Home Blog Page 622

কঙ্গনার বিয়ের পোশাক প্রস্তুত

বলিউডে এখন প্রায় অধিকাংশ অভিনেত্রীই বিবাহিত। কিন্তু এখনো ‘সিঙ্গেল’ কঙ্গনা রানাউত। চারপাশে এত বিয়ে দেখে নাকি আর তর সইছে না বলিউডের ‘কুইন’-এর। লোকসভা নির্বাচনের পর বিয়ে করতে চলেছেন কঙ্গনা!

ইতোমধ্যে নাকি পোশাক নির্বাচনও করে ফেলেছেন তিনি। মুম্বাইয়ের খ্যাতনামা এক পোশাকশিল্পীর কাছে যাতায়াতও বেড়েছে তার। বিয়ের জন্য মুম্বাই নয়, হিমাচলই পছন্দ কঙ্গনার। তবে খুব বেশি আয়োজন নয়, বরং ঘরোয়া পরিবেশে ছিমছামভাবেই বিয়ে সারবেন অভিনেত্রী। কিন্তু পাত্রটি কে?

অভিনেতা কিংবা মাঝ বয়সি পরিচালকÑ একাধিক সম্পর্কে জড়িয়েছেন তিনি। কিন্তু প্রতিবারই শেষটা ভালো হয়নি। অভিনেতা হৃতিক রোশন থেকে অধ্যয়ন সুমনÑ সবাই প্রায় কটাক্ষ করেছেন তাকে নিয়ে। মাঝে একটা লম্বা সময় তার প্রেমজীবন নিয়ে তেমন চর্চা হয়নি।

২০২২ সালে এক সাক্ষাৎকারে বিয়ে প্রসঙ্গে অভিনেত্রী বলেছিলেন, ‘আগামী পাঁচ বছরে সব হবে। আমিও সংসারী হতে চাই। একাধিক সন্তানের মা হতে চাই। স্বপ্ন দেখি, আমার সাজানো সংসার আগলাবে আমার স্বপ্নের পুরুষ। যে ভালো-মন্দে ঘিরে থাকবে আমায়।’

স¤প্রতি মুম্বাইয়ের এক পোশাকশিল্পী নাকি অভিনেত্রীর বিয়ের খবরটি ফাঁস করেছেন। কিন্তু পাত্রটি কে, সেই নিয়ে বাক্যব্যয় করেননি তিনি।

ইন্ডাস্ট্রি সূত্রে খবর, কঙ্গনার হবু স্বামী বলিউডের কেউ নন। তার হবু বর বিদেশে থাকেন এবং তিনি নামকরা ব্যবসায়ী। বেশ কিছু দিন ধরেই নাকি সেই ব্যবসায়ীর সঙ্গে গোপনে প্রেম করছেন কঙ্গনা। আর এবার বিয়ের পালা।

এমনিতেই সমাজমাধ্যমে খুব সক্রিয় অভিনেত্রী। গোটা বিশ্বের খবর রাখেন তিনি। যদিও নিজের বিয়ের প্রসঙ্গে এখনো কোনো মন্তব্য করেননি কঙ্গনা।

স্ত্রী সানার জন্মদিনে আদুরে বার্তা শোয়েব মালিকের

পাকিস্তান ক্রিকেট দলের তারকা অলরাউন্ডার শোয়েব মালিক তার স্ত্রী অভিনেত্রী সানা জাভেদকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। সানার জন্মদিনে আদুরে বার্তা দিয়েছেন মালিক।

রোববার এক ইন্সটাগ্রাম পোস্টে শোয়েব ক্যাপশন সহ তার এবং সানার তিনটি ছবি শেয়ার করে লিখেছেন, ‘শুভ জন্মদিন সানা শোয়েব মালিক।’ খবর জিইও নিউজের।

কিছু দিন আগে সানা এক ইনস্টাগ্রামে স্বামী শোয়েবকে নিয়ে পোস্ট দিয়েছিলেন। তিনি লিখেছিলেন,’কখনও কখনও অলৌকিক ঘটনাগুলো সদয় হৃদয়ের ভালো মানুষ হয়। ‘

শোয়েব মালিকের ছবি দিয়ে একটি হার্ট ইমোজিসহ ক্যাপশনে এই অভিনেত্রী লিখেছিলেন,’মাই ওয়ান অ্যান্ড অনলি এসএম। ‘

চলতি বছরের২০ জানুয়ারি নিজেদের  বিয়ের বিয়ের ঘোষণা দিয়েছিলেন শোয়েব ও সানা। এরপর থেকেই আলোচনা-সমালোচনায় এই দম্পতি।

এর আগে ভারতীয় টেনিস তারকা সানিয়া মির্জাকে বিয়ে করেছিলেন শোয়েব মালিক। সানা জাভেদও পাকিস্তানের অভিনেতা এবং গায়ক উমাইর জাসওয়ালকে বিয়ে করেছিলেন।

