বলিউড ইন্ডাস্ট্রির গাফিলতি প্রকাশ্যে এনে অভিনেত্রী বিদ্যা বালান বলেছেন, যে সমস্যাগুলো নিয়ে আমরা কখনো মাথা ঘামাই না। কিছু ছবির ক্ষেত্রে অবশ্যই এই সূত্র কাজ করে না। তা ছাড়া প্রতিটি ছবির একটা নির্দিষ্ট ভাগ্য থাকে। এটা দুঃখজনক হলেও মেনে নিতে হয় আমাদের।
বড় বাজেটের ছবি আর তারকার সমাগম মানেই যে বক্স অফিসে ছবিটি সফল এমন নয়। বেশ কিছু এ ধরনের ছবি বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে মুখ থুবড়ে পড়ে প্রমাণ করে দিয়েছে এ সূত্র সব সময় কার্যকরী নাও হতে পারে। আনন্দবাজার অনলাইনের এমন এক প্রশ্নে বিদ্যা বালান বলেন, ছবির প্রেক্ষাপট এবং নির্মাণের ওপর বিষয়টি নির্ভর করে।
তিনি বলেন, সব ছবিকে একই গোত্রে ফেলে দিলে ঠিক হবে না। আমরা এটা কখনই বলতে পারি না যে, তারকাখচিত ছবি মানেই বক্স অফিসে অসফল। আবার এমন অনেক ছবিও রয়েছে, একাধিক বড় তারকা থাকা সত্তে¡ও ছবিটি সফলতার মুখ দেখেছে। এ অভিনেত্রী বলেন, আমি উদাহরণস্বরূপ বলতে পারি‘স্ত্রী ২’, ‘সিংহাম অ্যাগেইন’, ‘ভুল ভুলাইয়া ৩’ ছবির কথা। তিনি বলেন, কিছু ছবির ক্ষেত্রে অবশ্যই এই সূত্র কাজ করে না। তা ছাড়া প্রতিটি ছবির একটা নির্দিষ্ট ভাগ্য থাকে। এটা দুঃখজনক হলেও মেনে নিতে হবে আমাদের। ছবি ভালো হলে সফল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে বলে মনে করেন তিনি।
তবে একটি বিষয়ে ভাবা প্রয়োজন বলে মনে করেন বিদ্যা। কিছু ছবি আদতেই ভালো কিন্তু ছবি বিতরণের (ডিস্ট্রিবিউশন) ক্ষেত্রে গাফিলতি থেকে যায়। ফলে বেশিসংখ্যক দর্শকের কাছে পৌঁছতে পারে না ছবিটি। এই সমস্যাগুলো নিয়ে আমরা কখনো মাথা ঘামাই না বলে জানান বিদ্যা বালান।
তিনি বলেন, শুধু তাই নয়, বর্তমানে পুরোনো ছবি পুনরায় প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়ার চল শুরু হয়েছে। এ প্রসঙ্গেও মতামত জানালেন বিদ্যা। তিনি বলেন, আমার মনে হয় এ উদ্যোগ ভালোই। সিনেমাপ্রেমীদের আবার প্রেক্ষাগৃহমুখী করে তুলছে। এমনিতেই আমাদের প্রেক্ষাগৃহে ছবি দেখার অভ্যাস চলে গেছে।
এ অভিনেত্রী বলেন, আমরা খুব অলস হয়ে পড়েছি। প্রিয় ছবি দেখার লোভে আমরা হয়তো আবার হলমুখী হয়ে উঠব। বিদ্যা নিজেও চান, তার অভিনীত ‘কাহানি’ ছবি ফের মুক্তি পাক প্রেক্ষাগৃহে। তার কাছে এই ছবি একটি মাইলফলক এবং এই ছবি দেখার কোনো উপযুক্ত সময় নেই।
আমরা কখনো মাথা ঘামাই না: বিদ্যা বালান
দোস্তের জন্য জান দিতেও পারি, লিতেও পারি: যীশু
বেশ কিছু দিন ধরে ধরাছোঁয়ার বাইরে ছিলেন টালিউড অভিনেতা যীশু সেনগুপ্ত। তবে স¤প্রতি দেখা মিলেছে তার মেদিনীপুরে একটি অনুষ্ঠানে। অনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকেই অভিনেতা দেবকে ফোন করলেন যীশু।
আনন্দবাজার প্রতিবেদন সূত্রে জানা গেছে, গত কয়েক মাস সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিনেত্রী নীলাঞ্জনার সঙ্গে বিচ্ছেদ নিয়ে সমালোচনা চলছে। যীশুর সঙ্গে মুম্বাইয়ে আপ্তসহায়ক শিনাল সুর্তির সঙ্গে প্রেমের গুঞ্জনসহ নানা কারণে শিরোনামে ছিলেন তিনি। এ জন্য প্রকাশ্যে ধরাও দেননি অভিনেতা। তবে মেদিনীপুরে একটি অনুষ্ঠানে দেখা গেছে তাকে।
