Home Blog Page 61

এলডিসি থেকে উত্তরণের সময় ৩ বছর বাড়াতে জাতিসংঘকে অনুরোধ বাংলাদেশের

স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে বাংলাদেশের টেকসই ও নির্বিঘ্ন উত্তরণ, টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (এসডিজি) বাস্তবায়ন এবং সরকারের সংস্কার কর্মসূচি এগিয়ে নিতে জাতিসংঘের আরও জোরালো সহযোগিতা চেয়েছে বাংলাদেশ। একই সঙ্গে এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল আরও তিন বছর বাড়ানোর অনুরোধ তুলে ধরা হয়েছে। নিউইয়র্কে জাতিসংঘের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের সঙ্গে পৃথক বৈঠকে এ আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।

নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদরদপ্তরে গতকাল মঙ্গলবার জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক বিষয়ক আন্ডার-সেক্রেটারি-জেনারেল লি জুনহয়া, জাতিসংঘের এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশনের (ইউএন-এসক্যাপ) নির্বাহী সচিব ও আন্ডার-সেক্রেটারি-জেনারেল আর্মিদা সালসিয়াহ আলিসজাহবানা এবং সহকারী মহাসচিব ও ইউএনডিপির এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় ব্যুরোর আঞ্চলিক পরিচালক কান্নি উইগ্নারাজার সঙ্গে পৃথক বৈঠকে তিনি এসব বিষয় তুলে ধরেন।

লি জুনহয়ার সঙ্গে বৈঠকে ড. তিতুমীর বলেন, বাংলাদেশ এলডিসি থেকে উত্তরণের প্রস্তুতিকাল আরও তিন বছর বাড়ানোর অনুরোধ করেছে। তাঁর মতে, সামষ্টিক অর্থনীতির স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা, স্মুথ ট্রানজিশন স্ট্র্যাটেজি কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন এবং টেকসই ও অপরিবর্তনীয় উত্তরণ নিশ্চিত করতেই এই সময় বাড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। জবাবে লি জুনহয়া বাংলাদেশের উন্নয়ন অভিযাত্রায় জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক বিষয়ক বিভাগ (ইউএন ডেসা) অব্যাহত সহযোগিতা করবে বলে আশ্বাস দেন। তিনি বাংলাদেশের এলডিসি উত্তরণ প্রক্রিয়া সফল ও টেকসই করতে দেশটির সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

আর্মিদা সালসিয়াহ আলিসজাহবানার সঙ্গে বৈঠকে ড. তিতুমীর বলেন, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনে জনগণের দেওয়া গণরায় সরকারের প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার, জবাবদিহিমূলক সুশাসন এবং জনকল্যাণমুখী উন্নয়ন কর্মসূচি এগিয়ে নেওয়ার ভিত্তিকে আরও শক্তিশালী করেছে।

তিনি সরকারের ‘থ্রি আর’ (রিকভারি, রিস্টোরেশন অ্যান্ড রিকনস্ট্রাকশন ফর অ্যাকসেলারেশন) কৌশলের কথা তুলে ধরে বলেন, এই কৌশল অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন ত্বরান্বিত করার রূপরেখা হিসেবে কাজ করবে।

জবাবে আর্মিদা সালসিয়াহ আলিসজাহবানা বাংলাদেশের এলডিসি উত্তরণ, আঞ্চলিক সংযোগ এবং জলবায়ু সহনশীলতা জোরদারে ইউএন-এসক্যাপের অব্যাহত সহযোগিতার আশ্বাস দেন। পাশাপাশি সরকারের সর্বজনীন সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগেরও প্রশংসা করেন।

