Home Blog Page 601

রাজশাহীতে দুই পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ৩

রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে তিনজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরো সাতজন। তাদের উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

সোমবার সকাল ৯টার দিকে উপজেলার পাকড়ি ইউনিয়নের মুসরাপাড়া ইয়াজপুর গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন রাজশাহী নগরীর ভাটাপাড়া গ্রামের জিল্লুর রহমানের ছেলে ছোটন (৫০), গোদাগাড়ীর বড়গাছী কামারপাড়ার মৃত আলিম উদ্দীনের ছেলে মেহের আলী (৬৫) ও তার ভাই নাইমুল (৬৮)।

এ ঘটনায় আহত হয়েছেন ইউনুস (২২), মো: সোলেমান (৫০), রজব (৩১), আমু (২২), রায়হান (৩৫) ও মনিরুল (৪৫)।

গোদাগাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল ইসলাম এই ঘটনা নিশ্চিত করে বলেন, সকালে জমিজমা নিয়ে বিরোধের জের ধরে দুই পক্ষের কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে উভয়পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে বেশ কয়েকজন আহত হন। এদের মধ্যে ১০ জনকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। এ সময় হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসকরা তিনজনকে মৃত ঘোষণা করেন।

আমরা দয়া চাইনি, জাস্টিস চেয়েছি : মির্জা ফখরুল

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সরকার কথায় কথায় বলেন, খালেদা জিয়াকে দয়া দেখিয়ে বাসায় রেখেছি। আমরা দয়া চাইনি, জাস্টিস চেয়েছি। আমরা ন্যায়বিচার চেয়েছি, প্রাপ্যটা চেয়েছি।

সোমবার বেলা ১১টায় রাজধানীর নয়াপল্টনে দলীয় কার্যালয়ে এক অনুষ্ঠানে বিএনপি মহাসচিব এসব কথা বলেন। বিএনপি চেয়ারপারসন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া, জাতীয় স্থায়ী কমিটি’র সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন ও ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া’র শারীরিক সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে দলটি।

মহাসচিব বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে কারাগারে যে কক্ষে রাখা হয়েছিল, সেটি বসবাসের উপযোগী ছিল না। তিনি ওই সময় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। ওই সময় ডাক্তাররা একাধিকবার গণমাধ্যমে বলেছেন, খালেদা জিয়ার উন্নত চিকিৎসা জরুরি। কিন্তু সরকার তাতে কর্ণপাত করেনি। পরে করোনা শুরু হয়ে গেলে বাসায় পাঠিয়ে দেয় সরকার।

তিনি বলেন, তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া কারো দয়া চাননি। তাকে ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। চিকিৎসকরা বারবার তাকে বিদেশ নিয়ে চিকিৎসার কথা বলছেন। কিন্তু সরকার তাকে সেই অধিকার থেকে বঞ্চিত করেছে।

মির্জা ফখরুল অভিযোগ করে বলেন, একটি গণতান্ত্রিক দেশে ৩৫ লাখ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা দিয়েছে এই ফ্যাসিস্ট সরকার। এমন কোনো নেতাকর্মী নেই, যার বিরুদ্ধে মামলা দেয়নি তারা।

তিনি বলেন, এ দেশে আমরা কোনো রাজা-রানির রাজত্বে বাস করি না। আমরা একটা গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের স্বপ্ন নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলাম। সেই গণতন্ত্রই আজ দেশে অনুপস্থিত।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী, ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী প্রমুখ।

রাশিয়াকে ঠেকাতে নতুন পরিকল্পনায় নেটো

আর কয়েক ঘণ্টা পরেই লিথুয়ানিয়ার রাজধানীতে শুরু হতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র নেতৃত্বাধীন পশ্চিমা দেশগুলোর প্রতিরক্ষা জোট নেটোর দু’দিনব্যাপী বার্ষিক সম্মেলন। যার ওপর সতর্ক নজর রাখছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রঁ, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাক, জার্মান চ্যান্সেলর ওলাফ সোলৎজসহ এই জোটের ৩১টি সদস্য দেশের নেতারা এতে যোগ দিচ্ছেন। যারা দু’দিন ধরে প্রধানত ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়েই আলোচনা করবেন।

ইতোমধ্যে ইউক্রেনে রাশিয়ার সামরিক অভিযানের ৫০০ দিন পার হয়ে গেছে। এই আক্রমণ শুরু হওয়ার পর মস্কো ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলে বহু শহর ও গ্রাম দখল করে নিয়েছে, বেসামরিক লোকজনের ওপর হামলা চালিয়ে তাদেরকে হত্যা করেছে।

প্রেসিডেন্ট পুতিনের নির্দেশে ২০২২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর মানবিক, আর্থিক ও সামরিক সাহায্য নিয়ে ইউক্রেনে ছুটে গেছে ইউরোপ এবং তাদের ঘনিষ্ঠ মিত্র যুক্তরাষ্ট্র। জার্মানি-ভিত্তিক অর্থনৈতিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান কিল ইন্সটিটিউট ফর দ্যা গ্লোবাল ইকোনমির হিসেব অনুসারে এ বছরের মে মাসের মধ্যে এই সাহায্যের আর্থিক পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় সাড়ে ১৬ হাজার কোটি ডলার।

যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে এই সঙ্কটের বিভিন্ন ইস্যুতে ইউরোপীয় দেশগুলোর একজোট হওয়া খুব একটা সহজ ছিল না। রাজনৈতিক, সামরিক ও অর্থনৈতিক কারণে দেশগুলোকে নানা সময়ে ভিন্ন রকমের সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে।

এই পরিস্থিতিতে একটি কঠিন প্রশ্ন হচ্ছে পরমাণু শক্তিধর রাশিয়ার সাথে সরাসরি ও সর্বাত্মক যুদ্ধে না জড়িয়ে, নেটো ক্রেমলিনকে কেমন বার্তা পাঠাবে। যাতে তারা তাদের ইচ্ছে অনুসারে ইউক্রেন অথবা ইউরোপের অন্য কোনো দেশ দখল করে নিতে না পারে।

