Home Blog Page 535

বাইডেনের সাথে বৈঠকে শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তরের ইঙ্গিত

বিদায়ী মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সাথে বুধবার সাক্ষাত করেছেন নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনালাড ট্রাম্প। চির প্রতিদ্বন্দ্বী ডোনাল্ড ট্রাম্পকে হোয়াইট হাউসে স্বাগত জানিয়েছেন বাইডেন।

যুক্তরাষ্ট্রের ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে সাক্ষাত করেন ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকান দুই নেতা। এই সময় দুই নেতা শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তরের বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

ওয়াশিংটন থেকে এএফপি আজ এই খবর জানিয়েছে।

ঐতিহাসিক ওভাল অফিসে বৈঠকের শুরুতে দুই নেতা একটা হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পর ক্ষমতা কত সহজে হস্তান্তর করা যায় তা নিয়ে আলোচনা করেন।

এর আগে ট্রাম্প হোয়াইট হাউসে বাইডেনের সাথে সাক্ষাত করতে ওয়াশিংটন পৌঁছেন। গত ৫ নভেম্বর অনুষ্ঠিত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয় লাভের পর প্রথমবারের মতো বাইডেনের সাথে দেখা করতে আসেন ট্রাম্প। নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তার নিজের ‘ট্রাম্প ফোর্স ওয়ান’ বিমানে চড়ে ‘জয়েন্ট বেস অ্যান্ড’ বিমান ঘাঁটিতে অবতরণ করেন।

বাইডেন এবারের নির্বাচনে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে নির্বাচনী মাঠে নেমেছিলেন। কিন্তু নির্বাচনী বিতর্কে ধরাশায়ী এবং বয়স নিয়ে কঠোর সমালোচনার মুখে সরে দাঁড়ান এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিসকে ডেমোক্র্যাট দল থেকে মনোনয়ন দেয়া হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের বিদায়ী প্রেসিডেন্টদের ঐতিহ্য অনুযায়ী বাইডেন ট্রাম্পকে হোয়াইট হাউসে স্বাগত জানিয়েছেন। কিন্তু ২০২০ সালে ট্রাম্প বাইডেনের সাথে এই রকম সৌজন্যতা দেখাননি।

সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র ক্যারিন জিন পিয়েরে বলেছেন, ‘প্রেসিডেন্ট বাইডেন নিয়মে বিশ্বাস করেন। তিনি শান্তিপূর্ণভাবেই ক্ষমতা হস্তান্তরে বিশ্বাসী।

বাইডেন ও ট্রাম্প বছরের পর বছর ধরে একে অপরের কঠোর সমালোচনা করে আসছেন। দু’জনের দলীয় নীতিও ছিল ভিন্ন। জলবায়ু পরিবর্তন থেকে শুরু করে রাশিয়া-ইউক্রেন, গাজা-ইসরাইলসহ বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে সঙ্ঘাতময় পরিস্থিতি নিয়ে একে অপরকে আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণ শানিয়েছেন। ট্রাম্প ৮১ বছর বয়সী বাইডেনকে গণতন্ত্রের জন্য হুমকি হিসেবে চিহ্নিত করে আসছেন। অপরদিকে বাইডেনও ট্রাম্পকে (৭৮) অযোগ্য হিসেবে কটাক্ষ করে আসছেন।

সূত্র : এএফপি/বাসস

কূটনৈতিক সমাধানে পৌঁছাতে ইরানে জাতিসঙ্ঘের পরমাণু প্রধান

আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা (আইএইএ) প্রধান রাফায়েল গ্রোসি বৃহস্পতিবার ইরানের শীর্ষ কূটনীতিকের সাথে দেখা করেছেন। তিনি নবনির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দায়িত্ব নেওয়ার কয়েক সপ্তাহ আগে তেহরানে পারমাণবিক আলোচনা শুরু করেছিলেন।

২০১৭ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত হোয়াইট হাউসে তার প্রথম মেয়াদের সময় ট্রাম্প তার ‘সর্বোচ্চ চাপ’ নীতি প্রয়ৈাগ করে, ইরানের উপর মার্কিন অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিলেন। ওই সময় ২০১৫ সালের একটি ঐতিহাসিক পারমাণবিক চুক্তিবলে প্রত্যাহার করা মার্কিন নিষেধাজ্ঞাগুলো দেশটির ওপর পুনরায় আরোপ করা হয়েছিল।

