Home Blog Page 622

মহান স্বাধীনতা দিবস আজ

আজ ২৬ মার্চ, ৫৩তম মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস। ১৯৭১ সালে আজকের এই দিনে শুরু হয় আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রাম। নানা আয়োজনে দিবসটি উদযাপন করা হবে। মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো: আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও দেশের অন্য রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ পৃথক বাণীতে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। সেই সাথে গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছেন মহান স্বাধীনতাযুদ্ধে জীবন উৎসর্গকারী শহীদদের প্রতি। দিবসটি উপলক্ষে সারা দেশে বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।

১৯৭১ সালের ৭ মার্চ তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের স্বাধীনতার সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম’ ঐতিহাসিক ভাষণের মাধ্যমে মুক্তিপাগল সচেতন শ্রেণি পরবর্তী করণীয় সম্পর্কে ইঙ্গিত লাভ করে। এরপর সমস্যা সমাধানে ১৬ মার্চ থেকে ২৪ মার্চ পর্যন্ত জেনারেল ইয়াহিয়া খানের সাথে বঙ্গবন্ধুর দীর্ঘ আলোচনা ব্যর্থতার দিকে গড়াতে থাকলে অনেকেই যুদ্ধের জন্য প্রস্তুতি নিতে থাকেন। মার্চের সেই উত্তাল দিনগুলোতে এভাবে প্রস্তুত হতে থাকে যুদ্ধের ক্ষেত্র।

২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তান বিমানবাহিনীর একটি বিশেষ বিমানে করাচির উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেন ইয়াহিয়া খান। রাত ১১টায় তিনি করাচি পৌঁছার খবর ঢাকায় পাঠানোর পরপরই শুরু হয় গণহত্যা অভিযান। রাজপথে নেমে আসে ট্যাংক এবং সশস্ত্র সৈন্য। পূর্ব পাকিস্তানের ন্যায্য দাবি আদায়ের আন্দোলন চিরতরে স্তব্ধ করে দেয়ার জন্য শুরু হয় ইতিহাসের নির্মম হত্যাকাণ্ড। ২৫ মার্চে গণহত্যা পরিচালনার সময় পুলিশ, তৎকালীন ইপিআর এবং বিভিন্ন ক্যান্টনমেন্টে বাঙালি সৈনিক ও অফিসাররা প্রতিরোধ গড়ে তোলার চেষ্টা করেন। পরের দিন থেকে শুরু হয় স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধ। যে যার মতো ঝাঁপিয়ে পড়েন চূড়ান্ত সেই যুদ্ধে। দীর্ঘ ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী লড়াই-সংগ্রাম আর ত্যাগের বিনিময়ে ১৯৭১ সালে ১৬ ডিসেম্বর অর্জিত হয় মহান বিজয়। এ দেশের মুক্তিকামী মানুষ পায় লাল-সবুজের পতাকা খচিত একটি স্বাধীন ভূখণ্ড।

রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বাণী
রাষ্ট্রপতি মো: আবদুল হামিদ ২৬ মার্চ ‘মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস’ উপলক্ষে দেয়া এক বাণীতে দেশে ও প্রবাসে বসবাসরত সব বাংলাদেশীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও উষ্ণ অভিনন্দন জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, স্বাধীনতার কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জনে জনমুখী ও টেকসই উন্নয়ন, সুশাসন, সামাজিক ন্যায়বিচার, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে। রাষ্ট্রপতি প্রত্যাশা ব্যক্ত করে বলেন, দেশের অগ্রযাত্রা বেগবান করতে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা আর বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ধারণ করে জাতি এগিয়ে যাক বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ার পথে মহান স্বাধীনতা দিবসে এ আমার প্রত্যাশা।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাণীতে দেশে এবং প্রবাসে বসবাসকারী সব বাংলাদেশী নাগরিককে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, ‘আমি গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, বাংলাদেশের মহান স্থপতি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে, যার অত্যন্ত বলিষ্ঠ ও দূরদর্শী নেতৃত্বে আমরা একটি স্বাধীন রাষ্ট্র পেয়েছি। স্মরণ করছি জাতীয় চার নেতাসহ মুক্তিযুদ্ধের সংগঠকগণকে, যাদের সুযোগ্য দিকনির্দেশনায় সফলভাবে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালিত হয়েছিল।

