Home Blog Page 623

সংবাদপত্রের সম্পাদক ও সাংবাদিকদের সম্মানে এ জেড এম গ্রুপের ইফতার ও দোয়া অনুষ্ঠান

সম্পাদক ও সাংবাদিকদের হাতে দ্য বে ওয়েভ ও জয় বাংলাদেশ
এর দ্বিতীয় সংখ্যা তুলে দিলেন আবু জাফর মাহমুদ

নিউইয়র্ক থেকে প্রকাশিত বিভিন্ন সংবাদপত্রের সম্পাদক ও সাংবাদিকদের সম্মানে  ইফতার ও দোয়া অনুষ্ঠানে ইংরেজি সাময়িকী দ্য বে ওয়েভ  ও বাংলা সাময়িকী জয় বাংলাদেশ এর দ্বিতীয় সংখ্যার প্রকাশনা উদ্বোধন করা হয়েছে। মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে জ্যাকসন হাইটস এর শেফস মহল রেস্তোরায় ওই ইফতার অনুষ্ঠানে নিউইয়র্ক থেকে প্রকাশিত বিভিন্ন বাংলা সংবাদপত্রের সম্পাদক, ঢাকার বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিনিধি, সিনিয়র সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে দ্য বে ওয়েভ ও জয় বাংলাদেশ সম্পাদক গ্লোবাল পিস অ্যামব্যাসেডর স্যার ড. আবু জাফর মাহমুদ সম্পাদক সাংবাদিকদের নজিরবিহীন আন্তরিকতার জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, বাংলাদেশি কমিউনিটির সংবাদপত্রের প্রকাশক, সম্পাদক, টেলিভিশনের সত্ত¦াধিকারী, সাংবাদিক আমরা সবাই একটি পরিবার। বহুদিন ধরে আমরা আমাদের অভিযাত্রা অব্যাহত রেখেছি। যারা অনেক আগেই এই যাত্রা শুরু করে অন্যান্যদের জন্য পথ তৈরি করেছেন, অনুপ্রাণিত করেছেন, তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা। আমরা এখন একই সংগ্রামে হাতে হাত ধরে এগোচ্ছি। এটিই আমাদের সমাজ শক্তি। আমাদের কমিউনিটিকে সেবা দিচ্ছি ও আমেরিকার সেবায় অংশ নিয়েছি।

20240328 190429

অনুষ্ঠানে অনেকের মধ্যে সাপ্তাহিক ঠিকানা সম্পাদক এম এম শাহীন, পরিচয় সম্পাদক নাজমুল আহসান, বাংলাদেশ সম্পাদক ডা. ওয়াজেদ এ খান, টাইম টিভি’র সত্তাধিকারী আবু তাহের, লেখক সাংবাদিক আনোয়ার হোসেইন মনজু, চ্যানেল আই এর ব্যুরো প্রধান রাশেদ আহমেদ, এমসি টিভির সত্তাধিকারী কাজী শামসুল হক, দেশ সম্পাদক মিজানুর রহমান, জন্মভূমি সম্পাদক রতন তালুকদার, হককথা সম্পাদক এবিএম সালাহউদ্দিন, এনওয়াই কাগজের প্রদায়ক সম্পাদক মনোয়ারুল ইসলাম, নিউইয়র্ক বাংলাদেশ প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মমিনুল ইসলাম মজুমদার, চ্যানেল টিটির সত্তাধিকারী শিবলী চৌধুরি কায়েস, সাংবাদিক অভিক সানোয়ার রহমান মোহাম্মদ হোসেন দিপু, কানু দত্ত প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। সম্পাদক ও সাংবাদিকবৃন্দ স্যার ড. আবু জাফর মাহমুদের সাংবাদিকতায় পেশাদারিত্ব ও রাজনৈতিক প্রজ্ঞার প্রশংসা করে বলেন, তিনি বহু আগেই অসাধারণ এক কলমসৈনিকের সাক্ষর রেখেছেন। নতুন দুটি পত্রিকার মাধ্যমে তিনি মানব সেবা ও জীবন সংগ্রামের এক নতুন ধারার সূচনা করলেন।

