Home Blog Page 641

গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের জন্য ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন করা হয়নি : আইনমন্ত্রী

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, মত প্রকাশের স্বাধীনতা রোধকল্পে বা গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের জন্য ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন করা হয়নি।

সোমবার (১৯ জুন) সংসদে সরকারি দলের সদস্য হাবিবুর রহমানের টেবিলে উপস্থাপিত এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

শিগগিরই এই আইন সংশোধনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে উল্লেখ করে আইনমন্ত্রী জানান, ‘জাতিসঙ্ঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনারের দফতর ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে একটি ‘টেকনিক্যাল নোট’ দিয়েছে। সেটির পর্যালোচনাও প্রায় শেষ।’

তিনি বলেন, সাইবার অপরাধ দমনের জন্য ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনটি করা হয়েছে। এ আইনের অপব্যবহার যাতে না হয় সেজন্য সরকার কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে।

সূত্র : বাসস

বাংলাদেশ কখনো বাইরের হস্তক্ষেপের কাছে মাথা নত করবে না : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সুস্পষ্টভাবে বলেছেন, একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশ হিসেবে বাংলাদেশ কখনোই বাইরের কোনো হস্তক্ষেপের কাছে মাথা নত করবে না।

রোববার স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্সের (এসএসএফ) ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর অফিসে আয়োজিত বিশেষ দরবার (সমাবেশ) অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা কারো হস্তক্ষেপের কাছে মাথা নত করব না। এটা আমাদের সিদ্ধান্ত।’

বাংলাদেশ একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমরা একটি স্বাধীন জাতি। আমরা যুদ্ধের মাধ্যমে আমাদের দেশ অর্জন করেছি।’

বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক প্রণীত ‘সবার সাথে বন্ধুত্ব এবং কারো সাথে বৈরিতা নয়’ নীতি অনুসরণ করছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তার সরকার গুরুত্বপূর্ণদের সাথে বন্ধুত্ব করতে কাজ করছে। দেশের উন্নয়নে যা যা প্রয়োজন তা করছে।

তিনি বলেন, অনেক বাধা ও ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে এবং এগিয়ে যাবে।

বাংলাদেশ বারবার প্রতিবন্ধকতা ও ষড়যন্ত্রের মুখোমুখি হয়েছে। কিন্তু সফলতার সাথে সেগুলো কাটিয়ে উঠেছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এখনো অনেক বাধা এবং ষড়যন্ত্র অব্যাহত রয়েছে। কারণ একটি দেশ যখন দ্রুত অগ্রগতি করে, তখন অনেকেই তা সহ্য করতে পারে না। তারা বিভিন্ন ঝামেলা শুরু করে।’

একটি স্বাধীন ও বিজয়ী জাতি হিসেবে বিশ্বমঞ্চে মাথা উঁচু করে দেশের সকল মানুষকে আত্মবিশ্বাস ও আত্মমর্যাদা নিয়ে চলার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এগুলো (বাধা-বিপত্তি) নিয়ে বিচলিত হওয়র কিছু নেই।’

এ সময় প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এম তোফাজ্জেল হোসেন মিয়া উপস্থিত ছিলেন। এসএসএফ মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোঃ মজিবুর রহমান তার স্বাগত বক্তব্যে বাহিনীর বিভিন্ন কার্যক্রম তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে এসএসএফ এবং এর কার্যক্রমের ওপর একটি ভিডিও ডকুমেন্টারি প্রদর্শন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী মেজর জেনারেল মোঃ মজিবুর রহমান সংকলিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭৫টি বাণী সম্বলিত ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে বঙ্গবন্ধুর উক্তি’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করেন।

১৯৮৬ সালের ১৫ জুন রাষ্ট্রপতির নিরাপত্তা বাহিনী (পিএসএফ) গঠিত হয়, যা পরবর্তীতে দেশে সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা পুনরুদ্ধারের পর ১৯৯১ সালে বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী (এসএসএফ) নামে নামকরণ করা হয়।

