Home Blog Page 510

লগি-বৈঠার তাণ্ডব স্মরণ করে আজো আঁতকে ওঠে মানুষ

রক্তঝরা ২৮ অক্টোবর আজ। ২০০৬ সালের এই দিনে রাজনৈতিক সহিংসতায় নিহত হন ১৩ জন। এর মধ্যে রাজধানীতেই জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের ৬ জন এবং ছাত্রমৈত্রীর এক কর্মী প্রাণ হারান। লগি-বৈঠার নির্মম প্রহার, গুলি আর ইটপাটকেলের আঘাতে রাজধানীর পল্টন এলাকাতেই নিহত হন ৬ জন। সেদিন প্রকাশ্যে মানুষ হত্যার পরে লাশের ওপর উন্মত্ত নৃত্যে হতবাক হয় বিশ^। এ ঘটনায় পল্টন ও শাহবাগ থানায় পৃথক ৫টি মামলা হয়। পল্টন থানায় করা পাল্টাপাল্টি দু’টি মামলার একটি ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর পরই প্রত্যাহার করা হয়। ক্ষমতাসীন ১৪ দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে করা অন্য মামলাগুলোও পর্যায়ক্রমে প্রত্যাহার করে নেয়া হয়। সে সব মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১৪ দলীয় জোটের নেতাকর্মীরা আসামি ছিলেন। অপর দিকে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের আসামি করে যে মামলাটি হয়েছিল তা উচ্চ আদালত স্থগিত করে রেখেছেন। সে দিনের লগি বৈঠার তা-বের কথা স্মরণ হলে আজো আঁতকে ওঠে মানুষ।

২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবরের হতাহতের ঘটনা ঘটে তৎকালীন প্রধান বিরোধী দল আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দল আহূত অবরোধ কর্মসূচিকে ঘিরে। ওই দিন প্রকাশ্যে আগ্নেয়াস্ত্র উঁিচয়ে রাস্তায় মহড়া দিতে দেখা যায় পেশাদার সন্ত্রাসীদেরক। ওই ঘটনায় জামায়াত-শিবিরের নিহত নেতাকর্মীরা হলেন- মোজাহিদুল ইসলাম, জসিম উদ্দিন (১), জসিম উদ্দিন (২), গোলাম কিবরিয়া শিপন, ফয়সাল এবং হাবিবুর রহমান। প্রকাশ্যে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যদের উপস্থিতিতে হাজার হাজার মানুষের সামনে তাদের পিটিয়ে হত্যা করা হয়। পরে দুর্বৃত্তরা লাশের ওপরে উঠে উন্মত্য নৃত্য করে। আহত জামায়াতের আরেকজন সাইফুল্লাহ মো: মাসুম ঘটনার দুই দিন পর হাসপাতালে মারা যান। একই সময় পল্টন মোড়ে নিহত হন ছাত্রমৈত্রীর খিলগাঁও থানা সাধারণ সম্পাদক রাসেল খান। ওই সহিংস ঘটনায় পল্টন ও আশপাশের এলাকাতেই আহত হন কমপক্ষে এক হাজার মানুষ।

এই ঘটনায় জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে পল্টন থানায় মামলা করেন পল্টন থানা জামায়াতের তৎকালীন আমির এ টি এম সিরাজুল হক। মামলায় আওয়ামী লীগের তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক আব্দুল জলিল, তোফায়েল আহমেদ, মো: নাসিম, আব্দুর রাজ্জাক, জাসদ নেতা হাসানুল হক ইনু, ওয়ার্কার্স পার্টির রাশেদ খান মেননসহ ৪০ জনের নাম উল্লেখ করে সহস্রাধিক ব্যক্তিকে আসামি করা হয়। আহত মাসুম মারা যাওয়ার পরে ৩ নভেম্বর আরেকটি সম্পূরক এজাহার দাখিল করা হয়। এতে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা ও যুবলীগের তৎকালীন সভাপতি জাহাঙ্গীর কবির নানকসহ ২৩ জনের নামোল্লেখ করে দুই শতাধিক লোককে আসামি করা হয়। অভিযোগটি দাখিল করেন নিহত মাসুমের ভাই মো: শামসুল আলম মাহবুব।
অপর দিকে ছাত্র মৈত্রীর রাসেল খান নিহতের ঘটনায় জামায়াতে ইসলামীর তৎকালীন আমির মাওলানা মতিউর রহমান নিজামীসহ ১০ জনকে আসামি করে পল্টন থানায় একটি মামলা হয়। মামলার বাদি ঢাকা মহানগর ওয়ার্কার্স পার্টির তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক কামরুল আহসান। এ ঘটনায় পল্টন থানায় আরো তিনটি এবং শাহবাগ থানায় একটি মামলা হয়।

