২০২২ কাতার বিশ্বকাপ জয়ের পরপরই ধরে নেওয়া হয়েছিল সব জেতা মেসি হয়তো এবার বিদায় জানিয়ে দেবেন ফুটবলকে। তবে সে পথে না হেঁটে এখনও চালিয়ে যাচ্ছেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা। কদিন আগে জিতেছেন আরও একটি কোপা আমেরিকা ট্রফি। এখন মেসি ভক্তদের চাওয়া আগামী ২০২৬ বিশ্বকাপেও খেলুক রেকর্ড আটবারের ব্যালন ডি’অর জয়ী। মেসিকেও এই প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয় প্রায় প্রতিটি সাক্ষাৎকারেই।
এবার মেসিকে ফের একই প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয়েছে ইতালিয়ান সাংবাদিক ফ্যাব্রিজিও রোমানোর কাছে। যেই প্রশ্নের উত্তরে ২০২৬ বিশ্বকাপ খেলার নিশ্চয়তা দিতে পারেননি মেসি। পরিস্থিতি ও নিজের অবস্থা বুঝেই সিদ্ধান্ত নিতে চান। তার আগে খেলাটাকে কেবল উপভোগ করতে চান তিনি।
২০২৬ বিশ্বকাপে খেলা নিয়ে মেসি বলেন, ‘আমি জানি না (২০২৬ বিশ্বকাপে খেলব কি না)। অনেক প্রশ্ন হয় এ নিয়ে, বিশেষ করে আর্জেন্টিনায়। আমি এ বছর ভালোভাবে শেষ করতে চাই, এরপর পরের বছরের প্রাক্–মৌসুম ভালোভাবে শুরু করতে চাই, প্রচুর ভ্রমণের জন্য যেটা গত বছর পারিনি।’
মেসি এরপর বলেন, ‘(প্রাক্–মৌসুম ভালোভাবে শুরুর পর) আমি কেমন করছি, কেমন অনুভব করছি, সেটা বোঝার চেষ্টা করব। (২০২৬ বিশ্বকাপের) আমরা যেমন কাছাকাছি রয়েছি, তেমনি সময়ও হাতে আছে অনেক এবং ফুটবলে যেকোনো কিছুই হতে পারে। প্রতিটি দিন ধরে ধরে এগোচ্ছি, এর বাইরে ভাবছি না।’
এ মৌসুমে মাত্র ১৯ ম্যাচেই ২০ গোল করার পাশাপাশি সতীর্থদের দিয়ে ১৬টি গোলও করিয়েছেন মেসি। রয়েছেন দারুণ ছন্দে। তবে স¤প্রতি খেলার ধরনে পরিবর্তন এনেছেন মেসি। যা নিয়ে আর্জেন্টাইন তারকা বলেন, ‘নিজের বয়স ও পরিস্থিতি বিবেচনা করেই আমি খেলার স্টাইল পাল্টেছি। ধীরে ধীরে সবকিছুর সঙ্গে মানিয়ে নিচ্ছি। নিজেকে পাল্টে লিগের সঙ্গে মানিয়ে নিতে শুরু করেছি, যেটা আমার জন্য নতুন। শুরু থেকেই স্বচ্ছন্দে ছিলাম।’
২০২৬ বিশ্বকাপে খেলার নিশ্চয়তা দিলেন না মেসি
আবারও রাহুলকে ‘প্রকাশ্যে’ কটাক্ষ সঞ্জীব গোয়েঙ্কার
ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) গত আসরে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিপক্ষে হারের পর মাঠে নেমেই অধিনায়ক কেএল রাহুলকে তিরস্কার করেছিলেন দলটির কর্ণধার সঞ্জীব গোয়েঙ্কাকে। এরপর দাবি করা হয়েছিল, বিবাদ মিটিয়ে নিয়েছে দুপক্ষ।
তবে আদতে তার কিছুই হয়নি। যা হয়েছিল, ‘তা লোক দেখানো’। আগামী আসরের জন্য লখনউ সুপার জায়ান্টসের রিটেনশন তালিকায় নেই রাহুলের নাম। শুধু তাই নয়, রাহুলের নাম মুখে না নিয়ে খোঁচা মেরেছেন গোয়েঙ্কা। তার ভাষ্য, যারা দলের জন্য খেলে তাদেরকেই রিটেন করেছে লখনউ।
বৃহস্পতিবার (৩১ অক্টোবর) এক প্রতিবেদনে এ খবর দিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।
স্টার স্পোর্টসের এক ভিডিওতে সঞ্জীব গোয়েঙ্কা বলেন, ‘আমাদের কাছে বিষয়টা খুব স্পষ্ট ছিল। যে সব ক্রিকেটাররা দলের কথা ভাবে এবং নিজেদের ব্যক্তিগত স্বার্থ দেখে না, আমাদের দল শুধু তাদেরই রিটেন করেছি। আমরা চেয়েছি যারা দলের কথা ভাবে সেই কোর টিমকে যতটা সম্ভব রিটেন করতে। ক্রিকেটারদের মধ্যে জেতার তাগিদ দেখেই তাদের রিটেন করা হয়েছে’।
