Home Blog Page 639

ঢাকা-১৭ ও ৭ পৌরসভায় ভোটগ্রহণ চলছে

ঢাকা-১৭ আসনের সংসদীয় উপনির্বাচন এবং সাত জেলার সাতটি পৌরসভার নির্বাচনে ভোটগ্রহণ চলছে। সোমবার সকাল ৮টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। কোনো বিরতি ছাড়াই ভোটগ্রহণ চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত।

এর আগে শান্তিপূর্ণ ভোট নিশ্চিত করতে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

ঢাকা-১৭ আসনে সংসদ সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন আটজন প্রার্থী।

চলতি বছরের ১৪ মে জনপ্রিয় অভিনেতা ও মুক্তিযোদ্ধা আকবর হোসেন পাঠান ফারুক এমপির মৃত্যুতে গুলশান, বনানী, বারিধারা ও ঢাকা সেনানিবাসের একাংশ নিয়ে আসনটি শূন্য হয়।

প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারীরা হলেন- বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মোহাম্মদ আলী আরাফাত (নৌকা প্রতীক নিয়ে), জাতীয় পার্টির (লাঙল) সিকদার আনিসুর রহমান, স্বতন্ত্র আশরাফুল হোসেন আলম (একতারা), জাকের পার্টির কাজী রশিদুল হাসান (গোলাপ), বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের আক্তার হোসেন (ছড়ি), স্বতন্ত্র তরিকুল ইসলাম ভূঁইয়া (ট্রাক), বাংলাদেশ কংগ্রেসের রেজাউল করিম স্বপন (ডাব) এবং তৃণমূল বিএনপির শেখ হাবিবুর রহমান (সোনালী আঁশ)।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ১৫, ১৮, ১৯ ও ২০ নম্বর ওয়ার্ড এবং ঢাকা সেনানিবাস এলাকা নিয়ে গঠিত ঢাকা-১৭ আসনে ১২৫টি ভোটকেন্দ্রের অধীনে ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ২৫ হাজার ২০৫।

১ জুন নির্বাচন কমিশন ঢাকা-১৭ আসনের উপনির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে। যা ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য আকবর হোসেন পাঠান ওরফে ফারুকের মৃত্যুতে শূন্য হয়।

সোমবার সাতটি পৌরসভার নির্বাচন চলছে- পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া, কুমিল্লার দেবিদ্বার, চাঁদপুরের ছেংগারচর, যশোরের বেনাপোল, চট্টগ্রামের দোহাজারী, শরীয়তপুরের গোসাইরহাট ও সিরাজগঞ্জের তাড়াশ।

পৌরসভাগুলোর মধ্যে ভান্ডারিয়ায় ২২ হাজার ৪১৫ জন, ছেংগারচরে ৩৩ হাজার ৩৩৬ জন, দেবিদ্বারে ৪৪ হাজার ৫০৯জন, বেনাপোলে ৩০ হাজার ৩৮৫জন, দোহাজারীতে ৩৩ হাজার ৫৮৬ জন, গোসাইরহাটে ১৮ হাজার ৩২জন এবং তাড়াশে ১৯ হাজার ২৮৭জন ভোটার রয়েছেন।

সাতটি পদে মোট ৩৩ জন মেয়র প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। যেখানে সাতটি পৌরসভায় ২১টি সংরক্ষিত আসনের জন্য ১০২ জন মহিলা প্রতিদ্বন্দ্বী এবং ৬৩টি সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৩৬৪ জন প্রতিদ্বন্দ্বী।

সংসদীয় উপনির্বাচনে ঐতিহ্যবাহী ব্যালট পেপার ব্যবহার করে ভোট অনুষ্ঠিত হবে এবং পৌর নির্বাচনের ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহার করা হবে।

এছাড়াও আজ কয়েকটি স্থানীয় সংস্থা- ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা, উপজেলা পরিষদ এবং জেলা পরিষদের শূন্য পদে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

প্রথম ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ফ্রান্সের সর্বোচ্চ সম্মাননা পেলেন মোদি

ফ্রান্সের সর্বোচ্চ সম্মানে ভূষিত হলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

