Home Blog Page 642

২০২৬ বিশ্বকাপে মূল পর্বে ৪৮ দল, কোন মহাদেশের কোটায় কত দল?

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোকে ২০২৬ বিশ্বকাপের আয়োজক হওয়ার অধিকার দেয়ার যে সিদ্ধান্ত ফিফা নিয়েছে তার ফলে আমরা ২০২৬ বিশ্বকাপে ৪৮ দলের একটি টুর্নামেন্ট দেখতে পাব। এত দল নিয়ে এর আগে কোনো বিশ্বকাপ হয়নি। কিন্তু এটা কিভাবে হবে?

একটি ওয়ার্ড কাপ প্লে-অফ টুর্নামেন্টসহ নতুন যোগ্যতা সিস্টেম

৪৮ দলের বিশ্বকাপ ফিফায় জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর মূল নীতিগুলোর একটি। এর ফলে প্রতিটি কনফেডারেশন থেকে বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা পাওয়া দলগুলোর সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে। এতে করে নতুন একটি সুযোগ তৈরি হয়েছে ওশিয়ানিয়ার সামনে। এই নতুন নিয়মে প্রতি বছর সেখান থেকে অন্তত একটি দল মূল পড়বে জায়গা পাবেই। বিভিন্ন মহাদেশের জন্য নতুন বরাদ্দ হওয়া সংখ্যা কত?


এশিয়া : আটটি দল। আগে ছিল ৪.৫টি।

আফ্রিকা : নয়টি দল। আগে ছিল ৫টি।

উত্তর এবং মধ্য আমেরিকা : ছয়টি দল। এর মধ্যে তিনটি হোস্ট দল। আগে ছিল ৩.৫টি।

দক্ষিণ আমেরিকা : ছয়টি দল। এর আগে ছিল ৪.৫টি।

ওশিয়ানিয়া : একটি দল। আগে ছিল ০.৫টি।

ইউরোপ : ১৬টি দল। আগে ছিল ১৩টি দল।

এছাড়াও একটি নতুন বিশ্বকাপ প্লে-অফ মিনি-টুর্নামেন্ট থেকে দুটি ফাইনাল স্পট পাওয়া যাবে।

কোন মহাদেশ থেকে কীভাবে মূল পর্বে আসবে দল

ইউরোপ

মোট অংশগ্রহণকারী দলের সংখ্যা ৫৫। চার অথবা পাঁচ দলের ১২টি গ্রুপ করা হবে। ১২ গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন সরাসরি বিশ্বকাপে যাবে। সেরা চার রানার্সআপ বিশ্বকাপে যাবে নাকি প্লে-অফ থেকে বাছাই করা হবে চার দল, সেটি এখনো ঠিক হয়নি।

ওশিয়ানিয়া

মোট অংশগ্রহণকারী দলের সংখ্যা ১১। এবারই প্রথম ওশিয়ানিয়া অঞ্চল থেকে একটি দল সরাসরি বিশ্বকাপে যাবে। আর একটি দল যাবে আন্তমহাদেশীয় প্লে-অফে। কিভাবে খেলা হবে, সেটি এখনো ঠিক করেনি ওএফসি।

দক্ষিণ আমেরিকা

মোট অংশগ্রহণকারী দলের সংখ্যা ১০। আগের মতোই ডাবল লিগ পদ্ধতিতে খেলবে এই মহাদেশের ১০টি দল। সেরা ৬টি দল সরাসরি ২০২৬ বিশ্বকাপে সুযোগ পাবে। পয়েন্ট তালিকার সপ্তম দল সুযোগ পাবে আন্তমহাদেশীয় প্লে-অফে খেলার।

উত্তর আমেরিকা

মোট অংশগ্রহণকারী দলের সংখ্যা ৩২। তিন হোস্ট দেশ কানাডা, মেক্সিকো ও আমেরিকা সরাসরি খেলবে বিশ্বকাপে।

প্রথম রাউন্ড

আগামী নভেম্বরে ফিফা র‌্যাঙ্কিংয়ে মহাদেশের শেষ চার দল দুই লেগের দুটি প্লে-অফ খেলবে। জয়ী দুই দল দ্বিতীয় রাউন্ডে যাবে।

দ্বিতীয় রাউন্ড

৩০টি দলকে ৬টি গ্রুপে ভাগ করা হবে। সিঙ্গল লিগের শেষে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন ও রানার্স আপরা তৃতীয় রাউন্ডে উঠবে।