পল্টন থানায় করা ৬১ নম্বর মামলায় ২০০৭ সালের ১০ এপ্রিল ৪৬ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দেয়া হয়। যাদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দেয়া হয় তারা হলেন আব্দুল জলিল, নাসিম, মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, রাশেদ খান মেনন, হাসানুল হক ইনু, সাহারা খাতুন, হাজী সেলিম, ডা: এইচবিএম ইকবাল, আব্দুস সালাম ওরফে সেলিম, সবুজ, আলী, মনা, রতন, আবুল, বাবু ওরফে নাজির আহম্মদ, জাকির ওরফে জাকির হোসেন, শফিকুল ইসলাম, সালাউদ্দিন খোকন, সুলতান মিয়া, আবুল কাশেম, আলমগীর ওরফে গোলাম মোহাম্মদ আলমগীর, নওসের আলী, আব্দুল লতিফ ওরফে ক্ষ্যাপা, মো: জাকির হোসেন, শাহরিয়ার ওরফে সোহেল শাহরিয়ার, শাহাবুদ্দিন কিরন, জাহাঙ্গীর হায়দার চৌধুরী, আশরাফ হোসেন, টিটু, ওমর ফারুক, শেখ হাসিনা, জাহাঙ্গীর কবির নানক, সিদ্দিক নাজমুল আলম, রাসেল, মজিবুর রহমান মাইজ্জা, বেলায়েত হোসেন, আবু সাঈদ, বশির আহম্মদ, কিরণ ওরফে আব্দুল মালেক, সোহেল শাহরিয়ার ওরফে শর্টগান সোহেল, জাহাঙ্গীর আলম, মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী, মোস্তাকিম বিল্লাহ, মুকুল, রায় মোহন শীল এবং সুমন।

চার্জশিটটি ২০০৭ সালের ২৪ এপ্রিল গ্রহণ করে আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত। পরে পরোয়ানা মুলতবি করা হয়। ১৪ দলীয় জোট ক্ষমতায় আসার পরে ২০০৯ সালের ১২ আগস্ট মামলাটি প্রত্যাহার করা হয়।
অপর দিকে কামরুল আহসানের করা মামলায় জামায়াতে ইসলামীর তৎকালীন আমির মাওলানা মতিউর রহমান নিজামীসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দেয়া হয়। ২০০৯ সালের ৫ মে মামলাটি প্রত্যাহারের জন্য আবেদন করা হয়। কিন্তু মামলাটি প্রত্যাহার করা হয়নি। এরপর উচ্চ আদালতে কোয়াশমেন্টের আবেদন করা হলে উক্ত মামলাটি স্থগিত করা হয়।

ইসরাইলি হামলা ইরানের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা ক্ষতিগ্রস্ত করেছে : দাবি নেতানিয়াহুর

ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু দাবি করেছেন, শনিবার ভোরে ইরানের সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে বিমান হামলায় ইসরাইল ইরানের প্রতিরক্ষা ও ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির ক্ষমতাকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।

