Home Blog Page 536

খালেদা জিয়াকে চিকিৎসার জন্য ইউকে পাঠানো হবে

বিএনপি’র জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেছেন, বেগম খালেদা জিয়াকে খুব শিগগিরই চিকিৎসার জন্য দেশের বাইরে নেয়া হবে।

তিনি বলেন, ‘চিকিৎসকদের পরামর্শে প্রথমে ইউকে’তে নেয়া হবে। সেখানকার চিকিৎসকদের পরামর্শে যদি অন্য দেশে নেয়ার প্রয়োজন হয়, তাহলে পরে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে’।

বৃহস্পতিবার বিকেলে লালমনিরহাটের শহীদ আবুল কাশেম মহাবিদ্যালয় মাঠে জেলা বিএনপি আয়োজিত ‘শহিদ জিয়া স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টে’র দ্বিতীয় দিনের খেলায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, ২০২১ সাল থেকে বেগম খালেদা জিয়া অসুস্থ হয়ে মেডিক্যাল বোর্ডের তত্ত্বাবধায়নে এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। তাকে দীর্ঘদিন অসুস্থতা নিয়ে হাসপাতালে থাকতে হয়েছে। তিনি বর্তমানে বাসায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তবে বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল হলেই চিকিৎসকের পরামর্শে তাকে দেশের বাইরে পাঠানো হবে।

তিনি আরো বলেন, মনে রাখতে হবে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এ দেশের যুবকদের জন্য সর্বপ্রথম যুব ক্রীড়া মন্ত্রণালয় গঠন করেছিলেন এবং দেশের যুবকদের সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার সুপথ দেখিয়েছেন। তারই ধারাবাহিকতায় যুবকদের আত্মবিশ্বাসী হয়ে দেশের অনিয়ম ও দুর্নীতি রুখে দেয়ার আহ্বান জানান তিনি।

বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক (রংপুর বিভাগ) সাবেক উপ-মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু, রংপুর জেলা বিএনপি’র আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম সাইফুল, রংপুর মহানগর বিএনপি’র আহ্বায়ক শামসুজ্জামান সামু, রংপুর জেলা বিএনপি’র সদস্য সচিব আনিসুল হক লাকুসহ রংপুর বিভাগের ৮ জেলার নেতাকর্মীরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। ২৮ নভেম্বর ফাইনাল খেলার মধ্যে দিয়ে টুর্নামেন্টটি শেষ হবে।
সূত্র : বাসস

হাসিনাকে বিবৃতি থেকে বিরত রাখতে ভারতকে আহ্বান জানানো হয়েছে : পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

ভারতে বসে বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ধারবাহিকভাবে রাজনৈতিক বক্তব্য-বিবৃতিতে দেশটির কাছে একাধিকবার তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করা হয়েছে জানিয়ে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেছেন, তাকে বিরত রাখতে ভারতের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র তৌফিক হাসান।

তিনি বলেন, ভারতীয় হাইকমিশনার ও দেশটির সরকারকে জানানো হয়েছে, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ভারতে যাওয়ার পর যেসব রাজনৈতিক বক্তব্য-বিবৃতি দিচ্ছেন তা ভালো চোখে দেখছে না বাংলাদেশ।

দুই দেশের ‘ঐতিহাসিক সম্পর্কের জন্য’ তাকে এ ধরনের বক্তব্য থেকে বিরত রাখা জরুরি বলেও প্রতিবেশীদের জানানো হয়েছে, বলেন মি. হাসান।

আরেক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেন, ভিসা ইস্যুতে ভারতীয় কর্তৃপক্ষকে জানানোর পর, তারা জানিয়েছেন জনবল সংকটের কারণে ভিসা প্রাপ্তির জটিলতা দূর করা এখনই সম্ভব হচ্ছে না।

গত ৫ অগাস্ট ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর ভারতে আশ্রয় নেন শেখ হাসিনা। তারপর ১০০ দিন পার হয়ে গেছে।

সূত্র : বিবিসি

মৌলবাদ থেকে দেশকে রক্ষা করতে হবে : আসিফ নজরুল

আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল বলেছেন, উগ্রবাদের সুযোগ নিয়ে দেশী-বিদেশী কোনো শত্রু যেন বাংলাদেশের সম্ভাবনা ও অগ্রযাত্রাকে ব্যাহত করতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে খেয়াল রাখতে হবে।

