Home Blog Page 528

রেকর্ড রান তাড়া করে ফাইনালে পাকিস্তান

০

ফাইনালের টিকিট আগেই কেটেছিল নিউজিল্যান্ড। অপেক্ষা ছিল তাদের প্রতিপক্ষ কে হবে, তা জানার। সেই উত্তর মিলেছে গতরাতে, দক্ষিণ আফ্রিকাকে উড়িয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজের শিরোপার শেষ লড়াইয়ে পাকিস্তান।

অলিখিত সেমিফাইনালে পরিণত হওয়া ম্যাচে বুধবার পাকিস্তানের জয় ৬ উইকেটে। করাচিতে আগে ব্যাট করে ৫ উইকেটে ৩৫২ রান তুলে প্রোটিয়ারা। স্বাগতিকরা যা পেরিয়ে যায় অনেক রেকর্ডের জন্ম দিয়ে ৬ বল বাকি থাকতে।

যা ওয়ানডেতে পাকিস্তানের সর্বোচ্চ রান তাড়ায় জয়। এর আগে ২০২২ সালে লাহোরে তারা অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়েছিল সর্বোচ্চ ৩৪৯ রানের লক্ষ্য তাড়া করে। যদিও পরে ব্যাট করে ৩৬১ রান করার নজির আছে তাদের। তবে জয় আসেনি সেই ম্যাচে।

রেকর্ড ভাঙা-গড়ার এই ম্যাচে রেকর্ড হয়েছে বেশ কয়েকটি। পাকিস্তানকে জেতাতে মোহাম্মদ রিজওয়ান ও আগা সালমান মিলে যোগ করেন ২৬০ রান। যা চতুর্থ উইকেট জুটিতে পাকিস্তানের সর্বোচ্চ রান।

দু’জনেই সেঞ্চুরির দেখা পান। ক্যারিয়ারের প্রথম ওয়ানডে সেঞ্চুরি তুলে ১০৩ বলে ১৩৪ রান করেন আগা সালমান। অপরাজিত থাকা রিজওয়ানের ব্যাটে আসে ১২৮ বলে ১২২ রান।

পাকিস্তানকে জয়ের পথটা দেখিয়ে গিয়েছিলেন দুই ওপেনার ফখর জামান ও বাবর আজম। প্রথম ৩৭ বলেই তারা তুলেছিলেন ৫৭ রান। জুটি ভেঙে বাবর ফেরেন ১৯ বলে ২৩ করে। তবে তিনে নামা সৌদ শাকিল সুবিধা করতে পারেননি (১৫)।

পরের ওভারে ফখর ফেরেন ২৮ বলে ৪১ রান করে। ১০.৪ ওভারে ৯১ রানে ৩ উইকেট হারায় পাকিস্তান। তবে পরের উইকেট পেতে প্রোটিয়াদের অপেক্ষা করতে হয় ৪৮.৫ ওভার পর্যন্ত। সালমান ফেরেন জয় থেকে ২ রান দূরে থাকতে।

এর আগে দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটাররাও রানের দেখা পান। যদিও কোনো সেঞ্চুরি আসেনি, তবে বড় ইনিংস খেলেন তিনজন। টেম্বা বাভুমা ৯৬ বলে ৮২, ৮৪ বলে ম্যাথু ব্রিটজকে ৮৩ ও ৫৬ বলে হেইনরিখ ক্লাসেন ৮৭ রান করেন।

শেষ দিকে ঝড় তোলেন কাইল ভেরাইনেও। ৩২ বলে ৪৪ রানে অপরাজিত ছিলেন তিনি। পাকিস্তানের হয়ে শাহিন শাহ আফ্রিদি নেন ২ উইকেট, নাসিম শাহ ও খুশদিল শাহর শিকার ১টি করে।

উল্লেখ্য, পাকিস্তান, দক্ষিণ আফ্রিকা ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যকার এই ত্রিদেশীয় সিরিজে টানা দুই ম্যাচ জিতে আগেই ফাইনালে পৌঁছে যায় কিউইরা। শুক্রবার পাকিস্তানের বিপক্ষে শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে মুখোমুখি হবে তারা।

