Home Blog Page 628

রেকর্ড দাম বাড়ল স্বর্ণের

দেশের বাজারে তেজাবী স্বর্ণের (পাকা সোনা) দাম বাড়ায় ফের বাড়ল স্বর্ণের দাম। সবচেয়ে ভালো মানের স্বর্ণের দাম ভরিতে দুই হাজার ২১৬ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

ভালো মানের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম এক লাখ এক হাজার ২৪৪ টাকা, যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। এর আগে কখনো দেশের বাজারে স্বর্ণের ভরি এক লাখ এক হাজার স্পর্শ করেনি।

আগামীকাল শুক্রবার থেকে নতুন দাম কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবী সোনার দাম বেড়েছে। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করেছে। শুক্রবার থেকে এটি কার্যকর করা হবে।

গত বৃহস্পতিবার (১৭ আগস্ট) সোনার দাম কমিয়েছিল বাজুস। এক সপ্তাহ যেতে না যেতে দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিলো সোনা ব্যবসায়ীদের সংগঠনটি।

নতুন মূল্য অনুযায়ী সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) সোনার দাম হবে এক লাখ এক হাজার ২৪৪ টাকা। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ৯৬ হাজার ৬৩৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৮২ হাজার ৮১৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনার দাম ৬৯ হাজার ৫১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

সোনার দাম বাড়ানো হ‌লেও অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে রুপার দাম।

যুক্তরাষ্ট্রে সফলভাবে সম্পন্ন হল মুনা’র ৩ দিনব্যাপী সম্মেলন

নর্থ আমেরিকার মুসলিম কমিউনিটি সহ অন্যান্য ধর্মাবলম্বী মানুষের ঘরে ঘরে ইসলাম তথা পবিত্র মহাগ্রন্থ আল কোরআনের বাণী ঘরে ঘরে পৌছে দেয়ার অঙ্গীকারের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভানিয়া অঙ্গরাজ্যের ফিলাডেলফিয়ার ঐতিহাসিক ‘পেনসিলভেনিয়া কনভেনশন’ সেন্টারে অনুষ্ঠিত হলো মুসলিম উম্মাহ অব নর্থ আমেরিকার (মুনা) ষষ্ঠ সম্মেলন। শুক্র, শনি ও রোববার এই তিন দিনের সম্মেলনে উত্তর আমেরিকার প্রায় ২০ হাজার ধর্মপ্রান মুসলমান অংশ নিয়েছেন বলে মুনা’র কর্তৃপক্ষরা জানিয়েছেন। এবারের সম্মেলনে দেশ-বিদেশের ইসলামিক স্কলারদের পাশাপাশি মূল আলোচক ছিলেন বাংলাদেশের বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবীদ, সুবক্তা ড. মিজানুর রহমান আজহারী।

সম্মেলনের কর্মকান্ডের মধ্যে ছিলো ইসলামি চর্চা ও আলোচনা ছাড়াও ছিল সেমিনার, ছোটদের অনুষ্ঠান, মহিলাদের জন্য আলাদা অনুষ্ঠান, শিশু-কিশোর-কিশোরীদের খেলাধুলা, কালচারাল প্রোগ্রাম ও ইয়ুথ প্রোগ্রাম প্রভৃতি। মুনা’র কনভেনশনে যোগদানকারী হাজার হাজার ধর্মপ্রান মুসলমানের একসাথে জুম্মার নামাজ আদায় ও কুরআন তেলোয়াতের মধ্যদিয়ে স্থানীয় সময় শুক্রবার (১৮ আগষ্ট) তিনদিনব্যাপী কনভেনশন শুরু হয়। উদ্বোধনী পর্বে প্রায় ৫ হাজারের মতো নারী পুরুষ অংশ নেন। সম্মেলনের আর্কষনীয় অনুষ্ঠানগুলো শনিবার দিনব্যাপী চলে। বিশ্বের বিভিন্ন মহাদেশ থেকে আগত ৫০ জনের মতো ইসলামী চিন্তাবীদ এ সম্মেলনের বিভিন্ন ইভেন্টের ওপর আলোচনা করেন। তাদের মধ্যে বাংলাদেশের আলোচিত ও মালয়েশিয়ায় অস্থায়ীভাবে বসবাসকারি ইসলামিক স্কলার ড. মিজানুর রহমান আজাহারিও ছিলেন। আজাহারিকে একনজর দেখা ও তার বক্তব্য শোনার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন স্টেট থেকে বিপুল সংখ্যক মানুষ ফিলাডেলফিয়ায় সমবেত হন। মুনা নেতৃবন্দ জানান, গত সম্মেলনে ১৫ হাজারের মতো মুসলমান সম্মেলনে অংশ নিয়েছিলেন। এবার যোগ দিয়েছেন সর্বস্তরের প্রায় ২০ হাজার মুসলিম নর-নারী।

যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে মুনা কনভেনশন হচ্ছে এককভাবে বাংলাদেশীদের সর্ববৃহৎ কোন সমাবেশ। এদিকে মুনা সম্মেলন ঘিরে পেনসিলভেনিয়ার ফিলাডেলফিয়া শহর বাংলাদেশীদের সরব পদচারনায় মুখরিত হয়ে উঠে। ফিলাডেলফিয়া শহরের ডাউনটাউন এলাকা মুসলিম কমিউনিটির উৎসবের শহর পরিণত। উদ্বোধনী দিনে শুক্রবার সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন মুনা’র ন্যাশনাল কমিটির সভাপতি হারুন অর রশীদ, মাওলানা মাহমুদুল হাসান, আব্দুস সালাম আজাদী, আহমেদ আবু ওবায়দুল্লাহ ও মাওলানা লুৎফর রহমান।

(খবর ইউএনএর)

বায়তুল মোকাররমে সাঈদীর গায়েবানা জানাজা স্থগিত

বায়তুল মোকাররম মসজিদে আজ বুধবার বাদ জোহর আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর গায়েবানা জানাজা স্থগিত করা হয়েছে। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, আল্লামা সাঈদীর গায়েবানা জানাজায় হামলা, গুলি ও হত্যার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

উল্লেখ্য, ইতোপূর্বে জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল যে বুধবার বাদ জোহর আল্লামা সাঈদীর গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।

এদিকে বিশ্ব বরেণ্য মুফাসসিরে কোরআন আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর ঢাকায় নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হতে না দেয়া এবং সমবেত জনতার উপর পুলিশের ন্যক্কারজনক হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ভারপ্রাপ্ত আমীর ও সাবেক এমপি অধ্যাপক মুজিবুর রহমান।

তিনি ১৫ আগস্টের ওই বিবৃতিতে বলেন, ‘বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর, বিশ্ব বরেণ্য মুফাসসিরে কোরআন ও সাবেক এমপি আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী ১৪ আগস্ট দিবাগত রাত ৮:৪০টায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে ইন্তিকাল করেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। উনার ইন্তিকালের খবর প্রচারিত হওয়ার সাথে সাথে হাজার হাজার তৌহিদি জনতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে সমবেত হতে থাকে। রাত যত বাড়তে থাকে জনতার উপস্থিতিতে হাসপাতাল চত্বর ও শাহবাগের আশপাশের এলাকা লোকে লোকারণ্যে পরিণত হতে থাকে। আল্লামা সাঈদীর পরিবারের লোকজন ও প্রাশাসনের সাথে সমন্বয় করে ১৫ আগস্ট বাদ জোহর পিরোজপুরে জানাযা, দাফন এবং ১৬ আগস্ট ঢাকায় গায়েবানা জানাযা করার সিদ্ধান্ত হয়।’