রাষ্ট্রপতি যেখানেই থাকুন না কেন এবং ভিআইপি, রাষ্ট্র বা সরকার প্রধান বা সরকার কর্তৃক ভিআইপি হিসাবে ঘোষিত যেকোনো ব্যক্তিসহ উভয় ভিআইপিকেই ‘শারীরিক নিরাপত্তা’ প্রদানের উদ্দেশ্যে এই বাহিনী গঠন করা হয়।

সংসদীয় ব্যবস্থা পুনরুদ্ধারের পর এটির প্রাথমিক কাজ রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী এবং অন্যান্য ভিআইপিদের সুরক্ষা দেয়া।

সূত্র : বাসস

সৌদি আরবে ঈদুল আজহা ২৮ জুন

সৌদি আরবের আকাশে জিলহজ মাসের নতুন চাঁদ দেখা গেছে। সেই হিসাবে আগামী ২৮ জুন দেশটিতে পবিত্র পবিত্র ঈদুল আজহার তারিখ ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ।

রোববার (১৮ জুন) দেশটিতে জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা যায় বলে জানিয়েছে গালফ নিউজ।

হিজরি মাসের শুরু চাঁদ দেখার ওপর নির্ভরশীল। রোববার সৌদি আরবের আকাশে জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা গেছে। এর ফলে জিলহজ মাসের প্রথম দিন হবে ১৯ জুন।

ইসলামী ক্যালেন্ডার অনুসারে, জিলহজ মাসের ১০ তারিখ ঈদুল আজহা পালিত হয়। আরাফাহ দিবস পালিত হবে ২৭ জুন। এদিন মক্কায় আরাফাতের ময়দানে পবিত্র হজ পালনের উদ্দেশ্যে সমবেত হবেন হাজিরা। এর পরদিনই দেশটিতে ঈদুল আজহা উদযাপিত হবে।

এর আগে মালয়েশিয়া, ব্রুনেই ও ইন্দোনেশিয়া পবিত্র ঈদুল আজহার তারিখ ঘোষণা করেছে। দেশগুলোতেও জিলহজের চাঁদ দেখা যায়নি। এই তিনটি দেশে ২৯ জুন ঈদ পালন করা হবে। সংযুক্ত আরব আমিরাত বাংলাদেশ সময় রাত ১০টা পর্যন্ত ঈদুল আজহার তারিখ ঘোষণা করেনি।

মুসলিম সম্প্রদায়ের বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আজহা। যথাযথ ধর্মীয় মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে বিশ্বের মুসলিম সম্প্রদায় ঈদুল আজহা উদযাপন করবে। মহান আল্লাহর অপার অনুগ্রহ লাভের আশায় ঈদুল আজহার জামাত শেষে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা সামর্থ্য অনুযায়ী পশু কোরবানি করে থাকেন।

সাধারণত সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে ঈদুল আজহা উদযাপনের একদিন পর বাংলাদেশে মুসলমানদের অন্যতম এ উৎসব পালিত হয়। চাঁদ দেখার ওপর নির্ভরশীল এই উৎসবের তারিখ নির্ধারণে সোমবার (১৯ জুন) সভা করবে বাংলাদেশের জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি।

ডলারের বাজারে বিশৃঙ্খলা

ডলারের নানা রেট এবং এই সুযোগে ব্যাংকগুলো বেশি দামে ডলার বিক্রি করে অতিরিক্ত আয় করছে বলে অভিযোগ। আর কার্ব মার্কেটে ডলারের দাম আরো চড়া। সব মিলিয়ে ডলার নিয়ে বাংলাদেশে অনেকটা বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি চলছে।

যদিও রোববার নতুন মুদ্রানীতিতে ডলারের দাম বাজারের ওপর ছেড়ে দেয়ার কথা বলা হয়েছে।

চড়া দামে ডলার বিক্রির অভিযোগে গত বছরের আগস্টে ছয়টি ব্যাংককে চিহ্নিত করেছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, তারা ডলারের প্রচলিত রেটের চেয়ে বেশি দামে ডলার বিক্রি করে লাভবান হচ্ছিল।