১০০ শিশুকে নিয়ে গান গাইবেন রুনা লায়লা

কণ্ঠশিল্পী রুনা লায়লা ‘বাংলাদেশ’ শিরোনামে একটি দেশীয় গানে কণ্ঠ দিয়েছেন। গানটি ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে পরের দিন ২৭ মার্চ বাংলাদেশ শিশু একাডেমি মিলনায়তনে পরিবেশন করবেন তিনি। গানটিতে শিল্পীর সঙ্গে অংশ নেবেন ১০০ জন শিশু।

বুধবার সকাল সাড়ে ১০টায় শুরু হওয়া অনুষ্ঠানে শিশুদের নিয়ে গানটি গাইবেন তিনি। গানটির কথা লিখেছেন আনজীর লিটন, সুর ও সংগীত করেছেন আশরাফ বাবু।

রুনা লায়লা বলেন, বাংলাদেশ গানটি একটু ভিন্ন রকম হয়েছে। স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে ১০০ শিশুকে নিয়ে গানটি পরিবেশন করব।

গানটি বাংলাদেশ শিশু একাডেমির জন্য করা হয়েছে। শিশুরা আমাদের দেশের ভবিষ্যৎ। সব সময় শিশুদের অনুপ্রেরণা দিতে চাই, যেন তারা বড় হয়ে যে যা হতে চায়, তা-ই হতে পারে।

গোপনে বিয়ে সারলেন তাপসী-ম্যাথিয়াস

বিয়ে করেছেন বলিউড অভিনেত্রী তাপসী পান্নু। বর অলিম্পিক পদকজয়ী সাবেক শাটলার ও ভারতের ব্যাডমিন্টন দলের ডাবলস কোচ ডেনমার্কের ম্যাথিয়াস বোয়ে। খেলার মাঠেই প্রথম আলাপ হয়েছিল দুজনের। এরপর টুইটারে জমে বন্ধুত্ব, ধীরে ধীরে তা গড়ায় প্রেমে। অবশেষে ১০ বছরের সম্পর্কের পর বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন তারা।

নিউজ ১৮-এর সূত্র জানিয়েছে, রাজস্থানের উদয়পুরে গোপনে বিয়ে সেরেছেন তাপসী-ম্যাথিয়াস। শিখ পরিবারের মেয়ে তাপসী, অন্যদিকে বর ম্যাথিয়াস ক্যাথলিক। তাই শিখ ও খ্রিষ্টান দুই রীতিতেই হয়েছে বিয়ের অনুষ্ঠান।

একটি সূত্রের বরাত দিয়ে নিউজ ১৮ জানিয়েছে, গত শনিবার বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে তাদের। গত বুধবার থেকেই শুরু হয়েছিল বিয়ের প্রাক-প্রস্তুতি। শুধু দুজনের পরিবার ও ঘনিষ্ঠ বন্ধুরা উপস্থিত ছিলেন বিয়েতে। সাত পাক ঘোরার ৪৮ ঘণ্টা পার হলেও এখনো মুখ খোলেননি তাপসী। সামনে আসেনি নবদম্পতির বিয়ের ছবিও।

সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বলিউড বড় কোনো তারকাকে অনুষ্ঠানে দেখা যায়নি। তাপসীর দোবারা এবং থাপ্পড়ের সহ-অভিনেতা পাভেল গুলাটি উপস্থিত ছিলেন। তাপসীর ঘনিষ্ঠ বন্ধু অনুরাগ কশ্যপ, কণিকা ধিলো ও তার স্বামী হিমাংশু শর্মাও বিয়ের অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন।

তাপসীকে সামনে দেখা যাবে আসন্ন থ্রিলার ছবি ‘ফির আয়ি হাসিন দিলরুবা’তে, যেখানে তার সঙ্গে আরও আছেন বিক্রান্ত ম্যাসি এবং সানি কৌশল। এতে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন জিমি শেরগিল। ফির আয়ি হাসিন দিলরুবা, হাসিন দিলরুবার সিক্যুয়েল, যা ২০২১ সালের জুলাই মাসে নেটফ্লিক্সে প্রিমিয়ার হয়েছিল।

শায়েস্তাগঞ্জে বিলুপ্তির পথে বাঁশ ও বেতের তৈরি আসবাবপত্র

হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার শাহজিবাজার, সুতাং, সুরাবই, পুরাসুন্ধ্যা, শায়েস্তাগঞ্জ পৌরসভার দাউদনগর, বিরামচর, জগন্নাথপুর, পশ্চিমবড়চর, বছরতপুর, নুরপুর, ব্রাহ্মডুরা এলাকার গ্রামগুলোতে প্রচুর পরিমাণে বাঁশ ও বেত জন্মাতো। স¤প্রতি এ সকল বাঁশ ও বেতশিল্প প্রায় বিলুপ্তির পথে দাঁড়িয়েছে। এতে হারিয়ে যেতে বসেছে বাঁশ ও বেতশিল্প দিয়ে তৈরি আসবাবপত্র।