প্রধানমন্ত্রী স্বাধীনতা দিবস ও জাতীয় দিবসের এই মাহেন্দ্রক্ষণে সব বাংলাদেশীকে মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও আদর্শ লালন করে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত, আত্মপ্রত্যয়ী ও আত্মমর্যাদাশীল ‘সোনার বাংলাদেশ’ বিনির্মাণে অংশগ্রহণ করার আহ্বান জানান।

কর্মসূচি : মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপনের লক্ষ্যে জাতীয়পর্যায়ে বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। এদিন ঢাকাসহ সারা দেশে প্রত্যুষে ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে দিবসটির সূচনা হবে। সূর্যোদয়ের সাথে সাথে রাষ্ট্রপতি মো: আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন। এরপর মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রীর নেতৃত্বে উপস্থিত বীরশ্রেষ্ঠ পরিবার, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও বীর মুক্তিযোদ্ধারা পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন। বাংলাদেশে অবস্থিত বিদেশী ক‚টনীতিকবৃন্দ, বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনসহ সর্বস্তরের জনগণ পুষ্পস্তবক অর্পণ করে মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাবেন। এ উপলক্ষে সব সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি ভবনে সূর্যোদয়ের সাথে সাথে জাতীয় পতাকা এবং ঢাকা শহরে সহজে দৃশ্যমান ভবনগুলোয় জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হবে এবং গুরুত্বপূর্ণ ভবন ও স্থাপনাগুলো আলোকসজ্জায় সজ্জিত করা হবে।

এদিন সরকারি ছুটি। দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে এ দিন সংবাদপত্রগুলো বিশেষ ক্রোড়পত্র, নিবন্ধ ও সাহিত্য সাময়িকী প্রকাশ করবে। এ উপলক্ষে ইলেকট্রনিক মিডিয়াগুলো মাসব্যাপী মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বিভিন্ন অনুষ্ঠানমালা প্রচার করছে। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি, বাংলা একাডেমি, জাতীয় জাদুঘর, মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর, শিশু একাডেমিসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক আলোচনা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, শিশুদের চিত্রাঙ্কন, রচনা ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতা এবং মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনের আয়োজন করেছে। এছাড়া মহানগর, জেলা ও উপজেলায় বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং শহীদ পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা প্রদান করা হবে। বাংলাদেশ ডাক বিভাগ স্মারক ডাক টিকিট প্রকাশ করবে। ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোতে দেশের শান্তি, সমৃদ্ধি ও অগ্রগতি কামনা করে বিশেষ দোয়া ও উপাসনার আয়োজন করা হয়েছে।

সরকারি দল আওয়ামী লীগ দিবসটি উপলক্ষে দুই দিনব্যাপী বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে- আজ সূর্যোদয় ক্ষণে বঙ্গবন্ধু ভবন, কেন্দ্রীয় কার্যালয় এবং সারা দেশে সংগঠনের কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন, সকাল ৬টায় জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন (রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদনের পরে), সকাল ৬টা ৪৫ মিনিটে ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে স্বাস্থ্য সুরক্ষা বিধি মেনে শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণ, বেলা ১১টায় আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের একটি প্রতিনিধিদল টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন এবং বাদ জোহর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদসহ দেশের সব মসজিদে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। এ ছাড়াও মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে মন্দির, গির্জা ও প্যাগোডাসহ বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়ে বিশেষ প্রার্থনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।