ইরানের সরকারি বার্তা সংস্থা আইআরএনএ জানিয়েছে, ‘গ্রোসি দেশটির শীর্ষ পরমাণু ও রাজনৈতিক কর্মকর্তাদের সাথে আলোচনা করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।’ তিনি বুধবার রাতে তেহরানে পৌঁছেছেন।

গ্রোসি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ একটি পোস্টে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির সাথে তার বৈঠককে ‘অপরিহার্য’ বলে অভিহিত করেছেন। ২০১৫ সালের পরমাণু আলোচনায় আরাঘচি ইরানের প্রধান আলোচক ছিলেন। ওই আলোচনার মাধ্যমেই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়েছিল।

আরাঘচি বলেন, ‘গুরুত্বপূর্ণ ও খোলামেলা’ বৈঠকটিতে পরমাণুবিস্তার রোধ চুক্তি’র (এনপিটি) প্রতি ইরানের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত হয়েছে।

তিনি তার পোস্টে বলেন, ‘আমরা সাহস ও সদিচ্ছার সাথে এগিয়ে যেতে সম্মত হয়েছি। ইরান তার শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনার টেবিল থেকে কখনোই সরে আসেনি।’

তিনি বলেন, ইরান তার ‘জাতীয় স্বার্থ’ ও ‘অবিচ্ছেদযোগ্য অধিকারের’ ওপর ভিত্তি করে ‘আলোচনা করতে ইচ্ছুক। তবে ‘চাপ ও ভয় দেখানো হলে ইরান আলোচনা করতে প্রস্তুত নয়।’

তাসনিম বার্তা সংস্থা জানায়, গ্রোসি ইরানের পরমাণু শক্তি সংস্থার প্রধান মোহাম্মদ ইসলামির সাথেও দেখা করেছেন।

তেহরান থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি জানায়, আইএইএ প্রধানের ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সাথে দেখা করার কথা রয়েছে। এটি গ্রোসির চলতি বছর তেহরানে তার দ্বিতীয় আর ট্রাম্পের পুনর্নির্বাচিত হওয়ার পর প্রথম সফর।
২০১৮ সালে ট্রাম্প একতরফাভাবে ২০১৫ চুক্তি থেকে বেরিয়ে এসেছিলেন। ওই চুক্তিটির আওতায় ইরান তার পারমাণবিক কর্মসূচির উপর বিধিনিষেধ মেনে চলার বিনিময়ে আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা থেকে মুক্তি পেয়েছিল। চুক্তিটি ইরানকে অস্ত্রের সক্ষমতা বিকাশ রোধ করার জন্য করা হয়েছিল। ইরান তার পরমাণু অস্ত্র তৈরির উচ্চাকাঙ্ক্ষা রয়েছে বলে পশ্চিমাদের অভিযোগ বরাবরই অস্বীকার করে আসছে।

পরের বছর ইরান ধীরে ধীরে চুক্তির অধীনে যে প্রতিশ্রুতিগুলো দিয়েছিল, তা থেকে সরে আসতে শুরু করে। ওই প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী দেশটি ৩.৬৫ শতাংশের উপরে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করতে পারবে না।

আইএইএ জানিয়েছে, ইরান তার ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করার মজুদ উল্লেখযোগ্যভাবে ৬০ শতাংশে বাড়িয়েছে। এটি এমন একটি স্তর- যা আন্তর্জাতিক সতর্কতা তৈরি করেছে। কারণ এটি একটি পারমাণবিক ওয়ারহেডের জন্য প্রয়োজনীয় ৯০ শতাংশ স্তরের অনেক কাছাকাছি।

মার্কিনভিত্তিক থিঙ্ক ট্যাঙ্ক ক্রাইসিস গ্রুপের ইরান বিশেষজ্ঞ আলি ওয়ায়েজ বলেন, তেহরান ও পশ্চিমা দেশগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য মত পার্থক্যের কারণে গ্রোসি পরিস্থিতি খারাপ থেকে খারাপের দিকে যাওয়া রোধ করতে যা করা সম্ভব, তাই করবেন।