তিনি বলেন, ‘আমরা যদি এ দেশ, সমাজ ও মানুষের ভালো চাই; আমাদের ছাত্র, সন্তান ও নিজেদের ভালো চাই; দেশকে আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র থেকে রক্ষা করতে চাই; বাংলাদেশকে ফ্যাসিবাদমুক্ত করতে চাই; তাহলে যেকোনো মূল্যে উগ্রবাদ ও মৌলবাদ থেকে দেশকে রক্ষা করতে হবে।’

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে ২০০৫ সালে জেএমবির বোমা হামলায় প্রাণ হারানো বিচারক সোহেল আহম্মেদ ও জগন্নাথ পাঁড়ের রুহের স্মরণে শোক সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় ড. আসিফ নজরুল এসব কথা বলেন।

আসিফ নজরুল বলেন, উগ্রবাদ খুবই ভয়ঙ্কর জিনিস। এটা মানুষকে কতটা যুক্তিহীন, অমানুষ ও নিষ্ঠুর করে তোলে তার বড় উদাহরণ এই ঘটনা।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের চারপাশে বন্ধু ভাবাপন্ন কোনো দেশ নেই। তাদের সব সময় চেষ্টা থাকে বাংলাদেশকে হেয় করা। কোনো ঘটনাকে ফুলিয়ে-ফাঁপিয়ে দেখানো এবং এ নিয়ে ষড়যন্ত্র করা।

বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মো: আমিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত শোক সভায় আইন ও বিচার বিভাগের সচিব শেখ আবু তাহের, সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল আজিজ আহমদ ভূঞা, ঢাকার জেলা ও দায়রা জজ মো: হেলাল উদ্দিন, আইন ও বিচার বিভাগের যুগ্ম সচিব এম এ আউয়াল, ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মো: জাকির হোসেন, বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক সাব্বির ফয়েজ প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

ফ্যাসিবাদমুক্ত দেশ গড়তে চাই : তারেক রহমান

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, আমরা সবাই এমন দেশ গড়তে চাই, যেখানে আর কখনো ফ্যাসিবাদ বা স্বৈরাচার মাথাচাড়া দিয়ে উঠবে না। আমরা সবাই একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ চাই, যেখানে জনগণের অধিকার ও স্বাধীনতা কেউ কেড়ে নেবে না। আমরা সবাই একটি নিরাপদ ও সুরক্ষিত বাংলাদেশ চাই, যেখানে গণআকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটবে, নির্বাচিত ও জবাবদিহিমূলক সরকার নিশ্চিত করবে জনগণের মালিকানা ও অংশীদারিত্ব।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর হোটেল লেকশো’র এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বিএনপি ঘোষিত ‘৩১-দফা’ নিয়ে এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। উপস্থাপনা করেন সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ, মিডিয়া সেলের সদস্য ফারজানা শারমিন পুতুল।

উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, নজরুল ইসলাম খান, ডা. আব্দুল মঈন খান, সালাহউদ্দিন আহমেদ, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সেলিমা রহমান, মেজর অবসরপ্রাপ্ত হাফিজ উদ্দিন আহমেদ। অন্যদলের মধ্যে জাতীয় দলের চেয়ারম্যান এহসানুল হুদা, এনপিপির চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, জাগপার সিনিয়র সহ-সভাপতি রাশেদ প্রধান, জাগপার একাংশের সভাপতি খন্দকার লুৎফর রহমান, জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক এনজিপির সাংগঠনিক সম্পাদক মীর আমির হোসেন আমু প্রমুখ।

এছাড়া নরওয়ে রাষ্ট্রদূত ও পাকিস্তান হাইকমিশনারসহ যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, জাতিসঙ্ঘ, ভারত, চীন, রাশিয়া, জাপান, অস্ট্রেলিয়া ও সৌদি আরবসহ ৩৮ দেশের প্রতিনিধিরা ছিলেন।