রোববার তিনি এ দাবি করেন।

গত বছর ৭ অক্টোবর হামাসের হামলা এবং চলমান সংঘাতে নিহত সৈন্যদের স্মরণে একটি স্মৃতিচারণ অনুষ্ঠানে নেতানিয়াহু বলেন, ‘ইরানের ওপর হামলা ছিল সুনির্দিষ্ট ও শক্তিশালী, এটি তার সব লক্ষ্য অর্জন করেছে।’

তিনি এ হামলা সমন্বয় ও সহায়তার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে ধন্যবাদ জানান।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরাইল-ফিলিস্তিনি সংঘাত শুরু হওয়ার পর ইসরাইল ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা তীব্রতর হয়। ওই দিন হামাস দক্ষিণ ইসরাইলি সীমান্তে হামলা চালায়। হামলায় প্রায় এক হাজার ২০০ জন নিহত হয় এবং প্রায় ২৫০ জনকে পণবন্দী করা হয়।

এরপর ইসরাইল গাজা উপত্যকায় হামাসের বিরুদ্ধে একটি বড় আকারের আক্রমণ পরিচালনা শুরু করে। শনিবার গাজা-ভিত্তিক স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের প্রকাশিত পরিসংখ্যান অনুসারে ৪২ হাজার ৯২৪ জন নিহত গেছে।

তেহরানের ১ অক্টোবরের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার জবাবে ইসরাইল শনিবার ভেরের আগে ইরানের সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে বিমান হামলা শুরু করে। ইরান বলেছে, অক্টোবরের গোড়ার দিকে তেহরানে হামাস নেতা ইসমাইল হানিয়াহ, হিজবুল্লাহ নেতা হাসান নসরুল্লাহ এবং আইআরজিসি জেনারেল আব্বাস নীলফরৌশানকে ইসরাইলের হত্যার প্রতিশোধ হিসেবে এই হামলা চালানো হয়েছে।

ইরানের বিমান প্রতিরক্ষা সদর দফতর দাবি করেছে, শনিবার ইসরাইলি হামলার ফলে সীমিত ক্ষতি হয়েছে।

রোববার অনুষ্ঠানে ইসরাইলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্ট বলেন, সামরিক অভিযানের মাধ্যমে সব লক্ষ্য অর্জন করা যায় না।

তিনি উল্লেখ করেন, ‘যখন আমরা গাজায় আটক অপহৃতদের তাদের বাড়িতে ফিরিয়ে দেয়ার জন্য আমাদের নৈতিক ও নৈতিক দায়িত্ব পালন করতে আসি, তখন আমাদের বেদনাদায়ক আপস করতে হয়।’
সূত্র : বাসস

বিজেপি পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতায় এলে বাংলাদেশীদের অনুপ্রবেশ বন্ধ হবে : অমিত শাহ

ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেছেন, ২০২৬ সালে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি ক্ষমতায় এলে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত দিয়ে ভারতে অনুপ্রবেশ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাবে।

রোববার পশ্চিমবঙ্গের পেট্রাপোল স্থলবন্দরে প্যাসেঞ্জার টার্মিনাল ভবন ও মৈত্রী দ্বার উদ্বোধনের সময় তিনি এ কথা বলেন।

অমিত শাহ বলেন, ‘অনুপ্রবেশ বন্ধ হলেই শান্তি আসবে।’

তবে তিনি বলেন, নেপাল, বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মতো প্রতিবেশী দেশগুলোর সাথে ব্যবসা ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে অংশীদারত্ব বাড়ানো হবে।

তিনি জানান, অগ্রগতির দিক থেকে বেশ কয়েকটি উদ্যোগ বাস্তবায়ন সম্ভব হতে পারে।

অমিত শাহ বলেন, পশ্চিমবঙ্গের সমৃদ্ধির জন্য কাজ করতে বদ্ধপরিকর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

তিনি বলেন, ‘বাংলা হয়ে উঠবে সোনার বাংলা এবং এখানকার উন্নয়ন সুনিশ্চিত করতে চেষ্টায় কোনো ত্রুটি রাখবে না বিজেপি।’