বৃহস্পতিবার ফ্রান্সে পৌঁছেছেন তিনি। সেখানেই একটি অনুষ্ঠানে তার হাতে তুলে দেয়া হয় লিজিয়ঁ দ্য অনারের গ্র্যান্ড ক্রস।
ফরাসি রাষ্ট্রপতি ইমান্যুয়েল ম্যাক্রোঁ এই সম্মান তুলে দেন মোদির হাতে।

ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গোটা দেশের মানুষের হয়ে ফরাসি সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রসঙ্গত, এর আগে মোট ১৩টি দেশ থেকে সেখানকার সর্বোচ্চ সম্মাননা পেয়েছেন মোদি। এবার প্রথম ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে লিজিয়ঁ দ্য অনারের সম্মান পেলেন তিনি।

দু’দিনের জন্য ফ্রান্স সফরে গিয়েছেন মোদি। যুদ্ধবিমান কেনা-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি স্বাক্ষরিত হতে পারে মোদির এই সফরে। তার প্রথম দিনেই মোদিকে সম্মানিত করল ফ্রান্সের সরকার। এর আগে শশী থারুর, সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের মতো বিখ্যাত ভারতীয়রা এই সম্মান পেয়েছেন। ফ্রান্সের সাধারণ নাগরিক ও সামরিক ব্যক্তিত্বদের মধ্যে এই লিজিয়ঁ দ্য অনারই সবচেয়ে বড় সম্মান।

বৃহস্পতিবার বিখ্যাত এলিস প্যালেসে মোদির জন্য বিশেষ নৈশভোজের ব্যবস্থা করেছিলেন ফ্রান্সের ফার্স্ট লেডি ব্রিজেট ম্যাক্রোঁ। সেখানেই লাল কার্পেটে হেঁটে প্রাসাদে প্রবেশ করেন মোদি। বিশেষ নৈশভোজের অনুষ্ঠানেই তাকে লিজিয়ঁ দ্য অনারে ভূষিত করা হয়। তারপরেই ফ্রান্সে প্রবাসী ভারতীয়দের উদ্দেশে ভাষণও দেন ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী।

সেই ভাষণ দেয়ার সময়েই প্রধানমন্ত্রী একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করেন। তিনি জানান, মার্সেইতে একটি কনসুলেট খুলতে চলেছে ভারত। তার পাশাপাশি ফ্রান্সে পড়াশোনা করা ভারতীয়দের জন্য পাঁচ বছরের ওয়ার্ক ভিসার কথাও ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী। আগে এই ভিসার মেয়াদ ছিল দু’বছর। সূত্র : সংবাদ প্রতিদিন

দেশে এখন ডেমোক্রেসির পরিবর্তে আওয়ামীক্রেসি চলছে : জিএম কাদের

দেশে এখন ডেমোক্রেসির পরিবর্তে আওয়ামীক্রেসি চলছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান ও বিরোধীদলীয় উপনেতা গোলাম মোহাম্মদ কাদের (জিএম কাদের) এমপি।

তিনি বলেন, সরকারি ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানে বেছে বেছে আওয়ামী লীগের লোক বসানো হচ্ছে। সাধারণ মানুষ মনে করছে, দুর্নীতি দমন কমিশনের কাজ হচ্ছে সরকারি দলের দুর্নীতিবাজদের সার্টিফিকেট দেয়া। তারা কোনো দুর্নীতি করেননি। সকল জায়গায় বিভাজন সৃষ্টি করা হচ্ছে, এটাই হচ্ছে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিরোধী। ফলে গরীব আরো গরীব হচ্ছে, ধনীরা আরো ধনী হচ্ছে। ব্যবসা-বাণিজ্যের নামে লুটপাট চলছে। দেশের মানুষের খোঁজ রাখা হচ্ছে না। বর্তমান সরকার স্বাধীনতার পক্ষে হতে পারে কিন্তু তারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনার পক্ষের শক্তি নয়।

শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্সইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে সাবেক রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান মরহুমহুসেইন মুহম্মদ এরশাদের চতুর্থ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক স্মরণ সভায় সভাপতির বক্তৃতায় জিএম কাদের এসব কথা বলেন।

জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান বলেন, সকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, নির্বাচন করতে হবে নির্বাচিত সরকারের অধীনে, আমরাও চাই। নির্বাচিত সরকার যদি নির্বাচন কমিশনসহ সকল কিছু প্রভাবিত করতে পারে তাকে সমর্থন করা যায় না। সংবিধানে বলা হয়েছে গণতন্ত্রের কথা। জনগণ যদি মনে করে আমার ভোটে সরকার গঠন হয়েছে, তাকেই বলা যায় নির্বাচিত সরকার। নির্বাচন কমিশন যেন সরকারের প্রভাবের বাইরে থাকে। যদি আমার কথায় নির্বাচন কমিশন চলে, তাহলে আমি কী হেরে যাবো এমন সিদ্ধান্ত নেবো? সরকার নির্বাচন কমিশনকে প্রভাবিত করতে পারলে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ নামে ও বেনামে সরকার হয়ে যাচ্ছে। তারা তাদের সরকারের জন্য কাজ করছে। তারা কাজ করছে তাদের সরকারের জন্য। কিছু মানুষ প্রশাসনে আছে, পুলিশে আছে, সরকারি বিভিন্ন বিভাগে আছে, তারা আগ বাড়িয়ে বলেন, আমরা আওয়ামী পরিবার। আমরা ছাত্রলীগ-যুবলীগ করেছি। তারা আওয়ামী লীগের সভায় যায়, শ্লোগান দেয় এবং আওয়ামী লীগের ভাষায় কথা বলে। এরা হচ্ছে বেনামে আওয়ামী লীগ। এখন ডেমক্রেসির পরিবর্তে আওয়ামীক্রেসি চলছে। যেখানে গর্ভমেন্ট অব দ্যা আওয়ামী লীগ, গর্ভমেন্ট বাই দ্যা আওয়ামী লীগ এবং গর্ভমেন্ট ফর দ্যা আওয়ামী লীগ। এটা কথনোই ডেমেক্রেসি হতে পারে না। আমরা চাই নির্বাচিত সরকারের অধীনে নির্বাচন হতে হবে। সেই সরকার নির্বাচিত হতে হবে। যে সরকার নিজেই নিজের ফলাফল ঘোষণা করতে পারে তাকে নির্বাচিত সরকার বলা যায় না।

এর আগে গতকাল সকাল ৯টায় কাকরাইলে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয় চত্বরে এরশাদের প্রতিকৃতিতে পুস্পস্তবক অর্পণ করেন নেতারা। বাদ জুমা মসজিদের মসজিদে তার মাগফিরাত কামনায় দোয়া করা হয়। এছাড়াও জেলা, উপজেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে জাতীয় পার্টির উদ্যোগে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এরশাদের ৪র্থ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে স্মরণ সভায় বক্তব্য রাখেন- জাতীয় পার্টির সিনিয়র কো-চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ এমপি, মহাসচিব মো: মুজিবুল হক চুন্নু এমপি, কো-চেয়ারম্যান এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার, কাজী ফিরোজ রশীদ এমপি, সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা এমপি, প্রেসিডিয়াম সদস্য সাহিদুর রহমান টেপা, ফখরুল ইমাম এমপি, অ্যাডভোকেট শেখ মুহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম, মীর আব্দুস সবুর আসুদ প্রমুখ।

মুদ্রার উল্টো পিঠ দেখলো আফগানিস্তান, সহজ লক্ষ্য বাংলাদেশের সামনে

০

মুদ্রার উল্টো পিঠ দেখলো আফগানিস্তান। আগের ম্যাচে যেখানে উদ্বোধনী জুটিতেই আসে ২৫৬ রান, সেখানে আজ টিকে থাকাই যেন বড় দায়। একের পর এক আঘাতে আফগানরা আজ এলোমেলো, অসহায়।

হোয়াইটওয়াশের শঙ্কা নিয়ে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডে ম্যাচে টসে হেরে আগে বল করতে গিয়ে আফগানিস্তানকে থামিয়ে দিয়েছে ১২৬ রানে। এবার ব্যাট হাতে জ্বলতে পারলেই পাবে পূর্ণতা।

গল্পটা এভাবেও বলা যায়, ‘শরিফুল ইসলাম ফিরলেন, ফিরলো বাংলাদেশও।’ প্রথম দুই ম্যাচে অসহায় আত্মসমর্পণের পর ছন্দ খুঁজে পেলো বাংলাদেশ। উড়তে থাকা আফগানিস্তান মাটিতে নেমে এলো। চট্টগ্রামে আগে ব্যাট করতে এসে পাওয়ার প্লেতে যোগ করে মোটে ২১ রান, তবুও ৪ উইকেট হারিয়ে! যার নেপথ্য কারণ শরিফুল। একাই ৩ উইকেট তুলে নেন তিনি; প্রথম স্পেল ৫-১-৮-৩!

