দক্ষিণ আফ্রিকার রাজধানী প্রিটোরিয়ায় বাংলাদেশ হাইকমিশনের উদ্যোগে প্রবাসী বাংলাদেশিরা যথাযথ মর্যাদা ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপন করেছেন।
গতকাল সোমবার স্থানীয় সময় বেলা সাড়ে ৩টায় প্রিটোরিয়া বাংলাদেশ হাইকমিশনের অডিটিরিয়ামে এ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার ড. কাজী জাকির হোসেনের সভাপতিত্বে ও দূতাবাসের দ্বিতীয় সচিব আলমগীর হোসেনের সঞ্চালনায় কুরআন তেলাওয়াত করেন হাফেজ শেখ মাসিদ।
দোয়া মাহফিলে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবন ও আদর্শ নিয়ে আলোচনা করেন মাওলানা ইয়াকুব ক্বাসেমী, রাসূল (সা.) আদর্শ ও গুণাবলী নিয়ে আলোচনা করেন ইসলামিক ফোরাম অব আফ্রিকার সভাপতি মাওলানা মোশাররফ হোসাইন, প্রবীণ কমিউনিটি নেতা সৈয়দ মকসুদ মওলা, বিএনপি নেতা কেএম আখতারুজ্জামান।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন- প্রবীণ কমিউনিটি নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা মেরাজ মিয়া, বিএনপি নেতা মমিনুল হক মমিন, নেক মানির প্রধান নির্বাহী কাজী ফরহাদ কামাল, ইসলামিক ফোরামের কেন্দ্রীয় জেনারেল সেক্রেটারি ইব্রাহিম আহমেদ, বিএনপি নেতা মোহাম্মদ শাহজাহান, ইমরান আলী বাবুল, জহিরুল আলম তরুণ, ওমর ফারুক, সোয়াজিল্যান্ড বিএনপির সভাপতি সাইফুল ইসলাম, কুমিল্লা অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি শাহাদাত হোসেন, ইসলামিক ফোরামের নেতা আব্দুল মতিন, শরীফ উদ্দিন, আমানত উল্ল্যাহ ফারুক, নিজাম উদ্দিন, শাহেদ মাহমুদ, সোয়াজিল্যান্ড ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট জাফর ইমাম রিয়াদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতারা।
আরও উপস্থিত ছিলেন- যমুনা টিভির আফ্রিকা প্রতিনিধি নুরুল আলম, শাপলা টিভির সিও নোমান মাহমুদ, আফ্রো বাংলার বার্তা সম্পাদক আব্দুল মনিম মুন্না, হাইকমিশনের কর্মকর্তা মোশাররফ হোসেন প্রমুখ।
দক্ষিণ আফ্রিকায় বাংলাদেশ হাইকমিশনে ঈদে মিলাদুন্নবী উদযাপন
লেবাননে পেজার বিস্ফোরণে আহত ইরানের রাষ্ট্রদূত
লেবাননে ভয়াবহ পেজার বিস্ফোরণে দেশটিতে অবস্থিত ইরানের রাষ্ট্রদূত মোজতবা আমানিও আহত হয়েছেন। তিনি একটি পেজার ব্যবহার করতেন।
দূতাবাস বলছে, রাষ্ট্রদূতের অবস্থা গুরুতর নয়।
লেবাননে ওই বিস্ফোরণে আটজন নিহতের খবর পাওয়া গেছে। এতে আহত হয়েছেন আরও দুই হাজার ৭৫০ জন। নিহতের মধ্যে আট বছরের এক শিশুও রয়েছে।
দেশটির স্বাস্থ্যমন্ত্রী ফিরাস আবিয়াদ এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, দেশজুড়ে পেজার বিস্ফোরণে এ হতাহতের ঘটনা ঘটেছে।
লেবানন সরকারের এক মুখপাত্র এ বিস্ফোরণের জন্য সরাসরি ইসরাইলকে দায়ী করেছেন। তিনি বলেন, পেজার বিস্ফোরণের জন্য ইসরাইল দায়ী। এটি লেবাননের সার্বভৌমত্বের লঙ্ঘন।
রয়টার্সের তিমুর আজহারি জানান, লেবাননের তথ্যমন্ত্রীও ‘ইসরাইলি আগ্রাসনের’ নিন্দা জানিয়েছেন।
হিজবুল্লাহ বলছে, লেবাননজুড়ে গোষ্ঠীটির সদস্যদের ব্যবহৃত যোগাযোগ ডিভাইস (পেজার) একযোগে বিস্ফোরণে এক মেয়ে ও তাদের দুই যোদ্ধা নিহত ও বহু লোক আহত হয়েছে। তারা বলছে, এ ঘটনার সঙ্গে সরাসরি ইসরাইলের হাত আছে।
