Home Blog Page 495

চিন্ময়ের মুক্তি নিয়ে আলোচনা করতে ভারতের প্রতি অনুরোধ ইসকনের

বাংলাদেশ সনাতনী জাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র ও হাটহাজারী পুন্ডরীক ধামের অধ্যক্ষ চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারী আটকের বিষয়ে ভারতের হস্তক্ষেপ চেয়ে বিবৃতি দিয়েছে ইন্টারন্যাশনাল সোসাইটি ফর কৃষ্ণ কনশাসনেস (ইসকন)। 

মঙ্গলবার (২৬ নভেম্বর) বিবিসি বাংলা জানিয়েছে, গতকাল ইসকন তাদের অফিশিয়াল এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডেলে একটি পোস্ট করেছে। ওই পোস্টে ইসকন বলেছে, ‘সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে ইসকনের যুক্ত থাকার অভিযোগ ভিত্তিহীন এবং অত্যন্ত আপত্তিজনক।’ 

এক্স পোস্টে ইসকন আরো বলেছে, ‘ইসকন ভারত সরকারের প্রতি অনুরোধ জানাচ্ছে যেন তারা অবিলম্বে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে আলোচনা করে এই বিষয়টি স্পষ্ট করে যে আমরা একটি শান্তিপ্রিয় ভক্তি আন্দোলন।’

তারা ইসকন নেতা চৈতন্য কৃষ্ণ দাসকে অবিলম্বে মুক্তি দেওয়ার অনুরোধও জানিয়েছে। 

এরআগে, সোমবার বিকেলে ঢাকা থেকে চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে আটক করা হয়। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের মুখপাত্র মুহাম্মদ তালেবুর রহমান বলেন, ‘সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে তাঁকে আটক করা হয়েছ

এদিকে আজ মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে চট্টগ্রামের আদালতে তোলার পর জামিন নামঞ্জুর করেন চট্টগ্রাম আদালত।তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। 

গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দেশব্যাপী সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার প্রতিবাদে আট দফা দাবিতে বিভিন্ন জেলায় বিক্ষোভ সমাবেশসহ নানান কর্মসূচি পালন করে আসছে বাংলাদেশ সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোট।

রাষ্ট্রদ্রোহের ঘটনায় যুক্ত থাকলে ছাড় দেয়া হবে না : আসিফ মাহমুদ

অন্তর্বর্তী সরকারের স্থানীয় সরকার, যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, ‘রাষ্ট্রদ্রোহের মতো ঘটনায় যুক্ত থাকলে কোনো প্রকার ছাড় দেয়া হবে না।’

আজ মঙ্গলবার রংপুরে এক অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ও স্বাধীনতার ওপর যদি কোনো প্রকার হস্তক্ষেপ ও আঘাত আসে এবং রাষ্ট্রের প্রতি অবমাননা হয়, রাষ্ট্রদ্রোহের মতো ঘটনা ঘটে, সেক্ষেত্রে সরকার অবশ্যই কঠোর ব্যবস্থা নিবে।’

এরপর তিনি বলেন যে ‘একটি গ্রেফতারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে এখন অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা করা হচ্ছে।’ তবে ‘আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই, কেউ যদি রাষ্ট্রদ্রোহের মতো ঘটনায় যুক্ত থাকে, সে যে-ই হোক, যত বড় নেতাই হোক, তাকে কোনো প্রকার ছাড় দেয়া হবে না।’

এক্ষেত্রে, ‘সম্প্রদায় বিবেচনায় নয়, রাষ্ট্রের বিবেচনায় আইন-শৃঙ্খলাবাহিনী ব্যবস্থা গ্রহণ করবে’ বলেও তিনি জানান।

কার গ্রেফতারের ঘটনায় অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা চলছে, সেটি সরাসরি বলেনি ক্রীড়া উপদেষ্টা। তবে সম্প্রতি রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি হলেন সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র ও পুণ্ডরীক ধামের অধ্যক্ষ চিন্ময় কৃষ্ণ দাস। তাকে গতকাল সোমবার ঢাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার তাকে চট্টগ্রামের ষষ্ঠ মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করা হলে শুনানি শেষে বিচারক কাজী শরীফুল ইসলাম তার জামিন নাকচ করার আদেশ দেন।

এই ঘটনাকে ঘিরে গতকাল দেশজুড়ে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের অনেকে বিক্ষোভ করেছেনই। আজও তার অনুসারীরা আদালত চত্বরেই বিক্ষোভ করেছেন।

এদিকে জামিন নামঞ্জুরের আদেশের পর প্রিজন ভ্যান থেকেই চিন্ময় দাস হ্যান্ডমাইকে তার অনুসারীদের শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করার আহ্বান জানান।

সূত্র : বিবিসি

এক দিন অন্তর খেলত ৫০০ বল! জমি বিক্রি করে দেওয়া বাবার ‘হাত ধরে’ আইপিএলে ১৩ বছরের কোটিপতি বৈভব

রোজ অনুশীলনের সুযোগ হত না। কারণ, বিহারের সমস্তিপুরের বাড়ি থেকে পটনার অ্যাকাডেমির দূরত্ব প্রায় ১০০ কিলোমিটার। তাই বাবা ছেলেকে অ্যাকাডেমিতে নিয়ে আসতেন এক দিন অন্তর। ছেলেকে ক্রিকেটার তৈরি করার স্বপ্ন দেখা এবং তার জন্য জমি বিক্রি করে দেওয়া বাবা যে দিন নিয়ে আসতেন, সে দিন সেই ছেলে ৫০০ বল না খেলে নেট ছাড়ত না। ১৩ বছরের সেই বৈভব সূর্যবংশী সাধারণ ক্রিকেট অ্যাকাডেমি থেকে রাজস্থান রয়্যালসের নেটে এবং সেখান থেকে ছ’দিনের মধ্যে ঢুকে পড়ল আইপিএলে।

