Home Blog Page 554

বাংলাদেশ নিয়ে ভারতীয় সাংবাদিকের প্রশ্ন, যা জানালো যুক্তরাষ্ট্র

আমরা শান্তপ্রিয় আন্দোলনকে সমর্থন করি এবং চাই না সরকার কোনোভাবে শান্তপ্রিয় আন্দোলনে সহিংস দমনপীড়ন চালাক বলে মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্র পররাষ্ট্র দফতরের মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার।

স্থানীয় সময় সোমবার (১৮ নভেম্বর) প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।

প্রেস ব্রিফিংয়ে ভারতীয় সাংবাদিক প্রশ্ন করে বলেন, ‘আওয়ামী লীগের শান্তিপূর্ণ সমাবেশে সংঘবদ্ধ হামলার আশঙ্কাজনক খবর শোনা যাচ্ছে। নারীদের ওপর হামলা, সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা, সাংবাদিকদের জেল এবং প্রেস অ্যাক্রেডিটেশন কার্ড বাতিল করা হয়েছে। বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের সমালোচকরা বলছেন, ছাত্রদের ৫ আগস্টের বিপ্লব দেশকে আবারো সেখানে নিয়ে যাচ্ছে যেখান থেকে এটির শুরু হয়েছিল। আমরা দেখেছি, ভেদান্ত প্যাটেল এসবের নিন্দা জানিয়েছে।’ এর পর তিনি বলেন, বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের সাথে এ ব্যাপারে আপনার কী কোনো কথা হয়েছে?”

জবাবে মিলার বলেন, ‘বাংলাদেশের সাথে আলাদাভাবে কী কথা হয়েছে সেটি এখানে আমি বলব না। তবে আমরা বাংলাদেশ সরকারের কাছে স্পষ্ট করেছি, যেমনটা আমরা বিশ্বের সব দেশের কাছে করি যে আমরা শান্তপ্রিয় আন্দোলনকে সমর্থন করি এবং চাই না সরকার কোনোভাবে শান্তপ্রিয় আন্দোলনে সহিংস দমনপীড়ন চালাক।’

এরপর বাংলাদেশের সংবিধান থেকে ধর্মনিরপেক্ষতা বাদ দেয়ার বিষয়ে প্রশ্ন করেন ওই ভারতীয় সাংবাদিক।

তিনি বলেন, ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ওপর ক্রমবর্ধমান হামলার মধ্যেই সম্প্রতি বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল সংবিধান থেকে ‘ধর্মনিরপেক্ষতা’ বাদ দেয়ার বিষয়ে কথা বলেছেন। এ ব্যাপারে মিলারের বক্তব্য জানতে চান ওই সাংবাদিক।

জবাবে মিলার জানান, তিনি প্রশ্নটি আমলে নিচ্ছেন এবং এ বিষয়ে তাদের কিছু বলার আছে কিনা তা পরে জানাবেন।

তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের হুঁশিয়ারি রাশিয়ার

যুক্তরাষ্ট্রের সরবরাহ করা ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে রাশিয়ার ভেতরে আক্রমণ করতে ইউক্রেনকে অনুমতি দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের হুঁশিয়ারি দিয়েছে রাশিয়া।

রুশ সংসদের উচ্চ কক্ষের ফরেন অ্যাফেয়ার্স কমিটির উপ-প্রধান ভ্লাদিমির যাবারভ বলেছেন, এই সিদ্ধান্ত ‘তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরুর দিকে বড় একটি পদক্ষেপ’। তিনি বলেন, এটা ‘ট্রাম্পের স্বাধীনতার মাত্রা সীমিত করার প্রচেষ্টা।’

রাশিয়ার গণমাধ্যমও একই ধরনের ভয়ানক ভবিষৎবাণী করছে।

‘যে পাগল লোকজন ন্যাটোকে সরাসরি আমাদের দেশের সাথে যুদ্ধের দিকে নিয়ে যাচ্ছে, খুব শিগগিরই তারা ভয়ানক কষ্ট পাবেন,’ বলেন তিনি।

গত জুন মাসে পুতিন হুঁশিয়ারি দেন যে ন্যাটো ইউক্রেনকে রুশ ভূখণ্ড আক্রমণ করার অনুমতি দিলে, মস্কো পাশ্চাত্য লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার জন্য অন্যান্যদের দূরপাল্লার অস্ত্র সরবরাহ করতে পারে।