ওই ঘটনার সাথে জড়িত কর্মকর্তাদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থাও নেয়া হয়। এরপর সর্বশেষ ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফবিসিসিআই) সভাপতি মো: জসিমউদ্দিন ঢাকায় এক অনুষ্ঠানে অভিযোগ করেন, ‘ডলার বিনিময় হারের নামে ব্যাংকগুলো লুটাপাট চালাচ্ছে।’

তার কথায়, ‘ডলারের দাম বাড়িয়ে লুটের মালের মতো প্রতি ডলারে ১১৪ থেকে ১১৫ টাকা রাখছে।

ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে ডলার সঙ্কট দেখা দেয়ায় তা মোকাবেলায় বাংলাদেশ ব্যাংক ডলারের বিভিন্ন রেট করে দেয়। এখন আমদানিতে প্রতি ডলার ১০৬, রফতানিতে ১০৭ এবং প্রবাসী আয়ে ১০৮.৫ টাকা। বাংলাদেশ ব্যাংক বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর কাছে ১০৬ টাকা দরে ডলার বিক্রি করছে।

বিভিন্ন পর্যায়ে কথা বলে জানা গেছে, বাস্তবে আমদানিকারকরা এ রেটে ব্যাংক থেকে ডলার পাচ্ছেন না। ডলার সঙ্কটের কারণে এলসির চাহিদার বিপরীতে পর্যাপ্ত ডলার নেই। এ সুযোগ নিচ্ছে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো। তারা বেশি দামে ডলার বিক্রি করছে। কারণ তারা ডলারের চাহিদা মিটাতে ভিন্ন উৎস থেকেও ডলার সংগ্রহ করে। ব্যাংকগুলো ১১৪ থেকে ১১৫ টাকায় ডলার বিক্রি করছে। আর কার্ব মার্কেটে ডলারের দাম ১১৭ থেকে ১১৮ টাকা।

ডলার সঙ্কটের কারণে যারা ছোট ব্যবসায়ী তারা এলসি খুলতে পারছে না। কয়েকজন ব্যবসায়ী অভিযোগ করেন, এলসি খুলতে না পেরে তাদের ব্যবসা বন্ধের পথে। কারণ ব্যাংকগুলো বড় ব্যবসায়ী ও বিশেষ সুবিধা না পেলে ডলার দেয় না। তাদের পক্ষে তা সম্ভব হয় না। অনেক সময় ব্যংক ডলারের সমপরিমাণ অর্থ ব্যাংকে জমা রাখার শর্ত জুড়ে দেয়।

জানা গেছে, ব্যাংক ও ব্যবসায়ী দু’পক্ষই ওয়ান টু ওয়ান সমঝোতার ভিত্তিতে ডলার দাম নির্ধারণ করে। আবার কেনো কোনো ব্যবসায়ীর অনুরোধে তারা নানা উৎস থেকে বেশি দামে ডলার সংগ্রহ হরে তার ওপর লাভ হিসাব করে বিক্রি করে। ফলে ডলারের দাম আসলে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্ধারিত হারের মধ্যে নেই।

যমুনা ব্যাংক লিমিটেডের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো: নুরুল আমিন বলেন, ‘আসলে ডলারের বাজারে স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতার অভাব দেখা দিয়েছে। ডলারের চাহিদা বেশি, কিন্তু সরবরাহ কম। ফলে কোনো কোনো ব্যাংক এর সুবিধা নিচ্ছে। আর একই ডলারের ভিন্ন ভিন্ন রেটও এক ধরনের বিশৃঙ্খলা বা অস্বচ্ছতা তৈরি করেছে। প্রবাসী আয়ের রেট বেশি। রফতানি আয়ের কম। তাহলে রফতানি আয়ের ডলার কি খারাপ?’