সোমবার আইপিএলের নিলামে রাজস্থান এবং দিল্লি ক্যাপিটালসের মধ্যে লড়াই হল বৈভবকে নিয়ে। দুই দলই তাকে নেওয়ার জন্য ঝাঁপাল। যে কারণে ৩০ লক্ষ থেকে তার দাম পৌঁছে গেল ১ কোটি ১০ লক্ষ টাকায়। শেষ পর্যন্ত রাজস্থানই নিল ১৩ বছর ২৪৩ দিনের বৈভবকে।

বৈভবের বাড়ি বিহারের সমস্তিপুরের তাজপুর বলে একটি এলাকায়। চার বছর বয়সে বাবার হাত ধরে ক্রিকেট শেখা শুরু তার। সাড়ে সাত বছর বয়সে বৈভবের বাবা সঞ্জীব তাকে নিয়ে যান পটনার এক ক্রিকেট অ্যাকাডেমিতে। সেখানেই কোচ সৌরভ কুমার প্রথম দেখেন বৈভবকে। অবাক হয়ে গিয়েছিলেন এত কম বয়সে তার ব্যাটিং দেখে। নেটে নামার জন্য ছটফট করত বৈভব। আর সেখানে তার বয়সি বোলারেরা প্রায় পাত্তাই পেত না। বড়দের সঙ্গে খেলানো হত বৈভবকে। আনন্দবাজার অনলাইনকে সৌরভ বললেন, “আমরা জানতাম নিলামে রাজস্থান ওর জন্য ঝাঁপাবে। প্রায় সব দলই বৈভবের খেলার ভিডিয়ো চেয়েছিল। দিল্লি আর রাজস্থান ট্রায়ালেও ডাকে। ১৯ নভেম্বর রাজস্থানের ট্রায়ালে গিয়েছিল বৈভব। পাঁচ দিনের মধ্যে ওরাই কিনে নিল ওকে।”

মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলে বৈভব। বাবা কৃষক। একটি দোকানও আছে। জমি বিক্রি করে ছেলের ক্রিকেট শেখার খরচ জুগিয়েছেন সঞ্জীব। সমস্তিপুর থেকে ভোর চারটের সময় বেরোতে হয়। পটনা পৌঁছতে ৭.৩০ বেজে যায়। সেখানে কোচ মণীশ ওঝার কাছে প্রশিক্ষণ নেয় বৈভব। কাকভোরে খাবার বানিয়ে দেন বৈভবের মা। মণীশ বললেন, “সমস্তিপুরে বৈভবের বাড়ি থেকে পটনায় আমার অ্যাকাডেমির দূরত্ব প্রায় ১০০ কিলোমিটার। প্রতি দিন অনুশীলন করতে আসা সম্ভব ছিল না। এক দিন অন্তর আসত ও। তবে যে দিন আসত অন্তত ৫০০ বল খেলত।”

নিজের সঙ্গে কিছু বোলার নিয়ে আসত বৈভব। বিভিন্ন শট খেলার অনুশীলন চলত সারা দিন ধরে। খেলার এবং শেখার ইচ্ছা এতই প্রবল ছিল যে, সময়ের হিসাব থাকত না। মণীশ বললেন, “আমার কাছে আসা ছেলেদের আমি সাধারণত ১০০-২০০ বল খেলাই। বৈভব খেলত ৫০০ বল। এই বয়সটা ক্রিকেটারদের শেখার সময়। ও এত খেলে বলেই দ্রুত শিখতে পারে। এক জন ক্রিকেটার যত বল খেলবে, তত শিখবে। তবে বেশি বল খেললেই সকলে যে শিখবে সেটা নয়। নেওয়ার ক্ষমতা এবং ইচ্ছেটাও প্রয়োজন। সেটা বৈভবের প্রবল।”

নিলামের আগেই আলোচনায় উঠে এসেছিল বিহারের কিশোর ব্যাটারের নাম। নিলামের তালিকায় কনিষ্ঠতম ক্রিকেটার হিসাবে ছিল বৈভবই। তার ন্যূনতম দাম ছিল ৩০ লাখ টাকা। নিলামের সঞ্চালিকা মল্লিকা সাগর বৈভবের নাম ঘোষণা করতেই আগ্রহ দেখান দিল্লি কর্তৃপক্ষ। তাঁদের সঙ্গে টাকার যুদ্ধে নামেন রাজস্থান রয়্যালস কর্তৃপক্ষ। রাজস্থানকে নিলামে নেতৃত্ব দেন কোচ রাহুল দ্রাবিড় নিজে। দিল্লির হাতে সে সময় ছিল ২ কোটি ২৫ লাখ টাকা। ১৮ জন ক্রিকেটারকে নেওয়া ছিল তাদের। অন্য দিকে, রাজস্থানের হাতে ছিল ৩ কোটি ৫০ লাখ টাকা। তাদের কেনা হয়েছিল ১৬ জন ক্রিকেটার। তুলনায় বেশি টাকা হাতে থাকায় সম্ভবত ভবিষ্যতের লগ্নি হিসাবে এগিয়ে যান রাজস্থান কর্তৃপক্ষ। তাঁরা ১ কোটি ১০ লাখ টাকা দাম দিতে লড়াই থেকে সরে যেতে বাধ্য হয় দিল্লি। তাতেই নতুন ইতিহাস তৈরি হল আইপিএলে।

৪০ বছর পর শ্মশানের জমি বুঝে পেল হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে দীর্ঘ ৪০ বছর পর দখলে থাকা শ্মশানের জমি বুঝে পেল হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা।

সোমবার (২৫ নভেম্বর) দুপুরে এ জমি শ্মশানের দায়িত্বে থাকা লোকদের কাছে বুঝিয়ে দেন উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা।

জানা যায়, উপজেলার উচাখিলা ইউনিয়নের কাঁচামাটিয়া নদীর তীরে অবস্থিত উচাখিলা শ্মশানে লাশ সৎকার করতে গিয়ে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের ভোগান্তি পোহাতে হত। দখলদাররা চারপাশ থেকে এমনভাবে ঘিরে ফেলেছিল যে শ্মশানে ঢুকবার রাস্তাই বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। বিষয়টি নিয়ে একটি লিখিত অভিযোগ উপজেলা নির্বাহী অফিসার সারমিনা সাত্তারের কাছে দিলে তিনি তা সমাধানের উদ্যোগ নেন। তিনি উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইকবাল হোসাইনকে সাথে নিয়ে সোমবার ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে শ্মশানের জমি মেপে চিহ্নিত করেন। পরে তা শ্মশানের দায়িত্বে থাকা লোকদের কাছে বুঝিয়ে দেন।

