Home Blog Page 603

মেন্দি এন সাফাদির সাথে আমার কোনো বৈঠক হয়নি : নুর

গণঅধিকার পরিষদের সদস্য সচিব ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর বলেছেন, ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের এজেন্ট মেন্দি এন সাফাদির সাথে আমার কোনো বৈঠক হয়নি।

বৃহস্পতিবার (৬ জুলাই) জাতীয় প্রেসক্লাবে জাতীয়তাবাদী নবীন দলের আলোচনা সভা শেষে বের হওয়ার সময় উপস্থিত সাংবাদিকরা প্রশ্ন করলে এসব কথা বলেন তিনি৷

নূর এক প্রশ্নে জবাবে বলেন, আগামী ১০ জুলাই কাউন্সিলের মধ্য দিয়ে গণঅধিকার পরিষদের নবজাগরণ ঘটবে। সেই কাউন্সিলের মাধ্যমে গণ অধিকার পরিষদের নেতৃত্ব আসবে। এখানে যারা আসবে না, যারা বেঈমানি-মীর জাফরী করবে তারা ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে হারিয়ে যাবে। কাউকে বহিষ্কার করলে তার খবর মিডিয়াতে আসবে। সে ভাইরাল হবে। এটা আমরা কেউ চাই না।

ডাকসুর সাবেক ভিপি বলেন, নির্বাচনকে সামনে রেখে সরকারের গোয়েন্দা সংস্থা নানা ধরনের খেলা খেলছে। বিভিন্ন দলকে ভাঙতে সেসব দলের দলছুট-পদবঞ্চিত নেতাদের কুরবানির পশুর মতো টাকা দিয়ে কিনছে নির্বাচনে নেয়ার জন্য বা সরকারের পক্ষে কাজ করার জন্য। গণঅধিকার পরিষদের একটি বড় কেন্দ্রীয় কার্যালয় আছে। আমরা সমস্ত সংবাদ সম্মেলন সেখানে করেছি। এখন পর্যন্ত আমরা কোনো সংবাদ সম্মেলন প্রেসক্লাবে করিনি। যারা কার্যালয়ে যেতে পারে না, নেতাকর্মীদের সাথে সংশ্লিষ্টতা নেই, তারাই গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মী দাবি করে প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছে। সংবাদ সম্মেলনে তারা কী বলেছে সেটা আমাদের কাছে মুখ্য বিষয় নয়।

তিনি আরো বলেন, শুরু থেকে আমরা একটি নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় গঠনতন্ত্র অনুসরণ করে দুই-তৃতীয়াংশের সমর্থনে প্রথমে দলের আহ্বায়ককে অপসারণের চিঠি দিয়েছি, সাত দিনের ব্যাখ্যার সময় দিয়েছি, তারপর অপসারণ করেছি। আগামী ১০ জুলাই গণঅধিকার পরিষদের কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এখন কিছু লোকজন বুঝতে পেরেছে, তারা সুবিধা করতে পারবে না। তারা ষড়যন্ত্র করে অপতৎপরতা চালিয়ে নেতাকর্মীদের কাছে প্রত্যাখ্যাত হয়েছে। গণঅধিকার পরিষদে তাদের ভবিষ্যৎ নেই। তাই তারা গোয়েন্দা সংস্থার সাথে হাত মিলিয়ে টাকা-পয়সা নিয়ে গণঅধিকার পরিষদকে ভাঙার জন্য কাজ করছে। এটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত! এদের পেছনে গোয়েন্দা সংস্থা আছে।

গণঅধিকার পরিষদের ভেতরে দু’পক্ষ হওয়ার কারণ কী জানতে চাইলে তিনি বলেন, এখানে অনেকে আছে যারা বিভিন্ন অপকর্মের কারণে দলে কোণঠাসা। তারা অনেকদিন ধরে বিভিন্ন ছোট ছোট দলের সাথে মিলে আরেকটি দল করা, অন্য দলে যোগ দেয়ার মতো কাজ করছে। সরকার যেহেতু বুঝতে পেরেছে, গণঅধিকার পরিষদ একটি তারুণ্যের শক্তি, তরুণদের দল, আগামীর আন্দোলনের একটি শক্তি হবে। কাজেই এদের বিভ্রান্ত করা, চরিত্র হরণ করা, ভাগ করার ফাঁদ পেতেছে। কিছু নেতাকর্মী সরকারের সেই ফাঁদে পা দিচ্ছে।