তিনি বলেন, ‘বড় ব্যবসায়ীরা ছাড়া ছোট ব্যবসায়ীরা তো এখন ডলার পায় না। তাদের ব্যবসাও চলছে না। বড় ব্যবসায়ীরা তাদের সম্পর্ক এবং প্রভাবে ডলার পাচ্ছে। আর রেট আসলে তারাই নির্ধারণ করে নিচ্ছে। বেশি রেটে ডলার কিনে পণ্য আমদানি করায় মূল্যস্ফীতি বাড়ছে।’

তার কথায়, ‘দেশ থেকে টাকা পাচার হওয়ার কারণেও ডলারের দাম বাড়ছে। কারণ তাদের কাছে ডলারের রেট কোনো বিষয় নয়। তারা ১৩০ টাকা রেটেও ডলার কিনছে।’

পলিসি রিচার্স ইনস্টিটিউটের নির্বাহী পরিচালক এবং ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেডের চেয়ারম্যান অর্থনীতিবিদ ড. আহসান এইচ মনসুর বলেন, ‘ডলারের ভিন্ন ভিন্ন রেট থাকা উচিত না। এটা বাজারের ওপর ছেড়ে দিতে হবে। ফলে বিভিন্ন খাতে ডলারের দামের পার্থক্য যে কিছুটা হবে না তা নয়। যা হবে তা যৌক্তিক।’

তার মতে, ‘মূল সমস্যা হচ্ছে ডলারের সঙ্কট। আর ব্যাংকগুলো তার সুযোগ নিচ্ছে। অর্থ পাচারকারীরাও ডলারের সঙ্কট তৈরি করছে। বাংলাদেশ ব্যাংক যে ডলার বিক্রি করছে তা অনুচিত। এর কারণে রিজার্ভ আরো কমে যাবে।’

বাংলাদেশ ব্যাংক রোববার নতুন মুদ্রানীতি ঘোষণা করেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার বলেছেন, ‘ডলারের ভিন্ন ভিন্ন রেট আর থাকবে না। বাজারের ওপর ডলারের রেট ছেড়ে দেয়া হবে।’

ড. আহসান এইচ মনসুর বলেন, এটা যত দ্রুত কার্যকর হয় ততই ভালো।

মো: নুরুল আমিন বলেন, ‘গত আগস্টে ব্যাংকগুলোর বেশি দামে ডলার বিক্রি করার ঘটনা প্রকাশ পায়। তারপর আর কোনো ব্যবস্থা বাংলাদেশ ব্যাংক নেয়নি। ফলে পরিস্থিতি আরো খারাপ হয়েছে।’
সূত্র : ডয়চে ভেলে

৩২ বছর পর মুক্তি পেলেন ‘জল্লাদ’ শাহজাহান

বাংলাদেশের আলোচিত ২৬ জনের ফাঁসি কার্যকর করা ‘জল্লাদ’ শাহজাহান মুক্তি পেয়েছেন। প্রায় ৩২ বছর কারাভোগের পর রোববার বেলা ১১টা ৪৭ মিনিটে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পান তিনি।

জল্লাদ শাহজাহানের পুরো নাম শাহজাহান ভূঁইয়া। তিনি নরসিংদী জেলার পলাশ থানার ইছাখালী গ্রামের মৃত হাছেন আলীর ছেলে। ৭৩ বছর বয়সী শাহজাহান ব্যক্তিগত জীবনে অবিবাহিত। কারাগারে তার কয়েদি নম্বর ছিল ২৫৮৯/এ এবং মুক্তির আগ পর্যন্ত তিনি ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের প্রধান জল্লাদ ছিলেন।

কারা কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, শাহজাহান ভূইয়া ১৯৯১ সালে গ্রেফতার হন। তাকে মানিকগঞ্জ জেলা কারাগারে রাখা হয়। কারাগারে ভালো কাজ ও মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের ফাঁসির রায় কার্যকর করতে জল্লাদের দায়িত্ব পালনের জন্য তার সাজার মেয়াদ ১০ বছর মওকুফ (রেয়াত) করা হয়। পাশাপাশি শাহজাহানের পরিবারের আর্থিক অবস্থা ভালো না হওয়ায় আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে কারা কর্তৃপক্ষ তার জরিমানার ১০ হাজার টাকা পরিশোধ করে দিয়েছে। ফলে দীর্ঘ ৩১ বছর ছয় মাস দুই দিন কারাগারের চার দেয়ালের মধ্যে বন্দিজীবন কাটানোর পর এখন তিনি মুক্ত।