সাবিনাদের কি গতি হবে

০

সাবিনা খাতুনের সাথে দুই দফা আলোচনা বাফুফে সভাপতি তাবিথ আওয়ালের। সর্বশেষ গত পরশুও বাংলাদেশ মহিলা দলের অধিনায়ক সাবিনাকে ডেকে তার সাথে কথা বলেন তাবিথ। এরপরও মন গলেনি বাংলাদেশ ক্যাপ্টেনের। অনঢ় অবস্থানে তার নেতৃত্বে ১৮ ফুটবলার।

বাফুফে অবশ্য আপাতত এই বিদ্রোহী ফুটবলারদের চুক্তির বাইরে রেখেছে। চুক্তিতে নতুন ফুটবলাররা। সাবিনাদের দাবিকে আমলে না নেয়া, কোচ হিসেবে পিটার বাটলারকে বহাল রেখেই অন্যদের নিয়ে অনুশীলন চালানো এবং বিদ্রোহীদের চুক্তির বাইরে রাখা সবই কিন্তু সাবিনাদের বিষয়ে বাফুফের কঠোর মনোভাবেরই বহিঃপ্রকাশ।

এরপরও নড়চড় নেই সাবিনাদের অবস্থানের। তারা পিটাল বাটলার থাকলে অনুশীলনই করবে না। ১৮ ফুটবলার নিজ উদ্যোগে জিম সেশন করছে। তবে এভাবে চলতে থাকলে ফিটনেসে একেবারেই পিছিয়ে পড়বেন সাবিনারা। তখন ফের অবস্থানের বদল হলেও ফিটনেস ঘাটতির জন্য দলে জায়গা পাওয়া কঠিনই হয়ে যাবে তাদের। এতে জাতীয় দল সাময়িক ভাবে মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্থ হবে।

এই গ্যাপ হয়তো বাংলাদেশ কিছু দিন পরেই পুষিয়ে নেবে, কিন্তু এই বিদ্রোহীরা বাতিলের খাতায় চলে গেলে তাদের ফেরা প্রায় অসম্ভব হয়ে যাবে লাল-সবুজ জার্সিতে। এতে ক্রমশই হারিয়ে যাবেন এই তারকা ফুটবলাররা।

বাংলাদেশের নারী ফুটবলে প্রতিভার অভাব নেই। একজন চলে গেলে অন্যজন সেই জায়গা পূরন করে নিচ্ছেন দ্রুতই। ২০২২ মহিলা সাফে চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ দল থেকে পরে সরে যান ডিফেন্ডার আঁখি খাতুন ও সিরাত জাহান স্বপ্না। এই দুই গুরুত্বপূর্ন ফুটবলারকে ছাড়াই গত বছর সাফ শিরোপা ধরে রাখে বাংলাদেশ।

২০২২ এর চ্যাম্পিয়ন দলের অন্যতম এবং ফাইনালে জোড়া গোল করা কৃষ্ণা রানী সরকার গত সাফের দলে থাকলেও নিয়মিত খেলতে পারেননি। তার অভাবও বুঝতে দেননি অন্যরা। এর আগে ডিফেন্ডার নার্গিস, মিডফিল্ডার মৌসুমী, স্ট্রাইকার আনু চিংরা বাদ গেলেও দলের কোনো সমস্যা হয়নি। এতেই বুঝা যাচ্ছে এক জনের গ্যাপ পূরনে অন্যজন বেশ ভালো ভাবেই সক্ষম।

এমনিতেই সিনিয়রদের জায়গা টালমাটাল হয়ে গেছে উঠতিদের পারফরম্যান্সের কারনে। বাফুফের সুদৃঢ় পাইপ লাইনের কারণেই একের পর এক প্রতিভা উঠে আসছে এবং প্রমানও দিচ্ছে মাঠে। এখন এই বিদ্রোহ আরো বেকায়দায় ফেলে দিয়েছে সাবিনাদের।

মোটামুটি নিশ্চিত কোচ বাটলারকে কোনোভাবেই বাদ দেবে না বাফুফে। আবার সাবিনাদের কোচ বয়কটের আন্দোলনের পরও বাফুফে এখনো তাদের নিয়েই আগামী জাতীয় দল গঠনেরই পক্ষে। যে কারণে এতো বড় শৃঙ্খলা ভঙ্গের কাজ করলেও এখনো তাদের বহিস্কার করা হয়নি। ক্যাম্পে রেখে খাওয়ানো হচ্ছে।

