২০২৪ সালের দীপাবলি স্মরণীয় হয়ে থাকবে টালিউড অভিনেতা কাঞ্চন মল্লিক ও অভিনেত্রী শ্রীময়ী চট্টরাজের জীবনে। কারণ আলোর উৎসবে এক টুকরো আলো তাদের ঘরে। কোল আলো করে এলো কন্যাসন্তান। মা হলেন শ্রীময়ী, আর বাবা হলেন কাঞ্চন। এ মুহূর্তে তারা দুজনে খুশিতে আহ্লাদে আটখানা।
আনন্দবাজার অনলাইনের প্রতিবেদনসূত্রে জানা গেছে, কেমন আছেন নতুন মা আর সদ্যোজাত? হাসপাতাল থেকেই জানালেন অভিনেত্রী শ্রীময়ী চট্টরাজ। গলায় ক্লান্তি আর তৃপ্তি মিলেমিশে একাকার। তিনি বলেন, মেয়ে ভালো আছে। আমিও ভালো আছি। তবে ধকল গেছে একটু, তাই ক্লান্তি রয়েছে। শ্রীময়ী বলেন, খুশিতে আত্মহারা কাঞ্চন। কালীপূজার পরেই বাড়িতে কন্যাসন্তান!
অন্যদিকে বিধায়ক কাঞ্চন বলেন, দেবীই কন্যা রূপে তার ঘরে। তবে কার মতো দেখতে হয়েছে এখনই বুঝতে পারছেন না নতুন মা-বাবা। অভিনেত্রীর দাবি, খুব ফুটফুটে দেখতে। বেবিকট আলো করে শুয়ে আছে। শ্রীময়ী বলেন, কাঞ্চন তার কন্যার নাম রেখেছেন কৃষভি।
এর আগে কালীপূজার দিন কাঞ্চন-শ্রীময়ী যুগল ভিডিওবার্তায় ভক্ত-অনুরাগীদের শুভেচ্ছা জানান। তখনই অভিনেত্রীকে নিয়ে গুঞ্জন শুরু। অনুরাগীরা বলেছেন, তার গর্ভ স্পষ্ট। বিষয়টি জানতে সঙ্গে সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল আনন্দবাজার অনলাইন। তখনও কিচ্ছু জানাননি অভিনেতা দম্পতি।
শ্রীময়ী বলেন, কাঞ্চন আমার সঙ্গে ছিল। সারাক্ষণ পাশে বসে গল্প করেছে। অস্ত্রোপচারে মেয়ের জন্মের পরেই আনন্দে চিৎকার করে ওঠে। খবর পেয়ে দুই পরিবারের সব সদস্য হাসপাতালে হাজির। অভিনেত্রী বলেন, আমার মা-বাবা খুব খুশি। বাড়ির ছোট মেয়ে আমি। দিদির বিয়ের ১৮ বছর পর বাড়িতে আবার শিশুর কলরব। ওরা আনন্দে কেঁদেই ফেলেছেন।
ছেলে বা মেয়ে নিয়ে কোনো অভিযোগ ছিল না কাঞ্চন-শ্রীময়ীর। সুস্থ সন্তান পৃথিবীর আলো দেখুক, এটিই প্রার্থনা ছিল তাদের। আপাতত দিন পাঁচেক হাসপাতালে থাকতে হবে মা ও নবজাতককে। তার পর বাড়ি ফিরবেন তারা।
আলোর উৎসবে এক টুকরো আলো কাঞ্চন-শ্রীময়ীর জীবনে
আমিরের তৃতীয় বিয়ের জল্পনা
২০০৫ সালের ২৮ ডিসেম্বর গাঁটছড়া বাঁধেন বলি মিস্টার পারফেকশনিস্ট আমির খান ও পরিচালক কিরণ রাও। ২০১১ সালে সারোগেটের মাধ্যমে আজাদকে স্বাগত জানান এ দম্পতি। ১৫ বছরের দাম্পত্য জীবনের ইতি টেনে ২০২১ সালে বিবাহবিচ্ছেদের ঘোষণা দেন আমির খান ও কিরণ রাও।
বিবাহবিচ্ছেদের পর থেকেই ছেলে আজাদ রাও খানের কো-প্যারেন্টিং করছেন আমির ও কিরণ রাও। কিন্তু বাস্তবজীবনে আমির কতটা হ্যান্ডস-অন বাবা তা জানিয়েছেন কিরণ। অভিনেত্রী কারিনা কাপুরের চ্যাট শো হোয়াট উইমেন ওয়ান্ট-এ হাজির হয়ে শেয়ার করেছেন পরিচালক। তিনি বলেছিলেনÑ সা¤প্রতিক বছরগুলোতে এই প্রক্রিয়াটি ‘অনেক মসৃণ’ হয়ে উঠেছে, যদিও আমির আজাদের স্কুল সম্পর্কিত যে কোনো বিষয়ে থাকতে চান না এখনো।