কূটনীতিকরা বলছেন, ১১ ও ১২ জুলাইয়ের আসন্ন এই সম্মেলনে রাশিয়ার আক্রমণ মোকাবেলার বিষয়ে বিস্তারিত এক পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হবে। বলা হচ্ছে শীতল যুদ্ধ অবসানের পর রাশিয়াকে মোকাবেলায় এটাই সবচেয়ে বড় পরিকল্পনা।

নেটো কী?
পশ্চিমা দেশগুলোর প্রতিরক্ষা জোট নর্থ আটলান্টিক ট্রিটি অর্গানাইজেশনকে সংক্ষেপে বলা হয় নেটো। ১২টি দেশ মিলে ১৯৪৯ সালে এই জোট গঠন করেছিল। তাদের মধ্যে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, কানাডা এবং ফ্রান্স।

বর্তমান এই জোটের সদস্য সংখ্যা ৩১।

নেটো জোটের সংবিধানের পাঁচ নম্বর ধারায় বলা হয়েছে, কোনো একটি সদস্য দেশ আক্রান্ত হলে অন্য দেশগুলো এটিকে তাদের ওপর আক্রমণ হিসেবে গণ্য করবে এবং আক্রান্ত দেশটিকে সাহায্য করতে তারা এগিয়ে আসবে।

এই জোটের আসল লক্ষ্য ছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অবসানের পর তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন যাতে ইউরোপে তাদের সম্প্রসারণ ঘটাতে না পারে। কিন্তু ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে যাওয়ার পর পূর্ব ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশ নেটোতে যোগ দেয়।

সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের অংশ রাশিয়ার পক্ষ থেকে এ বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলা হয় যে পূর্ব ইউরোপের এসব দেশ নেটোতে যোগদানের ফলে তাদের নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়েছে।

এই জোটে ইউক্রেনের যোগ দেওয়ার যে আগ্রহ তাতে তীব্র আপত্তি জানিয়ে আসছে রাশিয়া। তাদের আশঙ্কা এর ফলে নেটো তাদের নাকের ডগায় গিয়ে পড়বে।

ইউক্রেন এখনো এই জোটের সদস্য না হলেও নেটো অতিসম্প্রতি রুশ সীমান্তের কাছে পৌঁছে গেছে। কারণ এ বছরেই রাশিয়ার আরেক প্রতিবেশী দেশ ফিনল্যান্ড নেটোতে যোগ দিয়েছে।

রাশিয়াকে প্রতিরোধে নেটোর পরিকল্পনা
রাশিয়া যদি নেটোর কোনো সদস্য দেশের ওপর আক্রমণ চালায়, তাহলে তাকে মোকাবেলা করার জন্য এই জোটের নেতারা নতুন একটি পরিকল্পনা তৈরি করেছেন।

এই পরিকল্পনায় নিখুঁতভাবে উল্লেখ করা হয়েছে রাশিয়া যদি আর্কটিক, উত্তর আটলান্টিক, মধ্য ইউরোপ এবং ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলে আক্রমণ করে তাহলে জোটের সৈন্যরা কোথায় কোথায় যাবে এবং তারা কী কী করবে।

লন্ডন-ভিত্তিক প্রতিরক্ষা নিরাপত্তা-বিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান রয়্যাল ইউনাইটেড সার্ভিসেস ইন্সটিটিউট বা রুসির উপ-পরিচালক ম্যালকম চামার্স বলেন, ১৯৯১ সালে শীতল যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর এটাই নেটোর সবচেয়ে সমন্বিত পরিকল্পনা।

তিনি বলেন, ‘সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে যাওয়ার পর বড় ধরনের যুদ্ধের আশঙ্কা পুরোপুরি উবে গিয়েছিল। কিন্তু ২০১৪ সালে রাশিয়ার ক্রাইমিয়া দখল এবং বর্তমান ইউক্রেন যুদ্ধ থেকে বোঝা যায় যে এই হুমকি এখনো বাস্তব। বিশেষ করে বাল্টিক প্রজাতন্ত্রগুলোর জন্য।’

কিংস কলেজ লন্ডনের প্রতিরক্ষা বিষয়ক অধ্যাপক ট্রেসি জার্মান বলেন, ‘এগুলো সবই যুদ্ধকে নিরুৎসাহিত করা এবং আত্মরক্ষার প্রয়োজনের সাথে সম্পর্কিত। একইসাথে পূর্ব দিকে যেসব মিত্র দেশ আছে তাদেরকে আশ্বস্ত করারও ব্যাপার।’

ইউক্রেনকে কি নেটোতে নেয়া হচ্ছে?
নেটো জোটের পক্ষ থেকে ২০০৮ সালে বলা হয়েছিল যে দেশটি ভবিষ্যতের কোনো এক সময়ে তাদের সাথে যোগ দিতে পারে। কিন্তু তাদেরকে খুব দ্রুত সদস্য করে নেওয়ার ব্যাপারে তারা সম্প্রতি অস্বীকৃতি জানিয়েছে।

কারণ ইউক্রেন নেটোতে যোগ দিলে নেটোর সংবিধান অনুসারে এই জোটের সদস্য দেশগুলোকে এখনই রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করতে হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেছেন, ‘আমি মনে করি না যে এই মুহূর্তে, যুদ্ধের মাঝখানে, ইউক্রেনকে নেটোর সদস্য করা কিংবা না করার বিষয়ে নেটোর ভেতরে ঐকমত্য রয়েছে।’

তিনি বলছেন, ইউক্রেনের নেটোতে যোগ দেয়ার অর্থ হবে ‘যদি যুদ্ধ চলতেই থাকে, তাহলে আমরা সবাই এই যুদ্ধে নেমে গেছি। আমরা রাশিয়ার সাথে যুদ্ধ করছি, যদি এরকমটা হয়।’