ইউএনডিপির এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় ব্যুরোর আঞ্চলিক পরিচালক ও সহকারী মহাসচিব কান্নি উইগ্নারাজার সঙ্গে বৈঠকে ড. তিতুমীর গণতান্ত্রিক সুশাসন, প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার এবং বাংলাদেশের টেকসই উন্নয়ন অগ্রাধিকার বাস্তবায়নে ইউএনডিপির অব্যাহত সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন। কান্নি উইগ্নারাজা এসব ক্ষেত্রে বাংলাদেশকে ইউএনডিপির সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস পুনর্ব্যক্ত করেন।

ধর্ষণ মামলায় সহকারী গ্রেপ্তার, কী পদক্ষেপ নিলেন শ্রাবন্তী

এক নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে টালিউড অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়ের সহকারী ব্যক্তিগত সহকারী মুখোপাধ্যায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে। রোববার রাতে পশ্চিমবঙ্গের হাওড়ার চ্যাটার্জিহাট থানা পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। এ ঘটনার পর অর্ঘর সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন শ্রাবন্তী।

ভারতীয় গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, হাওড়ার চ্যাটার্জিহাট থানায় দায়ের করা এক নারীর অভিযোগের ভিত্তিতে অর্ঘ মুখোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা করে। পরে ১২ জুলাই রাতে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। সোমবার তাকে হাওড়া আদালতে হাজির করা হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, অর্ঘ একটি ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। ধর্ষণের মামলা করা ওই নারী একই প্রতিষ্ঠানে কাজ করেন। অভিযোগে তিনি বলেন, গত ১২ এপ্রিল কাজের সূত্রে চ্যাটার্জিহাটে অভিযুক্তের বাসায় গেলে তাকে ধর্ষণ করা হয়। পরে ১২ জুন থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করলে তদন্ত শুরু করে পুলিশ।

ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায় এক বিবৃতিতে জানান, অর্ঘ মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে তার সম্পর্ক ছিল শুধুই পেশাগত।

শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায় বলেন, “হাওড়ার ষষ্ঠীতলার বাসিন্দা অর্ঘ মুখোপাধ্যায় এতদিন আমার কাজের দেখভাল করতেন। ২০২৪ সাল থেকে ‘তান্তেওয়ালা’ কোম্পানির মাধ্যমে আমার সব কাজ পরিচালিত হচ্ছে। সেই সূত্রেই তার সঙ্গে পরিচয়। সম্প্রতি জানতে পেরেছি, তার বিরুদ্ধে একটি ফৌজদারি মামলা হয়েছে। বিষয়টি আমার জন্য অত্যন্ত অস্বস্তিকর।”

শ্রাবন্তী আরও বলেন, “তার ব্যক্তিগত কর্মকাণ্ড সম্পর্কে আমি কিছুই জানতাম না। তবে এ ঘটনার পর আমি সংশ্লিষ্ট সংস্থাকে জানিয়ে দিয়েছি, অর্ঘ মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে আর কোনোভাবেই কাজ করা আমার পক্ষে সম্ভব নয়।”

এদিকে অভিযোগের বিষয়ে পুলিশ তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে। এখন পর্যন্ত অভিযুক্তের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে কুমিল্লায় এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলনের পদত্যাগসহ তিন দফা দাবিতে কুমিল্লা নগরীতে বিক্ষোভ করেছে এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা।

মঙ্গলবার দুপুরে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করে তিন দফা দাবি জানায় এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা।

এর আগে সোমবার রাত থেকে ২০২৬ এইচএসসি ব্যাচের একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে পরীক্ষার্থীরা আন্দোলনের ঘোষণা দেন। মঙ্গলবার সকাল ১১টার দিকে তারা কুমিল্লা কান্দিরপাড় পূবালী চত্বরে বিক্ষোভ শুরু করে। পরে শিক্ষার্থীরা পুলিশের বাধা উপেক্ষা করে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের প্রধান ফটকে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করে।

বিক্ষোভে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ, কুমিল্লা সরকারি কলেজ, রূপসী বাংলা কলেজ, কুমিল্লা কালেক্টরেট স্কুল এন্ড কলেজ, সোনার বাংলা কলেজসহ বিভিন্ন কলেজের দুই শতাধিক পরীক্ষার্থী অংশ নেন।