ব্যক্তিগত জীবনের পাশাপাশি পেশাগত কারণেও চর্চায় অভিনেতা। আসন্ন ‘খাদান’ ছবিতে অভিনেতা দেবের সঙ্গে জুটি বেঁধেছেন যীশু। সেখানে কীর্তন গায়কের চরিত্রে দেখা যাবে এ অভিনেতাকে।
আগামী মঙ্গলবার প্রকাশ্যে আসতে চলেছে ‘খাদান’ সিনেমার প্রথম গান ‘রাজার রাজা’। সেই গানের প্রথম ঝলক ইতোমধ্যে নজর কেড়েছে ভক্ত-অনুরাগীদের।
কীর্তনিয়ার চরিত্র কিন্তু সংলাপে যেন যুদ্ধের আভাস। শাস্ত্রে কয়েছে পুরুষ মানুষের প্রধান অস্তর (অস্ত্র) ধৈর্য আর বীর্যÑ এমন কথা শোনা গেছে যীশুর মুখে। তার সঙ্গে ‘জয় গুরু’ বলেই হায়নার মতো হাসি। মেদিনীপুরে অনুষ্ঠানের মঞ্চে এই সংলাপই শোনালেন অভিনেতা। অনুষ্ঠানের মাঝে দেবকে ফোন করলেন।
উল্লেখ্য, যীশু-নীলাঞ্জনার সম্পর্কে দূরত্বের কথা টালিপাড়ায় এখন সবাই জানে। যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে কিছুই ঘোষণা করেননি এ দম্পতি। ছাদ আলাদা হয়েছে আগেই। এ মুহূর্তে নীলাঞ্জনার জীবন আবর্তিত হচ্ছে দুই মেয়ে সারা ও জারাকে ঘিরে।
বিচ্ছেদের জল্পনা যখন তুঙ্গে, যীশু তখন ‘খাদান’ ছবির শুটিংয়ে ব্যস্ত আসানসোলে। চরিত্রের সাজে যীশুর ছবির সঙ্গে ক্যাপশনে লেখা হয়েছিলÑ কৃষ্ণ সুদামার কসম, দোস্ত যখন বলেছি, দোস্তের জন্য জান দিতেও পারি, লিতেও পারি।
জীবনের নানা উত্থান-পতন নিয়ে কথা বলতে হয় জীবনসঙ্গীর সঙ্গে: রণবীর
চলতি বছরের শুরুতেই বলিউড অভিনেতা রণবীর সিং ও দীপিকা পাড়ুকোন ঘোষণা করেছিলেনÑ সেপ্টেম্বর নাগাদ তাদের পরিবারে আসতে চলেছে নতুন সদস্য। তারপরই রণবীর বলেছিলেনÑ সন্তানের দেখভালের জন্য কিছু দিন বিরতি নেবেন তিনি। পিতৃত্বকালীন ছুটি। ইতোমধ্যে রণবীর-দীপিকার কোলে এসেছে প্রথম সন্তান ‘দুয়া’। আর প্রকাশ্যে জানালেন অভিনেতাÑ দুয়ার জন্য যে কাজ করতে পারেন তিনি।
স¤প্রতি দম্পতিকে দেখা গেছে বিমানবন্দরে। দীপিকার কোলে ছোট্ট দুয়া। ফটোসাংবাদিকরা তাকে ক্যামেরায় ধরতে না পারলেও দীপবীরের ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। এবার এক অনুষ্ঠানে মেয়েকে নিয়ে নিজের মনের কথা জানালেন রণবীর।
আনন্দবাজার প্রতিবেদন সূত্রে জানা গেছে, সেপ্টেম্বর মাসে বলিউড অভিনেতা রণবীর সিং ও দীপিকা পাড়ুকোনের কোলে এসেছে প্রথম সন্তান। দীপাবলির সময় দম্পতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানিয়েছিলেনÑতাদের মেয়ের নাম দুয়া, যার অর্থ প্রার্থনা। বাবা ও মা দুজনের পদবিই ব্যবহার করবে দুয়া। কিন্তু এই সময়ের মধ্যেই বাবা রণবীরের জীবনে বড়সড় পরিবর্তন এনে ফেলেছে মাস দুয়েকের দুয়া।
বাবা হিসাবে কেমন লাগছে?Ñএমন প্রশ্ন উঠতেই নিজের অনুভূতি সম্পর্কে রণবীর বলেন, অপার আনন্দ। বাবা হওয়ার অনুভূতি নিয়ে বলতে গিয়ে অভিনেতা দাবি করেন, আপাতত এই ভালোলাগা আর ভালোবাসায় ডুবে রয়েছেন তিনি। নিজের স্বভাবগত রসিকতায় ভক্তদের তিনি বলেন, বেশ কয়েক দিন ধরে আমি বাবার ভূমিকায় রয়েছি। তাই এখন তোমাদের সবাইকে ছেড়ে দিতেও প্রস্তুত।