তিনি বলেন, ‘তবে রাত বাড়ার সাথে সাথে হাসপাতালে আগত হাজার হাজার সমবেত জনতার পক্ষ থেকে ঢাকায় জানাযার দাবি তোলা হয়। অনেকে লাশবাহী এম্বুলেন্স আটকিয়ে তার সামনে বসে যান এবং অনেকে শুয়ে পড়েন। শান্তিপূর্ণভাবে তারা তাদের প্রিয় রাহবারের ঢাকায় জানাযার দাবি জানান। কিন্তু অত্যন্ত বিস্ময়ের সাথে দেশবাসী লক্ষ্য করেছে ফজরের পরপরই আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কোনো কারণ ছাড়াই সমবেত জনতার উপর মুহুর্মুহু সাউন্ড গ্রেনেড, গুলি ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে। তাদের হাত থেকে হাসপাতালে আগত রোগীদের আত্মীয় স্বজন মসজিদের সাধারণ মুসল্লিগণও রেহাই পাননি। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।’

বিবৃতিতে তিনি আরো বলেন, আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী দলমত-নির্বিশেষে এদেশের কোটি জনতার হৃদয়ের স্পন্দন। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় অন্তিম সময়ে তাঁর পরিবারের কারো সাথেই তিনি কথা বলে যেতে পারেননি। পরিবারের লোকজনকে তাঁর সাথে দেখা করতে দেয়া হয়নি। যা অত্যন্ত অমানবিক ও বেদনাদায়ক।

খালেদা জিয়াকে চিকিৎসার জন্য বিদেশ না পাঠালে কঠোর কর্মসূচি

খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য দ্রুত বিদেশে না পাঠালে কঠোর আন্দোলন-কর্মসূচির ঘোষণা করা হবে বলে হুঁশিয়ারী দিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

বুধবার (১৬ আগস্ট) সকালে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কায়ার্লয়ে বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার জন্মদিন উপলক্ষে রোগমুক্তি কামনায় আয়োজিত মিলাদ মাহফিলে তিনি এ হুঁশিয়ারী দেন।

আমীর খসরু বলেন, জনগণকে বাঁচাতে হলে দেশনেত্রীকে বাঁচাতে হবে। আইনের শাসন, মানবাধিকার ফিরিয়ে আনতে হলে দেশনেত্রীকে বাঁচাতে হবে। গণতান্ত্রিক ভোটাধিকার বাঁচাতে হলে দেশনেত্রীকে বাঁচাতে হবে।

উন্নত চিকিৎসা না দিয়ে বেগম খালেদা জিয়াকে যারা মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিচ্ছে তাদের দায়ভার বহন করতে হবে বলে হুঁশিয়ারী উচ্চারণ করেন বিএনপি এই নেতা।

‘ভারতের ভবিষ্যত ও নিরাপত্তা বাংলাদেশের সাথে জড়িত’

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বাংলাদেশ, মিয়ানমার বিভাগের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা স্মিতা প্যান্ট মঙ্গলবার বলেছেন, ভারতের ভবিষ্যত, বিশেষ করে এর নিরাপত্তা বাংলাদেশের সাথে অবিচ্ছেদ্যভাবে জড়িত।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও ভারত একসাথে অনেক কিছু অর্জন করতে পারে, বিশেষ করে নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং সুন্দরবনের বদ্বীপ সুরক্ষায়।

ভারতের সংবাদমাধ্যম টাইমস নাউ নিউজের খবরে বলা হয়েছে, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখছিলেন স্মিতা প্যান্ট।

তিনি বলেন, ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের সদস্যদের নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। তবে অপরাধীরা তার মূল্যবোধকে নির্মূল করতে পারেনি। বঙ্গবন্ধু, ‘ইতিহাসে যার সমকক্ষ কম’, তার স্বপ্ন আজ বাস্তবায়িত হচ্ছে।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এই কর্মকর্তা বলেন, জনগণ চরমপন্থা প্রত্যাখ্যান করেছে, বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হওয়ার পথে রয়েছে এবং দেশটি প্রায় অন্য যেকোনো দেশের তুলনায় বেশি জাতিসঙ্ঘ শান্তিরক্ষী পাঠায়।

