এক দশক পর সিলেটের মুরারিচাঁদ (এমসি) কলেজ ছাত্রলীগের কমিটির অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এতে দিলোয়ার হোসেন রাহিকে সভাপতি ও হাবিবুল ইসলাম হাবিবকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়। শুক্রবার রাতে সিলেট মহানগর ছাত্রলীগ সভাপতি কিশওয়ার জাহান সৌরভ ও সাধারণ সম্পাদক মো. নাঈম আহমদ স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়। এক বছর মেয়াদি এমসি কলেজে ১১০ সদস্যবিশিষ্ট এই কমিটির অনুমোদন দেন। কমিটির অন্যরা হলেন-সিনিয়র সহ-সভাপতি শাহ রোখনুজ্জামান রোখন, সহ-সভাপতি রিগান সরকার, ওহিদুজ্জামান, আব্দুল কাদির, আল মুবিন চৌধুরী, হোসাইন আহমদ রুমন, আশরাফ উদ্দিন, রিয়াদুল গনি, শোভন দাস রনি, নিপু মিয়া, রুহুল আমিন, পরশ তালুকদার, মো. আপন মিয়া, কাওছার আহমদ, মো. ইকবাল আহমদ, নিদান চন্দ্র সরকার, আল-আমিন আহমেদ, শাহিন চৌধুরী, মো. রায়হান আহমদ, চন্দন বৈদ্য, মো. মাহফুজ আহমেদ, জুবায়ের আহমদ পলক, সালমান আফ্রিদি, মো. আলী আহমদ, আসাদ উল্লাহ, প্রণব চন্দ্র বৈষ্ণব, সাকিরুজ্জামান, জাহেদ হোসেন তালুকদার, সুয়েব আহমদ, বদরুল হুদা, আসাফ নাইম, মিফতাহুল ইসলাম, চৌধুরী, ইকবাল হোসেন, সজীব আহমেদ, দিব্য দে, মো. মাহাবুর আলম (তন্ময়), যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জুবের আহমদ, টেলেন্ট কান্তি দাস, সাব্বির আহমদ শুভ, কাওছার আহমেদ, জয়নাল আবেদিন জহিরুল, হক নেওয়াজ সিদ্দিকী, অনুজ কান্তি দাস, আল-আমিন মোসাব্বির, মিনহাজুল ইসলাম সোহাগ, ইব্রাহিম চৌধুরী সিয়াম, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. তাজিম উদ্দিন খান, তুহিন আহমদ, রুবেল খান, রাশেদ ফারুক, সুজাত আহমদ, রেদোয়ান আহমদ, শেখ রাসেল, মো. এহসানুল হক, সবুজ মিয়া, প্রচার সম্পাদক ফরহাদুল ইসলাম চৌধুরী, উপ-প্রচার সম্পাদক শাহরিয়ার আকন্দ পরশ, সাইদুর রহমান অন্তর, দপ্তর সম্পাদক জলাল আহমদ সিদ্দিক, উপ-দপ্তর সম্পাদক জাহিদ হাসান, আবু সুফিয়ান চৌধুরী মিজান, গ্রন্থনা ও প্রকাশনা সম্পাদক আহমেদ আল নাহিয়ান চৌধুরী, উপ-গ্রন্থনা ও প্রকাশনা সম্পাদক শুভ তালুকদার, আল-আমিন এহসান, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক রাশেদ হোসাইন সাবলু, উপ-শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক শান্ত সরকার, অর্থ সম্পাদক রবিন মিয়া, উপ-অর্থ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম রনি, আইন সম্পাদক মাজেদ আহমদ, উপ-আইন সম্পাদক হামিদুল হক ফারহান, ধর্ম সম্পাদক সোহেল আহমদ, উপ-ধর্ম সম্পাদক আদনান বাশার তানভীর, সাহিত্য বিষয়ক সম্পাদক আশরাফ উদ্দিন নাঈম, উপ-সাহিত্য বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মিনহাজ, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক নুরুল আমিন জনি, উপ-তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক মিঠুন চন্দ্র, ক্রীড়া সম্পাদক ছাইদ হোসেন মইন খান, উপ-ক্রীড়া সম্পাদক শিহাবুর রহমান সুয়েব, নাট্য ও বিতর্ক বিষয়ক সম্পাদক নুরুজ্জামান রাইয়ান, উপ-নাট্য ও বিতর্ক বিষয়ক সম্পাদক আহমেদ মামুন, সাংস্কৃতিক সম্পাদক শিবু দাস সুমন, উপ-সাংস্কৃতিক সম্পাদক রিংকু মালাকার, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক রাকিবুল হাসান মাজেদ, উপ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক জাহিদুল হক সামিয়ান, মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক জুনায়েদ রাফসান, উপ- মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক মো. রেশাদুর রহমান, পাঠাগার সম্পাদক