এই বিশেষ সফরে স্ত্রীর ভূমিকাও তার কাছে প্রশংসনীয়। দীপিকার ভূমিকা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে একটি শব্দ ব্যবহার করেন অভিনেতাÑ ‘জাদু’। তার মতে, জীবনের নানা উত্থান-পতন নিয়ে কথা বলতে হয় জীবনসঙ্গীর সঙ্গে। আর এই বন্ধনটাই তার কাছে জাদুর মতো।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়ার গ্রুপে বাংলাদেশ
অনূর্ধ্ব-১৯ নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দ্বিতীয় আসর বসবে মালয়েশিয়ায়। আগামী ২০২৫ সালের ১৮ জানুয়ারি থেকে মাঠে গড়াবে এই আসর। তার আগে, টুর্নামেন্টের সূচি ঘোষণা করেছে আইসিসি। যেখানে শক্তিশালী অস্ট্রেলিয়ার গ্রুপে পড়েছে বাংলাদেশ।
এবারের অনূর্ধ্ব-১৯ নারী বিশ্বকাপে গ্রুপ ডি’ তে পড়েছে বাংলাদেশ। যেখানে তাদের বাকি প্রতিপক্ষ অস্ট্রেলিয়া, স্কটল্যান্ড ও নেপাল।
অবশ্য যুব বিশ্বকাপের গত আসরেও অস্ট্রেলিয়ার গ্রুপে পড়েছিল বাংলাদেশ। দক্ষিণ আফ্রিকায় অনুষ্ঠিত সেই আসরে অজি মেয়েদের হারিয়েছিল বাংলাদেশ। তাই নয়, গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে সুপার সিক্সেও গিয়েছিল বাংলাদেশ। যদিও টাইগ্রেস মেয়েদের এরপর সেমিফাইনাল খেলা হয়নি।
সব মিলিয়ে ১৬টি দল অংশ নিচ্ছে এবারের আসরে। যেখানে চার গ্রুপে ভাগ হয়ে লড়বে দলগুলো। সেখান থেকে শীর্ষ তিন দল নিয়ে হবে মোট ১২টি দল। যারা দুভাগে ভাগ হয়ে সুপার সিক্সে খেলবে দলগুলো। পরে দুই গ্রুপের শীর্ষ ২টি করে দল সেমিফাইনালে যাবে। এরপর আগামী ২ ফেব্রুয়ারির ফাইনাল দিয়ে পর্দা নামবে আসরের।
বাংলাদেশে আসছে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি
আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি ২০২৫ ট্রফির পরিভ্রমণ শুরু হয়েছে। শনিবার আয়োজক দেশ পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদ থেকে শুরু হয়েছে ট্রফির পরিভ্রমণ। ২৫ নভেম্বর পর্যন্ত পাকিস্তানের বিভিন্ন শহর ঘুরে ২৬ থেকে ২৮ নভেম্বর আফগানিস্তানে ঘুরবে ট্রফি।
এরপর বাংলাদেশে ১০ থেকে ১৩ ডিসেম্বর চারদিন ট্রফিটি পরিভ্রমণ করতে পারে বলে শনিবার জানিয়েছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। ঢাকা ও কক্সবাজারে ট্রফি প্রদর্শন করা হতে পারে।
এদিকে ভারতের আপত্তির ফলে পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরের তিনটি শহরে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা বাতিল করেছে আইসিসি।
পাকিস্তানের চ্যাম্পিয়নস ট্রফি মাঠে গড়ানো নিয়ে অবশ্য এখনও শঙ্কা আছে। ভারত তাদের ম্যাচগুলো পাকিস্তানের বাইরে খেলতে চাচ্ছে। যা নিয়ে এখন দু’দেশের মধ্যে দ্বন্দ চলমান। তবে টুর্নামেন্ট মাঠে গড়ানোর খুব বেশি সময় বাকি না থাকায় খুব দ্রুতই এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে হচ্ছে আইসিসিকে।
ভারতের সঙ্গে দ্বন্দের পর প্রশ্ন উঠেছে চ্যাম্পিয়নস ট্রফি ভারতে যাবে কিনা। তবে দুই দেশের মধ্যে বিরোধ চললেও আইসিসি ট্রফি পরিভ্রমণে ভারতকেও রেখেছে। এ হিসেব মতে আগামী ১৫-২৬ জানুয়ারি পর্যন্ত চ্যাম্পিয়নস ট্রফি ভারতে থাকার কথা। এরপর সেখান থেকে আয়োজক পাকিস্তানে যাবে চ্যাম্পিয়নস ট্রফি।