ইরান এই অচলাবস্থার জন্য ট্রাম্পকে দায়ী করেছে। বুধবার ইরান সরকারের মুখপাত্র ফাতেমেহ মোহাজেরানি বলেছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রই চুক্তি থেকে বেরিয়ে গেছে, ইরান নয়। ট্রাম্প একবার সর্বোচ্চ চাপর প্রয়োগ করেছিলেন। তিনি বুঝেছেন যে এটি করে কোনো কাজ হয়নি।’

ইসরাইলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরাইল কাটজ বলেন, ইরান ‘তার পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার জন্য আগের চেয়ে বেশি উন্মুক্ত’। কাটজের মন্তব্যের ঠিক কয়েকদিন পরেই গ্রোসি’র এই সফর।

গাজায় ইসরাইল ও ইরানের মিত্র হামাস এবং লেবাননের হিজবুল্লাহর মধ্যে প্রচণ্ড যুদ্ধের সময় উত্তেজনা বেড়ে যাওয়ায় সাম্প্রতিক মাসগুলিতে চিরশত্রু ইরান ও ইসরাইল পরস্পরকে লক্ষ্য করে সরাসরি হামলা চালায়।

সূত্র : বাসস

লেবাননে শান্তিরক্ষীদের ওপর হামলায় জাতিসঙ্ঘের নিন্দা

জাতিসঙ্ঘ নিরাপত্তা পরিষদ (ইউএনএসসি) বুধবার লেবাননে জাতিসঙ্ঘ শান্তিরক্ষা মিশনের (ইউএনআইএফআইএল) সদস্যদের উপর সাম্প্রতিক হামলার নিন্দা করেছে। এই বাহিনীর সদস্যদের নিরাপত্তার প্রতি সম্মান দেখানোর জন্য সব পক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।

জাতিসঙ্ঘ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে এএফপি এ খবর জানায়।

এক বিবৃতিতে পরিষদ ২৯ অক্টোবর, ৭ নভেম্বর এবং ৮ নভেম্বরের হামলার নিন্দা করেছে। যাতে বেশ কয়েকজন ব্লু হেলমেট সেনা আহত হয়।

পরিষদ বলেছে, তারা ইউএনআইএফআইএল কর্মীদের এবং তাদের অবস্থান স্থলের নিরাপত্তার প্রতি সম্মান জানানোর জন্য সকল পক্ষকে সব ধরনের ব্যবস্থা নেয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

জাতিসঙ্ঘ শান্তিরক্ষা বাহিনী জানিয়েছে, ২৯ অক্টোবর, হিজবুল্লাহ বা তার সহযোগীদের ছোড়া একটি রকেট ‘সম্ভবত’ দক্ষিণ লেবাননে ইউএনআইএফআইএল-এর সদর দফতরে আঘাত করেছিল, অস্ট্রিয়া জানায়, এতে তাদের আট সেনা আহত হয়।

৭ নভেম্বর, পাঁচজন শান্তিরক্ষী আহত হয় এবং পরের দিন ইউএনআইএফআইএল ইসরাইলি সেনাবাহিনীকে ‘ইচ্ছাকৃত এবং সরাসরি’ পদক্ষেপে দক্ষিণ লেবাননে তার একটি অবস্থানের ক্ষতি করার জন্য অভিযুক্ত করে।

নিরাপত্তা পরিষদ ‘স্মরণ করিয়ে দেয় যে শান্তিরক্ষীদের কখনই আক্রমণের লক্ষ্যবস্তু হতে হবে না’ এবং ইউএনআইএফআইএল কে তার ‘পূর্ণ সমর্থন’ দিতে হবে।

কাউন্সিলের সদস্যরা সাধারণ সঙ্ঘর্ষে ‘বেসামরিক অবকাঠামোর ধ্বংস’ এবং ‘লেবাননের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের স্থানগুলোর ক্ষতিতে’ এবং বেসামরিক হতাহতের ঘটনা এবং দুর্ভোগের জন্য গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।’

এটি বিশেষভাবে বালবেক এবং টায়ারে ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যের স্থানগুলোর বিপন্ন এবং অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত মানুষের ক্রমবর্ধমান সংখ্যা সম্পর্কে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

সূত্র : এএফপি/বাসস

আসিফের গানের মডেল ‘ভাইরাল ফারজানা সিঁথি’

০

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের দুইটি ঘটনায় ভাইরাল হওয়া ফারজানা সিঁথি জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী আসিফ আকবরের গানের মিউজিক ভিডিওতে মডেল হচ্ছেন। যেখানে তার বিপরীতে রয়েছেন শেখ সাদী।