পাওয়ার প্লেতে আফগানদের ২১ রানের ভেতরে ৭ রান আসে অতিরিক্ত খাত থেকে। তাছাড়া ৬০ বল খেলে মোটে ৮টি বল থেকে রান বের করতে পেরেছে তারা, ডট দেয় ৫২টি! এই ছোট পরিসংখ্যানই বলে দেয় কতটা ভুগেছে আজ সফরকারীরা।

আগের ম্যাচে উদ্বোধনী জুটিতে ২৫৬ রান তুলেছিল সফরকারী আফগানিস্তান। আজও ভয় ছিল এমন কিছু হবে না তো! সেই সুযোগও দেননি শরিফুল। মাত্র তৃতীয় ওভারেই ভাঙেন উদ্বোধনী জুটি। অফ স্টাম্পের বাইরে ফাঁদে ফেলেন ইবরাহিম জাদরানকে। আগের ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান বলে খোঁচা দিলে তা সরাসরি চলে যায় উইকেটের পেছনে মুশফিকুর রহিমের গ্লাভসে। ৩ রানেই ভাঙে আফগানিস্তানের উদ্বোধনী জুটি।

প্রথম উল্লাসের রেশ না কাটতেই দ্বিতীয়বার উল্লাসে মাতান শরিফুল। একই ওভারেই ফেরান তিনে না রহমত শাহকে। শূন্য রানে ফেরেন এই আফগান ব্যাটার। তিনিও ফেরেন মুশফিকের হাতে ক্যাচ দিয়ে। আর তাতে ৩ রানেই ২ উইকেট হারায় আফগানিস্তান।

এরপর ষষ্ঠ ওভারে তাসকিনের আঘাত। প্রথম চার বল ডট দেয়ার পর পঞ্চম বলে পুল করতে চেয়েছিলেন গুরবাজ। তবে তাসকিনের বাউন্সার ব্যাটে ছোঁয়া লেগে চলে যায় পেছনে, মুশফিকের গ্লাভসে। আগের ম্যাচে ১৪৬ রানের ইনিংস খেলা গুরবাজ আউট হন ২২ বলে ৬ রান করে।

এরপর টিকে থাকার লড়াইয়ে দাঁতে দাঁত চেপে থাকে আফগানিস্তান। একটু থিতু হতে একের পর এক দিতে থাকে ডট। তবুও শেষ রক্ষা হয়নি, মোহাম্মদ নবিকে এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলেন শরিফুল। মোটে ১৫ রানে ৪ উইকেট হারায় সফরকারীরা।

১১তম ওভারে ইনিংসে প্রথমবারের মতো এসেছেন মেহেদী মিরাজ। পরের ওভারে আনা হয়েছে সাকিব আল হাসানকেও। তবে চাপ সামলে উঠতে পারেনি সফরকারীরা। এই দুই স্পিনারকেও স্বাভাবিকভাবে খেলতে পারেনি। তবুও নাজিবুল্লাহ-শাহিদি জুটি খানিকটা ফুসরত খুঁজে নিয়েছিল ৪৬ বল থেকে ১৭ রান বের করে।

তবে এবার বাঁধা হয়ে দাঁড়ান সাকিব। নাজিবুল্লাহ জাদরানকে এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলেন বিশ্বসেরা এই অলরাউন্ডার। ২২ বলে ১০ রান করেন তিনি। হাশমতুল্লাহ শাহিদি ফেরেন আরো ২১ রান যোগ করে। তিনিও ধরাশায়ী হন স্পিনে, তাইজুলের শিকার হয়ে ফেরেন ২২ রান করে।

এরপর ফের শরিফুলের আঘাত। দ্বিতীয় স্পেলে এসেই ফেরান অভিষিক্ত আব্দুল রহমানকে। ৬৮ রানে ৭ উইকেট হারায় আফগানিস্তান। তবে একপ্রান্ত আগলে রেখে একাই লড়তে থাকেন আজমতুল্লাহ ওমরজাই। আরেক অভিষিক্ত জিয়াকে নিয়ে অষ্টম উইকেট জুটিতে ৫৩ বলে ২১ রান যোগ করেন ওমরজাই। জিয়া আউট হন ৩০ বলে ৫ রানে।