‘সেভেনআপ’-এ জার্মানির রেকর্ড
২০১৪ বিশ্বকাপে জার্মানির সেভেনআপের শিকার হয়েছিল ব্রাজিল। এখনও যা ব্রাজিলিয়ানদের পোড়ায়। এবার ব্রাজিলিয়ানদের মতো বসনিয়াও শিকার হয়েছে সেভেনআপের। সবশেষ উয়েফা নেশন্স লিগের ম্যাচে বসনিয়াকে ৭-০ গোলে ধসিয়ে দিয়েছেন জার্মানরা।
নেশন্স লিগের কোয়ার্টার ফাইনাল আগেই নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল জার্মানির। বসনিয়া অ্যান্ড হার্জেগোভিনার বিপক্ষে জার্মানদের জন্য ম্যাচটি ছিল গ্রুপসেরা হওয়ার। আর সেই ম্যাচে প্রতিপক্ষকে নাকানিচুবানি খাইয়ে ম্যাচ জিতেছে জার্মানি। জয় তুলেছে ৭-০ গোলে। যা উয়েফা নেশনস লিগের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় জয়ের রেকর্ড।
রেকর্ড গড়া ম্যাচে জার্মানির হয়ে জোড়া গোল করেছেন ফ্লোরিয়ান ভির্টৎস এবং টিম ক্লেইনডিয়েনস্ট। একটি করে গোল করেছেন জামাল মুসিয়ালা, কাই হাভার্টজ ও লেরয় সানে।
ফ্রেইবুর্গের ইউরোপা-পার্ক স্টেডিয়নে হওয়া ম্যাচটিতে জার্মানিকে ম্যাচের দ্বিতীয় মিনিটেই এগিয়ে দেন মুসিয়ালা। ২৩তম মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন টিম ক্লেইনডিয়েনস্ট। বরুসিয়া খেলা এই ফরোয়ার্ড গত মাসে বসনিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে আন্তর্জাতিক ফুটবলে পা রেখেছিলেন। একই প্রতিপক্ষকে আবার সামনে পেয়ে করেছেন নিজের প্রথম গোল।
বড় এই জয়ের পর গ্রুপ এ৩-এ ১৩ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষস্থানে উঠে আসে জার্মানি। দ্বিতীয় স্থানে থাকা নেদারল্যান্ডস ৫ পয়েন্ট পেছনে। গ্রুপ পর্বে জার্মানির পরের ম্যাচ মঙ্গলবার রাতে হাঙ্গেরির বিপক্ষে।
আর্জেন্টিনার জার্সি উন্মোচনের বিজ্ঞাপনে বাংলাদেশ
কাতার বিশ্বকাপে না থেকেও ছিল বাংলাদেশ। বাংলাদেশি ফুটবল প্রেমিদের চিনেছিল গোটা বিশ্ব। বিশেষ করে চিনেছিল আর্জেন্টিনা। যাদের প্রতিটি জয়ে আনন্দ মিছিল হয়েছে দেশের বিভিন্ন জায়গায়। হাজার মাইল দূরের কোনো দেশকে স্বার্থ ছাড়াই এভাবে সমর্থন যোগানো বিরল ঘটনা।
বাংলাদেশের সমর্থকরা সেই ভালোবাসায় দেখিয়েছে আর্জেন্টিনাকে। যা জানতে পেরে বিভিন্ন সময় বাংলাদেশি সমর্থকদের প্রতি নিজেদের কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে দেশটি। এবার আরও একবার বাংলাদেশি সমর্থকদের সম্মান জানাল দেশটি। নিজেদের নতুন জার্সি উন্মোচনের প্রকাশিত ভিডিওতে বাংলাদেশি সমর্থকদের উদযাপনকে স্থান দিয়েছে তারা।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জাতীয় দলের নতুন জার্সি উন্মোচন করেছে আর্জেন্টিনা ফুটবল ফেডারেশন। ১ মিনিট ১৭ সেকেন্ডের ওই ভিডিওতে ছিলেন দেশটির মহাতারকা লিওনেল মেসি। জার্সির স্পন্সর প্রতিষ্ঠান অ্যাডিডাসের সাথে আর্জেন্টিনা ফুটবল ফেডারেশনের সম্পর্কের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে তৈরি করা হয়েছে এই বিশেষ জার্সি। যেই ভিডিওতে স্থান দেওয়া হয়েছে বাংলাদেশকেও।