সভাপতি তাবিথ আওয়াল চাচ্ছেন, কোচ বাটলার আর সাবিনাদের মধ্যে সুসম্পর্ক রেখেই জাতীয় দলের সাফল্যকে এগিয়ে নিতে। তাই ফের সাবিনাকে আলোচনার টেবিলে ডাকা বাফুফে সভাপতির। তবে এরপরও যদি ১৮ ফুটবলার তাদের আন্দোলন চালিয়ে যান তাহলে বাফুফেকে কঠোর হতেই হবে। তখন এই বিদ্রোহের অপরাধে বাদ পড়ার মতো শাস্তি পেতে হবে ১৮ ফুটবলারকে।

বাদ পড়লে যে এরা নিজ পারফরম্যান্সের গুনে ফিরে আসবে জাতীয় দলে সেটাও বেশ কঠিন। ফেরার মাধ্যম লিগ বা ফ্রাঞ্চাইজি লিগ। এই লিগ গুলো কবে হবে সেটারও ঠিক নেই। তাই নিজেদের অপরাধের জন্য ১৮ ফুটবলার যদি বাদ পড়েন জাতীয় দল থেকে তাহলে তারা অস্তিত্বের সংকটেই ভুগবে। তখন হয়তো বিভিন্ন জেলার অনুপযুক্ত মাঠে খ্যাপেই হবে ভরসা। কেউ কেই খেলায় ছেড়ে দেবেন। বিষয়টিকে নিয়ে কেউ কেউ ইস্যু বানানোর চেস্টা করছেন। তবে এই ফুটবলাররা বাদ পড়লে তখন আর কাউকে খুঁজে পাওয়া যাবে না।

এদিকে গতকালও বাফুফের নারী উইংয়ের প্রধান মাহফুজা আক্তার সাবিনাদের ডেকে বুঝিয়েছেন। বলেছেন, তোমাদের চুক্তিপত্র প্রস্তুত। অনুশীলনে যোগ দিয়ে চুক্তিপত্রে সই করো। তবে প্র্যাকটিসে না গেলে চুক্তিতে সই করা যাবে। সেখানেও অনঢ় অবস্থান ১৮ ফুটবলারের।

সূত্র মতে, নারী উইং থেকে যা যা করনীয় তা করা হয়েছে। এখন সিদ্ধান্ত বাফুফের হায়ার অথরিটির।

ভারতের আগে পাকিস্তানের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ

০

অবশেষে চ্যাম্পিয়নস ট্রফির আগে প্রস্তুতির একটা উপলক্ষ পেল বাংলাদেশ। আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতের মুখোমুখি হওয়ার ও আসর শুরুর আগে পাকিস্তান শাহিনসের বিপক্ষে খেলবে টাইগাররা।

চ্যাম্পিয়নস ট্রফির আগে বাংলাদেশের প্রস্তুতি নিয়ে প্রশ্ন আগেই উঠেছিল। ওয়ানডে তো বটেই, দু’মাসের বেশি সময় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটেই নেই টাইগাররা। মুশফিক-তাসকিনরা ব্যস্ত সময় কাটিয়েছেন বিপিএলে।

তবে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের আড়মোড়া ভাঙার সুযোগ পাচ্ছিল না বাংলাদেশ। সরাসরিই খেলতে হতো চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে, ভারতের বিপক্ষে। তবে এমতাবস্থায় টাইগারদের গুছিয়ে ওঠার একটা সুযোগ দিলো আইসিসি।

একটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলার সুযোগ পাচ্ছে বাংলাদেশ দল। আনুষ্ঠানিক আসর শুরুর আগে ১৭ ফেব্রুয়ারি দুবাইয়ের আইসিসি ক্রিকেট অ্যাকাডেমি মাঠে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ পাকিস্তান শাহিনস। যে দলটির নেতৃত্ব দেবেন মোহাম্মদ হারিস।

আছেন পাকিস্তান দলের আরো বেশ কয়েকজন পরিচিত মুখ। তাদের মাঝে আছেন আমের জামাল, মোহাম্মদ ওয়াসিম জুনিয়র, উসামা মির, সাহিবজাদা ফারহানরা।

আজ বৃহস্পতিবার চ্যাম্পিয়নস ট্রফির অফিশিয়াল ওয়ার্মআপ ম্যাচের সূচি ঘোষণা করেছে আইসিসি। যেখানে সবমিলিয়ে চারটি ওয়ার্মআপ ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।