পেট্রাপলে নতুন টার্মিনাল
পেট্রাপোল স্থলবন্দরের নতুন প্যাসেঞ্জার টার্মিনাল ভবন (পিটিবি) ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ভ্রমণের পরিমাণ বাড়াবে বলে ধারনা করা হচ্ছে।

আন্তর্জাতিক পরিবহন কেন্দ্রগুলোর মতো নকশায় নির্মিত পেট্রাপোলের যাত্রী টার্মিনাল ভবনে সব আধুনিক সুবিধা রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ভিআইপি লাউঞ্জ, ডিউটি ফ্রি শপ এবং মৌলিক চিকিৎসা সুবিধা।

বেনাপোল (বাংলাদেশ)-পেট্রাপোল (ভারত) বাণিজ্য ও যাত্রী চলাচলের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ও ভারতের জন্য অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্থল সীমান্ত ক্রসিং।

ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে স্থলভিত্তিক বাণিজ্যের প্রায় ৭০ শতাংশ (মূল্য অনুসারে) এই স্থলবন্দর দিয়ে সম্পন্ন হয়।

পেট্রাপোল স্থলবন্দর ভারতের অষ্টম বৃহত্তম আন্তর্জাতিক অভিবাসন বন্দর এবং ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে বার্ষিক ২৩ লাখ পাঁচ হাজারেরও বেশি যাত্রী পরিবহন করে।
সূত্র : ভিওএ

রাষ্ট্রপতিকে অবশ্যই চলে যেতে হবে : হাসনাত আব্দুল্লাহ

রাষ্ট্রপতি মো: সাহাবুদ্দিনকে অবশ্যই যেতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ।

রোববার সন্ধ্যায় রাষ্ট্রপতির অপসারণ ইস্যুতে ১২ দলীয় জোটের সাথে বৈঠক শেষে এ মন্তব্য করেন তিনি৷

গত কয়েকদিনে এই নিয়ে ধারাবাহিকভাবে রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে বৈঠক করছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জাতীয় নাগরিক কমিটি।

এরই মধ্যে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন, ১২ দলীয় জোট, গণঅধিকার পরিষদের সাথে বৈঠকও করেছে দলটি।

রোববার সন্ধ্যায় ছাত্রনেতা হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, `রাষ্ট্রপতি মো: সাহাবুদ্দিনকে নিয়ে জাতীয় অস্বস্তির জায়গা তৈরি হয়েছে। তাই তাকে তার পদ ছেড়ে যেতেই হবে। এ নিয়ে সবগুলো রাজনৈতিক দলের ঐকমত্য রয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘তবে কী প্রক্রিয়ায় এই অপসারণ হবে, তা নিয়ে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছি আমরা।’

এ নিয়ে শিগগিরই আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়া সবগুলো রাজনৈতিক দলের সাথে বৈঠক শেষে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলেও জানিয়েছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা।

বৈঠক শেষে জাতীয় নাগরিক কমিটির কেন্দ্রীয় নেতা আরিফুল ইসলাম আদীব বলেন, ‘রাষ্ট্রপতি ইস্যু ছাড়াও আলোচনায় আমরা সংবিধান সংস্কার এবং বিগত তিনটি জাতীয় নির্বাচন বাতিলে ঐকমত্য গড়ে তুলতে কাজ করছি।’

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন ও নাগরিক কমিটির নেতারা বলছেন, সব দলগুলোর সাথে আলোচনা শেষেই এ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

সূত্র : বিবিসি

টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ : ভারতের হারে পাকিস্তানের সম্ভাবনা!

