Home Blog Page 607

আইপিএলে হায়দরাবাদের রানের রেকর্ড

স্পোর্টস ডেস্কঃ ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) ১৭তম আসর চলছে। চলতি আসরের অষ্টম ম্যাচেই দলীয় সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড গড়েছে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ।
হায়দরাবাদ আজ মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের বিপক্ষে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে রীতিমতো তাণ্ডব চালাতে থাকে। ১২০ বলে ৩ উইকেট হারিয়ে তিন ফিফটির সাহায্যে ২৭৭ রানের পাহাড় গড়ে হায়দরাবাদ।
দলের হয়ে মাত্র ৩৪ বল মোকাবেলা করে ৭টি চার আর ৪টি ছক্কার সাহায্যে ৮০ রানের টর্নেডো ইনিংস খেলে অপরাজিত থাকেন দক্ষিণ আফ্রিকার তারকা ব্যাটসম্যান হেনরি ক্লেসেন।
২৩ বলে ৭টি ছক্কা আর তিনটি চারের সাহায্যে ৬৩ রান করে ফেরেন আভিষেক শর্মা। ২৪ বলে ৯টি চার আর ৩টি ছক্কার সাহায্যে ৬২ রান করে ফেরেন অস্ট্রেলিয়ান তারকা ট্রাভিস হেড। ২৮ বলে দুই চার আর এক ছক্কায় ৪২ রান করে অপরাজিত থাকেন এইডেন মার্করাম।
তার চেয়েও বড় কথা হলো চতুর্থ উইকেটে মাত্র ৫৫ বলে ১১৬ রানের জুটি গড়েন হেনরি ক্লেসন ও মার্করাম।
হেনরি ক্লেসেন (৮০), আভিষেক শর্মা (৬৩), ট্রাভিস হেড (৬২) ও এইডেন মার্করামের (৪২) ব্যাটিং তাণ্ডবে আইপিএলে নতুন রেকর্ড গড়ে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ।
আইপিএলের ইতিহাসে দলীয় সর্বোচ্চ ২৬৩ রানের রেকর্ডটি ১১ বছর স্থায়ী ছিল বিরাট কোহলিদের রয়েল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর। আজ তাদের সেই রেকর্ড ভেঙে দিল হায়দরাবাদ।
২০১৩ সালে পুনে ওয়ারিয়র্সের বিপক্ষে ক্রিস গেইলের ৬৬ বলে ১৭টি ছক্কা আর ১৩টি চারের সাহায্যে আইপিএল ইতিহাসে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ১৭৫* রানের ইনিংস খেলার ম্যাচে এই রেকর্ড গড়েছিল বেঙ্গালুরু।

আমেরিকা বাংলাদেশ প্রেসক্লাব’র ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