মঙ্গলবার (১২ নভেম্বর) এক ফেসবুক স্ট্যাটাসের মাধ্যমে এই তথ্য জানিয়েছেন আসিফ আকবর।

ফারজানা সিঁথি আন্দোলনে দরাজ কণ্ঠে পুলিশ কর্মকর্তাদের প্রশ্ন তোলার জন্য তার প্রতিবাদী রূপের প্রশংসা করেন অনেকে। এরপর আগস্ট মাসের মাঝামাঝি সময়ে একজন সেনা কর্মকর্তার সঙ্গে তর্কে জড়িয়েও ফের আলোচনায় আসেন সিঁথি। সেই ঘটনায় দুঃখও প্রকাশ করেছিলেন তিনি।

আসিফ আকবরের সঙ্গে এই গানে কণ্ঠ দিয়েছেন মুম্বাইয়ের নিকিতা গান্ধী। গানের কথাগুলো এমন- “ইচ্ছেরা আজ ইচ্ছেরা যেন মেলেছে ডানা, মন খুশির কারণটা আজ কেন লাগছে অজানা, ভেসেছি আজ প্রেমের দেশে নিয়ে স্বপ্নকে তোমার, ভালোবাসার তাজমহলে খুলে গেছে সিংহদ্বার, তুমি আমার এ পৃথিবী, তুমি ছাড়া আজ সব অচেনা।” 

এ বিষয়ে আসিফ আকবর বলেন, “মুম্বাই ফিল্মের মিউজিক ডিরেক্টর রাজীব রয় চৌধুরী ভালোবেসে গানটি আমাকে উপহার দিয়েছেন। গানটি প্রথমে বাংলা, পরে হিন্দি- দুই ভার্সনেই রিলিজ হবে।গানের রেকর্ডিং হয়েছে আরো পাঁচ মাস আগে। এখন শুরু হবে গানের শুটিং।”

তিনি বলেন, “নিটোল প্রেমের গানটির মডেল হিসেবে আমি নিজে পছন্দ করেছি জেন-জি কন্যা ফারজানা সিঁথি ও তরুণ সংগীতশিল্পী শেখ সাদীকে। গানের শুটিং হবে শালদহ ইকো রিসোর্ট, গাজীপুরে। ভিডিও পরিচালনা করবেন স্নেহের সৌমিত্র ঘোষ ইমন। আবার গানে গানে মুখর হয়ে উঠুক আমাদের পরিবেশ, প্রতিবেশ।”

এদিকে ফেসবুকে সিঁথির সঙ্গে ছবি পোস্ট করার পর নেটিজেনদেরও নানা মন্তব্যে বিদ্ধ হচ্ছেন আসিফ। সেসবের দারুণ কিছু জবাবও দিয়েছেন তিনি। 

সালমানের পর এবার শাহরুখ খানকে হত্যার হুমকি

০

বলিউড সুপারস্টার শাহরুখ খানকে ৫০ লাখ রুপি মুক্তিপণ দাবি করে মোবাইল ফোনে হত্যার হুমকি দেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার মুম্বাই পুলিশ এই তথ্য জানিয়েছে।

পুলিশ জানায়, ছত্তিশগড়ের রায়পুর থেকে যে ব্যক্তি ফোন করেছেন তার পরিচয় জানতে চাইলে তিনি নিজেকে ‘হিন্দুস্তানি’ বলে পরিচয় দেন।

জানা গেছে, বান্দ্রা থানায় এ ঘটনায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং পুলিশ গুরুত্বের সাথে বিষয়টি তদন্ত করছে।

কল করা ওই ব্যক্তি ফৈজান খান বলে পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে। তবে তিনি দাবি করেন, ২ নভেম্বর তার ফোন চুরি হয়ে যায়।

গত ৫ নভেম্বর দুপুর ১টা ২০ মিনিট নাগাদ ফোনটি আসে, যেখানে মুক্তিপণ না দিলে ‘জওয়ান’ তারকার ক্ষতি করার হুমকি দেয়া হয়।