কারাগারের তথ্যানুযায়ী, ২০০১ সাল থেকে এ পর্যন্ত ২৬ জনের ফাঁসির দড়ি টেনেছেন শাহজাহান। যার মধ্যে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছয় ঘাতক, ছয়জন যুদ্ধাপরাধী, কুখ্যাত সন্ত্রাসী এরশাদ শিকদার, জঙ্গি নেতা বাংলাভাই, আতাউর রহমান সানী, শারমীন রীমা হত্যার আসামি খুকু, মনির, ডেইজি হত্যা মামলার আসামি হাসান ছিলেন।

এর আগে শনিবার রাতে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে (কেরানীগঞ্জ) সিনিয়র জেল সুপার সুভাষ কুমার ঘোষ জল্লাদ শাহজাহানের মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

জাহাঙ্গীরকে মেয়র পদ থেকে বরখাস্ত আইনানুগ ছিল না : হাইকোর্ট

গাজীপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র পদ থেকে জাহাঙ্গীর আলমকে সাময়িক বরখাস্তের প্রক্রিয়া আইনানুগ ছিল না বলে পর্যবেক্ষণ দিয়েছেন হাইকোর্ট। তবে জাহাঙ্গীর আলম পদত্যাগ করায় মেয়র পদে ফেরার আর সুযোগ নেই বলেও উল্লেখ করেছেন আদালত।

রোববার এ বিষয়ে জারি করা রুল নিষ্পত্তি করে (১৮ জুন) হাইকোর্টের বিচারপতি জাফর আহমেদ ও বিচারপতি মো: বশির উল্লাহর সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ রায় দেন।

উল্লেখ্য, গত ১৫ মার্চ গাজীপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র পদ থেকে জাহাঙ্গীর আলমকে সাময়িক বরখাস্তের বৈধতা প্রশ্নে জারি করা রুলের শুনানি শুরু হয়।

এর আগে গত বছরের ২৩ আগস্ট গাজীপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র পদ থেকে জাহাঙ্গীর আলমকে সাময়িক বরখাস্তের সিদ্ধান্ত কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন হাইকোর্ট।

বিচারপতি জাফর আহমেদ ও বিচারপতি মো: আক্তারুজ্জামানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন। স্থানীয় সরকার সচিবসহ সংশিষ্টদের দুই সপ্তহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়।

রিটের পক্ষের আইনজীবী ব্যারিস্টার রোকন উদ্দিন মাহমুদ বলেন, যে অভিযোগে জাহাঙ্গীর আলমকে বরখাস্ত করা হয়েছে, তার বিরুদ্ধে আগেও একই অভিযোগ আনা হয়েছিল। তখন মন্ত্রণালয়ের তদন্ত কমিটি অভিযোগের সত্যতা পায়নি।

গত বছরের ১৪ আগস্ট গাজীপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র পদ থেকে সাময়িক বরখাস্ত হওয়া জাহাঙ্গীর আলম পদ ফিরে পেতে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন। রিটে তাকে সাময়িক বরখাস্তের আইনগত বৈধতা চ্যালেঞ্জ করা হয়।

ব্যারিস্টার মশিউর রহমান সবুজ জাহাঙ্গীর আলমের পক্ষে এ রিট দায়ের করেন।

২০২১ সালের ২৫ নভেম্বর মুক্তিযুদ্ধ এবং মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের নিয়ে কটাক্ষ করার অভিযোগে আওয়ামী লীগ থেকে বহিষ্কার হওয়া জাহাঙ্গীর আলমকে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র পদ থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

সরকারি ক্যাডাররা ‘কন্ট্রাক্ট কিলিং’, ‘টার্গেট কিলিং’য়ে মেতে আছে : রিজভী

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, সরকারি ক্যাডাররা এখন ‘কন্ট্রাক্ট কিলিং’, ‘টার্গেট কিলিং’য়ে মেতে আছে। সন্ত্রাসকে জীবনের শ্রেষ্ঠ কীর্তি বলে মনে করছে।

আজ রোববার দুপুরে নয়া পল্টন দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