বাংলাদেশ ছাড়াও আফগানিস্তান, নিউজিল্যান্ড ও দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে লড়বে শাহিনস নামে পাকিস্তানের আলাদা তিনটি দল।

শাদাব খানের নেতৃত্বে একটি দল লড়বে আফগানিস্তানের বিপক্ষে। আর মোহাম্মদ হুরাইরার নেতৃত্বাধীন পাকিস্তান শাহিনস খেলবে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে।

গাজায় ‘জাহান্নামের সব দরজা’ খুলে দেয়ার হুমকি ইসরাইলের

০

দু’দিনের মধ্যে পণবন্দীদের মুক্তি দেয়া না হলে গাজাবাসীর জন্য ‘জাহান্নামের সব দরজা’ খুলে দেয়ার হুমকি দিয়েছে ইসরাইলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ।

বুধবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) এক বিবৃতিতে তিনি এমন হুমকি দিয়েছেন।

তার এই হুমকিকে পরোয়া করছে না বলে পাল্টা জবাব দিয়েছে ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসও। এতে দুই পক্ষের মধ্যে হওয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তির বাস্তবায়ন নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে। যদিও চুক্তিটি টিকিয়ে রাখতে চেষ্টা করছে মধ্যস্থতাকারী দেশ কাতার ও মিসর।

গত ১৯ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তির আওতায় আগামী শনিবারে (১৫ ফেব্রুয়ারি) তিন ইসরাইলি পণবন্দীকে মুক্ত করে দেয়ার কথা রয়েছে।

তবে স্থানীয় সময় সোমবার (১০ ফেব্রুয়ারি) এক বিবৃতিতে পরবর্তী নির্দেশনা না দেয়া পর্যন্ত আর কোনো ইসরাইলি পণবন্দীকে মুক্তি দেয়া হবে না বলে জানান হামাসের সামরিক শাখা কাশেম ব্রিগেডের এক মুখপাত্র।

হামাসের এই সিদ্ধান্তকে ‘যুদ্ধবিরতি চুক্তির পুরোপুরি লঙ্ঘন’ বলে দাবি করেছে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী।

হামাসকে হুমকি দিয়ে মঙ্গলবার (১১ ফেব্রুয়ারি) ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, “হামাস যদি জিম্মি মুক্তির সময়সীমা মেনে না চলে তাহলে ‘তীব্র লড়াই’ শুরু করবে ইসরাইল।”

নেতানিয়াহু আরো বলেন, তিনি গাজার ভেতরে ও আশপাশে ইসরাইলি বাহিনীকে জড়ো হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। এর কিছুক্ষণ পরই গাজা সীমান্তবর্তী ইসরাইলের দক্ষিণাঞ্চলে অতিরিক্ত সেনা পাঠানো ও রিজার্ভ সেনা মোতায়েনের ঘোষণা দেয় ইসরাইলের সামরিক বাহিনী।

এ ছাড়াও হামাসের সিদ্ধান্তে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সোমবার (১০ ফেব্রুয়ারি) হোয়াইট হাউসে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘শনিবারের মধ্যে বন্দীবিনিময় সম্পন্ন না করা হলে যুদ্ধবিরতি চুক্তি বাতিল হওয়া উচিত।’

তবে ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর হুমকিকে উড়িয়ে দিয়েছে হামাস। মঙ্গলবার হামাসের এক নেতা সব ধরনের হুমকি উড়িয়ে দিয়ে বলেন, ‘কেবল যুদ্ধবিরতি চুক্তি মেনে চললেই গাজা থেকে পণবন্দীদের ফেরত নিতে পারবে ইসরাইল।’

এ পরিস্থিতে মধ্যস্থতাকারী দেশগুলো চুক্তি বজায় রাখতে তৎপরতা শুরু করেছে। যুদ্ধবিরতি চুক্তি নিয়ে আলোচনার জন্য হামাসের একটি প্রতিনিধি দল মিসরে অবস্থান করছে।

এই আলোচনায় সংশ্লিষ্ট নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মিসরীয় কর্মকর্তা বলেন, ইসরাইল ও গাজা একটি সমঝোতায় আসতে চলেছে। গাজায় আরো বেশি তাঁবু, আশ্রয়কেন্দ্র ও ভারী সরঞ্জাম পাঠানোতে সম্মত হয়েছে ইসরাইল।