তারেক রহমান বলেন, আমরা নিশ্চিত করতে চাই, আগামীর বাংলাদেশে আর কোনো ব্যক্তি, এমনকি প্রধানমন্ত্রীও স্বেচ্ছাচারী হয়ে ক্ষমতার অপব্যবহার করতে পারবে না। রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে শুরু করে সরকারের প্রতিটি লেভেলে নিশ্চিত করা হবে কেউ জবাবদিহিতার ঊর্ধ্বে না, কেউ আইনের ঊর্ধে না। বিএনপি রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেলে, আমরা দল-মত নির্বিশেষে প্রতিটি নাগরিকের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ফিরিয়ে দিতে চাই।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, ক্ষমতার পরিবর্তন মানে কেবল একটি দল থেকে অন্য দলের কাছে রাষ্ট্রের ক্ষমতা হস্তান্তর নয়। বরং ক্ষমতার পালাবদলে এমন এক রাজনৈতিক সংস্কৃতির সূচনা হওয়া উচিত, যেখানে সমাজের পরিবর্তিত অবস্থা ও জনগণের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন দেখা যায়।

তারেক রহমান বলেন, বিএনপির একজন কর্মী হিসেবে আমি বিশ্বাস করি, রাজনীতির মূল উদ্দেশ্য কেবল ক্ষমতায়ন নয়। বরং রাষ্ট্রীয় উন্নয়ন এবং জনগণের অভিপ্রায়ের বহিঃপ্রকাশও এর একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। আজকে আমরা যারা এখানে সমবেত হয়েছি, দেশে-বিদেশে আমরা যারা বাংলাদেশের উন্নয়ন নিয়ে সবসময় ভাবি; আমাদের গড়ে তুলতে হবে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক, উদার ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ। আমাদের সবাইকে এক হয়ে এগিয়ে যেতে হবে বহু দূরে। এই অগ্রযাত্রার গতি হতে হবে দ্রুত তবে স্থির। লক্ষ্য হতে হবে সুনির্দিষ্ট।

সভায় সভাপতিত্ব করেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সঞ্চালনা করেন সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ ও মিডিয়া সেলের সদস্য ফারজানা শারমিন পুতুল।

আরো বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ডক্টর মাহবুব উল্লাহ, অধ্যাপক ডক্টর বোরহান উদ্দিন খান, অ্যাডভোকেট এলিনা খান, ইসমাইল জবিউল্লাহ, নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি সুব্রত চৌধুরী, জাতীয় পার্টির (জাফর) চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দার, জামায়েতে ইসলামীর নায়েবে আমির মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান, জাতীয় পার্টি বিজেপির চেয়ারম্যান আন্দালিব রহমান পার্থ, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, এনডিএম’র চেয়ারম্যান ববি হাজ্জাজ, লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, এলডিপির মহাসচিব ড. রেদোয়ান আহমেদ, এবি পার্টির যুগ্ম সদস্যসচিব আসাদুজ্জামান ফুয়াদ প্রমুখ।

দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস

কপ-২৯ জলবায়ু সম্মেলন শেষে আজারবাইজান থেকে দেশে ফিরেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

বৃহস্পতিবার (১৪ নভেম্বর) রাত ৮টার কিছু আগে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তিনি পৌঁছান। বিকেল সাড়ে ৫টায় (স্থানীয় সময় বিকাল সাড়ে ৩টা) ঢাকার উদ্দেশে বাকু ছাড়েন তিনি।

এর আগে কপ-২৯ জলবায়ু সম্মেলনে অংশ নিতে গত ১১ নভেম্বর আজারবাইজান সফরে যান ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

পরে ১৩ নভেম্বর বাকুতে জাতিসঙ্ঘের জলবায়ু সম্মেলনে ভাষণ দেন তিনি। এ ছাড়া, গতকাল বুধবার জাতিসঙ্ঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেসের সাথে এলডিসি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করেছেন তিনি।

জলবায়ু পরিবর্তনসংক্রান্ত জাতিসঙ্ঘ ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশনের (কপ-২৯) ২৯তম সম্মেলন ১১ থেকে শুরু হয়ে ২২ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে।

উন্নত দেশগুলোর প্রতি জলবায়ু আর্থিক প্রতিশ্রুতি পূরণ করতে এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব থেকে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোকে প্রযুক্তিগত সহায়তার আহ্বান জানান তিনি।