বাংলাদেশের হাইকমিশনার মোহাম্মদ মুস্তাফিজুর রহমান আলোচনার শুরুতে বলেন, বঞ্চিত ও নিপীড়িত মানুষের অধিকার আদায়ে বঙ্গবন্ধুর সংগ্রাম ও আত্মত্যাগ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে একটি মডেল। সাম্য, ন্যায়বিচার, মৌলিক মানবাধিকার এবং বিশেষত আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার উপলব্ধির জন্য লড়াই করার অভিজ্ঞতা থেকে তিনি তার রাজনৈতিক দর্শন বিকাশ করেছিলেন।

বঙ্গবন্ধু ১৯৭৪ সালে জাতিসঙ্ঘে তার প্রথম ভাষণে সবার জন্য শান্তি ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। বঙ্গবন্ধুকে উদ্ধৃত করে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের সংগ্রামই শান্তি ও ন্যায়বিচারের জন্য সার্বজনীন সংগ্রামের প্রতীক।’

একই সুর প্রতিধ্বনিত হয়েছিল ১৯৭৩ সালে আলজিয়ার্সে অনুষ্ঠিত ন্যাম সম্মেলনে, যেখানে বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, ‘যারা অত্যাচারী এবং যারা নির্যাতিত- তাদের মধ্যে পৃথিবী বিভক্ত…। যারা নিপীড়িত এবং যারা নিপীড়ন থেকে মুক্তির ন্যায়সঙ্গত সংগ্রামে তাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন, আমরা তাদের পাশে আছি।’

বাংলাদেশের হাইকমিশনারকে উদ্ধৃত করে প্রতিবেদনটিতে উল্লেখ করা হয়, ‘ঘাতকরা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছে, কিন্তু তারা এই মহান ব্যক্তির নীতি ও আদর্শকে মুছে ফেলতে পারেনি। তার শিক্ষা, মতাদর্শ এবং চেতনা আমাদের হৃদয়ে গভীরভাবে গেঁথে আছে।’

হাইকমিশনার অনুসারে, দারিদ্র্য বিমোচন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও নারীর ক্ষমতায়নসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে।

বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের সাবেক হাইকমিশনার পঙ্কজ শরণ একমত পোষণ করেন, বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক পরিসংখ্যান এখন পাকিস্তান এবং কিছু পরিস্থিতিতে ভারতের চেয়ে ভালো।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুই একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ এবং ভারতের সাথে সুসম্পর্কের স্বপ্ন দেখেছিলেন।
সূত্র : ইউএনবি

আল্লামা সাঈদীর রাজনৈতিক জীবন

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির, আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন মুফাসসিরে কুরআন ও সাবেক এমপি আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী আর নেই। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। সোমবার (১৪ আগস্ট) রাতে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) চিকিৎসাধীন তিনি ইন্তেকাল করেন। তার বয়স হয়েছিল ৮৪ বছর। তিনি ১৯৪০ সালের ২ ফেব্রুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন।

আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী ১৯৭৯ সালে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করেন।। তিনি ১৯৮২ সালে জামায়াতের রুকন হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন। ১৯৮৯ সালে তিনি জামায়াতের মজলিশে শূরা সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৯৬ সালে জামায়াতের নির্বাহী পরিষদ সদস্য নির্বাচিত হন। আল্লামা সাঈদী ২০০৯ সাল থেকে আজ অবধি জামায়াতের নায়েবে আমীরের দায়িত্ব পালন করছেন।

সংসদ সদস্য
আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী ১৯৯৬ ও ২০০১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পিরোজপুর ১ আসন থেকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী হিসেবে পরপর দুবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০০৮ সালের নির্বাচনে তাকে পরিকল্পিতভাবে হারিয়ে দেয়া হয়। তিনি মাত্র ৬,৯৯৬ ভোটে পরাজিত হন।

২০০১ সালে তিনি ১,১০,১০৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দী আওয়ামী লীগের প্রার্থী সুধাংশু শেখর হালদার ৭৬,৭৩১ ভোট পেয়েছিলেন। ১৯৯৬ সালে সারাদেশে জামায়াতে ইসলামীর মাত্র তিনজন সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ওই নির্বাচনে আল্লামা সাঈদী ৫৫,৭১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দী আওয়ামী লীগে প্রার্থী সুধাংশু শেখর হালদার পেয়েছিলেন ৫৫,৪৩৭ ভোট।

