ভারতের লোকসভার বিরোধী দলনেতা হিসাবে রাহুল গান্ধীকে মনোনীত করে একটি প্রস্তাব পাশ হয়েছে কংগ্রেসের ওয়ার্কিং কমিটির মিটিংয়ে। মোদির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের ক্ষেত্রে রাহুলকেই যোগ্য মনে করছেন পার্টির সদস্যরা। তবে রাহুল গান্ধী জানিয়েছেন, তিনি ভেবে জানাবেন।
এর আগে শনিবার সোনিয়া গান্ধীকে কংগ্রেস পার্লামেন্টারি পার্টির চেয়ারপার্সন হিসেবে পুনঃনির্বাচিত করা হয়েছে। এর কয়েক ঘণ্টা পরে কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটি পার্টির শীর্ষ নেতাদের সিদ্ধান্তে রাহুল গান্ধীকে লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা নিযুক্ত করা হয়।
রাহুল বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবে দায়িত্ব নেবেন কিনা এ বিষয়ে সোনিয়া গান্ধীকে প্রশ্ন করেন সাংবাদিকরা। এ সময় সোনিয়া গান্ধী বলেন, আপনাদের তাকেই (রাহুল) জিজ্ঞাসা করা উচিত।
এনডিটিভির খবরে বলা হয়, শনিবার কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটি রাহুল গান্ধীকে লোকসভায় বিরোধী দলনেতার ভূমিকা নেওয়ার জন্য অনুরোধ করে একটি প্রস্তাব পাশ করেছে। সদ্য সমাপ্ত লোকসভা নির্বাচনে দলের ৯৯টি আসনে জয়ের জন্য রাহুল গান্ধীকেই কৃতিত্ব দেওয়া হচ্ছে। রাহুল এ দায়িত্ব নিতে রাজি হলে এক দশক পর লোকসভায় বিরোধীদলীয় নেতা হবেন তিনি।
লোকসভা নির্বাচনে উত্তর প্রদেশের রায়বেরেলি এবং নিজের কেন্দ্র কেরালার ওয়েনাড় থেকে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন কংগ্রেসের সাবেক এই সভাপতি।
হিন্দুস্তান টাইমস জানিয়েছে, সিডবিøউসির সভায় রাহুলকে বিরোধীদলীয় নেতা করার ব্যাপারে প্রস্তাব উঠলে তিনি বলেছেন, বিষয়টি নিয়ে তিনি ভাববেন। তখন কংগ্রেসের সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে তাকে মনে করিয়ে দেন, সিডবিøউসি এ বিষয়ে প্রস্তাব পাশ করেছে। পদটি তার গ্রহণ করা উচিত।
কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক কেসি ভেনুগোপাল সভার পর বলেন, ‘পৃথক একটি প্রস্তাবে সিডবিøউসি রাহুল গান্ধীকে বিরোধীদলীয় নেতার পদ গ্রহণে সর্বসম্মতভাবে অনুরোধ করেছে। সভায় অংশগ্রহণকারী সবাই একমত যে, রাহুল গান্ধীরই বিরোধীদলীয় নেতা হওয়া উচিত।’
প্রয়োজনীয় আসন না পাওয়ায় গত দুই নির্বাচন ২০১৪ ও ২০১৯ সালে লোকসভায় কেউ বিরোধী দলের নেতা ছিলেন না। বিরোধী দলের মর্যাদা পেতে গেলে ৫৪৩টি আসনের অন্তত ১০ শতাংশ আসন জিততে হয়। গত দুই মেয়াদে কংগ্রেস কিংবা অন্য কোনো দলই তা পায়নি। এবারের লোকসভা নির্বাচনে কংগ্রেস কেবল এককভাবেই নয়, জোটগতভাবেও এগিয়েছে।
কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইন্ডিয়া জোটের দখলে এসেছে ২৩৩ আসন; যেখানে ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন তৎকালীন ইউপিএ জোট ১০০-এরও কম আসন পেয়েছিল। ২০১৯ সালে ৫২টি আসন পাওয়া কংগ্রেস এবার এককভাবে ৯৯ আসনে জিতেছে। ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) বিরুদ্ধে মুখোমুখি লড়াইয়ে ২৯ শতাংশ আসনে দলটি সাফল্য পেয়েছে। এবার কংগ্রেস ৯৯ আসনে জিতে প্রধান বিরোধী দলের মর্যাদা পাচ্ছে।
