Home Blog Page 500

বিচারের আগে আ.লীগকে নির্বাচনে অংশ নিতে দেব না: সারজিস আলম

আওয়ামী লীগকে কোনো নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক ও জুলাই শহিদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক সারজিস আলম। নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘গণহত্যার বিচারের পূর্বে আওয়ামী লীগকে কোনো নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে দেব না। প্রয়োজনে দ্বিতীয় অভ্যুত্থান হবে।’ মঙ্গলবার দুপুরে তিনি এই পোস্ট দেন।
এর কয়েক ঘণ্টা আগে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহŸায়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ আওয়ামী লীগকে নিয়ে ফেসবুকে একটি পোস্ট দেন। সেখানে তিনি লেখেন, ‘ছেলেদের রক্তের ওপর পা রেখে দিল্লিকে কিবলা বানিয়ে ক্ষমতার মসনদে যাওয়ার আকাক্সক্ষা জনগণের মুক্তির নিয়তের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা। আওয়ামী পুনর্বাসনের জন্য যারা উদ্যোগ নেবে, ইতিহাস তাদের গণশত্রু হিসাবে চিহ্নিত করবে।’
পোস্টে হাসনাত আব্দুল্লাহ আরও লিখেছেন, ‘জুলাই অভ্যুত্থানের স্পিরিটকে যারা ধারণ করে, যারা গণমানুষের আশা-আকাক্সক্ষার প্রতিফলন ঘটাতে চায়, তারা ২৪-পরবর্তী বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের বিচার নিশ্চিত করার দাবি ছাড়া আওয়ামী লীগ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আর কোনো দ্বিতীয় বক্তব্য দিতে পারে না।’
এর আগে সোমবার অন্তর্বর্তী সরকারের যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া এক আলোচনা সভায় বলেন, ‘আমরা সরকারের পক্ষ থেকে যখন আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধের কথা বলি, তখন রাজনৈতিক দলগুলো তাদের বক্তৃতায় সেটি বাধা দেওয়ার চেষ্টা করছে। ১৯৪৫ সালে জার্মানির ফ্যাসিস্ট নাৎসি পার্টিকে যদি নিষিদ্ধ করা হয় এবং এখনো তারা নিষিদ্ধ রয়েছে, সেখান থেকেই বোঝা উচিত আওয়ামী লীগের পরিণতি কী হওয়া উচিত।’ সোমবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তমঞ্চে অনুষ্ঠিত ‘নবীন চোখে গণ-অভ্যুত্থান ও আগামীর বাংলাদেশ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

জীবনের তাল কেটে গেল এআর রহমানের

ভারতবাসীকে থমকে দিয়েছে এআর রহমান। জীবনের তাল কেটে গেল এ অস্কারজয়ী সংগীতশিল্পীর। জীবন-সংসারের গতি থমকে দাঁড়িয়েছে তাদের জীবনে। ইতোমধ্যে এ দম্পতির বিচ্ছেদের খবর জেনে গেছেন ভক্ত-অনুরাগীরাও। কী কারণে বিচ্ছেদের পথে হাঁটছেন এ দম্পতি, জানালেন রহমানপতœীর আইনজীবী।
আনন্দবাজার প্রতিবেদন সূত্রে জানা গেছে, বিচ্ছেদের পথে এআর রহমান। এই খবর জানিয়েছেন তার স্ত্রী সায়রা বানুর আইনজীবী বন্দনা শাহ। মঙ্গলবার রাতে এক বিবৃতিতে জানান, তিক্ত সম্পর্কের জেরেই এ সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছেন তার মক্কেল। উভয়ের সম্মতিতেই এ পদক্ষেপ। এআর রহমানের বিচ্ছেদের খবর হাওয়ার বেগে ছড়াতেই বাকরুদ্ধ গোটা দেশ।
কেন এই বিচ্ছেদ? সায়রা বানুর আইনজীবী বন্দনা শাহ জানিয়েছেন, দীর্ঘ তিক্ততা এই বিচ্ছেদের নেপথ্য কারণ। উভয় পক্ষই আপ্রাণ চেষ্টা করেছিলেন মিটিয়ে নিতে। কিন্তু তা আর সম্ভব নয়। ফলে দীর্ঘ দাম্পত্যের পর এই সিদ্ধান্ত নিতে যথেষ্ট কষ্ট হয়েছে তার। কিন্তু সায়রা অপারগ।
এই জায়গা থেকেই আইনজীবীর অনুরোধ— এ মুহূর্তে বিষয়টি নিয়ে কেউ যেন সায়রাকে বিব্রত না করেন। তিনি মানসিক বিপর্যয়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন। কারণ দীর্ঘ দাম্পত্যে ইতি টানা সহজ কথা নয়।