মোট পাঁচজন প্লেয়ারকে রিটেন করেছে লখনউ সুপার জায়ান্টস। নিকোলাস পুরানের পাশাপাশি রবি বিষ্ণোই, মায়াঙ্ক যাদব এবং বাঁহাতি পেসার মহসিন খান ও আয়ুষ বাদোনি রয়েছে এই তালিকায়।
আইপিএলে ২০২২ সালের সংস্করণে অভিষেক হয় লখনউ সুপার জায়ান্টসের। ওই সময় তাদের সেরা পছন্দ ছিল কেএল রাহুল। তার নেতৃত্বে প্রথম দু আসরে প্লে-অফে জায়গা করে নিয়েছিল লখনউ। অবশ্য গত আসরে তাদের পারফরম্যান্স ছিল হতাশাজনক। তার ওপর সানরাইজার্স হায়দরাবাদের কাছে লজ্জাজনক হারের পরই দলের কর্ণধারের সঙ্গে ব্যাপক দূরত্ব তৈরি হয় লোকেশ রাহুলের।
বার্তাসংস্থা পিটিআইকে একটি সূত্র জানিয়েছে, রাহুলের স্ট্রাইকরেট নিয়ে লখনউ টিম ম্যানেজম্যান্ট নাখোশ। টি-টোয়েন্টিতে ভারতীয় দলকেও তাদের দর্শন পরিবর্তন করতে হয়েছে। স্ট্রাইকরেটে অবনতি দেখে রাহুলের পেছনে আর লগ্নি করতে রাজি নয় লখনউ।
নভেম্বরে আগামী আসরের আইপিএল নিলাম হবে। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর পাশাপাশি আরও কয়েকটি ফ্র্যাঞ্চাইজি রাহুলকে দলে নেওয়ার চেষ্টা করতে পারে।
এদিকে কেএল রাহুলকে নিয়ে এমন মন্তব্য করার কারণে নেটিজেনদের অনেকে গোয়েঙ্কার সমালোচনা করেছেন।
সাফজয়ীদের ২০ লাখ টাকা পুরস্কার দিল বিসিবি
নেপালে স্বাগতিকদের ২-১ গোলে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবল শ্রেষ্ঠত্বের লড়াই সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের মুকুট জিতেছে বাংলাদেশের মেয়েরা। এমন অর্জনের পর গতকাল ট্রফি নিয়ে দেশে ফিরেছে সাফজয়ীরা। ছাদখোলা বাসে ঢাকা শহরের রাস্তায় আনন্দ উদযাপন করেছে মেয়েরা। এমন দিনে তাদের আনন্দ বাড়িয়ে দিতে ২০ লাখ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড বিসিবি।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে বিসিবির পক্ষ থেকে। যেখানে ফারুক আহমেদ বলেন, ‘আমাদের নারী ফুটবল দল সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে যা করেছে, আমরা গর্বিত। পুরো ক্রীড়াঙ্গনের এ সাফল্য উদযাপনে বিসিবিও যোগ দিচ্ছে।’
বিসিবি সভাপতি যোগ করেন, ‘তাদের এই জয় অন্য সব খেলার খেলোয়াড়দের এবং বাংলাদেশের মেয়েদের অনুপ্রেরণা জোগাবে। আমরাও বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের নারী ফুটবল বিভাগকে অভিনন্দন জানাই।’
এ অর্জন খেলায় মেয়েদের অংশগ্রহণ বাড়াবে বলে বিশ্বাস ফারুক আহমেদের, ‘বিসিবি খেলায় মেয়েদের অংশগ্রহণ বাড়ানোর ক্ষেত্রে সব সময় বদ্ধপরিকর। এই ঐতিহাসিক জয় খেলায় মেয়েদের অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে আগ্রহ বাড়াবে এবং পুরো দেশের সমর্থন জোগাবে।’
বাংলাদেশে এত সহজে সিরিজ জিতব ভাবিনি: মার্করাম
বাংলাদেশ সফরে এসে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে জয় পেয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেট দল। দুই টেস্টে জয়ের পর দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়ক এইডেন মার্করাম বলেছেন, চট্টগ্রাম টেস্টে তিন দিনেই জয় পাবো তা কখন ভাবিনি।
জহুর আহমেদ চৌধুরি স্টেডিয়ামে বৃহস্পতিবার ১৬ উইকেট হারিয়ে তিন দিনেই ম্যাচ হেরে গেছে বাংলাদেশ। দুই ইনিংস মিলিয়ে মাত্র ৩০২ রান করতে পেরেছে টাইগাররা। প্রথম ইনিংসে ৫৭৫ রান করা দক্ষিণ আফ্রিকা পেয়েছে ইনিংস ও ২৭৩ রানের জয়।