বিক্ষোভকারীরা বলেন, দেশের সকল কলেজের শিক্ষার্থীদের পক্ষে দাবিগুলো হলো দুর্যোগের প্রাদুর্ভাব পুরোপুরি শেষ না হওয়া পর্যন্ত পরীক্ষা স্থগিত রাখতে হবে, যারা বৈরী আবহাওয়ার কারণে ১৩ জুলাই পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেনি তাদের পরীক্ষা পুনরায় গ্রহণ এবং আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে শিক্ষামন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হবে।

পরীক্ষার্থী আবু সালেহ রনি বলেন, শিক্ষামন্ত্রী নিজের পছন্দের লোকজন দিয়ে প্রশ্নপত্র তৈরি করেছেন। এ পর্যন্ত যেসব বিষয়ে পরীক্ষা হয়েছে এসব প্রশ্ন মনগড়া। তাই এ শিক্ষামন্ত্রী দায়িত্বে থাকলে শিক্ষা ধ্বংস হয়ে যাবে।

পরে কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের সচিব প্রফেসর মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো. সালাউদ্দিন, কুমিল্লা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাতেমা তুজ জোহরা, কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তৌহিদুল আনোয়ার শিক্ষাবোর্ড ফটকের সামনে উপস্থিত হয়ে পরীক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনা করে পরিস্থিতি শান্ত করেন।

এ সময় পরীক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে শিক্ষাবোর্ডের সচিব মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, আমরা তোমাদের (পরীক্ষার্থী) সব কথা শুনেছি। দাবিগুলো আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানাব।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাতেমা তুজ জোহরা জানান, পরীক্ষার্থীরা  শিক্ষাবোর্ডের প্রধান ফটকে অবস্থান নিলে সেখানে পুলিশ মোতায়েন করা হয়।   পরীক্ষার্থীদের দাবি নিয়ে কুমিল্লা জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ সভা আহ্বান করা হয়েছে। সেখান থেকে হয়তো পরে এই বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত আসলে জানাতে পারব।

‘তুম্বাড ২’-এ আলিয়া ভাট, নতুন চমক সোহম শাহের

বলিউডের বহুল প্রতীক্ষিত সিনেমা ‘তুম্বাড ২’-এ যুক্ত হলেন আলিয়া ভাট। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) অভিনেতা ও প্রযোজক সোহম শাহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলিয়ার অন্তর্ভুক্তির ঘোষণা দেন। ২০২৭ সালের ৩ ডিসেম্বর সিনেমাটি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে।

ইনস্টাগ্রামে আলিয়া ভাটের সঙ্গে একটি ছবি প্রকাশ করে সোহম শাহ লেখেন, “নতুন একটি অধ্যায়ের সূচনা। ‘তুম্বাড ২’-এ স্বাগতম, আলিয়া ভাট। দেখা হবে প্রেক্ষাগৃহে।” এরপর থেকেই সিনেমাপ্রেমীদের মধ্যে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে ছবিটি।

২০১৮ সালে মুক্তি পাওয়া ‘তুম্বাড’ ভারতীয় সিনেমায় লোককথানির্ভর অতিপ্রাকৃতিক হরর ঘরানার অন্যতম আলোচিত নির্মাণ হিসেবে প্রশংসা কুড়ায়। কোঙ্কণ উপকূলের রহস্যময় আবহ, ‘হাস্তার’-এর কিংবদন্তি এবং ব্যতিক্রমী নির্মাণশৈলীর কারণে সিনেমাটি সমালোচক ও দর্শক—উভয়েরই প্রশংসা পায়। পরবর্তী সময়ে পুনর্মুক্তিতেও ছবিটি উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করে।