এ ঘটনায় এখনও কোনো বিবৃতি দেয়নি ইসরাইল।
নববধূকে বাড়িতে এনে যে কাণ্ড ঘটালেন বর
টিভিএস অ্যাপাচি মোটরসাইকেল এবং তিন লাখ রুপির যৌতুকের দাবি পূরণ না করায় এক নববধূকে পিটিয়ে হত্যা করেছেন বর। সোমবার এ ঘটনা ঘটে ভারতের উত্তর প্রদেশের আমরোহা এলাকায়।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উত্তর প্রদেশের আমরোহা এলাকায় এক নববধূকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্বামীর বিরুদ্ধে। যৌতুক হিসেবে একটি টিভিএস অ্যাপাচি মোটরসাইকেল ও তিন লাখ রুপি না দেওয়ায় তাকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে।
প্রতিবেদন বলছে, দুই বছর আগে আমরোহার বাসিন্দা মীনা নামের এক তরুণীকে বিয়ে করেন বাইখেদা গ্রামের তরুণ সুন্দর। তখন থেকেই শ্বশুরবাড়ির লোকজনের প্রতি যৌতুকের জন্য চাপ দিয়ে আসছিলেন তিনি। এ নিয়ে আগেও কয়েকবার নববধূকে মারধর করেন স্বামী।
বিয়ের পর থেকেই সোহারকায় বাবার বাড়িতে থাকতেন নববধূ মীনা। নববধূর পরিবারের একজন সদস্য বলেন, সুন্দর প্রত্যেক দিন তার শ্বশুরবাড়িতে আসতেন এবং সেখানে খাবার খেতেন। রোববার রাতেও শ্বশুরবাড়িতে যান সুন্দর এবং নববধূকে নিজ বাড়িতে নিয়ে আসেন তিনি।
বাড়িতে আনার পরপরই নববধূর সঙ্গে যৌতুক নিয়ে কথা-কাটাকাটি হয়। যৌতুকের দাবি মেটাতে না পারায় স্ত্রীকে লাঠি দিয়ে বেধড়ক মারধর করেন সুন্দর। একপর্যায়ে নববধূকে শ্বাসরোধে হত্যার পর বাড়ি থেকে পালিয়ে যান তিনি।
পরে স্থানীয় বাসিন্দারা টেলিফোনে এই হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে পুলিশকে জানান। এ সময় ওই নববধূর পরিবারের সদস্যরা থানায় হাজির হয়ে সুন্দরকে গ্রেফতারের দাবি জানান।
নববধূর বাবা বিজয় খাদক বানসি এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সুন্দর, তার মা, বোন এবং অন্য চারজনের নামে পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করেন। আমরোহা পুলিশের জ্যেষ্ঠ এক কর্মকর্তা বলেছেন, নববধূর পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ একটি হত্যা মামলা নিয়েছে।
পরে ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠিয়ে দিয়েছে। অভিযুক্ত যুবককে ধরতে পুলিশের অভিযান চলছে বলে জানিয়েছেন ওই কর্মকর্তা।
৫০ জনকে দিয়ে স্ত্রীকে ধর্ষণ করানোর পর স্বামী বললেন
ফ্রান্সের আদালতে হাজির হয়ে ৭১ বছর বয়সি দমিনিক পেলিকত বললেন, ‘আমি ধর্ষক’। অভিযোগ, ২০১১ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত নিজের স্ত্রী জিসেল পেলিকতকে নেশাগ্রস্ত করে যৌন নিপীড়ন চালিয়েছেন দমিনিক এবং আরও প্রায় অর্ধশত ব্যক্তি। অবশেষে নিজের অপরাধ মেনে নিয়েই আদালতে ওই স্বীকারোক্তি দেন দমিনিক।
আদালতে অভিযুক্ত ৫০ জনের দিকে ইঙ্গিত করে পেলিকত বলেন, ‘এই রুমে অন্য সবার মতো আমিও ধর্ষক। তারা সবাই জানত। এটা তার (জিসেল) প্রাপ্য ছিল না।’
বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে জানা যায়, ২০১১ সাল থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত জিসেলকে দুশ্চিন্তার জন্য ওষুধ দিতেন দমিনিক। সে ওষুধের প্রভাবে যখন জিসেল নিস্তেজ হয়ে পড়তেন, তখন নানাভাবে তার ওপর যৌন সহিংসতা চালাতেন দমিনিক। একটা সময় অনলাইনে পরিচয় হওয়া ব্যক্তিদের দিয়েও স্ত্রীকে ধর্ষণ করিয়েছেন তিনি।
এই ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর ফ্রান্সের ধর্ষণবিরোধী আন্দোলন শুরু হয়েছে। সামাজিক নানা সংগঠন জিসেলের পাশে দাঁড়িয়ে তাকে ন্যায়বিচার পেতে আইনি লড়াইয়ে সহায়তা করছে।
বাংলাদেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক ধরে রাখতে চাই,এনডিটিভিকে জয়শঙ্কর
ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এস জয়শঙ্কর বলেছেন, বাংলাদেশের সঙ্গে আমরা সুসম্পর্ক ধরে রাখতে চাই। মঙ্গলবার তৃতীয় দফা নরেন্দ্র মোদি সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের ১০০ দিন উপলক্ষ্যে এনডিটিভিকে দেওয়া বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন।
জয়শঙ্কর বলেন, আমরা বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক স্থিতিশীল রাখতে চাই। প্রতিবেশীরা একে অপরের ওপর নির্ভরশীল।
তিনি বলেন, বাংলাদেশে যা ঘটেছে, সেটা তাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়। বাংলাদেশ আমাদের প্রতিবেশী এবং আমাদের পক্ষ থেকে তাদের সঙ্গে আমরা সম্পর্ক স্থিতিশীল রাখতে চাই। তাদের সঙ্গে আমাদের মধ্যে ভালো বাণিজ্যিক সম্পর্ক রয়েছে; আমাদের জনগণের সঙ্গে তাদের জনগণের সম্পর্কও ভালো। আমরা সম্পর্কটা এভাবেই ধরে রাখতে চাই।
ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের মুখে ৫ আগস্ট পদত্যাগ করে ভারতে পালিয়ে যান শেখ হাসিনা। তারপর থেকে তিনি সেখানেই অবস্থান করছেন। প্রাথমিকভাবে তিনি অল্প সময় ভারতে থাকবেন বলে আশা করা হলেও এখন তিনি অন্য কোনো দেশে আশ্রয় নেওয়ার চেষ্টা করছেন। তবে এখন পর্যন্ত তিনি এ বিষয়ে সফল হননি।
এর আগে গত মাসে ভারতীয় পার্লামেন্টে জয়শঙ্কর বলেছিলেন, শেখ হাসিনা খুব স্বল্প নোটিশে দিল্লি আসার অনুমতি চেয়েছিলেন।
এদিকে ভারতের সঙ্গেও সুসম্পর্ক রাখার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন অর্ন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ৫ সেপ্টেম্বর ভারতের বার্তা সংস্থা পিটিআই-এর সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, বাংলাদেশের সবাই ইসলামপন্থি, বিএনপিপন্থি। ইসলামপন্থিরা এই দেশকে আফগানিস্তানে পরিণত করবে। আর বাংলাদেশ শেখ হাসিনার হাতেই নিরাপদ। এসব ধারণা থেকে ভারতকে বেরিয়ে আসতে হবে। বাংলাদেশও অন্য প্রতিবেশীর মতো একটি প্রতিবেশী দেশ।
তবে শেখ হাসিনার প্রতি কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, তার প্রত্যর্পণ না চাওয়া পর্যন্ত দুই দেশের সম্পর্কের আপস প্রতিরোধে তাকে অবশ্যই নীরব থাকতে হবে। তিনি বলেন, ‘যদি ভারত তাকে রাখতে চায়, যতক্ষণ না বাংলাদেশ তাকে ফেরত চায়, শর্ত হবে-তাকে চুপ থাকতে হবে।’
ঠিক সময়ে জানিয়ে দেওয়া হবে, অমিত শাহের মন্তব্যে জল্পনা, জাতগণনা নিয়ে কি সুর নরম কেন্দ্রের?
