কর্মকাণ্ড নিয়ে বাংলাদেশের আপত্তির বিষয়ে এক প্রশ্নের উত্তরে জসীম উদ্দিন বলেন, ‘সাবেক প্রধানমন্ত্রী ভারতে অবস্থান করে যে বক্তব্য রাখছেন, এই বক্তব্যের প্রতি আমরা তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি। আপনারা গতকাল শুনেছেন, তিনি (শেখ হাসিনা) একটি বক্তৃতা দিয়েছেন, এটা এই সরকার পছন্দ করছেন না এবং তারা যে কথাটা বলেছেন, তার উপস্থিতি দুই দেশের সম্পর্কে কোনো প্রভাব ফেলবে না।’

পররাষ্ট্র সচিব আরো বলেন, আমরা বলেছি, তিনি (শেখ হাসিনা) ভারতে বসে যে বক্তব্য দিচ্ছেন সেটা আমাদের পছন্দ হচ্ছে না।…এটা তাকে (শেখ হাসিনাকে) যেন জানানো হয়। তারা (বিক্রম মিশ্রি) বিষয়টিকে আমলে নিয়েছেন।’

তিনি বলেন, ‘সম্পর্ককে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে ভারত একমত হয়েছে। দুই দেশের পারস্পারিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে খোলামনে আলোচনা হয়েছে।’

তিনি সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘দু’দেশের মধ্যে বিদ্যমান সকল অনিষ্পন্ন বিষয়গুলো দ্রুততম সময়ের মধ্যে নিষ্পত্তির জন্য ভারতের সহযোগিতা কামনা করি এবং এই লক্ষে আমরা একযোগে কাজ করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেছি।’

গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সংখ্যালঘুদের নির্যাতন নিয়ে ভারতীয় গণমাধ্যমে নেতিবাচক প্রচারণা হচ্ছে উল্লেখ করে পররাষ্ট্র সচিব বলেন, ‘বাংলাদেশের জুলাই-আগস্ট বিপ্লব এবং বিপ্লব পরবর্তী সংখ্যালঘুদের প্রতি কথিত বৈরি আচরণ নিয়ে ভারতের গণমাধ্যমে অপপ্রচার, মিথ্যা তথ্য ও বিভ্রান্তিকর বয়ান হচ্ছে। সে বিষয়ে আমরা ভারত সরকারের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি এবং এ বিষয়ে যথাযথ পদক্ষেপ নিতে আমরা অনুরোধ জানিয়েছি।’

তিনি জানান, এ অঞ্চলের শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় এবং রোহিঙ্গা সঙ্কটের স্থায়ী সমাধানে ভারতের সহযোগিতার জন্য আহ্বান জানিয়েছি।

পররাষ্ট্র সচিব বলেন, ‘প্রতি বছর পর্যটন ও চিকিৎসা উপলক্ষ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বাংলদেশী ভারত সফর করে। তাদের ভিসা প্রাপ্তি সহজীকরণসহ অন্যান্য বিষয়ে আমরা অনুরোধ জানিয়েছি।’

সীমান্ত হত্যাকাণ্ড বন্ধ নিয়েও দুই দেশের মধ্যে আলোচনা হয়েছে বলে জানান বাংলাদেশের পররাষ্ট্র সচিব।

লক্ষ্য ভিন্ন হলে দু’দিন পরে ছিটকে পড়ে যাবেন : নেতাকর্মীদের তারেক রহমান

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, নেতাকর্মীদের লক্ষ্য হওয়া উচিৎ মানুষের সমর্থন, আস্থা ও বিশ্বাস অর্জন করা। যদি লক্ষ্য অন্যকিছু হয়ে থাকে, তবে দু’দিন পরে ছিটকে পড়ে যাবেন। জনগণের সমর্থন থেকে ছিটকে পড়বেন। তাদের আস্থা থেকে দূরে সরে যাবেন।

রোববার রাজধানী বড়ুয়া আলাউদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয় ময়দানে রাষ্ট্রকাঠামো মেরামতের ৩১ দফা ও জনসম্পৃক্তি কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তারেক রহমান বলেন, আমাদের দল থেকে ছিল ২৭ দফা, বিভিন্ন গণতান্ত্রিক দল থেকে মতামত নিয়ে আমরা ৩১ দফা দিয়েছি। দেশকে কিভাবে পুনর্গঠন করতে চায় বিএনপি তারই সংস্কার হিসেবে ৩১ দফা প্রস্তাবনা দেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, এই ৩১ দফা শুধু বিএনপির কর্মীদের জন্য নয়, রাজনৈতিক দলের জন্য নয়, এটি জনগণের কাছে তুলে ধরতে হবে। তাদের জানাতে হবে বিএনপি ক্ষমতায় গেলে কী কী করতে চায়। প্রতিটি জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে হবে। যদি কারো ৩১ দফার কোনো পয়েন্টের আপত্তি থাকে বা থাকতেই পারে, সেগুলো জানালে বিবেচনা করে আমরা কাজ করতে পারি।

তিনি বলেন, বিএনপির ওপর জনগণের আস্থা ধরে রাখতে হবে দলের কর্মীদের। জনগণের সমর্থনকে যেকোনোভাবে অর্থাৎ ইতিবাচকভাবে বিএনপির পক্ষে রাখতে হবে। জনগণ যেভাবে বলবে সেভাবেই পরিচালিত হতে হবে।

তারেক রহমান বলেন, বিএনপি নেতাকর্মীদের জনগণের আস্থা ও সম্মান এবং সমর্থন ধরে রেখতে কাজ করতে হবে। জান-প্রাণ দিয়ে জনগণের আস্থা, বিশ্বাস ও ভালোবাসা ধরে রাখতে হবে।

বাংলাদেশ নিয়ে অপপ্রচার বন্ধে ফেসবুকের সহায়তা চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা

বাংলাদেশ নিয়ে বিভ্রান্তিমূলক অপপ্রচার ঠেকাতে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ মেটার সহযোগিতা চেয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।

রোববার মেটার মানবাধিকার নীতি বিষয়ক পরিচালক মিরান্ডা সিসন্স প্রধান উপদেষ্টার সাথে সাক্ষাৎ করলে এ আহ্বান জানান অধ্যাপক ইউনূস।

এ সময় প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘ব্যাপক হারে বিভ্রান্তিমূলক প্রচারণা চলছে এবং আমরা (বাংলাদেশ) এর ভুক্তভোগী।’

‘জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের অর্জনকে নস্যাৎ করতে কিছু দেশ থেকে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে বিভ্রান্তিমূলক প্রচারণা চালানো হচ্ছে’ বলে উল্লেখ করেন তিনি।

মেটা পরিচালক সিসন্স প্রধান উপদেষ্টাকে মেটা’র মানবাধিকার নীতি ব্যাখ্যা করে বলেন, তাদের প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে কেউ যেন বিভ্রান্তি ছড়াতে না পারে সেজন্য তারা সতর্ক থাকেন।

এ সময় তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য প্রযুক্তিকে আরো সহজ করতে মেটা কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান প্রধান উপদেষ্টা।

তিনি বলেন, ‘ফেসবুকের কারণে আপনাদের সম্ভাবনা প্রচুর। তরুণদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে ফেসবুক ব্যবহার করা যেতে পারে। দেশের তরুণ জনগোষ্ঠীর স্বার্থে বাংলাদেশ সরকার ফেসবুকের সাথে যুক্ত থাকবে।’

সূত্র : বিবিসি