রাহুলের বিরোধীদলীয় নেতা হওয়ার বিষয়ে যা বললেন সোনিয়া গান্ধী
ইসরাইলের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা হামাসের
দখলদার ইসরাইলের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন হামাসের পলিটব্যুরোর প্রধান ঈসমাইল হানিয়া।
তিনি বলেছেন, ইসরাইল তাদের ইচ্ছা হামাসের ওপর চাপিয়ে দিতে পারবে না এবং ফিলিস্তিনিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত হচ্ছে না এমন কোনো চুক্তিও মানা হবে না।
শনিবার গাজার মধ্যাঞ্চলের নুসেইরেত শরণার্থী ক্যাম্পে গণহত্যা চালায় দখলদার ইসরাইল। তাদের হামলায় সেখানে একইদিনে ২১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। মূলত চার জিম্মিকে ছাড়িয়ে নিতে নুসেইরেতে তারা ব্যাপক হামলা চালায় দখলদাররা।
বর্বরোচিত এ হামলার পর এক বিবৃতিতে হামাস প্রধান বলেছেন, আমাদের সাধারণ মানুষ আত্মসমর্পণ করবে না এবং এই অপরাধী শত্রুদের বিরুদ্ধে আমাদের প্রতিরোধ অব্যাহত থাকবে।
তিনি আরও বলেন, যদি ইসরাইলি দখলদাররা মনে করে তারা তাদের ইচ্ছা আমাদের ওপর জোরপূর্বক চাপিয়ে দিতে পারবে, তাহলে তারা বিভ্রান্তিতে আছে।
শনিবার রাফাহসহ মধ্য ও উত্তর গাজার বেশ কয়েকটি স্থানে আকাশ, স্থল ও নৌপথে চালানো ওই যৌথ অভিযানে ২১০ জন ফিলিস্তিনিকে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। এতে আহত হয়েছেন আরও অনেকে।
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে কম ভোট পাওয়ায় রেকর্ড গড়েছেন নরেন্দ্র মোদি!
টানা তৃতীয় মেয়াদে ভারতের সরকারপ্রধান হিসেবে আজ রবিবার শপথ নেবেন নরেন্দ্র মোদি। দেশটির প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর পর মোদি দ্বিতীয় ভারতীয় যিনি টানা তৃতীয়বারের মতো ক্ষমতায় এসেছেন। এছাড়া কম ভোটের ব্যবধানে জেতার ক্ষেত্রেও মোদি দ্বিতীয় প্রধানমন্ত্রী। এর আগে ১৯৯১ সালে প্রধানমন্ত্রী চন্দ্র শেখরের জয়ের ব্যবধান ছিল মোদির চেয়েও কম।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়, এ বারের ভোটে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি বিজেপি। যা মোদীর দলকে কিছুটা অস্বস্তিতে রেখেছে। জোটের শরিকদের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে বিজেপি। এছাড়া এ বারের নির্বাচনের ফলাফলে সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ দিক হলো মোদির প্রাপ্ত ভোট। যে ব্যবধানে তিনি উত্তরপ্রদেশের বারাণসী আসনটি জিতেছেন, তা দলের অস্বস্তির অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বারাণসী থেকে মোদির জয়ের ব্যবধান এবার ১ লক্ষ ৫২ হাজার ৫১৩টি ভোট। শতাংশের হিসাবে যা ১৩.৪৯ শতাংশ। গত দুই বারের চেয়ে এই ব্যবধান বিপুল পরিমাণে কমেছে। অর্থাৎ, আগের চেয়ে অনেক কম ভোট পেয়েছেন মোদি।
২০১৪ সালে বারাণসী থেকে ৫.৮১ লক্ষ ভোট পেয়েছিলেন মোদি। ব্যবধান ছিল ৩.৭ লক্ষ। তিনি হারিয়েছিলেন আম আদমি পার্টির প্রধান অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে। সে বার ওই কেন্দ্রে কংগ্রেস অজয় রাইকে প্রার্থী করেছিল।