উল্লেখ্য, শাহরুখ খানকে এই প্রথম হুমকি দেয়া হলো বিষয়টি এমন নয়। গত বছরের অক্টোবরে তাকে একইভাবে হুমকি দেয়া হয়েছিল। এর ফলে কর্তৃপক্ষকে তার সুরক্ষা ওয়াই+ স্তরে উন্নীত করেছিল। এই স্তরের সুরক্ষার আওতায় তাকে ২৪ ঘণ্টা ছয়জন সশস্ত্র কর্মী সরবরাহ করে। এই সুরক্ষা সুবিধা পাওয়ার আগে তার দু’জন সশস্ত্র সুরক্ষা প্রহরীর ছিল।

সম্প্রতি বলিউডের আরেক তারকা সালমান খানের একটি ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে শাহরুখ খানকে এই হুমকি দেয়া হয়।

লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাংয়ের কাছ থেকে তাকে হুমকি দেয়া হয়েছিল। হুমকি দিয়ে বলা হয়, তাকে পাঁচ কোটি টাকা দিতে হবে অথবা কৃষ্ণসার হরিণ হত্যায় জড়িত থাকার অভিযোগে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে। ভিখারাম জালারাম বিষ্ণোই নামে ওই গ্যাংয়ের এক সদস্য এই হুমকি দিয়েছেন বলে জানা গেছে। এই গ্যাংয়ের নেতা কর্ণাটকে এখনো আটক রয়েছেন।

৩০ অক্টোবর আরেকটি ঘটনায় অজ্ঞাতনামা এক ব্যক্তি সালমান খানের কাছ থেকে ২ কোটি রুপি মুক্তিপণ দাবি করে সতর্ক করেছিল। বারবার এরূপ হুমকির পরিপ্রেক্ষিতে সালমান খানের সুরক্ষাও জোরদার করা হয়। বিশেষ করে ১২ অক্টোবর মহারাষ্ট্রের সাবেক মন্ত্রী বাবা সিদ্দিকীর সাম্প্রতিক হত্যার পরে এই ব্যবস্থা নেয় কর্তৃপক্ষ।

মুম্বাই পুলিশ উভয় বলিউড তারকার সর্বশেষ হুমকির তদন্ত করার সময় উচ্চ সতর্কতা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। অভিনেতাদের ক্ষতির আশঙ্কা থেকে রক্ষায় এমন সুরক্ষা ব্যবস্থা যে রয়েছে তা এসব পদক্ষেপ নিশ্চিত করে।

সূত্র : ইউএনবি

জয় দিয়ে পাকিস্তানের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজ শুরু অস্ট্রেলিয়ার

০

গ্লেন ম্যাক্সওয়েলের ঝড়ো ব্যাটিংয়ের পর বোলারদের দারুণ নৈপুণ্যে পাকিস্তানের বিপক্ষে জয় দিয়ে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ শুরু করলো স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়া। বৃহস্পতিবার বৃষ্টিবিঘ্নিত সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে অস্ট্রেলিয়া ২৯ রানে হারিয়েছে পাকিস্তানকে।

বৃষ্টি ও বজ্রপাতের কারণে ব্রিজবেনে প্রায় তিন ঘণ্টা পর শুরু হয় অস্ট্রেলিয়া ও পাকিস্তানের মধ্যকার প্রথম টি-টোয়েন্টি। ম্যাচে বেশ কিছু সময় নষ্ট হয়ে যাওয়ায় ৭ ওভারে নির্ধারিত হয় ম্যাচটি।

টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে পাকিস্তানের শাহিন শাহ আফ্রিদির প্রথম ওভারে ২টি চার ও ১টি ছক্কায় ১৬ রান তুলেন অস্ট্রেলিয়ার দুই ওপেনার ম্যাথু শর্ট ও জ্যাক ফ্রেজার ম্যাকগার্ক।

দ্বিতীয় ওভারে পাকিস্তানের পেসার নাসিম শাহর প্রথম বলে ৯ রানে আউট হন ম্যাকগাক। তিন নম্বরে ব্যাট হাতে নেমে ওই ওভারে ৪টি বাউন্ডারি হাঁকান মারেন ম্যাক্সওয়েল। পরের ওভারে পেসার হারিস রউফের শিকার হয়ে ৯ রানে আউট হন শর্ট।