নিজেদের টেস্ট ইতিহাসে এটিই প্রোটিয়াদের সবচেয়ে বড় জয়। বøুমফন্টেইনে ২০১৭ সালে বাংলাদেশের বিপক্ষেই তারা জিতেছিল ইনিংস ও ২৫৪ রানে।
সিরিজ জয়ের পর প্রোটিয়া অধিনায়ক বলেন, একদমই ভাবিনি এত দ্রæত জয় পাব। মানসিকভাবে পঞ্চম দিনের শেষ ভাগ পর্যন্ত খেলার জন্য প্রস্তুত ছিলাম আমরা। একবারও ভাবিনি, আজকে এখানে (ম্যাচ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলন) আসব। তবে হ্যাঁ, লম্বা সময় ধরে দুর্দান্ত বোলিং পারফরম্যান্সের সৌজন্যে আমরা এখন এই অবস্থানে।
মার্করাম আরও বলেন, আমরা জানতাম, সিরিজ জয় মোটেও সহজ হবে না। তবে আমরা খুবই ভাগ্যবান ছিলাম যে চমৎকার কিছু পারফরম্যান্সের সৌজন্যে তাদের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পেরেছি। আমাদের সবার জন্য গর্বের ব্যাপার। সামনের দিনগুলোতে এই সাফল্য আমাদের আনন্দ দেবে।
কোটি টাকা চেয়ে সালমান খানকে হুমকি, যুবক গ্রেফতার
বলিউড সুপারস্টার সালমান খানের কাছে কোটি টাকা চেয়ে ফের হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে। অজ্ঞাতপরিচয়ে একজন মুঠোবার্তায় সালমানকে হত্যার হুমকি দেন। এ ঘটনার ২৪ ঘণ্টা পর এক যুবককে মুম্বাই থেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
এর আগে গত বুধবার মুম্বাই পুলিশের ট্রাফিক কন্ট্রোল রুমে সালমানের নামে নতুন করে হুমকি আসে। অজ্ঞাত পরিচয় নম্বর থেকে সালমানকে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়। বাঁচতে চাইলে সালমানকে ২ কোটি রুপি দিতে হবে বলে দাবি করা হয়।
এরপর তা নিয়ে তদন্তে নামে পুলিশ। এ ঘটনায় সেদিন রাতেই বান্দ্রা এলাকার বাসিন্দা আজম মোহাম্মাদ মোস্তফা নামে একজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
তবে সময়টা একেবারেই ভালো যাচ্ছে না বলিউড অভিনেতা সালমান খানের। জীবন হারানোর চিন্তায় এক বড় আতঙ্কে দিনাতিপাত করছেন ভাইজান। একের পর এক হত্যার হুমকি! আর তা যেন এখন সালমানের নিত্যদিনের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এর আগে সালমান খান ও এনসিপি নেতা জিশান সিদ্দিকিকে হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগে উত্তর প্রদেশের নয়ডা থেকে ২০ বছর বয়সি এক যুবককে গ্রেফতার করেছে মুম্বাইয়ের পুলিশ। গত সোমবার ওই ব্যক্তিকে আটক করা হয়।
শাহরুখের ক্যারিয়ারের সবচেয়ে ফ্লপ সিনেমা, ওঠেনি খরচের টাকাও
নব্বইয়ের দশকে বলিউডের সর্বোচ্চ উপার্জনকারী অভিনেতাদের তালিকায় নাম লিখিয়ে ফেলেন বলিউড বাদশা শাহরুখ খান। ১৯৯৫ সালে ‘দিলওয়ালে দুলহনিয়া লে জায়েঙ্গে’ দিয়ে প্রথমবার কাঁপিয়েছিলেন বক্স অফিস। একই বছর মুক্তি পায় ‘কর্ণ অর্জুন’। পরপর শাহরুখের এই দু’টি ছবিই বক্স অফিসে দুর্দান্ত ব্যবসা করে।
তবে আজ থেকে প্রায় এক দশক আগে ২০১১ সালে অনুভব সিংহের পরিচালনায় প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায় ‘রাওয়ান’। ছবিটিতে ভিএফএক্স প্রযুক্তির উচ্চ মানের ব্যবহার দেখা যায়। এই সিনেমা তৈরি করতে খরচ হয়েছিল ১৩০ কোটি টাকা।