বাবর বিশ্বের সেরা ব্যাটার : কোহলি

০

পাকিস্তান অধিনায়ক ব্যাটার বাবর আজমের প্রশংসা করে ভারতের সাবেক দলনেতা বিরাট কোহলি বলেছেন, ‘সম্ভবত সব ফরম্যাটে বিশ্বের সেরা ব্যাটার বাবর।’

স্টার স্পোর্টসে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বাবরকে নিয়ে এমন কথা কোহলি।

দীর্ঘদিন ধরে বিশ্ব ক্রিকেটে অন্যতম সেরা তারকা বাবর। ক্রিকেটে তিন ফরম্যাটে ব্যাট হাতে সমানতালে দাপট দেখাচ্ছেন তিনি। বর্তমানে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) ওয়ানডে র‌্যাংকিংয়ের শীর্ষে আছেন বাবর। টেস্টে চতুর্থ ও টি-টোয়েন্টিতে তৃতীয়স্থানে আছেন তিনি।

গত চার-পাঁচ বছর ধরে দুর্দান্ত ব্যাটিং পারফরমেন্সে বিশ্বজুড়ে প্রশংসা কুড়িয়েছেন বাবর। ২০১৯ সালে ইংল্যান্ড বিশ্বকাপে ম্যানচেস্টারের ম্যাচে বাবরের সাথে প্রথম দেখার হয় কোহলির। বাবরের সাথে কোহলির সাক্ষাৎ করিয়ে দিয়েছিলেন পাকিস্তানের অলরাউন্ডার ইমাদ ওয়াসিম। অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ থেকে ইমাদের সাথে পরিচয় কোহলি। ওই স্মৃতি রোমন্থন করে কোহলি বলেন, ‘২০১৯ বিশ্বকাপে ম্যানচেস্টারের ম্যাচ শেষে তার (বাবর) সাথে আমার কথা হয়। অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ থেকে আমি ইমাদকে (ওয়াসিম) চিনতাম। ইমাদ আমাকে এসে জানিয়েছিল যে আমার সাথে বাবর কথা বলতে চায়। আমরা বসলাম এবং খেলা নিয়ে আলোচনা করলাম। আমি প্রথম দিন থেকেই তার মধ্যে প্রতিপক্ষের প্রতি যথেষ্ঠ সম্মান ও শ্রদ্ধাবোধ দেখেছি এবং সেটা আজও পরিবর্তন হয়নি।’

বাবরকে বিশ্বের সেরা ব্যাটার হিসেবে অ্যাখায়িত দিয়ে কোহলি বলেন, ‘সব ফরম্যাট মিলিয়ে সে সম্ভবত বিশ্বের সেরা ব্যাটার। ধারাবাহিকভাবে সব ফরম্যাটেই পারফর্ম করে এবং আমি সবসময়ই তার খেলা উপভোগ করি।’

৮৮৬ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে বর্তমানে ওয়ানডে র‌্যাংকিংয়ের শীর্ষে আছেন বাবর। ৭০৫ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের নবমস্থানে আছেন কোহলি। আসন্ন এশিয়া কাপে একই গ্রুপ রয়েছে ভারত-পাকিস্তান। ২ সেপ্টেম্বর শ্রীলঙ্কার ক্যান্ডিতে লড়বে দু’দল। সুপার ফোরে উঠলে আবারো দেখা হবে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর। এছাড়াও আগামী ওয়ানডে বিশ্বকাপে ১৪ অক্টোবর আহমেদাবাদে দেখা হবে ভারত ও পাকিস্তানের।
সূত্র : বাসস

মমতাজের বিরুদ্ধে ভারতের আদালতে গ্রেফতারি পরোয়ানা

ঙ্গীতশিল্পী এবং ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য মমতাজ বেগমের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে এই গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মুর্শিদাবাদ জেলার বহরমপুরের আদালত। প্রতারণাসহ বিশ্বাসভঙ্গ করার অভিযোগ উঠেছে মমতাজ বেগমের বিরুদ্ধে। টাকা নিয়েও অনুষ্ঠান যাননি বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