দুই ওপেনার ব্যর্থ হলেও দ্রুতগতিতে অস্ট্রেলিয়ার রানের চাকা ঘুরিয়েছেন ম্যাক্সওয়েল। হাফ-সেঞ্চুরির সম্ভাবনা জাগিয়ে ৫টি চার ও ৩টি ছক্কায় ১৯ বলে ৪৩ রান করে পেসার আব্বাস আফ্রিদির বলে আউট হন ম্যাক্সওয়েল। এই ইনিংস খেলার পথে বিশ্বের ১৬তম ও তৃতীয় ব্যাটার হিসেবে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে ১০ হাজার রানের ক্লাবে প্রবেশ করেন ম্যাক্সওয়েল।

ম্যাক্সওয়েলের বিদায়ের পর অস্ট্রেলিয়াকে ৭ ওভারে ৪ উইকেটে ৯৩ রানের সংগ্রহ এনে দেন মার্কাস স্টয়িনিস। ২টি চার ও ১টি ছক্কায় ৭ বলে অপরাজিত ২১ রান করেন তিনি। ইনিংসের শেষ ওভারে নাসিমের বলে ২০ রান নেন স্টয়িনিস। আব্বাস ২ উইকেট নিয়েছেন।

৭ ওভারে ৯৪ রানের টার্গেটে অস্ট্রেলিয়ার তিন পেসার স্পেনসার জনসন, জার্ভিয়ার বার্টলেট ও ন্যাথান এলিসের তোপের মুখে পড়ে পাকিস্তানের ব্যাটাররা। তৃতীয় ওভারে ১৬ রানে ৫ উইকেট হারায় পাকিস্তান। নিজেদের টি-টোয়েন্টিতে মাত্র ১৬ রানে দ্রুত ৫ উইকেট হারানোর লজ্জার রেকর্ড গড়লো পাকিস্তান।

দলীয় ২৪ রানে ষষ্ঠ উইকেট পতনে পাকিস্তানের স্বীকৃত ছয় ব্যাটারের কেউই দুই অংকে পৌঁছাতে পারেননি। শাইবজাদা ফারহান ৮, অধিনায়ক মোহাম্মদ রিজওয়ান শূন্য, বাবর আজম ৩, উসমান খান ও অভিষিক্ত সালমান আঘা ৪ এবং ইরফান শূন্যতে থামেন।

লোয়ার-অর্ডারে হাসিবুল্লাহ খান ১২, আব্বাস ২০ ও আফ্রিদির ১১ রানে দ্রুত গুটিয়ে যাবার লজ্জা এড়ায় পাকিস্তান। শেষ পর্যন্ত ৭ ওভারে ৯ উইকেটে ৬৪ রান করে সফরকারীরা।

বার্টলেট-এলিস ৩টি করে এবং স্পিনার এডাম জাম্পা ২টি ও জনসন ১টি উইকেট নেন। ম্যাচ সেরা হন ম্যাক্সওয়েল।

আগামী ১৬ নভেম্বর সিডনিতে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচ খেলতে নামবে দু’দল।
সূত্র : বাসস

সাফজয়ী সাবিনাদের পুরস্কার দিলো সাউথইস্ট ব্যাংক

০

এবার সাফজয়ী সাবিনাদের পুরস্কার দিলো বেসরকারি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান সাউথইস্ট ব্যাংক।

বৃহস্পতিবার (১৪ নভেম্বর) প্রতিষ্ঠানটি তাদের কার্যালয়ে আমন্ত্রণ জানিয়ে এ সম্মাননা জানায়।

টানা দ্বিতীয়বার সাফ জেতায় বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলের প্রত্যেক খেলোয়াড়কে তিন লাখ টাকা করে এবং কোচদের প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে দেয়া হয়। আর্থিক পুরস্কার ছাড়াও সাফজয়ী দলের প্রত্যেকের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট এর বিপরীতে দেশে-বিদেশে ব্যবহারযোগ্য একটি করে ভিসা ডেবিট কার্ড দেয়া হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সভাপতি তাবিথ আউয়াল এবং সাউথইস্ট ব্যাংকের চেয়ারম্যান এম এ হাশেম।

একই দিনে দুই দিপুর স্বর্ণ জয়

০

একই দিনে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) দিপু চন্দ্র রায় ও আনসারের মোহাম্মদ দিপু স্বর্ণ জয় করেছেন।