অতীতে জাতগণনার সম্ভাবনা খারিজ করতে দেখা গিয়েছে শাসক শিবিরকে। কিন্তু কার্যত প্রথম বার শাহ সেই সম্ভাবনা যে উড়িয়ে দিলেন না, তার পিছনে একাধিক কারণ রয়েছে বলে মনে করছেন রাজনীতিকরা।
জনগণনার সঙ্গে জাতগণনার দাবি তুলে সরব সরকারের জোটসঙ্গী জেডিইউ ও টিডিপি। জাতগণনা প্রসঙ্গে সুর নরম করেছে আরএসএস-ও। এই আবহে আজ তৃতীয় নরেন্দ্র মোদী সরকারের একশো দিনের মাথায় কার্যত প্রথম বার জাতগণনার সম্ভাবনা একেবারে উড়িয়ে দিলেন না কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি জানালেন, ঠিক সময়ে এ নিয়ে জানানো হবে।
অতীতে জাতগণনার সম্ভাবনা খারিজ করতে দেখা গিয়েছে শাসক শিবিরকে। কিন্তু কার্যত আজ প্রথম বার শাহ সেই সম্ভাবনা যে উড়িয়ে দিলেন না, তার পিছনে একাধিক কারণ রয়েছে বলে মনে করছেন রাজনীতিকরা। প্রথমত, বিরোধীরা দেশে জাতগণনার পক্ষে সমর্থনের চোরাস্রোত তৈরি করতে পেরেছেন। যে স্রোতের প্রতিকূলে গেলে জনসমর্থনে ধস নামতে পারে। দ্বিতীয়ত জাতগণনার পক্ষে শরিকি চাপও বাড়ছে। গতকাল সংবাদমাধ্যমে বিবৃতি দিয়ে বিহারের ধাঁচে দেশে জাতগণনার দাবি তুলেছেন জেডিইউয়ের কার্যনির্বাহী সভাপতি সঞ্জয় ঝা। বিহারের অপর দুই শরিক জিতনরাম মাঝি বা চিরাগ পাসোয়ানের দলও জাতগণনার পক্ষে আগেই সওয়াল করেছে। জাতগণনার পক্ষে প্রকাশ্যে সরব হয়েছে এনডিএ-র বড় শরিক টিডিপিও। তৃতীয় কারণ হল, আরএসএস এ বিষয়ে স¤প্রতি অবস্থান পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছে। দিনকয়েক আগে আরএসএসের মুখপাত্র সুনীল অম্বেকর বলেন, ‘‘জনকল্যাণের লক্ষ্যে জাতগণনার তথ্য সংগ্রহ করা যেতে পারে। কিন্তু সেই তথ্য যেন রাজনৈতিক লাভ-লোকসানের জন্য ব্যবহার না হয়। ’’
রাজনীতিকদের মতে, আরএসএসের পরিবর্তিত মনোভাবের প্রভাব পড়েছে বিজেপিতে। আজ শাহের বক্তব্য থেকেই তা স্পষ্ট। তিনি আজ প্রথমে বলেন, ‘‘দেশ জুড়ে খুব দ্রæত জনগণনার কাজ শুরু হয়ে যাবে।’’ আর জাতগণনা প্রসঙ্গে তাঁর মন্তব্য, ‘‘জনগণনার বিষয়ে যখন ঘোষণা হবে, তখন সব জানানো হবে।’’ রাজনীতিকদের মতে, জাতগণনা সরাসরি হবেই এ কথা না বললেও, তিনি বিষয়টি উড়িয়ে দেননি। যদিও সরকারের কাছে সমস্যা হল, জাতগণনা হলে সম্ভবত স্পষ্ট হয়ে যাবে যে এ দেশে জনসংখ্যার পঞ্চাশ শতাংশের বেশি ওবিসি। সেই অনুপাতে সংরক্ষণ করতে হলে উচ্চ বর্ণের (জেনারেল) জন্য সংরক্ষণের সুবিধা কাটছাঁট করতে হবে।
তৃতীয় মোদী সরকারের প্রথম একশো দিনে আর যে বিষয়টি নিয়ে শাসক শিবির আতান্তরে, তা হল মণিপুরের পরিস্থিতি। আজ শাহ দাবি করেন, ‘‘মণিপুরের সঙ্গে মায়ানমারের সীমান্ত খোলা থাকায় জঙ্গি আনাগোনা বড় সমস্যা। গত একশো দিনে মণিপুর-মায়ানমার সীমান্তের ৩০ কিলোমিটার দীর্ঘ কাঁটাতারের বেড়া বসানো হয়েছে।’’ যুযুধান কুকি ও মেইতেই গোষ্ঠীর সঙ্গে আলোচনা চালানো হচ্ছে বলেও তিনি জানান। অমিতের আশা, দ্রত সমাধানসূত্র পাওয়া যাবে। কংগ্রেস সাংসদ জয়রাম রমেশের কটাক্ষ, ‘‘স্বঘোষিত চাণক্যের (অমিত শাহ) কথা অনুযায়ী সব যদি ঠিক থাকে, তা হলে কেন গত বছর মে মাসের পর থেকে আর সেখানে যাননি প্রধানমন্ত্রী?