তিনি আবারো বলেন, দেশের সার্বভৌমত্ব হুমকির মুখে পড়লে মস্কো পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করতে দ্বিধা করবে না।

এদিকে বাইডেনের নীতি পরিবর্তন ২০২২ সালে রাশিয়ার আগ্রাসনের পর থেকে চলা এই যুদ্ধে আরো একটি নতুন, অনিশ্চিত উপাদান যোগ করলো। চলমান রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ এক হাজার দিনের মাইলফলক স্পর্শ করার দ্বারপ্রান্তে চলে এসেছে।

আমেরিকার তৈরি এবং সরবরাহ করা এটিএসিএম ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে ইউক্রেন কোনো লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারবে, তার উপর বিধিনিষেধ ওয়াশিংটন কমিয়ে আনছে। এই তথ্য যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা রোববার (১৭ নভেম্বর) দ্য অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে জানায়।

বাইডেন এতদিন এই পদক্ষেপ নাকচ করে দিয়ে এসেছেন এই আশঙ্কা থেকে যে, এর ফলে সংঘাত আরো বৃদ্ধি পাবে এবং রাশিয়া আর পশ্চিমা সামরিক জোট নেটো সরাসরি যুদ্ধে জড়িয়ে যাবে।

‘এটা পরিষ্কার যে ওয়াশিংটনে বিদায়ী প্রশাসন কিছু পদক্ষেপ নিতে চায়, যার মাধ্যমে তারা আগুনে তেল ঢালতে থাকবে এবং এই সংঘাত ঘিরে উত্তেজনা আরো বাড়িয়ে দেবেন,’ মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ সাংবাদিকদের বলেন।
সূত্র : ভয়েস অফ আমেরিকা

সাবেক খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম ৮ দিনের রিমান্ডে

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন চলাকালে ছাত্র-জনতার মিছিলে রাজধানীর নিউমার্কেট এলাকায় ব্যবসায়ী আব্দুল ওয়াদুদকে গুলি করে হত্যার অভিযোগে করা মামলায় গ্রেফতার সাবেক খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলামের আট দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

মঙ্গলবার (১৯ নভেম্বর) সকালে রিমান্ড চেয়ে আবেদন করে পুলিশ, পরে শুনানি শেষে বিচারক জিয়াদুর রহমান জুম্মান এ আদেশ দেন আদালত।

এর আগে সোমবার (১৮ নভেম্বর) রাতে রাজধানীর উত্তরা-১২ নম্বর সেক্টর থেকে সাবেক খাদ্যমন্ত্রী ও ঢাকা-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলামকে গ্রেফতার করে গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।

উল্লেখ্য, গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতন হয়। তখন থেকেই অনেক আওয়ামী লীগ নেতার মতো আত্মগোপনে ছিলেন কামরুল ইসলাম।

কামরুল ইসলাম ২০০৮ সালে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কামরুল ইসলাম ঢাকা-২ আসন (সাভার-কেরানীগঞ্জ-কামরঙ্গীরচর) থেকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বিজয়ী হন। এ সময়ে তিনি আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পান।

২০১৪ সালে অনুষ্ঠিত দশম সংসদ নির্বাচনে একই এলাকা থেকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন। ২০১৪ সালে তিনি খাদ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব লাভ করেন।