দেশের গণমাধ্যমের চেয়ে বড় কোনো গোয়েন্দা সংস্থা দেখি না এমন মন্তব্য করে ভিপি নুর বলেন, সাংবাদিকদের কাছে আমার আহ্বান আপনারাই এ বিষয়ে তদন্ত করেন। আপনারাই ভালো জানেন।

বিশ্বকাপের আগে তামিমের অবসর বাংলাদেশের জন্য বড় ধাক্কা : আইসিসি

আগামী অক্টোবরে ভারতের মাটিতে পর্দা উঠবে ওয়ানডে বিশ্বকাপের ১৩তম আসরের। তার আগে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে বাংলাদেশের নিয়মিত অধিনায়ক তামিম ইকবালের অবসর জাতীয় দলের জন্য বড়সড় ধাক্কা বলে মনে করছে ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)।

সংস্থাটির ওয়েবসাইটে এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতের মাটিতে আইসিসি ওয়ানডে বিশ্বকাপের মাত্র তিন মাস আগে ১৬ বছরের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ইতি টানলেন তামিম।

আফগানিস্তানের বিপক্ষে চলমান তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে বাংলাদেশের হারের এক দিন পর চট্টগ্রামে এক সংবাদ সম্মেলনে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা দেন তামিম।

কান্নাজড়িত কণ্ঠে সংবাদমাধ্যমকে তামিম বলেন, ‘আমার জন্য এটাই শেষ। আমি আমার সেরাটা দিয়েছি। আমি আমার সেরাটা দেয়ার চেষ্টা করেছি। এই মুহূর্তে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নিচ্ছি আমি।’

সতীর্থ ও কোচিং স্টাফদের ধন্যবাদ জানিয়ে তামিম আরো বলেন, ‘আমি আমার সকল সতীর্থ, কোচ, বিসিবি কর্মকর্তা, আমার পরিবারের সদস্য এবং যারা আমার দীর্ঘ যাত্রায় সাথে ছিলেন তাদের ধন্যবাদ জানাতে চাই। আমার প্রতি আস্থা রেখেছেন তারা।’

ভক্তদের ধন্যবাদ জানিয়ে তামিম বলেন, ‘আমি ভক্তদেরও ধন্যবাদ জানাতে চাই। আমার প্রতি আপনাদের ভালোবাসা এবং বিশ্বাস আমাকে বাংলাদেশের জন্য সেরাটা দিতে অনুপ্রাণিত করেছে। আমি আমার জীবনের পরবর্তী অধ্যায়ের জন্য আপনাদের দোয়া চাই। অনুগ্রহ করে আপনাদের প্রার্থনায় রাখুন।’

২০০৭ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হয় তামিমের। দেশের হয়ে ৭০টি টেস্ট, ২৪১টি ওয়ানডে এবং ৭৮টি টি-টোয়েন্টি খেলেছেন তিনি। ২৫টি সেঞ্চুরি এবং ৯৪টি হাফ সেঞ্চুরিতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ১৫ হাজারের বেশি রান করেছেন এই বাঁ-হাতি ওপেনার।

গত বছর টি-টোয়েন্টি থেকে অবসর নেন ৩৪ বছর বয়সী তামিম। গত এপ্রিলে মিরপুরে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে সর্বশেষ টেস্ট খেলেন তিনি।

এখনো ওয়ানডেতে তামিমের উত্তরসূরি ঘোষণা করেনি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।

সূত্র : বাসস

সরকারের পদত্যাগের ঘোষণা ছাড়া সংলাপের প্রশ্নই আসে না : মির্জা ফখরুল

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সরকারের সরকারের পদত্যাগের ঘোষণা ছাড়া সংলাপের প্রশ্নই আসে না। তিনি আবারো নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবি জানিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (৬ জুলাই) বিকেল বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে ১২ দলীয় জোটের সাথে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘একটা তত্ত্বাবধায়ক বা নিরপেক্ষ যাই বলুক না কেন- নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে হবে। তার আগে এই সরকারকে পদত্যাগ করতে হবে। এই ঘোষণা সরকারকে সবার আগে দিতে হবে। এবং পদত্যাগ করে নির্বাচন দিতে হবে। এ ছাড়া সংলাপের কোনো প্রশ্ন আসে না।’