মনসুর আহমেদ তাফাদার, উপ-পাঠাগার সম্পাদক মো: ওয়ালীউর রহমান আকঞ্জি, ছাত্রবৃত্তি বিষয়ক সম্পাদক নাসের মনির শিশির, উপ-ছাত্রবৃত্তি বিষয়ক সম্পাদক আনিসুর রহমান, ছাত্রী বিষয়ক সম্পাদক অদিতী সিংহা, উপ-ছাত্রী বিষয়ক সম্পাদক পার্বতী তালুকদার, সহ-সম্পাদক এম পিনাক তালুকদার, শাহরাজ হোসেন নাঈম, আতাউর রহমান আতা, সুমন আহমদ, শিপন আহমদ, মিতহাব মাহের, কামরুজ্জামান কামরুল, ময়নুল হোসেন, নাসিম খান, সদস্য সালেহ আহমদ নোমান, স্বপন তালুকদার, খাইরুল ইসলাম দুলাল, আশিক নুর, মানিক নুর, রিয়াত আহমেদ, প্রিতম দাস। ২০০৩ সালে তাজিম উদ্দিনকে সভাপতি ও সাইফুল ইসলাম টিপুকে সাধারণ সম্পাদক করে এমসি কলেজ কমিটি ঘোষণা করা হয়। ২০১০ সালের ১৩ই জুলাই ছাত্রলীগ নেতা উদয়ন সিংহ পলাশ হত্যাকাণ্ডের পর কমিটি বাতিল করা হয়। এরপর ঐতিহ্যবাহী এই কলেজে ছাত্রলীগের কোনো কমিটি গঠন হয়নি।
ভারতে উত্তর প্রদেশে মাদ্রাসা বন্ধের নির্দেশ আদালতের
ভারতের জনবহুল রাজ্য উত্তর প্রদেশে ইসলামিক স্কুল বা মাদ্রাসাকে বন্ধ ঘোষণা করেছে আদালত। এর ফলে আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন হিন্দু জাতীয়তাবাদী সরকারের থেকে আরো দূরে সরে যেতে পারেন মুসলিমরা। এ খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। এতে বলা হয়, উত্তর প্রদেশে মাদ্রাসা শিক্ষাকে অনুমোদন বা পরিচালনার জন্য একটি আইন করা হয় ২০০৪ সালে। কিন্তু শুক্রবারের রায়ে আদালত সেই আইন বাতিল ঘোষণা করে। এতে বলা হয়, সাংবিধানিকভাবে ভারত ধর্মনিরপেক্ষ দেশ। এখানে মাদ্রাসা প্রচলিত থাকলে তা এই সংবিধানকে লঙ্ঘন করে। এই শিক্ষাকে বাতিল করে শিক্ষার্থীদেরকে প্রচলিত স্কুলে ভর্তি হওয়ার পরামর্শ দেয় আদালত। রাজ্যে মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ডের প্রধান ইফতিখার আহমেদ জাভেদ বলেন, এলাহাবাদ হাই কোর্টের এ রায়ে ক্ষতিগ্রস্ত হবে ২৭ লাখ শিক্ষার্থী, ১০ হাজার শিক্ষক শিক্ষিকা এবং ২৫ হাজার মাদ্রাসা। এ রাজ্যের মোট ২৪ কোটি মানুষের মধ্যে এক পঞ্চমাংশ হলেন মুসলিম।
বিচারপতি সুভাষ বিদ্যার্থী এবং বিবেক চৌধুরী তাদের লিখিত রায়ে বলেছেন, স্বীকৃত প্রতিষ্ঠানে যাতে ভর্তি থেকে বঞ্চিত না হয় ৬ থেকে ১৪ বছর বয়সী শিশুরা তা নিশ্চিত করতে হবে রাজ্য সরকারকে।
আইনজীবী অংশুমান সিং রাঠোরের এক আপিল আবেদনে আদালত ওই রায় দেয়। রাঠোর কোনো রাজনৈতিক গ্রæপের সঙ্গে সংযুক্ত কিনা তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এ বছর এপ্রিল থেকে জুনের মধ্যে জাতীয় নির্বাচন হতে যাচ্ছে ভারতে। এতে নরেন্দ্র মোদির ভারতীয় জনতা পার্টি বিজয়ী হতে পারেন বলে মনে করা হয়। কিন্তু ইসলামবিরোধী ঘৃণাপ্রসূত বক্তব্য এবং নজরদারিকে উৎসাহিত করার জন্য বিজেপির কিছু সদস্য এবং সমমনাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে আসছেন মুসলিমরা ও অধিকার বিষয়ক গ্রæপগুলো। তবে ভারতে ধর্মীয় বৈষম্য থাকার কথা অস্বীকার করে আসছেন মোদি। বিজেপি বলেছে, ঐতিহাসিক যেসব ভুল ছিল তা পরিবর্তন করছে সরকার। এর অংশ হিসেবে ১৯৯২ সালে ষোড়শ শতাব্দীতে নির্মিত বাবরি মসজিদের স্থানে হিন্দুদের জন্য একটি মন্দির উদ্বোধন করেছেন।
উত্তর প্রদেশ বিজেপির মুখপাত্র রাকেশ ত্রিপাঠি বলেছেন, রাজ্য সরকার মাদ্রাসাবিরোধী নয়। মুসলিম শিক্ষার্থীদের শিক্ষার বিষয়ে সচেতন রাজ্য। তিনি বলেন, আমরা মাদ্রাসার বিরোধী নই। আমরা বৈষম্যমূলক শিক্ষার বিরোধী। আমরা অবৈধ অর্থায়নের বিরোধী। আদালতের নির্দেশের পর সরকার পরবর্তী পদক্ষেপ নেবে। এমন রায়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সুধাংশু চৌহান। তিনি বলেন, ধর্মীয় শিক্ষা এবং ধর্মীয় নির্দেশনা কোনো স্কুলের শিক্ষার সঙ্গে যুক্ত করা যাবে না। ধর্মীয় শিক্ষার অনুমতি দিয়ে বিধিবদ্ধ শিক্ষা বোর্ড তৈরির কোনো ক্ষমতা রাজ্য সরকারের নেই।