কর্মসূচির দ্বিতীয় দিন আগামীকাল সোমবার বেলা ১১টায় বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। সভায় আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সভাপতিত্ব করবেন। গতকাল শনিবার এক বিবৃতিতে দলের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের আওয়ামী লীগের কর্মসূচির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ কর্মসূচি গ্রহণ করে স্বাস্থ্য সুরক্ষা বিধি মেনে যথাযথ মর্যাদায় মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের জন্য আওয়ামী লীগ এবং সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী, সমর্থক, শুভানুধ্যায়ী ও সর্বস্তরের জনগণের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন।

কবিতা/জাতির পিতা

জাতির পিতা

সমৃদ্ধি সততা দৃষ্টি

তুমি আমাদের মহান নেতা 

সবার প্রিয় জাতির পিতা

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। 

সবার কাছে শ্রেষ্ঠ তুমি 

আর অতি আপন জন!

প্রিয় মনের মণিকোঠায় 

তোমার অসামান্য আসন। 

আজও আকাশে-বাতাসে

তোমার আহ্বানের সেই-

বজ্রকন্ঠ ভাসে। 

জাতির সকল দুর্দিনে

তুমি যে ছিলে সবার পাশে। 

তুমিতো করেছো 

এ দেশকে স্বাধীন-

না হলে আজও আমরা 

থাকতাম পরাধীন!

তুমি-তো সকলের প্রিয়

করেছো দেশ ও জাতির কল্যাণ।

এমন সোনার দেশ পেয়েছি

সেতো তোমারই অবদান।

কবিতা / জাগো মোমিন

জাগো মোমিন
মোঃ এনামুল হক

নিশি রাতে জাগো মোমিন
এলো রমাদান,
আরামের ঘুম হারাম করে
সেহরি করো পান।

দিনের খাবার রাতে খাবো
করবে না কেউ মানা,
পাপ কর্ম করবো নাকো
প্রভুর কাছে চাই ক্ষমা।

মুখে আহার তুলবো নাকো
থাকবো অনাহারে,
রোজা রাখলো না খেয়ে যে
ইফতার দিব তারে।

সিয়াম সাধনায় মত্ত থাকবো
দিন রজনী ধরে,
ইফতার শেষে তারাবির নামাজ
পড়বো মসজিদ ঘরে।

সময় কালে মোমিন ধরো
সিয়াম সাধনা,
সামনের বছর এমন দিনটি
হয়তো পাবো না।

প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন তোলার অধিকার যুক্তরাষ্ট্রের নেই : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম বলেছেন, বাংলাদেশে সংসদীয় গণতন্ত্র রয়েছে। একজন প্রধানমন্ত্রীর যতটুকু ক্ষমতা থাকা প্রয়োজন, ঠিক ততটুকুই আছে। এটার মাত্রা নিয়ে কোনো বন্ধু রাষ্ট্রের উদ্বেগ, সংশয় বা প্রশ্ন উত্থাপন করার নৈতিক অধিকার নেই। তিনি বলেন, অনিবন্ধিত সংগঠন থেকে তথ্য নিয়ে প্রতিবেদন তৈরি বেআইনি কাজ। আমি যুক্তরাষ্ট্রসহ অন্যান্য বন্ধু রাষ্ট্রগুলোকে এটা থেকে দূরে থাকার অনুরোধ জানাব।
বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা প্রধানমন্ত্রীর হাতে কেন্দ্রীভূত – মার্কিন মানবাধিকার প্রতিবেদনের এই অভিমত সম্পর্কে জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী উপরোক্ত মন্তব্য করেন। গতকাল সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি আরো বলেন, এই প্রতিবেদনগুলোর মৌলিক কিছু ঘাটতি রয়েছে। প্রথমত, বন্ধুরাষ্ট্র হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রকে আমরা বলি প্রতিবেদনগুলোর প্রকাশ করার আগে আমাদের যাতে জানানো হয় এবং আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেয়া হয়। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে বিভিন্ন সময় এ ব্যাপারে প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছে। কিন্তু বরাবরের মতোই এবারো সেই প্রতিশ্রুতি রাখা হয়নি।