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘জনগণের অধিকার, কথা বলার বাকস্বাধীনতা- এগুলো পুনরুদ্ধার করার জন্য আমরা আন্দোলন করছি। বর্তমান অবৈধ সরকারের ক্ষমতা আসার পর থেকেই অত্যন্ত সচেতনভাবে বাংলাদেশের সকল অর্জনগুলোকে ধ্বংস করে দিয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘ইতোমধ্যে আমাদের আন্দোলন একটা চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে। এই বছরটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কারণ এই আওয়ামী লীগ সরকার এই বছরেই একটি পাতানো নির্বাচন করার জন্য এগিয়ে যাচ্ছে। পাতানো নির্বাচন এ দেশের মানুষ কখনো গ্রহণ করবে না। আমরা পরিষ্কারভাবে বলে দিতে চাই, এই অবৈধ আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না। এদেশে মানুষ মেনে নেবে না। আমাদের পক্ষ থেকে দাবি উত্থাপন হয়েছে, পরিষ্কারভাবে বলেছি, এই সরকারকে পদত্যাগ করে নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে হবে।’

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আওয়ামী লীগ নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন করে যদি আবারো ক্ষমতায় আসে তাহলে আমরা তাদেরকে স্বাগত জানাবো।’

মিজা ফখরুল বলেন, ‘আগামী নির্বাচনে একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন। এই নির্বাচনের উপর নির্ভর করবে জাতির অস্তিত্ব থাকবে কি থাকবে না। জাতির স্বাধীনতা থাকবে কি থাকবে না। জাতি একটি কল্যাণকর রাষ্ট্র তৈরি করতে পারবে কি পারবে না। সেজন্য আমরা বলেছি, নির্বাচনটা অবশ্যই নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে হতে হবে। সরকারকে পদত্যাগ করতে হবে।’

বৈঠকে বিএনপির পক্ষ থেকে আরো উপস্থিত ছিলেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য বেগম সেলিমা রহমান ও ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল আউয়াল মিন্টু।

১২ দলের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দার, কল্যাণ পার্টির সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম বীর প্রতীক, জাতীয় দলের চেয়ারম্যান সৈয়দ এহসানুল হুদা, এলডিপির মহাসচিব শাহাদাত হোসেন সেলিম, জমিয়তে ওলামায় ইসলাম মহাসচিব মুফতি গোলাম মুহিউদ্দিন ইকরাম, ন্যাপ ভাসানী চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আজহারুল ইসলাম, জাগপার সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট রাশেদ প্রধান, ইসলামী ঐক্যজোট মহাসচিব আবদুল করিম, বাংলাদেশ জাস্টিস পার্টি সভাপতি ড. সৈয়দ জাভেদ মোহাম্মাদ সালেহ উদ্দিন, বাংলাদেশ মুসলিম লীগ (বিএমএল) মহাসচিব মো: নজরুল ইসলাম, বাংলাদেশ ইসলামিক পার্টি মহাসচিব অ্যাড. আবুল কাশেম, জাতীয় পার্টির মহাসচিব আহসান হাবিব লিংকন।

কেবলমাত্র আ’লীগই পারে দেশে অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ নির্বাচন দিতে

আগামী দিনেও দেশের মানুষের জন্য কাজ করে যাওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতীয় সংসদে বলেছেন, কেবলমাত্র আওয়ামী লীগই পারে দেশে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন দিতে।

দেশে সাম্প্রতিক সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন এবং তার শাসনামলে অনুষ্ঠিত সংসদ উপ-নির্বাচনের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন,‘আমি দ্ব্যর্থহীনভাবে বলতে পারি কেবলমাত্র আওয়ামী লীগই এদেশে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন দিতে পারে।’

তিনি আরো বলেন,‘আমাদের লক্ষ্য জনগণের ভোটাধিকার রক্ষা এবং জনগণের অর্থনৈতিক মুক্তি অর্জন। আমরা কাজ করে যাচ্ছি এবং এটি চালিয়ে যাব।’

বৃহস্পতিবার (৬ জুলাই) বর্তমান একাদশ জাতীয় সংসদের ২৩তম অধিবেশনের (২০২৩-২৪ অর্থবছরের বাজেট অধিবেশন) সমাপনী ভাষণে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