মাদ্রাসা কর্মকর্তা জাভেদ বলেন, একজন মুসলিম হিসেবে তিনি নিজের দল এবং তার স¤প্রদায়ের মধ্যে অগ্রাধিকারকে খুঁজে নেন। শুক্রবারের রায়ের পর থেকে মুসলিমদের দিক থেকে তার কাছে অসংখ্য কল আসছে। তার ভাষায়, আমাকে প্রচুর ভারসাম্য রক্ষা করে চলতে চয়। একজন মুসলিম হওয়ায় দল আমাকে মুসলিম স¤প্রদায়ের কাছে পাঠায় তাদেরকে আশ্বস্ত করতে এবং তাদের পক্ষে ভোট চাইতে। কোনো প্রকাশ্য অনুষ্ঠান বা কর্মসুচিতে আমি ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নিয়ে চলি। কারণ, আমি এতটাই ভয় পাচ্ছি।
আসামে বাঙালি মুসলমানদের থাকতে শর্ত দিলেন মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত
নির্বাচনের আগে প্রতিবারই উত্তর-পূর্ব ভারতের আসাম রাজ্যে বাঙালি মুসলমানদের বিরুদ্ধে কথা বলতে শুরু করেন রাজ্যের বিজেপিদলীয় মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা। এবারও তার ব্যতিক্রম হলো না। গত শনিবার তিনি রাজ্যের ‘মিয়া’ মুসলমানদের উদ্দেশে একটি বার্তা দেন। তিনি আসামে থাকতে হলে তাঁদের ওপর কিছু শর্ত আরোপ করেন। আসামে বাঙালি মুসলমানদের ‘মিয়া হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। সাধারণভাবে মনে করা হয়, তাঁরা বাংলাদেশ থেকে আসামে এসেছেন।
বিজেপিদলীয় মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘মিয়ারা আসামের মূল নিবাসী মানুষ কি না, তা ভিন্ন বিষয়। আমরা বলছি, তাঁরা যদি মূল নিবাসী হওয়ার চেষ্টা করেন, তাতে কোনো সমস্যা নেই। তবে এ জন্য তাঁদের বাল্যবিবাহ এবং বহুবিবাহ ত্যাগ করতে হবে এবং নারীশিক্ষাকে উৎসাহিত করতে হবে। দুটির বেশি সন্তান নেওয়া যাবে না।’
আসামে হিমন্তর নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকার ২০২৩ সালে দুটি পর্যায়ে বাল্যবিবাহের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করে মধ্যবয়সী মুসলমান পুরুষদের গ্রেপ্তার করে। তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, বেশ কয়েকজন একাধিক বিয়ে করেছেন এবং তাঁদের স্ত্রীরা সমাজের দরিদ্র অংশ থেকে আসা নারী। মুখ্যমন্ত্রী নিজেই এ অভিযোগ করেছিলেন।
যদিও ওই ঘটনার পর বাল্যবিবাহ রোধের অজুহাতে মুসলমান সমাজের পুরুষদের হেনস্তা করার অভিযোগ তোলে আসাম ও ভারতের বিভিন্ন সংখ্যালঘু ও মানবাধিকার সংগঠন। বেশ কয়েক হাজার পুরুষকে গত বছরের গোড়ায় গ্রেপ্তার করা হয়েছিল, যাঁদের অনেকের বিরুদ্ধে এখনো মামলা চলছে। ফলে ওই ব্যক্তিদের পরিবার প্রবল আর্থিক সংকটে পড়ে বলে স্থানীয় মানুষ জানিয়েছিলেন। নির্বাচনের আগে মার্চের গোড়ার দিকে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের (সিএএ) বাস্তবায়নের পর হিমন্ত বিশ্বশর্মার এ মন্তব্য আসামে নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।
আসামের মুখ্যমন্ত্রী অসমিয়া সাংস্কৃতিক মূল্যবোধকে সম্মান করার তাৎপর্য তুলে ধরেও বলেন, কিছু গোষ্ঠীর ‘সত্র’র (বৈষ্ণব মঠ) জমি দখল হয়ে যাচ্ছে। এতে তিনি উদ্বিগ্ন। নির্দিষ্টভাবেই তাঁর ইঙ্গিত ছিল ‘মিয়া’ মুসলমান সমাজের প্রতি।
বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমি তাদের সব সময় বলি, “মিয়াদের” আসামের মূল নিবাসী হতে কোনো সমস্যা নেই। কিন্তু তাদের দুই-তিনটি স্ত্রী থাকতে পারে না। এটা অসমিয়া সংস্কৃতি নয়। কীভাবে কেউ “সত্র” (বৈষ্ণব মঠ) জমি দখল করে মূল নিবাসী হতে চায়?’