জ্যাকসন হাইটসে মুনা সেন্টারের ফান্ড রেইজিং ডিনার

বিএনিউজ: মুনা সেন্টার অব জ্যাকসন হাইটস (মসজিদ নামিরাহ) এর বার্ষিক ফান্ড রেইজিং ডিনার ও দোয়া মাহফিল গত ১০ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হয় মসজিদ মিলনায়তনে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মুসলিম উম্মাহ অব নর্থ আমেরিকার সাবেক ন্যাশনাল প্রেসিডেন্ট ইমাম দেলোয়ার হোসাইন। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ মেডিক্যাল এসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা ইন্ক নিউইয়র্ক চ্যাপ্টারের সভাপতি ডা: আতাউল গণী উসমানী, মুনা নিউইয়র্ক নর্থ জোনের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা তোয়াহা আমিন খান, বিশিষ্ট সাংবাদিক এমসি টিভি’র সিইও কাজী শামসুল হক।

আল্লাহর ঘর মসজিদ মুসলিম সমাজের মূলকেন্দ্র উল্লেখ করে বক্তাগণ বলেন, এ কারণে রাসুল (সা:) হিজরতের প্রথম দিনই মসজিদ নির্মাণের কাজে আত্মনিয়োগ করেছেন। মসজিদ নির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণকারীদের আল্লাহ রাব্বুল আলামীন ভীষণ পছন্দ করেন। পবিত্র কুরআনের আয়াত তেলাওয়াত করে বক্তাগণ বলেন, ‘তারাই তো আল­াহর মসজিদের আবাদ করবে, যারা ঈমান আনে আল্লাহ ও শেষ দিনের প্রতি, সালাত কায়েম করে, জাকাত দেয় এবং আল্লাহ ছাড়া অন্য কাউকে ভয় করে না। অতএব আশা করা যায়, তারা হবে সৎপথপ্রাপ্তদের অন্তর্ভুক্ত।

3

তারা আরো বলেন, মসজিদ নির্মাণ অত্যন্ত সওয়াবের কাজ। আল্লাহর প্রিয় হওয়ার অন্যতম মাধ্যম। কিন্তু শর্ত হলো, এতে কোনো রকমের অহমিকা, গৌরবের বিষয় অনুপ্রবেশ করতে দেওয়া যাবে না। মসজিদ নির্মাণ করতে হবে, একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য। আমাদের উচিত একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির আশায় মসজিদ নির্মাণ করা। কারো সেই সামর্থ্য না থাকলে কমপক্ষে সহযোগিতা করবে। মসজিদের রক্ষণাবেক্ষণে আত্মনিয়োগ করবে। মসজিদকে সর্বদা পরিচ্ছন্ন ও সুগন্ধিময় করে রাখার গুরুত্ব আরোপ করেন তারা।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সেন্টার পরিচালনা কমিটির সভাপতি মমিনুল ইসলাম মজুমদার। পরিচলনা করেন সেন্টারের সাধারণ সম্পাদক ও মুনা এলমহাষ্ট চ্যাপ্টারের সভাপতি সম্পাদক কায়কোবাদ কবীর। বক্তব্য রাখেন, সেন্টারের ইমাম ও খতিব মাওলানা অলিউর রহমান সিরাজী, অর্থ সম্পাদক ও মুনা জ্যাকসন হাইটস চ্যাপ্টারের সভাপতি নাসির উদ্দিন আহমেদ। আমন্ত্রিত অতিথি ছিলেন, মুনা এস্টোরিয়া চ্যাপ্টারের সভাপতি আব্দুস সবুর।

প্রায় ৩৫০ মুসল্লি (পুরুষ-মহিলা)’র উপস্থিতিতে শুরুতে অর্থসহ কোরআন তেলাওয়াত করেন হামিমুল ইসলাম হামিম। অনুষ্ঠানের সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন, মাওলানা ফখরুল ইসলাম মাছুম, আব্দুল হাকিম মিয়া, প্রফেসর সোলায়মান, লোকমান হোসেন, আব্দুর রশিদ সানা, আব্দুর রহমান, আবু বকর সিদ্দিক, মিজানুর রহমান, ক্বারী গোলাম মোস্তফা, নুরুল আমিন, ফেরদৌস আলমসহ আরো অনেকে। অনুষ্ঠানে সঙ্গীত পরিবেশন করেন আরাফাত রহমান।