বিচ্ছেদ গুঞ্জনের মধ্যে মেয়েকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাননি অভিষেক

বলিউডের জনপ্রিয় তারকা জুটি অভিষেক বচ্চন ও ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন। তবে কিছুদিন ধরে এই তারকা জুটির বিচ্ছেদের গুঞ্জন চলছে।
বলিউড গুঞ্জন বলছে, বিচ্ছেদের বিষয় নিয়ে ইতিমধ্যেই নাকি আইনজীবীর সঙ্গে সাক্ষাতও করেছেন ঐশ্বরিয়া-অভিষেকের। তবে গুঞ্জনে নানারকম কথা রটলেও, বিচ্ছেদের বিষয়ে একেবারে মুখে কুলুপ এঁটেছেন তারকা দম্পতি। উল্টো এসব প্রশ্ন সামনে এলে এড়িয়ে গেছেন দুজনেই!
ভারতের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের খবরে দাবি করা হয়েছে, অভিষেক বচ্চন এবার ১৩তম জন্মদিনেও আরাধ্যা বচ্চনকে অভিনন্দন জানাননি।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, চলতি মাসের ১৬ নভেম্বর আরাধ্যা বচ্চন ১৩ বছরে পা দিলেও এ উপলক্ষে ঐশ্বরিয়া ও অভিষেক দুজনেই সোশ্যাল মিডিয়ায় কোনো পোস্ট করেননি।
মেয়ের জন্মদিনে সোশ্যাল মিডিয়ায় কোনও পোস্ট শেয়ার না করলেও স¤প্রতি এক সাক্ষাৎকারে অভিষেক আরাধ্যার ছোটবেলার বইয়ের কথা উল্লেখ করতে ভুলেননি।
নিজের নতুন ছবি সম্পর্কে কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, আরাধ্যার শৈশবে তিনি আরাধ্যার একটি বই দেখেছিলেন যেখানে সাহসের কথা বলা হয়েছিল। এই বইটি তাকে তার সাহায্য ও সাহস অব্যাহত রাখতে উৎসাহিত করেছে।
অভিষেক বলেন, আরাধ্যা আমাকে কত বড় শিক্ষা দিয়েছে, সেটা ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব নয়।একবার আরাধ্যা যখন ছোট ছিল, একটি বই পড়ছিল। ওই বইয়ের একটি লাইন আমাকে এতটা স্পর্শ করেছিল যে সেটি আমার কাজের জন্যও খুবই সাহায্যকরী হয়েছিল। বইটির লাইন ছিল, সাহসী শব্দটি হল সাহায্য, কারণ যারা সাহায্য চায়, তারা চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করার সাহস রাখে এবং এগিয়ে যেতে চায়।
অভিষেক বলেন, এই লাইনটি আমাকে আমার চরিত্র অর্জুনের জন্য সাহায্য করেছিল, কারণ ছবিতে আমি এমন একজন চরিত্রে অভিনয় করছি, যে বিশাল লড়াইয়ের মুখোমুখি হয়েও কখনো হাল ছাড়ে না।

‘বউ সাজা’ সেই অভিনেত্রী খুঁজছেন পাত্র

এফডিসিতে সম্প্রতি বউয়ের সাজে গিয়েছিলেন চিত্রনায়িকা ইয়ামিন হক ববি। বউয়ের সাজে আসায় তাকে নিয়ে বেশ আলোচনা হয়।
বিয়ের সাজের রহস্য জানাতে গিয়ে ববি বলেন, আমার বিয়ের কথা যদি বলেন, তবে ভালো পাত্র পেলেই বিয়ে করব। চারদিকে এত বিয়ে ভাঙছে, এসব দেখে ভয় পাই। তবে ভালো কাউকে পেলে বিয়ে করে ফেলব।
অভিনেত্রী আরও বলেন, সেদিন ‘বউ’ সিনেমার মহরত ছিল বলে এমন সাজে এফডিসি গিয়েছিলাম। অন্য কোনো কারণ নেই। অনেক দিন পর সিনেমার মহরতে গিয়ে খুবই আনন্দে সময় কেটেছে।
ববি আরও বলেন, এখনকার আধুনিক সময়েও আমরা দেখতে পাই বউ-শাশুড়ির ঝামেলা। বউকে মেয়ের মতো দেখার চর্চাটা আমাদের সমাজে এখনো খুব দেখা যায় না। মেয়ে না হোক, অন্তত বউয়ের মর্যাদা যদি দেওয়া যায় তাহলেও এ সমস্যা দূর করা সম্ভব। এমন কিছু বিষয় এ সিনেমার গল্পে দেখা যাবে।
তিনি আরও বলেন, আমি বাস্তব জীবনে চাই আমার যেখানে বিয়ে হবে সেই পরিবারের সবাইকে আপন করে নেব। ভালোবাসা আর সম্মান ছাড়া আমার কোনো চাওয়া পাওয়া নেই।
ববি বলেন, ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর থেকে দেশের চলচ্চিত্রাঙ্গন স্থবির হয়ে আছে। সিনেমার কাজও খুব বেশি হচ্ছে না। দেশের প্রায় সব বিনোদনের জায়গাতে একই অবস্থা। আশা করছি এই অস্থির সময় শেষে সব আবার ঘুরে দাঁড়াবে। আমি পজিটিভ মানুষ সবসময় সম্ভাবনা দেখি। আমি আশাবাদী।
ডিসেম্বরে ‘বউ’ সিনেমার শুটিং হবে। আগামী বছরের মাঝামাঝি সময়ে সিনেমাটি মুক্তি পেতে পারে।