মুসলমান সমাজের কোন অংশ কয়েক শ বছর আগে এসেছিল এবং কারা ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধ শুরুর পরে এসেছেনÑআসামে এটি গভীর ও বিতর্কিত রাজনৈতিক বিষয়। ভোট মেরুকরণের মাধ্যমে সুবিধা আদায় করতে নির্বাচনের আগে আসামে বরাবরই এই বিভাজনরেখা বাড়ানোর চেষ্টা করা হয়। এবারও সেটাই করছেন মুখ্যমন্ত্রী।
মিয়া মুসলমানদের উদ্দেশে হিমন্ত বলেন, তাদের মাদ্রাসাশিক্ষা এড়িয়ে চলতে হবে। মাদ্রাসাশিক্ষার পরিবর্তে তাদের চিকিৎসক বা প্রযুক্তি কৌশলী হওয়ার পরামর্শও তিনি।
প্রশ্ন হলো যেসব ছাত্র মাদ্রাসায় যায়, তারা প্রধানত চরম দরিদ্র পরিবার থেকে আসে। তাদের পক্ষে চিকিৎসক বা প্রকৌশলী হওয়ার খরচ জোগানো সম্ভব কি না, তা নিয়ে শুধু আসামে নয়, পশ্চিমবঙ্গসহ ভারতের অন্যান্য প্রান্তেও প্রশ্ন রয়েছে।
হিমন্ত বিশ্বশর্মা মেয়েদের শিক্ষিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং পৈতৃক সম্পত্তিতে তাদের উত্তরাধিকারের অধিকার দেওয়ার পক্ষেও কথা বলেন।
নিউইয়র্কে হাজারো বাংলাদেশির সামনে কনসাল জেনারেলের বিরুদ্ধে অভিযোগ
: নিউইয়র্কে হাজারো বাংলাদেশির সামনে কনসাল জেনারেলের বিরুদ্ধে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ আনা হয়েছে। আর এ অভিযোগ উত্থাপন করা হয় যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশিদের বৃহৎ মাদার সংগঠন বাংলাদেশ সোসাইটির পক্ষ থেকে। রোববার, ২৪ মার্চ বাংলাদেশ সোসাইটির সভাপতি মোহাম্মদ রব মিয়া কনস্যুলার সেবা প্রদানে কনসাল জেনারেল নাজমুল হুদার দায়িত্বহীনতার অভিযোগ আনেন। তিনি কুইন্সের তিব্বতিয়ান কমিউনিটি সেন্টারে বাংলাদেশ সোসাইটি আয়োজিত ইফতার মাহফিলে সভাপতির বক্তব্য প্রদানকালে এ কথা বলেন। এ সময় ইফতার পার্টিতে উপস্থিত অনেককে শেম শেম বলতে শোনা যায়।
মোহাম্মদ রব মিয়া বলেন, বাংলাদেশিদের ট্যাক্সের অর্থে কনস্যুলেট পরিচালিত হয়। পাসপোর্ট নবায়ন, নতুন পাসপোর্ট, নো ভিসা ইস্যুসহ নানা কনস্যুলার সেবা দেয়া তাদের দায়িত্ব। কর্মজীবী প্রবাসী বাংলাদেশিরা কর্মদিবসে কাজ বন্ধ করে সেবা নিতে কনস্যুলেটে যেতে পারেন না। অতীতে এ জন্য কনস্যুলার সেবা প্রদানে কুইন্স, ব্রæকলিন ও ব্রংকসে ছুটির দিনে মোবাইল কনস্যুলার ক্যাম্প স্থাপন করতো। শতশত মানুষ সেবা নিতেন। কিন্তু নতুন কনসাল জেনারেল নাজমুল হুদা দায়িত্বে আসার পর তা বন্ধ হয়ে গেছে।
বাংলাদেশ সোসাইটি একাধিকবার তার সাথে দেখা করে কনস্যুলার সেবা প্রদানের আহŸান জানায়। তিনি সহায়তার হাত বাড়াননি। সভাপতি রব মিয়া যখন এ বক্তব্য দিচ্ছিলেন ইফতার পার্টিতে উপস্থিত কনস্যুলেটের কর্মকর্তা আসিফ আহমেদ তা শুনছিলেন। এক পর্যায়ে তিনি সোসাইটির প্রচার সম্পাদক রিজু মোহাম্মদকে ডেকে মঞ্চে গিয়ে কিছু বলার আগ্রহ প্রকাশ করেন। কিন্তু সময়ের অভাবে তিনি সে সুযোগ পান নি।
এ ব্যাপারে প্রতিবেদক টেলিফোনে নিউইয়র্কস্থ কনস্যুলেটের কনসাল জেনারেল নাজমুল হুদার দৃষ্টি আর্কষণ করেন। তিনি বলেন, সভাপতি রব মিয়া জনসন্মুখে সঠিক বক্তব্য তুলে ধরেন নি। তবে তিনি বিষয়টি নিয়ে আমার সাথে কথা বলেছেন। আমি তাকে স্পষ্টভাবে বুঝিয়ে বলেছি, একই শহরের ভেতর মোবইল টিম পাঠিয়ে কনস্যুলার সেবা প্রদানে ঢাকা থেকে আসা অডিট টিম আপত্তি তুলেছে। এ ধরনের কনস্যুলার ক্যাম্প স্থাপনে অর্থ খরচের ব্যাপার থাকে। এতেই অডিট টিমের আপত্তি। নিউইয়র্ক সিটির বাইরে, যেমন বাফেলো, আটলান্টিক সিটি, বস্টন বা কানেকটিকাটে ক্যাম্প স্থাপনে তাদের কোনো বাধা নেই। অতীতে তো সিটির ভেতর বিভিন্ন ব্যরোতে হয়েছে। এখন বন্ধ করলেন কেন? জবাবে নাজমুল হুদা বলেন, অডিট ডিপার্টমেন্টের আপত্তির কারণেই। তিনি বলেন, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিংবা অডিট ডিপার্টমেন্টের নির্দেশনা পেলে সিটির বিভিন্ন এলাকায় মোবাইল টিম পাঠিয়ে কনস্যুলার সেবা আমরা দিতে পারবো।