রিজভী অভিযোগ করেন, ‘দেশবাসী ভোট, পার্লামেন্ট হারিয়েছে, গণতন্ত্র ও আইনের শাসন হারিয়েছে, হারিয়েছে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা। শেষমেষ হারাতে বসেছে জীবন ও স্বাধীনতা। যারা গণতন্ত্র, মত প্রকাশের স্বাধীনতাসহ নাগরিক স্বাধীনতা ফিরে পাওয়ার জন্য সংগ্রাম করছে তারা বর্তমান মারাত্মক দুর্দিনের মধ্যে দিনযাপন করছে। বর্তমান শাসকগোষ্ঠী জনগণ কর্তৃক ধিকৃত হয়ে রাজনৈতিক পরিস্থিতির টালমাটাল অবস্থার সৃষ্টি করে সহিংসতা আর হত্যাকেই শ্রেষ্ঠ সমাধান হিসেবে মনে করছে। বিএনপিসহ গণতন্ত্রকামী মানুষদের বিরুদ্ধে সরকারী ক্যাডাররা এখন ‘কন্ট্রাক্ট কিলিং’, ‘টার্গেট কিলিং’য়ে মেতে আছে। সন্ত্রাসকে জীবনের শ্রেষ্ঠ কীর্তি বলে মনে করছে। এরা হত্যা, জখম নিষ্পন্ন করে কয়েকদিন পর আবার আরেকটি খুন-জখমের জন্য উন্মাদ হয়ে ওঠে। অবৈধ সরকারের দুঃশাসনের প্রোডাক্ট হচ্ছে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা। সন্ত্রাস তাদের মানসিক-ব্যাধি।’

তিনি বলেন, ‘দুই দিন আগে জামালপুরের বকশিগঞ্জে মানবজমিনের সাংবাদিক গোলাম রব্বানী নাদিম আওয়ামী লীগের নেতা মাহমুদুল আলম বাবু চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে সত্য সংবাদ প্রকাশের কারণে তাকে প্রকাশ্যে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। প্রথমে নাদিমসহ দু’জন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ১৭ মে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করে বাবু চেয়ারম্যান। মামলাটি আদালতে খারিজ হয়ে গেলে মাহমুদুল আলম বাবু চেয়ারম্যান সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে তাকে বেধড়ক পিটিয়ে মাথায় আঘাত করার পরে হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানেই তার মৃত্যু হয়। একদিকে সরকারী ক্ষমতা, অন্যদিকে উর্ধ্বতন একজন পুলিশ কর্মকর্তার ভাই হওয়ায় বাবু চেয়ারম্যান এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে। মৃত্যু যেন তার কাছে খেলা।’

রিজভী বলেন, ‘আমরা আগেই জানিয়েছিলাম চট্টগ্রামের তারুণ্যের সমাবেশ থেকে বাড়ি ফেরার পথে মীরসরাই উপজেলার জোরারগঞ্জ থানা এলাকায় ছাত্রদল নেত্রী নাদিয়া নুসরাতকে নির্যাতন ও গ্রেফতার করে জেলহাজতে প্রেরণের ঘটনা। সেখানে নির্যাতনের খবর পেয়ে নুসরাতের মা কহিনুর বেগম ছুটে গেলে তাকেও বেধড়ক মারধর করা হয়। জোরারগঞ্জ থানার ওসি জাহিদ হোসেন ও ডিউটি অফিসার সঞ্জয় কুমার সাহা তার অভিযোগ গ্রহণ না করে উল্টো নাদিয়া নুসরাতের বিরুদ্ধে ২০২২ সালের একটি গায়েবি মামলায় তাকে জড়িত করে। বিষ্ফোরক দ্রব্য আইনে গ্রেফতার করা হয়। একটি মনুষ্যত্বহীন সরকার ক্ষমতায় আছে বলেই নারীরা আজ আতঙ্কের এক ভয়াল বিচ্ছিন্ন দ্বীপে বাস করছে।’

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম আজাদ প্রমুখ।

হিরো আলমের মনোনয়ন বাতিল

ঢাকা-১৭ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলমের মনোনয়নপত্র বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

রোববার মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে (১৮ জুন) তার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়।

ঢাকা-১৭ আসনের উপনির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও ঢাকা জেলার জ্যেষ্ঠ নির্বাচন কর্মকর্তা মুনীর হোসাইন খান এই সিদ্ধান্তের কথা জানান।