এর আগে সিক্যুয়েলের ঘোষণা দিতে প্রকাশিত পোস্টারে সোহম শাহ লিখেছিলেন, “পাপে ভরা অতীত, অশনি সংকেতময় ভবিষ্যৎ। লোভের উত্তরাধিকার আবারও জেগে উঠছে।” সেই বার্তার মধ্য দিয়েই সিক্যুয়েলের রহস্যময় আবহের ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছিল। মুক্তির তারিখ ঘোষণার আগে নির্মাতারা একটি মোশন পোস্টার ও কয়েকটি রহস্যঘেরা পোস্ট প্রকাশ করে দর্শকদের কৌতূহল আরও বাড়িয়ে তোলেন।

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সোহম শাহ বলেন, “‘তুম্বাড’ সবসময়ই আমার কাছে বিশেষ একটি প্রকল্প। ‘তুম্বাড ২’-এর মাধ্যমে আমরা সেই জগতকে আরও গভীর ও বিস্তৃতভাবে দর্শকদের সামনে তুলে ধরতে চাই। আগের সিনেমার পৌরাণিক আবহ ও রহস্য বজায় রেখেই নতুন গল্প ও নতুন মাত্রা যোগ করা হয়েছে। পরিচিত সেই জগত এবার আরও বড় পরিসরে ফিরে আসবে।”

ভারতীয় গণমাধ্যমের খবর, সিক্যুয়েলে আলিয়া ভাটকে একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে দেখা যাবে। পাশাপাশি নওয়াজউদ্দিন সিদ্দিকীও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় অভিনয় করছেন। আগের সিনেমার গল্পের ধারাবাহিকতাতেই নির্মিত হচ্ছে নতুন কিস্তি। পরিচালনায় রয়েছেন আদেশ প্রসাদ। সোহম শাহ ফিল্মস ও পেন স্টুডিওসের যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত ছবিটি পরিবেশন করবে পেন মারুধর। ২০২৭ সালের ৩ ডিসেম্বর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে ‘তুম্বাড ২’।

তিন দফা দাবি চট্টগ্রামে সড়ক অবরোধ করে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

তিন দফা দাবিতে চট্টগ্রামে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছে এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে নগরের ষোলশহরে বিভিন্ন কলেজের শিক্ষার্থীরা অবস্থান নেন। এক পর্যায়ে সড়ক অবরোধ করে স্লোগান দিতে থাকে তারা।

এদিকে শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলনকে কেন্দ্র করে যাতে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে সেজন‍্য চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড এলাকায় জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা। মোতায়েন করা হয়েছে অতিরিক্ত পুলিশ।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থী মাহমুদুল হাসান বলেন, ‘প্রতিকূল পরিস্থিতির কথা বিবেচনায় না নিয়ে তাদের প্রতি অমানবিক আচরণ করা হচ্ছে।’‍ সুমাইয়া আক্তার নামের আরেক শিক্ষার্থী বলেন, বৃষ্টির মধ্যে পরীক্ষা দিতে গিয়ে অনেক শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। ক্যালকুলেটরের মতো জরুরি শিক্ষা সরঞ্জামও পানিতে নষ্ট হয়ে গেছে আমাদের। সার্বিক বিষয় বিবেচনা না করে এতটা অমানবিক কিভাবে হচ্ছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।’ একপর্যায়ে শিক্ষার্থীরা বিশ্বকাপে নরওয়ে যেভাবে বিজয়ের পর সেলিব্রেট করেছে সেই আদলে প্রতিবাদ জানান। এসময় তারা নৌকা চালিয়ে ভুয়া ভুয়া স্লোগান দেন।

শিক্ষার্থীদের প্রধান তিন দাবির মধ্যে রয়েছে, বৈরী আবহাওয়া স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত চলমান এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত রাখা, গত ১২ ও ১৩ জুলাই প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে যারা পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারেনি, তাদের জন্য পুনরায় পরীক্ষা গ্রহণের ব্যবস্থা করা এবং বৃষ্টির কারণে যাদের এডমিট কার্ড বা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নষ্ট হয়ে গেছে বা হারিয়ে গেছে, তাদের দ্রুত সময়ের মধ্যে বোর্ড থেকে পুনরায় কাগজপত্র সরবরাহ করা।