কন্যুলেটের নাম না প্রকাশের শর্তে একজন কর্মকর্তা প্রতিবেদককে বলেন, মোবাইল টিম পাঠিয়ে আমরা যে পরিমাণ সার্ভিস চার্জ পাই তা খরচের চেয়ে বহুগুণ বেশি। বরং এতে বাংলাদেশ লাভবান হয়। প্রবাসীদের কাজকর্ম বাদ দিয়ে কনস্যুলেটেও ছুটতে হয় না। কিন্তু অডিটের নির্দেশে আমাদের হাত পা বাঁধা।
নির্বাচনে বাংলা থেকে কতো আসন পাবে তৃণমূল কংগ্রেস?
ভোটযুদ্ধ শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যেই নির্ঘণ্টও প্রকাশিত হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে সাত দফায় হতে চলেছে লোকসভা নির্বাচন। ৪২ আসনে প্রার্থী দিয়ে দিয়েছে তৃণমূল। অন্যদিকে, এখনো পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ করতে পারেনি বিজেপি। আগের বার আসন প্রাপ্তি নিয়ে আনুমানিক ফলাফলের কথা বলেছিলেন তিনি। আর এবার লোকসভা নির্বাচনে ভোটপ্রাপ্তির শতকরা হারের হিসাব দিলেন তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ। ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে রাজ্যের ৪২টি লোকসভা আসনের মধ্যে ২২টি পেয়েছিল তৃণমূল। ১৮টি আসন পেয়েছিল পদ্ম শিবির। আর কংগ্রেস পেয়েছিল ২টি আসন।
বামেরা খাতা খুলতে পারেনি। তবে এবার পরিস্থিতি পাল্টেছে। একুশের বিধানসভা নির্বাচনে ২০০’র বেশি আসন পেয়ে সরকার গঠন করে তৃণমূল। নিয়োগ দুর্নীতিকে কেন্দ্র করে সরগরম হয়েছে রাজ্য রাজনীতি। তৃণমূলের একাধিক নেতা-মন্ত্রী এখন কারাগারের পেছনে। এই পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠছে, রাজ্যে কেমন হতে পারে লোকসভার ফল? চারদিকে যখন চুলচেরা বিশ্লেষণ চলছে, তখন কুণাল ঘোষ জানিয়ে দিলেন- মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সেনাপতিত্বে এবার বাংলায় তৃণমূল কংগ্রেস ৩০ থেকে ৩৫ আসন পাবে, সংখ্যা বাড়তে পারে। ভোট শতাংশে গড়ে ৫৮ থেকে ৬২ শতাংশ ভোট তৃণমূলের। বিজেপি’র ভোট শতাংশ কমবেশি ৩০ থেকে ৩২। আসন পাঁচ থেকে ১১’র মধ্যে। বাম এবং কংগ্রেসের আসন ০। ২৪/০৩/২৪-এর পরিস্থিতি অনুযায়ী।’
২০২৪ সালে রাজ্য বিজেপি নেতৃত্বকে টার্গেট বেঁধে দিয়ে বিজেপি’র সেকেন্ড ইন কমান্ড অমিত শাহ জানিয়ে দিয়েছেন, বাংলা থেকে কমপক্ষে ৩৫টি আসন পেতে হবে। আবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বাংলা থেকে ৪২টি আসনই পাওয়ার কথা বলেছেন। এদিকে কুণালের মন্তব্য নিয়ে বিজেপি’র পশ্চিমবঙ্গের মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য বলেন, ‘তৃণমূলের বিদায়, তৃণমূলের বিসর্জন কোনো বিবৃতি দিয়ে আটকানো যাবে না। কুণাল ঘোষ সচেতনভাবেই এই বিবৃতি দিচ্ছেন। কারণ তিনি জানেন যে, এই নির্বাচনে তৃণমূল দুই সংখ্যার ঘরে পৌঁছতে পারবে না।’ কংগ্রেস নেতা সৌম্য আইচ রায়ের মতে, ‘নিজেই বহরমপুরে প্রার্থী খুঁজে পাচ্ছে না তৃণমূল। গুজরাট থেকে প্রার্থী এনেছেন। কংগ্রেস ও বামেদের সঙ্গ এড়িয়ে ‘চব্বিশের নির্বাচনে একলা চলো নীতি’ নিয়েছে তৃণমূল। এখন দেখার বিষয় কুনাল ঘোষের ভবিষ্যদ্বাণী মেলে কিনা।