২০১৯ সালে বারাণসীতে মোদির ব্যবধান আরও বৃদ্ধি পায়। তিনি ওই কেন্দ্র থেকে ৬.৭৪ লক্ষ ভোট পেয়েছিলেন। ব্যবধান ছিল ৪.৭৯ লক্ষ। সে বার তার নিকটতম প্রতিপক্ষ ছিলেন সমাজবাদী পার্টির শালিনী যাদব।
গত দু’বার প্রায় চার লক্ষ এবং পাঁচ লক্ষ ভোটের ব্যবধানে জিতে প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন মোদি। এ বার আর তা হয়নি। বারাণসী কেন্দ্রেই এবার তার নিকটতম প্রতিপক্ষ হয়েছেন কংগ্রেসের অজয় রাই। অজয় শুধু মোদির ভোটের ব্যবধানই কমাননি, গণনা শুরুর পর প্রাথমিক ‘ট্রেন্ডে’ এক বার তাকে পিছনেও ফেলে দিয়েছিলেন।
নির্বাচন কমিশনের পরিসংখ্যান বলছে, এটাই মোদির সর্বনিম্ন জয়-ব্যবধান। শুধু তাই নয়, প্রধানমন্ত্রীদের ইতিহাসেও এত কম জয়ের ব্যবধান বড় একটা দেখা যায় না।
মোদীর আগে কেবল একজন প্রধানমন্ত্রীই ছিলেন, যিনি এর চেয়েও কম ভোটে জিতে সাংসদ হয়েছিলেন। তিনি চন্দ্র শেখর। ১৯৯১ সালের নির্বাচনের সময়ে তিনি কার্যনির্বাহী প্রধানমন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। সেময় চন্দ্র শেখরের জয়ের ব্যবধান ছিল দেড় লক্ষের চেয়েও কম। শতাংশের বিচারে তা মাত্র ১২.৭৮ শতাংশ। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তার মেয়াদ ছিল মাত্র ২২৩ দিনের।
চন্দ্র শেখর ছাড়া দেশের ইতিহাসে আর কোনো প্রধানমন্ত্রী নেই, যিনি দেড় লক্ষের কম ব্যবধানে জিতেছেন। মোদিই ওই তালিকায় দ্বিতীয় সর্বনিম্ন হয়ে রয়ে গেলেন।
সোনাক্ষীর বিয়ে নিয়ে খুশি নন শত্রুঘ্ন
বলিউডের দাবাং গার্ল সোনাক্ষী সিনহা আগামী ২৩ জুন বিয়ের পিঁড়িতে বসছেন। ভোটের ফল বেরোতে না বেরোতেই তৃণমূলের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য শত্রুঘ্ন সিনহার বাড়িতে নাকি বিয়ের সানাই! খবর, ‘ডবল এক্স এল’ কো-স্টার জাহির ইকবারের গলায় মালা দেবেন অভিনেত্রী। দু-বছর ধরে চুটিয়ে প্রেম করার পর এবার চার হাত এক হওয়ার পালা। আরও পড়ুন-খেলনা বাড়ির পর জি বাংলাতেই ফিরছেন বিশ্বজিৎ, বিপরীতে জলসার জনপ্রিয় নায়িকা!
বিয়ে নিয়ে এখনও মুখে কুলুপ সোনাক্ষী-জাহিরের। তবে মেয়ের বিয়ে নিয়ে মুখ খুলেছেন ‘খামোশ’ তারকা। শত্রুঘ্নর জবাব সোনাক্ষীর বিয়ে নিয়ে রহস্য আরও বাড়িয়ে দিল। তারকা সংসদ সদস্য জানান, তার কোনো ধারণাই নেই মেয়ের বিয়ে নিয়ে। মিডিয়া সোনাক্ষীর বিয়ে নিয়ে যতটুকু জানেন, কনের বাবা হিসেবে তার কাছেও নাকি সেই তথ্যই রয়েছে।
শত্রুঘ্ন বলেন, ‘আমি এই মুহূর্তে দিল্লিতে রয়েছি। ভোটের ফল বেরানোর পর এখানে উড়ে এসেছি। আমি কারুর সঙ্গে কথা বলিনি মেয়ের বিয়ের পরিকল্পনা নিয়ে। তাহলে যদি প্রশ্ন হয়, সোনাক্ষী কি বিয়ে করছে? বলব, আমাকে সে এখনও কিছু জানায়নি। মিডিয়াতে যেটুকু পড়েছি সেইটুকুই জানি। যদি এবং যখন সে আমাকে এবং আমার স্ত্রীকে সবটা জানাবে তখন আমি নিঃসন্দেহে দম্পতিকে আমার আর্শীবাদ দেব। চাই মেয়ে সবসময় খুশি থাকুক’।
শত্রুঘ্ন সিনহা আরও বলেন, মেয়ের সিদ্ধান্তে পূর্ণ আস্থা রয়েছে তার। তিনি জানান, মেয়ে বড় হয়েছে, জীবন নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার মতো পরিণতি এসেছে তার মধ্যে। তবে খানিক আক্ষেপের সুরেই বলেন, আজকালকার প্রজন্ম বাবা-মার থেকে বিয়ের জন্য অনুমতি নেওয়ার প্রয়োজনবোধ করে না, শুধুমাত্র নিজেদের সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে দেয়। ভিনধর্মে বিয়ে করছে বিহারীবাবুর মেয়ে। তাই কি সোনাক্ষীর বিয়েতে আপত্তি তার? প্রশ্ন নিন্দকদের।