20240328 183916

“স্বাধীনতা ও বিজয় দিবসকে এক করে দেখা যাবে না”
স্যার ড. আবু জাফর মাহমুদ মহান স্বাধীনতা দিবস স্মরণে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বলেন, স্বাধীনতা দিবস আর বিজয় দিবসকে এক করে দেখা যাবে না। দুই দিবসের বক্তব্য দুই রকম। প্রেরণা দুই রকম, ভুমিকাও দুই রকম।   ২৫শে মার্চ আমাদের বাধ্য করেছিল ২৬ মার্চ জন্ম দিতে। আমরা জন্মগতভাবেই ছিলাম পাকিস্তানী। পাকিস্তান আমাদের দেশ ছিল। যখন পাকিস্তান সেনাবাহিনী আমাদের ওপর আক্রমন করলো, সেই আক্রমণ ছিল যুদ্ধের আক্রমণ। ধ্বংসের আক্রমন। গোটা জাতির ওপর লক্ষ্য ঠিক রেখেই আক্রমণটা করা হয়। যাতে বাঙালি জাতিকে নির্মূল করে ফেলা যায়। এর মোকাবিলায় আমাদের সশ্রস্ত্র শক্তির পক্ষে প্রতিরোধ গড়ে তোলা ছাড়া আর কোনো বিকল্প ছিল না। এটা কোনো রাজনীতি নয়, এটা কোনো সাহিত্য চর্চা নয়। এই যুদ্ধ ছিল বেঁচে থাকার যুদ্ধ। এই যুদ্ধ আমাদের প্রতিরোধ যুদ্ধ। এই প্রতিরোধ যুদ্ধের ধারাবাহিকতায় মুুক্তিযুদ্ধ শুরু হলো।

20240328 185425

প্রতিরোধ যুদ্ধটি ছিল পুরোপুরিভাবে সামরিক যুদ্ধ। রাজনীতিবিদরা তখন সিদ্ধান্তহীন ছিলেন, আমরা গোটা জাতিই তখন সিদ্ধন্তহীন ও কিংকর্তব্যবিমুঢ় ছিলাম। সেদিনের ক্যাপ্টেন রফিক ইপিআর-এ তার কমা-ারকে হত্যা করে এসে যুদ্ধে অংশ নিলেন। তিনি তার সিনিয়র হিসেবে মেজর জিয়াউর রহমানকে খুঁজে নিয়ে চট্টগ্রামে এ কে খান সাহেবের সঙ্গে বৈঠক করে বেঙ্গল রেজিমেন্টের তরফ থেকে যুদ্ধের ঘোষণা দিলেন। এর মধ্য দিয়েই আসলো আমাদের সশস্ত্র যুদ্ধের প্রেরণা।  

20240328 191719

আমরা গর্বিত আমাদের সেই বেঙ্গল রেজিমেন্ট, ইপিআর, পুলিশ, আনসারের এর প্রতি। সেদিন তারা আমাদের যুদ্ধের পথ রচনা করেছেন, জীবন বাজি রেখে যুদ্ধে গেছেন, প্রতিরোধ যুদ্ধ সৃষ্টি করেছেন। তাদের সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই।

দোয়া ও মোনাজাত করেন জহ্যাকসন হাইটস ইসলামিক সেন্টারের খতিব মাওলানা আব্দুস সাদিক। 

জাতীয় পার্টি যুক্তরাষ্ট্র শাখার ইফতার ও দোয়া মাহফিল ।  

বিপুল সংখ্যক  যুক্তরাষ্ট জাতীয় পার্টি ও অংগ সংগঠনের নেতা ও কর্মীদের উপস্হিতিতে জাতীয় পার্টি যুক্তরাষ্ট শাখার সাধারন সম্পাদক আসেফ বারী টুটুলের পরিচালনায় ১লা এপ্রিল ২০২৪ সমবার জ্যাকসন হাইট নবান্ন রেষ্টুরেন্টে জাতীয় পার্টির ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্টিত হয়।

ইফতারের পূর্বে এক সংক্ষিপ্ত আলোচনার মাধ্যমে সভার  কার্যক্রম শুরু হয় ।

unnamed 1

জাতীয় পার্টি যুক্তরাষ্ট শাখার সভাপতি ও কেন্দ্রীয় সদস্য মোহাম্মদ এ বার ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্টিত সভায় বক্তব্য রাখেন  , সহিদুর রহমান প্রাক্তন সংসদ,সভাপতি ও কেন্দ্রীয় সদস্য মোহাম্মদ এ বার ভূঁইয়া , উপদেষ্টা তোফায়েল চৌধুরী , সহ সভাপতি নূর ইসলাম বর্ষন , সহ সাধারন সম্পাদক  এডঃ আব্দুল হাই কাইয়ুম ,প্রচার সম্পাদক শাহজাহান সাজু , কেষাধ্যক্ষ আবু কাশেম চৌধুরী , সভাপতি জাতীয় যুব সংহতি আব্দুল কাদির লিপু , কৃষি বিষয়ক সম্পাদক এ এস এন রুবেল , মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান ও এবাদুর রহমান খালেদ ।

সভায় বক্তারা বাংলাদেশের রাজনীতি , ছাত্র রাজনীতি , প্রসাশনিক অবকাঠামো যোগপযোগী করে একটি সুখী সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলার লক্ষ্যে প্রয়াত রাষ্টপতি পল্লীবন্ধু এইচ এম এরশাদ জাতীয় পার্টি করেন এবং প্রসাশনিক বিকেন্দ্রীকরন , ঔষধনীতি , যোগাযেগ ব্যবস্হার বৈপ্লবিক উন্নয়ন তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন । আসন্ন নির্বাচনে জাতীয় পার্টির অংশগ্রহন করা নিয়ে বিশদ আলোচনা করে বক্তারা বলেন, সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদেরের এমপি হাতকে আরো শক্তিশালী করার আহবান জানান । 