বৃহস্পতিবার (১৪ নভেম্বর) হ্যান্ডবল স্টেডিয়ামে শেষ হওয়া জাতীয় কুস্তিতে এ ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, পুরুষ ও নারী দু’ বিভাগেই চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ আনসার। তারা পুরুষ বিভাগে সাতটি স্বর্ণ, একটি রৌপ্য ও ব্রোঞ্জ জয় করে। নারী বিভাগে তাদের অর্জন ছয়টি স্বর্ণ ও একটি রৌপ্য ও ব্রোঞ্জ। পুরুষ বিভাগে বিজিবি দু’টি স্বর্ণ, রৌপ্য ও একটি ব্রোঞ্জ পেয়ে রানার্সআপ হয়েছে। নারী বিভাগে সেনাবাহিনী রানার্সআপ হয়ে পেয়েছে তিনটি স্বর্ণ ও চারটি ব্রোঞ্জ।

বিজিবিতে কর্মরত দিপুর বাড়ি দিনাজপুর এবং ব্যাটালিয়ান আনসারে কর্মরত মোহাম্মদ দিপুর বাড়ি কুমিল্লায়। দু’জনই বাংলাদেশ জাতীয় দলের খেলোয়াড়। দু’জনই দু’মেয়ের বাবা।

মোহাম্মদ দিপু জানান, ‘আমি সেই ২০১২ সাল থেকেই টানা স্বর্ণ জিতে আসছি। শুধু গত বছর সেনাবাহিনীর প্রতিপক্ষের কাছে হারতে হয়েছিল। ২০১৪ সালে সেরা কুস্তিগির হয়েছিলাম।’

দিপু চন্দ্র জানান, ‘আমাদের খেলার পাশাপাশি সীমান্ত রক্ষার কাজ করতে হয় দেশের স্বার্থে। এরপরও আমাদের প্রতিষ্ঠান বিজিবির চেষ্টায় আমরা খেলে যাচ্ছি ও সাফল্য পাচ্ছি।’

তিনি বলেন, ‘আমরা যে খেলে পদক জিতেছি এটাইতো অনেক। আমাদের ফেডারেশনের তো নিজস্ব কোনো ভেন্যুই নেই। দক্ষিণ এশীয় গেমস-এ ভালো করতে হলে বিদেশী কোচ এবং দেশের বাইরে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে।’

পুলিশ বাহিনীর নিজেদের প্রমাণ করার এখনই সময় : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব:) মো: জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, পুলিশ বাহিনীকে সেবা প্রদানের মাধ্যমে নিজেদের প্রমাণ করার এখনই উপযুক্ত সময়। কারণ অন্তর্বর্তীকালীন সরকার অরাজনৈতিক। রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত এ সরকারের আমলে সততা, দক্ষতা ও নিরপেক্ষভাবে কাজ করার যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে। এটিকে কাজে লাগিয়ে পুলিশ বাহিনীকে দেশ ও জাতির সেবায় আত্মনিয়োগ করতে হবে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে বরিশাল পুলিশ লাইনসের গ্রাটিটিউড হলে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ, পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট, র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব), কোস্টগার্ড, আনসার ও ভিডিপি, কারা অধিদফতর, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদফতর এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের বিভাগীয় পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সাথে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি-সংক্রান্ত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

উপদেষ্টা বলেন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। সেজন্য বাহিনীর সদস্যদের চাঁদাবাজি বন্ধ করতে হবে এবং নিজেদেরও এটি থেকে দূরে থাকতে হবে। তা না করতে পারলে বাহিনীর সুনাম ক্ষুণ্ণ হবে এবং ৫ আগস্টের শহিদদের রক্ত বৃথা যাবে। তিনি এ সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কমিউনিটি পুলিশিংয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, সাদা পোশাকে কাউকে গ্রেফতার করা যাবে না। পরিচয় ছাড়া কাউকে আইনের আওতায় আনা যাবে না।

উপদেষ্টা বলেন, পুলিশের বিভিন্ন থানায় থাকা, খাওয়া ও শৌচাগারের অবস্থা ভালো নয়। তিনি পুলিশ সদস্যদের এসব সমস্যা-সমাধানে মনোনিবেশ করতে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন।

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় সহায়তা প্রদানের জন্য সশস্ত্র বাহিনীকে ২ মাসের জন্য ম্যাজিস্ট্রেসি পাওয়ার দেয়া হয়েছিল। তিনি বলেন, এটির মেয়াদ আরো বাড়ানো হবে এবং এতে বিজিবি ও কোস্টগার্ডকে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