দ্বিতীয়ত, প্রতিবেদনে ওপেন সোর্স থেকে তথ্যগুলো নেয়া হয়। এতে স্ববিরোধিতা থাকে। অনেক সময় বলা হয়, মিডিয়া বা বাকস্বাধীনতা খর্ব করা হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের মানবাধিকার প্রতিবেদনে ওপেন সোর্স ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়েছে। এতে প্রমাণ হয়, গণমাধ্যমকে সংবাদ প্রকাশে সরকার কোনো বাধা দেয় না। তৃতীয়ত, প্রতিবেদনে বেশ কিছু এনজিও এবং আইএনজিওর রেফারেন্স দেয়া হয়েছে। এর অন্যতম হলো এনজিও সংস্থা অধিকার। পরিষ্কার ভাষায় বলতে চাই, বাংলাদেশে কর্মকাণ্ড পরিচালনার জন্য অধিকারকে কোনো লাইসেন্স দেয়া হয়নি। তাদের লাইসেন্স নবায়নের আবেদন বাতিল করা হয়েছে। আপিলেও তা খারিজ হয়েছে। কোনো নাগরিক সমাজ সম্পৃক্ত সংগঠন বা এনজিওর রাজনৈতিক ইতিহাস থাকলে তাদের নিরপেক্ষতার দৃষ্টিকোনো থেকে দেখার সুযোগ নেই। এ ধরনের ঘাটতি অব্যাহতভাবে থাকলে মানবাধিকার বা অন্য কোনো প্রতিবেদনগুলোর গ্রহণযোগ্যতা হারিয়ে যায়।
শাহরিয়ার আলম বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের মানবাধিকার প্রতিবেদন আমরা বিশ্লেষণ করে দেখবো এতে আমলে নেয়ার কোনো বিষয় রয়েছে কি না। সামনে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে আমাদের উচ্চ পর্যায়ের দ্বিপক্ষীয় সফর বিনিময় ও বিভিন্ন পর্যায়ে বৈঠক রয়েছে। এগুলোতে আমরা প্রতিবেদনের ঘাটতিগুলো তুলে ধরবে, যাতে আগামী বছরের প্রতিবেদনে এই ঘাটতিগুলো না থাকে।

রাশিয়াকে চীনের `কৌশলগত পার্টনার’ আখ্যা দিলেন শি জিনপিং

চীনা নেতা শি জিনপিং এবং রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন আজ মঙ্গলবার তাদের আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু করছেন। শি এক রাষ্ট্রীয় সফরে গতকাল মস্কোয় পৌঁছেছেন।

চীনা প্রেসিডেন্ট রাশিয়া ও চীনকে ‘কৌশলগত পার্টনার’ এবং ‘বড় প্রতিবেশি শক্তি’ বলে বর্ণনা করেছেন। আজ মস্কোতে তার সফরের দ্বিতীয় দিনে শি ভ্লাদিমির পুতিনকে এ’বছর “তার সময় সুযোগমতো” চীন সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন এবং বলেছেন মস্কোর সাথে যোগাযোগকে তিনি অগ্রাধিকার দেবেন।

রাশিয়ার প্রধানমন্ত্রী মিখাইল মিশুস্তিনের সাথে আজ ইতোমধ্যেই বৈঠক করেছেন শি জিনপিং এবং এই বৈঠকের সময় তিনি এসব কথা বলেছেন।

রুশ সৈন্য ইউক্রেন আক্রমণ করার পর এটাই শি-র প্রথম মস্কো সফর।

ইউক্রেন যুদ্ধের প্রসঙ্গ
সফরের প্রথম দিন সোমবার দুই প্রেসিডেন্ট চার ঘণ্টারও বেশি সময় কথা বলেছেন এবং দুজন দুজনকে “প্রিয় বন্ধু” বলে উল্লেখ করেছেন।