তৃতীয় রাউন্ড

১২টি দল ৩ গ্রুপে ভাগ হয়ে খেলবে। ডাবল রাউন্ড রবিন লিগের শেষে তিন গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন তিন দল বিশ্বকাপের টিকিট পাবে। সেরা দুই রানার্স আপ দল যাবে আন্তমহাদেশীয় প্লে-অফে।

আফ্রিকা

মোট অংশগ্রহণকারী দলের সংখ্যা ৫৪।

প্রথম রাউন্ড

৫৪ দলকে ৯ গ্রুপে ভাগ করা হবে। হোম অ্যান্ড অ্যাওয়ে রাউন্ড রবিন লিগ শেষে প্রতি গ্রুপের একটি করে চ্যাম্পিয়ন সরাসরি পাবে ২০২৬ বিশ্বকাপের টিকিট।

দ্বিতীয় রাউন্ড

সেরা চার গ্রুপ রানার্স আপ দল প্লে-অফ খেলবে। নকআউট প্লে-অফ শেষে একটি দল সুযোগ পাবে আন্তমহাদেশীয় প্লে-অফে।

এশিয়া

মোট অংশগ্রহণকারী দলের সংখ্যা ৪৭।

সবচেয়ে জটিল বাছাইপর্ব রয়েছে এই এশিয়া মহাদেশেই। মোট পাঁচ ধাপে অনুষ্ঠিত হবে এশিয়ার বাছাইপর্ব।

প্রথম রাউন্ড

২৭ জুলাই ফিফা র‌্যাঙ্কিংয়ের শেষে থাকা এই মহাদেশের ২২ দল হোম এবং অ্যাওয়ে ভিত্তিতে দুই লেগের প্লে-অফ খেলবে। জয়ী ১১ দল যাবে দ্বিতীয় রাউন্ডে।

দ্বিতীয় রাউন্ড

র‌্যাঙ্কিংয়ে এশিয়ার সেরা ২৫ দলের সঙ্গে যোগ দেবে প্রথম রাউন্ড পেরোনো ১১ দল। এই ৩৬ দলকে ৯ গ্রুপে ভাগ করা হবে। হোম অ্যান্ড অ্যাওয়ে রাউন্ড রবিন লিগের শেষে প্রতি গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন ও রানার্স আপ দল তৃতীয় রাউন্ডে উঠবে।

তৃতীয় রাউন্ড

১৮ দলকে ৩ গ্রুপে ভাগ করা হবে এখানে। হোম অ্যান্ড অ্যাওয়ে রাউন্ড রবিন লিগের পরে এই তিন গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন ও রানার্স আপ দল ২০২৬ বিশ্বকাপের টিকিট পাবে। গ্রুপে তৃতীয় ও চতুর্থ হওয়া ছয় দল যাবে চতুর্থ রাউন্ডে।

চতুর্থ রাউন্ড

ছয়টি দলকে দুই গ্রুপে ভাগ করা হবে। সিঙ্গল লিগের শেষে দুই গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বিশ্বকাপের টিকিট পাবে।

পঞ্চম রাউন্ড

চতুর্থ রাউন্ডের দুই গ্রুপ রানার্স আপ প্লে-অফ খেলবে। জয়ী দল যাবে আন্তমহাদেশীয় প্লে-অফে।

আন্তমহাদেশীয় প্লে-অফ

প্লে-অফের ছয় দলের মধ্যে র‌্যাঙ্কিংয়ে পিছিয়ে থাকা শেষ চারটি দল দুটি নকআউট ম্যাচ খেলবে। জয়ী দুই দল র‌্যাঙ্কিংয়ে এগিয়ে থাকা দুই দলের সঙ্গে নকআউট ম্যাচ খেলবে। জয়ী দুই দল বিশ্বকাপের মূল পর্বে যাবে।

মোট কত দেশ খেলবে আন্তমহাদেশীয় প্লে-অফে

আন্তমহাদেশীয় প্লে-অফে এশিয়া থেকে থাকবে ১ দল, উত্তর আমেরিকা থেকে ২ দল, আফ্রিকা থেকে ১ দল। একইসাথে দক্ষিণ আমেরিকা থেকে থাকবে ১ দল এবং অশিয়ানিয়া থেকে থাকবে ১ দল।
সূত্র : জি নিউজ