তিনি আরও বলেন, ‘কাছের মানুষরা প্রশ্ন করছ কেন মিডিয়া এই বিয়ের ব্যাপারে জানে, আর আমি জানি না। এইটুকুই বলব, আজকালকার বাচ্চারা বাপ-মার অনুমতি নেওয়ার প্রয়োজন মনে করে না, শুধু জানিয়ে দেয়। আমরাও অপেক্ষা করছি, ওদের সিদ্ধান্তটা জানবার’।
মেয়ের সিদ্ধান্তে পূর্ণ আস্থা রয়েছে এমনটা বলে তিনি জানান, মেয়ে কোনওদিন কোনো অসাংবিধানিক কিংবা বেআইনি সিদ্ধান্ত নেবে না। প্রাপ্তবয়স্ক হিসেবে সোনাক্ষীর পূর্ণ স্বাধীনতা রয়েছে বিয়ে নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার। মেয়ের বিয়ের খবর সত্যি হলে প্রথম সারিতে দাঁড়িয়ে নাচবেন বলেও জানান শত্রুঘ্ন সিনহা।
ভাইরাল সেই বিজ্ঞাপন নিয়ে মুখ খুললেন জীবন ও শিমুল
প্রকাশিত একটি কোমল পানীয়ের বিজ্ঞাপন নিয়ে দেশে ব্যাপক সমালোচনা হচ্ছে। এই বিজ্ঞাপনটির মডেল হয়েছেন শরাফ আহমেদ জীবন, শিমুল শর্মাসহ বেশ কয়েকজন।
সোমবার সকাল থেকেই বিজ্ঞাপনটি নিয়ে তুমুল আলোচনা সমালোচনা হচ্ছে সামাজিক মাধ্যমে। বিজ্ঞাপন প্রচারের পর থেকে এটির অভিনয়শিল্পীদেরও বয়কটের হুমকি দিয়েছেন নেটিজেনরা।
এবার তোপের মুখে পড়ে ওই বিজ্ঞাপনে মডেল হিসেবে কাজ করার বিষয়ে মুখ খুললেন অভিনেতা শরাফ আহমেদ জীবন এবং শিমুল শর্মা।
সোমবার রাতে অভিনেতা শরাফ আহমেদ জীবন তার ফেসবুক আইডিতে এক পোস্ট করে দাবি করেছেন যে তিনি ইসরাইলের পক্ষে কোন কাজ করেননি।
পোস্টে শরাফ আহমেদ জীবন বলেন, ‘আমি একজন নির্মাতা এবং অভিনেতা হিসেবে সবার কাছে পরিচিত। বিগত দুই দশক ধরে আমি নির্মাণ ও অভিনয়ের সাথে জড়িত। স¤প্রতি কোকা-কোলা বাংলাদেশ আমার সাথে তাদের একটি বিজ্ঞাপন নির্মাণ এবং অভিনয় করার জন্য নিয়োগ করেছিলো। আমি শুধুমাত্র তাদের দেয়া তথ্য ও উপাত্তই কাজটিতে তুলে ধরেছি।
বিজ্ঞাপনটি প্রচার হবার পর থেকে আমি আপনাদের অনেক মিশ্র প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করছি এবং আপনাদের প্রতি সম্মান জানিয়ে আমি আবারো বলতে চাই কাজটি শুধুই আমার পেশাগত জীবনের একটি অংশমাত্র। ব্যক্তিগত জীবনে আমি সবসময় মানবাধিকার বিরোধী যেকোনো আগ্রাসনের বিপক্ষে দাঁড়িয়েছি এবং আপনাদের অনুভূতি ও মতামতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকেছি। এখানে আমি কোথাও ইসরাইলের পক্ষ নেইনি এবং আমি কখনোই ইসরাইলের পক্ষে নই। আমার হৃদয় সবসময় ন্যায়ের পক্ষে এবং মানবতার পাশে আছে, থাকবে।’
এদিকে মঙ্গলবার সকালে অভিনেতা শিমুল শর্মা তার ফেসবুক আইডিতে এক পোস্ট করে ক্ষমা চেয়েছেন। পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘আমি শিমুল শর্মা। যদি ও পরিচয় দেবার মত একজন অভিনেতা এখনো হয়ে উঠতে পারিনি কারণ একজন অভিনেতা হবার জন্য যে অধ্যাবসায় এবং দূরদর্শিতা দরকার সেটা এখনো আমার হয়ে উঠেনি, আমি চেষ্টা করছি মাত্র। তাই হয়তো না বুঝে করা আমার কাজ আজ আমার দর্শক, তথা আমার পরিবার ও দেশের মানুষকে কষ্ট দিয়েছে।