চ্যাট শো চলাকালীন যখন আমিরের সঙ্গে আজাদের সম্পর্ক নিয়ে কিরণকে প্রশ্ন করেন কারিনা, তখন লাপাতা লেডিজের পরিচালক বলেন, ‘এটি জটিল। ভীষণ ব্যস্ত বাবা। সত্যি বলতেÑ আমাদের যখন বিয়ে হয়েছিল, তখনো অভিভাবকত্বের বেশিরভাগটাই আমি করতাম। তবে ডিভোর্সের পর আমির বুঝতে পারেÑ এবার আমার মনে হয় ও বুঝেছে ওকে একটু এফোর্ট দিতে হবে।
কারণ আপনি যখন একই বাড়িতে একসঙ্গে থাকেন, তখন কোনোভাবে এটা হয়েই যায়। কিন্তু যখন আলাদা থাকেন, তখন আলাদাভাবে আপনাকে সময় বের করতে হয়। অনেক বেশি সচেতন হতে হয়।
কিরণ বলেন, এখন এটা অনেকটাই মসৃণ হয়েছে। এবং আমিরও নিজেকে অনেক বেশি জড়িয়েছে। ভাগ্য করে, এখন আমরা ওপরের আর নিচের তলায় থাকি। তবে আমরা চলে গেলেও খুব বেশি দূরে দূরে থাকব না। আজাদ এখন বড় হওয়ার পর বাবার সঙ্গে সময় কাটানো খুব উপভোগ করে। এখন ওদের বন্ডিং দারুণ। তিনি বলেন, আমারও মনে হচ্ছেÑ আজাদকে একটু আমিরের কাছে রেখে শান্তিতে এখন বিশ্রাম নিতে পারি। শুধু আমির ছেলের স্কুল সম্পর্কে কিছুই জানে না। আমি মনে করি, এটা বেশিরভাগ বাবাদের সমস্যা। তারা সবসময় বলেÑআমাকে স্কুলসংক্রান্ত কাজে জড়াবে না, আমি অন্য কাজ নেব।
মাঝে শোনা গিয়েছিল, তৃতীয় বিয়ের কথাও নাকি ভাবছেন আমির। যদিও রিয়া চক্রবর্তীর পডকাস্টে অভিনেতা জানান, বয়সের কারণে পুনরায় বিয়ে করা আর সম্ভব নয় তার পক্ষে।
আমির সেই সময় জানিয়েছিলেনÑআমার বয়স এখন ৫৯। আর কবে বিয়ে করব… এই বয়সে মনে হয় সেটা বেশ মুশকিলের। তা ছাড়া পরিবারে এখন প্রচুর সদস্য। সাবেক স্ত্রীদের সঙ্গে ভালো বন্ধুত্ব রয়েছে। সন্তানদের সঙ্গেও খুব ভালো সময় কাটাই আজকাল। মোট কথাÑ আমার পছন্দের মানুষের সঙ্গে থাকতে বেশি ভালো লাগে এখন। দারুণ আছি। এখন আমি ভালো মানুষ হওয়ার চেষ্টা করছি।
স্ত্রীর প্রতি প্রেমের কারণ প্রকাশ্যে আনলেন ভিকি
বলিউড অভিনেতা ভিকি কৌশল ও অভিনেত্রী ক্যাটরিনা কাইফের রসায়ন প্রায়ই ভক্ত-অনুরাগীদের আলোচনার কেন্দ্রে। এ মুহূর্তে বিনোদন জগতের বলি ইন্ডাস্ট্রিতে অন্যতম ‘পাওয়ার কাপল’ এ দম্পতি।
মানুষ হিসাবে বিনয়ী হওয়ার পাশাপাশি কাজের প্রতি ক্যাটরিনার নিষ্ঠাও মুগ্ধ করেছে ভিকিকে। বলিউডের প্রথম সারির অভিনেত্রী হয়েও কীভাবে সাধারণ জীবনযাপন করতে হয়, তা-ও ভিকি শিখেছেন ক্যাটরিনার কাছ থেকে।
জোয়া আখতারের বাড়িতে ভিকি-ক্যাটের প্রেমের সূত্রপাত। করণ জোহরের ‘কফি উইথ করণ’ শোর একটি পর্বে ক্যাটরিনা জানিয়েছিলেনÑ ভিকিকে তিনি সহ-অভিনেতা হিসাবে দেখতে চান। ভিকিকে তার সঙ্গে দেখতে ভালো লাগবে বলেও দাবি করেছিলেন অভিনেত্রী। এর পর ২০২১ সালের ডিসেম্বরে ভিকিকে বিয়ে করেন ক্যাটরিনা।
স¤প্রতি তাদের দীপাবলি উদযাপনের ছবি সাড়া ফেলেছে নেটপাড়ায়। তাদের রসায়ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায়ই ভক্ত-অনুরাগীদের আলোচনার ঝড় ওঠে। এ বিষয়ে ভিকি জানালেন তার মনের কথাÑ ঠিক কোন কারণে স্ত্রীকে এত ভালোবাসেন তিনি।