‘শুধু মেসি নন, পুরো আর্জেন্টিনাই বিপজ্জনক’, পিকফোর্ডের সতর্কবার্তা

দীর্ঘ ২৪ বছর পর বিশ্বকাপের মঞ্চে আবার মুখোমুখি হচ্ছে আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড। আগামীকাল আটলান্টার সেমিফাইনাল ঘিরে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে লিওনেল মেসি। আর্জেন্টিনার জার্সিতে দীর্ঘ আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে এই প্রথম ইংল্যান্ডের বিপক্ষে খেলতে নামবেন তিনি। তবে ইংল্যান্ড শিবিরে আলোচনার কেন্দ্র শুধু মেসি নন। গোলরক্ষক জর্ডান পিকফোর্ডের মতে, আর্জেন্টিনাকে হারাতে হলে পুরো দলকেই সমান গুরুত্ব দিতে হবে।

ম্যাচ-পূর্ববর্তী সংবাদ সম্মেলনে ইংল্যান্ডের এক নম্বর গোলরক্ষক বলেন, ‘মেসি তার ক্যারিয়ারে অসংখ্য গোল করেছে এবং দলের জয়ে অবিশ্বাস্য অবদান রেখেছে। এতদিন টেলিভিশনে দেখার পর এবার তার বিপক্ষে খেলাটা দারুণ অভিজ্ঞতা হবে। আমরা জানি মেসি কতটা অসাধারণ, কিন্তু আর্জেন্টিনা দল হিসেবেও কতটা শক্তিশালী, সেটাও জানি। তাই শুধু মেসিকে নিয়ে পড়ে থাকলে চলবে না। পুরো দলের ওপরই নজর রাখতে হবে এবং তাদের দুর্বলতার জায়গাগুলো কাজে লাগাতে হবে।’

পিকফোর্ডের এই সতর্কতার পেছনে যথেষ্ট কারণও রয়েছে। সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালে ৩-১ গোলে জিতলেও কোনো গোলই করেননি মেসি। তবে প্রথম গোলের আক্রমণ তৈরিতে তার অবদান ছিল গুরুত্বপূর্ণ। বাকি গোল দুটি আসে হুলিয়ান আলভারেজ ও লাউতারো মার্তিনেজের পা থেকে। অর্থাৎ, মেসির পাশাপাশি স্কালোনির আক্রমণভাগের অন্যরাও সমান কার্যকর।

চলমান বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত ৮ গোল করে এমবাপ্পের সঙ্গে যৌথভাবে গোল্ডেন বুটের শীর্ষে রয়েছেন মেসি। তবে দলগত আক্রমণে সবচেয়ে এগিয়ে আর্জেন্টিনাই। আসরে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ ১৬ গোল করেছে বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। মেসির পাশাপাশি লাউতারো মার্তিনেজ, হুলিয়ান আলভারেজ, আলেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার ও লিসান্দ্রো মার্তিনেজও গোলের খাতা খুলেছেন।

অন্যদিকে, ইংল্যান্ডের রক্ষণভাগের জন্যও অপেক্ষা করছে কঠিন পরীক্ষা। থ্রি লায়ন্সরা চলতি বিশ্বকাপে ৬ গোল হজম করেছে, যার মধ্যে ৫টিই এসেছে শেষ তিন নকআউট ম্যাচে। তাই আটলান্টার সেমিফাইনালে শুধু মেসিকে আটকে রাখাই নয়, আর্জেন্টিনার সমন্বিত আক্রমণও সামলাতে হবে পিকফোর্ডদের।