ওমরজাইয়ের ব্যাটে ভর করেই তিন অংকের ঘরে পৌঁছায় আফগানিস্তানের ইনিংস। নিজেও তুলে নেন অর্ধশতক। শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে আউট হবার আগে ৭১ বলে ৫৭ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। তাকে ফেরান তাসকিন। এত আগে ৩৪ বলে ১১ করে তাইজুলের দ্বিতীয় শিকার হন মুজিবুর। ৪৫.২ ওভারে ১২৬ রানে অলআউট হয় আফগানিস্তান।

সাকিবের আজকের বোলিং ফিগার ১০-১-১৩-১, ৬০ বলের ৪৮ বলই করেছেন ডট বল। ইকোনমি ১.৩। তবে দলের সবচেয়ে সফলতম বোলার শরিফুল ইসলাম। ৯ ওভারে ২১ রান দিয়ে ৪ উইকেট নেন তিনি। তাসকিন ২৩ রানে ২ ও তাইজুল নেন ৩৩ রানে ২ উইকেট। অন্যটি যায় মিরাজের ঝুলিতে।

নুরপন্থী গণঅধিকার পরিষদের সাথে বিএনপির বৈঠক

সরকারের পদত্যাগ, সংসদ ভেঙে দেয়া, নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকারসহ কয়েকটি দাবিতে যুগপৎ আন্দোলনের অংশ হিসেবে গণঅধিকার পরিষদের একাংশের (নুরুল হক নুর পন্থিদের) সাথে বৈঠক করেছে বিএনপি।

আজ মঙ্গলবার সকালে গুলশান বিএনপির চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠক শেষে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, সরকার বিরোধী আন্দোলনে নতুন ডাক দেয়া হবে। এর মাধ্যমে সমস্ত জাতিকে একসাথে করে যুগপৎ আন্দোলনকে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে এগিয়ে নেয়া হবে। সেজন্য ১২ জুলাই যৌথ ঘোষণা দেয়া হবে। দলগুলো স্ব স্ব জায়গা থেকে এই ঘোষণা দেবেন। এর মাধ্যমে দাবি আদায়ে সফল হব।

তিনি বলেন, জনগণের সমর্থন নিয়ে বিএনপি এগিয়ে যাচ্ছে। বিএনপির সহিংসতার পথে হাঁটার প্রয়োজন নেই, জনগণ বিএনপির সাথে আছে। সরকার জনবিচ্ছিন্ন হয়ে নিজেরাই সহিংসতার পথে হাঁটছে।

গণঅধিকার পরিষদের সদ্য সভাপতি নুরুল হক নুর বলেন, আন্দোলনকে এগিয়ে নেয়া হবে। আমরাও কর্মসূচি ঘোষণা করব। আওয়ামী লীগ শান্তি সমাবেশের নামে সহিংসতায় উস্কানি দিচ্ছে।

বিরোধীদলের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচির দিন পাল্টা কর্মসূচি থেকে সরে আসার আহ্বান জানান তিনি ।

এ সময় বিএনপির পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন দলটির যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল। এবং গণঅধিকার পরিষদের পক্ষ থেকে দলটির সভাপতি সাধারণ সম্পাদক মোঃ রাশেদ খাঁনসহ উচ্চতর পরিষদের সদস্যবৃন্দ।

যুক্তরাষ্ট্রে আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতায় তৃতীয় বাংলাদেশী হাফেজ মুহান্নাদ

ফের বিদেশের মাটিতে দেশের নাম উজ্জ্বল করলো এক ক্ষুদে হাফেজ। যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটায় অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতায় তৃতীয় স্থান অর্জন করেছে সে।

স্থানীয় সময় গত রোববার (৯ জুলাই) সন্ধ্যায় মিনেসোটার এডিনা হাই স্কুল প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের পুরস্কৃত করা হয়। সেখানেই হিফজুল কুরআন বিভাগে ছেলেদের মধ্যে তৃতীয় স্থান অর্জনকারী হিসেবে পুরস্কার গ্রহণ করে ওই ক্ষুদে হাফেজ।