মতবিনিময় সভা শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে উপদেষ্টা বলেন, বর্তমান সরকার পুলিশকে জনবান্ধব বাহিনীকে পরিণত করতে চেষ্টা করে যাচ্ছে। এ লক্ষ্যে পুলিশ সংস্কার কমিশন গঠনসহ প্রয়োজনীয় কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

তিনি বলেন, অন্যান্য এলাকার চেয়ে বরিশালের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি তুলনামূলক ভালো।

মতবিনিময় সভায় ছিলেন পুলিশ মহাপরিদর্শক মো: ময়নুল ইসলাম, র‌্যাবের মহাপরিচালক এ কে এম শহিদুর রহমান, বরিশালের বিভাগীয় কমিশনার মো: রায়হান কাওছার, পুলিশের বরিশাল রেঞ্জের ডিআইজি মো: মঞ্জুর মোর্শেদ আলম, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো: শফিকুল ইসলাম, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন প্রমুখ।

খুলনায় আদালত চত্বরে সাবেক মন্ত্রী নারায়ণচন্দ্রকে ডিম নিক্ষেপ

খুলনায় সাবেক ভূমিমন্ত্রী নারায়ণচন্দ্র চন্দকে আদালতের শুনানি শেষে কারাগারে নেয়ার সময় বিক্ষুব্ধ জনতা ডিম নিক্ষেপ করেছেন। এ সময় ফ্যাসিবাদের দোসর আখ্যায়িত করে তার শাস্তির দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেয়া হয়।

বৃহস্পতিবার (১৪ নভেম্বর) দুপুর ১টার দিকে খুলনা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-১ এর শুনানি শেষে পুলিশ নারায়ণচন্দ্র চন্দকে কারাগারের উদ্দেশে প্রিজন ভ্যানে তোলার সময় এ ঘটনা ঘটে।

এর আগে ধর্ষণ ও অপহরণ মামলায় শুনানি শেষে বিচারক মো: রাকিবুল ইসলাম ওই মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

আদালত সূত্র জানায়, ‘বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক নারীকে দীর্ঘদিন ধরে ধর্ষণ করে আসছিলেন ডুমুরিয়া উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান গাজী এজাজ আহম্মেদ। গত ২৭ জানুয়ারি রাতে ধর্ষণের অভিযোগ তুলে ওই নারী খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়। পর দিন হাসপাতালের ওসিসির (ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেন্টার) সামনে থেকে কয়েকজন ভুক্তভোগীকে মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে যায়। অভিযুক্তরা সাবেক ভূমিমন্ত্রী নারায়ণচন্দ্র চন্দের ঘনিষ্ঠ সহচর ও অনুসারী। তাদের বাঁচাতে তৎকালীন মন্ত্রী অবৈধ প্রভাব বিস্তার করায়-চিকিৎসা শেষ হওয়ার আগে তাকে হাসপাতাল থেকে রিলিজ দেয়া হয়। এরপর তাকে বিভিন্ন স্থানে আটকে রেখে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করে মিথ্যা বক্তব্য দিতে বাধ্য করা হয়।

এ ঘটনায় ধর্ষণ ও অপহরণের শিকার ওই নারীর খালাতো ভাই পরিচয়দানকারী গোলাম রসুল গত ৯ অক্টোবর আদালতে নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুাল-৩ ধর্ষণ ও অপহরণের অভিযোগ করে। পরে আদালত ঘটনাটি তদন্ত করে নগরীর সোনাডাঙ্গা থানাকে মামলা রুজু করার নির্দেশ দিলে গত ১৭ অক্টোবর ডুমুরিয়া উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান গাজী এজাজ আহম্মেদসহ আটজনের বিরুদ্ধে মামলা রুজু হয়। সাবেক ভূমিমন্ত্রী ও ডুমুরিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান নারায়ণচন্দ্র চন্দ ওই মামলার ২ নম্বর আসামি।

মামলার আইনজীবী বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থা খুলনা বিভাগীয় সমন্বয়কারী মোমিনুল ইসলাম জানান, ‘আসামিরা প্রভাবশালী হওয়ায় বাদি এত দিন বিচার পায়নি। বর্তমানে আইনের শাসন কায়েম হওয়ায় নির্যাতিত নারী সঠিক বিচার পাবে বলে আশা করছি।