ভারত নিয়ে মুইজ্জুকে পরামর্শ দিলেন সাবেক প্রেসিডেন্ট
ভারতবিরোধী বক্তব্যের জন্য বারবার শিরোনাম হয়েছেন মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুইজ্জু। দেশটির প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই মালে ও নয়াদিল্লির মধ্যকার সম্পর্ক ক্রমশ শীতল হচ্ছে।
তবে এবার মুইজ্জুকে ভারতের বিরুদ্ধে একগুঁয়েমি বন্ধ করতে আহŸান জানিয়েছেন মালদ্বীপের সাবেক প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম মোহাম্মদ সোলিহ। পাশাপাশি দেশের অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ কাটিয়ে উঠতে প্রতিবেশীদের সঙ্গে সংলাপের আহŸান জানিয়েছেন তিনি।
দেশটির মাফান্নুতে চারটি সংসদীয় আসনে প্রতিদ্ব›দ্বী মালদিভিয়ান ডেমোক্রেটিক পার্টির (এমডিপি) প্রার্থীদের সমর্থনে রাজধানী মালেতে অনুষ্ঠিত র্যালিতে বক্তব্য রাখেন মোহাম্মদ সোলিহ।
সেখানে তিনি বলেন, মিডিয়ার রিপোর্টে তিনি দেখেছেন মুইজ্জু ঋণ পুনর্গঠনের জন্য ভারতের সঙ্গে আলোচনা করতে চান। মোহাম্মদ সোলিহকে উদ্ধৃত করে স্থানীয় একটি মিডিয়া বলেছে, মালদ্বীপে যে অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি হয়েছে তা ভারতের ঋণের ফলে সৃষ্টি হয়নি।
তিনি বলেন, চীনের কাছে মালদ্বীপের ঋণ আছে ১৮০০ কোটি মালদিভিয়ান রুপি। পক্ষান্তরে ভারতের কাছে ঋণ আছে ৮০০ কোটি রুপি। এই অর্থ ২৫ বছরের মধ্যে পরিশোধ করতে হবে।
মোহাম্মদ সোলিহ আরও বলেন, প্রতিবেশীরা আমাদেরকে সাহায্য করবে এ বিষয়ে আমার আস্থা আছে। আমাদেরকে একগুঁয়েমি হওয়া অবশ্যই বন্ধ করতে হবে এবং সংলাপে যেতে হবে। আমাদেরকে সাহায্য করার জন্য বহু পক্ষ আছে। কিন্তু তিনি (মুইজ্জু) সমঝোতা চান না। আমি মনে করি তারা (সরকার) সবেমাত্র পরিস্থিতি অনুধাবন করা শুরু করেছে।
‘ইন্ডিয়া আউট’ স্লোগান দিয়ে গত বছরের সেপ্টেম্বরে মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন মোহাম্মদ মুইজ্জু। এরপর নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে ভারতীয় সেনা প্রত্যাহারের আহŸান জানান তিনি।
এ ছাড়া চলতি বছরের শুরুতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির লাক্ষা দ্বীপ সফরকে কেন্দ্র করে মালদ্বীপের কয়েকজন সিনিয়র সরকারি কর্মকর্তা ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে ‘অবমাননাকর মন্তব্য’ করেন। এতে দুই দেশের মধ্যে ভূ-রাজনৈতিক সম্পর্ক খারাপ হতে শুরু করে।
মোহাম্মদ মুইজ্জু কট্টর চীনপন্থি। অন্যদিকে মোহাম্মদ সোলিহ ভারতপন্থি। গত সেপ্টেম্বরে অনুষ্ঠিত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে মোহাম্মদ সোলিকে (৬২) পরাজিত করেন মোহাম্মদ মুইজ্জু (৪৫)।
সৌদি আরবে প্রথম থিম পার্ক নির্মাণের ঘোষণা
জাপানের বিখ্যাত কমিক সিরিজ ‘ড্রাগন বল’ এর গল্পের উপর ভিত্তি করে একটি থিম পার্ক নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছে সৌদি আরব।
পার্কের মাঝখানে ৭০ মিটার উঁচু একটি ড্রাগন নির্মাণ করা হবে। সেখানে অন্তত ৩০টি রাইড থাকবে বলে প্রকল্পের দায়িত্বে থাকা ফার্মের বরাত দিয়ে জানিয়েছে বিবিসি।
সৌদি আরবে এই প্রথম কোনো জনপ্রিয় মিডিয়া ফ্র্যাঞ্চাইজির উপর ভিত্তি করে পার্ক নির্মাণ হতে চলেছে, যেটা সারা বিশ্বে আকর্ষণের কেন্দ্রে থাকবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