বুধবার (৯ আগস্ট) এই গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন বহরমপুর আদালতের মুখ্য বিচারক অলোকেশ দাস।

প্রায় ১৫ বছর আগে মমতাজের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। এ নিয়ে ওই মামলায় চতুর্থবারের জন্য গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হলো।

৯ আগস্ট আদালতে হাজির থাকার জন্য নির্দেশ দেয়া হয়েছিল মমতাজকে। কিন্তু তিনি ওই দিন আদালতে হাজির না থাকায় এই গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

জানা গেছে, মমতাজের বিরুদ্ধে ২০০৮ সালে মামলা করেন শক্তিশঙ্কর বাগচি নামের এক ইভেন্ট অর্গানাইজার। আগে পশ্চিমবঙ্গে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে নিয়মিত অংশ নিতেন মমতাজ। শক্তিশঙ্কর বাগচির অভিযোগ, ২০০৪ সাল থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন অনুষ্ঠানে গান গাওয়ার জন্য মমতাজের সাথে তার লিখিত চুক্তি হয়। চুক্তি অনুসারে ২০০৮ সালের ডিসেম্বর মাসে বহরমপুরের একটি অনুষ্ঠানে যাওয়ার কথা ছিল মমতাজের।

ওই অনুষ্ঠানে যাওয়ার জন্য মমতাজকে ১৪ লাখ টাকা দেয়া হয়। কিন্তু মমতাজ টাকা নিয়েও অনুষ্ঠানে যাননি। ওই টাকা ফেরত চাইলেও তা দিতে অস্বীকার করেন মমতাজ। এ জন্য হেনস্থার মুখে পড়তে হয় শিবশঙ্কর বাগচিকে। থানায় এ বিষয়ে অভিযোগ নিতে না চাইলে বাধ্য হয়ে বহরমপুর আদালতের যান তিনি।

আদালতে মমতাজের বিরুদ্ধে বিশ্বাসভঙ্গ, প্রতারণাসহ একাধিক ধারায় মামলা রুজু করা হয়। ওই মামলায় ২০০৯ সালে মমতাজের বিরুদ্ধে সমন জারি করে আদালত। সমন কার্যকর না করায় তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়। তার মধ্যে ওই আদালত থেকে আগাম জামিন নেন মমতাজ। এর বিরুদ্ধে হাইকোর্টেও যান শিবশঙ্কর বাগচি।

জানা গেছে, মামলায় সহযোগিতা করার কথা বলেই তিনবার জামিন পান মমতাজ। কিন্তু চলতি বছরে হাজিরা আবারো এড়িয়ে যান তিনি। তারপরেই আবার গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

শিবশঙ্কর দাবি করেন, নিজের নাম বদল করে আদালতকে মিথ্যা কথা বলছেন ওই গায়িকা।

বাংলাদেশ হাইকমিশন সূত্রে জানা গেছে, মমতাজ এখন কানাডায় আছেন।
সূত্র : এই সময়

‘আমাকে ৬ মাসের জন্য পররাষ্ট্রমন্ত্রী করুন, রিজার্ভ ১০০ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছে যাবে’

পাকিস্তানের আলোচিত টিকটকার হারিম শাহ দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী হওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টুইটারে নিজের একটি ছবি শেয়ার করেছেন তিনি। সেখানে এক ক্যাপশনে হারিম শাহ এই আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

তিনি দাবি করেছেন- তাকে যদি দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী বানানো হয়, তাহলে দেশের অর্থনৈতিক উন্নতি হবে।

এ প্রসঙ্গে ওই ক্যাপশনে তিনি লিখেন, ‘আমাকে যদি মাত্র ৬ মাসের জন্য পাকিস্তানের অন্তবর্তীকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী বানানো হয়, তাহলে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৮ বিলিয়ন ডলার থেকে বাড়িয়ে ১০০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করব।’