বলিউড নিয়ে সিরিজ নির্মাণের ঘোষণা শাহরুখ-পুত্র আরিয়ানের

তার নায়ক হওয়া নিয়ে অনেক জল্পনা-কল্পনা ছিল। বোন সুহানা খান এরই মধ্যে অভিনয়ে পা রেখেছেন। কবে তার বড়পর্দায় অভিষেক হয়, তা নিয়ে কৌতূহলের পারদ চড়ছিল। তবে শাহরুখ-পুত্র আরিয়ান খান সে পথে হাঁটলেন না। ক্যামেরার সামনে নয়, বরং পর্দার আড়ালে কাজের মধ্য দিয়ে বলিউডে অভিষেক হচ্ছে তার।
মঙ্গলবার (১৯ নভেম্বর) সামাজিক মাধ্যমে নেটফ্লিক্স ইন্ডিয়া এক পোস্টের মাধ্যমে জানিয়েছে, আরিয়ান খানের পরিচালনায় বলিউডের রঙিন দুনিয়া অন্যভাবে ধরা দেবে এই ওটিটি প্ল্যাটফর্মে।
সিরিজটি যৌথভাবে প্রযোজনা করছে নেটফ্লিক্স এবং শাহরুখ খানের রেড চিলিজ এন্টারটেইনমেন্ট।
সিরিজের প্রেক্ষাপট, কীভাবে একজন আউটসাইডার বলিউডের চাকচিক্যে ভরা দুনিয়ায় নিজের জায়গা করে নেয়। এতে বেশ কয়েকজন বড় তারকার ক্যামিও দেখা যেতে পারে বলে জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম নিউজ১৮।
ছেলের নতুন সিরিজের ঘোষণা দিয়ে শাহরুখ খান সামাজিক মাধ্যম এক্স-এ লিখেছেন, ‘আপনাদের জন্য নতুন একটি সিরিজ নিয়ে আসতে পেরে আমরা উচ্ছ¡সিত। এই সিরিজে সিনেমার দুনিয়াকে একেবারেই ভিন্ন আঙ্গিকে দেখা যাবে। আর একজন আউটসাইডার হিসেবে সফল হতে কি করতে হয়, সেটাও এতে উঠে আসবে।
এর আগে নেটফ্লিক্সের সিরিজ ‘আর্চিস’ দিয়ে অভিনয়ে হাতেখড়ি হয় শাহরুখ-কন্যা সুহানার

