রাজধানীর মিরপুর-১৪ ও কাফরুল এলাকায় শ্রমিক ছাঁটাই ও কারখানা বন্ধের প্রতিবাদে বিক্ষোভ করেছেন গার্মেন্ট শ্রমিকরা। গতকাল সকাল সাড়ে ৮টার দিকে মৌসুমি গার্মেন্টের শ্রমিকরা রাস্তায় নেমে এসে বিক্ষোভ শুরু করেন। এরপরই আশপাশের কারখানার শ্রমিকরাও বিক্ষোভ শুরু করেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী লাঠিচার্জ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করলে তাদের সঙ্গে শ্রমিকদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। এ সময় সেনাবাহিনী ও পুলিশের সঙ্গে গার্মেন্ট শ্রমিকদের সংঘর্ষে তুলকালাম কান্ড ঘটে। একপর্যায়ে বিক্ষুব্ধ শ্রমিকদের ছত্রভঙ্গ করতে কাঁদানে গ্যাসের শেল ও গুলিবর্ষণ করা হয়। ঘটনার সময় বিক্ষুব্ধ গার্মেন্ট শ্রমিকরা প্রথমে সেনাবাহিনী ও পুলিশের গাড়িতে ভাঙচুর ও পরে আগুন দিয়ে অরাজকতা সৃষ্টি করেন। পরে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর গাড়িতে লাগা আগুন নেভান। সকাল সাড়ে ৮টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত আড়াই ঘণ্টা ধরে সংঘর্ষ চলে। এতে আল আমিন হোসেন (১৭) ও মোছা. ঝুমা আক্তার (১৫) নামে দুই শ্রমিক গুলিবিদ্ধ হন। আহত হয়েছেন আরও কয়েকজন। গুলিবিদ্ধ দুজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ঢামেক পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক জানান, ঝুমা আক্তারের ডান পায়ে ও আল আমিনের পিঠে গুলি লেগেছে। তারা দুজনই সেন্টেক্স ফ্যাশনস লিমিটেডের কর্মী। আহত আল আমিন জানান, বাড়ি ফেরার সময় মিরপুর-১৪ এলাকায় তিনি গুলিবিদ্ধ হন। ঝুমার বড় বোন মর্জিনা বেগম জানান, তার বোনের পায়ে গুলি লেগেছে। সেন্টেক্স ফ্যাশনস লিমিটেডের শ্রমিক কবির হোসেন জানান, সংঘর্ষের একপর্যায়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী গুলি ছোড়ে। এতে কয়েকজন শ্রমিক গুলিবিদ্ধ হয়। আহত আল আমিনের বাবা আবদুর রহমান ও সহকর্মী লিপা আক্তার বলেন, সকালে গার্মেন্টকর্মীরা বকেয়া বেতনের দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন। এ অবস্থায় তাদের গার্মেন্ট শ্রমিকদের ছুটি দিয়ে দেয়। পরে তারা গার্মেন্ট থেকে বের হয়ে আসেন। এ সময় সেনাবাহিনী ও পুলিশ বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে বিক্ষোভ তীব্র আকার ধারণ করে। বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণ করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী গুলি ছোড়া শুরু করে। সংঘর্ষের মধ্যে পড়ে আল আমিন ও ঝুমা গুলিবিদ্ধ হন। কাফরুল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী গোলাম মোস্তফা জানান, বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা পুলিশ ও সেনাবাহিনীকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছুড়ে মারেন। বিক্ষুব্ধ শ্রমিকদের ছত্রভঙ্গ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে লাঠিপেটা ও কাঁদানে গ্যাসের শেল ছোড়া হয়েছে। সংঘর্ষের সময় পুলিশ ও সেনাবাহিনীর দুটি গাড়ি ভাঙচুরের পরে আগুন ধরিয়ে দেয় শ্রমিকরা। প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, সকাল সাড়ে ৮টার দিকে গার্মেন্টের কয়েক শ শ্রমিক বিভিন্ন দাবিতে মিরপুর-১৪ নম্বর কচুক্ষেত সড়কে