কয়েক দিনে বদলে গিয়েছে ছবিটা। নিউজিল্যান্ড সিরিজের আগে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট তালিকায় সকলের ওপরে ছিল ভারত। এখনো ওপরে রয়েছে তারা। কিন্তু নিউজিল্যান্ডের কাছে জোড়া হারের পর ব্যবধান কমেছে। অন্য দিকে পাকিস্তান বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট তালিকায় সকলের নিচে ছিল। কিন্তু ইংল্যান্ডকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়ে এক লাফে নবম থেকে সপ্তম স্থানে উঠেছে তারা। রোহিত শর্মাদের হারে হঠাৎ করেই সুযোগ এসেছে শান মাসুদদের সামনে। বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে ওঠার সুযোগ পেয়েছেন তারা।

তবে এর জন্য সকলের আগে নিজেদের বাকি চারটি টেস্ট জিততে হবে পাকিস্তানকে। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে তাদের দেশে দু’টি ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ঘরের মাঠে দু’টি টেস্ট রয়েছে তাদের। সেই চারটি টেস্ট জিতলে পাকিস্তানের পয়েন্টের শতাংশ হবে ৫২.৩৮। এই পয়েন্টের শতাংশের উপর ভিত্তি করেই প্রথম দুই দল ফাইনালে খেলে।

তবে শুধুমাত্র নিজেদের জয়েই ফাইনাল খেলা হবে না পাকিস্তানের। এর জন্য অন্য দলগুলোকেও হারতে হবে। পাকিস্তানের উপর রয়েছে ভারত, অস্ট্রেলিয়া, শ্রীলঙ্কা, নিউজিল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা ও ইংল্যান্ড। তার মধ্যে ইংল্যান্ডের আর খেলা বাকি নেই। বাকি পাঁচটি দলকে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে হারতে হবে। তা হলে তাদের পয়েন্ট কমবে। সে ক্ষেত্রে পাকিস্তানের সুযোগ থাকবে প্রথম দুই দলের মধ্যে শেষ করার। তবে তার সম্ভাবনা খুব কম।

পাকিস্তানের যেমন ফাইনালে ওঠার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে, তেমনই ভারত চাপে পড়েছে। এখন শীর্ষে রয়েছে তারা। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে একটি টেস্ট বাকি রোহিতদের। তার পর অস্ট্রেলিয়ায় গিয়ে তাদের বিরুদ্ধে পাঁচটি টেস্ট খেলতে হবে তাদের। এই ছয়টি টেস্টের মধ্যে অন্তত চারটি টেস্ট জিততে হবে রোহিতদের। বাকি দু’টি টেস্ট ড্র করলেই হবে। কিন্তু হারলে আরো চাপে পড়বেন রোহিতেরা। তেমনটা হলে তীরে এসে তরী ডুবতে পারে তাদের।

ইরানে ইসরাইলি হামলা, রাশিয়ার প্রতিক্রিয়া

ইরানে ইসরাইলি হামলার পর চলমান সঙ্ঘাতের ‘বিস্ফোরক সম্প্রসারণ’ ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে রাশিয়া।

শনিবার দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা এই আশঙ্কা প্রকাশ করেন। এ সময় এই সঙ্ঘাত নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে বলেও সতর্ক করে দেন তিনি।

জাখারোভা আরো বলেন, আমরা জড়িত সকল পক্ষকে সংযম প্রদর্শন, সহিংসতা বন্ধ করতে এবং বিপর্যয়কর পরিস্থিতি এড়ানোর আহ্বান জানাচ্ছি।

তিনি আরো বলেন, ইরানকে প্রতিশোধমূলক কর্মকাণ্ডে উস্কানি দেয়া বন্ধ করা এবং অনিয়ন্ত্রিত উত্তেজনার সর্পিল থেকে বেরিয়ে আসা প্রয়োজন।

এদিকে, শনিবার প্রথমবারের মতো ইরানের সামরিক স্থাপনায় হামলা করেছে তেল আবিব। গত ১ অক্টোবর করা ইরানের হামলার জবাবে ওই হামলা চালানো হয়।

ইরান এর আগে সতর্ক করেছিল যে ইসরাইলের পক্ষ থেকে যেকোনো হামলার জন্য ‘কঠোর জবাব’ দেয়া হবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই হামলার ফলে দুই চির শত্রুর মধ্যে উত্তেজনা আরো বাড়তে পারে।