যুক্তরাষ্ট্র সামরিক তহবিল কমালে পরাজয়ের আশঙ্কা জেলেনস্কির

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি ফক্স নিউজকে বলেছেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কিয়েভকে সামরিক তহবিল কমিয়ে দিলে ইউক্রেন রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধে হেরে যাবে।
বুধবার (২০ নভেম্বর) এক প্রতিবেদনে এ খবর দিয়েছে টাইমস অব ইসরাইল।
সাক্ষাৎকারে জেলেনস্কি বলেন, ‘যদি তারা কমিয়ে দেয়, আমাদের শক্তি কমে যাবে – আমি মনে করি আমরা হারব’।
‘আমরা লড়াই করব। আমাদের উৎপাদন আছে, কিন্তু তা রাশিয়ার বিরুদ্ধে জয়ের জন্য যথেষ্ট নয়। আমি মনে করি এটি নিরাপদ থাকার জন্য যথেষ্ট নয়’।
২০২২ সালে ইউক্রেনের অভ্যন্তরে রাশিয়ান আগ্রাসন শুরু হওয়ার পর থেকে কিয়েভকে জো বাইডেনের প্রশাসন বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার সহায়তা দিয়ে আসছে। এসব সহায়তার বিরুদ্ধে বারবার আওয়াজ তুলেছেন নব নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
ট্রাম্প বারবার যুদ্ধ দ্রæত শেষ করার প্রতিশ্রæতি দিয়েছেন, তবে কীভাবে তিনি তা করবেন তার বিশদ বিবরণ দেননি।
এই সপ্তাহে ট্রাম্পের মিত্ররা রাশিয়ার অভ্যন্তরে হামলার জন্য ইউক্রেনকে মার্কিন সরবরাহকৃত দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করতে দেওয়ার বাইডেনের সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করেছে, এই সিদ্ধান্তকে বিপজ্জনক পরিস্থিতি বৃদ্ধির জন্য অভিযুক্ত করা হয়েছে।
জেলেনস্কি ফক্সকে বলেছেন, ইউক্রেন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ‘ঐক্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ’।
তিনি আরো বলেন, ‘ট্রাম্প যুদ্ধ শেষ করতে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে প্রভাবিত করতে পারেন, কারণ তিনি পুতিনের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী। আর পুতিন ইচ্ছুক হয়ে এই যুদ্ধের অবসান ঘটাতে পারেন, তবে এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উপর অনেক বেশি নির্ভর করে। পুতিন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে দুর্বল’।

মুসলিম ও বাংলাদেশিদের হেয় করে বিজেপির নির্বাচনি প্রচারণা

ভারতের ঝাড়খণ্ড রাজ্যের নির্বাচনকে ঘিরে বার বার উচ্চারিত হচ্ছে বাংলাদেশিদের নাম। দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহসহ বিজেপির সব নেতা বলে আসছেন, ঝাড়খণ্ডে অনেক অনুপ্রবেশকারী মুসলিম বাংলাদেশি আছেন। যারা অবৈধভাবে সেখানে থাকছেন। পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর সব সুযোগ সুবিধা ভোগ করছেন।
ঝাড়খণ্ডের এই নির্বাচনে কথিত অবৈধ অনুপ্রবেশকারী বাংলাদেশিদের নিয়ে সর্বোচ্চ নির্লজ্জতা দেখিয়েছে বিজেপি। তারা নির্বাচনি প্রচারণার অংশ হিসেবে একটি ভিডিও তৈরি করেছে।
এতে দেখা যাচ্ছে, ঝারখণ্ডের একটি সাজানো গোছানো বাড়িতে বসে খাবার খাচ্ছেন ঘরটির বাসিন্দারা। ওই সময় দরজায় কলিং বেল বেজে ওঠে। তখন বাড়ির এক লোক দরজা খোলার পর দেখতে পান মাথায় টুপি দেওয়া প্রাপ্ত বয়স্ক অনেক মানুষ, কিছু নারী ও অসংখ্য শিশু দাঁড়িয়ে আছে। তারা ওই বাড়িতে ঢুকে পড়ছে এবং বাড়িটি নোংরা করছে। ওই সময় বাড়ির ভেতর অনুপ্রবেশকারীদের শরীর থেকে দুর্গন্ধ বের হচ্ছে এমন দৃশ্যও দেখানো হয়।
এরমাধ্যমে মূলত বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের বোঝানো হয়েছে। যাদের নোংরা হিসেবে বোঝানো হয়েছে। যারা বাংলাদেশ থেকে ঝাড়খণ্ডে গিয়ে সেখানকার পরিবেশ নষ্ট করছে।
ভিডিওটির শেষ দিকে দুই ব্যক্তিকে ওই বাড়ির লোককে বলতে শোনা যায়, আপনারা যে সরকারকে ভোট দিয়ে ক্ষমতায় এনেছেন তারাই এই অনুপ্রবেশকারীদের এনেছে। তাহলে কেন শুধুমাত্র তাদের বস্তিগুলো নোংরা থাকবে। পরিস্কার পরিচ্ছন্ন বাড়িগুলোও নোংরা হওয়া দরকার। ভিডিওর শেষে এসব দূরীকরণে বিজেপিকে ভোট দেওয়ার কথা বলা হয়।
সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই ভিডিওর মাধ্যমে মূলত মুসলিম এবং বাংলাদেশিদের হেয় করা হয়েছে। ভিডিওটি অত্যন্ত কূরুচিপূর্ণ হওয়ায় ভারতের নির্বাচন কমিশন এটি বিজেপির প্রচারণা থেকে বাদ দেওয়ারও নির্দেশ দিয়েছে।