সেমিতে কোন দলের ম্যাচে টিকিটের দাম সবচেয়ে বেশি

ফুটবল বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে যে চারটি দল মুখোমুখি হতে যাচ্ছে তারা প্রত্যেকে পরাশক্তি হিসেবে পরিচিত। কিন্তু তাদের ম্যাচের টিকিট বিক্রির তথ্য ভিন্ন চিত্র দেখাচ্ছে। এক ম্যাচের টিকিটের দাম অন্যটির তুলনায় দ্বিগুণের বেশি।

ডালাসে মঙ্গলবার রাতে প্রথম সেমিফাইনালে মাঠে নামবে ফ্রান্স ও স্পেন। টিকিট ট্র্যাকিং সেবা ‘টিকিটডেটা ডটকম’-এর তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ সময় সোমবার রাত ১০টায় (ইস্টার্ন টাইম দুপুর ১২টা) এই ম্যাচের টিকিটের দাম ছিল ১ হাজার ৩২৫ ডলার। গত তিনদিনে দাম ২৬ শতাংশ কমেছে। বর্তমান মূল্য দ্বিতীয় সেমির টিকিটের তুলনায় প্রায় অর্ধেক।

বুধবার আটলান্টায় ইংল্যান্ডের বিপক্ষে মাঠে নামবে আর্জেন্টিনা। মেজর লিগ সকারের (এমএলএস) দল আটলান্টা ইউনাইটেড এফসির একটি বড় আর্জেন্টাইন সমর্থক গোষ্ঠী আছে। আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের সাবেক ম্যানেজার জেরার্ডো মার্টিনো গত নভেম্বরে এই ক্লাবের প্রধান কোচ হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন।

শুরুতে এই ম্যাচের টিকিটের দাম ছিল ২ হাজার ৮৪১ ডলার। ডাইনামিক প্রাইসিংয়ের কারণে গত তিনদিনে তা ৩৪ শতাংশ বাড়ে। শনিবার দাম সর্বোচ্চ ২ হাজার ৯৬৬ ডলারে উঠেছিল। তবে পরদিন সকালে কিছুটা কমে ২ হাজার ৫৩৭ ডলারে দাঁড়ায়।

দ্বিতীয় সেমির টিকিটের দাম তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচের চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ। মায়ামিতে আগামী শনিবার অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচের টিকিটের দাম ১ হাজার ৫৪৩ ডলার।

আগামী রোববার নিউইয়র্কে হতে যাওয়া ফাইনাল ম্যাচের টিকিটের দাম বর্তমানে ৬ হাজার ৭৬০ ডলার। গত ৭২ ঘণ্টায় তা প্রায় ৬ শতাংশ কমেছে। গত বছরের অক্টোবরে ফাইনালের আগাম টিকিটের দাম ছিল সর্বোচ্চ ১৩ হাজার ৬৫০ ডলার।

সায়েন্সল্যাব ছেড়ে শিক্ষা ভবনের দিকে শিক্ষার্থীরা, ঢাবিতে পুলিশের বাধা

তিন দফা দাবিতে রাজধানীর সায়েন্সল্যাব মোড় অবরোধের পর মিছিল নিয়ে শিক্ষা ভবনের উদ্দেশে রওনা হওয়া এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি চত্বরে আটকে দিয়েছে পুলিশ। এ সময় প্রধানমন্ত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ায় এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার এবং বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার দুপুরে বিভিন্ন কলেজের পরীক্ষার্থীরা মিছিল নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় জড়ো হন। পরে তারা শিক্ষা ভবনের দিকে যাওয়ার চেষ্টা করলে ভিসি চত্বরে পুলিশ তাদের বাধা দেয়।

একপর্যায়ে ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছিরসহ নেতাকর্মীরা ঘটনাস্থলে এসে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি দাবিগুলো নিয়ে আলোচনার জন্য পাঁচজন প্রতিনিধি মনোনীত করার আহ্বান জানান এবং তাদের নিয়ে সরকারের সঙ্গে আলোচনায় নেওয়ার কথা বলেন।