সূত্র : আল জাজিরা

নাজমুলের অধিনায়কত্ব ছাড়ার আনুষ্ঠানিক চিঠি পাইনি : ফাহিম

তিন ফরম্যাট থেকে বাংলাদেশের অধিনায়ক হিসেবে নাজমুল হোসেন শান্তর সরে যাওয়ার আনুষ্ঠানিক কোনো চিঠি এখনো পাননি বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) পরিচালক নাজমুল আবেদিন ফাহিম।

দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে চলমান সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট শেষে তিন ফরম্যাট থেকে বাংলাদেশ দলের অধিনায়কের পদ ছাড়বেন নাজমুল, এমন খবর সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। আগামী ২৯ অক্টোবর থেকে চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরি স্টেডিয়ামে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট খেলতে নামবে বাংলাদেশ।

ফাহিম বলেন, ‘আমি আপনার কাছ থেকে শুনলাম এবং টেলিভিশনের স্ক্রলে দেখলাম। শুনেছি আনুষ্ঠানিকভাবে সে তার সিদ্ধান্ত ঘোষণ করেছে। যদি তাই হয়, আমার কাছে কোনো আনুষ্ঠানিক চিঠি নেই। এমনকি আনুষ্ঠানিকভাবে এটি সর্ম্পকে আমি কিছু জানিও না। খবরটি সত্য কিনা সেটি বলতেও পারব না। যদি এমন হয়ে থাকে তাহলে এটি আমাদের জন্য বড় খবর।’

এ বছরের ফেব্রুয়ারিতে এক বছরের জন্য তিন ফরম্যাটেই বাংলাদেশের অধিনায়কের দায়িত্ব পান নাজমুল। আগামী বছর পাকিস্তানের মাটিতে অনুষ্ঠিতব্য আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে দলকে নেতৃত্ব দেয়ার কথা ছিল তার।

কিন্তু সাম্প্রতিক ফর্মের কারণে নাজমুলের অধিনায়কত্ব নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠেছে। ফাহিম জানান, নাজমুলের সাথে এ বিষয়ে আলোচনা করতে চায় বিসিবি। কারণ, অধিনায়ক হিসেবে তৈরি হতে তাকে অনেক সময় দিয়েছে বোর্ড।

ফাহিম বলেন, ‘যদি অধিনায়ক হিসেবে অন্য কাউকে প্রস্তুত করতে চায়, তাহলে বোর্ডকে অনেক বড় সিদ্ধান্ত নিতে হবে। আমরা তার সাথে বসব এবং তাকে বোঝানোর চেষ্টা করব।’

তিনি আরো বলেন, ‘অবশ্যই এই বিষয়ে বিসিবি আলোচনা করতে চায়। কারণ, অনেক দিন ধরেই দলকে নেতৃত্ব দিচ্ছে শান্ত। বোর্ডও তাকে অনেক সময় দিয়েছে। আমরা তাকে প্রস্তুত করার চেষ্টা করেছি। এখন যদি সে হঠাৎ করেই সরে যায়, তাহলে আমাদের বিকল্প কী হবে! এই মুহূর্তে আমাদের কোনো বিকল্প প্রস্তুত নেই।’

নাজমুল জানান, এই অবস্থায় সেরা সমাধানের চেষ্টা করা হবে। তিনি বলেন, ‘দ্রুত তিন বা চার উইকেট পড়ে গেলেই আপনি খেলা বন্ধ করে দেবেন, বিষয়টা এমন নয়। পরিস্থিতি এখন ঠিক তেমনই। তাই আমাদের সিদ্ধান্ত নিতে হবে। আমরা সেরা সমাধান খুঁজে বের করার চেষ্টা করব।’