বিষয়টি নিয়ে ৮৫ বছরের বৃদ্ধ ভবেশ চন্দ্র সাহা বলেন, ‘শ্মশানের জমিটি নিয়ে কয়েক দিন পর পর বির্তকে জড়ানো ভালো লাগছিল না। খুবই দুশ্চিন্তায় ছিলাম। দীর্ঘ দিন পর চিন্তা মুক্ত হয়েছি মরেও এখন শান্তি পাব।’

উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইকবাল হোসাইন বলেন, ‘এখন থেকে শ্মশানের জমি নিয়ে আর কোনো বিতর্কের সুযোগ নেই।’

উপজেলা নির্বাহী অফিসার সারমিনা সাত্তার বলেন, ‘শ্মশানের জমিটি চিহ্নিত করে হিন্দু ধর্মাবলম্বী লোকদেরলাশ সৎকারে সহযোগিতা করতে পেরে আমার ভালো লাগছে। এখন থেকে তারা নিশ্চিন্তে তাদের লাশের অন্তেষ্টিক্রিয়া করতে পারবেন।’

বিএনপি নির্বাচন চায় দেশকে রক্ষার জন্য : মির্জা ফখরুল

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বিএনপি নির্বাচন চায় দেশকে রক্ষা, গণতন্ত্র, মানুষের ভোটাধিকার প্রয়োগের জন্য।

আজ শনিবার চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির কাউন্সিল সম্মেলনে উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, গত ১৫ বছর আওয়ামী সন্ত্রাসীরা নয়জনকে হত্যা করেছে এই চুয়াডাঙ্গায়। বাসায় ঢুকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। শুধু কী এখানেই? সারাদেশে একই ঘটনা। কোথাও কুপিয়ে, খুন করে, গুলি করে হত্যা করে নদীতে ফেলে দিয়েছে তারা। একইসাথে পুলিশ বাহিনী তাদের সহযোগিতা করেছে এই হত্যাকাণ্ডে।

এই অবস্থায় বের হতে পেরেছেন বলে আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করেন মির্জা ফখরুল।

পুলিশ ঠিকঠাক কাজ করছে না- অনেকের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, পুলিশকে আওয়ামী লীগ যেভাবে ব্যবহার করেছে, কোনো গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র এভাবে ব্যবহার করতে পারে না।

তিনি বলেন, বিরোধিতা করার জন্য ’৭২ থেকে ’৭৫ পর্যন্ত এদেশে প্রায় ৩০ হাজার তরুণকে হত্যা করেছে শেখ মুজিব। দমন করতে এই দেশে রক্ষীবাহিনী তৈরি করেছিলেন তিনি এবং প্রথম ফ্যাসিস্ট হয়ে উঠেছিলেন। সেই সময় স্লোগান ছিল ‘এক নেতার এক দেশ শেখ মুজিবের বাংলাদেশ’। সেইসাথে তিনি আরো বলেন, আওয়ামী লীগ একটি সন্ত্রাসী দল। এদের ভিতর দুইটা জিনিসই আছে, সন্ত্রাস আর চুরি।

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি বলেন, জিয়াউর রহমান এসেছিলেন একটি দুঃসময়ে। তিনি এসে ১৯ দফা দিয়ে দেশের উন্নয়নে অগ্রভূমিকা রাখতে কাজ করেছেন। আওয়ামী লীগ ইতিহাস বিকৃত করে সবকিছুর চিহ্ন মুছে দিতে চেয়েছিল। কিন্তু ইতিহাস তো মুছে ফেলে দেয়া যায় না। বহুদলীয় গণতন্ত্র দিয়েছিলেন জিয়াউর রহমান। আর যাকে বিশ্বাস করে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলাম, তিনি গণতন্ত্রকে হরণ করে ফ্যাসিবাদ কায়েম করেছিলেন, বাকশাল করেছিলেন। অন্যদিকে সেনা ছাউনি থেকে আসা জিয়াউর রহমান দিয়েছিলেন গণতন্ত্র, বাক স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা।

তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদীর যাতাকলে আমাদের ৬০ লাখ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে, অসংখ্য গুম-খুন-হত্যা করা হয়েছে। তাই আমরা রাষ্ট্রকে মেরামত করতে ৩১ দফা দিয়েছি।

অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্দেশে তিনি বলেন, সংস্কার শেষ করে সাসটেইনবল করতে দরকার জনগণের প্রতিনিধি, এর জন্য দরকার পার্লামেন্ট। অনেকেই বলেন ‘বিএনপি শুধু নির্বাচন চায়’। বিএনপি নির্বাচন চায় দেশকে রক্ষা, গণতন্ত্র, মানুষের জন্য ভোটাধিকার প্রয়োগের জন্য।

মির্জা ফখরুল বলেন, আমাদের পরিষ্কার কথা, আমরা তরুণদের রাষ্ট্রের দায়িত্ব ও নেতৃত্ব দিতে চাই। তরুণ ও ছাত্রদের সাথে আমাদের কোনো সমস্যা নাই বলে জানান।

তিনি বলেন, স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের যারা ছিলেন, তাদের সবাইকে নিয়ে একটি সরকার গঠন করব।

নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, মানুষের কাছে বিএনপি এত পছন্দের কেন, কারণ বিএনপি স্বাধীনতা গণতন্ত্র সার্বভৌমত্ব প্রশ্নে কোনো আপস করে না। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ওদের কাছে মাথা নত করেনি।

বিচ্ছেদে খুশি নন সায়রা-রহমান কেউই!