সৌদি আরবের এ ঘোষণার সমালোচনাও হচ্ছে। সমালোচকরা দেশটির নিম্ন মানবাধিকার রেকর্ডের কথা উল্লেখ করছেন।
কিদ্দিয়া ইনভেস্টমেন্ট কোম্পানি (কিউআইসি) এই প্রকল্পের সব কিছুর দেখভাল করছে। কোম্পানিটি সম্পূর্ণরূপে সৌদি আরব সরকারের বিনিয়োগকৃত তহবিলের মালিকানাধীন।
পার্কটি ৫ লাখ বর্গমিটারের বেশি বড় জায়গার উপর নির্মাণ করা হবে বলে জানিয়েছে কিউআইসি।
সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের কাছে নির্মিত কিদ্দিয়া একটি বিশাল বিনোদন এবং পর্যটন প্রকল্প। মধ্যপ্রাচ্যের তেলসমৃদ্ধ ধনী দেশ সৌদি আরব তেলের উপর নিজেদের অর্থনীতির নির্ভরশীলতা কমাতে এবং অর্থনীতিতে বৈচিত্র আনতে যে পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে কিদ্দিয়া প্রকল্প তারই অংশ।
ড্রাগন বল’র অনেক ভক্ত থিম পার্ক নির্মাণের এই পরিকল্পনাকে স্বাগত জানিয়েছে। তবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কেউ কেউ সৌদি আরবকে পার্ক নির্মাণের স্থান হিসেবে বেছে নেওয়ার কারণ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।
ড্রাগন বল থিম পার্ক নির্মাণের ঘোষণা আসার মাত্র কয়েকদিন আগে এই কমিক সিরিজের জন্মদাতা আকিরা তোরিয়ামা মারা যান। গত ১ মার্চ তার মৃত্যু হয়, বয়স হয়েছিল ৬৮ বছর।
কমিক সিরিজ ‘দ্য ড্রাগন বল’ এর যাত্রা শুরু হয় ১৯৮৪ সালে। এর গল্পে সন গোকু নামের এক বালক জাদুকরি ড্রাগন বল এর খোঁজে বের হয়। যে বলগুলো তাকে সুপার পাওয়ার দিতে পারে। অন্যতম প্রভাবশালী এবং জাপানে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হওয়ার কমিক সিরিজ ড্রাগন বল।
জেল থেকেই দিল্লি শাসন করবেন কেজরিওয়াল
পদত্যাগ না করে জেলে বসেই দিল্লি শাসন করবেন আম আদমি পার্টির প্রধান ও ভারতের দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল।গ্রেফতার হয়ে কেজরিওয়াল কারাগারে থাকলেও তার দলের নেতাকর্মী, সংসদ সদস্য, কাউন্সিলর থেকে শুরু করে সবাই তার নির্দেশনাই চলার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।রোববার আম আদমি পার্টির সাংগঠনিক সম্পাদক সন্দীপ পাঠক এ সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন বলে আজ সোমবারের প্রতিবেদনে জানিয়েছে টাইমস অব ইন্ডিয়া।
সন্দীপ বলেছেন, ‘সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে মুখ্যমন্ত্রী কেজরিওয়াল তার পদ থেকে পদত্যাগ করবেন না এবং জেল থেকে দেওয়া তার নির্দেশে সব মন্ত্রী, এমএলএ ও পার্টি চলবে। ‘সন্দীপের দাবি, ‘ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বুঝতে পেরেছেন যে তার শেষ হবে কেজরিওয়ালের মাধ্যমে, এ জন্যই তিনি তার বিরুদ্ধে একদম শুরু থেকেই ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছেন। ‘প্রথমে কেজরিওয়ালকে পদত্যাগে বাধ্য করে পরবর্তীতে আম আদমি পার্টিতে ভাঙন ধরানোই মোদির উদ্দেশ্য বলেও দাবি করেছেন তিনি।
দলটির সভায় সন্দীপ প্রশ্ন রাখেন, কেজরিওয়ালের কি পদত্যাগ করা উচিৎ? উত্তরে সবাই বলেন, ‘সরকার চালেগা জেল সে (সরকার চলবে জেল থেকে)’।২১ মার্চ রাতে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী কেজরিওয়ালকে আবগারি নীতির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার করেছিল দেশটির সরকারি সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। ইডির কারা হেফাজতে থেকেও মুখ্যমন্ত্রীয় দায়িত্ব চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি।