বিক্ষোভ শুরু করেন। এ সময় তারা সড়ক অবরোধ করেন। একপর্যায়ে যৌথ বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে তাদের সংঘর্ষ হয়। বেলা ১১টা পর্যন্ত চলা সংঘর্ষ মিরপুর-১৪ নম্বর থেকে কচুক্ষেত পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় মিরপুর-১৪ নম্বর সড়কের সঙ্গে সংযোগ সড়কগুলোর যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। বেলা ১১টার দিকে পরিস্থিতি শান্ত হলে ধীরে ধীরে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। জানা গেছে, তিন দিন আগে মৌসুমি গার্মেন্টে এক নারী শ্রমিককে মারধর করা হয়। এর প্রতিবাদ জানাতে গেলে একজন পুরুষ শ্রমিককেও মারধর করা হয়। গতকাল সকালে শ্রমিকরা কর্মস্থলে গিয়ে গার্মেন্ট বন্ধ দেখতে পান। এ ঘটনার বিচার দাবিতে ও গার্মেন্ট বন্ধের প্রতিবাদে শ্রমিকরা তাৎক্ষণিক বিক্ষোভ শুরু করেন। সেন্টেক্স ফ্যাশনস লিমিটেডের শ্রমিকরা জানান, মৌসুমি গার্মেন্ট কর্তৃপক্ষ বুধবার রাতে হঠাৎ করেই কারখানা বন্ধ করে দেন। সেজন্য আজ (বৃহস্পতিবার) সকালে শ্রমিকরা কারখানার সামনে অবস্থান নেন। একপর্যায়ে আশপাশের সব কারখানাও ছুটি দিয়ে দেওয়া হয়। তখন সবাই একসঙ্গে রাস্তায় অবস্থান নেন। পরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে তাদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়। সংঘর্ষের একপর্যায়ে আল আমিন ও ঝুমা গুলিবিদ্ধ হন।
গার্মেন্ট শ্রমিকদের বিক্ষোভে তুলকালাম, সেনাবাহিনী ও পুলিশের গাড়িতে আগুন, দুই শ্রমিক গুলিবিদ্ধ
মার্কিন নির্বাচনের আগেই ইসরায়েলে পাল্টা হামলা: নির্দেশ খামেনির
মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে যুদ্ধের দামামা চলছে। যেকোনো সময় মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা বিশ্লেষকদের। এরইমধ্যে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা আলী খামেনির নতুন নির্দেশ ঘিরে উত্তেজনার পারদ যেন আরও বাড়লো।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, খামেনি ইসরায়েলে হামলা চালানোর জন্য প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
গত সপ্তাহে প্রতিশোধ নিতে ইরানজুড়ে ব্যাপক হামলা চালায় ইসরায়েলি বাহিনী। ইসরায়েল দাবি করে, ইরানে তাদের অভিযান সফল হয়েছে এবং তাদের যুদ্ধবিমানগুলো নিরাপদে দেশে ফিরেছে।
এই হামলায় অন্তত চার সেনা নিহত হয়েছে বলে স্বীকার করে ইরান। যদিও প্রথম দিকে ইরান দাবি করে, ইসরায়েলের হামলায় তাদের তেমন কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। তবে পরবর্তী সময়ে খামেনি জানায়, ইসরায়েলি হামলায় ক্ষয়ক্ষতি অতিরঞ্জিত বা কম করে দেখানোর কিছু নেই।
হামলায় ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে খামেনির গত সোমবারের বৈঠকের পরেই ইসরায়েলের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন ইরানের তিনজন কর্মকর্তা।
আলোচনায় খামেনি জোর দিয়ে বলেছেন, ইসরায়েলি হামলার কোনো জবাব না দেওয়া মানে পরাজয় স্বীকার করে নেওয়া। ইরানি কর্মকর্তারা নিউইয়র্ক টাইমসকে বলেছেন, ৫ নভেম্বর মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের পরেই ইসরায়েলে হামলা চালানো হতে পারে।