ভিডিওর ৪৮ ও ৪৯ সেকেন্ডে দেয়ালে ঝোলানো একটি টিভিতে দেখা যায়, আর্জেন্টিনার জার্সি গায়ে বাংলাদেশের সমর্থকদের উল্লাস। বাংলাদেশের একটি জায়গায় বড় স্ক্রিন বসিয়ে আর্জেন্টিনার গোল উদযাপন করছেন হাজারো বাংলাদেশি।
বাংলাদেশে চলা ছাত্র-আন্দোলনেও সমর্থন ছিল আর্জেন্টিনার মিডফিল্ডার এঞ্জো ফার্নান্দেজের। বাংলাদেশি ছাত্রদের পাশে দাঁড়িয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সে সময় পোস্ট দিয়েছিলেন তিনি। এছাড়াও দলটির কোচ ও বাকিরাও নানা সময় বাংলাদেশি সমর্থকদের কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন। মাঝে সেই ভালোবাসা থেকে বাংলাদেশে এসে ঘুরে গেছেন দলটির গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেজ।
উল্লেখ্য, বিশ্বকাপ বাছাইয়ের ম্যাচে আগামী ২০ নভেম্বর পেরুর বিপক্ষে নতুন এই জার্সি গায়ে মাঠে নামবে আর্জেন্টিনা। প্যারাগুয়ের বিপক্ষে আগের ম্যাচে ২-১ গোলের হারের পর এখন ঘুরে দাঁড়ানোর মিশন মেসিদের।
বিচারের জন্য হাসিনাকে ভারত থেকে ফেরত চাওয়া হবে
বিচারের জন্য শেখ হাসিনাকে ভারত থেকে ফেরত চাওয়া হবে বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক আদালতেও জুলাই-আগস্ট গণহত্যাসহ গুম-খুনের বিচার হবে। প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ সংক্রান্ত কাজ ভালোভাবে এগিয়ে যাচ্ছে। বিচারের আওতায় পতিত স্বৈরাচার শেখ হাসিনাকেও ভারত থেকে ফেরত চাওয়া হবে।
অন্তর্বর্তী সরকারের ১০০ দিন পূর্তি উপলক্ষ্যে রোববার (১৭ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৭টায় জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে এসব কথা বলেন তিনি।
তিনি বলেন, বিগত ১৫ বছরে দেশে সংঘটিত প্রত্যেকটি গুম, খুন ও সর্বশেষ জুলাই-আগস্ট গণহত্যায় জড়িতদের আন্তর্জাতিক আদালতেও বিচারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ইন্টারন্যাশনাল ক্রিমিনাল কোর্টের প্রধান কৌশলী করিম খানের সঙ্গে ইতোমধ্যে কথা হয়েছে।
ড. ইউনূস বলেন, আমরা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রথম ১০০ দিন অতিক্রম করলাম। আপনারা জানেন কী কঠিন এক পরিস্থিতিতে আমাদের দায়িত্ব গ্রহণ করতে হয়েছে। ছাত্র-শ্রমিক-জনতার অভূতপূর্ব গণঅভ্যুত্থানের পর ফ্যাসিস্ট সরকার প্রধান পালিয়ে গেলে দেশ সরকার-শূন্য হয় সাময়িকভাবে। পুলিশ প্রশাসনও এ সময় সম্পূর্ণ নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়লে উদ্বেগজনক এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
তিনি বলেন, স্বৈরশাসনে বিপর্যস্ত এই দেশকে আমাদের সবাইকে মিলে পুনর্গঠন করতে হচ্ছে। জুলাই-আগস্ট বিপ্লবের পর আমরা এমন একটি দেশ হাতে পেয়েছি যার সর্বত্র ছিল বিশৃঙ্খলা। স্বৈরশাসন টিকিয়ে রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জনগণের মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দেওয়া হয়েছিল। বিপ্লব চলাকালে প্রায় দেড় হাজার ছাত্র-শ্রমিক জনতার শহিদি মৃত্যু হয়।