দুই নেতাই প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তাদের আজকের আলোচনায় অন্যান্য বিষয়ের মধ্যে ইউক্রেন যুদ্ধের প্রসঙ্গও স্থান পাবে।

চীনা সরকার বলে আসছে এই যুদ্ধের ব্যাপারে তাদের অবস্থান পক্ষপাতহীন, কিন্তু কোনো কোনো বিশ্লেষক মনে করেন বেইজিংয়ের শান্তি পরিকল্পনা আসল উদ্দেশ্য আড়াল করার জন্য একটা ধোঁয়াটে পর্দার মতো এবং এই পরিকল্পনাকে সামনে রাখলে চীনের পক্ষে রাশিয়ার আক্রমণকে সমর্থন করা সহজ হবে।

তবে জানা যাচ্ছে যে শি ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট মি, জেলেনস্কির সাথে ভিডিও কলে কথা বলবেন। ইউক্রেনে রুশ হামলা শুরুর পর থেকে শি ও জেলেনস্কির মধ্যে কোনো কথা হয়নি।

কিয়েভে জাপানের প্রধানমন্ত্রী
চীন ইউক্রেন এবং রাশিয়াকে শান্তি আলোচনায় বসানোর ব্যাপারে রাজি করাতে পারবে এমন সম্ভাবনা কম হলেও চীনা নেতা শি জিনপিং এবং ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির মধ্যে এই ভিডিও কল আদৌ হয় কিনা কিয়েভ সেই অপেক্ষায় রয়েছে।

এদিকে শি যখন মস্কো সফর করছেন তখন পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই আকস্মিক এক সফরে একই সময়ে কিয়েভে পৌঁছেছেন জাপানের প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদা। তিনিও আজ জেলেনস্কির সাথে বৈঠকে বসছেন।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন শি-র মস্কোয় রাষ্ট্রীয় সফরের সময়ই জাপানি প্রধানমন্ত্রীর আকস্মিক কিয়েভ সফর চীনা প্রেসিডেন্টের ওপর বড় রকমের চাপ তৈরি করবে।

জাপানি প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর শেষ করে নিজের দেশে ফিরে যাবার কথা ছিল। কিন্তু তিনি হঠাৎ করেই পরিকল্পনা বদলে পোল্যান্ডে পৌঁছেছেন এবং সেখান থেকে ট্রেনে কিয়েভ গেছেন।

মস্কোয় শি-এর সফরে শান্তি প্রস্তাব নিয়ে কোনরকম অগ্রগতি হয়ত হবে না, কিন্তু চীনা ও জাপানি দুই নেতা তাদের সফরে ইউক্রেনের যুদ্ধ এবং সার্বিকভাবে বিশ্ব শান্তির বিষয়গুলোকে কতটা গুরুত্ব বা অগ্রাধিকার দিয়েছেন, তা নিয়ে তুলনামূলক কাটাছেঁড়া যে অবশ্যম্ভাবী হবে সে বিষয়ে কোন সন্দেহ নেই বলেই বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।

চীনা নেতার মস্কো সফরের প্রথম দিনে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংকে বলেছেন, “ইউক্রেন সংকট নিরসনে” বেইজিংয়ের দেয়া প্রস্তাবগুলো তিনি পড়ে দেখেছেন এবং এ নিয়ে তিনি আলোচনা করবেন।

দুই নেতার মধ্যে গতকালের দীর্ঘ আলোচনায় ইউক্রেন যুদ্ধ অবসান নিয়ে চীনের দেয়া ১২ দফা শান্তি প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হলেও তাদের আলোচনার বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।

ক্রেমলিন শুধু জানিয়েছে যে দুই নেতা “বিস্তারিতভাবে” মতবিনিময় করেছেন এবং ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ সাংবাদিকদের বলেছেন আজ দুই নেতার বৈঠকের পর আরো পরের দিকে এক যৌথ বিবৃতিতে তাদের আলোচনার বিষয়ে জানানো হবে।