গত ১৯ নভেম্বর বিয়ে ভাঙার কথা প্রকাশ্যে এনেছেন এ আর রহমান এবং সায়রা বানু। ১৯৯৫ সালে তারা বিয়ে করেছিলেন। অ্যারেঞ্জ ম্যারেজ ছিল তাদের। তিন সন্তানও আছে এই তারকা দম্পতির, আমিন, খাতিজা এবং রহিমা। ২৯ বছর একসাথে থাকার পর এবার দাম্পত্য জীবনের ইতি টেনে ডিভোর্সের পথে এগোচ্ছেন তারা। কিন্তু এই বিবাহ বিচ্ছেদ নিয়ে কেউই খুশি নন তারা। তাও কেন এই সিদ্ধান্ত নিলেন, কী জানালেন তাদের আইনজীবী?

রহমান এবং সায়রার বিচ্ছেদ নিয়ে কী জানিয়েছে আইনজীবী?
সায়রা বানুর উকিল বন্দনা শাহ পিটিআইকে দেয়া একটি সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, ‘দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ওদের। লম্বা দাম্পত্য জীবন। তাই কেউই এটাকে খুশি মনে শেষ করছেন না। ওরা ডিভোর্স করছেন ঠিকই, কিন্তু খুশি নন।’ তিনি এদিন আরো জানান, ‘ওরা গোটা বিষয়টা বন্ধুত্বপূর্ণভাবে শেষ করতে চাইছে। কোনও খোরপোষ ইত্যাদির মধ্যে যাচ্ছে না। দুজনেই সম্ভ্রান্ত পরিবারের অংশ। খ্যাতনামা ব্যক্তিত্ব। ২৯ বছর ধরে দুজনে সসম্মানে থেকেছেন একসঙ্গে, এবার বিয়েটা টিকল না বলে জিনিসটাকে তারা বদলাতে চাননি। সবার জীবনে তো রূপকথা হয় না, সবাই চাইলেও না। কেউই বিচ্ছেদ হবে ভেবে বিয়ে করে না।’

বিচ্ছেদের খবর জানিয়ে কী বলেছিলেন রহমান এবং সায়রা?
রহমান ডিভোর্স প্রসঙ্গে লেখেন, ‘আমরা গ্র্যান্ড থার্টিতে পৌঁছানোর আশা করেছিলাম, তবে সমস্ত কিছু, মনে হয়, এক অদৃশ্য পরিণতি বয়ে বেড়ায়। এমনকি ভগ্ন হৃদয়ের ভারে ঈশ্বরের সিংহাসনও কাঁপতে পারে। তবু এই বিপর্যয়ের মধ্যে আমরা অর্থ খুঁজি, যদিও টুকরোগুলো আবার জায়গা নাও পেতে পারে। আমাদের বন্ধুদের প্রতি, আপনাদের উদারতার জন্য এবং এই ভঙ্গুর অধ্যায়ের মধ্য দিয়ে চলার সময় আমাদের গোপনীয়তাকে সম্মান করার জন্য আপনাদের ধন্যবাদ।’

রহমান এবং সায়রা বানু বিচ্ছেদের কথা ঘোষণা করার পরদিনই গায়কের টিমমেট মোহিনী দেও নিজের সঙ্গীর সঙ্গে ডিভোর্স ঘোষণা করেন। তখন অনেকেই ভাবেন যে তবে কি গায়কের সাথে তার কোনো বিশেষ সম্পর্ক আছে? তবে সে জল্পনাতেও পানি ঢেলে আইনজীবী জানিয়েছেন এসব কেবলই রটনা। সত্যি নয় একেবারেই।
সূত্র : হিন্দুস্তান টাইমস

দেশে স্যাটেলাইট ইন্টারনেট চালুর উদ্যোগ

দেশে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহিদদের আত্মত্যাগের ফসল ঘরে তুলতে বর্তমান স্যাটেলাইট ইন্টারনেট চালুর লক্ষ্যে টেলিকম নিয়ন্ত্রক খসড়া নির্দেশিকা চূড়ান্ত করতে জনগণের মতামত চেয়েছে।

এ প্রক্রিয়ার সাথে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলেছেন, স্যাটেলাইট ইন্টারনেট চালুর এ পদক্ষেপ ব্যাকহোলিং, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও গ্রাহকের ডেটা ব্যবহারের পাশাপাশি ডিজিটাল বিভাজন দূর করে সেতু বন্ধনে নতুন দ্বার উন্মোচনে সহায়ক হবে। কেননা এর মাধ্যমে ইলন মাস্কের স্টারলিংক এবং বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় অন্যান্য কোম্পানিগুলোর বাংলাদেশের বাজারে প্রবেশের পথ প্রশস্ত করতে পারে।

টেলিকম নিয়ন্ত্রক সংস্থা-বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন রেগুলেটরি কমিশন (বিটিআরসি) গত ২৯ অক্টোবর তাদের ওয়েবসাইটে এনজিএসও স্যাটেলাইট পরিষেবা অপারেটরের জন্য খসড়া নিয়ন্ত্রক এবং লাইসেন্সিং নির্দেশিকা প্রকাশ করেছে। নির্দেশিকা চূড়ান্ত করতে ১৮ নভেম্বরের মধ্যে মতামত চেয়েছে।

দেশে ডেটা পরিষেবায় বিপ্লব ঘটাবে বিবেচনায় দেশের মোবাইলফোন অপারেটর এবং অন্যান্য স্টেকহোল্ডাররা স্যাটেলাইট ইন্টারনেট চালুর পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছে। তাদের মতে এই উদ্যোগ ডিজিটাল বিভাজন দূর করে সেতু বন্ধনে নতুন সুযোগ উন্মোচন করতে পারে।

খসড়া নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, কোম্পানি আইন ১৯৯৪-এর অধীনে ‘জয়েন্ট স্টক কোম্পানি ও ফার্ম নিবন্ধক’-এর অধীনে নিবন্ধিত মালিকানা, অংশীদারিত্ব এবং কোম্পানিগুলো বাংলাদেশে এনজিএসও স্যাটেলাইট সিস্টেম এবং পরিষেবাগুলো নির্মাণ, মালিকানা, রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচালনার লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে পারবে।