নিউইর্য়কঃ পবিত্র মানে রমজান ও মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে আমেরিকা বাংলাদেশ প্রেসক্লাব এক ইফতার মাহফিল ও আলোচনা সভার আয়োজন করে। ২৬ মার্চ জ্যাকসন হাইটসের নবান্ন পার্টি হলে আয়োজিত এই ইফতার মাহফিলে ক্লাবের সদস্য-সদস্যা ছাড়াও, বিভিন্ন গণ্যমান্য সাংবাদিক, ব্যাবসায়ী ও কমিউনিটি এক্টিভিস্টগণ উপস্থিত ছিলেন। ইফতার মাহফিলের পূর্বে ইসলামে রমজানের গুরুত্ব নিয়ে বয়ান করেন মাওলানা ফখরুল ইসলাম মাসুম। ইফতার মাহফিলে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন আবু হুরাইরা মসজিদের ইমাম ও খতিব মাওলানা ফায়েক উদ্দিন। তিনি রোজার গুরুত্ব ও পালনীয় সম্পর্কে আলোচনার পাশাপাশি দেশ ও প্রবাসের শান্তি কামনায় দোয়া মোনাজাত করেন।
ইফতার মাহফিলে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি ও সাপ্তাহিক প্রবাস সম্পাদক মোহাম্মদ সাঈদ এবং অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ও প্রথম আলো উত্তর আমেরিকার নির্বাহী সম্পাদক মনজুরুল হক। মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সোসাইটির সভাপতি আব্দুর রব মিয়া, বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা ড. আবু জাফর মাহমুদ, বিশিষ্ট রিয়েলটর নূরুল আজিম, স্মার্ট স্টাফিং’র প্রেসিডেন্ট ও সিইও দুলাল বেহেদু, সিটি মেয়রের দক্ষিণ এশিয়া বিষযক এডভাইজার ফাহাদ সোলায়মান।
স্বাধীনতা যুদ্ধের সকল শহিদদের আত্মার শান্তি কামনা এবং দেশ ও প্রবাসের সকলের মঙ্গলের জন্যে মোনাজাত পরিচালনা করেন জ্যাকসন হাইটস্থ আবু হুরায়রা মসজিদের ইমাম মাওলানা ফায়েক উদ্দিন।
অনুষ্ঠানে সংগঠনের সভাপতি সাপ্তাহিক প্রবাস সম্পাদক মোহাম্মদ সাঈদ এবং সাধারণ সম্পাদক প্রথম আলো উত্তর আমেরিকার চীফ রিপোর্টার মনজুরুল হকের শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন। বক্তাদের মধ্যে আরো ছিলেন, প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও নিউইয়র্ক সময়’র প্রধান সম্পাদক দর্পণ কবীর, জন্মভূমি সম্পাদক রতন তালুকদার, নিউইয়র্ক বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের সভাপতি মনোয়ারুল ইসলাম, বিশিষ্ট সাংবাদিক সাঈদ তারেক, খ্যাতনামা কণ্ঠশিল্পী বেবী নাজনীন, প্রেসক্লাবের কোষাধ্যক্ষ ও খবরডটকমের সম্পাদক মো: মশিউর রহমান মজুমদার, আটাব’র প্রেসিডেন্ট ও কর্ণফুলি ট্রাভেল্স’র কর্ণধার সেলিম হারুন, স্টার ফার্নিচারের কর্ণধার রকি আলিয়ান, হাসান জিলানী, লায়ন এফইএমডি রকি প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সানম্যান গ্রæপের প্রেসিডেন্ট ও সিইও মাসুদ রানা তপন, আটাব’র সেক্রেটারী ও স্কাই ট্রাভেলসের কর্ণধার মাসুদ মোরশেদ, আটাব’র কোষাধ্যক্ষ ও ট্রাভেলসের কর্ণধার শামসুদ্দিন বশির, এ্যাংকর ট্রাভেলসের কর্ণধার এএ্স মাইনুদ্দিন পিন্টু, মুক্তিযোদ্ধা মশিউর রহমান,কমিউনিটি এক্টিভিস্ট আহসান হাবিব, মাকসুদুল হক চৌধুরী, আলমগীর খান আলম, আব্দুর রশিদ বাবু, বক্সার সেলিম প্রমূখ।
এছাড়াও আরো উপস্থিত ছিলেন প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বাংলা খবর ডটকমের সম্পাদক শওকত ওসমান রচি, সিনিয়র সাংবাদিক এবিএম সালাউদ্দিন আহমেদ, রিমন ইসলাম, প্রেসক্লাবের সদস্য সীমা সুস্মিতা, মাই টিভি’র মল্লিকা খান মুনা, আব্দুল হামিদ, পাপিয়া বেগম, স্যামুয়েল স্টিফেন পিনারু ও এস এম সরোয়ার হোসেন ও অভিজিৎ রায়, সিবিএন টিভি ইউএস’র সিইও মাহমুদুল হাসান পাহলভি, তাপস সাহা, এবি টিভির সাবু, সাংবাদিক আদিত্য শাহীন, সাঈদ আলম, রিমন ইসলাম প্রমুখ।