দেশের নাম উজ্জ্বলকারী ওই হাফেজের নাম মুহান্নাদ বিন মোহাম্মদ। তার বাবার নাম মোহাম্মাদুল্লাহ বিন হাফিজ। মুহান্নাদের বাড়ি নরসিংদীতে।

জানা গেছে, মিনেসোটাভিত্তিক কুরআন শিক্ষাকেন্দ্র তিবয়ান সেন্টার ফর কুরানিক সায়েন্স তিনব্যাপী আন্তর্জাতিক এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করে। প্রতিযোগিতা শেষে রোববারের অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কারের অর্থ ও সম্মাননা সনদ তুলে দেন মিনেসোটা ইসলামিক ইউনিভার্সিটির প্রধান শায়খ ড. ওয়ালিদ ইদরিস আল-মানিসি।

এ প্রতিযোগিতা দুইটি বিভাগে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে ৩০টি দেশ থেকে অন্তত ৪২ জন প্রতিযোগী অংশ নেয়। মুহান্নাদ বিন মোহাম্মদ এতে অংশ নিতে গত ৭ জুলাই বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশে যাত্রা করে। মুহান্নাদের সফরসঙ্গী হিসেবে ছিলেন তার চাচা কারি নুর মোহাম্মদ বিন হুসাইন।

আন্তর্জাতিক এ প্রতিযোগিতায় পুর্ণ কুরআন হিফজ বিভাগে ছেলেদের মধ্যে প্রথম স্থান অর্জন করে ফ্রান্সের ওমর আফুফ। সে ১৫ হাজার ডলার পুরস্কার লাভ করেছে। দ্বিতীয় স্থান অধিকার করে ৭ হাজার ডলার পুরস্কার পেয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সরওয়ার জামালুদ্দিন আর তৃতীয় স্থান অধিকার করে পাঁচ হাজার ডলার পুরস্কার পেয়েছে বাংলাদেশের মুহান্নাদ।

এর পাশাপাশি ১০ কিরাতে কুরআন হিফজ বিভাগে একমাত্র পুরস্কার লাভ করে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিযোগী ঈদিন শাহারজাদ। সে পুরস্কার ২০ হাজার মার্কিন ডলার পেয়েছেন।

এদিকে, পুরো কুরআন হিফজ বিভাগে মেয়েদের মধ্যে প্রথম স্থান অধিকার করে কেনিয়ার মুনা ইদি ফারেহ। সে ১৫ হাজার ডলার পুরস্কার লাভ করেছে। দ্বিতীয় স্থান করে সাত হাজার ডলার পুরস্কার পেয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের নুরা আহমদ। তৃতীয় স্থান অধিকার করে পাঁচ হাজার ডলার জিতেছে মিসরের নাদা মোহাম্মদ ফাতহি।

উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটায় তরুণ মুসলিমদের মধ্যে কুরআনভিত্তিক শিক্ষা-কার্যক্রম প্রসারে কাজ করছে তিবয়ান সেন্টার ফর কুরানিক সায়েন্স। শায়খ কারি আবদুর নাসের ফারেহ প্রতিষ্ঠিত এ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে ২০২২ সালে প্রথম আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতা শুরু হয়। গত বছর ল্যানহামে অনুষ্ঠিত এ প্রতিযোগিতায় ১৮টি দেশের প্রতিযোগীরা অংশ নেয়।

ক্ষমতায় যে দলই থাকুক রাষ্ট্রকে এগিয়ে নিতে হবে : প্রধান বিচারপতি

রাষ্ট্র ও বিচার বিভাগের ক্ষতি হয় এমন সংবাদ পরিবেশন থেকে সাংবাদিকদের বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী। তিনি বলেন, ‘রাষ্ট্র আমাদের সবার। ক্ষমতায় যে দলই থাকুক সবাই মিলে রাষ্ট্রপক্ষে এগিয়ে নিতে হবে। সাংবাদিকদের এক্ষেত্রে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।’

মঙ্গলবার (১১ জুলাই) দুপুরে প্রধান বিচারপতির সাথে ল’ রিপোর্টার্স ফোরামের নবনির্বাচিত কমিটি সৌজন্য সাক্ষাত করতে গেলে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধান বিচারপতি ল’ রিপোর্টার্স ফোরামের নেতৃবৃন্দের বক্তব্য মনোযোগ সহকারে শোনেন এবং সাংবাদিকদের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেন।