তবে সূত্রের বরাত দিয়ে কিছু সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, মার্কিন নির্বাচনের আগেই ইসরায়েলে হামলা হতে পারে।
সূত্রের বরাতে বুধবার অ্যাক্সিওস এবং সিএনএন জানিয়েছে, ইরান প্রতিশোধ নিতে যুদ্ধের যে পরিকল্পনা করেছে তাতে ইসরায়েলে হামলা মার্কিন নির্বাচনের আগেই হতে পারে।
তবে গত সপ্তাহে ইসরায়েলি হামলার পর যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের পক্ষ থেকে ইরানকে পাল্টা হামলা না চালানোর আহŸান জানানো হয়।
বাংলাদেশের ‘সমালোচনা’ করে ডোনাল্ড ট্রাম্পের পোস্ট
বাংলাদেশের কঠোর সমালোচনা করে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। সংখ্যালঘুরা নির্যাতিত হচ্ছে এমন দাবি করে বৃহস্পতিবার টুইটারে পোস্ট করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প।
ট্রাম্প লিখেছেন, ‘বাংলাদেশে হিন্দু, খ্রিস্টান এবং অন্যান্য সংখ্যালঘুদের ওপর বর্বর হামলার কড়া নিন্দা জানাচ্ছি। যারা উচ্ছৃঙ্খল জনতার দ্বারা হামলা ও লুটের শিকার হচ্ছেন। বাংলাদেশ এখন পুরোপুরি বিশৃঙ্খল অবস্থায় রয়েছে।’
ট্রাম্প তার পোস্টে দাবি করেছেন যদি তিনি প্রেসিডেন্ট থাকতেন তাহলে বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর কথিত নির্যাতনের ঘটনা ঘটত না।
তিনি অভিযোগ করেছেন, বর্তমান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ও ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস যুক্তরাষ্ট্রসহ পুরো বিশ্বে হিন্দুদের উপেক্ষা করেছেন।
এছাড়া ইউক্রেন থেকে শুরু করে ইসরায়েল এবং নিজেদের দক্ষিণ সীমান্তসহ সব জায়গায় বাইডেন-হ্যারিস ব্যর্থ হয়েছেন বলেও দাবি করেছেন তিনি।
ট্রাম্প বলেছেন, ‘আমার চোখের সামনে এগুলো কখনও হতো না। কমলা হ্যারিস ও জো বাইডেন হিন্দুদের আমেরিকাসহ পুরো বিশ্বব্যাপী উপেক্ষা করেছেন। ইসরায়েল থেকে ইউক্রেন, আমাদের দক্ষিণ সীমান্তসহ সব জায়গায় তাদের অবস্থা যা-তা। কিন্তু আমরা যুক্তরাষ্ট্রকে আবারও শক্তিশালী করব এবং শক্তির মাধ্যমে শান্তি ফিরিয়ে আনব।
তিনি আরও লিখেছেন, ‘উগ্র বামপন্থিদের ধর্ম বিদ্বেষ থেকে আমরা আমেরিকান হিন্দুদের রক্ষা করব। আমরা স্বাধীনতার জন্য লড়াই করব। এছাড়া (নির্বাচিত হলে) আমার প্রশাসনের মাধ্যমে ভারত এবং ভালো বন্ধু নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে শক্তিশালী বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ব।’
গত ৫ আগস্ট সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণঅভ্যুত্থানের তোপের মুখে পড়ে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান। এরপর ভারত থেকে দাবি করা হয় সংখ্যালঘুরা নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন।
আগামী ৫ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রে হবে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। এবার ডেমোক্র্যাটিক পার্টির প্রার্থী কমালা হ্যারিসের বিরুদ্ধে লড়াই করবেন রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী ও সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
বিশ্ব শান্তির জন্য হুমকি মোদি
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ক্ষমতায় আসার পর থেকে গোটা অঞ্চলের শান্তি প্রায় বিপন্ন। নিকটতম বা দূরবর্তী কোনো প্রতিবেশীই ভারতের হাত থেকে নিরাপদ নয়।