জানা গেছে, প্রতিদিন শায়েস্তাগঞ্জ পৌর শহরের দাউদনগর বাজার, আলিগঞ্জ বাজার, শায়েস্তাগঞ্জ পুরান বাজার, সুতাং বাজার, অলিপুর বাজার ও ব্রাহ্মণডুরা পুরাই কলাবাজারে নিয়মিত পাওয়া যেত বাঁশ ও বেতের তৈরি কুলা, ডালা, খাঁচা, পলো, টুকরি, ঝাঁজরি, ছাতা, মাছ ধরার লুঙ্গা, দাঁড়ি, চাটি, পাটিসহ নানা ধরনের আসবাবপত্র। কিছুদিন আগেও গ্রাম এলাকা থেকে শুরু করে শহর পর্যন্ত প্রতিটি ঘরেই বাঁশ ও বেতের তৈরি আসবাবপত্র দেখা যেতো। গ্রামে গৃহস্থালির কাজে বাঁশ ও বেতের আসবাবপত্র বেশি ব্যবহার হতো। কেউ কেউ ওই সব আসবাবপত্র বিক্রি করে আয়ের পথ বেছে নিয়েছিলেন। কিন্তু কালের বিবর্তনে ধারায় হারাতে বসেছে এই শিল্প। প্লাস্টিক ও অ্যালুমিনিয়ামের আসবাবপত্রে সয়লাব হয়েছে বাজার।  এ বিষয়ে দাউদনগর বাজারের বাঁশ ও বেত বিক্রেতা বাবুল মিয়া বলেন, ‘আগের মতো বেতসামগ্রী কেউ কেনেন না। নিত্যনতুন প্লাস্টিক ও অ্যালুমিনিয়ামের তৈরি জিনিসে বাজারে সয়লাব হয়ে গেছে।

বিজ্ঞাপন

ওই সব পণ্যের দামও কম, সময়ও বাঁচে। এ কারণে অনেকেই আর বাঁশ ও বেতের তৈরি সামগ্রী ক্রয় করতে আগ্রহ দেখান না। তা ছাড়া বাঁশের দাম বেশি। তাই এসব জিনিস তৈরি ছেড়ে দিয়েছেন কারিগররা। আগের মতো এসব জিনিস তৈরি না হওয়ায় পাশের জেলা থেকে আসবাবপত্র কিনে এনে বিক্রি করছি।’

কারিগর বকুল সরকার বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে বাঁশ ও বেতের আসবাবপত্র তৈরির কারিগর হিসেবে কাজ করে যাচ্ছি। আগে এসব আসবাবপত্রের খুব কদর ছিল। কিন্তু এখন আর নেই। তা ছাড়া বাঁশের মূল্য খুব বেশি হওয়ায় আগের মতো আর দাম পাই না। আস্তে আস্তে আমরা এ থেকে সরে আসবো। যতক্ষণ পর্যন্ত না সরকার আমাদের দিকে আলাদা করে দেখছেন, তত দিনে আমাদের পক্ষে এশিল্পে কাজ করা আর সম্ভব নয়।’

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফারজানা আক্তার মিতা বলেন, যারা উদ্যোক্তা হিসেবে বাঁশ ও বেত শিল্পে কাজ করবেন তাদের আর্থিকভাবে সহযোগিতা করা হবে। উপজেলা প্রশাসনের সার্বিক প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