সভায় পার্টির প্রয়াত চেয়ারম্যান সাবেক রাষ্টপতি এইচ এম এরশাদ সহ ও বাংলাদেশে স্বাধীনতা সংগ্রাম থেকে আজ পর্যন্ত যাহারা দেশের মানুষের মৌলিক অধিকার আদায়ে আত্মাহুতি দিয়েছেন , তাদের রূহের মাগফেরাত কামনা করে এবং জাতীয় পার্টির মাননীয় চেয়ারম্যান জি এম কাদের এম পি দীর্ঘায়ু কামনা করে মোনাজাত পরিচালনা করেন প্রচার সম্পাদক শাহজাহান সাজু ।

সভায় সভাপতিত্ব করেন কেন্দ্রীয় সদস্য ও জাতীয় পার্টি যুক্তরাষ্ট শাখার সভাপতি মোহাম্মদ এ বার ভূঁইয়া ।

বাবর-শাহিনের সঙ্গে আজ দেখা করবেন পিসিবি সভাপতি নকভি

০

পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) চেয়ারম্যান সৈয়দ মহসিন রাজা নকভি আজ সোমবার পুনরায় দায়িত্ব পাওয়া সাদা বলের অধিনায়ক বাবর আজম এবং পেসার শাহিন শাহ আফ্রিদির সঙ্গে দেখা করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাত দিয়ে সামা টিভি জানিয়েছে, পিসিবি প্রধান কাকুল ফিটনেস ক্যাম্প পরিদর্শন করবেন, সেখানে তিনি অধিনায়কত্বের বিষয় নিয়ে শাহিন শাহ আফ্রিদির সঙ্গেও আলোচনায় অংশ নেবেন।
খবরে বলা হয়েছে, বাবর ও শাহিনের সঙ্গে বৈঠকের পর নকভি বাকি খেলোয়াড়দের নিয়ে ইফতার পার্টিতে যোগ দেবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
কিছু সূত্র বলছে, অধিনায়কত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়ায় খুশি নন শাহিন। এমনকি দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়ার আগে বিষয়টি নিয়ে পিসিবি নাকি তার সঙ্গে কোনো কথাও বলেনি। তাছাড়া তার প্রশ্নের উত্তরও দেয়নি বোর্ড।
এদিকে আশা করা হচ্ছে, পাকিস্তান দলের নির্বাচক কমিটি আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে আসন্ন হোম সিরিজের জন্য টি-টোয়েন্টি স্কোয়াড ঘোষণা করবে।
এর আগে রোববার পেসার শাহিন শাহ আফ্রিদির সঙ্গে কথা না বলেই প্রেস বিজ্ঞপ্তি জারি করে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। পিসিবির ওই বিজ্ঞপ্তিতে বাবর আজমকে ওয়ানডে ও টি-২০ অধিনায়ক ঘোষণা করা হয়েছে।