শনিতে আমেরিকায় মোদীর কূটনীতি-যাত্রা, রাষ্ট্রপুঞ্জের অধিবেশনের পাশাপাশি যোগ দেবেন কোয়াডে
অতীতে রাষ্ট্রপুঞ্জের সাধারণ অধিবেশনে যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রীর নিউ ইয়র্কে যাওয়াটা নিছকই একটি বার্ষিক অনুষ্ঠান ছিল। কিন্তু ২০১৪ সালে সেই রুটিন অনুষ্ঠান থেকে সরে এসে আমেরিকা সফরে এক কূটনৈতিক মাত্রা যোগ করেছিলেন মোদী।
আগামী ২১ সেপ্টেম্বর তিন দিনের আমেরিকা সফরে যাবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। রাষ্ট্রপুঞ্জের সাধারণ সভায় বক্তৃতা করার পাশাপাশি চতুর্দেশীয় অক্ষ ‘কোয়াড’-এর শীর্ষবৈঠক এবং ভারতীয় বংশোদ্ভূত ও অনাবাসী ভারতীয়দের সভায় যোগ দেবেন তিনি। মঙ্গলবার বিদেশ মন্ত্রকের তরফে এ কথা জানানো হয়েছে।
অতীতে রাষ্ট্রপুঞ্জের সাধারণ অধিবেশনে যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রীর নিউ ইয়র্কে যাওয়াটা নিছকই একটি বার্ষিক অনুষ্ঠান ছিল। কিন্তু ২০১৪ সালে সেই রুটিন অনুষ্ঠান থেকে সরে এসে আমেরিকা সফরে এক কূটনৈতিক মাত্রা যোগ করেছিলেন মোদী। সেখানকার ভারতীয় সমাজকে সঙ্গে নিয়ে সে বারই প্রথম বার সম্মেলনের আয়োজন হয়েছিল।
এ বার প্রবাসী ভারতীয় এবং ভারতীয় বংশোদ্ভূতদের মধ্যে প্রায় ২৫ হাজার জন সম্মেলনে যোগ দেওয়ার জন্য নাম নথিভুক্ত করেছেন বলে খবর। ঘটনাচক্রে, এ বার আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে অন্যতম প্রার্থী ভারতীয় বংশোদ্ভূত কমলা হ্যারিস। ২২ তারিখ ‘মোদী অ্যান্ড ইউএস প্রোগ্রেস টুগেদার’Ñ এই বিষয়ক সম্মেলন হবে নিউ ইয়র্কে। প্রসঙ্গত, নিউ ইয়র্কে রাষ্ট্রপুঞ্জের সদর দফতরেই হয় সাধারণ সভা।
আগামী ২১-২৩ সেপ্টেম্বরের আমেরিকার সফরে মোদীর কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে ডেলাওয়ারের উইলমিংটনে চতুর্দেশীয় অক্ষ বা ‘কোয়াড’-এর শীর্ষবৈঠক। ভারত ছাড়াও আমেরিকা, জাপান এবং অস্ট্রেলিয়া এই সামরিক অক্ষের শরিক। ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে দীর্ঘ দিন ধরেই চিনের আগ্রাসী নীতির বিরোধিতা করে আসছে কোয়াড। যে ভাবে ওই অঞ্চলে প্রাধান্য বিস্তারের চেষ্টা চালাচ্ছে চিন, তাতে বাকি দেশগুলির বাণিজ্যনীতি প্রভাবিত হচ্ছে।
চিনের এই তৎপরতায় ওই অঞ্চলের দেশগুলির নিরাপত্তা নিয়েও একটা শঙ্কার মেঘ তৈরি হয়েছে। দক্ষিণ চিন সাগরের প্রায় ১৩ লক্ষ বর্গ কিলোমিটার এলাকা নিজেদের বলে দাবি করেছে চিন। শুধু তাই নয়, ব্রæনেই, মালয়েশিয়া, ফিলিপিন্স, তাইওয়ান এবং ভিয়েতনামে জলসীমা লঙ্ঘন করে কৃত্রিম দ্বীপ তৈরি করে সেনাঘাঁটি তৈরি করছে চিন। যা খুবই উদ্বেগজনক বলে মনে করছে কোয়াড গোষ্ঠীভুক্ত দেশগুলি। এই সামগ্রিক পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করেই ২০১৭-য় গড়ে তোলা হয়েছিল কোয়াড। যদিও ইউক্রেন এবং গাজ়ায় সঙ্ঘাতের আবহে কোয়াডের তৎপরতা কিছুটা স্তিমিত হয়ে পড়েছে সা¤প্রতিককালে।
মোদীর জন্মদিনে অভিষেক সকালে শুভেচ্ছা জানালেও রাত পর্যন্ত মমতা নীরব, জল্পনা তৃণমূলের অন্দরে