সিলেট এমসি কলেজ ছাত্রলীগের কমিটি

০

এক দশক পর সিলেটের মুরারিচাঁদ (এমসি) কলেজ ছাত্রলীগের কমিটির অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এতে দিলোয়ার হোসেন রাহিকে সভাপতি ও হাবিবুল ইসলাম হাবিবকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়। শুক্রবার রাতে সিলেট মহানগর ছাত্রলীগ সভাপতি কিশওয়ার জাহান সৌরভ ও সাধারণ সম্পাদক মো. নাঈম আহমদ স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়। এক বছর মেয়াদি এমসি কলেজে ১১০ সদস্যবিশিষ্ট এই কমিটির অনুমোদন দেন। কমিটির অন্যরা হলেন-সিনিয়র সহ-সভাপতি শাহ  রোখনুজ্জামান রোখন, সহ-সভাপতি রিগান সরকার, ওহিদুজ্জামান, আব্দুল কাদির, আল মুবিন চৌধুরী, হোসাইন আহমদ রুমন, আশরাফ উদ্দিন, রিয়াদুল গনি, শোভন দাস রনি, নিপু মিয়া, রুহুল আমিন, পরশ তালুকদার,  মো. আপন মিয়া, কাওছার আহমদ, মো. ইকবাল আহমদ, নিদান চন্দ্র সরকার, আল-আমিন আহমেদ, শাহিন চৌধুরী, মো. রায়হান আহমদ, চন্দন বৈদ্য, মো. মাহফুজ আহমেদ, জুবায়ের আহমদ পলক, সালমান আফ্রিদি,  মো. আলী আহমদ, আসাদ উল্লাহ, প্রণব চন্দ্র বৈষ্ণব, সাকিরুজ্জামান, জাহেদ হোসেন তালুকদার, সুয়েব আহমদ, বদরুল হুদা, আসাফ নাইম, মিফতাহুল ইসলাম,  চৌধুরী, ইকবাল হোসেন, সজীব আহমেদ, দিব্য দে, মো. মাহাবুর আলম (তন্ময়), যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জুবের আহমদ, টেলেন্ট কান্তি দাস, সাব্বির আহমদ শুভ, কাওছার আহমেদ, জয়নাল আবেদিন জহিরুল, হক নেওয়াজ সিদ্দিকী, অনুজ কান্তি দাস, আল-আমিন মোসাব্বির, মিনহাজুল ইসলাম সোহাগ, ইব্রাহিম চৌধুরী সিয়াম, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. তাজিম উদ্দিন খান, তুহিন আহমদ, রুবেল খান, রাশেদ ফারুক, সুজাত আহমদ, রেদোয়ান আহমদ, শেখ রাসেল, মো. এহসানুল হক, সবুজ মিয়া, প্রচার সম্পাদক ফরহাদুল ইসলাম  চৌধুরী, উপ-প্রচার সম্পাদক শাহরিয়ার আকন্দ পরশ, সাইদুর রহমান অন্তর, দপ্তর সম্পাদক জলাল আহমদ সিদ্দিক, উপ-দপ্তর সম্পাদক জাহিদ হাসান, আবু সুফিয়ান চৌধুরী মিজান, গ্রন্থনা ও প্রকাশনা সম্পাদক আহমেদ আল নাহিয়ান চৌধুরী, উপ-গ্রন্থনা ও প্রকাশনা সম্পাদক শুভ তালুকদার, আল-আমিন এহসান, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক রাশেদ হোসাইন সাবলু, উপ-শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক শান্ত সরকার, অর্থ সম্পাদক রবিন মিয়া, উপ-অর্থ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম রনি, আইন সম্পাদক মাজেদ আহমদ, উপ-আইন সম্পাদক হামিদুল হক ফারহান, ধর্ম সম্পাদক সোহেল আহমদ, উপ-ধর্ম সম্পাদক আদনান বাশার তানভীর, সাহিত্য বিষয়ক সম্পাদক আশরাফ উদ্দিন নাঈম, উপ-সাহিত্য বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মিনহাজ, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক নুরুল আমিন জনি, উপ-তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক মিঠুন চন্দ্র, ক্রীড়া সম্পাদক ছাইদ হোসেন মইন খান, উপ-ক্রীড়া সম্পাদক শিহাবুর রহমান সুয়েব, নাট্য ও বিতর্ক বিষয়ক সম্পাদক নুরুজ্জামান রাইয়ান, উপ-নাট্য ও বিতর্ক বিষয়ক সম্পাদক আহমেদ মামুন, সাংস্কৃতিক সম্পাদক শিবু দাস সুমন, উপ-সাংস্কৃতিক সম্পাদক রিংকু মালাকার, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক রাকিবুল হাসান মাজেদ, উপ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক জাহিদুল হক সামিয়ান, মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক জুনায়েদ রাফসান, উপ- মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক মো.  রেশাদুর রহমান, পাঠাগার সম্পাদক মনসুর আহমেদ তাফাদার, উপ-পাঠাগার সম্পাদক  মো: ওয়ালীউর রহমান আকঞ্জি, ছাত্রবৃত্তি বিষয়ক সম্পাদক নাসের মনির শিশির, উপ-ছাত্রবৃত্তি বিষয়ক সম্পাদক আনিসুর রহমান, ছাত্রী বিষয়ক সম্পাদক অদিতী সিংহা, উপ-ছাত্রী বিষয়ক সম্পাদক পার্বতী তালুকদার, সহ-সম্পাদক এম পিনাক তালুকদার, শাহরাজ  হোসেন নাঈম, আতাউর রহমান আতা, সুমন আহমদ, শিপন আহমদ, মিতহাব মাহের, কামরুজ্জামান কামরুল, ময়নুল  হোসেন, নাসিম  খান, সদস্য সালেহ আহমদ নোমান, স্বপন তালুকদার, খাইরুল ইসলাম দুলাল, আশিক নুর, মানিক নুর, রিয়াত আহমেদ, প্রিতম দাস। ২০০৩ সালে তাজিম উদ্দিনকে সভাপতি ও সাইফুল ইসলাম টিপুকে সাধারণ সম্পাদক করে এমসি কলেজ কমিটি ঘোষণা করা হয়। ২০১০ সালের ১৩ই জুলাই ছাত্রলীগ নেতা উদয়ন সিংহ পলাশ হত্যাকাণ্ডের পর কমিটি বাতিল করা হয়। এরপর ঐতিহ্যবাহী এই কলেজে ছাত্রলীগের কোনো কমিটি গঠন হয়নি।