আর আমি ভবিষ্যতে কোন কাজে অভিনয় করতে গেলে অবশ্যই আমাদের দেশের মূল্যবোধ, মানবাধিকার, মানুষের মনোভাবকে যথেষ্ট সম্মান দিয়ে বিবেচনা করে তারপর কাজ করবো। আমি মাত্র আমার জীবনের পথচলা শুরু করেছি, আমার এই পথচলায় ভুল ত্রুটি ক্ষমা সুলভ দৃষ্টিতে দেখবেন এবং আমাকে ভবিষ্যতে একজন বিবেকবান শিল্পী হয়ে ওঠার জন্য শুভ কামনায় রাখবেন ।
ধন্যবাদ সবাইকে।’
মোদির শপথ অনুষ্ঠানে শাহরুখ-আম্বানির খাওয়া নিয়ে ট্রল
রোববার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির শপথগ্রহণ করেছেন। রাষ্ট্রপতি ভবনে এ শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে অথিতি হিসেবে বিভিন্ন দেশের প্রধানমন্ত্রীরাও উপস্থিত ছিলেন। সেই সঙ্গে ছিল তারকাদেরও মেলা। রাষ্ট্রপতি ভবনে ভিআইপি অতিথিদের মধ্যে ছিলেন দেশের অন্যতম ধনকুবের মুকেশ আম্বানি এবং বলিউডের কিং শাহরুখ খান।
অনুষ্ঠানের ফাঁকে ৩১ রূপির ওআরএসের টেট্রা প্যাকেট নিয়ে বিজনেস টাইকুন এবং বলিউড সুপারস্টারের খোশগল্পে মজে থাকার দৃশ্য দেখা গেছে নেটপাড়ায়। ওআরএসের এই প্যাকেটের দাম সুইগি ইন্সটামার্টে ৩১ রূপি এবং বিগবাস্কেটে ৩১.৫ রূপি। এত স্বস্তার জিনিস যে কয়েক হাজার কোটি টাকার এই দুই মালিক খেতে পারেন তাই যেন বিশ্বাসই হচ্ছে না অনেকের। এ নিয়ে নেটাপাড়ায় তুলকালাম।
ছবিতে কালোরঙা বন্ধগলায় দেখা মিলল শাহরুখের। চোখে সানগøাস, ওদিকে সাদা শার্টে হাসিমুখে মুকেশ আম্বানি। যিনি ছোট ছেলের বিয়ের অনুষ্ঠান নিয়ে বেজায় ব্যস্ত।
এক্স ব্যবহারকারী রোহিত লেখেন, ‘আমি এই ওআরএস খাওয়ার মতো ধনী হতে চাই জীবনে ব্যাস, আর কিছু না’। মুহূর্তটি একটি রেডিট থ্রেডও ছড়িয়ে পড়েছিল, ব্যবহারকারীরা আম্বানি এবং শাহরুখ খানকে ওআরএস প্যাকেটের সঙ্গে দেখে নানারকম মজার মন্তব্য করেছেন।
একজন লেখেন,‘এটি সোডা পানীয়ের চেয়ে ভালো। এই গরম আবহাওয়ার জন্য উপযুক্ত। এছাড়া স¤প্রতি শাহরুখের হিট স্ট্রোক হয়েছিল, সাবধানতা অবলম্বন করা ভালো’।
প্রসঙ্গত, গত মাসে হিট স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে আহমেদাবাদের একটি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন ৫৮ বছর বয়সি শাহরুখ খান।
রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের চেয়ারম্যান মুকেশ আম্বানি ছেলে অনন্ত আম্বানি এবং জামাই আনন্দ পিরামলকে নিয়ে মোদির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে ছিলেন। গৌতম আদানিও তার স্ত্রী প্রীতি এবং ভাই রাজেশ আদানির সঙ্গে শপথ অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছিলেন।
শাহরুখ খান, তার ম্যানেজার পূজা দাদলানির সঙ্গে শফথ অনুষ্ঠানে ছিলেন। সেখানে হাজির অক্ষয় কুমারকে আলিঙ্গনের একটি মুহূর্ত সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়। রাষ্ট্রপতি ভবনে উপস্থিত ছিলেন মেগাস্টার রজনীকান্ত, অনুপম খের, অনিল কাপুর, রবিনা ট্যান্ডন, বিক্রান্ত ম্যাসি এবং রাজকুমার হিরানিও।
প্রসঙ্গত, শাহরুখ খানের সঙ্গে আম্বানিদের সখ্যতা কারুর অজানা নয়। অনন্ত-রাধিকার দুটো প্রি-ওয়েডিং অনুষ্ঠানেই সপরিবারে সামিল হয়েছিলেন শাহরুখ। বিয়েতেও হাজির থাকবেন তিনি, তা স্পষ্ট।
মোদির শপথে হাজির শাহরুখ