গত মাসে এই ১২ দফা প্রস্তাব দেয় চীন। তবে এতে ইউক্রেন থেকে রুশ সেনা প্রত্যাহারের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কিছু উল্লেখ নেই।

বরং এতে সব রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্বকে সম্মান জানানোর কথা, এবং সব পক্ষকে “যৌক্তিক আচরণ” করার বলা হয়েছে।

এদিকে, শুক্রবার আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত প্রেসিডেন্ট পুতিনের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ এনেছে এবং তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে।

চীন এই আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতকে স্বীকৃতি দেয় না।

সূত্র : বিবিসি

বিএনপি নেতারা চায় না বেগম খালেদা জিয়া মুক্তি পাক : তথ্যমন্ত্রী

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, আসলে বিএনপি নেতারা চায় না বেগম খালেদা জিয়া মুক্তি পাক।

তিনি বলেন, ‘বিএনপি নেতারা বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি চাইলে আদালতে গিয়ে আইনজীবী দিয়ে মামলা লড়তো। তারা কিন্তু মামলা লড়ে না। বেগম খালেদা জিয়া মুক্তি পেলে ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাহেবদের মাতব্বরিটা আর থাকে না, সেজন্য উনারা চান না যে, বেগম খালেদা জিয়া কারাগার থেকে মুক্তি পাক।’

মঙ্গলবার (২১ মার্চ) বিকেলে রাজধানীর খামারবাড়িতে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে বঙ্গবন্ধুর ১০৩তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও বিশেষ শিশুদের মাঝে হুইল চেয়ার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

ড. হাছান বলেন, ‘বিএনপি নেতারা কিছুদিন আগে বলেছিলেন বেগম খালেদা জিয়া এমন অসুস্থ যে, উনাকে যদি বিদেশ নেয়া না হয়, উনি মারা যাবেন। তাদের কথায় মনে হচ্ছিল, তারা চাচ্ছিল বেগম খালেদা জিয়া মারা যাক। উনি বাংলাদেশের চিকিৎসকদের চিকিৎসায় ভালো হয়ে গেলেন।’

হাছান মাহমুদ আরো বলেন, ‘এখন কোনো ইস্যু নাই। বেগম খালেদা জিয়ার অসুস্থতার ইস্যু হালে পানি পায় নাই। ১০ ডিসেম্বর বড় একটা অশ্ব ডিম পেড়েছিল। তাদের আন্দোলনে তাদের নেতারা, কর্মীরাও সাড়া দেয় নাই। এখন কোনো ইস্যু নাই, এখন তারা রোড এক্সিডেন্টের মধ্যে গেছে।’

ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বেনজির আহমেদ এমপির সভাপতিত্বে সভায় প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ. রহমান, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম এমপি, দফতর সম্পাদক ব্যরিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, কার্যনির্বাহী সদস্য আনোয়ার হোসেন, আওয়ামী লীগের জাতীয় কমিটির সদস্য আব্দুল বাতেন মিয়া ও ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পনিরুজ্জামান তরুণসহ অন্য নেতারা অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন।

সূত্র : বাসস

বিএনপি রাষ্ট্রক্ষমতায় গেলে দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট সংসদ হবে : আমীর খসরু

বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, বিএনপি রাষ্ট্রক্ষমতায় গেলে দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট সংসদ হবে।

মঙ্গলবার (২১ মার্চ) বিকেলে সিলেট জেলা বিএনপির উদ্যোগে নগরীর দরগাহ গেইটস্থ একটি হোটেলে ‘রাষ্ট্রকাঠামো মেরামতের রুপরেখা’ শীর্ষক ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণমূলক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, রাজনীতিতে পেশাজীবীদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পেশাজীবীদের মাধ্যমে রাজনীতিবীদদের সাথে জনগণের সেতুবন্ধন তৈরি হয়। বাংলাদেশের ৬৫ ভাগ ভোটার তরুণ। এ তরুণদের মধ্যে রাষ্ট্রকাঠামো মেরামতের ২৭ দফা সম্পর্কে সচেতন করতে হবে। দেশ আজ যে গর্তের মধ্যে পড়েছে তা থেকে উত্তোলনের জন্যই রাষ্ট্রকাঠামো মেরামতের প্রস্তাবনা দেয়া হয়েছে।