ভারতে উত্তর প্রদেশে মাদ্রাসা বন্ধের নির্দেশ আদালতের

ভারতের জনবহুল রাজ্য উত্তর প্রদেশে ইসলামিক স্কুল বা মাদ্রাসাকে বন্ধ ঘোষণা করেছে আদালত। এর ফলে আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন হিন্দু জাতীয়তাবাদী সরকারের থেকে আরো দূরে সরে যেতে পারেন মুসলিমরা। এ খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। এতে বলা হয়, উত্তর প্রদেশে মাদ্রাসা শিক্ষাকে অনুমোদন বা পরিচালনার জন্য একটি আইন করা হয় ২০০৪ সালে। কিন্তু শুক্রবারের রায়ে আদালত সেই আইন বাতিল ঘোষণা করে। এতে বলা হয়, সাংবিধানিকভাবে ভারত ধর্মনিরপেক্ষ দেশ। এখানে মাদ্রাসা প্রচলিত থাকলে তা এই সংবিধানকে লঙ্ঘন করে। এই শিক্ষাকে বাতিল করে শিক্ষার্থীদেরকে প্রচলিত স্কুলে ভর্তি হওয়ার পরামর্শ দেয় আদালত। রাজ্যে মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ডের প্রধান ইফতিখার আহমেদ জাভেদ বলেন, এলাহাবাদ হাই কোর্টের এ রায়ে ক্ষতিগ্রস্ত হবে ২৭ লাখ শিক্ষার্থী, ১০ হাজার শিক্ষক শিক্ষিকা এবং ২৫ হাজার মাদ্রাসা। এ রাজ্যের মোট ২৪ কোটি মানুষের মধ্যে এক পঞ্চমাংশ হলেন মুসলিম।

বিচারপতি সুভাষ বিদ্যার্থী এবং বিবেক চৌধুরী তাদের লিখিত রায়ে বলেছেন, স্বীকৃত প্রতিষ্ঠানে যাতে ভর্তি থেকে বঞ্চিত না হয় ৬ থেকে ১৪ বছর বয়সী শিশুরা তা নিশ্চিত করতে হবে রাজ্য সরকারকে।

আইনজীবী অংশুমান সিং রাঠোরের এক আপিল আবেদনে আদালত ওই রায় দেয়। রাঠোর কোনো রাজনৈতিক গ্রæপের সঙ্গে সংযুক্ত কিনা তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এ বছর এপ্রিল থেকে জুনের মধ্যে জাতীয় নির্বাচন হতে যাচ্ছে ভারতে। এতে নরেন্দ্র মোদির ভারতীয় জনতা পার্টি বিজয়ী হতে পারেন বলে মনে করা হয়। কিন্তু ইসলামবিরোধী ঘৃণাপ্রসূত বক্তব্য এবং নজরদারিকে উৎসাহিত করার জন্য বিজেপির কিছু সদস্য এবং সমমনাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে আসছেন মুসলিমরা ও অধিকার বিষয়ক গ্রæপগুলো। তবে ভারতে ধর্মীয় বৈষম্য থাকার কথা অস্বীকার করে আসছেন মোদি। বিজেপি বলেছে, ঐতিহাসিক যেসব ভুল ছিল তা পরিবর্তন করছে সরকার। এর অংশ হিসেবে ১৯৯২ সালে ষোড়শ শতাব্দীতে নির্মিত বাবরি মসজিদের স্থানে হিন্দুদের জন্য একটি মন্দির উদ্বোধন করেছেন।

উত্তর প্রদেশ বিজেপির মুখপাত্র রাকেশ ত্রিপাঠি বলেছেন, রাজ্য সরকার মাদ্রাসাবিরোধী নয়। মুসলিম শিক্ষার্থীদের শিক্ষার বিষয়ে সচেতন রাজ্য। তিনি বলেন, আমরা মাদ্রাসার বিরোধী নই। আমরা বৈষম্যমূলক শিক্ষার বিরোধী। আমরা অবৈধ অর্থায়নের বিরোধী। আদালতের নির্দেশের পর সরকার পরবর্তী পদক্ষেপ নেবে। এমন রায়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সুধাংশু চৌহান। তিনি বলেন, ধর্মীয় শিক্ষা এবং ধর্মীয় নির্দেশনা কোনো স্কুলের শিক্ষার সঙ্গে যুক্ত করা যাবে না। ধর্মীয় শিক্ষার অনুমতি দিয়ে বিধিবদ্ধ শিক্ষা বোর্ড তৈরির কোনো ক্ষমতা রাজ্য সরকারের নেই।