প্রধানমন্ত্রী পদে হ্যাট্রিক! তৃতীয়বারের জন্য ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন নরেন্দ্র মোদি। নিয়ম ও শুভ তিথি মেনে রোববার সন্ধ্যা ৭.১৫ মিনিটে শপথ গ্রহণ করেন নরেন্দ্র মোদি। সেই অনুষ্ঠানে যোগ দিতে দিল্লির রাষ্ট্রপতি ভবনে হাজির হন দেশের বেশ কয়েকজন বিশিষ্ট তারকা ব্যক্তিত্বরা।
সংবাদ সংস্থা এএনআইয়ের ভিডিওতে দেখা যায় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মোদির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত ছিলেন কিং খান শাহরুখ খান। তিনি ম্যানেজার পূজা দাদলানিকে সঙ্গে নিয়ে সেখানে পৌঁছান। শাহরুখের সঙ্গেই ছিলেন রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের চেয়ারম্যান মুকেশ আম্বানিও।
এদিকে কিং খানকে দেখা গেলেও এদিনের অনুষ্ঠানে বলিউডের বাকি দুই খান সালমান কিংবা আমিরকে অবশ্য দেখা যায় নি। তারা আমন্ত্রিত কিনা সে বিষয়টিও স্পষ্ট নয়।
এদিন অনুষ্ঠানে শাহরুখের সঙ্গে দেখা হতেই তাকে জড়িয়ে ধরতে দেখা যায় অক্ষয়কে। অনুষ্ঠানে ছিলেন বলিউড সুপারস্টার অক্ষয় কুমার, পরিচালক রাজকুমার হিরানি, ‘টুয়েলভ ফেল’-তারকা বিক্রান্ত মাসে।
এদিকে শনিবারই দক্ষিণী মেগাস্টার রজনীকান্তকে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার জন্য চেন্নাই থেকে দিল্লির উদ্দেশ্যে রওনা হতে দেখা যায়।
সাংবাদিকদের রজনীকান্ত বলেছিলেন, ‘আমি শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে অংশ নিতে যাচ্ছি… এটা একটা ঐতিহাসিক ঘটনা… তৃতীয়বারের জন্য প্রধানমন্ত্রী পদে বসছেন নরেন্দ্র মোদি, এটা একটা বড় বিষয়। আমি তাকে আমার আন্তরিকভাবে শুভেচ্ছা জানাতে চাই। জনগণ একটা শক্তিশালী বিরোধী দলকে নির্বাচিত করেছে যা গণতন্ত্রের জন্য সুস্থতা লক্ষণ।’ আগামী ৫ বছরে তার কী প্রত্যাশা রয়েছে? এ প্রশ্নে রজনীকান্ত বলেছিলেন, ‘দেশের শাসনব্যবস্থা ভালো হবে, এটাই প্রত্যাশা।’
এদিন অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন হিমাচল প্রদেশের মান্ডির নব-নির্বাচিত সংসদ সদস্য, অভিনেত্রী কঙ্গনা রনৌত। প্রসঙ্গত, মান্ডিতে কঙ্গনার হয়ে প্রচারেও গিয়েছিলেন মোদি।
প্রধানমন্ত্রী শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে ছিলেন- অনুপম খের, অনিল কাপুরসহ আরও বেশ কয়েকজন তারকা। এছাড়াও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তৃতীয়বারের জন্য শপথ নেওয়ার আগে মোদিকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাজকুমার রাও, অজয় দেবগনসহ বহু বলি তারকা।
এই ঈদেও গান গাইবেন ড. মাহফুজুর রহমান, থাকছে হিন্দি ডুয়েট গান
বেশ কয়েক বছর ধরে এটিএন বাংলা চ্যানেলের ঈদ আয়োজনে কণ্ঠশিল্পী ও এটিএন বাংলা ও এটিএন নিউজের চেয়ারম্যান ড. মাহফুজুর রহমানের একক গানের অনুষ্ঠান হয়ে আসছে। ঈদে তার গান মানেই শ্রোতাদের বাড়তি আগ্রহ। প্রতিবছরের মতো এবারও এককভাবে দুটি সংগীতানুষ্ঠান নিয়ে দর্শকদের মাঝে হাজির হচ্ছেন তিনি।
এটিএন বাংলায় ঈদের দিন রাত ১০টা ৩০ মিনিটে প্রচার হবে একক সঙ্গীতানুষ্ঠান ‘আমার চোখের আলো’। অনুষ্ঠানে রয়েছে মোট ১০টি গান। গানগুলোতে সুরারোপ করেছেন মান্নান মোহাম্মদ ও রাজেশ ঘোষ।