দেশে সরকার পরির্বতনের পর আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা বানোয়াট মামলা দেয়া হয়েছে :টেলিফোনে সাপ্তাহিক জন্মভূমিকে রানা দাশগুপ্ত

জন্মভূমি প্রতিবেদক : ঢাকা থেকে বাংলাদেশ হিন্দুবৌদ্ধ খৃষ্টান ঐক্য পরিষদের কেন্দ্রীয় সাধারণ রানা দাশগুপ্ত সাপ্তাহিক জন্মভূমিকে এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে বলেন, তিনি এই মুহূর্তে কোন ধরনের মন্তব্য করতে চান না। সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পলায়নের পর সরকার পরিবর্তন হয়। নতুন সরকারের আমলে তার বিরুদ্ধে দু’টি মামলা চলছে। তাই এই মুহূর্তে তিনি রাজনৈতিক পরিবেশ নিয়ে কোন বক্তব্য করতে চান না।
রানা দাশগুপ্ত কথা প্রসঙ্গে বলেন, আমার বিরুদ্ধে দু’টি হত্যা মামলা ঝুলছে। একটি মামলার ঘটনা ১৯শে জুলাই ঢাকার যাত্রাবাড়ীর একটি হত্যার ঘটনা। আশ্চর্যের বিষয় সেদিন আমি বাংলাদেশেই ছিলাম না। নিজের চিকিৎসার জন্য ভারতের কলকাতায় ছিলাম। আমি চট্টগ্রাম থেকে সরাসরি প্লেনে কলকাতা যাই।
অন্য মামলাটি ঢাকার মিরপুরের একটি হত্যার ঘটনা। ৫ই আগষ্ট সেই মামলায় পতিত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ আরও ৩৯২ জন আসামি আছে। আমি ৩৮২ নম্বর আসামি। মজার বিষয় সেদিনও ঢাকায় নয় আমি ছিলাম চট্টগ্রামে।
তিনি জানান, যেহেতু তিনি বানোয়াট হত্যা মামলার আসামি তাই দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে কোন ধরনের মন্তব্য করতে চান না।
সাপ্তাহিক জন্মভূমির পক্ষ তার কাছে আমরা জানতে চাই, ঢাকা ও চট্টগ্রামে ইসকন মন্দিরের সাথে তাদের কোন যোগাযোগ আছে কিনা? এমন প্রশ্নের উত্তরে রানা দাশগুপ্ত বলেন, আমরা হিন্দু,ঐক্য পরিষদ ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের অধিকার ও বৈষম্য নিয়ে কথা বলে। সুতরাং ইসকন সহ অন্যান্য মন্দিরের সাথে আমাদের আসা যাওয়া এবং যোগাযোগ থাকতেই পারে।
হিন্দু বৌদ্ধ খৃষ্টান ঐক্য পরিষদের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক রানা দাশগুপ্তের কাছে যুক্তরাষ্ট্র ঐক্য পরিষদের তিন খন্ডে ক্ষত-বিক্ষত পরিস্থিতি নিয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি বলেন, আমাদের কেন্দ্রীয় ঐক্য পরিষদের মনোনীত একটি মাত্র ঐক্য পরিষদই নিউইয়র্কে আছে। সেই শাখার নেতৃত্বে আছেন এটর্নী অশোক কর্মকার। অন্য যাঁরা ঐক্য পরিষদের নামে কমিটি করছে সেটি তাদের নিজ দায়িত্বে। কেন্দ্রীয় ঐক্য পরিষদের সাথে কোন সম্পর্কও নেই অনুমোদনও নেই।