আজ মওলানা ভাসানীর ৪৮তম মৃত্যুবার্ষিকী

আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর ৪৮তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ১৯৭৬ সালের এই দিনে ঢাকার তৎকালীন পিজি হাসপাতালে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, সন্তোষ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, টেকনিক্যাল কলেজ, মওলানা ভাসানী ফাউন্ডেশনসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সংগঠন নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। ভাসানীর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে ৭ দিনব্যাপী ‘ভাসানী মেলা’ চলছে। এদিকে ভাসানীর মৃত্যুবার্ষিকীতে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা, অন্যান্য রাজনৈতিক দল এবং অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টারা তার মাজার জিয়ারত করবেন বলে জানা গেছে।
মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় : ভাসানীর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। এদিন সকাল সাড়ে ৭টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য আনোয়ারুল আজীম আখন্দের নেতৃত্বে ভাসানীর মাজারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মধ্যে দিয়ে কর্মসূচির উদ্বোধন হবে। পরে একে একে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থী, পরিবারের সদস্যরা ফুল দেবেন। বাদ জোহর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে।
বিএনপির ২ দিনের কর্মসূচি : ভাসানীর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে ২ দিনের কর্মসূচি নিয়েছে বিএনপি। আজ সকালে টাঙ্গাইলে ভাসানীর মাজার জিয়ারত, শ্রদ্ধা নিবেদন ও আলোচনা সভা করবে দলটি। কাল জাতীয় প্রেস ক্লাবে আলোচনা সভায় অংশ নেবেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতারা। এছাড়া ভাসানীর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তার মৃত্যুবার্ষিকীতে বাণী দিয়েছেন দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

অশান্ত মণিপুর, শান্তি ফেরাতে কঠোর নির্দেশ

০

সহিংসতাকবলিত উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্য মণিপুরে শান্তিশৃঙ্খলা ফেরাতে সব নিরাপত্তা এজেন্সিকে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে নির্দেশ দিয়েছে মোদি সরকার।
গতকাল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তরফ থেকে বলা হয়েছে, কয়েকদিন ধরে মণিপুরের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নাজুক। শান্তি ও শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে নিরাপত্তা বাহিনীকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কোনো ব্যক্তি সহিংসতামূলক ও শান্তি বিঘœকারী কর্মকান্ডে লিপ্ত হওয়ার চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি শান্তি বজায় রাখতে ও গুজবে বিশ্বাস না করার জন্য কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তরফ থেকে রাজ্যের জনগণের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে। উল্লেখ্য, গত সোমবার রাজ্যটির জিরিবাম জেলায় কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা বাহিনী সেন্ট্রাল রিজার্ভ পুলিশ ফোর্স (সিআরপিএফ)-এর সঙ্গে সংঘর্ষে কমপক্ষে ১১ জন সন্দেহভাজন জঙ্গি নিহত হয়। বোরোবেক্রা পুলিশ থানা ও থানা সংলগ্ন সিআরপিএফ ক্যাম্পে কুকি জঙ্গিরা হামলা চালালে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধ শুরু হয়। তাতে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে। অন্যদিকে জঙ্গিদের আরেকটি দল নারী ও শিশুসহ ছয়জন মণিপুরীকে জঙ্গিরা অপহরণ করে। ওই ঘটনার পাঁচ দিন পর শুক্রবার রাত থেকে গতকাল শনিবার সকাল পর্যন্ত নিখোঁজ হয়ে যাওয়া সেই ৬ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়।
যার মধ্যে আট মাসের একটি শিশু সন্তানও রয়েছে। নিহতরা সবাই মেইতি সমপ্রদায়ের মানুষ বলে জানা গেছে।