এবারের আয়োজনে থাকছে বাংলা গানের পাশাপাশি জনপ্রিয় কয়েকটি হিন্দি গানও। গানগুলো হলো- আমার চোখের আলো, তুমি তো জানো না প্রিয়, তোমার নিঃশ্বাসে বিষ ছিল, চুপ কেন তুমি চুপ কেন এবং প্রথম প্রেম। এছাড়া হিন্দি গান নীলে নীলে আম্বার, দিল দে দিয়া হ্যায়, হামে অর জিনে কি, জিনা ইয়াহান মারনা ইয়াহান- এই শিরোনামের গানগুলো গাইবেন ড. মাহফুজুর রহমান।
এছাড়া ঈদের পরদিন রাত ১০টা ৩০ মিনিটে প্রচার হবে দ্বৈত গানের সঙ্গীতানুষ্ঠান ‘ওয়াদা করো’। অনুষ্ঠানে থাকছে কেহেদু তুমছে, তুঝে দেখা তু ইয়ে, মুঝে দিলসে ভুলানা, মেরা দিল ভি কিতনা পাগল, ঢোলনা, তু চিজ বাড়ি হ্যায় মাস্ত মাস্ত, ওয়াদা কারো, সাস মে তেরি, তু তু হ্যায় ওয়াহি দিলনে এবং কিতনি বেচেইন হোকে শিরোনামের গান। ডুয়েট গানগুলোতে ড. মাহফুজুর রহমানের সহশিল্পী হিসেবে রয়েছেন নীলিমা, ভাবনা আহমেদ ও তাহমিনা।
এটিএন বাংলার পাশাপাশি এটিএন নিউজে প্রচার হবে ড. মাহফুজুর রহমানের একক সঙ্গীতানুষ্ঠান ‘জড়িয়ে আছি তোমায়’। এই অনুষ্ঠানটিও বাংলা এবং হিন্দি গান দিয়ে সাজানো হয়েছে।
৪ রান না পাওয়ায় যার ওপর ক্ষোভ ঝাড়লেন তামিম
নিউইয়র্কের মন্থর উইকেটে প্রতিটি রান ছিল গুরুত্বপূর্ণ। এমন ম্যাচেই আম্পায়ারের ‘ভুল সিদ্ধান্তে’ বাংলাদেশ হারাল ৪ রান। পরে ম্যাচে বাংলাদেশের হারের ব্যবধানও ছিল সেই ৪ রানেরই। এ বিষয়ে এবার ক্ষোভ ঝাড়লেন ক্রিকেটার তামিম ইকবাল
ঘটনাটা ঘটেছিল বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ের ১৭তম ওভারে। পেসার ওটনিল বার্টম্যানের বল মাহমুদউল্লাহর পায়ে লেগে চলে যায় বাউন্ডারির বাইরে। বার্টম্যানের আবেদনে সাড়া দিয়ে আম্পায়ার মাহমুদউল্লাহকে এলবিডবøু দেন। কিন্তু মাহমুদউল্লাহ রিভিউ নেন। টিভি রিপ্লেতে দেখা যায় বল ছিল স্টাম্পের বাইরে। আম্পায়ার সিদ্ধান্ত পাল্টিয়ে মাহমুদউল্লাহকে নটআউট ঘোষণা করেন। কিন্তু নিয়ম অনুযায়ী, আম্পায়ার আউট দেওয়ার পর বল ডেড হয়ে যাওয়ায় লেগ বাই হিসেবে ৪ রান পায়নি বাংলাদেশ। অথচ সেই চার রান স্কোরবোর্ডে যোগ হলে বদলে যেতে পারত ম্যাচের ফলও।
এটা নিয়ে ম্যাচ শেষে সামাজিক যোগোযোগমাধ্যমে শুরু হয়েছে সমালোচনার ঝড়। কেউ আম্পায়ারকে দুষছেন, কেউ আবার দায় দেখছেন আইসিসির। ম্যাচের পর ইএসপিএনক্রিকইনফোর এক আলোচনাতেও গুরুত্ব পেয়েছে বিষয়টি। যেখানে ভারতের সাবেক ক্রিকেটার সঞ্জয় মাঞ্জরেকার, বাংলাদেশের তামিম ইকবাল ও দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক ক্রিকেটার মরনে মরকেল বিষয়টি নিয়ে আলাপ করেছেন। তারা প্রত্যেকেই মনে করেন, আইসিসির উচিত এই নিয়ম বদলানো। তামিম বলেছেন, এই ৪ রান পেলে বাংলাদেশের ভাগ্য বদলে যেতে পারত।
আলাপের শুরুতে মাঞ্জরেকার বলেছেন, ‘এটা নিয়ে সমর্থকেরা অনেক কথা বলছেন। আমরাও এটা নিয়ে আলাপ করতে পারি। আম্পায়ার কি সবকিছু শেষ হয়ে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে পারেন না? আম্পায়ার চাইলে বলটা বাউন্ডারি লাইন অতিক্রম করা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে পারেন এবং তারপর তার আঙুল তুলতে পারেন বা বলতে পারেন যে আউট হয়নি। এরপর সেটা আপনি রেকর্ড করলেন এবং রিভিউর পর যা হওয়ার তা হবে।’