এর আগে বৃহস্পতিবার (১৫ জুন) আগারগাঁওয়ের জেলা নির্বাচন অফিসে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে মনোনয়ন ফরম জমা দেন হিরো আলম।

গত ১৫ মে চিত্রনায়ক আকবর হোসেন পাঠানের (ফারুক) মৃত্যু হলে আসনটি শূন্য হয়। সংসদের কোনো আসন শূন্য হলে ৯০ দিনের মধ্যে উপনির্বাচন করতে হয়। এই হিসেবে আসনটিতে ১২ আগস্টের মধ্যে উপনির্বাচন করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

একাদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন বসে ২০১৯ সালের ৩০ জানুয়ারি।

সংবিধান অনুযায়ী, সেই সময় ধরে পরবর্তী পাঁচ বছর মেয়াদ ধরলে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৪ সালের ২৯ জানুয়ারির মধ্যে অনুষ্ঠানের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে। অর্থাৎ আসনটিতে যিনি নির্বাচিত হবেন তিনি পাঁচ মাসের মতো সময়ের জন্য সংসদ সদস্য হবেন।

ইতিহাস গড়া জয় পেল বাংলাদেশ

ইতিহাস গড়েই জিতলো বাংলাদেশ। টেস্ট ক্রিকেট ইতিহাসের তৃতীয় সর্বোচ্চ রানে জয় পেল টাইগাররা। সিরিজের একমাত্র টেস্টে আফগানিস্তানকে হারিয়েছে ৫৪৬ রানে।

বড় নাটকীয় ছিল জয়ের শেষ মুহূর্তটা। তাসকিনের এক ওভারে দুইবার বেঁচে যায় আফগান ব্যাটার জহির খান। প্রথমে জহির খানকে কট-বিহাইন্ড দিয়েছিলেন আম্পায়ার, তাসকিন ছুঁয়ে ছিলেন ৫ উইকেট। সেজদাও দিয়ে ফেলেছিলেন তিনি। কিন্তু রিভিউ নিয়ে রক্ষা পান। পরের বলে দেন স্ট্যাম্প ভেঙে। তবে এবার নো বলের কবলে পড়ে জয় উদযাপন দীর্ঘায়িত হয়।

জয় নিশ্চিত হয়েই ছিল, শুধুই বাকি ছিল আনুষ্ঠানিকতা। অপেক্ষা ছিল কত আগে সেই জয় ধরা দেয়। অপেক্ষা অবশ্য বেশীক্ষণ করতে হয়নি, আফগানদের অলআউট করতে প্রথম সেশনও লাগেনি। ২২ ওভারে শেষ ৮ উইকেট হারিয়েছে সফরকারীরা। তাদের ইনিংস থেমেছে ৩৩ ওভারে মোটে ১১৫ রানে।

২ উইকেটে ৪৬ রান নিয়ে আজ চতুর্থ দিন শুরু করে আফগানিস্তান। এই দিন আর দাঁড়াতেই পারেনি তারা। টাইগার পেসারদের দাপটে প্রতিনিয়ত ধুঁকেছে তারা। গুনেছে হারের জন্য প্রতিক্ষার প্রহর।

শনিবার মাত্র ৩ রান যোগ করতেই তৃতীয় উইকেট হারায় তারা। জামাল নাসিরকে ফেরান এবাদত হোসেন। এরপর আফসার জাজাইকে নিজের শিকার বানান শরিফুল ইসলাম। জামাল ও জাজাই দুজনেই আউট হন ৬ রান করে। এরপর তাসকিনের আঘাত, ফেরেন ৩০ রান করে ফেলা রহমত শাহ। তাকে লিটন দাসের ক্যাচ বানান তিনি। আর দলীয় ৯৮ রানে করিম জানাতের উইকেট ভাঙেন এই পেসার।

এরপর আর ১৭ রান যোগ করে আফগানিস্তান দল। বলার মতো রান পায়নি আর কেউ। পারেনি দুই অংকের ঘর স্পর্শ করতে। ফলে ১১৫ রানেই থামে তাদের ইনিংস।

প্রথম ইনিংসে নিজেকে হারিয়ে খুঁজা তাসকিন এই ইনিংসে শিকার করেছেন ৪ উইকেট। ৩টি উইকেট যায় শরিফুলের ঝুলিতে। অন্য দুটো মিরাজ ও এবাদতের।