ভারতের ‘সন্ত্রাসী কার্যকলাপে’ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে পাকিস্তান। ভারতের মনোবল এখন এতটাই বেড়েছে যে, তারা এসব কর্মকাণ্ডের কথা প্রকাশ্যেই বলে বেড়ায়।
চলতি বছরের শুরুর দিকে ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং এক সংবাদ সম্মেলনে পাকিস্তানে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালানোর বিষয়টি স্বীকার করেছিলেন। রাজনাথ সিং আরএসএসের কট্টর মুসলিমবিরোধী মতাদর্শে বিশ্বাসী। মোদির মতো তাকেও চরমপন্হা ও মুসলিমবিরোধী মনোভাবের ভিত্তিতে ভারতের চরমপন্থি মহলে পছন্দের প্রার্থী হিসেবে দেখা হয়।
কাশ্মীরে ভারতীয় সন্ত্রাসবাদ বৈশ্বিক সন্ত্রাসবাদের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু নিজেদের জীবন উৎসর্গ করেও কাশ্মীরিরা আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার ছাড়ছে না। ২০১৯ সালের ৫ আগস্ট জাতিসংঘের প্রস্তাব লঙ্ঘন করে ভারত সরকার ভারতীয় সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিল করে কাশ্মীরের স্বতন্ত্র মর্যাদা পরিবর্তনের চেষ্টা করে।
সংবিধানের ৩৭০ ধারা বাতিলের পর গত পাঁচ বছরে প্রায় সাড়ে ১২ কোটি জনসংখ্যার মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ এলাকাটি গভর্নরের শাসনে নিয়ন্ত্রিত হচ্ছিল। কিন্তু এ বছরের অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহে অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচনে অধিকৃত জম্মু-কাশ্মীরের জনগণ বিজেপিকে পরাজিত করে তাদের পূর্ণ ঘৃণা প্রকাশ করেছে। ভারতের রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের শিকার অধিকৃত কাশ্মীরে ২০১৪ সালের পর এটিই ছিল প্রথম স্থানীয় নির্বাচন।
দশকের পর দশক ধরে লাখ লাখ সৈন্য কর্তৃক কাশ্মীরি জনগণের ওপর অমানবিক নৃশংসতা ও হত্যাকাণ্ড চালিয়ে আসা ভারত সরকারের অপমানজনক পরাজয়ে প্রমাণিত হয়েছে যে, কোনো অঞ্চল কিছু সময়ের জন্য সন্ত্রাস, গুলি এবং জবরদখলের মাধ্যমে দখল করা যেতে পারে কিন্তু স্থায়ীভাবে জনগণের কণ্ঠরোধ করা যায় না। সা¤প্রতিক নির্বাচনের ফলাফল কাশ্মীর বিরোধকে আরও একবার আন্তর্জাতিক সংবাদপত্রের শিরোনামের অংশ করে তুলেছে।
কাশ্মীরিরা আবারো আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদীকে বিচারের আওতায় এনেছে এবং তাদের রক্ত দিয়ে এই লড়াইয়ে একটি নতুন রঙ দিয়েছে। অন্যদিকে অধিকৃত কাশ্মীরের পর ভারতীয় সন্ত্রাসের শাখা পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও নেপাল থেকে কানাডায়ও ছড়িয়ে পড়েছে।
২০২৩ সালের জুন মাসে কানাডায় শিখ স্বাধীনতা সংগ্রামী হরদীপ সিং নিজ্জরকে হত্যা করা হয়। কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো সংসদীয় তদন্তের পর ভারতের সঙ্গে কূটনৈতিক বিরোধ নিয়ে দীর্ঘ কথা বলেছেন
কানাডার প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যখন জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনের আয়োজন করছিলেন, তখন সরকার এ তথ্যগুলো জনসমক্ষে আনতে পারত। তবে আন্তর্জাতিক নৈতিকতার কথা মাথায় রেখে আমরা এটা করিনি। বরং তাদের সন্ত্রাসের যাবতীয় প্রমাণ আমরা ভারতের শীর্ষ নেতৃত্বকে দিয়েছি।