তিনি আরো বলেন, আমাদের সরকার প্রতিটি মৃত্যুর তথ্য অত্যন্ত যত্নের সঙ্গে জোগাড় করছে। এই বিপ্লবে আহত হয়েছেন ১৯ হাজার ৯৩১ জন। আহতদের জন্য ঢাকার ১৩টি হাসপাতালসহ বিভিন্ন বিশেষায়িত হাসপাতালে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রতিদিনই তালিকায় আরো নতুন নতুন শহিদের তথ্য যোগ হচ্ছে যারা স্বৈরাচারের আক্রোশের শিকার হয়ে এই পৃথিবী ছেড়ে চলে গেছেন। প্রতিটি হত্যার বিচার আমরা করবই। জুলাই-আগস্ট হত্যাকাণ্ডের বিচারের যে উদ্যোগ আমরা নিয়েছি, তার কাজও বেশ ভালোভাবে এগিয়ে যাচ্ছে। পতিত স্বৈরাচার শেখ হাসিনাকেও আমরা ভারত থেকে ফেরত চাইব।
যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি’র জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন
নিউইয়র্ক (ইউএনএ): বিএনপির স্থায়ী কমিটির অন্যতম সদস্য, সাবেক মন্ত্রী মেজর (অব:) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম পচাত্তুরের সাতই নভেম্বরের ঘটনা তুলে ধরে বলেছেন, ঐদিনের পথ ধরেই শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান রাষ্ট্র ক্ষতায় আসেন এবং পরবর্তীতে বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেন। দেশের স্বাধীন যুদ্ধ ঘোষণা থেকে শুরু করে আমৃত্যু রাষ্ট্র পরিচালনায় জিয়া প্রকৃত দেশ প্রেমিক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। স্বাধীনতার ঘোষক জিয়া ছিলেন সৎ ও সফল রাষ্ট্র নায়ক। মেজর হাফিজ বলেন, পচাত্তুরে ‘সিপাহী-জনতা’র সংহতির মধ্য দিয়ে জিয়া সেনাবাহিনীর বন্দিদশা থেকে মুক্ত হন এবং সেসময় দেশে যে ঐক্যের সৃষ্টি হয়েছিলো, সেই ঐক্য আর সংহতি আমাদের জাতীয় জীবনে অনুপ্রেরণা হয়ে রয়েছে। তিনি বলেন, দেশকে সুসংগঠিত করতে ঐক্যের কোন বিকল্প নেই। খবর ইউএনএ’র।
কমিটি বিহীন যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি’র সমন্বয়ক কমিটির আয়োজনে এবং যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি’র ব্যানারে ঐতিহাসিক সাতই নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ পালন সভায় ভার্চ্যুয়ালী প্রধান অতিথির বক্তব্যে মেজর (অব:) হাফিজ উপরোক্ত কথা বলেন। মঙ্গলবার (১২ নভেম্বর) সন্ধ্যায় নিউইয়র্ক সিটির জ্যাকসন হাইটসের একটি পার্টি হলে এই সভার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত ও বিশেষ দোয়া মুনাজাত পরিচালণা করেন জাতীয়তাবাদী ফোরাম যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক সভাপতি মওলানা ওমর ফারুক। এরপর ৫২’র ভাষা আন্দোলন ও একাত্তুরের মহান মুক্তিযুদ্ধ সহ দেশের সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলনে শহীদের স্মরণে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।

যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ডা. মজিবুর রহমান মজুমদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ বক্তা ছিলেন রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজের সাবেক ছাত্রদল নেতা ড. জাহিদ দেওয়ান শামীম। বিশেষ অতিথি ছিলেন যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা যুগ্ম সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন, সাবেক ছাত্র নেতা আব্দুস সবুর, যুক্তরাষ্ট্র যুবদলের সাবেক নেতা শাহ আলম ও নিউইয়র্ক ষ্টেট বিএনপি’র সাবেক যুগ্ম আহবায়ক নাসিম আহমেদ।
যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা সদস্য মোশাররফ হোসেন সবুজ ও কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মাকসুদুল হক চৌধুরীর যৌথ পরিচালনায় সভায় বিশিষ্ট লেখক ও সাংবাদিক সাঈদ তারেক, বীর মুক্তিযোদ্ধা মশিউর রহমান ও সুরুজ্জামান, ঝালকাঠি জেলা বিএনপি’র সহ সভাপতি আলহাজ শহীদুল ইসলাম শিকদার, মহিলাদল নেত্রী সৈয়দা মাহামুদা শিরিন মঞ্চে উপবিষ্ট ছিলেন।

সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন জাতীয়তাবাদী ফোরাম যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোতাহার হোসেন। সভায় অন্যান্যের মধ্যে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় এলামনাই এসোসিয়েশন ইউএসএ’র সভাপতি জুনায়েদ আল জাফরি, সহ-সভাপতি আজিজুল বারী তিতাস, জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত মেকাপম্যান মৃধা মোঃ জসিম উদ্দিন, সাবেক ছাত্রনেতা জীবন শফিক, মাসুদ হোসেন ও হুমায়ূন কবির, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী গণদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি ও জাসাস নেতা নাজমুল হুসাইন মুন্সী, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক রাশেদ রহমান, বরিশাল জাতীয়তাবাদী ফোরাম ইউএসএ’র সাধারণ সম্পাদক মাযহারুল ইসলাম মিরন, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক কেন্দ্রীয় সদস্য নূর আলম, হাবিবুর রহমান হাবিব, যুক্তরাষ্ট্র শ্রমিক দলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল কালাম, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মাহমুদুল হক, বিএনপি নেতা ফারুক আহমেদ, মোঃ তালেব মাতবর, যুবনেতা বাচ্চু মিয়া, আল মামুন, ফরহাদ মৃধা, আদনান, আরমান প্রমুখ বক্তব্য রাখেন বলে আয়োজকরা জানান।
সভায় ডা. মজিবুর রহমান মজুমদার বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা, পচাত্তুরের সাতই নভেম্বর, জাতীয় সংহতি, বিএনপি’র প্রতিষ্ঠা আর জুলাই-আগষ্ট বিপ্লব একই সূত্রে গাঁথা। তিনি বলেন, দেশের চলমান পরিস্থিতির প্রেক্ষপটে পচাত্তুরের সাতই নভেম্বরের ঘটনা গভীরভাবে পর্যালোচনা দাবী রাখে। তাই ইতিহাস থেকে আমাদের সত্য ঘটনা জেনে আগামীর বাংলাদেশ গড়তে হবে। বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া আর ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপিকে শক্তিশালী করতে হবে।
নিউইয়র্ক প্রবাসী লেখক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক মাহমুদ রেজা চৌধুরীর পুত্র তানজিরের ইন্তেকাল