সংসদ নেতা শেখ হাসিনা বলেন, বরিশাল, রাজশাহী, খুলনা, সিলেট ও গাজীপুরের সাম্প্রতিক সিটি নির্বাচন নিয়ে কেউ একটি প্রশ্নও তুলতে পারেনি। অতীতে বাংলাদেশে এত শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন হয়েছে কিনা প্রশ্ন করেন তিনি।

সংসদের বিভিন্ন উপ-নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রতিটি উপনির্বাচন সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

৩১ মে শুরু হওয়া অধিবেশন ২২ কার্য দিবস শেষে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী রাষ্ট্রপতির সমাপ্তির আদেশ পাঠ করেন।

সূত্র : বাসস

মস্কোর কাছে ২টি ড্রোন ভূপাতিত করেছে রাশিয়া

রাশিয়ার বিমান প্রতিরক্ষা বাহিনী মঙ্গলবার মস্কো অঞ্চলে দু’টি ড্রোন ভূপাতিত করেছে।

রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, এতে হতাহতের কোনো ঘটনা ঘটেনি।

জরুরি পরিষেবাগুলো সংবাদ সংস্থা তাস’কে জানায়, নিউ মস্কো অঞ্চলে ‘ইলেকট্রনিক যুদ্ধ সরঞ্জামের মাধ্যমে দু’টি ড্রোনকে ভূপাতিত করা হয়েছে।’

তাস আরো জানায়, রাজধানী থেকে প্রায় ১৯০ কিলোমিটার দূরে কালুগা অঞ্চলে তৃতীয় একটি ড্রোনকে ‘গুলি করে নামানো হয়েছে।’

তাস বলেছে ‘প্রাথমিক প্রতিবেদন’ অনুসারে, তিনটি ড্রোন মস্কোর দিকে যাচ্ছিল।

সংস্থাটি অজ্ঞাত সূত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেছে, তিনটি ড্রোনই ফিক্সড উইং। এতে আরো বলা হয়, কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

জরুরি পরিষেবার উদ্ধৃতি দিয়ে রাষ্ট্র নিয়ন্ত্রিত সংস্থা আরআইএ নভোস্তিও জানিয়েছে, নিউ মস্কোর ভ্যালুয়েভো গ্রামের কাছে দু’টি ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে। ড্রোনগুলো একটি ‘খোলা মাঠে’ পড়েছিল এবং এতে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

প্রতিবেদনে ড্রোনের উড্ডয়ন স্থলের নাম উল্লেখ করা হয়নি।

২০ বছরের মধ্যে পশ্চিমতীরে সবচেয়ে বড় সামরিক অভিযান ইসরাইলের

ইসরাইলি বাহিনী ২০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে বড় সামরিক অভিযান শুরু করেছে অধিকৃত পশ্চিম তীরের জেনিনে। ইতোমধ্যেই এই অভিযানে অন্তত আটজন নিহত এবং শতাধিক ফিলিস্তিনি আহত হয়েছে বলে ফিলিস্তিনি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। এছাড়া রামাল্লার কাছে আরেকজন নিহত হয়েছে।

ইসরাইল ডিফেন্স ফোর্সেস (আইডিএফ) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ‘সন্ত্রাসীদের অবকাঠামোয়’ আঘাত হানতে জেনিন ও জেনিন ক্যাম্প এলাকায় ব্যাপক অভিযান চলছে।

আইডিএফ প্রায় ১০ বার ড্রোন দিয়ে হামলা চালিয়েছে। এছাড়া শত শত সৈন্য এতে অংশ নিচ্ছে। ইসরাইলিদের ভাষায় তাদের হামলার টার্গেট হলো ‘কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল’ সেন্ট্রার।

ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, জেনিনের ‘সন্ত্রাসী শিবিরে’ সামরিক অভিযান চলছে।

বাসিন্দারা সিএনএনকে বলেছেন, বিস্ফোরণ ও গুলির শব্দ শোনা যাচ্ছে। শত শত ফিলিস্তিনি পরিবার এলাকাটি থেকে পালিয়ে যাচ্ছে। জেনিনের ডেপুটি মেয়র মোহাম্মদ জারার বলেন, উদ্বাস্তু শিবিরের বাড়িঘর ও অবকাঠামো ধ্বংস করা হয়েছে, বিদ্যুৎ ও পানিসংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে।