একাধিক অ-বিজেপি শাসিত রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডলে পোস্ট করে মোদীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী, সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদবও মোদীকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জন্মদিন উপলক্ষে মঙ্গলবার সকালেই তাঁকে সমাজমাধ্যমে শুভেচ্ছা জানিয়েছিলেন তৃণমূলের সেনাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু রাত হয়ে গেলেও তৃণমূলনেত্রী তথা পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডল থেকে প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে কোনও শুভেচ্ছাবার্তা ‘পোস্ট’ হয়নি। যা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে তৃণমূলের অন্দরেই।
মঙ্গলবার সকাল ১০টা ২১ মিনিটে নিজের এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করে প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানান অভিষেক। তৃণমূলের সেনাপতি লেখেন, ‘মাননীয় প্রধামন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীজিকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা। আপনার সুস্বাস্থ্য এবং আনন্দ কামনা করি।’ কিন্তু রাত সাড়ে ১১টা পর্যন্ত মমতা তাঁর এক্স হ্যান্ডল থেকে মোদীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে কোনও পোস্ট করেননি। মঙ্গলবার সাতসকালে মমতা কেবল একটিই পোস্ট করেছিলেন এক্স হ্যান্ডলেÑ বিশ্বকর্মা পুজোর শুভেচ্ছা। মুখ্যমন্ত্রী সেটি পোস্ট করেছিলেন সকাল ৬টা ২৯ মিনিটে।
একাধিক অ-বিজেপি শাসিত রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করে মোদীকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। সেই তালিকায় রয়েছেন তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী এমকে স্ট্যালিন, কেরলের সিপিএম সরকারের মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন, ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন। কংগ্রেসনেতা তথা লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী, সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদবও মোদীকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। কিন্তু সন্ধ্যা পর্যন্ত মমতা কোনও পোস্ট করেননি। শুধু এক্স হ্যান্ডল নয়, ফেসবুক বা ইনস্টাগ্রাম পেজ থেকেও মোদীর জন্মদিনে শুভেচ্ছা জানিয়ে কোনও পোস্ট করেননি মমতা।
যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোয় প্রধানমন্ত্রী-মুখ্যমন্ত্রীর মধ্যে সৌজন্য থাকাটাই দস্তুর। অতীতে মোদীর জন্মদিনে মমতা শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। আবার মোদীও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মমতার জন্মদিনে। কিন্তু এ বার অভিষেক শুভেচ্ছা জানালেও মমতা কেন কোনও পোস্ট করলেন না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে তৃণমূল নেতাদের ঘরোয়া আলোচনায়। দলের এক প্রথম সারির নেতার কথায়, ‘‘এই ধরনের ঘটনাকে রাজনীতিতে ‘বার্তা’ হিসাবে ধরা হয়। তেমন কোনও বিষয় কি না বোঝা মুশকিল।’’ তবে তৃণমূলের অনেকেই অন্য দিকটা দেখতে চাইছেন। তাঁরা অভিষেকের শুভেচ্ছা জানানো এবং মমতার শুভেচ্ছা না-জানানোকে পাশাপাশি দেখতে চাইছেন। তবে তৃণমূলের অনেক নেতারই বক্তব্য, ‘‘এটাকে এত জটিল করে দেখা ঠিক নয়।’’