এ নিয়েই স্ত্রীর ভূয়সী প্রশংসা করেন ভিকি। অভিনেতা বলেন, ক্যাটরিনার সুপারস্টার তকমা নয়; বরং তার উদার মন দেখেই তিনি মুগ্ধ। তিনি বলেন, আমি সব সময় স্ত্রীকে উৎসাহ জুগিয়ে যাব। তবে সুপারস্টার হওয়ার জন্য নয়; সুপারস্টার হওয়ার জন্য একটা বড় মনের দরকার হয়, সেটি ক্যাটরিনার আছে। ভিকি বলেন, তাই আমি ওকে এতটা ভালোবাসি। ভালো মন নিয়ে কীভাবে চলতে হয়, সেটিও আমি শিখি।
তিনি বলেন, একটা সময় নিজেকে নিয়েও নানা ধন্দে ছিলাম। কিন্তু সঙ্গী হিসাবে সেই সব শূন্যতাও পূর্ণ করে দিয়েছেন ক্যাটরিনা। মাটিতে পা রেখে কীভাবে চলতে হয়, তা-ও শিখিয়েছেন অভিনেত্রী। ক্যাটরিনার স্থিরতা, বিনম্র আচরণ প্রতিমুহূর্তে বিনয়ী হতে শিখিয়েছে ‘মাসান’-এর অভিনেতা ভিকিকে।
মিরপুরে অনুশীলনে তামিম, জাতীয় দলে ফিরছেন কবে?
চন্ডিকা হাথুরুসিংহে প্রধান কোচ হিসেবে থাকলে তামিম যে আর জাতীয় দলে ফিরছেন না সেটা এক রকম নিশ্চিতই ছিল। এখন হাথুরু না থাকায় তামিমের ফেরার সুযোগ দেখছেন অনেকেই। এর মধ্যে গুঞ্জন আসন্ন ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজ দিয়ে ফিরছেন অবসর ভেঙে জাতীয় দলে ফেরা এই ওপেনার। সেই গুঞ্জনে এবার হাওয়া লেগেছে আরও।
সাবেক এই অধিনায়ককে গত দুদিন ধরেই দেখা যাচ্ছে মিরপুরে অনুশীলন করতে। বাংলাদেশ দল যখন আফগানিস্তানের বিপক্ষে সিরিজ খেলতে সংযুক্ত আরব আমিরাতে রওনা হয়েছেন তখন নিজেকে প্রস্তুত করছেন তামিম। আজও তামিমকে দেখা গেছে মিরপুরে অনুশীলন করতে। যা ইঙ্গিত দিচ্ছে দ্রæতই তামিমের মাঠের ক্রিকেটে ফেরার।
এদিন তামিমের সঙ্গে অনুশীলন করতে দেখা গেছে বিশ্রামের কথা বলে আফগানিস্তান সিরিজে না রাখা পেসার হাসান মাহমুদ এবং স্পিনার তাইজুল ইসলামকে। এই দু’জনের সঙ্গে ইনডোরে ব্যাট হাতে অনুশীলন করেছেন তামিম। এ সময় কোচ সোহেল ইসলামকেও দেখা গেছে তামিমের সঙ্গে।
তবে তামিমের এই অনুশীলনে ফেরা যে জাতীয় দলে ফেরার ইঙ্গিত দিচ্ছে সেটা স্পষ্ট। কেননা, জাতীয় দলের বাইরে থাকায় তামিমের এই অনুশীলনে আসাটা চমকই। তাছাড়া বিপিএল মাঠে গড়ানোরও এখনও অনেকটা সময় বাকি। বিপিএল শুরুর এত আগেই নিশ্চয় অনুশীলনে নামবেন না তামিম। তাই ধারণা করা হচ্ছে আসন্ন চ্যাম্পিয়নস লিগ সামনে রেখে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজেই ফিরছেন এই তারকা ওপেনার। যেই সিরিজের প্রথম ম্যাচ মাঠে গড়াবে আগামী ২২ নভেম্বর।
অস্ট্রেলিয়া বধে পাকিস্তানের একাদশে ৫ পেসার
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের প্রথমটিতে আগামীকাল মাঠে নামছে পাকিস্তান। ম্যাচ শুরু সকাল সাড়ে ৯টায়। যেই ম্যাচ দিয়ে পাকিস্তানে শুরু হবে অধিনায়ক মোহাম্মদ রিজওয়ান অধ্যায়। আর সেই অধ্যায়ের প্রথমেই বড় চমক দিয়েছে পাকিস্তান। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম ম্যাচের জন্য একাদশ ঘোষণা করেছে পাকিস্তান। যেখানে জায়গা হয়েছে ৫ পেসারের।
মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ডে (এমসিজি) হওয়া এ ম্যাচে আন্তর্জাতিক ওয়ানডেতে অভিষেক হতে যাচ্ছে পেস বোলিং অলরাউন্ডার মোহাম্মদ ইরফান খানের। সেই সঙ্গে পেস বিভাগে থাকছেন তিন অভিজ্ঞ তারকা- শাহিন আফ্রিদি, নাসিম শাহ, হারিস রউফ ও তরুণ মোহাম্মদ হাসনাইন।
পাকিস্তানের মতো একাদশ ঘোষণা করেছে অস্ট্রেলিয়া। আর এই সিরিজ দিয়েই বিশ্বকাপের পর প্রথম আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলতে নামছেন অজি অধিনায়ক প্যাট কামিন্স।
প্রথম ওয়ানডেতে পাকিস্তানের একাদশ: সাইম আইয়ুব, আব্দুল্লাহ শফিক, বাবর আজম, মোহাম্মদ রিজওয়ান (অধিনায়ক), কামরান গুলাম, সালমান আলি আগা, ইরফান খান, শাহিন আফ্রিদি, নাসিম শাহ, হারিস রউফ ও মোহাম্মদ হাসনাইন।
অস্ট্রেলিয়ার একাদশ: ম্যাট শর্ট, জ্যাক ফ্রেজার-ম্যাকগার্ক, স্টিভেন স্মিথ, মার্নাস লাবুশেন, জশ ইংলিস, গ্লেন ম্যাক্সওয়েল, অ্যারন হার্ডি, শন অ্যাবট, প্যাট কামিন্স (অধিনায়ক), মিচেল স্টার্ক ও অ্যাডাম জাম্পা।
২৪ বছর পর ঘরের মাঠে টেস্টে ধবলধোলাই ভারত
ভারতের হোয়াইটওয়াশ হওয়া ঠেকাতে দলটির সমর্থকরা তাকিয়ে ছিল ঋশভ পান্তের ব্যাটে। এই ব্যাটার আশাও দেখাচ্ছিলেন। তবে মধ্যাহ্নভোজের পর আর পারেননি। এই ব্যাটার ৬৪ রানে সাজঘরে ফেরার পরই লেখা হয়ে যায় ভারতে হোয়াইটওয়াশ।
বাকি ব্যাটাররা কেবল হারের ব্যবধান কমিয়েছেন। তবে তাতে হোয়াইটওয়াশের লজ্জা এড়ানো যায়নি। ঘরের মাঠে ২৪ বছর পর টেস্টে হোয়াইটওয়াশ হয়েছে ভারত। ভারতকে নিজেদের মাটিতে এই লজ্জা উপহার দিয়েছে সফরকারী নিউজিল্যান্ড।
আরে আগে ২০০০ সালে একমাত্র দল হিসেবে ভারতকে তাদেরই মাটিতে ধবলধোলাই করেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। তবে সেটি ছিল দুই ম্যাচের সিরিজ। তিন বা তার চেয়ে বেশি ম্যাচের সিরিজে এবারই প্রথম হোয়াইটওয়াশ হলো ভারত। যা দলটির ইতিহাসে দ্বিতীয়বারের মতো ঘটনা।
আগেই সিরিজ খুইয়ে বসা ভারতকে শেষ ম্যাচে হোয়াইটওয়াশ এড়াতে করতে হতো ১৪৭ রান। যেই লক্ষ্যে সুবিধা করতে পারেনি ভারত। ওয়াংখেড়ে লক্ষ্যটা আপাত দৃষ্টিতে সহজ মনে হলেও উইকেট ততক্ষণে স্পিন স্বর্গে পরিণত হয়েছে।
সেই উইকেটে ভারতকে চেপে ধরেন কিউই বোলাররা। ২৯ রানেই ৫ উইকেট হারিয়ে বসে ভারত। এরপর ঋশভ পান্ত এসে পাল্টা আক্রমণ চালান কিউই বোলারদের ওপর। তার ব্যাটেই জয়ের স্বপ্ন দেখছিল দলটি। তবে মধ্যাহ্নভোজের পর পাল্টে যায় খেলা। ফের ভারতীয় ব্যাটারদের চেপে ধরেন কিউই বোলাররা।
পান্ত ৬৪ রানে থামার পর ওয়াশিংটন সুন্দর রবিচন্দ্রন অশ্বিন টিকতে পারেননি। আকাশ দীপ শূন্য রানে ফিরলে ১২১ রানে থামে ভারতের ইনিংস। নিউজিল্যান্ড ম্যাচ জেতে ২৫ রানে। যেখানে কিউইদের হয়ে একাই ৬ উইকেট শিকার করেছেন আজাজ প্যাটেল। গ্লেন ফিলিপসের শিকার ৩ উইকেট।
শ্যামাপূজা ও দীপাবলি উদযাপিত