পরে শিক্ষার্থীরা মিছিল নিয়ে ইডেন কলেজের সামনে দিয়ে শিক্ষাভবনের দিকে রওনা হন।

আন্দোলনে সিটি কলেজ, কবি নজরুল সরকারি কলেজ, মুন্সী আব্দুর রউফ কলেজ, উদয়ন কলেজ, মাইলস্টোন কলেজ, কমার্স কলেজ, ঢাকা ওরিয়েন্টাল কলেজ, হামদর্দ পাবলিক কলেজ, সিদ্ধেশ্বরী কলেজসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।

আন্দোলনকারী পরীক্ষার্থীরা তিন দফা দাবি জানিয়েছে। দাবিগুলো হলো— বৈরী আবহাওয়া পুরোপুরি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত রাখা, ১৩ জুলাই প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে যারা পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেননি তাদের জন্য পুনঃপরীক্ষার ব্যবস্থা করা এবং আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার মধ্যেও পরীক্ষা নেওয়ায় অনেক পরীক্ষার্থী কেন্দ্রে পৌঁছাতে চরম ভোগান্তির শিকার হয়েছেন। এছাড়া সম্পূর্ণ সিলেবাস শেষ না করেই পরীক্ষা নেওয়ায় অনেকেই প্রত্যাশিতভাবে পরীক্ষা দিতে পারেননি।

ফেসবুকে জামায়াত আমির লক্ষণ ভালো নয়, এদের খুঁটির জোর কোথায়?

চট্টগ্রাম নগরীর চকবাজারে চাঁদা দাবিতে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় অপরাধীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তবে তাদের কঠিন শাস্তি হবে কিনা তা নিয়েও তিনি সংশয় প্রকাশ করেছেন।

হামলাকারীদের রাজনৈতিক পরিচয় প্রকাশের আহ্বান জানিয়ে তিনি প্রশ্ন রেখেছেন, ‘এদের খুঁটির জোর কোথায়? এই লক্ষণ খুব ভালো নয়।’

মঙ্গলবার সকালে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড অ্যাকাউন্টে এক পোস্টে তিনি এসব কথা লেখেন। জামায়াত আমির লিখেছেন, ‘চট্টগ্রাম নগরীতে এক ইন্টারনেট ব্যবসায়ীর প্রতিষ্ঠানে ঢুকে তাণ্ডব চালানো দুর্বৃত্তদের সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিচয় থাকলে তা প্রকাশ করুন। তাদের পাকড়াও করে আইনের আওতায় আনুন। জানি না, কঠিন শাস্তির বিধান হবে কি না। লক্ষণ খুব ভালো নয়।’

দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি লেখেন, ‘জনগণকেই এখন নিজেদের আত্মরক্ষার জন্য সব ধরনের ব্যবস্থা নিতে হবে। কারণ সরকার কোনো কার্যকর নিরাপত্তা দিতে পারছে না। একের পর এক অভিনব ঘটনা ঘটেই চলছে।’

 জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের ফেসবুক পোস্ট

জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের ফেসবুক পোস্ট

প্রসঙ্গত, আগের দিন সোমবার চট্টগ্রাম নগরীর চকবাজারের এক্সেস রোডে ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানের (ডিডিএন) মালিক আদিল বিন মামুনের কাছে চাঁদা দাবি করে তাকে হুমকি দেন শীর্ষ সন্ত্রাসী সাজ্জাদ হোসেন ওরফে বড় সাজ্জাদের অন্যতম সহযোগী ডেবিট ইমন। তাঁর কথামতো চাঁদা না দেওয়ায় দুই দিন পার হওয়ার পর সোমবার ওই প্রতিষ্ঠানে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে মুখোশধারী এক দল সশস্ত্র দুর্বৃত্ত।