বাইডেনকে হাত-পা বাঁধা ভিডিও পোস্ট, তোপের মুখে ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ‘অপহরণের’ ভিডিও পোস্ট করে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আসন্ন নভেম্বরে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ফের দ্বিতীয়বারের মতো মুখোমুখি হচ্ছেন ডেমোক্রেটের জো বাইডেন ও রিপাবলিকানের ট্রাম্প। যে ভিডিও পোস্ট করেছেন সেখানে দেখা যায়Ñ একটি পিকআপ ট্রাকের পেছনে জো বাইডেন হাত-পা বাঁধা অবস্থায় মেঝেতে শুয়ে আছেন।
স্থানীয় সময় শুক্রবার (২৯ মার্চ) ট্রাম্প তার নিজস্ব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথে ভিডিওটি পোস্ট করেছেন।
সাত সেকেন্ডের ভিডিওটিতে দেখা গেছে, পিকআপের পেছনে বর্তমান প্রেসিডেন্টের একটি ছবি প্রিন্ট করে লাগানো হয়েছে। অর্থাৎ তাকে অপহরণ করা হয়েছেÑ এমনটিই বোঝানো হয়েছে ছবিতে। যদিও ছবিটি পুরোপুরি ড্ক্টরেট (সম্পাদিত)। পতাকা ও ডেকালসংবলিত দুটি ট্রাক ট্রাম্পের প্রতি সমর্থন জানাচ্ছে, যেখানে দ্বিতীয় ট্রাকের পেছনে ছিল বাইডেনের ছবি।
এ ঘটনায় ডেমোক্র্যাট সমর্থকরা ট্রাম্পকে ‘দানব’ বলেও আখ্যা দিয়েছেন। ভিডিওটি শেয়ার করে ৭৭ বছর বয়সি ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্যাপশন লিখেছেনÑ ‘৩/২৮/২৪, লং আইল্যান্ড, নিউইয়র্ক।’
ভিডিও পোস্ট করা মাত্রই বাইডেনের সমর্থকদের তোপের মুখে পড়েন ট্রাম্প। বাইডেনের প্রচারণার যোগাযোগবিষয়ক পরিচালক মাইকেল টেইলর বলেন, শুক্রবার রাতে ট্রাম্পের পোস্ট করা ছবিটি তার বিরোধীদের শারীরিকভাবে ক্ষতি করার ইঙ্গিত দিচ্ছে।
তিনি বলেন, ট্রাম্প প্রতিনিয়তই রাজনৈতিক সহিংসতাকে উসকে দিচ্ছেন। এখন সময় এসেছে যেন মানুষ তাকে বয়কট করার।
এদিকে ট্রাম্পের প্রচারণা শিবিরের মুখপাত্র স্টিভেন চেউং এক বিবৃতিতে বলেন, ছবিটি একটি পিকআপ ট্রাকের পেছনে ছিল, পিকআপটি হাইওয়ে দিয়ে যাচ্ছিল। ডেমোক্র্যাটরা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে শুধু ঘৃণ্য সহিংসতার ডাকই দেয়নি, তারা আসলে তার বিরুদ্ধে বিচারব্যবস্থাকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে।
তবে ভিডিওতে বাইডেনের ছবির উপস্থিতি নিছকই কাকতালীয় ঘটনা তা মনে হচ্ছে না। কারণ ভিডিওর শেষের দিকে বাইডেনের সম্পাদিত ছবিটি জুম করে দেখানো হয়েছে।
এদিকে ছবিটি নিয়ে অনেক টুইটার ব্যবহারকারী ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। হাভার্ডের আইন বিভাগের অধ্যাপক লরেন্স ট্রাইব এক্সে (সাবেক টুইটার) লিখেছেন, ‘দানব’ এটা পোস্ট করেছে। ট্রাকের পেছনে প্রেসিডেন্ট বাইডেনের হাত-পা বাঁধা একটি ছবি। তিনি (ট্রাম্প) প্রেসিডেন্টকে হুমকি দিচ্ছেন। এটি একটি অপরাধ। অন্য কেউ এটা করলে তাকে গ্রেফতার করা হতো। এখন কী করা হবে?
ওবামা প্রশাসনের সাবেক কর্মকর্তা ও বর্তমান সিএনএন জাতীয় নিরাপত্তা বিশ্লেষক জুলিয়েট কায়েম লিখেছেনÑ ‘ট্রাম্প সব কিছু ফেলে সহিংসতাকে কৌশল হিসেবে নিয়েছেন।’