ইলন মাস্কের স্টারশিপ রকেট উৎক্ষেপণ দেখতে হাজির ট্রাম্প

মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সময় থেকে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ইলন মাস্কের সম্পর্ক অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ হয়েছে। সেই সম্পর্ক কতটা গভীর তা এবার আরও স্পষ্ট হয়েছে। মাস্কের মহাকাশ সংস্থা স্পেস এক্সের পরবর্তী প্রজন্মের রকেট স্টারশিপের পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ দেখতে সশরীরে হাজির হয়েছেন ট্রাম্প।
মার্কিন প্রযুক্তি উদ্যোক্তা ও ধনকুবের ইলন মাস্কের এ মহাকাশ সংস্থাটির টেক্সাসের ব্রাউনসভিলের বোকা চিকা লঞ্চপ্যাড থেকে এ রকেট উৎক্ষেপণ করা হয়। যা নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে পর্যবেক্ষণ করেছেন ট্রাম্প। এ সময় নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্টের সঙ্গেই ছিলেন মাস্ক।
এই স্টারশিপ মহাকাশে যাওয়ার পর আবার পৃথিবীতে ফিরে আসবে। এ সময় এটিকে আবার যথাযথভাবে লঞ্চপ্যাডে ফিরিয়ে আনার কথা ছিল। এর আগে পঞ্চম দফার পরীক্ষার সময় প্রথমবার এ সাফল্য পেয়েছিল স্পেস এক্স। তবে পরে কারিগরি কারণে এ সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে স্পেস এক্স।
বার্তা সংস্থা এএফপি জানায়, স্পেস এক্স পরে স্টারশিপ বুস্টারটি ধরার পরিকল্পনা বাদ দেয়। এটি সমুদ্রে পড়তে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সেটি মেক্সিকো উপসাগরে পড়েছে। এবারের এই পরীক্ষামূলক রকেট উৎক্ষেপণটি মহাকাশে প্রায় এক ঘণ্টা থাকার পর পৃথিবীতে ফিরে আসবে। যা ভারত মহাসাগরে পড়বে।
স্পেস এক্স জানিয়েছে, রকেটে কোনো নভোচারী ছিল না। তবে একটি কলা এতে বেঁধে দেওয়া হয়েছে। এই স্টারশিপ নিয়ে বড় স্বপ্ন দেখছে মাস্ক ও তার সংস্থা। তাদের প্রত্যাশা এই রকেটে করে একদিন মঙ্গলগ্রহ ও চাঁদে নভোচারী পাঠানো যাবে।

সেনাবাহিনী দিয়ে অবৈধ অভিবাসী তাড়াবেন ট্রাম্প

সামরিক বাহিনী দিয়ে অবৈধ অভিবাসী তাড়ানোর পরিকল্পনা করেছেন নবনির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সীমান্ত নিরাপত্তা নিয়ে জাতীয় জরুরি পরিস্থিতি জারি করার পাশাপাশি অবৈধ অভিবাসীদের তাড়াতে সামরিক বাহিনীকে ব্যবহার করার কথা জানিয়েছেন তিনি। সোমবার দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের বতর্মান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের আমলে মেক্সিকোর সীমান্ত পেরিয়ে রেকর্ডসংখ্যক অভিবাসী যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেছেন। এ নিয়ে অনেক আগে থেকে চটে ছিলেন ট্রাম্প। সীমান্ত পেরোনো ঠেকাতে নিজের প্রথম মেয়াদে মেক্সিকো সীমান্তে প্রাচীর নির্মাণের কাজও শুরু করেছিলেন। এবারের নির্বাচনে তার অন্যতম প্রধান প্রতিশ্রæতি ছিল যুক্তরাষ্ট্রকে অবৈধ অভিবাসীমুক্ত করা।
ট্রাম্পের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে রক্ষণশীল একজন অধিকারকর্মী লিখেছিলেন, অবৈধ অভিবাসীদের বিতাড়িত করার প্রকল্পে বাইডেন হস্তক্ষেপ করেছিলেন। তা আবার আগের অবস্থায় ফিরিয়ে নিতে জাতীয় জরুরি পরিস্থিতি জারি ও সামরিক সরঞ্জাম ব্যবহারের প্রস্তুতি নিয়েছেন ট্রাম্প। পরে ওই পোস্ট শেয়ার করে ট্রাম্প লিখেছেন, ‘সত্যি।’
সরকারি তথ্যানুযায়ী, বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ১ কোটি ১০ লাখ অবৈধ অভিবাসী বসবাস করছে। ট্রাম্পের পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে তা অন্তত ২ কোটি পরিবারের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
ট্রাম্প আগামী ২০ জানুয়ারি হোয়াইট হাউজে শপথ গ্রহণ করবেন। তার আগেই নতুন প্রশাসন সাজানোর কাজে মনোযোগ দিয়েছেন তিনি। অভিবাসন বিষয়ে কট্টরপন্থি টম হোম্যানকে সীমান্ত নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব দিয়েছেন। এছাড়া সোমবার ট্রাম্প তার পরিবহণমন্ত্রী হিসাবে উইসকনসিন অঙ্গরাজ্যের সাবেক প্রতিনিধি ও ফক্স বিজনেস নিউজের সঞ্চালক শন ডাফিকে মনোনীত করেছেন।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পরিবহণমন্ত্রী হিসাবে শন ডাফি যুক্তরাষ্ট্রের উড়োজাহাজ, গাড়ি, রেল, ট্রানজিট ও অন্যান্য পরিবহণ সংক্রান্ত বিষয় দেখভালের দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়া ট্রাম্প সরকারের সব বড় অবকাঠামো নির্মাণ, হালনাগাদকরণ ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে থাকবেন ডাফি।
ট্রাম্পের ঘোষণার পর মার্কিন জনগণের উদ্দেশে শন ডাফি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক পোস্টে লেখেন, ‘আপনাদেরকে আমি পরিবহণ খাতের সোনালি যুগে নিয়ে যেতে খুবই আগ্রহী।’ তবে বিশ্লেষকদের মতে, ডাফির সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে, সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুর উচ্চহার কমিয়ে ফেলা।