নিউইয়র্কের ওজোন পার্কে পুলিশের গুলিতে বাংলাদেশী যুবক খুন

নিউইয়র্ক (ইউএনএ): বাংলাদেশী অধ্যুষিত নিউইয়র্কের ওজোন পার্কে পুলিশের গুলিতে এক বাংলাদেশী তরুণ নিহত হয়েছেন। নিহতের নাম উইন রোজারিও (১৯)। সে মানসিকভাবে অসুস্থ ছিলো। পরিবারের অভিযোগ পুলিশ ঠাÐা মাথায় হত্যা করেছে। তাদের দেশের বাড়ী গাজীপুর জেলায়। ঘটনাটি বুধবার নিউইয়র্ক সিটির বিভিন্ন মিডিয়ায় গুরুত্বের সাথে প্রচারিত হওয়ায় ‘টক অব দ্য টাউন’ খবরে পরিণত হয়।
পুলিশ জানায়, মানসিক রোগে আক্রান্ত উইন বুধবার (২৭ মার্চ) সকাল থেকে বাসায় উচ্ছঙ্খল আচরণ করছিলেন। এক পর্যায়ে উইন নিজেই ৯১১ এ কল করলে দুপুর দেড়টার দিকে এনওয়াইপিডি’র একদল পুলিশ তার বাসায় যায়। এসময় পুলিশ তাকে আটকের চেষ্ঠা করলে উইন ওয়াড্রুভ থেকে দুটি কাচি নিয়ে পুলিশের ওপর আক্রমণের জন্য উদ্যত হয়। এসময় পুলিশ তাকে নিবৃত করার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয় এবং উদ্ভুত পরিস্থিতে মায়ের সামনেই ওই তরুণকে লক্ষ্য করে পরপর ৬ রাউন্ড গুলি করে। এতে ঘটনাস্থলেই সে মেঝেতে লুটিয়ে পড়ে। পরে তাকে জামাইকা হাসপাতালে নেয়া হলে ডাক্তাররা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার পর এনওয়াইপিডি প্রেস বিফ্রিং-এ বিস্তারিত জানায়।
নিহত উইন রোজারিওর পিতা ফ্রান্সিস রোজারিও দাবী করেছেন তার ছেলে সম্পূর্ণ নির্দোষ ছিলো। ছেলের মানসিক সমস্যা আছে বলার পরও পুলিশ তাদের কথা শুনেনি। পুলিশ ঠান্ডা মাথায় তার ছেলেকে খুন করেছে অভিযোগ করে তিনি এ ঘটনার ন্যায়বিচার দাবী করেনছেন।
জানা গেছে, ফ্রান্সিস রোজারিও ২০১৪ সালে পরিবার নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে এসে রাজনৈতিক আশ্রয় প্রার্থনা করেন। এরপর থেকে তিনি স্ত্রী আর দুই পুত্র নিয়ে কুইন্সের ওজোনপার্ক এলাকার ১০১-১২ ১০৩ স্ট্রিট ঠিকানার একটি বাড়িতে বসবাস করে আসছিলেন। তিনি এবং তার স্ত্রী ইভা কস্তা জন এফ কেনেডি অঅন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কর্মরত ছিলেন। নিহত উইন রোজারিও নিউইয়র্কের জন অ্যাডামস হাই স্কুল থেকে স্নাতক পাশ করে সামরিক বাহিনীতে যোগদানের পরীক্ষায়ও পাশ করেন। তিনি সামরিক বাহিনীতে যোগদানের জন্য অপেক্ষায় ছিলেন। এ অবস্থায় মানসিক অবসন্নতায় ভুগছিলেন উইন।
এদিকে, পুলিশের গুলিতে বাংলাদেশী তরুণের নিহতের ঘটনায় কমিউনিটিতে শোক ও ক্ষোভের ছায়া নেমে এসেছে।

সম্মিলিত বিশ্ববিদ্যালয় এলামনাইয়ের বৈশাখ উদযাপন ১১ মে

জাহাঙ্গীরনগর এলামনাই এসোসিয়েশন অব আমেরিকা ‘JAAA’ আয়োজিত এবং অনান্য বিশ্ববিদ্যালয় এলামনাই এসোসিয়েশন এর অংশগ্রহনে সম্মিলিত বিশ্ববিদ্যালয় বৈশাখ ১৪৩১ আগামী ১১ মে জ্যামাইকার মেরী লুইস একাডেমীতে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।

এই উপলক্ষে রবিবার ২৪ শে মার্চ পূর্ব প্রস্তুতি সভার আয়োজন করা হয়। সভায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলামনাই এসোসিয়েশন, চট্ট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এলামনাই এসোসিয়েশন উপস্থিত ছিলেন। প্রথমবারের মতো শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এলামনাই সভায় উপস্থিত থেকে বর্ষবরণে তাদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করেন। সভায় বৈশাখ আয়োজন বিষয়ক গ্ররুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে সবাই সহমত প্রকাশ করেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন JAAA এর প্রেসিডেন্ট শামীমআরা বেগম, সভা পরিচালনা করেন JAAA এর সাধারণ সম্পাদক তামান্না শবনম পাপড়ি। উপস্থিত ছিলেন JAAA এর পক্ষ থেকে জামান মনির, আখতার আহমেদ রাশা, খালেদ জোসেফ, মেরিএস্টেলা আহমেদ শ্যামলী, শমিত মন্ডল, মোহাম্মদ নাসিরুল্লাহ, দুররে মাকনুন নবনী এবং প্রশান্ত মল্লিক অয়ন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলামনাই এসোসিয়েশন এর সহ সভাপতি গোলাম মোস্তফা, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এলামনাইর নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট সাবিনা শারমিন নিহার, সাধারণ সম্পাদক মীর কাদের রাসেল এবং শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয় এলামনাই এর প্রেসিডেন্ট বেলায়েত চোধুরী। ইফতারি পরিবেশনের পর সভার সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