সিনেমাটিতে নায়িকা ছিলেন কারিনা কাপুর। এছাড়া ক্যামিয়ো চরিত্রে দেখা গিয়েছিল শাহরুখের ‘চর্চিত’ প্রেমিকা প্রিয়াঙ্কা চোপড়া জোনাসকে। তবুও বক্স অফিসে লাভের মুখ দেখেনি সেই ছবি।
অনেকে মনে করেন, ছবিটি ব্যবসা করতে পারেনি বলেই নাকি কারিনা আর শাহরুখের সঙ্গে কোনো ছবিতে অভিনয় করেননি।
এক দশক আগে ‘রাওয়ান’ ছবি তৈরিতে এত খরচ হলেও মুক্তির পর বক্স অফিসে মুখ থুবড়ে পড়ে সেই ছবি। শুধু তাই নয়, শাহরুখের ক্যারিয়ারের অন্যতম ব্যর্থ সিনেমা হিসেবে ধরা হয় এই ছবিটিকে।
বলিপাড়া সূত্রে খবর, ‘রাওয়ান’ ছবি মুক্তি পাওয়ার পর বক্স অফিসে ১১৪ কোটি টাকার ব্যবসা করে। সে হিসেবে খরচের ১৩০ কোটিও তুলতে পারেনি।
সিনেমাটি ব্যর্থ হওয়ার পর বলিপাড়ার একাংশ কটাক্ষ করে মন্তব্য করেছিলেন, ‘শাহরুখের প্রেমিকাও ছবিটিকে ফ্লপ হওয়ার হাত থেকে বাঁচাতে পারেনি।’
তবে বলিপাড়ার অধিকাংশের দাবি, ‘রাওয়ান’ যদি ১৩ বছর আগে মুক্তি না পেয়ে এই সময় মুক্তি পেত, তাহলে ভালো ব্যবসা করত। ঠিক সময় মুক্তি পায়নি বলেই ছবিটির এই দুর্দশা।
এক পুরনো সাক্ষাৎকারে ছবির পরিচালক অনুভবকে ‘রাওয়ান’ প্রসঙ্গে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেছিলেন, ‘আমি শাহরুখকে হতাশ করেছি বলে মনে হয়। আমার কাছে সুযোগ ছিল, কিন্তু আমি ভালো ছবি বানাতে পারিনি।’’
অভিনেতা নয়, এবার নেতার ছেলের সঙ্গে সাইফকন্যার প্রেম
২০১৮ সালে ‘কেদারনাথ’ন ছবির মাধ্যমে বলিউডে পা রাখেন নবাব সাইফ আলি খানের কন্যা সারা আলি খান। তার জনপ্রিয়তা যেমন বাড়ছে, একই সঙ্গে ঘটছে তার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে চর্চা। অভিনেত্রী ছোট থেকেই কার কার সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছেন, তা নির্দ্বিধায় বাবার সামনে বসেই অকপটে তা বলতে পারেন। ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে কোনো রাখঢাক নেই সাইফকন্যার।
নিজের প্রথম ছবি মুক্তির আগেই জানিয়েছিলেনÑ অভিনেতা কার্তিক আরিয়ানকে তার পছন্দ। এর পর তার সঙ্গে ছবি করা থেকে শুরু করে প্রেমÑ সবটাই হয়েছে। যদিও শেষে গিয়ে টেকেনি তাদের সেই সম্পর্ক। এরপর শোনা যায়, আরেক প্রেমিক বীর পাহাড়িয়ার কাছেই নাকি ফিরে গেছেন সারা আলি খান। এবার নব্য নায়িকাকে নিয়ে শোনা যাচ্ছে নতুন চর্চা।
আনন্দবাজার সূত্রে জানা গেছে, এবার কোনো অভিনেতা নয়, নেতার ছেলের সঙ্গে নাকি প্রেম করছেন সাইফকন্যা সারা আলি। স¤প্রতি তার কেদারনাথ দর্শনের ছবি নাকি সেই প্রমাণই দিচ্ছে। শুরু হয়েছে নতুন চর্চা।
প্রতি বছরই কেদারনাথ দর্শন করতে যান অভিনেত্রী। কখনো ভাইয়ের সঙ্গে যান, আবার কখনো জাহ্নবী কাপুরের সঙ্গে যান। কিন্তু এবার সারার কেদারনাথ যাত্রার সঙ্গী ছিলেন সেই নেতার ছেলে বলে জানা গেছে।
কেদারনাথ দর্শনের একগুচ্ছ ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করেছেন সারা আলি খান। কিন্তু কার সঙ্গে গেছেন, তার আভাস তিনি দেননি। যদিও সামাজিকমাধ্যমে এখন অনেক কিছুই আড়াল করা কঠিন। তাতে একরকম ধরাই পড়ে গেলেন এ অভিনেত্রী।
সারাকে কেদারনাথে পূজা দিতে দেখা গেছে অর্জুন প্রতাপ বাজওয়ার সঙ্গে। আর তা নিয়েই সামাজিকমাধ্যমে নেটিজেনদের চর্চা শুরু হয়েছে সারা-অর্জুনের সম্পর্ক নিয়ে।