উল্লেখ্য, সরকারের মেয়াদ শেষ হওয়ায় এরই মধ্যে পাকিস্তানের সংসদ ভেঙে দেয়া হয়েছে এবং আগামী নির্বাচনের জন্য আনোয়ারুল হক কাকারকে দেশটির অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী বানানো হয়েছে। আনোয়ারুল হক কাকারের আগামী ১৪ আগস্ট শপথ গ্রহণের কথা রয়েছে। এরপরই তিনি তিনি তার মন্ত্রিসভা গঠন করবেন।

সূত্র : জিও নিউজ

আপনারা নিশ্চিন্ত থাকুন, পরিবর্তন আসছে : মির্জা ফখরুল

নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আপনারা নিশ্চিন্ত থাকুন, পরিবর্তন আসছে। জনগণের জয় হবে ইনশা আল্লাহ।

আজ রোববার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে এক আলোচনায় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কনিষ্ঠ পুত্র মরহুম আরাফাত রহমান কোকোর ৫৪তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভার আয়োজন করে বাংলাদেশ ক্রীড়া উন্নয়ন পরিষদ। এ আলোচনা সভার সভাপতিত্ব করেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সালাম।

মির্জা ফখরুল বলেন, আরাফাত রহমান কোকো একজন দুর্ভাগ্যবান মানুষ। তিনি স্বাধীনতা ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারকারী বেগম খালেদা জিয়া কনিষ্ঠ পুত্র। তিনি রাজনৈতিক কারণেই বেশি প্রতিহিংসার শিকার হয়েছেন। যদি তাদের সন্তান না হতেন তবে তিনি হয়ত এমন নির্যাতনের শিকার হতেন না। হয়ত একটু কম হতেন।

তিনি বলেন, ম্যাডাম খালেদার জিয়ার চিকিৎসা এদেশে আর সম্ভব নয়। ডাক্তাররা এ বিষয়ে উদ্বিগ্ন। তারা বলছেন, উনাকে দেশের বাইরে নেয়া দরকার তাড়াতাড়ি।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, দেশের যে একটা আত্মা থাকে, আওয়ামী লীগ সেটাও নষ্ট করেছে। আমি মনে করি দেশের যতগুলো বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিসি আছেন, কারো কোনো যোগ্যতা নেই। শুধু ক্রীড়া অঙ্গন নয়, দেশের সব নষ্ট করে ফেলেছে এরা।

তিনি বলেন, ‘যখন আন্দোলন উঠতে থাকে তখনই জঙ্গি নাটক করতে থাকে এই আওয়ামী লীগ। এখন জনগণের চোখকে অন্যদিকে প্রবাহিত করতে থাকবে। পশ্চিমা দেশগুলোকে বুঝাবে আমরা না থাকলে জঙ্গির উত্থান ঘটবে। কী নাটক! এই নাটক করে এরা দেশটাকে গিলে ফেলেছে।’

‘আজ এই রাষ্ট্র দখল হয়ে গেছে। কেউ নিজেদের পৈতৃক সম্পত্তি মনে করে ধরে রেখেছে।’

মির্জা ফখরুল বলেন, ফ্যাসিস্ট সরকারের কাজই লুট, চুরি করা। এরা এটাতে সফলও হয়েছে। তবে একটা কথা ধর্মের কল বাতাসে নড়ে। তাই নড়তে শুরু করেছে। এ দেশের মানুষ জেগে উঠেছে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে আন্দোলনের জন্য।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার যদি ফিরে আসে তবে আওয়ামী লীগ ১০টি আসনও পাবে না। এটা আওয়ামী লীগ ভালো করে জানে।

তিনি বলেন, বিএনপি বিশ্বাস করে জনগণকে। আমরা অত্যন্ত আশাবাদী। অনেকে বলেন, আপনার মুখে হাসি দেখি কেন সব সময়? আমি পরিষ্কার দেখতে পারছি, ফ্যাসিস্ট পাথর জনগণের ঘাড় থেকে সরে যাচ্ছে। জনগণ মুক্তি পাচ্ছে একটি ভয়াল থাবা থেকে!