প্রতিষ্ঠানটির লোকজন বলেন, সাজ্জাদ গ্রুপ দুই কোটি টাকা চাঁদা দাবি করেছিল। টাকা না পেয়ে এ হামলা চালিয়েছে। এতে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। গতকাল দুপুরে ১৫-২০ জনের একটি দল কার্যালয়ের ভেতরে ঢুকে ভাঙচুর চালায়।  তিন মিনিট ভাঙচুর চালিয়ে অফিস ত্যাগ করেন দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় সন্ধ্যায় ডিডিএনের মালিক পক্ষ মামলা দায়েরের জন্য নগরের চকবাজার থানায় যায়।

ডিডিএনের মালিক আদিল বিন মামুন বলেন, ‘বিদেশি একটি নম্বর থেকে দুই দিন আগে আমাকে ফোন করে ডেবিট ইমন পরিচয় দেওয়া এক ব্যক্তি। ফোনে প্রথমে ব্যবসা বন্ধ করে দিতে বলে। আর ব্যবসা করলে এককালীন দুই কোটি টাকা ও মাসে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দিতে বলে। তার কথা মতো চাঁদা না দেওয়ায় দুই দিন পরই প্রতিষ্ঠানে হামলা চালায়। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ইমন বিদেশে পলাতক সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলীর অনুসারী।’

ঢাবিতে ‘তারুণ্য, স্টার্টআপ ও সম্ভাবনার বাংলাদেশ’ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘তারুণ্য, স্টার্টআপ ও সম্ভাবনার বাংলাদেশ’ শীর্ষক বিশেষ অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সরকার গঠনের পর এটি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তাঁর দ্বিতীয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সফর।

মঙ্গলবার সকাল ১০টায় তিনি ক্যাম্পাসে পৌঁছালে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা তাঁকে স্বাগত জানিয়ে মিছিল করেন। এ সময় সাধারণ শিক্ষার্থীরাও হাত নেড়ে প্রধানমন্ত্রীকে অভিবাদন জানান।

নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে ধর্মগ্রন্থ পাঠ ও জাতীয় সঙ্গীতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন হয়। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের উদ্যোগে এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগিতায় আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত রয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম এবং প্রধানমন্ত্রীর তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ।

অনুষ্ঠানের শুরুতে আইসিটি বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সচিব মো. মামুনুর রশীদ ভূঁইয়া সূচনা বক্তব্য দেন। স্বাগত বক্তব্য দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মোরশেদ হাসান খান। সমাপনী পর্বে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. বি. এম. ওবায়দুল ইসলাম।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের স্টার্টআপ খাত নিয়ে একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হবে। পাশাপাশি সফল উদ্যোক্তাদের অভিজ্ঞতা বিনিময়, প্রধানমন্ত্রী ও শিক্ষার্থীদের মুক্ত আলোচনা এবং নির্বাচিত উদ্যোক্তাদের মধ্যে অনুদানের চেক বিতরণের কর্মসূচি রয়েছে।

এদিন ‘জাতীয় স্টার্টআপ ও উদ্যোক্তা প্ল্যাটফর্ম’-এরও আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হবে। এ ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে উদ্যোক্তারা সরকারি সহায়তা, প্রশিক্ষণ, পরামর্শ, বিনিয়োগের সুযোগ ও বিভিন্ন সেবা এক জায়গায় পাবেন।

তরুণদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব উদ্যোগে রূপ দেওয়া, প্রযুক্তিনির্ভর কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং উদ্যোক্তা উন্নয়নের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিকে আরও গতিশীল করা সরকারের লক্ষ্য। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে ইতোমধ্যে ৫০০ কোটি টাকার স্টার্টআপ তহবিল গঠন করা হয়েছে। উদ্বোধনী পর্ব শেষে দুপুর ১টা থেকে অনুষ্ঠানটি সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

এর আগে ১২ মে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের উদ্যোগে ‘ট্রান্সফরমিং হায়ার এডুকেশন ইন বাংলাদেশ: রোডম্যাপ টু সাসটেইনেবল এক্সিলেন্স’ শীর্ষক কর্মশালায় অংশ নিয়েছিলেন তারেক রহমান।