ইসরাইলি হামলায় নিহতদের পাঁচজন কিশোর বলে জানিয়েছে ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। তবে ক্যাম্প এলাকায় ফিলিস্তিন রেড ক্রিসেন্টকে কাজ করতে দেয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন প্যালেস্টাইন রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির পরিচালক মোহাম্মদ আল-সাদি।

সূত্র : সিএনএন

মানুষ গণতন্ত্র অর্জনের জন্য সকল প্রস্তুতি নিয়ে মাঠে নামবে : রিজভী

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, এবার জনগণ অপশাসনের দিনের অবসান ঘটাবে। মানুষ গণতন্ত্র অর্জনের জন্য সকল প্রস্তুতি নিয়ে মাঠে নামবে।

তিনি বলেছেন, ওবায়দুল কাদের সাহেব যাই বলুন না কেন, অবৈধভাবে সশস্ত্র শক্তি প্রয়োগ করে আর ক্ষমতায় যাওয়া যাবে না। দেশের জনগণ এবং বিশ্ববাসীর কাছে এটা স্বীকৃত যে অবৈধ সরকার গোটা দেশ অবৈধভাবে দখল করেছে। গত ১৪ বছর ধরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হেফাজতের মৃত্যুর ঘটনা ছিল হাড়-হিম করা আতঙ্কের শিহরণ, জোরপূর্বক গুম, নারীর প্রতি সহিংসতা অতিমাত্রায় বৃদ্ধি, সাংবাদিক হত্যা, বেআইনী আটকের ও রহস্যজনক নিখোঁজের হিড়িকের মধ্য দিয়ে যেভাবে ওবায়দুল কাদের সাহেবরা দেশ চালিয়েছেন সেই প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী দেশ শাসনের অবসান ঘটাতে এবার জনগণ সর্বাত্মক প্রস্তুত আছে।

মঙ্গলবার দুপুরে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

রুহুল কবির রিজভী বলেন, দেশটা আওয়ামী নেতাদের বাপ-দাদার জমিদারী নয়। এরা আক্রমণাত্মক ভাষায় শিষ্টাচার ও বিনয়কে বিদায় দিয়েছে। যখন যা ইচ্ছে সেটা করবেন এবং বলবেন সেই দিন শেষ হয়ে আসছে। দেশের জনগণকে আওয়ামী শাসকগোষ্ঠীর কাছে কৃপাপ্রার্থী বানানোর চেষ্টার অবসান ঘটিয়ে নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই নির্বাচন হবে।

ঈদের আগে ও পরে বিভিন্ন এলাকায় বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর হামলার তথ্য তুলে ধরে রিজভী বলেন, আওয়ামী সন্ত্রাসীরা নিজ নিজ এলাকায় আধিপত্য বিস্তারের জন্য সশস্ত্র সহিংসতায় এক বিভীষিকাময় পরিবেশ তৈরি করেছে। তাদের উগ্রতা, নিমর্মতা ও হিংস্রতার এক পৈশাচিক প্রকাশে ফলশ্রুতিতে রক্তাক্ত হয়েছে এলাকার পর এলাকা। বিরোধী দলের অস্তিত্ব মুছে দেয়ার জন্য মনে হয় তারা শপথ করে মাঠে নেমেছে। সন্ত্রাসকে তারা অমোঘ অস্ত্র হিসেবে বেছে নিয়েছে ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য। বহুদলীয় গণতন্ত্র যাতে ফিরে না আসে সেই জন্য সন্ত্রাস তাদের রাষ্ট্রীয় মূলনীতি হিসেবে গ্রহণ করেছে।

তিনি বলেন, রাষ্ট্রীয় অর্থনীতিকে লুটপাট করে বিদেশে সুখে-শান্তিতে থাকার জন্য আবাসস্থল বানিয়ে চিরদিন আরাম-আয়েশে থাকার জন্য গণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠানগুলোকে ধ্বংস করে গোটা জাতিকে বন্দি করেছে। গণতন্ত্র ও মানবাধিকার এখন চরম দুর্দশাগ্রস্থ যেহেতু তাদের আগ্রহ দুর্নীতি আর টাকা পাচার সে কারণে লুটপাট ও বেপরোয়া দুর্বিনীত কর্মকাণ্ড অব্যাহত রাখতেই দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে গণতন্ত্রকামী রাজনৈতিক দল ও জনগণের ওপর আক্রমণ চালাচ্ছে। মানুষের সম্পদ ও সম্পত্তির নিরাপত্তা সম্পূর্ণরূপে আওয়ামী ক্যাডারদের ইচ্ছার উপর নির্ভর করছে। কায়েমি স্বার্থে আঘাত লেগেছে বলেই গত পরশু থেকে গতকাল পর্যন্ত কুষ্টিয়া, নড়াইল ও চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন এলাকায় বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর সশন্ত্র আক্রমণ চালিয়ে রক্ত ঝরিয়েছে। এই সরকারি মদদপৃষ্ট সন্ত্রাসীদের হাতে এখন বৈধ-অবৈধ অস্ত্রের ছড়াছড়ি।