বিক্ষোভে উত্তাল ইসরাইল, নেতানিয়াহুর পদত্যাগ দাবি

ঢাকা ডেস্কঃ দখলদার ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর পদত্যাগের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। বিশেষ করে রাজধানী তেলআবিব বিক্ষোভ উত্তাল। এতে অংশ নিচ্ছেন হাজার হাজার মানুষ।
ইহুদিবাদী এই নেতাকে ‘চুক্তির পথে বাধা’ বলে উল্লেখ করে তাকে ক্ষমতাচ্যুত না করা পর্যন্ত বিক্ষোভ অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রæতি দিয়েছেন বিক্ষোভকারীরা। তবে নেতানিয়াহু জানিয়েছে দিয়েছেন তিনি পদত্যাগ করবেন না।
গাজায় হামলা ঘিরে সাধারণ মানুষ ও বিরোধী রাজনৈতিক দলের প্রবল চাপে রয়েছে নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক জোট। গাজায় জিম্মিদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গেও সংহতি জানিয়েছেন এসব আন্দোলকারী।
রোববারের এই প্রতিবেদনে বলা হয়, গাজায় হামলা ঘিরে সাধারণ মানুষ ও বিরোধী রাজনৈতিক দলের প্রবল চাপে রয়েছে নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক জোট। গাজায় জিম্মিদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গেও সংহতি জানিয়েছেন এসব আন্দোলকারী।
গত শনিবার শুরু হওয়া বিক্ষোভ ছড়িয়েছে তেলআবিব, জেরুজালেম, হাইফা, বেয়ার শেভা, সিজারিয়া এবং অন্যান্য শহরে। প্ল্যাকার্ড নিয়ে রাস্তায় নেমে আসা হাজারও বিক্ষোভকারী গাজায় এখনো বন্দি থাকা ইসরাইলিদের মুক্তির দাবি জানায়।
বিক্ষোভে অংশ নিয়ে জিম্মি লিরি আলবাগের মা শিরা আলবাগ বলেন, ‘আমার ছেলে এবং অন্য জিম্মিরা কী অবস্থায় আছে, সেই চিন্তা ও ভয়ে ১৭৬ দিন ধরে অন্য কিছু ভাবতে পারি না। তিনি বলেন, জিম্মি বিনিময় চুক্তিতে যে-ই বাধা হয়ে দাঁড়াবে, তাকে ইসরাইলের জনগণ ক্ষমা করবেন না। এখন আর কোনো অজুহাত চলবে না।’
বিক্ষোভে অংশ নেন প্রায় ৫৪ দিন আগে মুক্তি পাওয়া জিম্মি রাজ বেন-আমি। বিক্ষোভকারীরা ‘জিম্মি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়’, ‘তারা সবাই বাড়ি ফিরে না আসা পর্যন্ত থামব না’ বলে স্লোগান দেন।
এদিকে বিক্ষোভ দমাতে কঠোর অবস্থানে রয়েছে দেশটির আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এরই মধ্যে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে জলকামান ব্যবহার করেছে পুলিশ। গ্রেফতার করা হয়েছে ১৬ জনকে।
গাজায় বন্দি মাতান জাঙ্গাউকারের মা আইনাভ জাঙ্গাউকার বলেছেন, আমরা অবিলম্বে নেতানিয়াহুকে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে সরাতে না পারলে স্বজনদের জীবিত এবং দ্রæত বাড়ি ফিরিয়ে আনতে পারব না। আসবে তাদের লাশ। তাই আমরা আমাদের সংগ্রামের একটি নতুন পর্যায় শুরু করতে বাধ্য হয়েছি।
শনিবার সন্ধ্যায় বিক্ষোভকারীরা জেরুজালেমে নেতানিয়াহুর ব্যক্তিগত বাসভবনের বাইরে জড়ো হয়। এ ছাড়া রোবববার শহরে আরেকটি গণবিক্ষোভের ডাক দেওয়া হয়।
এদিকে গাজায় বর্বরতা রেখেছে ইসরাইল। রোববার গাজার কর্তৃপক্ষ জানায়, আল-শিফা হাসপাতালে ইসরাইলি বাহিনীর অভিযান ও হামলায় ৪০০ জনেরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া শতাধিক ফিলিস্তিনিকে গ্রেফতারও করেছে।
গাজার মিডিয়া অফিস বিবৃতিতে বলেছে, নিহতদের মধ্যে রোগী, বাস্তুচ্যুত এবং স্বাস্থ্যকর্মী রয়েছেন। রোববার পর্যন্ত গাজায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩২ হাজার ৭৮২ জনে।

ই-সিগারেট কি ক্ষতিকারক নয়

অনেকে সিগারেটের বিকল্প হিসাবে ই-সিগারেট বা ‘ইলেকট্রনিক সিগারেট’ ব্যবহার করেন। তারা মনে করেন ই-সিগারেট ধূমপানের অভ্যাস ত্যাগ করতে সাহায্য করে। ক্যানসার বিশেষজ্ঞদের মতে, ই-সিগারেট ধূমপান ছাড়তে সাহায্য করে এর কোনো প্রমাণ এখনো পাওয়া যায়নি। বরং কোনো কোনো ক্ষেত্রে এর প্রভাব সাধারণ সিগারেটের চেয়েও ক্ষতিকারক।
ই-সিগারেটের তরল মিশ্রণের (ই-লিকুইড) মধ্যে থাকে প্রপেলিন গøাইসল, গিøসারিন, পলিইথিলিন গøাইসল, নানাবিধ ফ্লেভার এবং নিকোটিন। গরম হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এ রাসায়নিকগুলো থেকে সাধারণ সিগারেটের ধোঁয়ার সমপরিমাণ ফরমালডিহাইড উৎপন্ন হয়। এ ছাড়া ই-সিগারেটের ধোঁয়ায় থাকে অতিসূ² রাসায়নিক কণা যা ভীষণ ক্ষতিকারক। এর থেকে গলা-মুখ জ্বালা, বমিভাব এবং কাশি দেখা দিতে পারে।
এছাড়া ই-সিগারেটের প্রধান উপকরণ নিকোটিন থেকে দ্রæত আসক্তি তৈরি হয়। যা থেকে ফুসফুসের বিভিন্ন অসুখ হতে পারে। এর মধ্যে যেভাবে রাসায়নিক নিকোটিন ব্যবহার করা হয়; এর অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহারে মৃত্যুও হতে পারে।এর ধোঁয়ায় এমন কিছু উপাদান আছে যেগুলো থেকে ক্যানসার হওয়ার যথেষ্ট আশঙ্কা রয়েছে। এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, সাধারণ সিগারেটের চেয়ে ই-সিগারেট দশগুন বেশি ক্ষতিকারক। সবচেয়ে বড় কথা, ই-সিগারেট দিয়ে ধুমপান কখনো ছাড়া যায় না।

অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ আজিজুর রহমান

পুঁজিবাজারে অবৈধ নজরদারি ,তথ্য ভান্ডারের নিরাপত্তায় পদক্ষেপ কাম্য

দেশের পুঁজিবাজারে যে দুষ্টচক্রের নজর পড়েছে, নানা কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে ক্রমেই তা প্রকাশ্য হচ্ছে। স¤প্রতি শেয়ারবাজারের সবচেয়ে স্পর্শকাতর এবং অত্যন্ত গোপনীয় তথ্যভান্ডারে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) সার্ভিল্যান্সে (নজরদারি সফটওয়্যার) অবৈধ সংযোগের তথ্য মিলেছে। রোববার যুগান্তরের খবরে প্রকাশ, বিএসইসির ভেতরের একটি চক্র টানা ৭ বছর ধরে এ কাজ করে আসছে। নিয়ম লঙ্ঘন করে সার্ভিল্যান্স এরিয়ার বাইরে সফটওয়্যারের সংযোগ স্থাপন করে কাজ করছে তারা। এর সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির পরিচালকসহ কয়েকজন কর্মকর্তার একটি চক্র জড়িত আছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
জানা গেছে, গত বছরের ৪ সেপ্টেম্বর বিষয়টি প্রথম কমিশনের নজরে আসে। তৎকালীন সার্ভিল্যান্সের দায়িত্বে থাকা কমিশনার ওইদিনই তার স্বাক্ষরিত একটি রিপোর্ট কমিশনে জমা দেন। সেই রিপোর্টে নির্ধারিত রুমের বাইরে অত্যন্ত সংবেদনশীল ও গোপনীয় এ সার্ভিল্যান্স সফটওয়্যার যে বিএসইসির পরিচালকের কক্ষে স্থাপিত থাকা উদ্বেগজনক, তা স্পষ্ট করা হয়েছিল। তবে বিষয়টি কমিশনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নজরে দিলেও রহস্যজনক কারণে তারা নীরব রয়েছে। ব্যবস্থা নেওয়া তো দূরের কথা, এখনো সংযোগই বন্ধ হয়নি।
বলা বাহুল্য, এ ধরনের ঘটনা উদ্বেগজনক। শেয়ারবাজারের সবচেয়ে স্পর্শকাতর সার্ভিল্যান্স সফটওয়্যার বাজারের লেনদেন, নজরদারি এবং গোয়েন্দা কার্যক্রম পরিচালনার গোপন তথ্যভান্ডার। এখানে দৈনন্দিন লেনদেন, কারা কীভাবে লেনদেন করছে, কে কোন শেয়ার কিনছে-সে তথ্য থাকে। দেশে চারটি প্রতিষ্ঠানের সার্ভিল্যান্স রয়েছে। এগুলো হলো-বিএসইসি, ডিএসই, সিএসই এবং ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে শেয়ার সংরক্ষণকারী কোম্পানি সিডিবিএল। এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সফটওয়্যার বিএসইসির। এই সফটওয়্যারের মাধ্যমে লেনদেন মনিটরিং করা হয়। এছাড়া সার্ভিল্যান্সের মাধ্যমে গোয়েন্দা কার্যক্রম পরিচালনা করে বিএসইসি। ফলে এর সঙ্গে জড়িতদের অবশ্যই জিজ্ঞাসাবাদ করে শাস্তির আওতায় আনা দরকার। এছাড়া তথ্য পাচারের কারণে বড় অঙ্কের টাকা আয় হয়। এ অর্থ কোথায় ও কাদের কাছে যাচ্ছে, দেশে থাকছে, নাকি দেশের বাইরে চলে যাচ্ছে, সেটিও খতিয়ে দেখা দরকার।
কিছুদিন আগেই ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) তথ্যপ্রযুক্তিতে (আইটি) ঘটে গেছে স্মরণকালের সর্বোচ্চ বিপর্যয়। এর ফলে দেশের পুরো শেয়ারবাজার একদিনেই যেন অস্তিত্বহীন হয়ে পড়ে। নজিরবিহীন এ কাণ্ডে স্বাভাবিকভাবেই পুরো বাজারে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বিষয়টি নিয়ে আলাদা দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করে বিএসইসি ও ডিএসই। ভুলে গেলে চলবে না, দেশের অর্থনীতিতে পুঁজিবাজারের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। দেশের সব মাপের শিল্পপ্রতিষ্ঠান এর তালিকাভুক্ত। শুধু তাই নয়, পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের অনেকেই তাদের কষ্টার্জিত অর্থ এখানে লগ্নি করেন। স্টক এক্সচেঞ্জে লেনদেনের প্রভাব জাতীয় অর্থনীতিতেও পড়ে। এ কথা মাথায় রেখেই দেশের স্টক এক্সচেঞ্জগুলোর অবকাঠামো উন্নয়ন ও নিরাপত্তায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা প্রয়োজন। এর মধ্যে তথ্যপ্রযুক্তির দিকটিও রয়েছে। যারা তথ্যপ্রযুক্তির বিষয়টি দেখভাল করেন, তাদের দক্ষতা প্রদর্শনের পাশাপাশি সর্বোচ্চ সতর্কতা ও আন্তরিকতার পরিচয় দিতে হবে। এ ধরনের কর্মকাণ্ড শুধু পুঁজিবাজারে থাকা প্রতিষ্ঠান ও বিনিয়োগকারীদেরই উদ্বেগ ও ক্ষতির মধ্যে ফেলে না, এর বিরূপ প্রভাব সার্বিকভাবে দেশের অর্থনীতির ওপরও পড়ে। তাই যথাযথ তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন ও দায়ীদের বিরুদ্ধে কর্তৃপক্ষ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেবে, এটাই প্রত্যাশা।