এ সময় ল’ রিপোর্টার্স ফোরামের নবনির্বাচিত সভাপতি শামীমা আক্তার, সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান, সহ-সভাপতি প্রশান্ত কুমার কর্মকার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আরাফাত মুন্না, সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদী হাসান ডালিম, দফতর সম্পাদক মাহমুদুল আলম, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক বাহাউদ্দিন আল ইমরান, প্রশিক্ষণ ও কল্যাণ সম্পাদক জান্নাতুল ফেরদাউস তানভী, কার্যনির্বাহী সদস্য শেখ জামাল হোসাইন, মোহাম্মদ আবু নাছের, মার্জিয়া হাশমী উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘রক্ত দিয়ে এদেশের স্বাধীনতা কেনা। দেশ স্বাধীন হয়েছে বলে আমরা স্বাধীন বিচার বিভাগ পেয়েছি। কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলার প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান হয়েও এ পর্যায়ে এসেছি। তাই স্বাধীনতাকে অর্থবহ করতে সবাইকে দেশের কল্যাণে কাজ করতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘প্রধান বিচারপতি হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণের পর থেকে মামলাজট নিরসনে সর্বাত্মক উদ্যোগ নিয়েছি। সারাদেশ সফর করে বিচারকদের মামলাজট নিরসনে ভূমিকা পালন ও দেশপ্রেম নিয়ে বিচারকাজ পরিচালনা করার নির্দেশ দিয়েছি।’

বিচারপ্রার্থীদের কষ্ট লাগবে সারাদেশে আদালত অঙ্গনে ন্যায়কুঞ্জ স্থাপন কাজ চলমান রয়েছে বলেও জানান তিনি।

আ’লীগ গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে না : মির্জা ফখরুল

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আমি বারবারই বলি আওয়ামী লীগের একটি সমস্যা আছে, এটি হচ্ছে চরিত্রগত বৈশিষ্ট্য। বরাবরই তারা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে না।

মঙ্গলবার বিএনপি প্রশিক্ষণ সেল -এর উদ্যোগে নারী নেতৃত্ব অগ্রগতি বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, ১৯৪৭ সালের পর থেকে পাকিস্তান তারপর বাংলাদেশ। এদেশে বারবার গণতন্ত্রের চর্চা ব্যর্থ হয়েছিল। অত্যন্ত দুঃখজনক ব্যাপার, যে জন্য ১৯৭১ সালে আমরা যুদ্ধ করেছিলাম। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করার জন্য। সেই গণতন্ত্র চর্চা ধ্বংস করেছে তখন ক্ষমতায় ছিল আওয়ামী লীগ। এটা পরিষ্কার কথা এবং তারা একের পর এক আইন তৈরি করেছিল ক্ষমতায় থাকার জন্য যখন জনগণ তাদের দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছিল।

আওয়ামী লীগ বরাবরই গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে না অভিযোগ করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, তারা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে না। ওরা একনায়কতন্ত্র বিশ্বাসী। ওরাভাবে আর কেউ নেই। ১৯৭৪ সালের তারা সকল দলকে নিষিদ্ধ করে একটি মাত্র দল রেখেছিল। তারা প্রচার মাধ্যম বন্ধ করে রেখেছিল। মানুষের মানবিক অধিকার কেড়ে নিয়েছিল।

তিনি বলেন, ‘আমাদের মন মানসিকতায় যদি ডেমোক্রেসি না থাকে তাহলে আমরা কেউ ডেমোক্রেসি প্রতিষ্ঠা করতে পারবো না। এটি হচ্ছে মন মানসিকতার বিষয়। এক্ষেত্রে আমাদেরকে সহনশীল হতে হবে। সকলের মতামত প্রকাশের স্বাধীনতা দিতে হবে। দুর্ভাগ্য আমাদের সেই জাতি হিসেবে, যখন আমি আপনাদের সাথে কথা বলছি সেই মুহূর্তে এদেশে গণতন্ত্র নেই। একইভাবে এই দেশে যতগুলো রাজনৈতিক দল আছে তাদের যে গণতান্ত্রিকি স্পেস সেগুলো ধ্বংস করে দেয়া হয়েছে।