ইমরান খানের বিচার কি সামরিক আদালতেই? যা বলছে ব্রিটেন

ব্রিটিশ পররাষ্ট্র সচিব ডেভিড ল্যামি জানিয়েছেন, পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে এমন কোন লক্ষণ পাওয়া যায়নি, যা সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে সামরিক আদালতে বিচার করার পরিকল্পনার ইঙ্গিত দেয়।
স¤প্রতি ইমরান খানের আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপদেষ্টা জুলফিকার বুখারি লেবার পার্টির এমপি কিম জনসনকে একটি চিঠি লিখেছেন। এতে ইমরান খানকে সামরিক আদালতে বিচারপ্রক্রিয়া নিয়ে গুরুতর উদ্বেগ তুলে ধরা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে কিম জনসনসহ ব্রিটেন পার্লামেন্টের প্রায় ২০ এমপি দেশটির পররাষ্ট্র সচিব ডেভিড ল্যামির কাছে জানতে চান, গণতান্ত্রিক বিষয় সামরিক আদালতে কেনো তোলা হবে। এ নিয়ে পাকিস্তান সরকারের কাছ থেকে সুস্পষ্ট বক্তব্য চান তারা।
২০ এমপির এই দল ইমরান খানের মুক্তির জন্য চাপ দেওয়ার জন্য ল্যামিকে অনুরোধ করেন। এতে তার আটককে রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে অভিহিত করা হয়। তাদের আশঙ্কা, ইমরান খান সামরিক আদালতে বিচারের মুখোমুখি হতে পারেন, আর এই ধরনের পদক্ষেপকে বেআইনি।
গত কয়েকমাসের মধ্যে সেনা আইনের সংশোধনী এবং সাবেক গোয়েন্দা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) ফয়েজ হামিদের গ্রেপ্তারের পর ইমরান খানের সম্ভাব্য সামরিক বিচার নিয়ে আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে। ৯ মে সহিংস বিক্ষোভে তার বিরুদ্ধে নথিভুক্ত করা মামলার বিষয়ে সম্ভাব্য সামরিক বিচারের বিরুদ্ধে তিনি ইসলামাবাদ হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন।
অবশ্য এক শুনানিতে, ফেডারেল সরকার আদালতকে জানিয়েছিল যে সামরিক আদালতে খানের বিচার তাদের বিবেচনাধীন নয়। কিন্তু এরপরও সংশয় থেকে যাচ্ছে।
কারণ পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ স¤প্রতি এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে যথেষ্ট প্রমাণ রয়েছে, যেগুলো ইঙ্গিত দিচ্ছে যে তার বিচার সামরিক আদালতে হবে। তবে কী প্রমাণ, সে সম্পর্কে বিস্তারিত বলেননি তিনি।
ল্যামি বেসামরিক বিচারের জন্য সামরিক আদালতের সম্ভাব্য ব্যবহারের বিষয়ে তার উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন, এই ধরনের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা এবং স্বাধীন তদারকির অভাবকে তুলে ধরেন।
১১ নভেম্বর এক পৃষ্ঠার চিঠিতে, লিভারপুল রিভারসাইডের লেবার এমপি কিম জনসনকে সম্বোধন করে ডেভিড ল্যামি বলেন, যদিও পাকিস্তানের বিচারিক প্রক্রিয়াগুলি একটি অভ্যন্তরীণ বিষয়, আমরা খুব স্পষ্ট বলেছি যে পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষকে তাদের আইন অনুযায়ী কাজ করতে হবে। আন্তর্জাতিক বাধ্যবাধকতা এবং মৌলিক স্বাধীনতার প্রতি সম্মান, ন্যায্য বিচারের অধিকার, যথাযথ প্রক্রিয়া এবং মানবিকতা নিশ্চিত করতে হবে।
যদিও তিনি আশ্বস্ত করে বলেছেন, ইমরানের খানের সামরিক বিচারের মুখোমুখি হওয়ার কোনও ইঙ্গিত নেই। ব্রিটিশ পররাষ্ট্রসচিব জোর দিয়ে বলেছেন, তার কর্মকর্তারা পরিস্থিতি ঘনিষ্ঠভাবে এটি পর্যবেক্ষণ করবেন।
ল্যামি আরো বলেন, পাকিস্তানকে গণতান্ত্রিক নীতি এবং আইনের শাসনের গুরুত্বের উপর জোর দিতে বলেছেন। এটি ইমরান খানের মামলার ক্ষেত্রেও যেমন প্রযোজ্য, সমস্ত পাকিস্তানের নাগরিকদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।
ব্রিটিশ পররাষ্ট্রসচিবের এই বক্তব্য আপাতত পিটিআইয়ের জন্য কিছুটা হলেও স্বস্তির খবর মনে করছেন বিশ্লেষকরা। বর্তমানে বেশ কয়েকটি মামলায় গত বছরের আগস্ট থেকে কারাগারে বন্দি আছেন ইমরান খান।