অর্জুন প্রতাপ সিং হচ্ছেন পাঞ্জাবের বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ ফতেহ জং সিং বাজওয়ার ছেলে। পাঞ্জাবে বিজেপির সহসভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন তিনি। যদিও অর্জুন চলচ্চিত্র জগতের লোক। ভারতের অন্যতম নামি মডেলও। একাধিক ব্র্যান্ডের প্রচার দূত হিসেবেও কাজ করেছেন তিনি। বলিউড অভিনেত্রীদের সঙ্গেও তার ওঠবস।
এদিকে রাজনৈতিক অঙ্গনের লোকদের সঙ্গে সারার প্রেম এই প্রথম নয়। এর আগেও সারা রাজনৈতিক প্রভাবশালী পরিবারের এক ছেলের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন। তবে অর্জুনের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা দেননি অর্জুন-সারা দুজনেই।
‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন’-এর সুফল কই! চরম বৈষম্যের শিকার হিন্দুরা ?
রতন তালুকদারঃ বিপ্লবী জুলাই মাসের গোড়ার কথা, ছাত্রদের যৌথ মঞ্চ ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন’ চলাকালীন বারবার বলা হয়েছিল ‘বৈষম্যহীন’ বাংলাদেশের কথা। তারপর ছাত্রসমাজ আন্দোলনে বিজয়ী হয়। আন্দোলনের তীব্র চাপে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইস্তফা দিয়ে পালিয়ে যায়। ৫ আগস্ট হাসিনার পতনের পর থেকেই বৈষম্যের শিকার বাংলাদেশের ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়। প্রথমে শুরু হয়েছিল সরাসরি হিন্দুদের ওপর আক্রমণ। মাঝে পাহারা দিয়ে দুর্গাপূজাও হল! ধীরে বহে মেঘনা-র মত জল আরও ঘোলা হতে শুরু করে।
‘বৈষম্যহীন’ বাংলাদেশে ঘুরপথে সংখ্যালঘু হিন্দুদের উপর নেমে আসে নির্যাতন ও সহিংসতার ভয়াল দৃশ্যপট। দেশে দলবদ্ধভাবে হামলা ও লুটপাট চালানো হয়, হেনস্তা তো আছেই! অভিযোগ রাজনৈতিক মদতপুষ্ট বিভিন্ন মৌলবাদী সংগঠন সামাজিকভাবে হিন্দুদের বয়কটের ডাক দেয়। হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সরকারি পদ থেকে ইস্তফা দিতে বাধ্য করা,পুজা-পার্বনে বাঁধা দেয়া। সম্প্রতি হিন্দু ধর্মাবলম্বী একাধিক শিক্ষক,অধ্যাপক চাপে পড়ে ইস্তাফা দিয়েছেন। ইস্তাফা না দিলে খুনের হুমকিও দেয়া হয় বলে অভিযোগ পাওয়া যায় । সরাসরি বরখাস্ত তো এখন নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা।
পুলিশ বাহিনীতেও বেছে বেছে হিন্দু পুলিশকর্মীদের টার্গেট করা হচ্ছে, রাজশাহীর পুলিশ অ্যাকাডেমি থেকে প্রশিক্ষণ শেষে ২৫২ জন সাব ইনসপেক্টরকে শৃঙ্খলাভঙ্গের মামুলি অভিযোগে এনে বহিষ্কার করা হয়। এর মধ্যে ৯১ জন ছিল হিন্দু।
ক্রমাগত কোণঠাসায় বাংলাদেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের পিঠ আর দেয়াল থেকে দুরে নয়! চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক লালদিঘি ময়দানে লক্ষ হিন্দুদের সমাবেশ সেই গল্পই বলে। ইসকন প্রভুদের দেশদ্রোহি বানানোর নাটক কাজে আসবে না। অন্তরবর্তীকালীন সরকারের মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা মুহম্মদ ইউনুস আপনি বাংলাদেশের শান্তিপ্রিয় অসহায় ধর্মীয় সংখ্যালঘু হিন্দুদের বাচাঁন। বৈষম্যহীন বাংলাদেশে ওরা বৈষম্যের শিকার হবে কেন ? ইতিহাস কাউকেই ক্ষমা করবে না।’ বাংলাদেশি হিন্দুরা আর ভারতে পালিয়ে যাবে না। এই দেশ ওঁদের মাতৃভূমি।
রতন তালুকদারঃ সম্পাদক,সাপ্তাহিক জন্মভূমি। নিউইর্য়ক।
মাহমুদুর রহমান এর কান্ডজ্ঞানহীন বক্তব্যে বিস্মিত !!!