হিন্দু সম্প্রদায়ের অন্যতম বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব শ্রী শ্রী শ্যামা (কালী) পূজা ও দীপাবলি আড়ম্বরপূর্ণ পরিবেশে উদযাপিত হয়েছে। এ উপলক্ষে পূজামন্ডপগুলোতে ছিল দৃষ্টিনন্দন আলোকসজ্জা। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে কালীপূজা এবং পুষ্পাঞ্জলি প্রদান ও প্রসাদ বিতরণ করা হয়। কার্তিক মাসের অমাবস্যা তিথিতে সাধারণত শ্যামাপূজা বা কালীপূজা অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। খবর বাসস।
হিন্দু পূরাণ মতে, কালী দেবী দুর্গারই একটি শক্তি। সংস্কৃত ভাষার ‘কাল’ শব্দ থেকে কালী নামের উৎপত্তি। কালীপূজা হচ্ছে শক্তির পূজা। জগতের সব অশুভ শক্তিকে পরাজিত করে শুভশক্তির বিজয় হয়। কালী দেবী তার ভক্তদের কাছে শ্যামা, আদ্য মা, তারা মা, চামুন্ডি, ভদ্রকালী, দেবী মহামায়াসহ বিভিন্ন নামে পরিচিত। কালীপূজা উপলক্ষে হিন্দু স¤প্রদায় সন্ধ্যায় তাদের বাড়িতে ও শ্মশানে প্রদীপ প্রজ্বালন করে স্বর্গীয় পিতামাতা ও আত্মীয়স্বজনদের স্মরণ করেন। এটিকে বলা হয় দীপাবলি।
জানা গেছে, ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির মেলাঙ্গনে কেন্দ্রীয় শ্যামাপূজা উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে উদযাপিত হয়েছে। মহানগর সর্বজনীন পূজা কমিটির উদ্যোগে সেখানে পূজা ছাড়াও দীপাবলি অনুষ্ঠানে দেশ ও জাতির মঙ্গল কামনা করে সহস্র প্রদীপ প্রজ্বালন করা হয়। এ ছাড়া রমনামন্দির, সিদ্ধেশ্বরী কালীমন্দির, সবুজবাগ শ্রী শ্রী বরদেশ্বরী কালীমাতা মন্দির, পুরান ঢাকার রাধাগোবিন্দ জিঁও ঠাকুরমন্দির, পোস্তগোলা মহাশ্মশান এবং তাঁতীবাজার, শাঁখারীবাজার, বাংলাবাজার এলাকার বিভিন্ন মন্ডপ ও মন্দিরে বৃহষ্পতিবার রাতে শ্যামাপূজা অনুষ্ঠিত হয়।
বীরের বেশে নিজের দেশে ভালোবাসায় সিক্ত হলেন সাফজয়ীরা
দুই তলা বাস। খোলা ছাদ। বাসের ইস্পাতের গায়ে বড় করে লেখা ‘চ্যাম্পিয়ন’। খোলা ছাদে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ট্রফি হাতে বাংলাদেশের নারী ফুটবলাররা। মাঝে-মধ্যেই এ ট্রফি হাতবদল হচ্ছে। রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা দর্শকদের উদ্দেশে ট্রফি উঁচিয়ে ধরছেন বীরের বেশে নিজের দেশে ফেরা সাবিনা খাতুনরা। হযরত শাহজালাল বিমানবন্দর থেকে বাফুফের দিকে যেতে যেতে পথের দুই ধারে এভাবেই অভিনন্দিত হয়েছেন নারী ফুটবলাররা। অভিনন্দনের জবাবও দিয়েছেন তারা কাক্সিক্ষত ট্রফি দেখিয়ে। অনুচ্চারে নারী ফুটবলাররা যেন বলছিলেন- দেখো, এটা তোমাদেরই জন্য নিয়ে এসেছি। গতকাল সূর্য পশ্চিমাকাশে ঢলে পড়তেই বিমানবন্দরে সংবাদকর্মীদের আনাগোনা বাড়তে থাকে। ভিআইপি গেটের পাশে চলে আসে নারী ফুটবলারদের বহনকারী বাস। এরপর থেকেই অপেক্ষা। আড়াইটায় চ্যাম্পিয়ন মেয়েরা ঢাকায় পা রাখেন। বিমানবন্দরেই তাদের ফুল দিয়ে বরণ করেন বাফুফের সহসভাপতি ফাহাদ করিম। তার সঙ্গে ছিলেন বাফুফের আরও অনেকে। ফুলেল শুভেচ্ছা আর ভালোবাসায় সিক্ত হন সাবিনা, তহুরা, মনিকা, শামসুন্নাহার, আফিদা, ঋতুপর্ণারা। বিমানবন্দরেই সংক্ষিপ্ত সংবাদ সম্মেলন করা হয়। সেখানে চ্যাম্পিয়ন অধিনায়ক সাবিনা খাতুন দেশবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।