নিউইয়র্কে সম্প্রতি ঐক্য পরিষদের একটি নতুন কমিটি হয়েছে, এ বিষয়ে আপনি অবগত কিনা জানতে চাইলে কেন্দ্রীয় নেতা রানা দাশগুপ্ত বলেন, একজন নিউইয়র্ক থেকে ফোনে আমাকে জানিয়েছে। শুনেছি চার-পাঁচজন মিলে নাকি জনৈক রিয়েল স্টেট ব্রোকারের বাড়ীতে বসে ডিনার খেতে খেতে একটি কমিটি করেছে! যাক, এ নিয়ে আমাদের কোন মাথাব্যথা নেই কারণ ওরা অনেক আগেই ঐক্য পরিষদ থেকে বহিষ্কৃত।
রানা দাশ গুপ্ত আরও জানান, তাদের কেন্দ্রীয় অনুমোদন প্রাপ্ত ঐক্য পরিষদের সাথে তাদের নিয়মিত সংলাপ ও যোগাযোগ আছে। সবশেষে তিনি সাপ্তাহিক জন্মভূমির পাঠকদের প্রতিও শুভেচ্ছা জানান। এবং মানবাধিকার প্রশ্নে বাংলাদেশের ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের পাশে থাকার আহবান জানান।
এদিকে নিউইয়র্ক ঐক্য পরিষদের নবেন্দু-দ্বিজেন গ্রুপ একটি নতুন কমিটি ঘোষণা করে মাত্র ক’জন মিলে। সাপ্তাহিক জন্মভূমিতে এ বিষয়ে ক’মাস আগে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এরই মাঝে খবর নিয়ে জানা যায়, সভাপতি পদ পেতে উন্মাদ প্রায় একজন ব্যক্তির জন্য নতুন কমিটি চুপিসারে করা হয়েছে। সাধারণ সভাকে উপেক্ষা করে এই নতুন কমিটি ১৫ই নভেম্বর অভিষেকের মাধ্যমে দায়িত্ব নেবে বলে জানা যায়।
নতুন কমিটির সভাপতি দ্বিজেন ভট্টাচার্য্য, সাধারণ সম্পাদক বিষ্ণু গোপ, চেয়ারম্যান নবেন্দু দত্ত, সদস্য সচিব চন্দন সেনগুপ্ত সহ কার্যকরী কমিটি। আরও দু’টি উপকমিটি অর্থাৎ বোর্ড অব ডিরেক্টর ও উপদেষ্টা পরিষদ মিলে দেড় শতাধিক সদস্য অভিসিক্ত হবেন।
এদিকে নতুন সভাপতি দ্বিজেন ভট্টাচার্যের সাথে ঘনিষ্ঠ একজন নাম প্রকাশ না করার শর্তে সাপ্তাহিক জন্মভূমির এই প্রতিনিধিকে জানান, সভাপতি দ্বিজেন ভট্টাচার্য ১৫০ জন বিশিষ্ট নতুন কমিটি সকল সদস্যদের জানিয়েছেন। তারা সাধারণ সভা করে কমিটি পাশ করতে ভয় পাচ্ছে তাই তথাকথিত কমিটির নামে ক’জন মিলে পদ-পদবী ভাগ বাটোয়ারা করে নেয়।
নিউইয়র্ক প্রবাসী বাংলাদেশ হিন্দু সম্প্রদায় দেশে চলমান অস্থির রাজনীতি, ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ওপর অত্যাচার জুলুম সহ সনাতন ধর্মের মানুষজনের আন্দোলনের মুখে এবং ঢাকা চট্টগ্রামের থমথমে পরিস্থিতিতে নিউইয়র্ক ঐক্য পরিষদের নতুন কমিটি এবং এর প্রক্রিয়া নিয়ে ঠাট্টা-বিদ্রুপ করছে। যদিও নিউইয়র্ক প্রবাসী ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের যুক্তরাষ্ট্র ঐক্য পরিষদ নিয়ে আস্থা একেবারেই তলানিতে!