যুদ্ধের ৫০০ দিন পরেও ইউক্রেনকে নেটোর সদস্য করা নিয়ে জোটের ভেতরে ভিন্নমত থাকলেও ইউক্রেনের অবস্থান পরিষ্কার। তারা নেটোর অন্য সদস্য দেশের সাথে একই টেবিলে বসতে চায়, চায় সব ধরনের নিরাপত্তা গ্যারান্টি এবং তারা এখনই সেটা চায়।

কিন্তু নেটো জোটের যে সংবিধান অনুসারে তারা ইউক্রেনকে এখনই সদস্য করতে পারবে না। কারণ সংবিধানে উল্লেখ আছে যে কোনো দেশ যুদ্ধে লিপ্ত থাকলে তাকে জোটের সদস্য করা যাবে না।

তবে ইউক্রেন এখনই সদস্য হতে না পারলেও তারা অন্তত এই নিশ্চয়তা চায় যে আগামীতে তাদেরকে নেটো জোটে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিও তার এই আকাঙ্ক্ষা মিডিয়ার কাছে স্পষ্ট করে দিয়েছেন।

এরকম প্রতিশ্রুতি না পেলে প্রেসিডেন্ট জেলনস্কি এই সম্মেলন পরিহারেরও হুমকি দিয়েছেন। যাতে যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানিসহ নেটোর কিছু দেশ বিরক্ত হয়েছে।

পর্যবেক্ষকরা বলছেন, এই সম্মেলনে যদি ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টকে দেখা না যায় তাহলে ইউক্রেন ইস্যুতে পশ্চিমা দেশগুলো যে ঐক্যবদ্ধ মস্কোকে সেই বার্তা দেয়া কঠিন হয়ে পড়বে।

কিন্তু প্রধান সমস্যা হচ্ছে, রাশিয়ার সামরিক অভিযান শুরু হওয়ার অনেক আগেই নেটো ইউক্রেনকে বলেছে যে দেশটি তাদের জোটেই থাকবে। কিন্তু কিয়েভ এখন চাইছে তাদেরকে জোটে নেয়ার ব্যাপারে যেন উল্লেখযোগ্য ও সুনির্দিষ্ট কিছু প্রস্তাব করা হয়। কিন্তু সেটা কী?

বিবিসির ইউরোপ-বিষয়ক সম্পাদক কাটিয়া এডলার বলছেন, এ বিষয়ে তিনি নেটোর গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি দেশের শীর্ষস্থানীয় কূটনীতিকদের সাথে কথা বলেছেন। তারা যাতে স্বাধীনভাবে কথা বলতে পারেন সেকারণে তারা তাদের নাম উল্লেখ করতে চাননি।

তারা তাকে বলেছেন, ইউক্রেনকে নেটো পরিবারের সদস্য করে ব্যাপারে জোটের সদস্য দেশগুলো একতাবদ্ধ। তবে এর খুঁটিনাটি কিছু বিষয়ে তাদের মধ্যে মতভিন্নতা রয়েছে।

এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে লিথুয়ানিয়ার রাজধানী ভিলনিয়াসে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষের দিকে তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন বাল্টিক সাগরের যে তিনটি ছোট্ট দেশ দখল করে নিয়েছিল তার একটি এই লিথুয়ানিয়া।

কাটিয়া আডলার বলছেন, লিথুয়ানিয়া, লাটভিয়া এবং এস্তোনিয়ার মানুষ ইউক্রেনের দুঃখ দুর্দশা বুঝতে পারে। তারাসহ পূর্ব ইউরোপের আরো একটি দেশ পোল্যান্ড, যারাও নিজেদেরকে রাশিয়ার আগ্রাসনের শিকার হিসেবে দেখে থাকে, মস্কোর সাথে যুদ্ধবিরতির সমঝোতা করে খুব দ্রুত গতিতে ইউক্রেনকে নেটোর সদস্য করে নেয়ার দাবি জানিয়েছে।

কিন্তু এই সিদ্ধান্ত নিতে হলে নেটোর সব সদস্য দেশকে একমত হতে হবে। যেসব দেশ এখনই ইউক্রেনকে সদস্য করে নেয়ার ব্যাপারে সতর্কতা প্রকাশ করেছে তাদের মধ্যে রয়েছে জার্মানি, যুক্তরাষ্ট্র এবং ব্রিটেন।

নেটোর কিছু কিছু সদস্য দেশ মনে করে রাশিয়ার সাথে যুদ্ধবিরতির সমঝোতা করা। তার পরপরই যদি ইউক্রেনকে নেটোর সদস্য করে নেয়ার ব্যাপারে চূড়ান্ত প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়, তাহলে মস্কো ইউক্রেনের ওপর আক্রমণকে আরো প্রলম্বিত করতে পারে।

ফিনল্যান্ড কেন নেটোতে গেল
বাল্টিক অঞ্চলের দেশ রাশিয়ার প্রতিবেশী ফিনল্যান্ড নেটো জোটে যোগ দিয়েছে ২০২৩ সালের এপ্রিল মাসে। এর আগে দেশটি ছিল নিরপেক্ষ অবস্থানে।

রাশিয়ার সাথে ফিনল্যান্ডের স্থল সীমান্ত রয়েছে এক হাজার ৩৪০ কিলোমিটার। ফিনল্যান্ডের যোগদানের ফলে নেটো বাহিনীতে এখন নিয়মিত ও রিজার্ভ সৈন্যের সংখ্যা আড়াই লাখেরও বেশি বেড়ে গেছে।

ফিনল্যান্ডের পাশাপাশি বাল্টিক অঞ্চলের আরো একটি দেশ সুইডেনও নেটোতে যোগ দেয়ার জন্য আবেদন করেছে। তুরস্ক এবং হাঙ্গেরি এখনো সুইডেনকে জোটে নিতে রাজি হয়নি। ফলে তাদের আবেদন ঝুলে রয়েছে।