অনলাইন প্ল্যাটফর্মে জুয়ার বিজ্ঞাপন বন্ধে হাইকোর্টের নির্দেশ

অনলাইন প্ল্যাটফর্মে জুয়ার বিজ্ঞাপন প্রচার করা ওয়েবসাইট বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। এ সংক্রান্ত রিট পিটিশনে আনা আবেদনে বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের ও বিচারপতি মোহাম্মদ শওকত আলী চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত একটি হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চ আজ এই নির্দেশ দেন।

আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী কামাল হোসেন মিয়াজী। তিনি আদেশের বিষয়টি সাংবাদিকদের নিশ্চিত করে জানান, বিটিআরসিকে এই বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে। একইসাথে বিকাশ, নগদ, রকেট, এমক্যাশসহ মোবাইল ব্যাংকিং ব্যবহার করে যাতে জুয়া খেলার অর্থ পরিশোধ করতে না পারে, বাংলাদেশ ব্যাংককে বিষয়টি নিয়ে নির্দেশনা জারি করতে বলা হয়েছে।

এর আগে এ সংক্রান্ত রিটের পরিপ্রেক্ষিতে টিভি চ্যানেল ও সব অনলাইন প্ল্যাটফর্ম থেকে জুয়ার বিজ্ঞাপন অপসারণ ও প্রচার বন্ধে ব্যর্থতা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না-তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন হাইকোর্ট। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর ওই রুল জারি করা হয়, যা এখনো বিচারাধীন। সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী মিফতাউল আল ও সুমিত কুমার সরকার রিটটি দায়ের করেন।

বেসরকারি একটি টিভি চ্যানেলে সব ধরনের জুয়ার সাইটের বিজ্ঞাপন প্রচার বন্ধ করতে লিগ্যাল নোটিশ পাঠিয়েছিলেন সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী খন্দকার হাসান শাহরিয়ার এবং ঢাকা জজকোর্টের আইনজীবী ইসমাতুল্লাহ লাকী তালুকদার। গত বছরের ১১ ডিসেম্বর ওই নোটিশ পাঠানো হয়। সূত্র : বাসস

ডিএমপি থেকে সমাবেশ করার মৌখিক আশ্বাস পেয়েছে বিএনপি

রাজধানীর নয়াপল্টনে আগামী বুধবার (১২ জুলাই) সমাবেশ করতে আবেদন করে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনারের কাছ থেকে মৌখিক আশ্বাস পেয়েছে বিএনপি।

সোমবার (১০ জুলাই) দুপুর ২টার দিকে ডিএমপির প্রধান কার্যালয়ে কমিশনারের সাথে দেখা করে বিএনপির একটি প্রতিনিধি দল।

প্রতিনিধি দলে ছিলেন বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য সচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি ও চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবুল খায়ের ভুঁইয়া। তারা ডিএমপি কমিশনারের কাছে সমাবেশের জন্য লিখিত আবেদন দেন। তখন কমিশনার সমাবেশ করতে তাদের মৌখিক আশ্বাস দেন।

ডিএমপির প্রধান কার্যালয় থেকে বের হয়ে শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, সরকারের পদত্যাগ ও নির্বাচনকালীন নির্দলীয় সরকারের দাবিতে আগামী বুধবার বিএনপির নয়াপল্টন কার্যালয়ের সামনে আমরা সমাবেশের আহ্বান জানিয়েছি। এ প্রসঙ্গে বিএনপি কমিশনারের সাথে আমাদের কথা হয়েছে। আমরা সহযোগিতা চেয়েছি। আমরা আশাবাদী, পুলিশ আমাদের সহযোগিতা করবে।

শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, আমরা আশা করছি, এ দেশের জনগণকে সম্পৃক্ত করে এ সমাবেশকে আমরা সফল করতে পারব।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সমাবেশের অনুমতি চেয়ে আমরা লিখিত আবেদন দিয়েছি, কমিশনার আমাদের মৌখিকভাবে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।

সমাবেশের অনুমতি না পেলে কি করবেন জানতে চাইলে এ্যানি বলেন, এটা আমাদের রাজনৈতিক সমাবেশ। এখানে অনুমতি নেয়ার কোনো বিষয় নেই। আমরা সহযোগিতা চাইতে এসেছিলাম, তারা আমাদের আশ্বাস দিয়েছেন।