কালো বিড়ালের থাবা, বনভূমি সুরক্ষায় ওদের থামাতে হবে

বন বিভাগ যেন ঘুষ-দুর্নীতির কালো বিড়ালের অভয়ারণ্য হয়ে উঠেছে। বছর যায় যুগ যায় কিন্তু কালো বিড়ালের দৌরাত্ম্য শেষ হয় না। পুরো বন বিভাগ কালো বিড়াল নামের দুর্নীতির কুশীলবদের কাছে জিম্মি। বন বিভাগের সৃষ্টি দেশের বনভূমি রক্ষার জন্য। যারা চাকরি করেন বন বিভাগে তাদের বেতন-ভাতা আসে দেশের ১৭ কোটি মানুষের ট্যাক্সের টাকা থেকে। দেশের প্রতি তাদের আনুগত্য থাকবে, দেশের সম্পদ বনভূমি রক্ষায় তারা অবদান রাখবেন এমনটিই ভাবা হয়। কিন্তু দেশবাসীর বদলে চোর-মহাচোরদের প্রতিই বন বিভাগের দু-একজন বাদে সিংহভাগের আনুগত্য। আর সে কারণে দেশের বনভূমি বাড়ার বদলে কমছে। সাধারণ কর্মচারী থেকে শীর্ষ কর্মকর্তা লুটেরা গোষ্ঠীর দুর্নীতি, অনিয়মে উজাড় হচ্ছে বন। নিয়োগ ও বদলি-বাণিজ্যের সিন্ডিকেট গড়েও চলছে লুটপাট। দুর্নীতি দমন কমিশনের হুঁশিয়ারি, নোটিসেও বন্ধ হচ্ছে না বন বিভাগের দুর্নীতি। ওয়ান-ইলেভেনের আলোচিত ‘বনের রাজা’ ওসমান গনির উত্তরসূরিরাই এখন বনের শীর্ষ কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করছেন। তাদের ভয়াবহ অনিয়মে দেশের বনভূমি দিন দিন উজাড় হচ্ছে। লুটপাটের স্বার্থেই বনের বিভিন্ন পদ নিলামে ওঠে। সুন্দরবন, পার্বত্য এলাকার বড় পদগুলো নিয়ে চলে দরকষাকষিও। কোটি কোটি টাকার নিয়োগ ও বদলি-বাণিজ্যে শীর্ষ কর্মকর্তারা জড়িত থাকায় বন বিভাগে কায়েম হয়েছে লুটের রাজত্ব। বলা হয়ে থাকে, মহাখালীর বন ভবন আগাগোড়া এক দুর্নীতির আখড়া। ডিএফও থেকে বিট কর্মকর্তা পর্যন্ত সর্বস্তরে চলে ভয়াবহ বদলি-বাণিজ্য। বন রক্ষার নামে বিভিন্ন প্রকল্প তৈরি করে টাকা লুটপাটে ব্যস্ত থাকেন দুর্নীতির বরাহ সন্তানরা। ফলে এ বিভাগে কয়েক বছর চাকরি করেই অনেকে বাড়ি-গাড়ির মালিক বনে যাচ্ছেন। বাড়ি কিনছেন বিদেশেও। পাচার করছেন অবৈধ অর্থ। বলা হয়ে থাকে ওসমান গনির নাম সাধারণ্যে পরিচিতি লাভ করলেও এমন দুর্জনের সংখ্যা বন বিভাগে অসংখ্য বললেও খুব বেশি বলা হবে না। বন বাঁচলে দেশ বাঁচবে, বন বাঁচলে মানুষ বাঁচবে। পরিবেশগত ভারসাম্য বজায় রাখতে যেভাবেই হোক বনভূমি টিকিয়ে রাখতে হবে। বন বিভাগে ঠাঁই পাওয়া দুর্নীতিগ্রস্ত ইতরদের বিরুদ্ধে কঠোর হওয়ার সক্ষমতা অর্জন করতে হবে সরকারকে।