এসময় সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবদুস সালাম আজাদ, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরাফত আলী সপু, গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক অধ্যক্ষ সেলিম ভূইয়া, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. সাইফুল ইসলাম, বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য আব্দুল কাদির ভূইয়া জুয়েল, আমিনুল ইসলাম, আব্দুস সাত্তার পাটোয়ারী, তারিকুল আলম তেনজিং প্রমুখ।

নির্বাচনে পুলিশের শতভাগ নিরপেক্ষতা না থাকলে নাকে খত দিয়ে চলে যাব

ঢাকা-১৭ আসনের উপ-নির্বাচন নিয়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার খন্দকার গোলাম ফারুক বলেছেন, এই নির্বাচনে পুলিশের শতভাগ নিরপেক্ষতা না থাকলে ডিএমপি কমিশনার হিসেবে নাকে খত দিয়ে চলে যাব।

তিনি বলেন, আমরা আইনশৃঙ্খলা দেখি। সব এলাকার জন্য সমান গুরুত্ব দেয়া হবে। আমরা বিবেচনা করব- কোথায় ঝুঁকি বেশি, কোথায় ঝুঁকি কম। সে হিসেবে ফোর্স মোতায়েন কোথাও কম-বেশি হবে। ঢাকার উপ-নির্বাচন নিয়ে কমিশন যে নির্দেশনা দিয়েছে, সুষ্ঠু ভোটে যা যা করণীয় সব ব্যবস্থা নেয়া হবে।

মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

সভায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল সভাপতিত্ব করেন। সভায় অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার ও ইসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

খন্দকার গোলাম ফারুক বলেন, ডিএমপির সক্ষমতা রয়েছে। এই ছোট একটি উপ-নির্বাচনে মোতায়েনের জন্য যথেষ্ট ফোর্স রয়েছে। ইসির চাহিদা মোতাবেক অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ নির্বাচন করতে যা যা করণীয়, সব ব্যবস্থা নেয়া হবে। ইসি যে ধরনের সুষ্ঠু, স্বচ্ছ নির্বাচন করতে চাচ্ছে, সে ধরনের সহযোগিতা পুলিশের তরফ থেকে সব সময় থাকবে।

তিনি বলেন, আমরা আইনশৃঙ্খলা দেখি। ভোট নির্ভর করে জনগণের ওপর, প্রিজাইডিং কর্মকর্তা পোলিং অফিসারের ওপরে। আমাদের কাজ হলো কেন্দ্রের পুরো আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা। যাতে ভোটারারা নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারেন। নিরপেক্ষতা প্রমাণে পুলিশের শতভাগ উদ্যোগ থাকবে।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, আমাদের নিরপেক্ষতা প্রমাণের জায়গা শতভাগ থাকবে। কারা বিশ্বাস করে না? আমি এক শ’ ভাগ গ্যারান্টি দিলাম। ১৭ জুলাইয়ের নির্বাচন দেখেন, আমাদের নিরপেক্ষতার প্রমাণ পান কি না। যদি না পান তখন বলবেন। আমি ডিএমপি কমিশনার হিসেবে নাকে খত দিয়ে চলে যাব।

ইউরোপীয় ইউনিয়ন রাষ্ট্রদূতের সাথে বৈঠকে বসেছে বিএনপি

ইউরোপীয় ইউনিয়ন রাষ্ট্রদূত চার্লস হোয়াইটলির সাথে বৈঠকে বসেছে বিএনপি। আজ মঙ্গলবার বেলা ৩টার দিকে গুলশান চেয়ারপার্সনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে বিএনপির পক্ষ থেকে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও মানবাধিকারবিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান আসাদ উপস্থিত আছেন।