‘ইন্ডিয়া’ না ‘এনডিএ’? মহারাষ্ট্র ও ঝাড়খণ্ডের মসনদে কে বসবে, চূড়ান্ত হবে বুধে, চলছে ভোটগ্রহণ

বুধবার মহারাষ্ট্রের ২৮৮ আসনে ভোটগ্রহণ হচ্ছে। একই সঙ্গে দ্বিতীয় তথা শেষ দফার ভোট চলছে ঝাড়খণ্ডের ৮১টির মধ্যে ৩৮টি বিধানসভা আসনেও। আগামী শনিবার ভোটগণনা।
ভোটগ্রহণ শুরু দেশের দুই রাজ্যে। মহারাষ্ট্র এবং ঝাড়খণ্ডে। এক দফাতেই ভোট হবে মরাঠাভূমে। অন্য দিকে, ঝাড়খণ্ডে শেষ দফার নির্বাচন। এনডিএ না কি বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’, দুই রাজ্যের মসনদে কে বসবে, তা ঠিক হবে বুধেই। আগামী শনিবার ভোটগণনা। এই দুই রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনে কী হতে চলেছে, সে দিকেই তাকিয়ে গোটা দেশ।
বুধবার মহারাষ্ট্রের ২৮৮ আসনে ভোটগ্রহণ হচ্ছে। একই সঙ্গে দ্বিতীয় তথা শেষ দফার ভোট চলছে ঝাড়খণ্ডের ৮১টির মধ্যে ৩৮টি বিধানসভা আসনেও। গত ১৩ নভেম্বর বাংলার পড়শি রাজ্যের ৪৩ আসনে ভোটগ্রহণ হয়েছে। এ বার মহারাষ্ট্রের ৪১৩৬ জন প্রার্থীর জয়-পরাজয় নির্ধারণ করবেন ন’কোটি ৭০ লক্ষের বেশি মানুষ। মরাঠাভূমে মূল লড়াই বিজেপি-শিবসেনা (একনাথ শিন্ডে)-এনসিপি (অজিত)-এর জোট ‘মহাজুটি’এবং কংগ্রেস-শিবসেনা (ইউবিটি)-এনসিপি (শরদ)-এর ‘মহাবিকাশ আঘাড়ী’র মধ্যে। এ ছাড়াও বেশ কয়েকটি আঞ্চলিক দলও লড়াইয়ে রয়েছে। অনেকের মতে, এ বারের নির্বাচনে দুই শিবিরের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে। তাই মহারাষ্ট্রের ভোটে এই সব আঞ্চলিক দল বড় ‘ফ্যাক্টর’ হয়ে উঠতে পারে। অপর দিকে, ঝাড়খণ্ডেও ক্ষমতার দখলের লড়াইয়ে জোর টক্কর চলছে ‘ইন্ডিয়া’ এবং ‘এনডিএ’-র মধ্যে।
২০১৯-এর বিধানসভা ভোটে ঝাড়খণ্ডে প্রায় সাড়ে ৩৫ শতাংশ ভোট পেয়ে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠ হয়েছিল জেএমএম-কংগ্রেস-আরজেডির ‘মহাগঠবন্ধন’। এ বারও তিন দল একসঙ্গে লড়ছে। সঙ্গে পেয়েছে বাম দল সিপিআইএমএল (লিবারেশন)-কে। কিন্তু ২০১৯ সালের তুলনায় এ বারের চিত্রটা খানিক আলাদা। জমি কেলেঙ্কারি, দুর্নীতির পাশাপাশি ‘জমি জিহাদে’ মদত দেওয়ার অভিযোগে সরগরম ঝাড়খণ্ডের রাজনীতি। বিজেপি এবং তার শরিক দলের নেতারা বার বার প্রচারের গিয়ে সরকারের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে সরব হয়েছেন। নরেন্দ্র মোদী থেকে অমিত শাহ— প্রচারে গিয়ে ঝাঁজ বাড়িয়েছেন হেমন্ত সোরেনের সরকারের বিরুদ্ধে। তার মধ্যে চম্পই সোরেনের দল বদলও ধাক্কা দিতে পারে ‘মহাগঠবন্ধন’কে, এমনই মত অনেকের। সেই সঙ্গে অনুপ্রবেশ নিয়েও দুই শিবিরেও মধ্যে অভিযোগ, পাল্টা অভিযোগে পালা চলেছে।