নিউইয়র্কে কিংবদন্তি ছড়াকার লুৎফর রহমান রিটনকে সংবর্ধনা দিলো ছড়াটে

নিউইর্য়ক প্রতিনিধিঃ ভালোবাসা, শুভেচ্ছা ও অভিনন্দনে সিক্ত হলেন কিংবদন্তি ছড়াকার লুৎফর রহমান রিটন। কানাডা থেকে সস্ত্রীক নিউইয়র্ক সফরে এলে গত ২৩ মার্চ স্থানীয় একটি রেস্টুরেন্টে আড়ম্ভরপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে একুশে পদকপ্রাপ্ত এই কিংবদন্তি  ছড়াকারকে ছড়াটে-র পক্ষ থেকে সংবর্ধনা জানানো হয়।

3

নিউইর্য়কের কুইন্সের হিলসাইডে ছড়াটে-র নিয়মিত মাসিক ছড়াড্ডা ও ইফতারের আয়োজন থাকলেও সবকিছু ছাপিয়ে পুরো অনুষ্ঠানটি রিটনময় হয়ে উঠে। প্রিয় ও গুণী মানুষটিকে সস্ত্রীক কাছে পেয়ে উপস্থিত সকলে আনন্দে উদ্বেলিত হন। ছড়াকাররা ফুল দিয়ে তাঁকে অভিনন্দন জানান। একইসাথে ছড়াকারদের পত্নীগণ রিটন পত্নী শার্লি রহমানকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন।

লুৎফর রহমান রিটন এই আন্তরিক আয়োজনের জন‍্য ছড়াটে-কে ধন্যবাদ জানান। তিনি ছড়াটে-র সকল গঠনমূলক কার্যক্রমের প্রশংসা করে বলেন, আমি মনে করি আমিও ছড়াটে-র একজন সদস‍্য। ছড়াকারসহ বিশ্বজুড়ে অগণিত ভক্ত ও শুভাকাঙ্খী যারা তাঁকে ভালোবাসেন, পছন্দ করেন তারা তাঁর বর্ধিত পরিবার। মাতৃভূমি ও মুক্তিযুদ্ধের সাথে তাঁর আবেগ জড়িত। এই দুই বিষয়ে তিনি কারো সাথে আপোষ করেন না। তিনি যা ধারণ করেন সেটাই তাঁর কলম গলিয়ে বেরিয়ে আসে। অন‍্যায়ের বিরুদ্ধে তাঁর কলম সবসময় সোচ্চার।

তিনি তাঁর লেখালেখির দীর্ঘ সফরের কথা বর্ণনা বলেন -একটা সময় তিনি চরম অর্থ কষ্টের  মধ্যে দিন কাটিয়েছেন। সেই দুঃসময়ের শার্লি তাঁকে ছেড়ে যাননি, বরঞ্চ সামনে এগিয়ে যাওয়ার সাহস যুগিয়েছিলেন। এরপর তিনি উঠে দাঁড়ানোর গল্প বললেন। বিত্ত না থাকলেও চিত্তে কিভাবে সম্পদশালী হলেন তার গল্প বললেন। তিনি বলেন, এক জীবনে আমি শুধু ছড়াকেই ভালোবেসেছি। 

8

রিটন পত্নী শার্লি বলেন, রিটন শুধু একজন ভালো লেখক বা ছড়াকার নন, তিনি একজন পরিবারবান্ধব লোক, ভালো স্বামী এবং  ভালো বাবাও।  যেকোনো  মূল‍্যে তাঁকে  লেখালেখি চালিয়ে যাওয়ার জন‍্য তাগিদ দেন।

আন্তরিকতাপূর্ণ পারিবারিক আবহে রিটন-শার্লি দম্পতি মুগ্ধ হন। রিটন তাঁর জীবনের অনেক না বলা কথা শেয়ার করেন। ছড়াকার শাম্ স চৌধুরী রুশো-র পরিচালনায় উক্ত অনুষ্ঠানে  বক্তব্য রাখেন প্রাবন্ধিক ও গবেষক  আহমাদ মাযহার, গল্পকার নসরত শাহ, কবি মিশুক সেলিম, ছড়াকার মনজুর কাদের, ছড়াকার খালেদ সরফুদ্দীন, ছড়াকার সজল আশফাক, ছড়াকার শাহীন দিলওয়ার, ছড়াকার মানিক রহমান, ছড়াকার মিনহাজ আহমেদ, ছড়াকার আদিত্য শাহীন, ছড়াকার রিপন শওকত, ছড়াকার মৃদুল আহমেদ, লেখক-চিকিৎসক  শিমুল সিকদার, কমিউনিটি এক্টিভিস্ট লায়লা খালেদা, সাংস্কৃতিককর্মী সাঈদা উদিতা প্রমুখ।