এত আরো উল্লেখ করা হয়েছে, ১০০ শতাংশ এফডিআই বা বিদেশী অংশীদারিত্ব বা যৌথ উদ্যোগ বা অনাবাসী বাংলাদেশী (এনআরবি) থেকে বিনিয়োগ এনজিএসও স্যাটেলাইট সিস্টেম এবং পরিষেবাগুলো নির্মাণ, মালিকানাধীন, রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচালনা করতে পারবে। খসড়া নির্দেশিকা অনুযায়ী লাইসেন্সের মেয়াদ হবে পাঁচ বছর।

এতে আরো বলা হয়, লাইসেন্সধারী নিম্নলিখিত এনজিএসও স্যাটেলাইট পরিষেবাগুলো প্রদানের জন্য অনুমোদন পাবে: ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট পরিষেবা, ইন্ট্রানেট পরিষেবা (দেশীয় ডেটা যোগাযোগ), ইন্টারনেট অফ থিংস ও মেশিন-টু-মেশিন সংযোগ, গতি পরিষেবায় আর্থ স্টেশন, আর্থ এক্সপ্লোরেশন স্যাটেলাইট পরিষেবা, রিমোট সেন্সিং ও আবহাওয়া সংক্রান্ত পরিষেবা এবং বিটিআরসি দ্বারা অনুমোদিত অন্য কোনও পরিষেবা।

তবে অপারেটররা সরাসরি-টু-হোম পরিষেবা, সম্প্রচার পরিষেবা, স্যাটেলাইট আইএমটি-ভিত্তিক পরিষেবা বা টেলিযোগাযোগ পরিষেবা প্রদানের জন্য অনুমোদিত নয়।

আবেদন বা প্রসেসিং ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ লাখ টাকা, যার মধ্যে অধিগ্রহণ ফি ১০ হাজার ইউএস ডলার এবং বার্ষিক ফি ৫০ হাজার ডলার। এ ছাড়াও বার্ষিক স্টেশন/টার্মিনাল ফি ২০ ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে।

লাইসেন্সধারীকে তার বার্ষিক নিরীক্ষিত মোট রাজস্বের ৫ দশমিক ৫ শতাংশ বিটিআরসিকে দিতে হবে। গ্রস রাজস্বের আরো ১ শতাংশ বাধ্যতামূলক হিসাবে ‘মহাকাশ শিল্পের উন্নয়ন এবং ব্যবস্থাপনায় অবদান’-এর অংশ হিসাবে জমা দিতে হবে।

লাইসেন্সধারীকে অবশ্যই সেবা শুরু করার আগে বাংলাদেশের মধ্যে অন্তত একটি গেটওয়ে সিস্টেম স্থাপন করতে হবে। তবে বিটিআরসি লাইসেন্সধারীদের অতিরিক্ত গেটওয়ে স্থাপনে উৎসাহিত করছে।

বাংলাদেশের ভৌগোলিক সীমানার মধ্যে স্থাপন করা যেকোনো ব্যবহারকারীর টার্মিনাল অবশ্যই এই স্থানীয় গেটওয়ের মাধ্যমে এবং পরিবেশিত হতে হবে। খসড়া অনুযায়ী বাংলাদেশের অভ্যন্তরে পরিষেবার জন্য এই টার্মিনালগুলো থেকে সমস্ত ট্রাফিক অবশ্যই এই স্থানীয় গেটওয়ের মাধ্যমে হতে হবে।

এনজিএসও গেটওয়ে আন্তর্জাতিক ইন্টারনেট ডেটা ট্রাফিক পরিচালনার জন্য আন্তর্জাতিক ইন্টারনেট গেটওয়ের সাথে সংযুক্ত হবে।

রবি আজিয়াটার চিফ কর্পোরেট এবং নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা শাহেদ আলম বাসসের সাথে আলাপকালেবলেন, ‘ডেটা পরিষেবায় বিপ্লব ঘটানোর সম্ভাবনার স্বীকৃতি হিসেবে আমরা দেশে স্যাটেলাইট ইন্টারনেট চালু করার উদ্যোগকে স্বাগত জানাই।’

এই অগ্রগতি ব্যাকহোলিং, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা এবং গ্রাহক ডেটা ব্যবহারের মতো ক্ষেত্রে নতুন সুযোগের পথ প্রশস্ত করতে পারে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

দেশে স্যাটেলাইট ইন্টারনেট চালুর লক্ষ্যে টেলিকম নিয়ন্ত্রক খসড়া নির্দেশিকা চূড়ান্ত করতে জনগণের মতামত চেয়েছে টেলিকম নিয়ন্ত্রক সংস্থা- বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন রেগুলেটরি কমিশন (বিটিআরসি)।

এ প্রক্রিয়ার সাথে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলেছেন, স্যাটেলাইট ইন্টারনেট চালুর এ পদক্ষেপ ব্যাকহোলিং, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও গ্রাহকের ডেটা ব্যবহারের পাশাপাশি ডিজিটাল বিভাজন দূর করে সেতু বন্ধনে নতুন দ্বার উন্মোচনে সহায়ক হবে। কেননা এর মাধ্যমে ইলন মাস্কের স্টারলিংক এবং বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় অন্যান্য কোম্পানিগুলোর বাংলাদেশের বাজারে প্রবেশের পথ সুগম করতে পারে।

বিটিআরসি গত ২৯ অক্টোবর তাদের ওয়েবসাইটে এনজিএসও স্যাটেলাইট পরিষেবা অপারেটরের জন্য খসড়া নিয়ন্ত্রক এবং লাইসেন্সিং নির্দেশিকা প্রকাশ করেছে। নির্দেশিকা চূড়ান্ত করতে ১৮ নভেম্বরের মধ্যে মতামত চেয়েছে।

দেশে ডেটা পরিষেবায় বিপ্লব ঘটাবে বিবেচনায় দেশের মোবাইল ফোন অপারেটর এবং অন্যান্য স্টেকহোল্ডাররা স্যাটেলাইট ইন্টারনেট চালুর পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছে। তাদের মতে এই উদ্যোগ ডিজিটাল বিভাজন দূর করে সেতু বন্ধনে নতুন সুযোগ উন্মোচন করতে পারে।