তুরস্ক বলছে যে সু‌ইডেন তাদের কিছু শত্রুকে আশ্রয় দিয়েছে। তাদেরকে তুরস্কের হাতে তুলে দিতে হবে। এ ছাড়া সুইডেনের বিরুদ্ধে তুরস্কের অভিযোগ যে দেশটি রাস্তায় মুসলিম-বিরোধী বিক্ষোভের অনুমতি দিচ্ছে।

নেটো দেশগুলো ইউক্রেনকে কীভাবে সাহায্য করছে
যুক্তরাষ্ট্র বলছে, তাদের মিত্র দেশগুলো ইউক্রেনকে আমেরিকার তৈরি এফ-সিক্সটিনসহ অন্য যুদ্ধবিমান দিতে পারবে। এসব বিমান চালানোর জন্য ইউক্রেনীয় পাইলটদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেনে ৩১টি এব্রামস ট্যাঙ্ক পাঠাচ্ছে। ব্রিটেন ইতোমধ্যে ১৪টি চ্যালেঞ্জার-২ ট্যাঙ্ক পাঠিয়েছে। জার্মানি পাঠিয়েছে ১৮টি লিওপার্ড-২ ট্যাঙ্ক। অন্য ইউরোপীয় দেশগুলোও কয়েক ডজন ট্যাঙ্ক পাঠাচ্ছে। স্ট্রাইকার ও ব্র্যাডলির মতো সামরিক যানও ইতোমধ্যে পাঠানো হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেন উভয়েই ইউক্রেনকে হাইমার্সের মতো মিসাইল-প্রতিরোধী ব্যবস্থা প্রেরণ করেছে যেগুলোর সাহায্যে রাশিয়ার ফ্রন্ট-লাইনের আরো ভেতরে হামলা চালানো সম্ভব হচ্ছে।

ইউক্রেনের আকাশে ক্রুজ মিসাইল ও ড্রোন ধ্বংস করার জন্য যুক্তরাষ্ট্রসহ আরো কয়েকটি দেশ কিয়েভের কাছে বিমান প্রতিরোধী ব্যবস্থা সরবরাহ করেছে। এগুলো দিয়ে রাশিয়ার নিক্ষিপ্ত ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন আঘাত হানার আগেই ধ্বংস করে দেয়া হচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেন জ্যাভলিন এবং এনলর মতো ট্যাঙ্ক-বিধ্বংসী যেসব অস্ত্র দিয়েছে। এসব অস্ত্র রুশ বাহিনীর অগ্রগতি ঠেকিয়ে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এগুলো গত বছরের বসন্তে কিয়েভে গিয়ে পৌঁছেছে।

তবে রাশিয়ার ভেতরে হামলা চালানো হতে পারে এই আশঙ্কায় ইউক্রেনকে দীর্ঘ-পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ও রকেট লঞ্চার সরবরাহ করা হয়নি। সেরকম কিছু হলে নেটোর সাথে রাশিয়ার সরাসরি যুদ্ধ বেঁধে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এই কারণে নেটো দেশগুলো ইউক্রেনে তাদের সৈন্য পাঠানো থেকে বিরত রয়েছে।

সূত্র : বিবিসি

গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুর, সম্পাদক রাশেদ

গণঅধিকার পরিষদের (একাংশের) ১ম কাউন্সিলে সভাপতি পদে নুরুল হক নুর ১৩৫ ভোটে এবং রাশেদ খান ১০৯ ভোটে সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয়েছেন।

সোমবার (১০ জুলাই) রাজধানীর পুরানা পল্টনে ফকিরাপুলের প্রীতম জামান টাওয়ারে গণঅধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দুপুর ১টায় কাউন্সিলের ভোটগ্রহণ শুরু হয়। ভোটগ্রহণ শেষ হয় বিকেল ৫টায়। যদিও ভোট শুরুর কথা ছিল সকাল ১০টায়।

রাত ১০টা ১৫ মিনিটে ভোটের ফলাফল ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশন আরিফুল ইসলাম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশন তোফাজ্জল হোসেন ও তৌফিক শাহরিয়ার।

কাউন্সিলে মোট ভোটার ছিলেন ২১৬ জন। এরমধ্যে কেন্দ্রীয় কমিটির ভোটার ১২৬ জন। এতে সভাপতি পদে নুরুল হক নুর, নাজমুল উস সাকিব, বায়েজিদ শাহেদ এবং জাফর মাহমুদ এই চারজন প্রার্থী ভোটে লড়েছেন। এছাড়াও সাধারণ সম্পাদক পদেও প্রার্থী ছিলেন চারজন। তারা হলেন রাশেদ খান, মাহফুজুর রহমান খান, বিপ্লব কুমার পোদ্দার এবং জিল্লু খান।

অন্যদিকে উচ্চতর পরিষদে আট পদের বিপরীতে লড়ছেন ১৮ জন। এদের মধ্যে সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে ১ম আবু হানিফ। বাকি বিজয়ী সদস্যরা হলেন শাকিলউজ্জামান, হানিফ খান সজিব, শহিদুল ইসলাম ফাহিম, ফাতেমা তাসনিম,আব্দুজ জাহের, অ্যাডভোকেট নুরে এরশাদ সিদ্দিকী, জসিম উদ্দিন।

উচ্চতর পরিষদে ভোটার সংখ্যা ১২৬ জন, ভোট পড়েছে ৮৩, বাতিল ২টি।

ইসরাইলকে উপসাগরীয় দেশগুলোর সাথে যুক্ত করবে মার্কিন বাণিজ্য করিডোর

সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই), সৌদি আরব, জর্ডান ও ইসরাইলকে সংযুক্ত করার জন্য একটি বাণিজ্য স্থল সেতু নির্মাণের গোপন পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে ইসরাইল ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

শুক্রবার (৭ জুলাই) ইসরাইলের ইনেট নিউজ এমন তথ্য প্রকাশ করেছে বলে মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক গণমাধ্যম মিডল ইস্ট মনিটরের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্থল সেতুটি দুবাই থেকে ইসরাইলের হাইফা সমুদ্রবন্দর পর্যন্ত প্রলম্বিত হবে।

ইসরাইলভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ইনেট নিউজ বলছে, এটি পূর্ব থেকে ইজরাইলের মাধ্যমে ইউরোপে পণ্য রফতানি করা ও পর্যটকদের চলাচলের উদ্দেশে নির্মাণ করা হবে।

ইসরাইলি সংবাদপত্র দ্য জেরুজালেম পোস্ট বলছে, ইয়ার ল্যাপিডের সাবেক সরকারের সময় অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রধান অর্থনীতিবিদ শিরা গ্রিনবার্গ এই পরিকল্পনাটি তৈরি করেছিলেন।

ট্রাকগুলো এই বাণিজ্য করিডোরের মাধ্যমে পণ্য পরিবহনে সক্ষম হবে, যা উল্লেখ পরিমাণ পরিবহন খরচ ও সময়কে হ্রাস করবে।

ধারণা করা হচ্ছে, এর মাধ্যমে একই ট্রাক ও একই চালকের মাধ্যমে পণ্য দুবাই থেকে হাইফা বন্দর পর্যন্ত পৌঁছে যাবে। তখন সীমান্ত ক্রসিংগুলোতে চালক কিংবা ট্রাক পরিবর্তন করতে হবে না।

ইনেট নিউজে বলা হয়েছে, পরিকল্পনাটি মার্কিন বিশেষ দূতের কাছে উপস্থাপন করা হয়েছিল।

জ্যেষ্ঠ ইসরাইলি কর্মকর্তাদের মতে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এই পরিকল্পনার বিষয়ে উৎসাহী ছিল। এই প্রকল্পে জড়িত দেশসংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব ও জর্ডানের সাথে আলোচনাও শুরু করেছিল।

এই অবকাঠামো প্রকল্পটি সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে শুরু হয়ে সৌদি আরবের মধ্য দিয়ে ইসরাইলের সমুদ্রবন্দরে গিয়ে শেষ হবে। পরে বাহরাইন ও ওমান পর্যন্তও সেটা বিস্তৃত হতে পারবে।

ইনেট নিউজ বলছে, ইসরাইল ও সৌদি আরব আনুষ্ঠানিক সম্পর্ক স্থাপনের আগেই পরিকল্পনাটি অগ্রসর হবে বলে আশা করা হচ্ছে। কারণ সকল পক্ষই সুদূর প্রাচ্য ও ইউরোপের মধ্যে ব্যবধান কমিয়ে ট্রানজিট সময় ও শিপিং খরচ বাঁচাতে পারবে।

পরিকল্পনার জন্য সকল দেশকে ট্রাকগুলোর মানকরণে একমত হতে হবে। যেন তারা সকল দেশের মধ্যে চলাচল করতে পারে এবং রুটে নির্বিঘ্নে ও বিলম্ব ছাড়াই যাতায়াতের জন্য অনুমোদিত ড্রাইভারদের ড্রাইভার লাইসেন্সে সম্মত হতে পারে।

ইসরাইলের সংবাদপত্রের মতে, এই প্রকল্পটি পরিবহন, অবকাঠামো ও তথ্যের ক্ষেত্রে ইসরাইল এবং আঞ্চলিক দেশগুলোর মধ্যে সংযোগ বাড়াবে।

প্রকল্পের সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, আব্রাহাম অ্যাকর্ডস ও এই অঞ্চলে শান্তি প্রচারে মার্কিন প্রতিশ্রুতির স্বাক্ষরের জন্য প্রকল্পটি সম্ভব হয়েছে।

সূত্র : মিডল ইস্ট মনিটর

পাকিস্তানি আলেমের সাথে মিলিয়ে নিজ সন্তানের নাম রাখলেন ভারতীয় অভিনেত্রী সানা খান

ইসলামী জীবনযাপনের জন্য বলিউডকে বিদায় জানানো সাবেক ভারতীয় অভিনেত্রী সানা খান পুত্র সন্তানের মা হয়েছেন। এই অভিনেত্রী সদ্যভূমিষ্ট নিজ সন্তানের নাম রেখেছেন ‘সাইয়েদ তারিক জামিল’।

রোববার (৯ জুলাই) পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম জিও নিউজ বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

তারিক জামিল পাকিস্তানের শ্রদ্ধেয় একজন আলেমের নাম। যিনি বিশ্বব্যাপী ‘মাওলানা তারিক জামিল’ নামে প্রসিদ্ধ। ধারণা করা হচ্ছে- তার নামের সাথে মিলিয়েই সন্তানের এই নাম রেখেছেন সানা খান।

নবজাতক সন্তানের নাম রাখার বিষয়ে সাবেক অভিনেত্রী বলেন, ব্যক্তির ওপর নামের বিরাট প্রভাব। তাই আমরা আমাদের সন্তানের জন্য এমন একটি নাম চাইছিলাম, যা দ্বীনদারী, তাকওয়া, সহনশীলতা, ভদ্রতা ও সততার প্রতীক।

সানা খান আরো বলেন, আমি এখনো বিশ্বাস করতে পারছি না যে আমার সন্তান এসেছে। মা হওয়া পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর অনুভূতি। আমার কাছে এখনো মনে হচ্ছে- আমি অন্য কারো সন্তান কোলে নিয়েছি। বাবা-মা হওয়া পৃথিবীর সবচেয়ে বড় দায়িত্ব।

সানা খান ২০২০ সালের নভেম্বরে শোবিজ অঙ্গন ত্যাগ করে ইসলামী জীবনযাপন বেছে নেন। তিনি মুফতি আনাস সাইয়েদ নামে ভারতীয় এক আলেমের সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তাদের ঘর আলোকিত করেই ‘সাইয়েদ তারিক জামিল’র আগমন।

ভারতে পা চাটতে বাধ্য করা হলো দলিত যুবককে

ভারতের সোনভদ্র জেলার একটি গ্রামে এক দলিত যুবককে পা চাটতে বাধ্য করেছেন স্থানীয় এক লাইনম্যান। এ ঘটনায় অভিযুক্ত লাইনম্যানকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৬ জুলাই) উত্তরপ্রদেশের ওই গ্রামে এ ঘটনা ঘটে বলে সংবাদ প্রকাশ করেছে পাকিস্তানভিত্তিক সিয়াসত ডেইলি।