নিউইয়র্ক (ইউএনএ): বিশিষ্ট লেখক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক মাহমুদ রেজা চৌধুরী এবং সাবেক ব্যাংকার সুরাইয়া খানমের একমাত্র পুত্র তানজির রেজা চৌধুরীর নামাজে জানাজা শনিবার (১৬ নভেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টায় জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টারে (জেএমসি) অনুষ্ঠিত হবে। জানাজা নামাজ শেষে তানজিরের মরদেহ লং আইল্যান্ডের ওয়াশিংটন মেমোরিয়াল পার্ক কবরস্থানে দাফন করা হয়।
উল্লেখ্য, হার্ট অ্যাটাকের শিকার হয়ে তানজির রেজা চৌধুরী শুক্রবার (১৫ নভেম্বর) সকালে নিউইয়র্কের লং আইল্যান্ডস্থ নরশোর হাসপাতালের শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। তার বয়স হয়েছিলো ৩৯ বছর। মৃত্যুকালে তানজির স্ত্রী এটর্নী সুরাইয়া রহমান ও মা-বাবা সহ অনেক আত্মীয়-স্বজন রেখে যান। খবর ইউএএ’র।

তানজির রেজা চৌধুরীর নামাজে জানাজায় সর্বস্তরের প্রবাসী বাংলাদেশী অংশ নেন। এছাড়াও বিপুল সংখ্যক বিদেশীও সমবেদনা জানাতে জেএমসিতে উপস্থিত হন। জেএমসি-তে তার মরদেহ আনার পর শেষবারের মতো তাকে দেখার সময় তাঁর মা-বা সহ অনেকেই কান্নায় ভেঙে পড়েন। এসময় বাবা মাহমুদ রেজা চৌধুরী পুত্রের কফিনের পাশে দাঁড়িয়ে বিশেষ দোয়া মুনাজাত করেন। এরপর জানাজা নামাজের পূর্বে উপস্থিত মুসল্লীদের উদ্দেশ্যে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন এবং একমাত্র পুত্রের জন্য দোয়া কামনা করেন। এরপর জেএমসি’র ইমাম ও খতিব মির্জা আবু জাফর বেগ সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন।
এদিকে মাহমুদ রেজা চৌধুরী বার্তা সংস্থা ইউএনএ-কে জানান, কয়েক সপ্তাহ আগা তানজির স্বস্ত্রীক থাইল্যান্ড বেড়াতে যায়। সেখানে অসুস্থবোধ করলে দ্রুত নিউইয়র্ক ফিরে আসে। পরবর্তীতে তানজির চিকিৎসকদের দারস্ত হয় এবং শরীর খারাপ বোধ করলে চিকিৎসকের পরামর্শে লং আইল্যান্ডের নর্থশোর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে তার হার্টে একটি ৯০% এবং অপরটি ১০০% ব্লক ধরা পড়লে তাৎক্ষনিকভাবে রিং পড়ানো হয়। এরপর হাসপাতালে সপ্তাহ খানেক থাকার পর চিকিৎসকরা তাকে বাসায় বেড রেষ্টে থাকার পরামর্শ দিয়ে হাসপাতালথেকে রিলিজ করে দেয়। গত ১৪ নভেম্বর বৃহস্পতিবার পর্যন্ত তানজিরের শারীরিক অবস্থা ষ্টেবল ছিলো। এদিন মাহমুদ রেজা চৌধুরী স্বস্ত্রীক পুত্রকে দেখতে তার লং আইল্যান্ডের বাসায় দেখতে যান এবং দীর্ঘ সময় মা-বাবা পুত্রের সাথে সময় কাটান। এটাই ছিলো পুত্র তানজিরের সাথে মা-বাবার শেষ দেখা ও কথা। এর পরদিন শুক্রবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে পুত্রবধু এটর্নী সুরাইয়া রহমান জরুরী ফোন কলে জানান যে, তানজিরের অবস্থা খারাপ এবং তাকে হাসপাতালে নেয়ার পর চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
শোক প্রকাশ: কমিউনিটির পরিচিত মুখ, বিশিষ্ট লেখক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক মাহমুদ রেজা চৌধুরীর পুত্র বিয়োগে নিউইয়র্কের বিভিন্ন বাংলা মিডিয়ার সম্পাদক, সাংবাদিক, কবি-লেখক এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করে মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেছেন।