খসড়া নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, কোম্পানি আইন ১৯৯৪-এর অধীনে ‘জয়েন্ট স্টক কোম্পানি ও ফার্ম নিবন্ধক’-এর অধীনে নিবন্ধিত মালিকানা, অংশীদারত্ব এবং কোম্পানিগুলো বাংলাদেশে এনজিএসও স্যাটেলাইট সিস্টেম এবং পরিষেবাগুলো নির্মাণ, মালিকানা, রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচালনার লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে পারবে।

এতে উল্লেখ করা হয়েছে, ১০০ শতাংশ এফডিআই বা বিদেশি অংশীদারত্ব বা যৌথ উদ্যোগ বা অনাবাসী বাংলাদেশি (এনআরবি) থেকে বিনিয়োগ এনজিএসও স্যাটেলাইট সিস্টেম এবং পরিষেবাগুলো নির্মাণ, মালিকানাধীন, রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচালনা করতে পারবে।
খসড়া নির্দেশিকা অনুযায়ী লাইসেন্সের মেয়াদ হবে পাঁচ বছর।

এতে আরো বলা হয়েছে, লাইসেন্সধারী নিম্নলিখিত এনজিএসও স্যাটেলাইট পরিষেবাগুলো প্রদানের জন্য অনুমোদন পাবে : ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট পরিষেবা, ইন্ট্রানেট পরিষেবা (দেশীয় ডেটা যোগাযোগ), ইন্টারনেট অফ থিংস ও মেশিন-টু-মেশিন সংযোগ, গতি পরিষেবায় আর্থ স্টেশন, আর্থ এক্সপ্লোরেশন স্যাটেলাইট পরিষেবা, রিমোট সেন্সিং ও আবহাওয়া সংক্রান্ত পরিষেবা এবং বিটিআরসি দ্বারা অনুমোদিত অন্য কোনো পরিষেবা।

তবে অপারেটররা সরাসরি-টু-হোম পরিষেবা, সম্প্রচার পরিষেবা, স্যাটেলাইট আইএমটি-ভিত্তিক পরিষেবা বা টেলিযোগাযোগ পরিষেবা প্রদানের জন্য অনুমোদিত নয়।

আবেদন বা প্রসেসিং ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ লাখ টাকা, যার মধ্যে অধিগ্রহণ ফি ১০ হাজার ডলার এবং বার্ষিক ফি ৫০ হাজার ডলার।

লাইসেন্সধারীকে তার বার্ষিক নিরীক্ষিত মোট রাজস্বের ৫ দশমিক ৫ শতাংশ বিটিআরসিকে দিতে হবে। গ্রস রাজস্বের আরো ১ শতাংশ বাধ্যতামূলক হিসেবে ‘মহাকাশ শিল্পের উন্নয়ন এবং ব্যবস্থাপনায় অবদান’-এর অংশ হিসাবে জমা দিতে হবে।

লাইসেন্সধারীকে অবশ্যই সেবা শুরু করার আগে বাংলাদেশের মধ্যে অন্তত একটি গেটওয়ে সিস্টেম স্থাপন করতে হবে। তবে বিটিআরসি লাইসেন্সধারীদের অতিরিক্ত গেটওয়ে স্থাপনে উৎসাহিত করছে।

বাংলাদেশের ভৌগোলিক সীমানার মধ্যে স্থাপন করা যেকোনো ব্যবহারকারীর টার্মিনাল অবশ্যই এই স্থানীয় গেটওয়ের মাধ্যমে এবং পরিবেশিত হতে হবে। খসড়া অনুযায়ী বাংলাদেশের অভ্যন্তরে পরিষেবার জন্য এই টার্মিনালগুলো থেকে সমস্ত ট্রাফিক অবশ্যই এই স্থানীয় গেটওয়ের মাধ্যমে হতে হবে।

এনজিএসও গেটওয়ে আন্তর্জাতিক ইন্টারনেট ডেটা ট্রাফিক পরিচালনার জন্য আন্তর্জাতিক ইন্টারনেট গেটওয়ের সাথে সংযুক্ত হবে।

রবি আজিয়াটার চিফ কর্পোরেট এবং নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা শাহেদ আলম এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘ডেটা পরিষেবায় বিপ্লব ঘটানোর সম্ভাবনার স্বীকৃতি হিসেবে আমরা দেশে স্যাটেলাইট ইন্টারনেট চালু করার উদ্যোগকে স্বাগত জানাই।’

এই অগ্রগতি ব্যাকহোলিং, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা এবং গ্রাহক ডেটা ব্যবহারের মতো ক্ষেত্রে নতুন সুযোগের পথ প্রশস্ত করতে পারে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

বাংলালিংকের চিফ কর্পোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স অফিসার তৈমুর রহমান বলেন, ‘আমরা মনে করি এই নতুন পরিষেবা চালু করার আগে জনসাধারণের পরামর্শ নেওয়ার নিয়ন্ত্রকের উদ্যোগটি প্রশংসনীয়। আমরা এ উদ্যোগের প্রশংসা করি।’

তিনি আরো বলেন, ‘জনসাধারণের পরামর্শ নেয়ার এ প্রক্রিয়াটি এর ভবিষ্যত দিকনির্দেশনা তৈরিতে সহায়ক হবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।’

গ্রামীণফোনের হেড অব কমিউনিকেশন্স শরফুদ্দিন আহমেদ চৌধুরী বলেন, ‘মানুষের জীবন, সমাজ, অর্থনীতি এবং সামগ্রিকভাবে দেশে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে সক্ষম যেকোনো নতুন প্রযুক্তিকে স্বাগত জানায় গ্রামীণফোন।’

তিনি আরো বলেন, ‘যেকোনো নতুন লাইসেন্স দেয়ার ক্ষেত্রে বৈষম্যহীন আচরণ নিশ্চিত করা উচিৎ। যার মাধ্যমে বর্তমানে বাজারে থাকাসহ নতুন বাজারে আসা সবার মধ্যে প্রতিযোগিতার থাকে।’