হামাসের কর্মকর্তা মাহমুদ মারদাওই বলেন, শনিবার তিন ইসরাইলি বন্দীর মুক্তির ক্ষেত্রে ‘ইতিবাচক ইঙ্গিত’ রয়েছে। তবে চুক্তি মেনে চলার ব্যাপারে ইসরাইলের প্রতিশ্রুতির ব্যাপারে কোনো আনুষ্ঠানিক বার্তা তারা পাননি।

অপরদিকে, চুক্তি বজায় রাখার এই চলমান আলোচনা প্রসঙ্গে কোনো মন্তব্য করেনি ইসরাইলের কর্মকর্তারা।

সূত্র : এপি/ইউএনবি

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে সম্মত ট্রাম্প ও পুতিন

০

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাথে বুধবার রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ‘দীর্ঘ ও অত্যন্ত ফলপ্রসূ’ ফোনালাপ হয়েছে। ফোনালাপে তারা ইউক্রেন যুদ্ধ অবসানে আলোচনা শুরু করতে সম্মত হয়েছেন।

ট্রাম্প তার মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে এক বার্তায় জানান, তিনি এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট তাদের নিজ নিজ দলগুলোর অবিলম্বে আলোচনা শুরু করার বিষয়ে সম্মত হন এবং একে অপরকে তাদের নিজ নিজ রাজধানী পরিদর্শনের আমন্ত্রণ জানান।

তিনি আরো বলেন, ‘কিন্তু প্রথমেই আমরা দুজনে একমত হয়েছি যে আমরা রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে লাখ লাখ মানুষের প্রাণহানি বন্ধ করতে চাই। এমনকি প্রেসিডেন্ট পুতিন আমার প্রচারণার নীতিবাক্য ‘কমন সেন্স’ ব্যবহার করেছেন। আমরা দুজনেই এটি খুব দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি।’

তিনি বলেন, ‘আমরা একে অপরের দেশ পরিদর্শনসহ খুব ঘনিষ্ঠভাবে একসাথে কাজ করতে সম্মত হয়েছি। আমরা আমাদের নিজ নিজ দলগুলোর অবিলম্বে আলোচনা শুরু করার বিষয়ে সম্মত হয়েছি এবং আমরা ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কিকে ফোন করে আলোচনার বিষয়ে অবহিত করব।’

ট্রাম্প আরো জানান, তিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, সিআইএ’র পরিচালক জন র‍্যাটক্লিফ, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা মাইকেল ওয়াল্টজ এবং তার বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফকে আলোচনার নেতৃত্ব দেয়ার জন্য অনুরোধ করেছেন।

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ অবসানে এ আলোচনা সফল হবে বলে তিনি মনে করেন।

সূত্র : বিবিসি ও আনাদোলু অ্যাজেন্সি

পাকিস্তান সফরে এরদোগান

০

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়েব এরদোগান দু’দিনের সরকারি সফরে পাকিস্তানের ইসলামাবাদে পৌঁছেছেন। প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের আমন্ত্রণে তিনি এই সফরে এসেছেন।

বৃহস্পতিবার ভোরে রাওয়ালপিন্ডির নূর খান এয়ারবেসে অবতরণের পর পাকিস্তানের শীর্ষ কর্মকর্তারা তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান।

এরদোগানের আগমনের পর পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারি, প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ, ফার্স্ট লেডি আসিফ ভুট্টো, উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার, প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা মুহাম্মদ আসিফ, তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার এবং অন্যান্য ঊর্ধ্বতন সরকারি ব্যক্তিত্বরা তাকে স্বাগত জানান।

এ সফরে প্রেসিডেন্ট এরদোগান ও প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদারে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে অংশ নেবেন। সফরের মূল অংশ হিসেবে পাকিস্তান-তুরস্ক উচ্চপর্যায়ের কৌশলগত সহযোগিতা পরিষদের (এইচএলএসসিসি) সপ্তম বৈঠকে সহ-সভাপতিত্ব করবেন প্রেসিডেন্ট এরদোগান ও প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ।