গতকাল কেজরিওয়াল প্রথমবারের মত জেলে থেকে পানির সরবরাহ ও পয়:নিষ্কাশন সংক্রান্ত একটি সমস্যা নিয়ে একটি নির্দেশনাও পাঠিয়েছেন।
আইপিএল ছেড়ে দেশে ফিরবেন কি মুস্তাফিজ
মুস্তাফিজুর রহমান চলমান আইপিএলের প্রথম ম্যাচে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করেছেন। চেন্নাই সুপার কিংসের জার্সিতে উদ্বোধনী ম্যাচে ২৯ রানে ৪ উইকেট নেন তিনি। দলকে জেতাতে সবচেয়ে বড় ভূমিকাও রাখেন ফিজ। দারুণ শুরু করলেও এবারের আইপিএলের পুরোটা খেলা হবে না মুস্তাফিজের।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের ব্যস্ত সূচির কারণে ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ খেলতে এখন বিসিবির অনাপত্তিপত্র (এনওসি) পেতে ভালোই বেগ পেতে হচ্ছে বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের।
জানা গেছে, আইপিএল খেলতে অনাপত্তিপত্রে এই বাঁহাতি পেসারের ছুটি মঞ্জুর করা হয়েছে জিম্বাবুয়ে সিরিজের আগ পর্যন্ত। ৩ মে থেকে ঘরের মাঠে বাংলাদেশকে খেলতে হবে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচের একটি টি-টোয়েন্টি সিরিজ। ফিজকে তার আগেই আইপিএল থেকে ফিরে আসতে হবে।
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজ শেষ হবে ১২ মে। আইপিএলের প্লে-অফ পর্ব মাঠে গড়াবে মে মাসের মাঝামাঝি। জিম্বাবুয়ে সিরিজ শেষ করে ফিজের সামনে পুনরায় আইপিএলে যাওয়ার সুযোগ থাকলেও বাস্তবে সেটি হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম।
তাছাড়া ওয়ার্ক লোড ম্যানেজমেন্টের কারণে মুস্তাফিজের মতো গুরুত্বপূর্ণ সদস্যকে নিয়ে কোনোপ্রকার ঝুঁকি নিতে চায় না বাংলাদেশ। ফলে সুযোগ থাকলেও মুস্তাফিজের জন্য আইপিএলে ফেরার সম্ভাবনা একেবারেই নেই।
এদিকে বিশ্বকাপ খেলতে দেশ ছাড়ার ১০ দিন আগে খেলোয়াড়দের পূর্ণ বিশ্রামে রাখার পরিকল্পনা বিসিবির।
ঋষভ পন্থকে বিয়ের অনুরোধে যা বললেন উর্বশী
একটা সময় ঋষভ ও উর্বশীর সম্পর্ক নিয়ে কম জলঘোলা হয়নি। ২০১৮-১৯ সালে এই দুই তারকার প্রেমের গুঞ্জন প্রকাশ্যে আসে। অবশ্য কিছু দিন ধরে পাক ক্রিকেটার নাসিম শাহের সঙ্গে উর্বশীর প্রেমের গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। এর মাঝে বেশ কয়েকবার উর্বশীর মুখে ফের ঋষভের নাম শোনা গেল।
এরই মধ্যে ২০২২ সালের ডিসেম্বর মাসে এক পথ দুর্ঘটনায় আহত হন ঋষভ পন্থ। সুস্থ হয়ে উঠতে অনেকটা সময় লেগেছে তার। এই ক্রিকেট তারকা হাসপাতালে ভর্তি থাকাকালীন অভিনেত্রীর মা নাকি দেখতেও যান ঋষভকে! জানা গেছে, এসবের পর কিছু মন্তব্যের আদান-প্রদান হয় দুপক্ষের মধ্যে।
কিন্তু একটা সময়ের পর থেকে পন্থ প্রসঙ্গে যতবারই প্রশ্ন করা হয়েছে, এড়িয়ে গেছেন উর্বশী।
সমপ্রতি একটি সাক্ষাৎকার দেওয়ার সময় এক অনুরাগী উর্বশীকে অনুরোধ করে বলেন, ‘ঋষভকে ভুলে যাবেন না ম্যাম। ও আপনাকে অনেক শ্রদ্ধা করে। আপনাকে অনেক সুখে রাখবে ও। আপনি যদি ওকে বিয়ে করেন, তবে আমাদেরও খুবই ভালো লাগবে।’
অনুরাগীর এমন আবদার শুনে প্রথমে খানিকক্ষণ চুপ করেই থাকেন অভিনেত্রী। তার পর বলেন, ‘আমি সত্যিই এই প্রসঙ্গে কোনো কথা বলতে চাই না।’
আসলে হ্যাঁ অথবা না, কোনো উত্তরই না দিয়ে বরং গোটাটাই এড়িয়ে যান অভিনেত্রী।