গ্রাহকদের ইন্টারনেট সেবা প্রদানে নিয়োজিত সংস্থাগুলোর প্ল্যাটফর্ম ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশও (আইএসপিএবি) যেকোনো নতুন প্রযুক্তিকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত। তার আগে এটিতে যাওয়ার আগে প্রথমে এই প্রযুক্তির প্রয়োজনীয়তা চিহ্নিত করার ওপর জোর দিয়েছে তারা।

আইএসপিএবি সভাপতি মো: এমদাদুল হক বলেন, দেশ ও শিল্পের জন্য উপযুক্ত হলে তারা সবসময় নতুন প্রযুক্তিকে স্বাগত জানায়। তিনি বলেন, ‘নতুন প্রযুক্তিকে স্বাগত জানাতে আমাদের কোনো আপত্তি নেই, তবে প্রযুক্তিটি দেশ ও জনগণের জন্য উপযোগী কি না তা আগে বিবেচনা করা উচিৎ।’

সূত্র : বাসস

প্রথম দিন শেষে স্বস্তিতে বাংলাদেশ

এন্টিগা টেস্টের প্রথম দিনটা পুরোপুরি নিজের করতে না পারলেও, খুব একটা মন্দ যায়নি বাংলাদেশের। বিশেষ করে শেষ বিকেলে মিকাইল লুইস ও আথানেজ ফেরায় স্বস্তি ফিরেছে টাইগার শিবিরে। দিন শেষ হবার আগে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সংগ্রহ ৫ উইকেট হারিয়ে ২৫০ রান।

দুই ম্যাচ সিরিজের প্রথম টেস্টে অ্যান্টিগায় শুক্রবার মুখোমুখি হয়েছে বাংলাদেশ-ওয়েস্ট ইন্ডিজ। সাদা পোষাকে নেতৃত্বের অভিষেকেই টস জিতেন মেহেদী মিরাজ। টাইগার দলপতি নেন ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত।

শুরু থেকেই টাইগার বোলারদের দেখেশুনে খেলেন স্বাগতিক ব্যাটাররা। প্রথম ১৩ ওভার পর্যন্ত লাল সবুজদের কোনো সুযোগই দেয়নি তারা। শেষমেশ ১৪তম ওভারে এসে প্রথম উপলক্ষ পায় বাংলাদেশ, উইকেট এনে দেন তাসকিন।

এলবিডব্লুর ফাঁদে ফেলে ফেরান ক্রেইগ ব্রাথওয়েটকে। ৩৮ বলে ৪ রানে ফেরেন তিনি, রিভিউ নিয়েও বাঁচতে পারেননি। আর কোনো রান যোগ হবার আগেই ফের আঘাত আনেন তাসকিন।

১৬তম ওভারে এসে ফেরান ক্যাসি কার্থিকে। ৮ বল খেলেও রানের খাতা খুলতে পারেননি ক্যাসি। ২৫ রানেই জোড়া উইকেট হারিয়ে বড় ধাক্কা খায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ৫১ রানে ২ উইকেট নিয়ে মধ্যাহ্নভোজে যায় তারা।

মিকায়েল লুইস ও হজের জুটি বেশ জমে উঠে। ধীরে সুস্থে দেখেশুনে খেলছিলেন দু’জনে। ফিফটি তুলে নেন লুইস। যখন মনে হচ্ছিলো হয়তো বিপদ হয়ে উঠতে পারে এই জুটি, তখনই ফেরেন রান আউট হয়ে ফেরেন হজ (২৫)। ভাঙে ৫৯ রানের জুটি।

হজ আউট হলে অ্যালিক আথানেজকে সাথে নিয়ে এগোতে থাকেন লুইস। চা বিরতিতে যাওয়ার আগে স্বাগতিকদের স্কোরবোর্ডে তখন ৩ উইকেটে ১১৬ রান।

চা বিরতির পর চাপ সামলে ঘুরে দাঁড়ায় স্বাগতিকেরা।
দ্রুত রান তুলতে থাকে লুইস ও আথানেজ জুটি। বড় হতে থাকে দু’জনের ইনিংস। দু’জনেই জাগান শতকের সম্ভাবনা, যদিও আক্ষেপ নিয়েই ফিরতে হয়েছে তাদের।

সেঞ্চুরি থেকে যখন মাত্র ৩ রান দূরে থাকতে থামেন লুইস। মিরাজের শিকার হয়ে ২১৮ বলে ৯৭ রানে আউট হোন তিনি। ১৪০ রানের জুটি ভেঙে চতুর্থ উইকেটের দেখা পায় বাংলাদেশ।

এরপর উইকেটে বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি আথানেজও। তিনিও আউট হয়েছেন তাইজুলের বলে উইকেটের পেছনে লিটনকে ক্যাচ দিয়ে। আউট হওয়ার আগে ১৩০ বলে ৯০ রান। ২২৮ রানে ৫ উইকেট হারায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

এরপর ডি সিলভাকে সাথে নিয়ে দিনের বাকিটা সময় পার করেন জাস্টিন গ্রিভস। দিন শেষে ডি সিলভা অপরাজিত আছেন ১৪ রানে। অপর প্রান্তে গ্রিভস অপরাজিত আছেন ১১ রান নিয়ে।

প্রথম দিন শেষে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সংগ্রহ ৫ উইকেটে ২৫০ রান। বাংলাদেশের হয়ে তাসকিন আহমেদ নিয়েছেন ২ উইকেট। তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী মিরাজ নিয়েছেন ১টি করে উইকেট।

বাংলাদেশের হয়ে হামজার খেলা নিয়ে শঙ্কা

সহসাই বাংলাদেশের জার্সি গায়ে তোলা হচ্ছে না হামজা চৌধুরীর। ফিফার নিয়মের গ্যাঁড়াকলে তার স্বপ্ন শঙ্কার মুখে। অবস্থা যেদিকে গড়াচ্ছে, হামজার লাল-সবুজের জার্সি গায়ে চাপানোর স্বপ্ন স্বপ্নই থেকে যেতে পারে।

বাংলাদেশের পাসপোর্ট মিলেছে অনেক আগেই। ছাড়পত্র মেলেছে ইংলিশ ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন এবং ক্লাব লিস্টার সিটি থেকেও। এরপর ফিফার প্লেয়ার্স স্ট্যাটাস কমিটির ছাড়পত্র মিললেই শেষ হতো সব আনুষ্ঠানিকতা।