এই বৈঠকের পর একটি যৌথ ঘোষণা দেয়া হবে এবং দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের উন্নয়নে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হবে। দুই নেতা এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনেও বক্তব্য রাখবেন। প্রেসিডেন্ট এরদোগান পৃথকভাবে প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ ও প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারির সাথে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন।

ভারতীয় সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে মন্তব্য, আদালতে তলব রাহুল গান্ধীকে

০

ভারত জোড়ো যাত্রার সময় ভারতীয় সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে অবমাননাকর মন্তব্যের অভিযোগে লক্ষ্ণৌয়ের একটি আদালত বিরোধী দলের নেতা রাহুল গান্ধীকে তলব করেছে।

মার্চ মাসের শেষ সপ্তাহে উত্তরপ্রদেশের রাজধানী লক্ষ্ণৌয়ের এমপি এমএলএ আদালতে তাকে হাজির হতে হবে। এ বিশেষ আদালতটি এমপি ও বিধায়কদের বিরুদ্ধে মামলার বিচার করে।

ভারতীয় সেনাবাহিনীর সড়ক নির্মাণ সংস্থা বর্ডার রোড অর্গানাইজেশনের (বিআরও) সাবেক পরিচালক উদয় শঙ্কর শ্রীবাস্তব সেনাবাহিনীকে নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্যের জন্য রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ দায়ের করেন। তার অভিযোগের ভিত্তিতে মানহানির মামলা করা হয়।

মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, রাহুল গান্ধী ২০২২ সালের ডিসেম্বরে ভারত জোড়ো যাত্রার সময় ভারতীয় সেনাবাহিনী সম্পর্কে মন্তব্য করেছিলেন যে অরুণাচল প্রদেশে চীনা সৈন্যরা ভারতীয় সৈন্যদের মারধর করছে।

তার এ মন্তব্য তীব্র সমালোচনার জন্ম দেয় এবং ব্যাপক রাজনৈতিক বিরোধের সৃষ্টি করে। এ সময় অনেক বিজেপি নেতা তাকে দেশদ্রোহী বলে অভিহিত করেন এবং রাজীব গান্ধী ফাউন্ডেশনে চীনা আতিথেয়তা ও তহবিল গ্রহণের জন্য তার পরিবারের বিরুদ্ধে অভিযোগও করেন।

তবে এসব অভিযোগ রাহুল গান্ধীকে চীন ইস্যুতে সরকারের সমালোচনা করা থেকে বিরত রাখতে পারেনি।

সূত্র : এনডিটিভি

শেখ হাসিনাকে প্রধান আসামি করে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ বিএনপির

গত বছরের জুলাই-আগস্টে আন্দোলন চলাকালে দেশব্যাপী ৮৪৮ নেতাকর্মী নিহত হয়েছেন দাবি করে শেখ হাসিনাকে প্রধান আসামি করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দায়ের করেছে বিএনপি।

বৃহস্পতিবার সকালে ট্রাইব্যুনালে এ অভিযোগ দায়ের করা হয় বলে জানিয়েছেন বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির।

গত বছরের ১ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত সারাদেশে আন্দোলনে বিএনপির নেতাকর্মীরাও অংশ নেন।

দলটি ৮৪৮ জন নিহতের তালিকা ট্রাইব্যুনালে জমা দিয়েছে। একইসাথে দেশব্যাপী হওয়া মামলার এজাহার, পত্রিকার ছবি, অডিও ভিডিও জমা দেয়া হয়েছে।

শেখ হাসিনার পাশাপাশি সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আছাদুজ্জামান খান কামাল, আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, তথ্যমন্ত্রী আরাফাতসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের আসামি করা হয়েছে।
সূত্র : বিবিসি

প্রয়োজনীয় সংস্কার ছাড়া জাতীয় নির্বাচন নয় : জামায়াত সেক্রেটারি

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, ‘সংস্কার ছাড়া জাতীয় নির্বাচন করা যাবে না। নির্বাচন করার জন্য যে সংস্কার লাগে সেটুকুর জন্য জামায়াতে ইসলাম দিতে প্রস্তুত।’

তিনি বলেন, ‘সেটি করতে অনেক সময় লাগবে এবং সেটি নির্বাচিত সরকারের কাজ। তবে অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় সংস্কার করে নির্বাচনের পক্ষে জামায়াত।’