রতন তালুকদার,নিউইর্য়কঃ আমি উনাকে ব্যক্তিগত ভাবে চিনি, তবে উনার বক্তব্য শুনে মনে হয়েছে উনি বর্তমানে ট্রমাটিক ডিসঅর্ডারে ভুগছেন, না হলে ভারতের হিন্দু ও মুসলিম সম্প্রদায়ের জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের ছুটির বিষয়ে মিথ্যাচার করতেন না। আপনি জানেন কি ভারতে মুসলিমদের জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের ছুটি ৬দিন ? পক্ষান্তরে হিন্দু সম্প্রদায়ের ছুটি ৮ দিন।
বিশ্বের প্রায় ১৭৫ টিরও বেশী দেশে ইস্কন জনপ্রিয় একটি সংগঠন। আমি নিউইয়র্ক থেকে আপনাকে চ্যালেন্জ করলাম পারলে আপনি ইস্কন বন্ধ করে দেখান? আপনাকে বলতে চাই সাম্প্রদায়িক বক্তব্য দেয়া বন্ধ করুন। আপনার বক্তব্যের মাঝে সন্ত্রাসী সংগঠন আইএসআই এর গন্ধ পাওয়া যায়, উস্কানীমুলক সাম্প্রদায়িক বক্তব্য কেবল সহিংসতার দিকে উসকে দেয়।
দেশের বৃহত্তম দল বিএনপিকে পাত্তা না দেওয়ার পরামর্শ ও ড. ইউনুসকে ক্ষমতা ছাড়তে বলার আপনি কে ? নাকি উপদেষ্টা পরিষদে নিয়োগ না পেয়ে আশাভঙ্গের বেদনায় ভুগছেন?
বাংলাদেশে নাগরিক হিসেবে আপনার যেমন অধিকার তেমনি একজন হিন্দুরও সমান অধিকার আছে। কারন ৭১-এ এই দেশ ৪৭ এর মতো দ্বিজাতিতত্বের ভিত্তিতে স্বাধীন হয়নি ।
আপনার ভারত এলার্জি থাকতেই পারে , যা নিতান্তই আপনার ব্যক্তিগত।
তবে কারনে অকারনে মিথ্যাচার করে ভারত বিরোধীতা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির অন্তরায়।
তাই হে বন্ধু সাধু সাবধান…..!!!