উল্লেখ্য, একই অনুষ্ঠানে কেক কেটে রিটন-শার্লি দম্পতির ৪৩ বছর  বিবাহবার্ষিকী পালন করা হয়।

ভোলা বোরহানউদ্দিনে  বজ্রপাতে ইটভাটার শ্রমিকের মৃত্যু, আহত ০৩

ভোলা প্রতিনিধি: ভোলা বোরহানউদ্দিনে বজ্রপাতে, বাহাদুর  নামের এক ইটভাটা শ্রমিক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় ১) মহাসিন২) রবিউল ৩)মারুফ, নামে আরও তিন ইটভাটা শ্রমিক আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার  বিকেল আনুমানিক, ০৪ ঘটিকার সময়, বোরহানউদ্দিন  উপজেলার কাচিয়া ইউনিয়নের পদ্মা মনসা ০৬ নং ওয়ার্ডে, রাকিব  ব্রিকসে এ ঘটনা ঘটে। 

নিহত ইটভাটার শ্রমিক “বাহাদুরের বাড়ি সাতক্ষীরা জেলার, কালিগন্জ উপজেলার, ৯নং মতিরুসপুর ইউনিয়নের, রায়পুর গ্রামের বাসিন্দা। 

১) মহাসিন২) রবিউল ৩)মারুফ একই ইটভাটার শ্রমিক এবং একই জেলার বাসিন্দা।

স্থানীয়রা জানান, বৃহস্পতিবার বিকেলে নিহত বাহাদুর ও আহত ব্যাক্তিরা ইটভাটায় কাজ করছিলেন। বৃষ্টি শুরু হওয়ার পর হঠাৎ রাকিব ব্রিকসে বজ্র পাতের ঘটনা ঘটে। এ সময় বজ্র পাতে বাহাদুর ঘটনা স্থানে মৃত্যু বরণ করেন  ও মহাসিন রবিউল মারুফ গুরুতর আহত হয়। পরে তাদেরকে ভোলা সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।

হাসপাতালের জরুরি  বিভাগের চিকিৎসক ডাক্তার দুলাল দাস জানান,হাসপাতালে আসার আগেই তার মৃত্যূ হয়েছে।

নিউইয়র্কে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস-২০২৪ উদযাপন

নিউইয়র্কে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে ২৬ মার্চ এক অভ্যর্থনার আয়োজন করা হয়। অভ্যর্থনা অনুষ্ঠানে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক কনসাল জেনারেল, কূটনীতিক, ব্রঙ্কস বরো প্রেসিডেন্ট কার্যালয়ের প্রতিনিধি, গ্রেটার নিউইয়র্ক চেম্বার অব কমার্সের প্রেসিডেন্ট মার্ক জেফ ও নিউইয়র্ক সিটি মেয়র অফিসের প্রতিনিধিসহ বিদেশী অতিথিবৃন্দের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বীরমুক্তিযোদ্ধা, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং অন্যান্য রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও মিডিয়া ব্যক্তিত্বসহ কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে অভ্যর্থনা অনুষ্ঠান শুরু হয়। এরপর বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন করা হয়। মহান স্বাধীনতা দিবস ও জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বাণী পাঠ করা হয়। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর পরিবারের সকল শহিদ সদস্য, ৭১-এর সকল শহিদ, শহিদ বীর মুক্তিযোদ্ধা, শহিদ বুদ্ধিজীবী ও জাতীয় চার নেতার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।
কনসাল জেনারেল মোঃ নাজমুল হুদা তাঁর বক্তব্যে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। তিনি সশ্রদ্ধচিত্তে স্মরণ করেন ত্রিশ লক্ষ শহিদ ও দুই লক্ষাধিক নির্যাতিত মা-বোনদের অপরিসীম আত্মত্যাগের কথা। তিনি আরও স্মরণ করেন আন্তর্জাতিক বন্ধু বিশেষ করে প্রতিবেশী ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী, সোভিয়েত ইউনিয়নের তৎকালীন নেতৃত্ব, যুক্তরাষ্ট্রের বন্ধুপ্রতীম জনগণ ও অন্যান্য যারা বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনে নৈতিক, রাজনৈতিক, কূটনৈতিক সমর্থন দিয়েছেন। জাতির পিতার স্বপ্নের ‘সোনার বাংলা’ বাস্তবায়নে তাঁরই সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বে বর্তমান সরকার নিরলসভাবে কাজ করে চলেছে উল্লেখ করে কনসাল জেনারেল অর্থনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে বাংলাদেশের অর্জন ও সাফল্যগাঁথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন সহস্রাব্দ উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করে সল্পোন্নত থেকে উন্নয়নশীল দেশে রূপান্তরিত হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশের উন্নয়নে যুক্তরাষ্ট্রসহ প্রবাসী সব বাংলাদেশীদের অবদানের কথা উল্লেখ করে বাংলাদেশের উন্নয়নে আরো কার্যকরী ভূমিকা রাখার অনুরোধ জানান। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশে অন্যতম প্রধান বিনিয়োগকারী ও বাণিজ্য অংশীদার উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন দ্বিপাক্ষক সম্পর্ক জোরদাকরণে নতুন অধ্যায় শুরু করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। কনসাল জেনারেল দু’দেশের জনগণের মধ্যকার সম্পর্ক উন্নয়নে প্রবাসী বাংলাদেশীদের অবদানের কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করেন। তিনি বঙ্গবন্ধু প্রণীত বাংলাদেশের পররাষ্ট্র নীতির মূল ভিত্তি “সকলের সাথে বন্ধুত্ব, কারও সাথে বৈরিতা নয়” অনুসরণে বৈশ্বিক শান্তি ও অগ্রগতি অর্জনে বাংলাদেশের অঙ্গীকারের কথা উল্লেখ করেন।
অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন মুক্তিযুদ্ধের বন্ধু সম্মাননা প্রাপ্ত যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক লিয়ার লেভিন, মেয়র অফিসের আন্তর্জাতিক বিষয়ক কমিশনার দিলীপ চৌহান ও বিচারপতি সোমা সাইদ প্রমুখ। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের মহা-হিসাব নীরিক্ষক ও নিয়ন্ত্রক মোঃ নূরুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর পরিবারের সকল শহিদ সদস্য, জাতীয় চার নেতা, ৭১-এর সকল শহিদ, শহিদ বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ ও শহিদ বুদ্ধিজীবীদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে এবং দেশের অব্যাহত শান্তি ও অগ্রগতির জন্য বিশেষ দোয়া করা হয়।