কলকাতায় কোন খাবার ভালো লাগল পরীমনির

ঢাকা ডেস্কঃ ঢালিউড অভিনেত্রী পরীমনি বর্তমানে কলকাতার নতুন একটি সিনেমা ফেলুবকশির শুটিং করছেন। এটি পরীর প্রথম কলকাতার সিনেমা। পরীমনির নায়ক কলকাতার জনপ্রিয় চিত্রনায়ক সোহাম। এতে মধুমিতা সরকারকেও দেখা যাবে। বৃহস্পতিবার ছবির লুক টেস্টে ছেলে রাজ্যকে নিয়ে হাজির হয়েছিলেন ‘পরী’।
পরিচালক দেবরাজ সিনহা বলেন, ফেলুবকশি একটা থ্রিলার, এখানে প্রোটাগনিস্ট সোহম। এই চরিত্রটা মজাদার, টেক স্যাভি, বিশ্বের নিত্যনতুন টেকনোলজির বিষয়ে নিজেকে আপডেট রাখে। এমনিতেই বাঙালির প্যাশান খাওয়া-দাওয়া আর রহস্য সমাধান জমিয়ে রেসিপি পড়ার মতো করে রহস্যের কিনারা করে সে। ফেলুবকশি নামটা শুনে নিশ্চয়ই দর্শকরা বুঝতে পারছেন বাংলা সাহিত্যের কিংবদন্তি চরিত্রের প্রভাব রয়েছেন তার মধ্যে। তবে আবার নাম শুনেই সিদ্ধান্তে পৌঁছতে বারণ করব। কারণ চিত্রনাট্যের মজা নিতে ছবিটা দেখতে হবে।
বেশকিছুদিন কলকাতাতেই থাকতে হবে পরীকে; তাই পুরো বিষয়টা নিয়ে বেশ উৎসাহী অভিনেত্রী। এ শহরের কোন খাবার সব থেকে ভালো লাগছে? এ প্রশ্নে পরীমনি জানান, ‘রসগোল্লা’।
আর পরীর ছেলে রাজ্য কতটা উপভোগ করছে? এ বিষয়ে অভিনেত্রী জানান, রাজ্যও খুব উপভোগ করছে, কারণ ও নতুন নতুন বন্ধু পেয়েছে, সবার সঙ্গে খেলা করছে।
ভারত-বাংলাদেশ যৌথ প্রযোজনাতেও বেশকিছু ছবি হচ্ছে। এক দেশের ছবি অপর দেশে মুক্তি পাচ্ছে। তবে সেসব ছবি সেভাবে বøকবাস্টার হচ্ছে না, এ বিষয়ে পরীমনি জানান, কমিউনিকেশনের অভাব রয়েছে।
একটা ভালো প্রোডাক্ট তৈরি করে সেটা ঠিকমতো বাজারে না পৌঁছে দিতে পারার ব্যর্থতা সবার বলে মনে করেন অভিনেত্রী। তবে ‘ফেলুবকশি’ ছবিটার জন্য তিনি নিজের সাধ্যমতো চেষ্টা করবেন বলেও জানান।

হিরো আলমের ফেসবুক উগান্ডা সাইবার টিমের হাতে

ঢাকা ডেস্ক: আলোচিত ইউটিউবার আশরাফুল হোসেন আলম ওরফে হিরো আলমের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজটি এখন উগান্ডা সাইবার টিমের হাতে। শনিবার গভীর রাতে পেজটি হ্যাক করার পর সেখানে অশ্লীল ছবি পোস্ট ও বিভিন্ন কথা শেয়ার দেওয়া হয়। লেখা হয়েছে- উগান্ডা সাইবার টিম পেজটি হ্যাক করেছে।
বর্তমানে কলকাতায় অবস্থানকারী হিরো আলম রোববার বিকালে হোয়াটসঅ্যাপ মেসেঞ্জারে বলেন, তিনি দুটি ছবির কাজ নিয়ে ব্যস্ত আছেন। ঢাকায় ফিরে ডিবিতে অভিযোগ দেবেন।
তিনি বলেন, শনিবার রাত আড়াইটার পর তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজটি (ঐবৎড় অষড়স) হ্যাক করা হয়েছে। উগান্ডা সাইবার টিম পেজটি হ্যাক করে। এরপর প্রোফাইল ছবি পরিবর্তন করে সেখানে কাশ্মীরের সাবেক স্বাধীনতাকামী নেতা বুরহান ওয়ানীর ছবি দেওয়া হয়েছে। কভার পেজে অশ্লীল ছবি দিয়েছে। যদিও ফেসবুক কর্তৃপক্ষ ওই সব ছবি সরিয়ে নিয়েছে।