বাংলাদেশকে ৯ টেস্টে নেতৃত্ব দিয়েছেন নাজমুল। এর মধ্যে তিনটিতে জয় এবং ছয়টিতে হেরেছে টাইগাররা। তার অধীনে পাকিস্তানের মাটিতে প্রথমবারের মতো টেস্ট সিরিজ জয়ের রেকর্ড গড়ে বাংলাদেশ।

এছাড়া নাজমুলের নেতৃত্বে নয় ওয়ানডে ম্যাচে তিনটিতে জয় ও ছয়টিতে হেরেছে বাংলাদেশ। টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে ২৪টি ম্যাচের ১০টিতে জয় ও ১৩টিতে হেরেছে টাইগাররা।

২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পর টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটের দায়িত্ব ছাড়তে চেয়েছিলেন নিয়েছিলেন নাজমুল। পরে তিন ফরম্যাট থেকেই সরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। সূত্র : বাসস

শেখ হাসিনার ভাতিজা মঈন ৫ দিনের রিমান্ডে

যুবদল নেতা শামীম হত্যা মামলায় গ্রেফতার সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ফুফাতো ভাই আবুল হাসানাত আবদুল্লাহর ছেলে সেরনিয়াবাত মঈন উদ্দিন আবদুল্লাহর পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

শনিবার (২৬ অক্টোবর) শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রাগীব নূর এ আদেশ দেন।

এদিন তাকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশের উপ-পরিদর্শক তন্ময় কুমার বিশ্বাস তাকে ১০ দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন। অন্যদিকে তার আইনজীবী রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিনের আবেদন করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে বিচারক তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এর আগে শুক্রবার (২৫ অক্টোবর) দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে রাজধানীর গুলশান-২ থেকে গ্রেফতার করা হয় মঈন উদ্দিনকে।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালের ২৮ অক্টোবর বিএনপির কেন্দ্রীয় কর্মসূচি অনুযায়ী ঢাকায় মহাসমাবেশ ডাকে। মহাসমাবেশ পণ্ড করার জন্য একই দিন আওয়ামী লীগ পাল্টা সমাবেশ ডাকে। বিএনপি নেতাকর্মীদের হত্যা ও গুম করার উদ্দেশে পুলিশের সহায়তায় মহাসমাবেশে হামলা চালানো হয়। হামলায় যুবদল নেতা শামীম নিহত হন। এ ঘটনায় ২০২৪ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর রাজধানীর পল্টন থানায় একটি মামলা করা হয়।

ছাত্র-জনতার আন্দোলন দমাতে যারা নিষ্ঠুরতা দেখিয়েছে তাদের ছাড় নেই : আইজিপি

বাংলাদেশ পুলিশের ইন্সপেক্টর জেনারেল (আইজিপি) মো: ময়নুল ইসলাম বলেছেন, জনগণের প্রত্যাশিত সেবা প্রদানের লক্ষ্যে পুলিশ আন্তরিকভাবে কাজ করছে।

তিনি বলেন, ছাত্র-জনতার আন্দোলন দমাতে যারা রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় নিষ্ঠুরতম কর্মকাণ্ড করেছে তাদের কাউকে ছাড় দেয়া হবে না।

তিনি শনিবার (২৬ অক্টোবর) রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের ষষ্ঠ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে রংপুর জেলা পুলিশ লাইনস স্কুল অ্যান্ড কলেজ মিলনায়তনে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে শাহাদাতবরণকারী ও আহত বীরদের সম্মানে উৎসর্গীকৃত সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

আইজিপি বলেন, পুলিশ মুক্তিযুদ্ধে প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধের সূচনা করেছিল। করোনাকালে জনগণের পাশে দাঁড়িয়ে মানবিক পুলিশের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিল।

তিনি বলেন, জনগণের আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী পুলিশের কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তনের লক্ষ্যে সরকার পুলিশ সংস্কার কমিশন গঠন করেছে। আমরাও পুলিশে ধারাবাহিকভাবে পরিবর্তনের সূচনা করেছি।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে প্রথম শহীদ আবু সাঈদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে আইজিপি বলেন, অন্যায়ের বিরুদ্ধে বুক চিতিয়ে আবু সাঈদ যেভাবে দাঁড়িয়েছেন তা আজ অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের প্রতীক হিসেবে স্বীকৃত।