জাতিসংঘ বিশেষজ্ঞের প্রতিবেদন, গাজায় গণহত্যা চালিয়েছে ইসরাইল

জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক এক বিশেষজ্ঞ বলেছেন, তিনি মনে করেন, গাজায় গণহত্যা চালিয়েছে ইসরাইল। তিনি এ সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন তৈরি করেছেন, যা মঙ্গলবার উপস্থাপন করার কথা রয়েছে।
বিবিসি জানিয়েছে, ফ্রাঞ্চেস্কা আলবানিজ নামের এই বিশেষজ্ঞের জেনেভায় জাতিসংঘের মানবাধিকার পরিষদে এ নিয়ে প্রতিবেদন উপস্থাপন করার কথা রয়েছে।
এদিকে প্রকাশের আগেই প্রতিবেদনটি প্রত্যাখ্যান করেছে ইসরাইল। জাতিসংঘে ইসরাইলের রাষ্ট্রদূত প্রতিবেদনটিকে গণহত্যা বিষয়ক কনভেনশনের ‘আপত্তিকর বিকৃতি এবং বাস্তবতার অশ্লীল বিকার’ বলে সমালোচনা করেছেন।
গাজায় যুদ্ধ থামানোর পাশপাশি বেসামরিক নাগরিকদের আরও সুরক্ষা দেওয়ার জন্য ইসরাইলের ওপর যখন আন্তর্জাতিক চাপ আরও বাড়ছে তখন গণহত্যা নিয়ে এই প্রতিবেদন প্রকাশ হতে যাচ্ছে।
গণহত্যা সুনির্দিষ্ট একটি আইনি পরিভাষা। আলবানিজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এর কিছু বৈশিষ্ট্য পূরণ হয়েছে। অর্থাৎ গাজায় চালানো গণহত্যামূলক কার্যকলাপ ‘গণহত্যা’ নির্ধারণের মাত্রায় পৌঁছেছে এমনটি বিশ্বাস করার যৌক্তিকতা আছে।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, বিশেষজ্ঞ আলবানিজ তার ‘অ্যানাটমি অব এ জেনোসাইড’ শীর্ষক প্রতিবেদনে বলেছেন, ইসরাইল ফিলিস্তিনিদেরকে একটি গোটা গোষ্ঠী হিসেবে কিংবা আংশিকভাবে ধ্বংস করার অভিপ্রায় নিয়ে কাজ করেছে। যেটি গণহত্যা কনভেনশনের মূল বৈশিষ্ট্য।
আলবানিজ বিশেষত, জাতিসংঘ গণহত্যা কনভেনশন (জেনোসাইড কনভেনশন) আইনের তিনটি ধারা ইসরাইল লঙ্ঘন করেছে বলে উল্লেখ করেছেন।
১. গোষ্ঠীর সদস্যদেরকে হত্যা করা
২. শারীরিক ও মানসিকভাবে গোষ্ঠীর সদস্যদের গুরুতর ক্ষতি করা
৩. গোষ্ঠীর অস্তিত্ব সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে ধ্বংস করতে হিসাব-নিকাশ করে ইচ্ছাকৃতভাবে তাদের জীবনাচারের ওপর আঘাত হানা।
হামাস পরিচালিত গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য বলছে, গত বছরের ৭ অক্টোবর গাজায় হামলা শুরু করে ইসরাইল। চলমান হামলায় এখন পর্যন্ত ৩২ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। যার অধিকাংশই নারী ও শিশু।