নিউইয়র্কে ব্রাহ্মণবাড়িয়া কমিউনিটি অব নর্থ আমেরিকা ইন্ক এর জমজমাট বনভোজন
নিউইয়র্কে ব্রাহ্মণবাড়িয়া কমিউনিটি অব নর্থ আমেরিকা ইন্ক এর বার্ষিক বনভোজন গত ২৫ আগষ্ট রবিবার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যরে লীলাভূমি সবুজ ছাঁয়াঘেরা ও মনমুগ্ধকর স্থান লং আইল্যান্ডের হ্যাকশেয়ার স্টেট পার্কের ডিয়ার রেঞ্জ প্যাভিলিয়নে অনুষ্ঠিত হয়েছে। নিউইয়র্কের বিভিন্ন ব্যুরো থেকে আগত প্রবাসী ব্রাহ্মণবাড়িয়াবাসী ও প্রবাসের বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ প্রায় সাড়ে পাঁচ শতাধিক লোকের সমাগমে বনভোজন স্থানটি যেন একটি মিনি বাংলাদেশে পরিণত হয়েছিল। সব বয়সের মানুষের উপস্থিতিতে বনভোজন স্থানটি হয়ে উঠে উৎসবমূখর ও প্রাণের স্পন্দনে হৃদতায় ভরপুর। বনভোজনে আসা আত্মীয় স্বজন, বন্ধু-বান্ধব একে অন্যের হৃদতার এ অনন্য বন্ধন লক্ষ্য করা যায় এবং উচ্ছ¡াস আনন্দে সবাই যেন একাকার হয়ে যায়। এক কথায় বনভোজন স্থানটি যেন একটি মিলনমেলায় পরিণত হয়।
বনভোজনে ২০২৪ উদ্বোধন করেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া কমিউনিটি অব নর্থ আমেরিকা ইন্কের প্রধান উপদেষ্টা জনাব সাবেক সাংসদ সহিদুর রহমান, আহবায়ক মোহাম্মদ শাহ মোয়াজ্জ্বেম, প্রধান সমন্বয়কারী আইয়ুব চৌধুরী হারুন, সমন্বয়কারী প্রফেসর নোয়াব মিয়া, মোঃ রহিজ উদ্দিন, সদস্য সচিব শাহীনুর রহমান সানী, মো: আনার খান, বর্তমান সভাপতি আনোয়ার হোসেন তালুকদার (স্বপন) ও সাধারণ সম্পাদক সাকিরুল ইসলাম খান সাকির, যুগ্ম আহŸায়ক মো: নাছিম হাসান, যুগ্ম সদস্য সচিব মো: আরিফ মিয়া ও রেজাই-ই-রাব্বি মো: তুহিন মিয়া ও মো: মারুফুল হক চৌধুরী, আসমা জাহান কলিসহ কমিউনিটির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
তাছাড়াও কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপদেষ্টা হাজী আবু মূসা খাঁন, বাংলাদেশ সোসাইটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক জনাব ফখরুল আলম বিশিষ্ট ব্যবসায়ী গিয়াস উদ্দিন ভূঁইয়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সোসাইটি এর সাবেক সভাপতি ও বিশিস্ট ব্যবসায়ী শফি উদ্দিন কামাল, কমিউনিটি এক্টিভিস্ট ও বিশিষ্ট লেখক রাজু আহমেদ মোবারক, ল’অফিস অব সারভেজ এন্ড প্যারেজ এর প্যারালিগাল মোহাম্মদ আলী, মার্কস হোম কেয়ারের স্বত্ত¡াধিকারী আমির হোসেন কামাল, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সোসাইটি অব ইউএসএ ইনকের সভাপতি আয়েজ মো: রানা, সাবেক সভাপতি সেলিম পাঠান, আব্দুল হাকিম, এইচ.এম ইকবাল, বৃহত্তর কুমিল্লা সোসাইটির সহ সভাপতি তৈমুর রেজা, কসবা উপজেলা সোসাইটির সভাতি মো: ফরহাদ উদ্দিন ও সাবেক সভাপতি এমদাদুল হক, নূরুল আনোয়ার, মুতাহের বক্স চৌধুরী, ডিউকসহ আরো অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