শেখ হাসিনাকে গ্রেফতারে ইন্টারপোলে রেড নোটিশ জারি করতে আইজিপিকে চিঠি

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ বিদেশে পলাতক আওয়ামী লীগ নেতাদের গ্রেফতারে ইন্টারপোলের রেড নোটিশ জারির বিষয়ে পদক্ষেপ নিতে পুলিশ মহাপরিদর্শককে (আইজিপি) চিঠি দিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর।

গত রোববার (৯ নভেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলামের পক্ষ থেকে এই চিঠি পাঠানো হয়।

আজ মঙ্গলবার বিষয়টি গণমাধ্যমে জানানো হয়।

এর আগে ১০ নভেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের পুরোনো ভবনের সংস্কারকাজ পরিদর্শন শেষে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল জানিয়ে ছিলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ গণহত্যার অভিযুক্ত পলাতকদের ফিরিয়ে আনতে ইন্টারপোলের রেড নোটিশ জারি করতে যাচ্ছে সরকার।

এ সময় আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে (আইসিসি) দেয়া আওয়ামী লীগের অভিযোগ সরকার আমলে নিচ্ছে না জানিয়ে উপদেষ্টা বলেন, দেশের মর্যাদা ক্ষুন্ন করতেই সরকারের বিরুদ্ধে আইসিসিতে অভিযোগ দিয়েছে আওয়ামী লীগ। অভিযোগটি কোনোভাবেই গৃহীত হওয়ার কারণ নেই।

আসিফ নজরুল বলেন, এটা কোনো মামলা না, এটা আইসিসির প্রসিকিউশন অফিসকে একটা পিটিশন লিখে জানানো। এটা পৃথিবীর যেকোনো মানুষ করতে পারে। এটা এতই একটা অবিশ্বাস্য ও বস্তুনিষ্টহীনতামূলক মামলা, কোনোভাবেই এটার রিট হওয়ার কোনো কারণ নেই। এটা ফ্যাসিস্টচক্র বিশ্ব জনমতকে, বাংলাদেশের মানুষকে বিভ্রান্ত করার জন্য নিজেদের আত্মরক্ষার জন্য মিথ্যা প্রচারণার চালানোর উপায় হিসেবে এই মামলা করেছে।

বঙ্গভবন থেকে শেখ মুজিবুরের ছবি নামানো উচিত হয়নি : রিজভী

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, জাতীয় স্বাধীকার আন্দোলনে তো শেখ মুজিবুর রহমানের অবদান আছে। এটা তো অস্বীকার করা যায় না। আমি মনে করি, শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি নামানো উচিত হয়নি। তার বিচার ইতিহাস বিচার করবে, জনগণ বিচার করবে।

আজ মঙ্গলবার জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ জাতীয়বাদী দল-বিএনপির আয়োজনে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ-ড্যাব ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্প উদ্বোধন পূর্বে তিনি এসব কথা বলেন।

রিজভী বলেন, ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা পালিয়ে গিয়েছে, কারো অন্যায় করলে তাকে পালাতে হয়। অবিচার করলে সে নিজ দেশে থাকতে পারে না।

বঙ্গভবন থেকে শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি নামানো প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ১৫ আগস্টের পর খন্দকার মোশতাক বঙ্গভবন থেকে শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি সরিয়ে ফেলেন। কিন্তু ৭ নভেম্বরের পর জিয়াউর রহমান শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি আবার বঙ্গভবনে প্রতিস্থাপন করেন।

তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের একজন উপদেষ্টা মাহফুজ সাহেব জানিয়েছেন ‘বঙ্গভবন থেকে শেখ মুজিবের ছবি নামানো হয়েছে’, দেখুন, এটা করেছেন ঠিক আছে। ’৭২ পরবর্তী সময়ে শেখ মজিবুর রহমানের সময়ের হত্যা, খুন, লুণ্ঠন ধর্ষণ সবই হয়েছে, এটা সবার জানা। তবে খন্দকার মোশতাক শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি সরিয়ে ফেললে, সেটি কিন্তু জিয়াউর রহমান প্রতিস্থাপন করেছেন। জাতীয় স্বাধীকার আন্দোলনে তো তার অবদান আছে। আমি মনে করি, শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি নামানো উচিত হয়নি। ইতিহাস বিচার করবে, জনগণ বিচার করবে। আমাদের জাতীয় ইতিহাসের আন্দোলনের তার যে অবদান সেটা তো অস্বীকার করা যায় না। আমরা তো আওয়ামী লীগের মতো সংকীর্ণ মনের নই। এজন্য বলছি, শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি নামানো উচিত হয়নি।