গাজায় যুদ্ধবিরতি মানছে না ইসরাইল, যে হুমকি দিল কলম্বিয়া

টানা পাঁচ মাস গাজা উপত্যকায় অবিরাম হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরাইল। হামলায় এ পর্যন্ত নিহত হয়েছেন ৩২ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি। এ অবস্থায় গাজায় যুদ্ধবিরতির একটি প্রস্তাব পাশ হয়েছে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে। এর পরই যুদ্ধবিরতি না মানলে ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার হুমকি দিয়েছেন কলম্বিয়া।
মঙ্গলবার (২৬ মার্চ) কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেট্রো এই হুমকি দিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি আন্তর্জাতিক স¤প্রদায়কেও ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার আহŸান জানান।
আনাদোলুর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জাতিসংঘে ভোটের মাধ্যমে প্রস্তাব পাশের পর সামাজিকমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেট্রো বলেন, অবশেষে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে গাজায় যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব সর্বসম্মতভাবে পাশ হয়েছে। ইসরাইল এই যুদ্ধবিরতি ভঙ্গ করলে আমি বিশ্বের দেশগুলোকে (ইসরাইলের সঙ্গে) কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করার আমন্ত্রণ জানাচ্ছি।
এর আগে সোমবার জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ ইসলামিক পবিত্র মাস রমজানে গাজায় যুদ্ধবিরতির দাবিতে একটি প্রস্তাব পাস করে। পবিত্র এই মাসটি মধ্যপ্রাচ্যে গত ১১ মার্চ থেকে শুরু হয়েছে এবং আগামী ৯ এপ্রিল শেষ হতে পারে। কাউন্সিলের ১০ নির্বাচিত সদস্যের উপস্থাপিত এই রেজ্যুলুশনের পক্ষে ১৪টি দেশ ভোট দিয়েছে। এতে একমাত্র দেশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র ভোটদানে বিরত ছিল। এ ছাড়া প্রস্তাবটির বিপক্ষে কোনো যুক্তি উপস্থাপন বা ভেটো ক্ষমতারও প্রয়োগ করেনি পরাশক্তি এই দেশটি।
এপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জাতিসংঘের এই রেজুলেশনে ‘পবিত্র রমজান মাসের জন্য সকল পক্ষকে অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির আহŸান জানানো হয়েছে, যা পরে একটি স্থায়ী টেকসই যুদ্ধবিরতির দিকে পরিচালিত হবে।’
এই প্রস্তাবে ‘সমস্ত বন্দির অবিলম্বে নিঃশর্ত মুক্তির পাশাপাশি তাদের চিকিৎসা এবং অন্যান্য মানবিক চাহিদা পূরণের জন্য মানবিক সহায়তার প্রবেশ নিশ্চিত করার’ দাবিও করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ভেটো না দেওয়ায় যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ এবারই প্রথমবারের মতো যুদ্ধবিরতির আহŸান জানালো। যার অর্থ যুক্তরাষ্ট্র তার আগের অবস্থানে পরিবর্তন এনেছে। যদিও হোয়াইট হাউস বলেছে, ভেটো না দেওয়া বা ভোটদান থেকে বিরত থাকার মানে এই নয় যে, যুক্তরাষ্ট্রের নীতিতে পরিবর্তন এসেছে।
তবে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু একে যুক্তরাষ্ট্রের পূর্বের অবস্থান থেকে সরে আসা বা প্রস্থান বলে অভিহিত করেছেন। তার কার্যালয় থেকে দেওয়া বিবৃতিতে বলা হয়েছে, রেজুলেশন পাশের অনুমতি দেওয়ার মার্কিন এই সিদ্ধান্ত ‘যুদ্ধের শুরু থেকে নিরাপত্তা পরিষদে যুক্তরাষ্ট্রের ধারাবাহিক অবস্থান থেকে স্পষ্ট পশ্চাৎপসরণ।’