তবে হামজা আটকে গেছেন সেখানেই। দীর্ঘ সময় ধরে হামজা-সংক্রান্ত কাগজপত্র ফিফার সাথে আদান-প্রদান করছে বাফুফে। কিন্তু এখনো বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা থেকে মেলেনি কোনো সবুজ সঙ্কেত।

উল্টো লাল-সবুজের জার্সিতে তার খেলার বিষয়ে দেখা দিয়েছে জটিলতা। মূলত ইংল্যান্ড অনূর্ধ্ব-২১ দলের হয়ে খেলার কারণেই ফিফার প্লেয়ার্স স্ট্যাটাস কমিটিতে আটকে আছে হামজার ফাইল।

২০১৮ ও ২০১৯ সালে হামজা সাতটি ম্যাচ খেলেছেন ইংল্যান্ড অনূর্ধ্ব-২১ দলের হয়ে। সেই সময় তার বয়স ছিল ২১ বছরের কিছু বেশি। বয়স ২১ বছরের নিচে থাকলে অবশ্য এই সমস্যা হতো না। এখন ওই জায়গাতেই আপত্তি ফিফার প্লেয়ার্স স্ট্যাটাস কমিটির।

বাফুফে অবশ্য এখনো হাল ছাড়েনি। আরেকটি চিঠিতে ফিফাকে ব্যাখ্যা দিয়েছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন।

বাফুফে সাধারণ সম্পাদক ইমরান হোসেন তুষার বলেন, ‘হামজার বিষয়ে কিছু কাগজপত্র ফিফাতে পাঠিয়েছি।’

‘ইংল্যান্ড অনূর্ধ্ব-২১ দলের হয়ে খেলাতেই জটিলতা দেখা দিয়েছে। এর বাইরে তার নানির বিষয়ে জানতে চেয়েছে ফিফা। আমরা এই সংক্রান্ত ডকুমেন্টসগুলো পাঠিয়েছি। এখন তাদের কাছ থেকে ইতিবাচক সাড়া পাওয়ার অপেক্ষায় আছি।’

এর আগেও বাংলাদেশের হয়ে খেলেছেন অনেক প্রবাসী ফুটবলার। তবে তাদের দলে ভেড়াতে এত লড়াই করতে হয়নি বাফুফেকে। তবে হামজার মানের ফুটবলারকে পেতে একটু বেশিই খাটতে হচ্ছে। তবে হামজাকে পেলেই খুশি ম্যানেজমেন্ট ।

এই নিয়ে তুষার বলেন, ‘হামজার মতো একজন বড় মাপের ফুটবলার যদি বাংলাদেশের হয়ে খেলতে পারে, সেটা তো অনেক বড় বিষয়। তাকে দেখে অন্য দেশে থাকা প্রবাসী বাংলাদেশীরাও আগ্রহী হবে। এমনটা তো আমাদের ফুটবলের জন্য অবশ্যই ইতিবাচক।

বাফুফে সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘আমরা আশা করি, খুব শিগগির হামজার ব্যাপারে চূড়ান্ত সুরাহা ফিফা থেকে পাব।’

গোল করেও দলকে জেতাতে পারলেন না রোনালদো

গোল করেও দলকে জেতাতে পারেননি ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। তার গোলের পরও হেরেছে আল নাসের। সৌদি প্রো লিগের শিরোপার দৌড় থেকে ক্রমেই ছিটকে পড়ছে তারা।

লিগে এবার আল নাসের হেরেছে আল কাদিসিয়াহর কাছে। শুক্রবার আল-আউয়াল পার্কে ২-১ গোলে হেরেছে তারা। রোনালদোর গোলে এগিয়ে গেলেও কুইনোনেস ও আবামেয়াংয়ের গোলে জয় পায় কাদিসিয়াহ।

এদিন অবশ্য ম্যাচজুড়ে আল নাসর আধিপত্য দেখিয়েছে। বলের দখল থেকে শুরু করে আক্রমণ- সব কিছুতেই এগিয়ে ছিল তারা। ২০টি শট নিয়ে সাতটি লক্ষ্যে রাখতে পেরেছে রোনালদোরা। যেখানে মাত্র ১০ বার শট নিয়েছে কাদিসিয়াহ।

আল নাসের প্রথম সুযোগ পায় ১৫ মিনিটে। অ্যাঞ্জেলোর শট অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। আর ২২ মিনিটে হতাশ হতে হয় সাদিও মানেকে। তার শট ঠেকিয়ে দেন কাদিসিয়াহর গোলরক্ষক। ফিরতি শটেও সুবিধা করতে পারেননি আল ঘারিব।

তবে ৩২ মিনিটে রোনালদো আর ব্যর্থ হননি। আল কাদিসিয়াহর গোলরক্ষকের হাত ফসকে যাওয়া বল জালে পাঠান পর্তুগিজ মহাতারকা। এবারের লিগে এটি তার সপ্তম গোল। সব মিলিয়ে এই মৌসুমে ১৬ ম্যাচে ১১ গোল করেছেন তিনি।

তবে ৫ মিনিট পরেই সমতায় ফেরে আল কাদিসিয়াহ। কুইনোনেসের শট এক ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে জালে জড়ায়। ১-১ গোলের সমতা নিয়ে দু’দল বিরতিতে যায়।

৫০ মিনিটে আবামেয়াংয়ের গোলে এগিয়ে যায় কাদিসিয়াহ। হেডে বল জালে পাঠান তিনি। ২-১ গোলের লিড পায় স্বাগতিকেরা। যেই লিড আর ভাঙতে পারেনি নাসের। বেশ কয়েকটি বড় আক্রমণ চালালেও ফল আসেনি।

এই হারে ১১ ম্যাচে ২২ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানেই থাকল আল নাসর। এক ম্যাচ করে কম খেলে ২৮ ও ২৭ পয়েন্ট নিয়ে এক ও দু’য়ে নেইমারের আল হিলাল ও করিম বেনজেমার আল ইত্তিহাদ।