পুলিশপ্রধান বলেন, ছাত্র-জনতার ওপর হামলার ঘটনায় প্রতিটি মামলা অত্যন্ত গুরুত্বসহ নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, ছাত্র-জনতার আন্দোলন দমাতে যারা রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় নিষ্ঠুরতম কর্মকাণ্ড করেছে তাদের কাউকে ছাড় দেয়া হবে না।

রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো: মজিদ আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে রংপুর রেঞ্জের ডিআইজি আমিনুল ইসলাম, ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাগণ, বিভিন্ন বাহিনীর কর্মকর্তারা, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক সারজিস আলম, শহীদ আবু সাঈদের মা মনোয়ারা বেগম ও পরিবারের সদস্যরা, স্থানীয় ছাত্র সমন্বয়করা, নগরীর গণ্যমান্য ব্যক্তিরা, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের প্রতি সম্মান জানিয়ে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

অনুষ্ঠানে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে রংপুরে নিহত ও আহতদের পরিবারের সদস্যদের আর্থিক অনুদান দেয়া হয়।

এর আগে আইজিপি আজ সকালে রংপুরের পীরগঞ্জের বাবনপুর গ্রামে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শহীদ হওয়া আবু সাঈদের বাড়িতে যান। তিনি আবু সাঈদের কবর জিয়ারত ও দোয়া করেন। তিনি আবু সাঈদের পরিবারের সদস্যদের সাথে সাক্ষাৎ করে তাদের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানান।

পুলিশ প্রধান রংপুর জেলা পুলিশ লাইনস স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে বেলুন উড়িয়ে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরপিএমপি) ষষ্ঠ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর উদ্বোধন করেন।

সবশেষে আইজিপি রংপুর বিভাগের সকল পুলিশ ইউনিটের অফিসার ও ফোর্সের সাথে বিশেষ কল্যাণ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন।

সূত্র : ডিএমপি নিউজ

পীরগাছায় জামায়াতের হিন্দু শাখার কমিটি গঠন

রংপুরের পীরগাছায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর হিন্দু শাখার কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে সভাপতি হিসেবে মির্জাপুর ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক ভবেশ চন্দ্র বর্মণ ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ওষুধ ব্যবসায়ী বিজন চন্দ্র দাসের নাম ঘোষণা করা হয়েছে।

শুক্রবার রাতে উপজেলা জামায়াতের অফিসে ইউনিয়ন জামায়াতের আমির আব্দুল জব্বার এ কমিটি ঘোষণা করেন।

এর আগে ইউনিয়ন জামায়াতের সাংগঠনিক সম্পাদক হাফেজ ইদ্রিস আলীর সঞ্চালনায় হিন্দু সম্প্রদায়কে নিয়ে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এছাড়া কমিটির অন্যরা হলেন সহ-সভাপতি দেবী চৌধুরানী ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক তাপস চন্দ্র রায়, সহ-সম্পাদক কিসামত ঝিনিয়া, সনাতন সংঘের সভাপতি সুধা রঞ্জন বর্মণ ও অর্থ-সম্পাদক দেউতি স্কুল অ্যান্ড কলেজের সহকারী শিক্ষক প্রভাষ চন্দ্র বর্মণ।

উল্লেখ্য, মত-বিনিময় সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন রংপুর জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা এনামুল হক, বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা মোস্তাক আহমেদ, সেক্রেটারি মোস্তাফিজুর রহমান, দফতর সম্পাদক জাকির হোসেন, উপজেলা হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি ভবেশ চন্দ্র বর্মণ, ইউনিয়ন জামায়াতের অর্থ-সম্পাদক হোসাইন আহমেদ প্রমুখ।