রাষ্ট্রপতি অপসারণ ইস্যুতে অবস্থান পাল্টাবে না বিএনপি
রাষ্ট্রপতির পদ থেকে মো: সাহাবুদ্দিনকে অপসারণ ইস্যুতে অবস্থান পাল্টাবে না বিএনপি। এ ইস্যুতে ইতোমধ্যে সংবিধানের বাইরে না যাওয়ার যে অবস্থান জানিয়েছে দলটি, সেটিতেই তারা বহাল থাকবে।
রাষ্ট্রপতির অপসারণ নিয়ে বৈষম্যবিরোধী ও জাতীয় নাগরিক কমিটির ছাত্রনেতারা বিএনপির সাথে বৈঠকের দুই দিন পর গত সোমবার রাতে এ নিয়ে বিএনপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠক হয়। জানা গেছে, বৈঠকে রাষ্ট্রপতির অপসারণ নিয়ে উদ্ভূত পরিস্থিতি সম্পর্কে দীর্ঘ আলোচনা হয়েছে। সেখানে সাংবিধানিক শূন্যতা বা রাজনৈতিক সঙ্কট সৃষ্টি হয়, এমন কোনো উদ্যোগ না নিতে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে দলটি।
বিএনপির শীর্ষ নেতারা বৈঠকে বলছেন, বিপ্লব বা গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হলেও সাংবিধানিক পথেই অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়েছে। সুতরাং সেই সংবিধানকে উপেক্ষা করে কোনো সিদ্ধান্ত নেয়া যৌক্তিক হবে না। দলটি মনে করছে, বিদ্যমান পরিস্থিতিতে সংবিধানকে বাতিল ঘোষণা করা হলে দেশে সাংবিধানিক সঙ্কট বা রাজনৈতিক সঙ্কট সৃষ্টি হবে। এমনটা হলে নির্বাচন আরো পিছিয়ে যেতে পারে, যা দেশকে গভীর সঙ্কটের দিকে নিয়ে যেতে পারে। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে ভারতে পালিয়ে যান। এরপর ৮ আগস্ট ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়, বিগত সরকারের আমলে দলীয়করণের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানগুলো ধ্বংস করে ফেলা হয়েছে। একটি অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টিতে রাষ্ট্রকাঠামোর প্রয়োজনীয় সংস্কারে দশটি কমিশন গঠন করে অন্তর্বর্তী সরকার। সংস্কারপ্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে কয়েক দফা সংলাপও করে সরকার। এমন অবস্থায় শেখ হাসিনার পদত্যাগের দালিলিক প্রমাণ নেই বলে সম্প্রতি মন্তব্য করেন রাষ্ট্রপতি মো: সাহাবুদ্দিন। রাষ্ট্রপতির এই বক্তব্যের প্রেক্ষাপটে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনসহ কয়েকটি সংগঠন তার পদত্যাগের দাবি তোলে।
গত ২২ অক্টোবর বঙ্গভবন ঘেরাওয়ের কর্মসূচিও পালন করা হয়। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ২২ অক্টোবর রাতে দলের সিনিয়র নেতাদের সাথে ভার্চুয়ালি বৈঠক করেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সেখানে নেতারা অভিমত দেন, অসাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় রাষ্ট্রপতিকে অপসারণ করা ঠিক হবে না। এমনটা হলে দেশে সাংবিধানিক সঙ্কট সৃষ্টি হবে। দলীয় সিদ্ধান্তের আলোকে পরদিন ২৩ অক্টোবর বিএনপির তিন সদস্যের প্রতিনিধিদল যমুনায় গিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের সাথে বৈঠক করে। সেখানে দলীয় অবস্থান তুলে ধরে বিএনপি নেতারা বলেন, পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রপতির পদ নিয়ে এই মুহূর্তে দেশে সাংবিধানিক, রাষ্ট্রীয় ও রাজনৈতিক সঙ্কট সৃষ্টি হোক- সেটা কাম্য নয় বিএনপির। বিএনপি চায় না, দেশে নতুন করে কোনো সাংবিধানিক সঙ্কট সৃষ্টি হোক।
প্রধান উপদেষ্টার সাথে বৈঠক নিয়ে ওই দিন বিকেলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ সাংবাদিকদের বলেন, ‘রাষ্ট্রপতির পদটা একটা সাংবিধানিক পদ বা একটা প্রতিষ্ঠান সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদ। এই পদে হঠাৎ করে পদত্যাগের মাধ্যমে শূন্যতা সৃষ্টি হলে রাষ্ট্রীয় সঙ্কট ও সাংবিধানিক শূন্যতা সৃষ্টি হবে। রাষ্ট্রীয় সঙ্কট সৃষ্টির মাধ্যমে যদি গণতন্ত্রে উত্তরণের পথটা বিলম্বিত, বাধাগ্রস্ত কিংবা কণ্টকাকীর্ণ হয় তা জাতির কাম্য নয়।’