অবশ্য এই জয়ের ভিত গড়া হয়ে গেছে আগের তিন দিনেই। মিরপুরে নিজেদের প্রথম ইনিংস থেকে বাংলাদেশ দল লিড পায় ২৩৬ রানের। টস হেরে ব্যাট করতে নেমে নাজমুল হোসেন শান্তর ১৪৬ রানে ভর করে প্রথম ইনিংসে ৩৮২ রান করে বাংলাদেশ। জবাবে নিজেদের প্রথম ইনিংসে আফগানিস্তান গুটিয়ে যায় ১৪৬ রানে।

ফলোঅন করানোর সুযোগ থাকলেও স্বাগতিকরাই দ্বিতীয় ইনিংসের ব্যাটিংয়ে নামে। এবার ছাপিয়ে যায় আগের ইনিংসকেও। জোড়া শতক হাঁকান মুমিনুল হক ও শান্ত। ফিফটি করেন জাকির হাসান ও লিটন দাস। বাংলাদেশ দল থামে ৪ উইকেটে ৪২৫ রান তুলে। বাংলাদেশের লিড দাঁড়ায় ৬৬১ রান।

এই ম্যাচে জোড়া শতক হাঁকান নাজমুল হোসেন শান্ত। প্রথম ইনিংসে ১৪৬ ও দ্বিতীয় ইনিংসে করেন ১২৪ রান। শতক হাঁকান মুমিনুল হকও, তার ব্যাটে আসে ১২১ রান।

বর্তমান সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয় : কাদের

বর্তমান সরকারের অধীনে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব নয় বলে আবারো মন্তব্য করেছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের।

তিনি বলেন, এটা বারবার প্রমাণিত হয়েছে এবং সাধারণ মানুষের ধারণা যে সিটি করপোরেশন নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠিত হয়নি এবং ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহার করে ইচ্ছাকৃতভাবে নির্বাচনের নির্ভুলতা নষ্ট করা হয়েছে।

শনিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর বনানীতে নিজ কার্যালয়ে দলের সাংস্কৃতিক শাখা ‘জাতীয় সাংস্কৃতিক পার্টি’র প্রতিনিধিদের সাথে মতবিনিময়কালে তিনি এ মন্তব্য করেন।

দলের প্রেস সেক্রেটারি-২ খন্দকার দেলোয়ার জালালীর সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

সংসদে বিরোধী দলের উপনেতা কাদের বলেন, নির্বাচনের সময় বিভিন্ন এজেন্সি মানুষের মধ্যে ভয়ভীতি ছড়ায় এবং ইভিএমের মাধ্যমে ভোট কারচুপিও করা হয়।

তিনি বলেন, ক্ষমতাসীন দলের সমর্থকরা প্রতিপক্ষ প্রার্থীদের ভোটকেন্দ্রে ঢুকতে না দেয়ায় তাদের ভীতি প্রদর্শন করছে।

দলীয় চেয়ারম্যান কাদের জানান, তারা শুধু ক্ষমতা ও সামর্থ্যের মূল্যায়ন করতেই নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন।

তিনি বলেন, ‘জনগণ প্রত্যক্ষ করেছে দেশে কিভাবে নির্বাচনী ব্যবস্থা বিদ্যমান এবং ভোটাররা এখন বলতে পারেন যে তারা ভোট কেন্দ্রে গিয়ে এবং নির্বাচনে আমাদের অংশগ্রহণ সত্ত্বেও তাদের ভোট দিতে পারেনি।’

জবাবদিহিমূলক সরকারের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে জিএম কাদের বলেন, তিনি দেশ ও জাতির চাহিদা মেটাতে রাজনীতি করছেন।

তিনি বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে জবাবদিহিমূলক সরকার নিশ্চিত করা যায়।

সাংস্কৃতিক শাখার সভাপতি ও সংসদ সদস্য শেরফা কাদেরের সভাপতিত্বে সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য সুনীল শোভ রায়, মোস্তফা আল মাহমুদ প্রমুখ। সূত্র : ইউএনবি