ট্রাম্পের মন্ত্রিসভা নিয়ে যা বলছেন মুসলিম নেতারা

নবনির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মন্ত্রিসভার সদস্য বাছাই নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন মুসলিম নেতারা।
গাজায় ইসরাইলের যুদ্ধ ও লেবাননের ওপর হামলায় বাইডেন প্রশাসনের সমর্থনের প্রতিবাদে নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে সমর্থন করেছিলেন এই মুসলিম নেতারা। কিন্তু ট্রাম্পের নতুন মন্ত্রিসভা পদের জন্য বাছাই করা ব্যক্তিদের দেখে গভীরভাবে হতাশ হয়েছেন বলে গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন তারা। রয়টার্স।
ফিলাডেলফিয়ার বিনিয়োগকারী রাবিউল চৌধুরী পেনসিলভানিয়ায় ‘কমলা হ্যারিসকে ত্যাগ কর’ প্রচারের নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি। সেই সঙ্গে ‘মুসলিমস ফর ট্রাম্প’ প্রতিষ্ঠা করেন।
তিনি বলেছেন, ‘ট্রাম্প আমাদের কারণে জিতেছেন। কিন্তু আমরা তার পররাষ্ট্রমন্ত্রী পদে বাছাই করা ব্যক্তি ও অন্যদের নিয়ে সন্তুষ্ট নই।’ কৌশলবিদরা মনে করেন, ট্রাম্পের প্রতি মুসলিমদের সমর্থন তাকে মিশিগান রাজ্যে জিততে সাহায্য করেছিল। এ ছাড়া অন্য দোদুল্যমান রাজ্যগুলোতেও ট্রাম্পের জয়ে তারা ভূমিকা রেখেছেন।
ট্রাম্প রিপাবলিকান সিনেটর ও ইসরাইলের কট্টর সমর্থক মার্কো রুবিওকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী পদে নিয়োগ দিয়েছেন। চলতি বছরের শুরুতে রুবিও গাজায় যুদ্ধবিরতির আহŸান জানাতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিলেন এবং বলেছিলেন যে তিনি বিশ্বাস করেন ইসরাইলকে হামাসের ‘প্রত্যেকটি উপাদান’ ধ্বংস করা উচিত। তিনি হামাসকে ‘নিষ্ঠুর প্রাণী’ বলে উল্লেখ করেছেন।
এ ছাড়া সাবেক আরকানসাস গভর্নর মাইক হাকাবিকে ইসরাইলে পরবর্তী রাষ্ট্রদূত হিসেবে মনোনীত করেছেন ট্রাম্প। হাকাবি কট্টর ইসরাইলপন্থী রক্ষণশীল নেতা হিসেবে পরিচিত। পশ্চিম তীরে ইসরাইলি দখলের সমর্থক এবং ফিলিস্তিনে দ্বি-রাষ্ট্র সমাধানকে ‘অকার্যকর’ বলে অভিহিত করেছেন তিনি। রিপাবলিকান প্রতিনিধি এলিস স্টেফানিককে জাতিসংঘে মার্কিন রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন ট্রাম্প। গাজায় হত্যার নিন্দা জানানোয় জাতিসংঘকে ‘ইহুদিবিদ্বেষের দুর্গন্ধময় স্থান’ বলেছিলেন তিনি।
আমেরিকান মুসলিম এনগেজমেন্ট অ্যান্ড এমপাওয়ারমেন্ট নেটওয়ার্কের (এএমইইএন) নির্বাহী পরিচালক রেক্সিনাল্ডো নাজারকো বলেছেন, মুসলিম ভোটারদের আশা ছিল-ট্রাম্প শান্তির জন্য কাজ করবে এমন মন্ত্রিসভার সদস্যদের বেছে নেবেন। কিন্তু তার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। ‘আমরা খুবই হতাশ’, তিনি বলেন। ‘মনে হচ্ছে এই প্রশাসন পুরোপুরি রক্ষণশীল, চরম ইসরাইলপন্থী ও যুদ্ধপন্থি লোকদের দিয়ে পরিপূর্ণ। ট্রাম্পের শান্তি এবং যুদ্ধবিরোধী আন্দোলনের পক্ষের প্রচারণার ব্যর্থতা এটি।’
ট্রাম্প নিজেও আরব আমেরিকান এবং মুসলিম জনসংখ্যার বৃহত্তম শহরগুলোতে বিশেষ করে সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম শহর ডিয়ারবোর্নে বেশ কয়েকবার সফর করেছেন।
সেখানে তিনি বলেছিলেন, তিনি মুসলিমদের ভালোবাসেন। এ ছাড়া পিটাসবার্গ শহরে ‘মুসলিমস ফর ট্রাম্প’কে সুন্দর আন্দোলন বলে উল্লেখ করেছিলেন তিনি।

পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারে এআই নয়, মানুষের সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিতঃ বাইডেন-শি জিনপিংয়ের ঐকমত্য

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এই বিষয়ে একমত হয়েছেন যে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের বিষয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নয়, মানুষের সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।
হোয়াইট হাউসের এক বিবৃতিতে এ কথা বলা হয়। বিবৃতিতে বলা হয়, পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের সিদ্ধান্তের ওপর মানুষের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখার প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি দৃঢ়তার সঙ্গে সমর্থন করেছেন দুই নেতা। দুই নেতার বৈঠক নিয়ে চীনের সংক্ষিপ্ত সরকারি ভাষ্যেও এআই-সংক্রান্ত একই কথার উল্লেখ রয়েছে।
শনিবার পেরুর রাজধানী লিমায় এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অর্থনৈতিক সহযোগিতা সংস্থার (এপেক) সম্মেলনের ফাঁকে বৈঠক করেন বাইডেন ও শি জিনপিং।
বিচক্ষণ ও দায়িত্বশীল পদ্ধতিতে সামরিক ক্ষেত্রে এআই প্রযুক্তি বিকাশের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন দুই নেতা। তাঁরা সম্ভাব্য ঝুঁকিগুলো সাবধানে বিবেচনা করার প্রয়োজনীয়তার ওপরও গুরুত্ব দেন।
বৈঠকের বিষয়ে বক্তব্য জানতে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল রয়টার্স। কিন্তু তারা তাৎক্ষণিকভাবে এ অনুরোধে সাড়া দেয়নি।
পারমাণবিক অস্ত্র ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিষয়টি নিয়ে দুই দেশের মধ্যে আরও আলোচনা হবে কি না বা পদক্ষেপ নেওয়া হবে কি না, তা স্পষ্ট নয়।

বলিউডে নতুন ধামাকা! অজয়ের ছবিতে নায়কের ভূমিকায় অক্ষয়

০

ক্যামেরার সামনে অভিনেতার রোল থেকে অনেক আগেই পরিচালকের আসনে বসেছেন বলিউড অভিনেতা অজয় দেবগণ। ক্যামেরার নেপথ্যের কারিগরি এবং খুঁটিনাটি বিদ্যা তার ভালোই জানা। এর আগে চার-চারটি সিনেমা পরিচালনা করেছেন অজয় দেবগণ। প্রত্যেকটি ছবিতে নিজেই মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন তিনি। তবে এবার খানিক ভিন্ন পথেই হাঁটলেন অজয়। তার পরিচালিত সিনেমার মুখ্য ভূমিকায় দেখা যাবে অক্ষয় কুমারকে।
খিলাড়ি কুমার যখন বক্স অফিসে ফ্লপের পাহাড়ে ডুবে, ঠিক সেইসময়েই পরিচালক তথা সহকর্মী অজয় দেবগণ ভরসা রাখলেন অক্ষয়ের ওপর। এই প্রথমবার অজয় পরিচালিত ছবির মুখ্যচরিত্রে অভিনয় করছেন অক্ষয় কুমার।
হিন্দুস্থান টাইমস লিডারশিপ সামিটের মঞ্চেই শনিবার সন্ধায় এই বড় খবর ঘোষণা করলেন অজয় দেবগণ। তিনি বলেন, আমি আর অক্ষয় একসঙ্গে একটা কাজ করছি। যেখানে পরিচালক এবং অক্ষয়কে দেখা যাবে মুখ্য ভূমিকায়।
গল্পটা কেমন, অ্যাকশন না কমেডি ঘরানার? সেই প্রশ্নের উত্তরে দুই তারকাই সাফ জানান, ‘এখনই এত বিশদে বলা যাবে না।’ এর আগে ‘ইউ মি অউর হাম’, ‘শিবায়’, ‘রানওয়ে ৩৪’, ‘ভোলা’ চারটি সিনেমার পরিচালনা করেছেন অজয় দেবগণ।
স¤প্রতি রোহিত শেট্টির তারকাখচিত ‘সিংহম এগেইন’ ছবিতে একফ্রেমে ধরা দিয়েছেন অক্ষয় কুমার এবং অজয় দেবগণ। যে মাল্টিস্টারার সিনেমা বক্স অফিসে বেশ ভালোই ব্যবসা করছে। এবার সহ-অভিনেতাকে পাশে বসিয়ে নতুন ছবির খবর দিলেন অজয়। বর্তমানে অক্ষয় ব্যস্ত ‘ওয়েলকাম টু দ্য জঙ্গল’ ছবি নিয়ে। এর পরই আগামী বছর শুরু করবেন ‘হেরা ফেরি ৩’ ছবির শুটিং।