ইউরোপীয় ইউনিয়ন রাষ্ট্রদূত চার্লস হোয়াইটলি ডিসিএম এর সাথে আছেন স্প্যানিয়ার বার্ন্ড ও রাজনৈতিক কর্মকর্তা সেবাস্টিয়ান।

হাজতিকে নির্যাতন : পাপিয়াকে কাশিমপুর থেকে কুমিল্লা কারাগারে স্থানান্তর

গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় মহিলা কারাগারে এ নারী হাজতিকে নির্যাতনের অভিযোগে যুব মহিলা লীগের বহিষ্কৃত নেত্রী শামীমা নূর পাপিয়াকে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগার স্থানান্তর করা হয়েছে।

সোমবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে একটি প্রিজন ভ্যানে তাকে কুমিল্লা পাঠানো হয়।

কাশিমপুর কেন্দ্রীয় মহিলা কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার (ভারপ্রাপ্ত) ওবায়দুর রহমান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, সাম্প্রতিক কিছু ঘটনার কারণে কারাগার অভ্যন্তরে শৃঙ্খলা রক্ষা ও নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনা করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে এ কারাগারে বন্দি শামীমা নুর পাপিয়াকে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে স্থানান্তর করা হয়েছে।

কারাসূত্রে জানা গেছে, প্রায় ৪০ মাস ধরে বন্দি আছেন পাপিয়া। ২৭ বছরের সাজাপ্রাপ্ত কয়েদি হিসেবে জেলবিধি অনুযায়ী পাপিয়াকে ‘রাইটার’ হিসেবে নিযুক্ত করা হয়। তিনি রুনা লায়লা নামে এক হাজতিকে সম্প্রতি নির্যাতন করে তার কাছ থেকে টাকা-পয়সা লুট করে নেন। এমন অভিযোগে রুনার ছোট ভাই জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগও করেছেন। পরে দু’টি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তার পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার বিকেলে একটি প্রিজন ভ্যানে করে পাপিয়াকে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

নির্যাতনের শিকার রুনা লায়লা গাজীপুরের কাপাসিয়া থানার কড়িহাতা গ্রামের আব্দুল হাইয়ের মেয়ে এবং মৃত একেএম মাহমুদুল হকের স্ত্রী। তিনি গত ১৬ জুন থেকে ২৭ জুন পর্যন্ত গাজীপুরের কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি ছিলেন। জামিনে মুক্তি পেয়ে বর্তমানে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।

জানা গেছে, নথি চুরির একটি মামলায় শিক্ষানবিশ আইনজীবী রুনা লায়লাকে ১৬ জুন কাশিমপুর মহিলা কারাগারে আনা হয়। কারাগারের সাধারণ ওয়ার্ডে নেয়ার পর রুনার দেহ তল্লাশি করে কর্তব্যরত মেট্রন সাত হাজার চার শ’ টাকা পান। ওই টাকা ছিনিয়ে নেয়ার জন্য পাপিয়া ও তার সহযোগী কয়েদিরা ১৯ জুন রুনার ওপর অমানবিক নির্যাতন করেন। বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি আছেন রুনা।

নির্যাতনের শিকার এই নারী অভিযোগ করেন, ‘কারগারের ভেতরে রাতে তারা লাঠি ও কম্বল চাপা দিয়ে আমাকে মারতে চেয়েছিল। পরে তারা জেলহাজতের আসামিদের দিয়ে গণপিটুনি দেয়। একপর্যায়ে আমি প্রস্রাব-পায়খানা করে দিই। পরে পাপিয়া এসে আমাকে মারতে মারতে উলঙ্গ করে দেয়। আমার প্রস্রাব-পায়খানার দুর্গন্ধ বের হলে পাপিয়া ধুপখানায় নিয়ে সকাল থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত মারধর করে। কিছুক্ষণ পর আবার কিছু জামা-কাপড় দেয়। এরপর ফাতেমা ও পাপিয়া আমার হাত-পা বেঁধে লাঠিচার্জ করে। পানি খেতে চাইলে আমাকে নর্দমার পানি খেতে দেয়। আমাকে মহিলা পুলিশও মারধর করে। মহিলা পুলিশের মুখে মুখোশ ছিল।’

শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক রফিকুল ইসলাম বলেন, রুনার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। তার প্রয়োজনীয় চিকিৎসা চলছে।