এরপর ওই দিন (২৩ অক্টোবর) রাতে বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠক হয়। সেখানে রাষ্ট্রপতির অপসারণের মতো স্পর্শকাতর বিষয়ে দলীয় অবস্থান পরিষ্কার করেন বিএনপি নেতারা। তারা বলেন, গণ-অভ্যুত্থানে সরকার পরিবর্তনের পর দেশের সংবিধান স্থগিত করা হয়নি। রাষ্ট্রপতির কাছে শপথ নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। ফলে এখন সংবিধানের বাইরে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। বিএনপির এমন অবস্থানে রাষ্ট্রপতি অপসারণ ইস্যুতে ছাত্রনেতাদের দাবি থমকে যায়। এরপর এ ইস্যুতে ঐক্য সৃষ্টির চেষ্টায় রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে ধারাবাহিক বৈঠক শুরু করেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন এবং জাতীয় নাগরিক কমিটির নেতারা। এর অংশ হিসেবে গত শনিবার বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে তিন সদস্যের প্রতিনিধি দলের সাথে বৈঠক করেন ছাত্রনেতারা। সেখানে ছাত্রনেতাদের তরফ থেকে বিএনপিকে তাদের অবস্থান জানানো হয়, কেন তারা রাষ্ট্রপতির অপসারণ চান-সেটিও তুলে ধরেন। তবে বিএনপি তাদের চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত জানায়নি। দলটি তখন জানায়, এ ইস্যুতে দলীয় ফোরামে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নিবেন তারা।
এর পরিপ্রেক্ষিতে গত সোমবার রাতে অনুষ্ঠিত বিএনপির স্থায়ী কমিটির সভায় প্রধান এজেন্ডা ছিল রাষ্ট্রপতির অপসারণ ইস্যু। জানা গেছে, সভার শুরুতে রাষ্ট্রপতি ইস্যুতে ছাত্রনেতাদের সাথে অনুষ্ঠিত বৈঠকের সারমর্ম তুলে ধরা হয়। এরপর নেতারা তাদের অভিমত ব্যক্ত করেন। তারা ৫ আগস্টের গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী রাষ্ট্রে নতুন করে কোনো ধরনের সঙ্কট বা জটিলতায় পড়ুক- এমন পরিস্থিতি সতর্কভাবে এড়িয়ে চলার অবস্থান প্রকাশ করেন। বিশেষ করে, রাষ্ট্রপতি মো: সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগ প্রশ্নে। সভায় কেউ কেউ বলেন, সম্প্রতি রাষ্ট্রপতির অপসারণ ও প্রক্লেমেশন অব সেকেন্ড রিপাবলিক (দ্বিতীয় প্রজাতন্ত্রের ঘোষণাপত্র) ঘোষণাসহ কয়েকটি দাবি তোলা হয়েছে। এ জন্য যদি সংবিধান বাতিল করা হয়, তাহলে দেশে বড় ধরনের সঙ্কট সৃষ্টি হতে পারে। তারা যুক্তি তুলে ধরে বলেন, সাংবিধানিক সঙ্কট এ জন্য সৃষ্টি হবে যে, রাষ্ট্রপতি কার কাছে পদত্যাগ করবেন সে ধরনের কোনো অপশন খোলা নেই। প্রধান বিচারপতিও বিষয়টি এড়িয়ে গেছেন বলে সভায় একজন জানান।
স্থায়ী কমিটির সভায় বিএনপি নেতারা বলেন, রাষ্ট্রের প্রয়োজনীয় সংস্কারে অন্তর্বর্তী সরকার ইতোমধ্যে দশটি কমিশন গঠন করেছে। তারাই মতামত দিবেন কী ধরনের সংস্কার হতে পারে রাষ্ট্রের। তাদের স্বাধীনভাবে কাজ করতে দেয়া উচিত। বাইরে থেকে নানা ধরনের দাবি তুললে, কমিশন ঠিকমতো কাজটা করতে পারবে না।
জানা গেছে, সভায় এবার ৭ নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ জাঁকজমকভাবে পালন করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। ওই দিন বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের (বীর উত্তম) মাজারে বড় ধরনের শোডাউন করবে দলটি। দেশব্যাপীও বৃহৎ আকারে দিবসটি পালিত হবে।
সভায় মতামত এসেছে, দ্রুততম সময়ে সরকারের উচিত নির্বাচনী রোডম্যাপ ঘোষণা করা এবং দ্রব্যমূল্য ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়নের দিকে নজর দেয়া। বিএনপি আগামী দিনে তাদের সাংগঠনিক ও রাজনৈতিক সব ধরনের কর্মসূচিতে দ্রুত নির্বাচনের ব্যাপারে সোচ্চার হবে। এর মধ্য দিয়ে সরকারের ওপর চাপ অব্যাহত রাখবে দলটি। বৈঠকে রাষ্ট্র মেরামতের ৩১ দফার ব্যাপক প্রচারণা অব্যাহত রাখার ওপর জোর দেয়া হয়।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির একজন সদস্য বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের উচিত নির্বাচনী রোডম্যাপ নিয়ে কাজ করা। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও দ্রব্যমূল্যের দিকে নজর দেয়া। একইসাথে সাংবিধানিক কোনো শূন্যতা যাতে সৃষ্টি না হয়, সেদিকেও খেয়াল রাখা উচিত।
জানা গেছে, বিএনপি জনসম্পৃক্ত নানা ইস্যুতে পর্যায়ক্রমে সোচ্চার হবে। এর মূল লক্ষ্য হবে আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে জনমতকে তাদের সাথে সম্পৃক্ত রাখা।