মাদ্রাসা কর্মকর্তা জাভেদ বলেন, একজন মুসলিম হিসেবে তিনি নিজের দল এবং তার স¤প্রদায়ের মধ্যে অগ্রাধিকারকে খুঁজে নেন। শুক্রবারের রায়ের পর থেকে মুসলিমদের দিক থেকে তার কাছে অসংখ্য কল আসছে। তার ভাষায়, আমাকে প্রচুর ভারসাম্য রক্ষা করে চলতে চয়। একজন মুসলিম হওয়ায় দল আমাকে মুসলিম স¤প্রদায়ের কাছে পাঠায় তাদেরকে আশ্বস্ত করতে এবং তাদের পক্ষে ভোট চাইতে। কোনো প্রকাশ্য অনুষ্ঠান বা কর্মসুচিতে আমি ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নিয়ে চলি। কারণ, আমি এতটাই ভয় পাচ্ছি।

আসামে বাঙালি মুসলমানদের থাকতে শর্ত দিলেন মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত

নির্বাচনের আগে প্রতিবারই উত্তর-পূর্ব ভারতের আসাম রাজ্যে বাঙালি মুসলমানদের বিরুদ্ধে কথা বলতে শুরু করেন রাজ্যের বিজেপিদলীয় মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা। এবারও তার ব্যতিক্রম হলো না। গত শনিবার তিনি রাজ্যের ‘মিয়া’ মুসলমানদের উদ্দেশে একটি বার্তা দেন। তিনি আসামে থাকতে হলে তাঁদের ওপর কিছু শর্ত আরোপ করেন। আসামে বাঙালি মুসলমানদের ‘মিয়া  হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। সাধারণভাবে মনে করা হয়, তাঁরা বাংলাদেশ থেকে আসামে এসেছেন।

বিজেপিদলীয় মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘মিয়ারা আসামের মূল নিবাসী মানুষ কি না, তা ভিন্ন বিষয়। আমরা বলছি, তাঁরা যদি মূল নিবাসী হওয়ার চেষ্টা করেন, তাতে কোনো সমস্যা নেই। তবে এ জন্য তাঁদের বাল্যবিবাহ এবং বহুবিবাহ ত্যাগ করতে হবে এবং নারীশিক্ষাকে উৎসাহিত করতে হবে। দুটির বেশি সন্তান নেওয়া যাবে না।’

আসামে হিমন্তর নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকার ২০২৩ সালে দুটি পর্যায়ে বাল্যবিবাহের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করে মধ্যবয়সী মুসলমান পুরুষদের গ্রেপ্তার করে। তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, বেশ কয়েকজন একাধিক বিয়ে করেছেন এবং তাঁদের স্ত্রীরা সমাজের দরিদ্র অংশ থেকে আসা নারী। মুখ্যমন্ত্রী নিজেই এ অভিযোগ করেছিলেন।

যদিও ওই ঘটনার পর বাল্যবিবাহ রোধের অজুহাতে মুসলমান সমাজের পুরুষদের হেনস্তা করার অভিযোগ তোলে আসাম ও ভারতের বিভিন্ন সংখ্যালঘু ও মানবাধিকার সংগঠন। বেশ কয়েক হাজার পুরুষকে গত বছরের গোড়ায় গ্রেপ্তার করা হয়েছিল, যাঁদের অনেকের বিরুদ্ধে এখনো মামলা চলছে। ফলে ওই ব্যক্তিদের পরিবার প্রবল আর্থিক সংকটে পড়ে বলে স্থানীয় মানুষ জানিয়েছিলেন। নির্বাচনের আগে মার্চের গোড়ার দিকে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের (সিএএ) বাস্তবায়নের পর হিমন্ত বিশ্বশর্মার এ মন্তব্য আসামে নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

আসামের মুখ্যমন্ত্রী অসমিয়া সাংস্কৃতিক মূল্যবোধকে সম্মান করার তাৎপর্য তুলে ধরেও বলেন, কিছু গোষ্ঠীর ‘সত্র’র (বৈষ্ণব মঠ) জমি দখল হয়ে যাচ্ছে। এতে তিনি উদ্বিগ্ন। নির্দিষ্টভাবেই তাঁর ইঙ্গিত ছিল ‘মিয়া’ মুসলমান সমাজের প্রতি।

বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমি তাদের সব সময় বলি, “মিয়াদের” আসামের মূল নিবাসী হতে কোনো সমস্যা নেই। কিন্তু তাদের দুই-তিনটি স্ত্রী থাকতে পারে না। এটা অসমিয়া সংস্কৃতি নয়। কীভাবে কেউ “সত্র” (বৈষ্ণব মঠ) জমি দখল করে মূল নিবাসী হতে চায়?’