মহারাষ্ট্রের ক্ষমতাসীন জোটের গুরুত্বপূর্ণ প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী তথা শিবসেনা প্রধান একনাথ শিন্ডে (কোপরি-পাচপাখাড়ি), দুই উপমুখ্যমন্ত্রী, এনসিপির অজিত পওয়ার (বারামতী) এবং বিজেপির দেবেন্দ্র ফডণবীস (নাগপুর দক্ষিণ-পশ্চিম)। বিরোধী জোটের উল্লেখযোগ্যদের মধ্যে শিবসেনা প্রধান উদ্ধব ঠাকরের পুত্র আদিত্য (ওরলি), প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি নানা পাটোলে (সাকোলি) এবং শরদ পওয়ারের নেতৃত্বাধীন এনসিপি(এসপি)-র পরিষদীয় দলনেতা জিতেন্দ্র আওয়াড় (মুমব্রা-কালওয়া)।
ঝাড়খণ্ডে দ্বিতীয় দফার ভোটে ৫০০ জনের বেশি প্রার্থীর ভাগ্যনির্ধারণ হবে বুধবার। সেই তালিকায় রয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন (বরহেট), তাঁর স্ত্রী কল্পনা (গাঁডেয়), ভাই বসন্ত (দুমকা)। বিজেপির টিকিটে লড়ছেন দলের রাজ্য সভাপতি বাবুলাল মরান্ডি (ধনওয়ার) এবং প্রাক্তন জেএমএম বিধায়ক তথা বর্তমানে বিজেপি নেত্রী হেমন্তের বৌদি সীতা (জামতাড়া)।
‘ইন্ডিয়া’ না ‘এনডিএ’? মহারাষ্ট্র ও ঝাড়খণ্ডের মসনদে কে বসবে, চূড়ান্ত হবে বুধে, চলছে ভোটগ্রহণ
বুধবার মহারাষ্ট্রের ২৮৮ আসনে ভোটগ্রহণ হচ্ছে। একই সঙ্গে দ্বিতীয় তথা শেষ দফার ভোট চলছে ঝাড়খণ্ডের ৮১টির মধ্যে ৩৮টি বিধানসভা আসনেও। আগামী শনিবার ভোটগণনা।
ভোটগ্রহণ শুরু দেশের দুই রাজ্যে। মহারাষ্ট্র এবং ঝাড়খণ্ডে। এক দফাতেই ভোট হবে মরাঠাভূমে। অন্য দিকে, ঝাড়খণ্ডে শেষ দফার নির্বাচন। এনডিএ না কি বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’, দুই রাজ্যের মসনদে কে বসবে, তা ঠিক হবে বুধেই। আগামী শনিবার ভোটগণনা। এই দুই রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনে কী হতে চলেছে, সে দিকেই তাকিয়ে গোটা দেশ।
বুধবার মহারাষ্ট্রের ২৮৮ আসনে ভোটগ্রহণ হচ্ছে। একই সঙ্গে দ্বিতীয় তথা শেষ দফার ভোট চলছে ঝাড়খণ্ডের ৮১টির মধ্যে ৩৮টি বিধানসভা আসনেও। গত ১৩ নভেম্বর বাংলার পড়শি রাজ্যের ৪৩ আসনে ভোটগ্রহণ হয়েছে। এ বার মহারাষ্ট্রের ৪১৩৬ জন প্রার্থীর জয়-পরাজয় নির্ধারণ করবেন ন’কোটি ৭০ লক্ষের বেশি মানুষ। মরাঠাভূমে মূল লড়াই বিজেপি-শিবসেনা (একনাথ শিন্ডে)-এনসিপি (অজিত)-এর জোট ‘মহাজুটি’এবং কংগ্রেস-শিবসেনা (ইউবিটি)-এনসিপি (শরদ)-এর ‘মহাবিকাশ আঘাড়ী’র মধ্যে। এ ছাড়াও বেশ কয়েকটি আঞ্চলিক দলও লড়াইয়ে রয়েছে। অনেকের মতে, এ বারের নির্বাচনে দুই শিবিরের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে। তাই মহারাষ্ট্রের ভোটে এই সব আঞ্চলিক দল বড় ‘ফ্যাক্টর’ হয়ে উঠতে পারে। অপর দিকে, ঝাড়খণ্ডেও ক্ষমতার দখলের লড়াইয়ে জোর টক্কর চলছে ‘ইন্ডিয়া’ এবং ‘এনডিএ’-র মধ্যে।
২০১৯-এর বিধানসভা ভোটে ঝাড়খণ্ডে প্রায় সাড়ে ৩৫ শতাংশ ভোট পেয়ে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠ হয়েছিল জেএমএম-কংগ্রেস-আরজেডির ‘মহাগঠবন্ধন’। এ বারও তিন দল একসঙ্গে লড়ছে। সঙ্গে পেয়েছে বাম দল সিপিআইএমএল (লিবারেশন)-কে। কিন্তু ২০১৯ সালের তুলনায় এ বারের চিত্রটা খানিক আলাদা। জমি কেলেঙ্কারি, দুর্নীতির পাশাপাশি ‘জমি জিহাদে’ মদত দেওয়ার অভিযোগে সরগরম ঝাড়খণ্ডের রাজনীতি। বিজেপি এবং তার শরিক দলের নেতারা বার বার প্রচারের গিয়ে সরকারের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে সরব হয়েছেন। নরেন্দ্র মোদী থেকে অমিত শাহ— প্রচারে গিয়ে ঝাঁজ বাড়িয়েছেন হেমন্ত সোরেনের সরকারের বিরুদ্ধে। তার মধ্যে চম্পই সোরেনের দল বদলও ধাক্কা দিতে পারে ‘মহাগঠবন্ধন’কে, এমনই মত অনেকের। সেই সঙ্গে অনুপ্রবেশ নিয়েও দুই শিবিরেও মধ্যে অভিযোগ, পাল্টা অভিযোগে পালা চলেছে।
মহারাষ্ট্রের ক্ষমতাসীন জোটের গুরুত্বপূর্ণ প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী তথা শিবসেনা প্রধান একনাথ শিন্ডে (কোপরি-পাচপাখাড়ি), দুই উপমুখ্যমন্ত্রী, এনসিপির অজিত পওয়ার (বারামতী) এবং বিজেপির দেবেন্দ্র ফডণবীস (নাগপুর দক্ষিণ-পশ্চিম)। বিরোধী জোটের উল্লেখযোগ্যদের মধ্যে শিবসেনা প্রধান উদ্ধব ঠাকরের পুত্র আদিত্য (ওরলি), প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি নানা পাটোলে (সাকোলি) এবং শরদ পওয়ারের নেতৃত্বাধীন এনসিপি(এসপি)-র পরিষদীয় দলনেতা জিতেন্দ্র আওয়াড় (মুমব্রা-কালওয়া)।
ঝাড়খণ্ডে দ্বিতীয় দফার ভোটে ৫০০ জনের বেশি প্রার্থীর ভাগ্যনির্ধারণ হবে বুধবার। সেই তালিকায় রয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন (বরহেট), তাঁর স্ত্রী কল্পনা (গাঁডেয়), ভাই বসন্ত (দুমকা)। বিজেপির টিকিটে লড়ছেন দলের রাজ্য সভাপতি বাবুলাল মরান্ডি (ধনওয়ার) এবং প্রাক্তন জেএমএম বিধায়ক তথা বর্তমানে বিজেপি নেত্রী হেমন্তের বৌদি সীতা (জামতাড়া)।