আজ বৃহস্পতিবার আগারগাওস্থ নির্বাচন ভবনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পারওয়ার ইসির সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের কাছে তিনি এ কথা বলেন।

এর আগে, অধ্যাপক মিয়া গোলাম পারওয়ারের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন, চার নির্বাচন কমিশনার, ইসি সচিরে সাথে প্রায় দু’ঘণ্টা বৈঠক করেন।

জামায়াত সেক্রেটারি বলেন, ‘অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য করার লক্ষ্যে সুন্দর আলোচনা হয়েছে। আমরা লিখিত প্রস্তাবও দিয়েছি। আন্তরিকতা ও সৌহার্দপূর্ণ পরিবেশে আলোচনা করেছি। তারা সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন। সক্ষমতা, সীমাবদ্ধতা নিয়েও আলোচনা করেছি। ২৩টি সুনির্দিষ্ট বিষয়ে আলোচনা করেছি।’

নিবন্ধন নিয়ে আলোচনা হয়েছি কি না? জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এটা আদালতের বিষয়। আমরা আশা করি, ন্যায় বিচার পাবো। আশা করি, সুবিচার পাবো।’

দলের প্রতীকের বিষয়টি নজরে আনলে তিনি বলেন, ‘আমাদের দলীয় প্রতীক তো আছেই। আশা করি, আমরা আদালত থেকে ন্যায় বিচার পাবো।’

জামায়াতের সেক্রেটারি বলেন, ‘জনগণের আকাঙ্খা স্থানীয় নির্বাচন আগে হোক। আমরা জনগণের এই আকাঙ্খাকে সমর্থন করি। আমরা আনুপাতিক নির্বাচন চেয়েছি, কালো টাকা মুক্ত করে অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য। আরপিওতে ৯১ (এ) সংশোধন করে ইসির ক্ষমতা খর্ব করা হয়েছিল। সেটা বহাল করতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘প্রবাসী ভোটারদের ভোট নিশ্চিত করতে হবে। ভোটার তালিকা হালনাগাদে হয়রানি নিরসনের অনুরোধও করেছি।’

তিনি আরো বলেন, ‘সংবিধানে প্রতিটি নাগরিকের দল করার অধিকার আছে। নিবন্ধন শর্ত কঠিন করে সেই অধিকার খর্ব করা হয়েছে। সেটা সহজ করার জন্য বলেছি। সরকারি চাকরি থেকে অবসরের তিন পর নির্বাচনে অংশ নেয়ার বিধান আনতে বলেছি।’

ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচনের প্রস্তুতিতে একমত কি না? জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘মাস আমাদের কাছে বিষয় না। বিষয় হলো প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষ করতে হবে। ৩০০ আসনে প্রার্থী দেয়ার সক্ষমতা জামাতের আছে। আমরা প্রস্তুত।’

জাতিসঙ্ঘের মানবাধিকার কমিশনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে তারা গুম, খুন নিয়ে যে তদন্ত করেছে সেখানে জামায়াতের পক্ষ থেকে তারা কোনো সহযোগিতা পায়নি। এই বিষয়ে আপনাদের দলের অবস্থান কি? সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এটি নিয়ে গতকালকে আমরা গণমাধ্যমে কথা বলেছি। এই তথ্য সঠিক নয়। আমরা চেক করে দেখেছি। আমরা জাতিসঙ্ঘ হিউম্যান রাইটস কমিশনের সাথে তথ্য, যত ফ্যাক্স, যত মেইল সব আমরা রেসপন্স করেছি। এই তথ্যটা কিভাবে এসেছে আমরা চেক করবো। আমরা তথ্য যাচাই করেছি, তথ্যটা সঠিক নয়।’