এ ঘটনায় কূটনৈতিক টানাপোড়েনের পর কানাডা সরকার ছয় ভারতীয় কূটনীতিককে বহিষ্কার করে এবং তাদের দেশ ছাড়ার নির্দেশ দেয়।
কানাডার পুলিশ প্রধান মাইক ডেভেহ্যাম স্পষ্টভাবে বলেছেন, ভারত সরকারের এজেন্টরা কানাডায় অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত; যা স্থানীয় সমাজ ও নাগরিকদের জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।
তিনি আরও বলেন, পুলিশের হাতে আসা তথ্য-প্রমাণে দেখা যায়, ভারত সরকারের এজেন্টরা হত্যাকাণ্ড ও সহিংস ঘটনায় জড়িত।
পুলিশি তদন্তে উঠে এসেছে যে, কানাডায় ভারতীয় কূটনীতিক এবং কনস্যুলেটগুলো তাদের পদের সুযোগ নিয়ে সরাসরি বা তাদের তথ্যদাতাদের মাধ্যমে গোপন কার্যকলাপে জড়িত ছিল। স্বেচ্ছায় বা জোর করে ভারত সরকারের জন্য তথ্য সংগ্রহ করেছে। কানাডা সরকারের পক্ষ থেকে জানা গেছে, খালিস্তান সমর্থকদের টার্গেট করতে অপরাধী চক্র ব্যবহার করা হয়েছিল।
ভারতের সন্ত্রাসবাদ শুধু কানাডাতেই সীমাবদ্ধ নয়, গত মে মাসে মার্কিন এফআইএ এজেন্টরা ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা ‘র’ এর নির্দেশে এক আমেরিকান শিখ নাগরিককে হত্যার ষড়যন্ত্র বানচাল করে দেয়।
নভেম্বরে মার্কিন আদালতে দায়ের করা অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, গুরপতবন্ত নামে এক মার্কিন নাগরিককে হত্যা করার জন্য এক ভারতীয় এজেন্ট নিখাল গুপ্তাকে এক লাখ ডলার দিয়েছিল।
রাষ্ট্রীয় সম্পদের ব্যবহার এ সন্ত্রাসী দেশটির পর্দা উন্মোচন করেছে যা বিশ্ব শান্তির জন্য হুমকিস্বরূপ।
বিশ্ব নেতৃত্বের স্বপ্নদ্রষ্টা মোদির জানা উচিত নেতৃত্ব বন্দুক, বিস্ফোরণ, হুমকি ও সন্ত্রাসবাদের মাধ্যমে আসে না, আসে শান্তির বাস্তব অভিব্যক্তি থেকে। মোদির ভারত আগেও বিশ্ব শান্তির জন্য হুমকি ছিল এবং আজও একটি বড় হুমকি হয়ে আছে।
বিশ্ব নেতাদের অবশ্যই এর পথ বন্ধ করতে হবে। অন্যথায় যে কোনো সময় বিশ্ব শান্তি হুমকির মুখে পড়তে পারে।
আগামী নির্বাচনে আমরাই জিতব: কমলা হ্যারিস
যুক্তরাষ্ট্রে আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয়ী হবেন বলে আশা প্রকাশ করেছেন ডেমোক্র্যাট প্রার্থী কমলা হ্যারিস। উইসকনসিনে এক সমাবেশে দেওয়া বক্তব্যে হ্যারিস বলেছেন, আমরাই আগামী নির্বাচনে জিতব।
বিট্রিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি ও বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদন থেকে এ খবর জানা যায়।
সংবাদমাধ্যমটি জানায়, ট্রাম্পকে গণতন্ত্রের জন্য হুমকিস্বরূপ উল্লেখ করে কমলা বলেন, ‘ট্রাম্প নির্বাচিত হলে দেখা যাবে তিনি তার শত্রুদের তালিকা নিয়ে অফিসে প্রবেশ করছেন। কিন্তু যখন আমি নির্বাচিত হব, তখন আমি একটি টু-ডু লিস্ট (করণীয় তালিকা) করার কাজে মন দিব।’
তিনি জানান, তার করণীয় তালিকার শীর্ষে রয়েছে মানুষের জীবনযাত্রার খরচ কমিয়ে আনা। গর্ভপাত, স্বাস্থ্যসেবাসহ আরও যেসব খাতে কাজ করার প্রতিশ্রুতি তিনি এর আগে দিয়েছেন, সেসব বিষয় তিনি আবারও উইসকনসিনের সমাবেশে তুলে ধরেন। তিনি স্বাস্থ্যসেবার খরচ কমানোর প্রতিশ্রুতি দেন।
গর্ভপাতের বিষয়ে তিনি আরও বলেন, ‘একজন নারী তার শরীরের বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত নিবেন, তা তার মৌলিক স্বাধীনতা। এখানে সরকার তাকে কী বলবে, সেটি তাকে অনুসরণ করতে হবে না।’