ঘটনাটির একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে দেখা যায়, এক দলিত যুবক তার আত্মীয়ের বাড়িতে বৈদ্যুতিক তার পরীক্ষা করার চেষ্টা করছিলেন। এ সময় সেখানে গিয়ে পৌঁছান লাইনম্যান। এরপর তাকে শাস্তি স্বরূপ পায়ের জুতা চাটতে ও স্কোয়াট করতে বাধ্য করা হয়েছে।

এ ঘটনা নেট দুনিয়ায় ভাইরাল হওয়ার পর ওই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে এফআইআর করা হয়েছিল। এরপর তাকে গ্রেফতার করা হয়।

স্থানীয় পুলিশের এক মুখপাত্র বলেছেন, অভিযুক্ত তেজবালি সিং প্যাটেলকে ধারা ৩২৩ (স্বেচ্ছায় আঘাত করা), ৫০৪ (শান্তি ভঙ্গের উদ্দেশে ইচ্ছাকৃত অবমাননা) ও ৫০৬ (অপরাধমূলক ভয় দেখানো)-এর অধীনে মামলা করা হয়েছে। অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে এসসি/এসটি আইনও নেয়া হয়েছিল।

সূত্র : সিয়াসত ডেইলি

আসুন আমরা সবাই উঠে দাঁড়াই : মির্জা ফখরুল

সরকারকে বিদায় দিয়ে জনগণের নতুন সরকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে জানিয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আসুন আমরা সবাই উঠে দাঁড়াই।

রোববার (৯ জুলাই) বিকেলে সিলেট শহরের সরকারি আলিয়া মাদরাসার মাঠে ছাত্রদল, যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দল আয়োজিত তারুণ্যের সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে ভোটাধিকার প্রয়োগ, ভোটাধিকার পুনরুদ্ধার ও শিক্ষা উপকরণের দাম কমানোসহ বিভিন্ন দাবিতে এই সমাবেশ হয়। বিকেল সোয়া ৪টায় কুরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে শুরু হয় সমাবেশ। সমাবেশে নতুন ভোটার ও তরুণদের উদ্দেশে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

পূর্ব নির্ধারিত এই সমাবেশ উপলক্ষে সকাল থেকেই সিলেট শহরে জড়ো হন দলটির নেতাকর্মীরা। সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার এবং সিলেট জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে আসা যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা সিলেট শহরের বিভিন্ন অলিগলিতে অবস্থান নিয়ে দুপুরের মধ্যেই আলিয়া মাদরাসার মাঠে জড়ো হন। তারা বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিসহ বিভিন্ন স্লোগান দেন। সমাবেশ স্থলের চারপাশে অসংখ্য ব্যানার পোস্টার ও ফেস্টুন টাঙানো হয়।

জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এস এম এ জিলানীর সভাপতিত্বে ও যুবদলের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম মিল্টন, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক রাজীব আহসান ও ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক সাইফ মাহমুদ জুয়েলের পরিচালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন যুবদলের সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, সিলেট বিভাগীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. সাখাওয়াত হোসেন জীবন, যুবদলের জাকির হোসেন সিদ্দিকী, স্বেচ্ছাসেবক দলের ফখরুল ইসলাম রবিন, ছাত্রদল সভাপতি কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবণ, ছাত্রদলের রাকিবুল ইসলাম রাকিব, সিলেট মহানগর বিএনপির সভাপতি নাসিম হোসেন, সিলেট জেলা বিএনপি সভাপতি মোহাম্মদ কাইয়ুম চৌধুরী, বিএনপির নিখোঁজ নেতা ও সিলেট বিভাগীয় সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এম ইলিয়াস আলীর সহধর্মিণী তাহসিনা রুশদীর লুনা, নতুন ভোটার সাবিয়া জামান আরিফা, সাদিয়া কাওসার রুহি, বিগত আন্দোলনে পঙ্গুত্ববরণকারী খালেদুর রহমান খালেদ, গুম হওয়া ইফতেকার আহমেদ দিনারের বোন তাহসিন শারমিন তামান্না।

কবিতা আবৃত্তি করেন শিক্ষার্থী সায়েমা আহমেদ অসীম, মৌলভীবাজার জেলা ছাত্রদলের এম এ চৌধুরী শাহান, শিক্ষার্থী আরিফ উল্লাহসহ কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতাকর্মীরা।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, আজকে বাংলাদেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, ভোটাধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে নেতৃত্ব দিচ্ছেন আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান দেশনায়ক তারেক রহমান। তার বাবা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন। তিনিই নেতৃত্ব দিয়ে সিলেটকে শত্রুমুক্ত ও স্বাধীন করেছিলেন।

তিনি বলেন, তারুণ্যের সমাবেশের মাধ্যমে বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে। এর মাধ্যমে দেশের ভাগ্য পরিবর্তন করতে তরুণরা এগিয়ে আসছেন।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, জনগণরে দাবি আদায়ে আমাদের কথা বলার অধিকার ১৪ বছর ধরে বাধা দিয়ে আসছেন। আমরা এক কঠিন সময় ও সঙ্কটের মধ্যে উপনীত হয়েছি। বাংলাদেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব ও অস্তিত্ব থাকবে কি না তা কয়েক মাসের মধ্যে নির্ধারণ হবে।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ বলছে তারা সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন করবে। কিন্তু কোন সংবিধান? যেটা তারা নিজেদের মতো কাটা ছেঁড়া করেছে সেই সংবিধান? আমরা বলেছি নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কথা। যেটা ১৯৯৬ সালে নির্ধারণ হয়েছিল। আজকে কেউ ভোট দিতে পারেনি। তরুণরা ভোট দিতে পারেনি। এই কথা বলতে গিয়ে অনেককে মেরে পঙ্গু করা হয়েছে। আমাদের সিলেটের নেতা এম ইলিয়াস আলীকে গুম করা হয়েছে।