বনভোজনে বিশেষ সহযোগিতা করেছেন জনাব মঈন চৌধুরী এটর্নী এট ল, শাহ নেওযাজ (সিইওএনওয়াই ইন্সুরেন্স), শাহীনুর রহমান সানি (বিশিষ্ট ব্যবসায়ী), গিয়াস উদ্দিন ভূঁইয়া (সিইও প্রভিডেন্ট এসেটস মো: সরফরাজ (সিইও, ত্রিসপি ফ্রাইভ চিকেন), মো: আলমগীর (সিউও বিডিঅটো রিপেয়ার্স এন্ড কমিশন), শফি উদ্দিন কামাল, মো: আমির হোসেন কামাল, মোহাম্মদ আলী, আবিদুর রহমান আবিদ, আফরোজা আক্তার, জান্নাতুল মহিমা, কুইন্স ফার্নিচার এন্ড ম্যাটরেস ইনক, সারোয়ার খান বাবু, ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল খালেক, দেলোয়ার হোসেন শিপন, মো: আশরাফুল আলম জঙ্গি, বাংলা মোবাইল এন্ড ট্রাভেলস ও স্মার্ট টেক ও বিলকিস খনম।
এবারের বনভোজন ছিল বিভিন্ন আনন্দদায়ক ও বিনোদনমূলক ইভেন্টে ভরপুর। ছোট বড় বালক-বালিকাদের দৌড় প্রতিযোগিতা। মহিলাদের আকর্ষনীয় বালিশ প্রতিযোগিতা, যেমন খুশি তেমন সাজো। এবারে বালিশ প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অধিকার করেছেন মিসেস অর্থি বেগম, দ্বিতীয় স্থান মিসেস লিলি চৌধুরী এবং তৃতীয় স্থান লিপি আক্তার। বনভোজনের প্রধান আকর্ষণ ছিল র্যাফেল ড্র। প্রায় ১৫টি পুরুস্কার এবারে র্যাফেল ড্র তে। র্যাফের ড্র এর প্রথম পুরস্কার ছিল স্বর্ণ অলংস্কার। প্রথম পুরস্কার পেয়েছেন মিসেস তানজিয়া চৌধুরী। র্যাফেল ড্র খেলাটি ছিল অত্যন্ত উত্তেজনা পূর্ণ ও আনন্দঘন। র্যাফেল ড্র খেলা পরিচালনা করেন আহŸায়ক, মোহাম্মদ শাহ মোয়াজ্জেন, মো: নাসিম হাসান, শাহীনুর রহমান সানী, সাকিরুল ইসলাম খান, আরিফ মিয়া, তুহিন মিয়া ও মো: মারুফুল হক চৌধুরী, রেজা-ই-রাব্বি ও মো: ছাদেক।
এবারের বনভোজনে সকলের নাস্তা ও দুপুরের খাবার জ্যাকশন হাইটস্ এর নবান্ন রেষ্টুরেন্ট থেকে নেওয়া হয়েছিল। নবান্ন রেষ্টুরেন্টের সুস্বাদু খাবার খেয়ে বনভোজনে উপস্থিত সকল অতিথিবৃন্দ ভূয়শী প্রশংসা করেন। তাছাড়ও বিকেলে ঝালমুড়ি, চা এবং আইসক্রিম দিয়ে অতিথিবৃন্দদেরকে আপ্যায়ন করা হয়।এক কথায় বলতে গেলে এবারের বনভোজনটি ছিল কমিউনিটির শ্রেষ্ঠ বনভোজন।
বাংলাদেশের বন্যার্তদের জন্য নিউইয়র্কে বিএএনবির তহবিল সংগ্রহ
নিউইয়র্ক সিটি কাউন্সিল ডিস্ট্রিক ১৩তে বসবাসরত বাংলাদেশী কমুনিটি সংগঠন বাংলাদেশী এলায়েন্স অফ নর্থইস্ট ব্রনক্স (বিএএনবি) স¤প্রতি বাংলাদেশে আকস্মিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্যার্থে তহবিল সংগ্রহের আয়োজন করে। মরিস পার্ক মদিনা মসজিদ প্রাঙ্গনে আয়োজিত এই উদ্যোগে অনেক মুসল্লি অংশগ্রহণ করেন। বিশেষত বাঙালি কমিউনিটি ছাড়াও পাকিস্তানী, আরব এবং আফ্রিকান মুসল্লিরা মুক্তহস্তে দান করেন। পরে সংগ্রহনকৃত অনুদান মুসলিম উম্মাহ অফ নর্থ আমেরিকা (মুনা) পার্কচেস্টার চ্যাপ্টারে প্রদান করা হয়। মুনা তাদের মানবিক শাখা নাহারের মাধ্যমে দুর্গত এলাকায় ত্রাণ সরবরাহ এবং পূর্ণবাসন কর্মসূচিতে এই অনুদান ব্যয় করবে। বিএএনবির প্রেসিডেন্ট মামুন আলী সংগ্রহনকৃত অর্থ মুনার নর্থ জোনের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ রাশেদুজ্জামানের কাছে হস্তান্তর করেন। এতে আরো উপস্থিত ছিলেন বিএএনবি উপদেষ্টা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান এজাজ হোসাইন, উপদেষ্টা জিয়াউস শামস চৌধুরী, উপদেষ্টা আনোয়ারুল হক, পরিচালনা বোর্ডের সদস্য ইমতিয়াজ চৌধুরী এবং মুস্তাফিজুর চৌধুরী।