তিনি তরুণ ভোটারদের, বিশেষ করে যারা এবার প্রথম ভোট দেবেন তাদের উদ্দেশে বলেন, ‘আমি তোমাদের প্রজন্মকে ভালোবাসি, আমি তোমাদের ভালোবাসি।’
হ্যারিস বলেন, ‘তোমরা পরিবর্তনের জন্য মুখিয়ে আছ। তোমরাই কেবল জলবায়ু সংকট সম্বন্ধে জানো। তোমরা আমাদের গ্রহ, আমাদের ভবিষ্যৎ রক্ষা করার দায়িত্বে নেতৃত্ব দিচ্ছ।’
কমলা যখন বক্তব্য দিচ্ছেন তখন একজন প্রতিবাদকারী ‘সিজফায়ার নাউ’ বলে উচ্চ স্বরে স্লোগান দিচ্ছিলেন। মানে, গাজায় দ্রæত যুদ্ধবিরতির আহŸান জানান তিনি। হ্যারিস সেই প্রতিবাদকারীর কথার উত্তর দিতে গিয়ে বলেন, ‘আমরা সবাই চাই গাজার যুদ্ধ শেষ হোক’।
উপস্থিত সমর্থকদের তিনি বলেন, এই যুদ্ধ শেষ করার জন্য তিনি সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন। তিনি এক পর্যায়ে প্রতিবাদকারীদের উদ্দেশ করে বলেন, ‘আমাদের সবারই কথা বলার অধিকার আছে। কিন্তু এখন আমি কথা বলছি।’
২০২৬ বিশ্বকাপে খেলার নিশ্চয়তা দিলেন না মেসি
২০২২ কাতার বিশ্বকাপ জয়ের পরপরই ধরে নেওয়া হয়েছিল সব জেতা মেসি হয়তো এবার বিদায় জানিয়ে দেবেন ফুটবলকে। তবে সে পথে না হেঁটে এখনও চালিয়ে যাচ্ছেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা। কদিন আগে জিতেছেন আরও একটি কোপা আমেরিকা ট্রফি। এখন মেসি ভক্তদের চাওয়া আগামী ২০২৬ বিশ্বকাপেও খেলুক রেকর্ড আটবারের ব্যালন ডি’অর জয়ী। মেসিকেও এই প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয় প্রায় প্রতিটি সাক্ষাৎকারেই।
এবার মেসিকে ফের একই প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয়েছে ইতালিয়ান সাংবাদিক ফ্যাব্রিজিও রোমানোর কাছে। যেই প্রশ্নের উত্তরে ২০২৬ বিশ্বকাপ খেলার নিশ্চয়তা দিতে পারেননি মেসি। পরিস্থিতি ও নিজের অবস্থা বুঝেই সিদ্ধান্ত নিতে চান। তার আগে খেলাটাকে কেবল উপভোগ করতে চান তিনি।
২০২৬ বিশ্বকাপে খেলা নিয়ে মেসি বলেন, ‘আমি জানি না (২০২৬ বিশ্বকাপে খেলব কি না)। অনেক প্রশ্ন হয় এ নিয়ে, বিশেষ করে আর্জেন্টিনায়। আমি এ বছর ভালোভাবে শেষ করতে চাই, এরপর পরের বছরের প্রাক্–মৌসুম ভালোভাবে শুরু করতে চাই, প্রচুর ভ্রমণের জন্য যেটা গত বছর পারিনি।’
মেসি এরপর বলেন, ‘(প্রাক্–মৌসুম ভালোভাবে শুরুর পর) আমি কেমন করছি, কেমন অনুভব করছি, সেটা বোঝার চেষ্টা করব। (২০২৬ বিশ্বকাপের) আমরা যেমন কাছাকাছি রয়েছি, তেমনি সময়ও হাতে আছে অনেক এবং ফুটবলে যেকোনো কিছুই হতে পারে। প্রতিটি দিন ধরে ধরে এগোচ্ছি, এর বাইরে ভাবছি না।’
এ মৌসুমে মাত্র ১৯ ম্যাচেই ২০ গোল করার পাশাপাশি সতীর্থদের দিয়ে ১৬টি গোলও করিয়েছেন মেসি। রয়েছেন দারুণ ছন্দে। তবে স¤প্রতি খেলার ধরনে পরিবর্তন এনেছেন মেসি। যা নিয়ে আর্জেন্টাইন তারকা বলেন, ‘নিজের বয়স ও পরিস্থিতি বিবেচনা করেই আমি খেলার স্টাইল পাল্টেছি। ধীরে ধীরে সবকিছুর সঙ্গে মানিয়ে নিচ্ছি। নিজেকে পাল্টে লিগের সঙ্গে মানিয়ে নিতে শুরু করেছি, যেটা আমার জন্য নতুন। শুরু থেকেই স্বচ্ছন্দে ছিলাম।’
আবারও রাহুলকে ‘প্রকাশ্যে’ কটাক্ষ সঞ্জীব গোয়েঙ্কার
ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) গত আসরে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিপক্ষে হারের পর মাঠে নেমেই অধিনায়ক কেএল রাহুলকে তিরস্কার করেছিলেন দলটির কর্ণধার সঞ্জীব গোয়েঙ্কাকে। এরপর দাবি করা হয়েছিল, বিবাদ মিটিয়ে নিয়েছে দুপক্ষ।