মির্জা ফখরুল বলেন, ১৯৭১ সালে যুদ্ধ করেছিলাম একটি গণতান্ত্রিক সমাজ ও রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করার জন্য। নিজদের স্বাধীন মত প্রকাশের জন্য। যেখানে কোনো বৈষম্য থাকবে না। কিন্তু আজকে ভিন্নভাবে শেখ হাসিনা বাকশাল কায়েম করেছে। বেআইনিভাবে ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য নির্বাচনকে ব্যবহার করে। আর তারাই বলে দেশে নাকি সুষ্ঠু নির্বাচন তারাই করে। প্রকৃতপক্ষে আওয়ামী লীগের অধীনে কোনো সুষ্ঠু নির্বাচন হয় না। তারা মনে করে দেশটা তাদের পৈত্রিক সম্পত্তি। তাদের তালুকদারী। দেশের নির্বাচন ব্যবস্থা আওয়ামী লীগ ইচ্ছাকৃতভাবে ধ্বংস করেছে।

তিনি আরো বলেন, আজকে এই সরকার বাংলাদেশ ও জনগণের অনেক কিছু ক্ষতি করেছে। এরা বিদ্যুৎ খাতকে লুটেরা মডেল বানিয়েছে। যা সরকারের রিপোর্টে বলা হয়েছে। অথচ সরকার বলে বাংলাদেশ নাকি উন্নয়নের রোল মডেল। ১০ হাজার কোটি টাকার পদ্মা সেতুর ব্যয় এখন কতো? আর দেশের কৃষক তার ফসলের দাম পায় না। মানুষ বাজারে গিয়ে নিতনিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কিনতে পারে না। এককথায় শিক্ষা, স্বাস্থ্য প্রায় সব খাতে দলীয় করণ করেছে।

মির্জা ফখরুল বলেন, গত দু’টি নির্বাচনে জনগণের সাথে প্রতারণা করা হয়েছে। সেজন্যই আমরা আবারো নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবি তুলে ধরেছি। যদিও আওয়ামী লীগ নিজেরা এই দাবিতে আন্দোলন করেছিল। আজকে এই সরকার ঘরে ঘরে চাকরি দেয়ার কথা বলেছিল, কিন্তু দেয়নি। ৪ কোটি যুবক এখন বেকার। এমতাবস্থায় তরুণদেরকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে দেশ বাঁচাতে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করতে ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত এবং তারেক রহমানকে দেশে ফিরিয়ে আনতে হবে। এজন্য সরকারকে বিদায় করা ছাড়া কোনো পথ নেই। সরকারকে পদত্যাগ করে নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে হবে। তা না হলে ফয়সালা হবে রাজপথে।

তিনি বলেন, আগামী ১২ জুলাই ঢাকার সমাবেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার আন্দোলনের নতুন কর্মসূচি ঘোষণা আসবে। যার মধ্য দিয়ে দেশের সব মানুষকে জাগ্রত করে এই সরকারকে বিদায় দিয়ে জনগণের নতুন সরকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। আসুন আমরা সবাই উঠে দাঁড়াই।

তিনি বলেন, আগামী ১২ জুলাই ঢাকার সমাবেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার আন্দোলনের নতুন কর্মসূচি ঘোষণা আসবে। যার মধ্য দিয়ে দেশের সব মানুষকে জাগ্রত করে এই সরকারকে বিদায় দিয়ে জনগণের নতুন সরকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। আসুন আমরা সবাই উঠে দাঁড়াই।

যুবদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, বর্তমান সরকার অবৈধ এবং ক্ষমতায় থাকার তাদের কোনো অধিকার নেই। এই সরকারের আমলে কেউ ভোট দিতে পারেনি। শেখ হাসিনা ভোট চোর। সমাবেশে বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি, তারেক রহমানের দেশে প্রত্যাবর্তন না হওয়া ও সরকারের পতন না হওয়া পর্যন্ত কেউ ঘরে ফিরবো না মর্মে উপস্থিত সব নেতাকর্মীকে শপথবাক্য পাঠ করিয়ে টুকু বলেন, আমরা অধিকার আদায় না হওয়া পর্যন্ত ঘরে ফিরে যাব না। এ সময় বেগম খালেদা জিয়াসহ সকল কারাবন্দী নেতাকর্মীর মুক্তি দাবি করেন তিনি।

বোলারদের দাপটে অ্যাশেজে ইংল্যান্ডের প্রথম জয় 

অবশেষে কাজে দিলো বাজবল তত্ত্ব। নতি স্বীকার করলো অস্ট্রেলিয়া, হলো পরাস্ত। চেষ্টা করেছিলো সফরকারীরা, চেপেও ধরেছিল বেশ শক্তপোক্তভাবেই। তাতে উত্তেজনা ছড়ালো বটে, লড়াই চললো সেয়ানে; কঠিন হলো সমীকরণ। তবে শেষ রক্ষা হলো না। হেডংলি টেস্টে বিজয়ী ইংলিশরাই, অ্যাশেজে পেল প্রথম জয়ের দেখা।

২৫১ রানের লক্ষ্য টপকাতে তৃতীয় দিন শেষ করেছিল ইংল্যান্ড কোনো উইকেট না হারিয়েই ২৭ রান নিয়ে। জয় থেকে মাত্র ২২৪ রানে পিছিয়ে ছিল তারা, হাতে উইকেট ছিল সবগুলোই। ফলে জয়ের সুবাস মেখেই আজ চতুর্থ দিন শুরু করে ইংলিশরা। সিরিজে টিকে থাকতে জয়টা খুব বেশি প্রয়োজন ছিল তাদের জন্য।

তবে দলটা যখন অস্ট্রেলিয়া, হারার আগে হেরে যাবে ভাবাই যায় না। লড়ে গেলো চোখে চোখ রেখে, একটা সময় তো মনে হচ্ছিলো এই বুঝি ম্যাচ ইংল্যান্ডের থেকে গেল ফসকে! স্টার্কের দাপটে ১৭১ রানেই ৬ উইকেট তুলে নিয়েছিলো ক্যাঙ্গারুরা। হাতে ৪ উইকেট থাকলেও তখনো লক্ষ্য থেকে ৮০ রান দূরে ছিল থ্রি লায়ন্সরা। ফলে বেড়ে যায় উত্তেজনা, কী হয় কী হয় অনিশ্চয়তা!