মুসলমান সমাজের কোন অংশ কয়েক শ বছর আগে এসেছিল এবং কারা ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধ শুরুর পরে এসেছেনÑআসামে এটি গভীর ও বিতর্কিত রাজনৈতিক বিষয়। ভোট মেরুকরণের মাধ্যমে সুবিধা আদায় করতে নির্বাচনের আগে আসামে বরাবরই এই বিভাজনরেখা বাড়ানোর চেষ্টা করা হয়। এবারও সেটাই করছেন মুখ্যমন্ত্রী।

মিয়া মুসলমানদের উদ্দেশে হিমন্ত বলেন, তাদের মাদ্রাসাশিক্ষা এড়িয়ে চলতে হবে। মাদ্রাসাশিক্ষার পরিবর্তে তাদের চিকিৎসক বা প্রযুক্তি কৌশলী হওয়ার পরামর্শও তিনি।

প্রশ্ন হলো যেসব ছাত্র মাদ্রাসায় যায়, তারা প্রধানত চরম দরিদ্র পরিবার থেকে আসে। তাদের পক্ষে চিকিৎসক বা প্রকৌশলী হওয়ার খরচ জোগানো সম্ভব কি না, তা নিয়ে শুধু আসামে নয়, পশ্চিমবঙ্গসহ ভারতের অন্যান্য প্রান্তেও প্রশ্ন রয়েছে।

হিমন্ত বিশ্বশর্মা মেয়েদের শিক্ষিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং পৈতৃক সম্পত্তিতে তাদের উত্তরাধিকারের অধিকার দেওয়ার পক্ষেও কথা বলেন।

নিউইয়র্কে হাজারো বাংলাদেশির সামনে কনসাল জেনারেলের বিরুদ্ধে অভিযোগ

: নিউইয়র্কে হাজারো বাংলাদেশির সামনে কনসাল জেনারেলের বিরুদ্ধে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ আনা হয়েছে। আর এ অভিযোগ উত্থাপন করা হয় যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশিদের বৃহৎ মাদার সংগঠন বাংলাদেশ সোসাইটির পক্ষ থেকে। রোববার, ২৪ মার্চ বাংলাদেশ সোসাইটির সভাপতি মোহাম্মদ রব মিয়া কনস্যুলার সেবা প্রদানে কনসাল জেনারেল নাজমুল হুদার দায়িত্বহীনতার অভিযোগ আনেন। তিনি কুইন্সের তিব্বতিয়ান কমিউনিটি সেন্টারে বাংলাদেশ সোসাইটি আয়োজিত ইফতার মাহফিলে সভাপতির বক্তব্য প্রদানকালে এ কথা বলেন। এ সময় ইফতার পার্টিতে উপস্থিত অনেককে শেম শেম বলতে শোনা যায়।

মোহাম্মদ রব মিয়া বলেন, বাংলাদেশিদের ট্যাক্সের অর্থে কনস্যুলেট পরিচালিত হয়। পাসপোর্ট নবায়ন, নতুন পাসপোর্ট, নো ভিসা ইস্যুসহ নানা কনস্যুলার সেবা দেয়া তাদের দায়িত্ব। কর্মজীবী প্রবাসী বাংলাদেশিরা কর্মদিবসে কাজ বন্ধ করে সেবা নিতে কনস্যুলেটে যেতে পারেন না। অতীতে এ জন্য কনস্যুলার সেবা প্রদানে কুইন্স, ব্রæকলিন ও ব্রংকসে ছুটির দিনে মোবাইল কনস্যুলার ক্যাম্প স্থাপন করতো। শতশত মানুষ সেবা নিতেন। কিন্তু নতুন কনসাল জেনারেল নাজমুল হুদা দায়িত্বে আসার পর তা বন্ধ হয়ে গেছে।

বাংলাদেশ সোসাইটি একাধিকবার তার সাথে দেখা করে কনস্যুলার সেবা প্রদানের আহŸান জানায়। তিনি সহায়তার হাত বাড়াননি। সভাপতি রব মিয়া যখন এ বক্তব্য দিচ্ছিলেন ইফতার পার্টিতে উপস্থিত কনস্যুলেটের কর্মকর্তা আসিফ আহমেদ তা শুনছিলেন। এক পর্যায়ে তিনি সোসাইটির প্রচার সম্পাদক রিজু মোহাম্মদকে ডেকে মঞ্চে গিয়ে কিছু বলার আগ্রহ প্রকাশ করেন। কিন্তু সময়ের অভাবে তিনি সে সুযোগ পান নি।

এ ব্যাপারে প্রতিবেদক টেলিফোনে নিউইয়র্কস্থ কনস্যুলেটের কনসাল জেনারেল নাজমুল হুদার দৃষ্টি আর্কষণ করেন। তিনি বলেন, সভাপতি রব মিয়া জনসন্মুখে সঠিক বক্তব্য তুলে ধরেন নি। তবে তিনি বিষয়টি নিয়ে আমার সাথে কথা বলেছেন। আমি তাকে স্পষ্টভাবে বুঝিয়ে বলেছি, একই শহরের ভেতর মোবইল টিম পাঠিয়ে কনস্যুলার সেবা প্রদানে ঢাকা থেকে আসা অডিট টিম আপত্তি তুলেছে। এ ধরনের কনস্যুলার ক্যাম্প স্থাপনে অর্থ খরচের ব্যাপার থাকে। এতেই অডিট টিমের আপত্তি। নিউইয়র্ক সিটির বাইরে, যেমন বাফেলো, আটলান্টিক সিটি, বস্টন বা কানেকটিকাটে ক্যাম্প স্থাপনে তাদের কোনো বাধা নেই। অতীতে তো সিটির ভেতর বিভিন্ন ব্যরোতে হয়েছে। এখন বন্ধ করলেন কেন? জবাবে নাজমুল হুদা বলেন, অডিট ডিপার্টমেন্টের আপত্তির কারণেই। তিনি বলেন, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিংবা অডিট ডিপার্টমেন্টের নির্দেশনা পেলে সিটির বিভিন্ন এলাকায় মোবাইল টিম পাঠিয়ে কনস্যুলার সেবা আমরা দিতে পারবো।