অনেক বছর ফুটবল হেঁটেছে অন্ধকার পথে। সেই পথে ফুটবলারদের খুঁজে পাওয়া ছিল বেশ মুশকিল। একসময় মুন্না-কায়সার-সাব্বিরদের দাপটে আড়ালে পড়ে যেত অন্য সব। তাদের দ্যুতিতে জ্বলমল করত দেশের ফুটবল। এরপর শুরু অন্ধকার যুগ। গত এক দশক ধরে সেই অন্ধকার থেকে ফুটবলকে আলোর পথে নিয়ে আসতে বড় ভূমিকা রেখেছেন নারী ফুটবলাররা। বয়সভিত্তিক দলগুলো একে একে নানা ট্রফি নিয়ে আসে। ফুটবলাররা ধীরে ধীরে বড় হয়েছেন, ট্রফির সংখ্যাও বেড়েছে। বেড়েছে আরও বড় টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সুযোগ। বয়সভিত্তিক দলগুলোর খেলোয়াড়রা সিনিয়র দলে যোগ হতেই দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের বড় শক্তি হয়ে ওঠেন তারা। ২০২২ সালে ঐতিহাসিক এক মুহূর্ত দেশবাসীকে উপহার দেন সাবিনা খাতুনরা। ভারত, পাকিস্তান আর নেপালের মতো শক্তিগুলোকে হারিয়ে দক্ষিণ এশিয়ার শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করেন তারা। চকচকে ট্রফি নিয়ে দেশে ফেরেন। দুই বছর আগে সাবিনারা দেশে ফিরলে রাস্তার দুই ধারে উপচে পড়ে মানুষ। চ্যাম্পিয়ন মেয়েদের দেখতে ভিড় জমায় তারা। স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত হয় রাজধানী ঢাকা। বিমানবন্দর থেকে বাফুফে ভবনে যেতে ৫ ঘণ্টারও বেশি সময় লেগে যায়। কয়েকজন ফুটবলার উৎসব করতে করতে কিছুটা অসুস্থও হয়ে পড়েন। গতকাল আরও একটা ইতিহাস গড়া দল এলো বাংলাদেশে। টানা দ্বিতীয়বারের মতো দক্ষিণ এশিয়ার সেরা এক দল সাবিনারা। বাংলাদেশের ছেলেরা যা পারেননি কখনো, তাই করে দেখাল মেয়েদের দল। তবে এবার ২০২২ সালের মতো অতটা আগ্রহ দেখা গেল না। বিমানবন্দরের সামনে প্রধান সড়কে কয়েক শ ফুটবলপ্রেমী এসেছিলেন। তারা লাল-সবুজের পতাকা নিয়ে অভিবাদন জানান নারী ফুটবলারদের। এরপর যানজট এড়াতে এক্সপ্রেসওয়ে দিয়ে বাফুফে ভবনের দিকে এগিয়ে যায় চ্যাম্পিয়ন মেয়েদের বহনকারী বাস।
বিমানবন্দরে সংবাদ সম্মেলনে নারী ফুটবল দলের কোচ পিটার বাটলার বলেন, ‘এই শিরোপা বাংলাদেশের মানুষেরই। শিরোপা জেতাটা বড় কথা নয়, যে ধরনের ফুটবল মেয়েরা খেলেছে, সেটাই আনন্দের জায়গা।’ অধিনায়ক সাবিনা খাতুনের কণ্ঠে শোনা গেল ভবিষ্যতে আরও সাফল্য আনার দৃঢ়তা। তিনি বলেন, ‘আমরা এই শিরোপা জিততে পেরে অত্যন্ত আনন্দিত। আমরা দেশের মানুষের কাছে দোয়া চাই। যাতে এমন সাফল্য আরও উপহার দিতে পারি।’ বাংলাদেশের মেয়েরা একের পর এক সাফল্য বয়ে আনুক। কেটে যাক ফুটবলের সব অন্ধকার। সাফজয়ী নারী ফুটবলারদের জন্য ১ কোটি টাকার বোনাস ঘোষণা করেছে ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। বিসিবি দিচ্ছে ২০ লাখ টাকা। এ ছাড়াও প্রধান উপদেষ্টার কাছ থেকে চ্যাম্পিয়ন মেয়েরা সংবর্ধনা পাবে কাল।
অস্ট্রেলিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সাক্ষাৎ, দেশ থেকে চুরির অর্থ ফেরত নিয়ে আলোচনা
রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে গতকাল সাক্ষাৎ করেন অস্ট্রেলিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টনি বার্ক। সাক্ষাৎকালে ঢাকায় অস্ট্রেলিয়া ভিসা কেন্দ্র ফিরিয়ে আনা এবং অনিয়মিত অভিবাসন রোধে আলোচনা করেন টনি বার্ক। তিনি বলেন, অনিয়মিত অভিবাসন নিয়ে তাঁর সরকার আলোচনা শুরু করতে চায়।
এ সময় ড. ইউনূস অস্ট্রেলিয়ার মন্ত্রীকে বাংলাদেশ থেকে নিয়মিত অভিবাসন বাড়ানোর আহ্ববান জানান। জবাবে মন্ত্রী বলেন, তাঁরা বাংলাদেশ থেকে নিয়মিত অভিবাসন বাড়ানোর কথা বিবেচনা করছেন। প্রধান উপদেষ্টা বলেন, দেশ পুনর্গঠনের কাজটি অনেক বড়। কারণ স্বৈরাচারী শাসন সমস্ত প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করেছে এবং অর্থনীতি ভেঙে পড়েছে। এটা অনেক বড় চ্যালেঞ্জ। প্রত্যাশা মোকাবিলা করা সবচেয়ে কঠিন অংশ। কিন্তু মানুষ ধৈর্যশীল। আমাদের আবার কাঠামো তৈরি করতে হবে।
মার্কিন দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্সের বিদায়ি সাক্ষাৎ : অন্তর্র্বতী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বিদায়ি সাক্ষাৎ করেছেন মার্কিন দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স হেলেন লাফেভ। গতকাল প্রধান উপদেষ্টার তেজগাঁও কার্যালয়ে তাদের এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠককালে একজন শীর্ষ কূটনীতিক হিসেবে লাফেভের দায়িত্ব পালন ও সেবার প্রশংসা করেন প্রধান উপদেষ্টা। একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়ে বাংলাদেশ-মার্কিন সম্পর্ক এগিয়ে নিতে তার আন্তরিক প্রচেষ্টারও প্রশংসা করেন তিনি। জুলাই-আগস্টে শিক্ষার্থী-নেতৃত্বাধীন গণ অভ্যুত্থানের স্মৃতিচারণা করে হেলেন লাফেভ বলেন, ‘আমি ইতিহাসের সাক্ষী হতে পেরে খুব গর্বিত’। সাক্ষাৎকালে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি বিøঙ্কেনের একটি চিঠি অধ্যাপক ইউনূসের কাছে হস্তান্তর করে হেলেন লাফেভ বলেন, যুক্তরাষ্ট্র রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশ ক্যাম্প থেকে উত্তর আমেরিকার দেশে পুনর্বাসন ত্বরান্বিত করছে। বৈঠকে আলোচনার এজেন্ডাভুক্ত ছিল বিচারিক সংস্কার, দক্ষিণ এশীয় বিদ্যুৎ সংযোগ, সন্ত্রাস প্রতিরোধ, স্বৈরাচারী সরকার আমলে বাংলাদেশ থেকে চুরি হওয়া কয়েক বিলিয়ন ডলার দেশে ফেরানোর প্রচেষ্টা, বেসামরিক আমলাতন্ত্রের সংস্কার এবং শ্রম সমস্যাসহ আরও বিভিন্ন বিষয়। যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যে বাংলাদেশকে পরামর্শ ও অন্যান্য সহায়তা দিয়ে অর্থ উদ্ধার করে দেশে ফিরিয়ে আনতে সহায়তা করছে জানিয়ে লাফেভ বলেন, ‘চুরি করা টাকা ফেরত দেওয়া কঠিন, কিন্তু এটা অসম্ভব নয়’। জবাবে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘আমরা অবশ্যই এটি করব’। এ ছাড়া অন্তর্র্বতী সরকার বড় আকারে শ্রম সংস্কার করতেও প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে জানান প্রধান উপদেষ্টা। দুই বন্ধুপ্রতিম দেশের মধ্যে সম্পর্ক জোরদারের লক্ষ্যে আগামী কয়েক মাসের মধ্যে বেশ কয়েকজন ঊর্ধ্বতন মার্কিন কর্মকর্তা ঢাকা সফর করবেন বলেও জানিয়েছেন হেলেন লাফেভ।