ইসি কর্মকর্তারা জানান, ‘নিবন্ধন বাতিলের আগে নির্বাচন কমিশনে দলটির সর্বশেষ যোগাযোগ হয়েছিল ২০১২ সালের ২ ডিসেম্বর। সে সময় নিবন্ধন বাঁচাতে দলটি গঠনতন্ত্রে সংশোধন এনে জমা দিয়েছিল। ওই দিন তৎকালীন আইনবিষয়ক সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় ওয়ার্কিং কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট জসীম উদ্দিন সরকার সংশোধিত গঠনতন্ত্রের মুদ্রিত কপি কমিশনে জমা দেন। পরবর্তীতে ২০১৩ সালের ১ আগস্ট আদালত জামায়াতের নিবন্ধন অবৈধ ঘোষণা করে রায় দিলে নির্বাচনে অংশ নেয়ার পথ বন্ধ হয়ে যায়। ২০১৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচন বিএনপির সাথে বর্জন করে। ২০১৫ সালে নির্বাচন কমিশন স্থানীয় নির্বাচনের প্রতীকের তালিকা থেকে দাঁড়িপাল্লা বাদ দিলে স্থানীয় নির্বাচনেও জামায়াতের ভোটে অংশ নেয়ার পথ বন্ধ হয়ে যায়। ২০১৭ সালের এসে সংসদ নির্বাচনের প্রতীকের তালিকা থেকেও দলটির প্রতীক বাদ দেয় ইসি।’

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে কেএম নূরুল হুদার কমিশন দলটির নিবন্ধন বাতিল করে প্রজ্ঞাপন জারি করে। তৎকালীন ইসি সচিব মো: হেলালুদ্দীন আহমদের ২০১৮ সালের ২৮ অক্টোবর স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ২০০৮ সালের ৪ নভেম্বর দলটিকে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ অনুযায়ী নিবন্ধন দেয়া হয়েছিল।

হাসিনা একজন ফ্যাসিস্ট, এটা প্রমাণিত : মির্জা ফখরুল

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, জাতিসঙ্ঘের পর্যবেক্ষক টিমের প্রতিবেদনে স্পষ্টভাবে প্রমাণিত হয়েছে শেখ হাসিনা একজন ফ্যাসিস্ট।

আজ বৃহস্পতিবার ঢাকাস্থ ব্রিটিশ ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার জেমস গোল্ডম্যানের সাথে বৈঠকে শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন। বৈঠকটি বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

‘বাংলাদেশে মানবাধিকার লঙ্ঘন হয়েছে, সেটি স্পষ্ট করেছে জাতিসঙ্ঘের পর্যবেক্ষণ টিম’ এ প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল বলেন, এটাতে আমরা স্বস্তি প্রকাশ করছি। সত্য যে ঘটনাগুলো ঘটেছে, সেগুলোই উদঘাটিত হয়েছে। প্রবলেমটা হচ্ছে কী- যখন জাতিসঙ্ঘ বলে তখন আমরা বিশ্বাস করি। আর যখন রাজনৈতিক দলগুলো বলি, তখন অনেকেই বিশ্বাস করতে চায় না।’

তিনি বলেন, ‘একজন ব্যক্তি, বিশেষ করে শেখ হাসিনার নির্দেশেই গুম, খুন, মানবাধিকার লঙ্ঘন, গণতন্ত্রকে হত্যা, ভায়োলেন্স সবকিছু হয়েছে। এটি ফুটে উঠেছে প্রতিবেদনে। এটা প্রমাণিত হয়ে গেছে হাসিনা একজন ফ্যাসিস্ট।’

এ সময় তিনি জাতিসঙ্ঘের পর্যবেক্ষক টিমকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

মির্জা ফখরুল দাবি করেন, আমরা চাইব ভারত সরকার শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশের সরকারের হাতে তুলে দিবে এবং তার ও তার সহযোগিদের বিচার আওতায় আনতে হবে। এটাই আমাদের প্রত্যাশা।

তিনি বলেন, কোন পার্টি নির্বাচন করবে, কি করবে না, থাকবে কি থাকবে না, কোন পার্টি নিষিদ্ধ হবে, এটি সিদ্ধান্ত দিবে জনগণ। আমরা হচ্ছি, একটি লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি। আমরা গণতন্ত্রের সব নর্মসকে ধারণ করি, করে আসছি।

তিনি আরো বলেন, আনুপাতিক হারে নির্বাচনের ক্ষেত্রে আমরা পুরোপুরি বিরোধী। অত্যন্ত জোরালোভাবে বিরোধী। এ ব্যবস্থাকে কোনোভাবেই আমরা সমর্থন করব না। এখানকার মানুষ এটাতে অভ্যস্ত না। প্রশ্নই উঠতে পারে না।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘যত দ্রুত নির্বাচন হবে, ততই দেশে স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে এবং অর্থনৈতিক উন্নয়ন শুরু হবে।’