তবে আদতে তার কিছুই হয়নি। যা হয়েছিল, ‘তা লোক দেখানো’। আগামী আসরের জন্য লখনউ সুপার জায়ান্টসের রিটেনশন তালিকায় নেই রাহুলের নাম। শুধু তাই নয়, রাহুলের নাম মুখে না নিয়ে খোঁচা মেরেছেন গোয়েঙ্কা। তার ভাষ্য, যারা দলের জন্য খেলে তাদেরকেই রিটেন করেছে লখনউ।
বৃহস্পতিবার (৩১ অক্টোবর) এক প্রতিবেদনে এ খবর দিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।
স্টার স্পোর্টসের এক ভিডিওতে সঞ্জীব গোয়েঙ্কা বলেন, ‘আমাদের কাছে বিষয়টা খুব স্পষ্ট ছিল। যে সব ক্রিকেটাররা দলের কথা ভাবে এবং নিজেদের ব্যক্তিগত স্বার্থ দেখে না, আমাদের দল শুধু তাদেরই রিটেন করেছি। আমরা চেয়েছি যারা দলের কথা ভাবে সেই কোর টিমকে যতটা সম্ভব রিটেন করতে। ক্রিকেটারদের মধ্যে জেতার তাগিদ দেখেই তাদের রিটেন করা হয়েছে’।
মোট পাঁচজন প্লেয়ারকে রিটেন করেছে লখনউ সুপার জায়ান্টস। নিকোলাস পুরানের পাশাপাশি রবি বিষ্ণোই, মায়াঙ্ক যাদব এবং বাঁহাতি পেসার মহসিন খান ও আয়ুষ বাদোনি রয়েছে এই তালিকায়।
আইপিএলে ২০২২ সালের সংস্করণে অভিষেক হয় লখনউ সুপার জায়ান্টসের। ওই সময় তাদের সেরা পছন্দ ছিল কেএল রাহুল। তার নেতৃত্বে প্রথম দু আসরে প্লে-অফে জায়গা করে নিয়েছিল লখনউ। অবশ্য গত আসরে তাদের পারফরম্যান্স ছিল হতাশাজনক। তার ওপর সানরাইজার্স হায়দরাবাদের কাছে লজ্জাজনক হারের পরই দলের কর্ণধারের সঙ্গে ব্যাপক দূরত্ব তৈরি হয় লোকেশ রাহুলের।
বার্তাসংস্থা পিটিআইকে একটি সূত্র জানিয়েছে, রাহুলের স্ট্রাইকরেট নিয়ে লখনউ টিম ম্যানেজম্যান্ট নাখোশ। টি-টোয়েন্টিতে ভারতীয় দলকেও তাদের দর্শন পরিবর্তন করতে হয়েছে। স্ট্রাইকরেটে অবনতি দেখে রাহুলের পেছনে আর লগ্নি করতে রাজি নয় লখনউ।
নভেম্বরে আগামী আসরের আইপিএল নিলাম হবে। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর পাশাপাশি আরও কয়েকটি ফ্র্যাঞ্চাইজি রাহুলকে দলে নেওয়ার চেষ্টা করতে পারে।
এদিকে কেএল রাহুলকে নিয়ে এমন মন্তব্য করার কারণে নেটিজেনদের অনেকে গোয়েঙ্কার সমালোচনা করেছেন।
সাফজয়ীদের ২০ লাখ টাকা পুরস্কার দিল বিসিবি
নেপালে স্বাগতিকদের ২-১ গোলে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবল শ্রেষ্ঠত্বের লড়াই সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের মুকুট জিতেছে বাংলাদেশের মেয়েরা। এমন অর্জনের পর গতকাল ট্রফি নিয়ে দেশে ফিরেছে সাফজয়ীরা। ছাদখোলা বাসে ঢাকা শহরের রাস্তায় আনন্দ উদযাপন করেছে মেয়েরা। এমন দিনে তাদের আনন্দ বাড়িয়ে দিতে ২০ লাখ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড বিসিবি।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে বিসিবির পক্ষ থেকে। যেখানে ফারুক আহমেদ বলেন, ‘আমাদের নারী ফুটবল দল সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে যা করেছে, আমরা গর্বিত। পুরো ক্রীড়াঙ্গনের এ সাফল্য উদযাপনে বিসিবিও যোগ দিচ্ছে।’
বিসিবি সভাপতি যোগ করেন, ‘তাদের এই জয় অন্য সব খেলার খেলোয়াড়দের এবং বাংলাদেশের মেয়েদের অনুপ্রেরণা জোগাবে। আমরাও বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের নারী ফুটবল বিভাগকে অভিনন্দন জানাই।’