মাঞ্জরেকারের সঙ্গে একমত তামিম। তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয়, আপনার কাছে যখন সময় আছে, আপনি কয়েক সেকেন্ড অপেক্ষা করে দেখতে পারেন, বল কোথায় গেল। সেটা কি বাউন্ডারি হলো, নাকি হলো না! এরপর আপনি আপনার সিদ্ধান্ত জানান। যদি ব্যাটসম্যান আউট না হয়, আর বল যদি তার থাইপ্যাডে বা অন্য কোথাও লেগে বাউন্ডারির বাইরে চলে যায়, তবে সে ক্ষেত্রে রান দেওয়া উচিত। যদি সে আউট না হয় আর কি। এটা আমি কঠিনভাবে বিশ্বাস করি।’
এই ৪ রান বাংলাদেশের ভাগ্য বদলে দিতে পারত উল্লেখ করে তামিম আরও বলেছেন, ‘এই ৪ রান বাংলাদেশের ভাগ্য বদলে দিতে পারত। এটা হতে পারত। আমি হয়তো সমর্থকদের মতো কথা বলছি। কিন্তু আপনি যদি ভাবেন, এই ৪ রান বাংলাদেশের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ ছিল। ধারাভাষ্যকক্ষেও সবাইকে এটা নিয়ে কথা বলতে শুনেছি। এটা এমন কিছু, যেখানে আইসিসি গুরুত্বের সঙ্গে মনোযোগ দিতে পারে। কারণ, এটা এমন কিছু নয় যে তাদের বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে হবে।’
তামিমের সঙ্গে একমত দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক পেসার মরকেলও, ‘আমি একমত। কোনো সন্দেহ নেই। এটা বদলানো জরুরি। আশা করি, বিশ্বকাপের পর তেমন কিছু হবে।’
মেসি ফেরার ম্যাচে ডি মারিয়ার গোলে আর্জেন্টিনার জয়
কোপা আমেরিকা সামনে রেখে প্রস্তুতি সারছে আর্জেন্টিনা। তারই ধারাবাহিকতায় ইকুয়েডরের বিপক্ষে একটি প্রীতি ম্যাচ খেলেছে আলবিসেলেস্তেরা। সেই ম্যাচ দিয়ে ফের দলে ফিরেছেন লিওনেল মেসি। যদিও এ ম্যাচে তিনি কোনো গোল করতে পারেননি। তবে তাতে দলের জয় আটকে থাকেনি। ডি মারিয়ার গোলে ১-০ ব্যবধানে জয় পেয়েছে আর্জেন্টিনা।
এদিন অবশ্য প্রথমার্ধে মাঠে দেখা যায়নি মেসিকে। দ্বিতীয়ার্ধের ৫৬ মিনিটে মাঠে নামেন মেসি। এরপর যদিও কোনো গোল হয়নি। তবে কোপার আগে মেসির এই ফেরা আর্জেন্টিনার জন্য স্বস্তির। দলের জয়সূচক গোলটি করেন অভিজ্ঞ উইঙ্গার আনহেল ডি মারিয়া। ম্যাচের ৪০ মিনিটে করা তাঁর গোলটিই ম্যাচের পার্থক্য গড়ে দিয়েছে।
এদিন ম্যাচের প্রথম মিনিট থেকেই আক্রমণ চালিয়েছে ডি মারিয়া এবং হুলিয়ান আলভারেজরা। যদিও সেই আক্রমণ বেশ দক্ষতার সঙ্গেই প্রতিহত করছিল ইকুয়েডরের রক্ষণ। তবে খুব বেশি সময় আটকে রাখা যায়নি আর্জেন্টিনাকে। ম্যাচের ৪০ মিনিটে ঠিকই গোল আদায় করে নিয়েছে দলটি। বিরতিতে গেছে স্বস্তি নিয়েই। দ্বিতীয়ার্ধেও বেশ কিছু সুযোগ তৈরি হয়েছিল গোলের। যদিও ইকুয়েডর রক্ষণে জমাট বেধে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে গোল হজম করা থেকে বিরত থেকেছে। তাতে করেই জয়ের ব্যবধানটা বাড়েনি আর্জেন্টিনার।
কোপা আমেরিকার মূল মিশনে নামার আগে আর্জেন্টিনার পরের ম্যাচ আগামী ১৫ জুন গুয়েতেমালার বিপক্ষে। এরপর ২১ জুন কানাডার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে কোপা অভিযান শুরু করবে আর্জেন্টিনা। ২৬ জুন চিলির বিপক্ষে এবং ৩০ জুন পেরুর বিপক্ষে গ্রæপ পর্বের বাকি ম্যাচ দুটি খেলবে কোপার বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা।