তবে সব অনিশ্চয়তা দূর করে দেন হ্যারি ব্রুক, বলতে হবে ক্রিস ওকসের নামটাও। দু’জনের ভয়ডরহীন ৫৯ রানের জুটিতে কেটে যায় শঙ্কা। যদিও দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়তে পারেননি ব্রুক, ফেরেন ৯৩ বলে ৭৫ রান করে। তবে ৩২ রানে অপরাজিত থেকে জয় নিশ্চিত করেই মাঠ ছাড়েন ওকস।

আগের দিন কোনো উইকেট নিতে না পারলেও রোববার দিনের শুরুতেই অবশ্য চোখ রাঙায় অস্ট্রেলিয়া। পাঁচ ওভারেই ভেঙে দেয় উদ্বোধনী জুটি। বেন ডাকেটকে পকেটে পোরেন স্টার্ক। তার ব্যাটে আসে ৩১ বলে ২২ রান। মইন আলীকেও দ্রুত ফেরান এই পেসার, ৫ রানের মাথায় ভেঙে দেন স্ট্যাম্প।

আরেক ওপেনার জ্যাক ক্রাওলি ফেরেন ২৩ রান করে। ৯৩ রানে ৩ উইকেট হারায় ইংল্যান্ড। জো রুট ইনিংস বড় করতে পারেননি, ২১ রান করে কামিন্সের শিকার তিনি। খানিকটা প্রতিরোধ গড়ে তোলার চেষ্টা চালায় ব্রুক-স্টোকস জুটি। আবারো বাধা হয়ে দাঁড়ান স্টার্ক। স্টোকসের পর বেয়ারেস্টোকেও ফেরান তিনি। ১৭১ রানে ৬ উইকেট হারায় ইংল্যান্ড।

পরের গল্পটা ব্রুক-ওকস জুটির। যদিও এই জুটিও ভেঙে দেন স্টার্ক। তবে ততক্ষণে জয়ের নেশায় ইংল্যান্ড যেন ক্ষুধার্ত বাঘ। ব্রুককে ফিরিয়ে ৫ উইকেট পূরণ করেন এই অজি পেসার। বাকি পথটা মার্ক উডকে সাথে নিয়ে অল্প সময়েই পাড়ি দেন ওকস। ১৫ বলে ২৪ রানের জুটি গড়ে নিশ্চিত করেন জয়।

তথ্য ফাঁস ইসির সার্ভার থেকে হয়নি : এনআইডি ডিজি

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সার্ভার থেকে কোনো তথ্য ফাঁস হয়নি জানিয়ে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) নিবন্ধন অনুবিভাগের মহাপরিচালক এ কে এম হুমায়ুন কবীর বলেছেন, ‘আমাদের সার্ভার সুরক্ষিত আছে।’

তবে তিনি বলেন, ‘১৭১টি পার্টনারের সহযোগিতায় আমরা কাজ করি। তাদের মাধ্যমে তথ্য ফাঁস হচ্ছে কি না খতিয়ে দেখবো। কারো মাধ্যমে যদি তথ্য ফাঁস হওয়ার প্রমাণ পাই তবে তার কাছ থেকে সার্ভিস বন্ধ করে দেবো।’

নাগরিকদের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ফাঁস নিয়ে রোববার (৯ জুলাই) রাজধানীর আগারগাঁও নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।

এনআইডি ডিজি বলেন, ‘এনআইডি সার্ভার কোনো থ্রেটের মধ্যে নেই। ওয়েবসাইটের সাথে এনআইডির কোনো সম্পর্ক নেই। এনআইডি একটা পৃথক সাইট। ১৭১টি প্রতিষ্ঠান আলাদা আলাদাভাবে কানেকটেড। এনআইডি সার্ভার থেকে কোটি কোটি ডাটা নেয়ার কোনো সুযোগ নেই। আমাদের এনআইডি সার্ভারের সাথে অন্য কোনো সার্ভারের সরাসরি কোনো সম্পৃক্ততা নেই।’

এক প্রশ্নের জবাবে মহাপরিচালক বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ হাতে পেলে সেই অনুযায়ী কাজ করব। হাইকোর্টের নির্দেশনা আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়নি। আমরা আমাদের সাইটে অ্যাবনরমাল হিট পাইনি। আমাদের সার্ভার পাবলিক প্রপার্টি নয়, এটা নির্বাচন কমিশনের নিজস্ব সম্পদ। এখানে কেউ চাইলেই কিছু লিখতে বা নিতে পারে না।’

তিনি আরো বলেন, ‘এনআইডি সিকিউরিটি নিশ্চিত করতে আমরা কাজ করছি। নিয়মিত মনিটরিং করি কী পরিমাণ হিট আসছে। ১৭১টা পার্টনার সার্ভিস নিরাপদভাবে কাজ করছে। গতকাল নিউজ দেখার পর কাজ শুরু করেছি। এখানে একটা সাইট দুর্বল পাওয়া গেছে। তবে মাথাব্যথা হলে মাথা কাটবো না। এর সমাধান করবো, যাতে করে নাগরিক সেবা ঝুঁকিপূর্ণ না হয়।’

সংবাদ সম্মেলনে সিস্টেম ম্যানেজার মুহাম্মদ আশরাফ হোসেন বলেন, ‘এনআইডির সার্ভার হ্যাক হয়নি। সেবা নেয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর সার্ভার হ্যাক হতে পারে। এনআইডি সার্ভারে কোনো থ্রেট নেই।’