এ অর্জন খেলায় মেয়েদের অংশগ্রহণ বাড়াবে বলে বিশ্বাস ফারুক আহমেদের, ‘বিসিবি খেলায় মেয়েদের অংশগ্রহণ বাড়ানোর ক্ষেত্রে সব সময় বদ্ধপরিকর। এই ঐতিহাসিক জয় খেলায় মেয়েদের অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে আগ্রহ বাড়াবে এবং পুরো দেশের সমর্থন জোগাবে।’
বাংলাদেশে এত সহজে সিরিজ জিতব ভাবিনি: মার্করাম
বাংলাদেশ সফরে এসে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে জয় পেয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেট দল। দুই টেস্টে জয়ের পর দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়ক এইডেন মার্করাম বলেছেন, চট্টগ্রাম টেস্টে তিন দিনেই জয় পাবো তা কখন ভাবিনি।
জহুর আহমেদ চৌধুরি স্টেডিয়ামে বৃহস্পতিবার ১৬ উইকেট হারিয়ে তিন দিনেই ম্যাচ হেরে গেছে বাংলাদেশ। দুই ইনিংস মিলিয়ে মাত্র ৩০২ রান করতে পেরেছে টাইগাররা। প্রথম ইনিংসে ৫৭৫ রান করা দক্ষিণ আফ্রিকা পেয়েছে ইনিংস ও ২৭৩ রানের জয়।
নিজেদের টেস্ট ইতিহাসে এটিই প্রোটিয়াদের সবচেয়ে বড় জয়। বøুমফন্টেইনে ২০১৭ সালে বাংলাদেশের বিপক্ষেই তারা জিতেছিল ইনিংস ও ২৫৪ রানে।
সিরিজ জয়ের পর প্রোটিয়া অধিনায়ক বলেন, একদমই ভাবিনি এত দ্রæত জয় পাব। মানসিকভাবে পঞ্চম দিনের শেষ ভাগ পর্যন্ত খেলার জন্য প্রস্তুত ছিলাম আমরা। একবারও ভাবিনি, আজকে এখানে (ম্যাচ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলন) আসব। তবে হ্যাঁ, লম্বা সময় ধরে দুর্দান্ত বোলিং পারফরম্যান্সের সৌজন্যে আমরা এখন এই অবস্থানে।
মার্করাম আরও বলেন, আমরা জানতাম, সিরিজ জয় মোটেও সহজ হবে না। তবে আমরা খুবই ভাগ্যবান ছিলাম যে চমৎকার কিছু পারফরম্যান্সের সৌজন্যে তাদের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পেরেছি। আমাদের সবার জন্য গর্বের ব্যাপার। সামনের দিনগুলোতে এই সাফল্য আমাদের আনন্দ দেবে।
কোটি টাকা চেয়ে সালমান খানকে হুমকি, যুবক গ্রেফতার
বলিউড সুপারস্টার সালমান খানের কাছে কোটি টাকা চেয়ে ফের হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে। অজ্ঞাতপরিচয়ে একজন মুঠোবার্তায় সালমানকে হত্যার হুমকি দেন। এ ঘটনার ২৪ ঘণ্টা পর এক যুবককে মুম্বাই থেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
এর আগে গত বুধবার মুম্বাই পুলিশের ট্রাফিক কন্ট্রোল রুমে সালমানের নামে নতুন করে হুমকি আসে। অজ্ঞাত পরিচয় নম্বর থেকে সালমানকে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়। বাঁচতে চাইলে সালমানকে ২ কোটি রুপি দিতে হবে বলে দাবি করা হয়।
এরপর তা নিয়ে তদন্তে নামে পুলিশ। এ ঘটনায় সেদিন রাতেই বান্দ্রা এলাকার বাসিন্দা আজম মোহাম্মাদ মোস্তফা নামে একজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
তবে সময়টা একেবারেই ভালো যাচ্ছে না বলিউড অভিনেতা সালমান খানের। জীবন হারানোর চিন্তায় এক বড় আতঙ্কে দিনাতিপাত করছেন ভাইজান। একের পর এক হত্যার হুমকি! আর তা যেন এখন সালমানের নিত্যদিনের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এর আগে সালমান খান ও এনসিপি নেতা জিশান সিদ্দিকিকে হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগে উত্তর প্রদেশের নয়ডা থেকে ২০ বছর বয়সি এক যুবককে গ্রেফতার করেছে মুম্বাইয়ের পুলিশ। গত সোমবার ওই ব্যক্তিকে আটক করা হয়।