আজ রাষ্ট্রে মানবাধিকার নাই, ভোটাধিকার নাই, কথা বলার স্বাধীনতা নাই, জীবনের নিরাপত্তা নাই। ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার জন্য সংবিধানকে দলীয় দলিলে পরিণত করা হয়েছে। ফ্যাসিস্ট সরকারের বিদায় হওয়ার পর দেশে জনগণের সরকার প্রতিষ্টা হবে। তখন নতুন সরকারকে সুশাসন নিশ্চিত করার জন্য রাষ্ট্রকাঠামোকে মেরামত করা অপরিহার্য। এই ফ্যাসিস্ট বিদায়ের পরে বিএনপি কোনো নীতিতে দেশ পরিচালনা করবে, এমন বিষয়কে সামনে রেখেই দীর্ঘ গবেষণার পর রাষ্ট্রকাঠামো মেরামতের এই ররূপরেখা তৈরি করা হয়েছে। সুশাসন নিশ্চিত করার জন্য উচ্চ কক্ষ ও নিম্ন কক্ষ থাকবে।

সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরীর সঞ্চালনায় সভাটি হয়। এতে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহ ও খন্দকার আবদুল মুক্তাদির। জেলা বিএনপির সহ প্রশিক্ষণবিষয়ক সম্পাদক জাহেদ আহমদের কুরআন তেলাওয়াতের মধ্যদিয়ে শুরু হওয়া সভায় বক্তব্য রাখেন মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী।

সভায় আরো বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট আশিক উদ্দিন আশুক, প্রফেসর ড. সাজেদুল করিম, মহানগর লেবার পার্টির সভাপতি মাহবুবুর রহমান খালেদ, সিলেট পেশাজীবী পরিষদের সভাপতি ডা. শামিমুর রহমান, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ( শাবিপ্রবি) শিক্ষক প্রফেসর ড. শাহ আতিকুল হক, প্রফেসর খালেকুর রহমান, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (সিকৃবি) শিক্ষক প্রফেসর ড. মোজাম্মেল হক, জেলা বিএনপির দফতর সম্পাদক অ্যাডভোকেট সাঈদ আহমদ।

আরা উপস্থিত ছিলেন জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের আহ্বায়ক এটিএম ফয়েজ, জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা আব্দুল মালিক চৌধুরী, মহানগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক রেজাউল হাসান কয়েস লোদী ও সৈয়দ মঈন উদ্দিন সুহেল, জেলা বিএনপি নেতা হাজী শাহাব উদ্দিন আহমদ, শাহ জামাল নুরুল হুদা, ফখরুল ইসলাম ফারুক, এ কে এম তারেক কালাম, শহিদ আহমদ চেয়ারম্যান, ইশতিয়াক আহমদ সিদ্দিকী, অ্যাডভোকেট হাসান আহমদ পাটোয়ারী রিপন, তাজরুল ইসলাম তাজুল, মামুনুর রশিদ মামুন, আনোয়ার হোসেন মানিক, মাহবুবুল হক চৌধুরী, অ্যাডভোকেট আবু তাহের, ওয়াহিদুজ্জামান চৌধুরী সুফি, কোহিনুর আহমদ, রফিকুল ইসলাম শাহপরান, সালেহা কবির শেপী, অ্যাডভোকেট আল আসলাম মুমিন, আব্দুল হাফিজ, শাকিল মোর্শেদ, শরিফুল হক, আলী আকবর, আলাউদ্দিন রিপন, জালাল খান, আব্দুল মালেক, মাহবুব আলম, অর্জুন ঘোষ, মনিরুল ইসলাম তোরন, শাহীন আলম জয়, ডা. নাজিম উদ্দিন, আসাদ উদ্দিন, অ্যাডভোকেট ওবায়দুর রহমান ফাহমী, সুলতানা রহমান দিনা, আলাউদ্দিন আলাই, নাজিম উদ্দিন পান্না, বখতিয়ার আহমদ ইমরান, সুমেল আহমদ চৌধুরী, রায়হান এইচ খান ও শামসুর রহমান শামীম প্রমুখ।