কন্যুলেটের নাম না প্রকাশের শর্তে একজন কর্মকর্তা প্রতিবেদককে বলেন, মোবাইল টিম পাঠিয়ে আমরা যে পরিমাণ সার্ভিস চার্জ পাই তা খরচের চেয়ে বহুগুণ বেশি। বরং এতে বাংলাদেশ লাভবান হয়। প্রবাসীদের কাজকর্ম বাদ দিয়ে কনস্যুলেটেও ছুটতে হয় না। কিন্তু অডিটের নির্দেশে আমাদের হাত পা বাঁধা।

নির্বাচনে বাংলা থেকে কতো আসন পাবে তৃণমূল কংগ্রেস?

ভোটযুদ্ধ শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যেই নির্ঘণ্টও প্রকাশিত হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে সাত দফায় হতে চলেছে লোকসভা নির্বাচন। ৪২ আসনে প্রার্থী দিয়ে দিয়েছে তৃণমূল। অন্যদিকে, এখনো পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ করতে পারেনি বিজেপি। আগের বার আসন প্রাপ্তি নিয়ে আনুমানিক ফলাফলের কথা বলেছিলেন তিনি। আর এবার লোকসভা নির্বাচনে ভোটপ্রাপ্তির শতকরা হারের হিসাব দিলেন  তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ। ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে রাজ্যের ৪২টি লোকসভা আসনের মধ্যে ২২টি পেয়েছিল তৃণমূল। ১৮টি আসন পেয়েছিল পদ্ম শিবির। আর কংগ্রেস পেয়েছিল ২টি আসন।

বামেরা খাতা খুলতে পারেনি। তবে এবার পরিস্থিতি পাল্টেছে। একুশের বিধানসভা নির্বাচনে ২০০’র বেশি আসন পেয়ে সরকার গঠন করে তৃণমূল।  নিয়োগ দুর্নীতিকে কেন্দ্র করে সরগরম  হয়েছে রাজ্য রাজনীতি। তৃণমূলের একাধিক নেতা-মন্ত্রী এখন কারাগারের পেছনে। এই পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠছে, রাজ্যে কেমন হতে পারে লোকসভার ফল? চারদিকে যখন চুলচেরা বিশ্লেষণ চলছে, তখন কুণাল ঘোষ জানিয়ে দিলেন- মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সেনাপতিত্বে এবার বাংলায় তৃণমূল কংগ্রেস ৩০ থেকে ৩৫ আসন পাবে, সংখ্যা বাড়তে পারে। ভোট শতাংশে গড়ে ৫৮ থেকে ৬২ শতাংশ ভোট তৃণমূলের। বিজেপি’র ভোট শতাংশ কমবেশি ৩০ থেকে ৩২। আসন পাঁচ থেকে ১১’র মধ্যে। বাম এবং কংগ্রেসের আসন ০। ২৪/০৩/২৪-এর পরিস্থিতি অনুযায়ী।’

২০২৪ সালে রাজ্য বিজেপি নেতৃত্বকে টার্গেট বেঁধে দিয়ে বিজেপি’র সেকেন্ড ইন কমান্ড অমিত শাহ জানিয়ে দিয়েছেন, বাংলা থেকে কমপক্ষে ৩৫টি আসন পেতে হবে। আবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বাংলা থেকে ৪২টি আসনই পাওয়ার কথা বলেছেন। এদিকে কুণালের মন্তব্য নিয়ে বিজেপি’র পশ্চিমবঙ্গের মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য বলেন, ‘তৃণমূলের বিদায়, তৃণমূলের বিসর্জন কোনো বিবৃতি দিয়ে আটকানো যাবে না। কুণাল ঘোষ সচেতনভাবেই এই বিবৃতি দিচ্ছেন। কারণ তিনি জানেন যে, এই নির্বাচনে তৃণমূল দুই সংখ্যার ঘরে পৌঁছতে পারবে না।’  কংগ্রেস নেতা সৌম্য আইচ রায়ের মতে, ‘নিজেই বহরমপুরে প্রার্থী খুঁজে পাচ্ছে না তৃণমূল। গুজরাট থেকে প্রার্থী এনেছেন। কংগ্রেস ও বামেদের সঙ্গ এড়িয়ে ‘চব্বিশের নির্বাচনে একলা চলো নীতি’ নিয়েছে তৃণমূল। এখন দেখার বিষয় কুনাল ঘোষের ভবিষ্যদ্বাণী মেলে কিনা।