আমরা কখনো মাথা ঘামাই না: বিদ্যা বালান

০

বলিউড ইন্ডাস্ট্রির গাফিলতি প্রকাশ্যে এনে অভিনেত্রী বিদ্যা বালান বলেছেন, যে সমস্যাগুলো নিয়ে আমরা কখনো মাথা ঘামাই না। কিছু ছবির ক্ষেত্রে অবশ্যই এই সূত্র কাজ করে না। তা ছাড়া প্রতিটি ছবির একটা নির্দিষ্ট ভাগ্য থাকে। এটা দুঃখজনক হলেও মেনে নিতে হয় আমাদের।
বড় বাজেটের ছবি আর তারকার সমাগম মানেই যে বক্স অফিসে ছবিটি সফল এমন নয়। বেশ কিছু এ ধরনের ছবি বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে মুখ থুবড়ে পড়ে প্রমাণ করে দিয়েছে এ সূত্র সব সময় কার্যকরী নাও হতে পারে। আনন্দবাজার অনলাইনের এমন এক প্রশ্নে বিদ্যা বালান বলেন, ছবির প্রেক্ষাপট এবং নির্মাণের ওপর বিষয়টি নির্ভর করে।
তিনি বলেন, সব ছবিকে একই গোত্রে ফেলে দিলে ঠিক হবে না। আমরা এটা কখনই বলতে পারি না যে, তারকাখচিত ছবি মানেই বক্স অফিসে অসফল। আবার এমন অনেক ছবিও রয়েছে, একাধিক বড় তারকা থাকা সত্তে¡ও ছবিটি সফলতার মুখ দেখেছে। এ অভিনেত্রী বলেন, আমি উদাহরণস্বরূপ বলতে পারি‘স্ত্রী ২’, ‘সিংহাম অ্যাগেইন’, ‘ভুল ভুলাইয়া ৩’ ছবির কথা। তিনি বলেন, কিছু ছবির ক্ষেত্রে অবশ্যই এই সূত্র কাজ করে না। তা ছাড়া প্রতিটি ছবির একটা নির্দিষ্ট ভাগ্য থাকে। এটা দুঃখজনক হলেও মেনে নিতে হবে আমাদের। ছবি ভালো হলে সফল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে বলে মনে করেন তিনি।
তবে একটি বিষয়ে ভাবা প্রয়োজন বলে মনে করেন বিদ্যা। কিছু ছবি আদতেই ভালো কিন্তু ছবি বিতরণের (ডিস্ট্রিবিউশন) ক্ষেত্রে গাফিলতি থেকে যায়। ফলে বেশিসংখ্যক দর্শকের কাছে পৌঁছতে পারে না ছবিটি। এই সমস্যাগুলো নিয়ে আমরা কখনো মাথা ঘামাই না বলে জানান বিদ্যা বালান।
তিনি বলেন, শুধু তাই নয়, বর্তমানে পুরোনো ছবি পুনরায় প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়ার চল শুরু হয়েছে। এ প্রসঙ্গেও মতামত জানালেন বিদ্যা। তিনি বলেন, আমার মনে হয় এ উদ্যোগ ভালোই। সিনেমাপ্রেমীদের আবার প্রেক্ষাগৃহমুখী করে তুলছে। এমনিতেই আমাদের প্রেক্ষাগৃহে ছবি দেখার অভ্যাস চলে গেছে।
এ অভিনেত্রী বলেন, আমরা খুব অলস হয়ে পড়েছি। প্রিয় ছবি দেখার লোভে আমরা হয়তো আবার হলমুখী হয়ে উঠব। বিদ্যা নিজেও চান, তার অভিনীত ‘কাহানি’ ছবি ফের মুক্তি পাক প্রেক্ষাগৃহে। তার কাছে এই ছবি একটি মাইলফলক এবং এই ছবি দেখার কোনো উপযুক্ত সময় নেই।