আরাভ খান দুবাইয়ে আটক হননি: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

দুবাইয়ে পালিয়ে থাকা রবিউল ইসলাম ওরফে আরাভ খান এখনো সেখানে আটক হননি বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো: শাহরিয়ার আলম।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নিজ দফতরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান তিনি।

রবিউল ইসলাম ওরফে আরাভ খানকে গ্রেফতারে ইন্টারপোলের দ্বারস্থ হয়েছে বাংলাদেশের পুলিশ। তার নামে ‘রেড নোটিশ’ জারি করেছে ইন্টারপোল। এ প্রেক্ষাপটে আজ দুপুর থেকে বিভিন্ন গণমাধ্যমে দুবাইয়ে রবিউলের আটকের খবর আসতে থাকে।

এ আগে, ১৮ মার্চ পুলিশ কর্মকর্তা হত্যা মামলার পলাতক আসামি আরাভ খান ওরফে রবিউল ইসলামকে দেশে ফেরাতে সব ধরনের চেষ্টা চলছে বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

কবিতা/টুঙ্গীপাড়ার সেই ছেলেটি

টুঙ্গীপাড়ার সেই ছেলেটি

 ফজিলা খাতুন।

টুঙ্গীপাড়ার সেই ছেলেটি

প্রতিবাদী বীর সাহসী।

উঠলো জেগে দেশের তরে

মুক্তিযোদ্ধা বীরের বেসে।

স্বাধীনতার সপ্ন নিয়ে

ভাষার তরে জীবন দিলেন।

উদ্দীপনার সেই স্লোগান

নতুন জাতি করলো নির্মাণ।

প্রতিবাদী জোড়ালো কন্ঠ

বাঙালি জাতি মুক্তি পেল।

সেই ছেলেটি বাংলার নায়ক মহান

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

কবিতা/পঁচিশে মার্চ

পঁচিশে মার্চ

রাজীব হাসান

পঁচিশে মার্চ কালো রাতে স্বাধীকারের দাবি মুছে দিতে

পাক বাহিনী চালায় গুলি নির্মমভাবে প্রতিশোধ নিতে

পঁচিশে মার্চ থেকে ঢাকার পরিস্থিতি ছিল বেশ থমথমে

নৌ-পথে পাক বাহিনী বাংলা আসে সবাই হয়ে গমগমে।

ভয়াল সেই কালো রাতে চালায় নির্মম অত্যাচারে রুলার

সেদিনের সে ভয়াল তান্ডব বলো কি সাধ্য আছে ভোলার

বছরের এই দিনটা এলে  বুকে নামে এক অমানিশার ঘোর

আসবে কবে ভয়াল রাত পেরিয়ে এক স্বাধীনতার ভোর।

বাংলার বুকে পঁচিশে মার্চ পাক বাহিনীর চালানো গুলি

লাশে লাশে রাজপথ ভরে গেছে সে কথা কিভাবে ভুলি

রাতে আকাশ আলোকিত হয় কামানের ঝলকানিতে

ছাব্বিশে মার্চ আলো আসে স্বাধীনতার অমর বানীতে।

রাজীব হাসান
গ্রাম- আলামপুর ৩নং
পোষ্ট- কোটচাঁদপুর 
থানা- কোটচাঁদপুর 
জেলা- ঝিনাইদহ 
০১৯৮৫-৮১৫০৭১