নিউইয়র্ক মহানগর দক্ষিন বিএনপির আয়োজনে নিউইয়র্কে পালিত হল জাতীয় ও সংহতি দিবস।

৭ নভেম্বর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নিউইয়র্ক এর জ্যাকসন হাইটসে নবান্ন রেস্টুরেন্টে নিউইয়র্ক মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সুযোগ্য সভাপতি জনাব হাবিবুর রহমান সেলিম রেজা র সভাপতিত্বে ও সুযোগ্য সাধারণ সম্পাদক মোঃ  বদিউল আলমের সন্চালনায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।    সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে লন্ডন থেকে ভিডিও কলের মাধ্যমে  বক্তব্য রাখেন বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ও বহির্বিশ্ব বিএনপির সাংগঠনিক দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা জনাব আনোয়ার হোসেন খোকন,
বিশেষ অতিথি ছিলেন নিউইয়র্ক স্টেট বিএনপির সভাপতি মাওলানা ওয়ালিউল্লাহ আতিকুর রহমান, নিউইয়র্ক মহানগর উত্তরের সাধারণ সম্পাদক ফয়েজ চৌধুরী, নিউইয়র্ক মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মোহাম্মদ সোহরাব হোসেন, স্টেট বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি ভিপি জসিম, নিউইয়র্ক মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আলমগীর হোসেন মৃধা, নিউইয়র্ক মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক রুহুল আমিন নাছির, এমলাক হোসেন ফয়সাল, খলকুর রহমান , জিয়াউল হক মিশন, শাহাতাৎ হোসেন রাজু, বীর মুক্তিযোদ্ধা মশিউর রহমান, নিউইয়র্ক স্টেট বিএনপির  সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আরিফুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক রইস উদ্দিন।

image6 edited

উক্ত অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন নিউইয়র্ক মহানগর দক্ষিন বিএনপির সাবেক যুগ্ন সদস্য সচিব সাইদুর খান ডিউক, নিউইয়র্ক স্টেট বিএনপি সাবেক যুগ্ন সদস্য সচিব রিয়াজ মাহমুদ, এজিএম জাহাঙ্গীর, গোলাম এন হায়দার মুকুট, ফারদিন রনি।
অন্যান্নের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন  সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ রিপন মিয়া, সাবেক সদস্য কামাল হাওলাদার শেখ জহির, সাবেক সদস্য জামাল হোসেন, আব্বাস উদ্দিন, মোঃ হাসান, মিজানুর রহমান মিজান,  শরীফ চৌধুরী পাপ্পু, স্টেট বিএনপি সাবেক যুগ্ন আহবায়ক হুমায়ুন কবির, নুরুল হুদা, জামালুর রহমান, সুলতান আহমেদ ভুইয়া, বরিশাল জাতীয়তাবাদী ফোরামের সাধারণ সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম মিরন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদলের জিয়া হল শাখার যুগ্ম সাধারন সম্পাদক মোঃ রাকিব হোসেন,  মহানগর দক্ষিন নেতা মোঃ নাজমুল হোসেন, বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের সাবেক প্যানেল মেয়র ও মহিলা কাউন্সিলর তাছলিমা পলি, যুবদল নেতা মনিরুল ইসলাম মনির, ইডেন কলেজের ছাত্রদলের সাবেক সাংস্কৃতিক সম্পাদক মুক্তা আক্তার সহ আরো অনেকে।
স্বাগতিক বক্তব্যে মোঃ সোহরাব হোসেন  বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও স্বার্বভৌমত্ব রক্ষায় সকলকে আরো ঐক্যবদ্ধ হয়ে নিউইয়র্ক মহানগর দক্ষিণ বিএনপি কে আরো গতিশীল করার লক্ষ্যে সকলের সমন্বয়ে নিউইয়র্ক মহানগর দক্ষিণ বিএনপির পূর্নাঙ্গ কমিটি গঠনের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি প্রধান অতিথির বক্তব্যে জনাব আনোয়ার হোসেন খোকন বলেন-বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার কে ব্যর্থ করার চক্রান্ত রুখে দিতে হবে। তিনি বলেন বিএনপি এই অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে পূর্ণ সমর্থন দিয়ে বাংলাদেশের অস্তিত্ব রক্ষায় গঠন মুলক যৌক্তিক সময়ের মধ্যে নির্বাচনের রোডম্যাপ প্রত্যাশা করেন।
সভাপতি র বক্তব্যে জনাব হাবিবুর রহমান সেলিম রেজা বলেন- দেশে বিদেশে আওয়ামী প্রেতাত্মারা  যেন আর রাজনৈতিক ভাবে পুর্নবাসিত হতে না পারে সেই জন্য বিএনপিকে আরো বেশী ঐক্যবদ্ধ ও গতিশীল হয়ে দেশ গড়ার প্রত্যয়ে এগিয়ে যেতে হবে।
উক্ত সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন- হাসান মাহমুদ সহ আরও অনেকে