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ে আগুন, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টি ও ফ্যাসিবাদবিরোধী ছাত্র-শ্রমিক-জনতার মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। একই সময় জাতীয় পার্টির কার্যালয়ে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। গতকাল সন্ধ্যায় রাজধানীর কাকরাইলে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, সন্ধ্যা ৬টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যে ‘পতিত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ ও তাদের দোসর জাতীয় পার্টির রাজনৈতিক অপতৎপরতা ও দেশবিরোধী চক্রান্তের’ প্রতিবাদে ‘ফ্যাসিবাদবিরোধী ছাত্র শ্রমিক জনতা’ ব্যানারে মশাল মিছিল করেন শিক্ষার্থীরা। এ সময় জাতীয় পার্টিকে আওয়ামী লীগের দোসর আখ্যা দিয়ে তাদের রাজনীতি করার অধিকার নেই বলে জানান বক্তারা। তারা বলেন, রাজনৈতিক অতৎপরতা ও দেশবিরোধী চক্রান্ত এই দেশে হবে না। এরপর তারা জাতীয় পার্টির কার্যালয় ঘেরাও করতে বিজয়নগরে যান। সেখানে জাতীয় পার্টির নেতা-কর্মীদের সঙ্গে সংঘর্ষ হয় ছাত্র-জনতার। এ সময় বেশ কয়েকজন আহত হন। এরপরই জাতীয় পার্টিকে জাতীয় বেইমান আখ্যা দিয়ে রাজু ভাস্কর্য থেকে বিজয়নগরের উদ্দেশে মিছিলের ডাক দিয়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম আহŸায়ক হাসনাত আবদুল্লাহ।
সন্ধ্যায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দুটি স্ট্যাটাস দেন হাসনাত। এতে তিনি জাতীয় পার্টির বিরুদ্ধে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ আনেন। সন্ধ্যা ৭টা ৩ মিনিটে দেওয়া পোস্টে তিনি লেখেন, জাতীয় বেইমান এই জাতীয় পার্টি অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে বিজয়নগরে আমাদের ভাইদের পিটিয়েছে, অস্ত্র নিয়ে মহড়া দিচ্ছে। এবার এই জাতীয় বেইমানদের উৎখাত নিশ্চিত। কিছুক্ষণ পর আরেক পোস্টে তিনি লেখেন, রাজু ভাস্কর্য থেকে সাড়ে ৭টায় মিছিল নিয়ে আমরা বিজয়নগর মুভ করব। জাতীয় বেইমানদের নিশ্চিহ্ন করতে হবে। পরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ডাকে শিক্ষার্থীরা ওই এলাকায় জড়ো হলে সেখানে জাতীয় পার্টির নেতাদের সঙ্গে তাদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এক পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের ধাওয়ায় জাতীয় পার্টির নেতা-কর্মীরা ঘটনাস্থল থেকে সরে যান। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত বিজয়নগর এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।