সন্তানদের মাদরাসায় পড়াতে পারবে না আসামের মুসলমানরা

ভারতের আসাম রাজ্যের বাসিন্দা হতে হলে মুসলিমদেরকে কয়েকটি শর্ত পালন করতে হবে বলে জানিয়েছেন সেখানকার মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। এ সবের মধ্যে রয়েছে দুয়ের বেশি সন্তান না থাকা, সন্তানদের মাদরাসায় না পড়ানো। আনন্দবাজার পত্রিকা।
চলতি মাসেই ভারতে সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন (সিএএ) চালু হয়েছে। সিএএ নিয়ে ইতিমধ্যেই বিজেপি বিরোধী দলগুলো সুর চড়াতে শুরু করেছে। পশ্চিমবঙ্গ, কর্নাটকে সিএএ চালু হতে দেবেন না, বলে দাবি করেছেন ওইসব রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরা। এই আবহেই ‘বাংলাদেশী’ মুসলিমদের নিয়ে মন্তব্য করে লোকসভা ভোটের আগে নতুন বিতর্ক উস্কে দিলেন আসামের মুখ্যমন্ত্রী।
দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় আসার পর ২০১৯ সালের ১১ ডিসেম্বর সিএএ পাস করিয়েছিল ভারতের মোদি সরকার। ওই আইন অনুযায়ী, বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মতো মুসলিম ধর্মাবলম্বী দেশ থেকে যদি ওই দেশের ধর্মীয় সংখ্যালঘুরা ধর্মীয় উৎপীড়নের কারণে ভারতে আশ্রয় চান, তাহলে তা দেবে ভারত। কিন্তু সিএএ-তে হিন্দু, শিখ, জৈন, বৌদ্ধ, পার্সি এবং খ্রিস্টান শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দেয়ার কথা বলা হলেও সেখানে মুসলিম স¤প্রদায়ভুক্তদের কথা উল্লেখ করা হয়নি। এই ‘বৈষম্য’ কেন, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে বিরোধী দলগুলো।
উল্লেখ্য, মুসলিমেরা আসামে ‘মিঞা’ নামে পরিচিত। তারা বাংলাদেশ থেকে গেছে বলে দাবি করা হয়ে থাকে। ওই ‘মিঞা’ স¤প্রদায়কে স্বীকৃতি দেয়ার প্রসঙ্গে হিমন্ত বলেন, ‘আসামিয়া সমাজের কিছু সাংস্কৃতিক নিয়ম এবং ঐতিহ্য রয়েছে। যদি আসামের অধিবাসী হতে হয় তবে সেইসব মেনে চলতে হবে।’ হিমন্ত জানান, কোনো পরিবারে যদি দুইয়ের বেশি সন্তান থাকে, তবে ‘বাংলাদেশি’ মুসলিমেরা আসামের বাসিন্দা হতে পারবেন না। এ ছাড়াও বহুবিবাহ, বাল্যবিবাহ বন্ধ করার শর্তও দিয়েছেন আসামের মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘যদি এ রাজ্যের বাসিন্দা হতে হয় তবে নাবালিকার বিয়ে দেয়া যাবে না।’ পাশাপাশি হিমন্ত জানান, ছেলেমেয়েদের মাদরাসায় পড়ানো যাবে না। আসামের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘মাদরাসার পরিবর্তে ডাক্তারি এবং ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মতো ক্ষেত্রে মনোযোগ দেয়া উচিত।’
আসামে হিমন্তের নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকার ২০২৩ সালে রাজ্যে বাল্যবিবাহের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। বাল্যবিবাহ করার অভিযোগে প্রায় ৯ হাজার মামলা দায়ের করা হয়েছিল। ২০২২ সালে অসম মন্ত্রিসভা আনুষ্ঠানিকভাবে ৪০ লাখ আসামিয়াভাষী মুসলিমকে ‘আদিবাসী আসামিয়া মুসলিম’ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছিল। আসামে দাবি করা হয়ে থাকে যে, আসামের মুসলিম স¤প্রদায়ের প্রায় ৩৭ শতাংশ ‘আসামিয়া মুসলিম’, বাকিরা ‘বাংলাদেশি’ মুসলিম। তাদের ‘আদিবাসী’ স্বীকৃতি দেয়ার প্রশ্নেই মন্তব্য করে নতুন করে বিতর্কে জড়ালেন আসামের মুখ্যমন্ত্রী।