ইতিহাস গড়লেন শান্ত, টানা দ্বিতীয় শতক

ইতিহাসের পাতায় নাজমুল হোসেন শান্ত। দ্বিতীয় বাংলাদেশী হিসেবে এক টেস্টের উভয় ইনিংসেই শতকের রেকর্ড গড়লেন তিনি। ক্রিকেট বিশ্ব এই কীর্তির সাক্ষী অহরহ হলেও, বাংলাদেশ ক্রিকেটে মোটে দ্বিতীয়বার। মুমিনুল হকের পরেই এই কীর্তি তার।

উদযাপনটাও তাই ছিল দেখার মতো। এমন মুহূর্ত কি আর বারবার আসে, হাশমতউল্লাহর বলে লেগ সাইডে খেলে সিঙ্গেল নিয়েই হেলমেট খুলেছেন, খানিকটা দৌড়ে এরপর উড়েছেন, দিয়েছেন লাফ। এরপর সেই ট্রেডমার্ক, উড়ন্ত চুমু।

আফগানিস্তানের বিপক্ষে ঢাকা টেস্টের প্রথম ইনিংসে ১৪৬ রানের ইনিংস খেলার পর দ্বিতীয় ইনিংসেও শতকের দেখা পেয়েছেন শান্ত। ওয়ানডে মেজাজে মাত্র ১১৫ বলে এবার তিন অঙ্কের ঘর স্পর্শ করেছেন তিনি।

অবাক করা বিষয় হলো, শান্ত যখন এই কীর্তি গড়লেন, তখন অপরপ্রান্তেই ছিলেন মুমিনুল হক। যিনি শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ২০১৮ সালে গড়েছিলেন একই কীর্তি। প্রথম ইনিংসে ১৭৬ রানের পর দ্বিতীয় ইনিংসে খেলেছিলেন ১০৫ রানের ইনিংস।

যাহোক, শান্তর শতকে দ্বিতীয় ইনিংসেও ভালো অবস্থানে বাংলাদেশ। ৪২ ওভার শেষে ২ উইকেটে ২২৪ রান এসেছে স্কোরবোর্ডে। বাংলাদেশের লিড ৪৬০ রানের।

যুক্তরাষ্ট্রে প্রথম বাংলাদেশী-আমেরিকান এবং মুসলমান নারী ফেডারেল বিচারক

যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে একজন ফেডারেল বিচারকের পদে প্রথমবারের মতো কোনো বাংলাদেশী-আমেরিকান এবং মুসলমান নারী হিসেবে নুসরাত জাহান চৌধুরীর নাম নিশ্চিত করা হয়েছে।

নিউইয়র্কের ইস্টার্ন ডিস্ট্রিক্ট আসনের জন্য তার নির্বাচনের কথা সিনেট নিশ্চিৎ করেছে।

৪৬ বছর বয়স্কা নুসরাত চৌধুরী দীর্ঘকাল যুক্তরাষ্ট্রের একটি নাগরিক অধিকার রক্ষা-সংক্রান্ত আইনজীবী সংগঠন এসিএলইউ-এ কাজ করেছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের পুলিশ বাহিনীসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে জাতিগত বৈষম্যের বিরুদ্ধে নাগরিক অধিকার সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে তিনি প্রচুর কাজ করেছেন।

এর আগে তিনি কলাম্বিয়া ইউনিভার্সিটি থেকে স্নাতক এবং ইয়েল ল স্কুল থেকে আইন বিষয়ে ডিগ্রি নেন।
সূত্র : ভয়েস অব আমেরিকা

আগামী জাতীয় নির্বাচন যথাসময়ে অনুষ্ঠিত হবে : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সুস্পষ্টভাবে বলেছেন, দেশে গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত রাখতে আগামী জাতীয় নির্বাচন যথাসময়ে অনুষ্ঠিত হবে।

তিনি বলেন, ‘নির্বাচন যথাসময়ে অনুষ্ঠিত হবে, জনগণ তাদের ভোট দেবে, জনগণ তাদের ভোটের একমাত্র মালিক হিসেবে তারা যাকে ইচ্ছা তাকে ভোট দেবে, আর যে জনগণের ভোট পাবে, সে সরকার গঠন করবে। এটা গণতান্ত্রিক ধারা এবং তা অব্যাহত থাকবে।’

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় জেনেভায় হিলটন হোটেলে সুইজারল্যান্ড প্রবাসী বাংলাদেশীদের দেয়া এক নাগরিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।

ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা বলেন, বিএনপি এটা ভালো করেই জানে যে তাদের খারাপ কর্মকাণ্ডের জন্য তারা জনগণের কোনো ভোট পাবে না। ওই কারণে তারা এখন নির্বাচন প্রক্রিয়া থেকে পিছু হটার বাহানা খুঁজছে।

তিনি বলেন, ‘আসলে তারা (বিএনপি) চোরের ও ভোট কারচুপিকারীদের দল। ভোট ডাকাতি করা ছাড়া তাদের পক্ষে ক্ষমতায় যাওয়া সম্ভব না।’

তিনি উল্লেখ করেন, অতীতে তারা দেশের সম্পদ বিক্রি করার পূর্ব শর্ত মেনে নিয়ে রাষ্ট্র ক্ষমতা দখল করেছিল।

তিনি আরো বলেন, ‘সুতরাং জনগণ তাদের (বিএনপি) আর ক্ষমতায় দেখতে চায় না। ওই কারণেই তারা জনগণের ভোট পায় না।

আওয়ামী লীগ সরকার পতনের জন্য বিএনপির বারবার হুমকি প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, সরকার এতটা দুর্বল নয়।

তিনি বলেন, ‘১০ ডিসেম্বর নিয়ে হৈ চৈ ছিল। তারা সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করবে, আমরা এমন দুর্বল পর্যায়ে নেই যে তারা আমাদের পতন ঘটাবে, আমাদের সাথে জনগণ আছে, আমাদের শক্তি আমাদের জনগণ।’

নির্বাচনকালীন তত্ত্ববাবধায়ক সরকার গঠনের বিষয়ে বিএনপির দাবি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমরা সম্পূর্ণ স্বাধীন নির্বাচন কমিশন গঠন করেছি। কিন্তু বিএনপি এখনো তত্ত্ববাবধায়ক সরকারের দাবি করছে।

বিএনপি কি পাগল নাকি শিশু হয়ে গেল প্রশ্ন তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, একবার খালেদা জিয়া দাবি করেছিলেন, পাগল বা শিশু ছাড়া কেউ নিরপেক্ষ নয়।

তিনি আরো বলেন, চোরদের, স্বাধীনতাবিরোধীদের ও খুনিদের ক্ষমতায় এনে এনে আমরা বাংলাদেশকে অন্যের কাছে মাথা নত হতে দেব না।

বিএনপি এখন নিজেদের দুর্বলতা ঢাকতে নানা ধরনের অপপ্রচার চালাচ্ছে, নোংরা কৌশল অবলম্বন করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘যারা দিবালোকে মানুষ হত্যা করেছে, যারা লুটপাট করেছে, দুর্নীতি করেছে, দুর্নীতির মামলায় দণ্ডিত হয়েছে, এটাই এখন মূল ইস্যু যে তারা দণ্ডিত ব্যক্তির নেতৃত্বে নির্বাচনে যাবে কিনা।’

গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের আত্মত্যাগের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আজ বাংলাদেশে যে গণতান্ত্রিক ধারা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, তা আমাদের আন্দোলনের ফসল। এজন্য আমার দলের নেতাকর্মীরা জীবন দিয়েছেন। আর আমি গ্রেনেড হামলা থেকে অল্পের জন্য বেঁচে গেছি।’

গণতন্ত্রের ধারাবাহিকতার সুফল তুলে ধরে তিনি বলেন, নিরবচ্ছিন্ন গণতান্ত্রিক ধারায় দেশ বদলেছে, আজ দেশ উন্নত হয়েছে, আজ বাংলাদেশ বিশ্বে মর্যাদাপূর্ণ অবস্থানে আছে।

‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ গড়ার দৃঢ় প্রত্যয় পুনর্ব্যক্ত করে শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ আজ যে মর্যাদা পেয়েছে তা নিয়েই এগিয়ে যাবে। আমরা ২০৪১ সালের মধ্যে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত, উন্নত ও সমৃদ্ধ স্মার্ট সোনার বাংলা গড়ে তুলব।’

বাংলাদেশের যেকোনো সঙ্কটে প্রবাসীদের ভূমিকার প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রবাসীদের পাঠানো রেমিটেন্স দেশের অর্থনীতিতে বিরাট ভূমিকা রাখে।

তিনি প্রবাসীদেরকে হুন্ডির মাধ্যমে দেশে রেমিট্যান্স না পাঠিয়ে বৈধ মাধ্যমে টাকা পাঠানোর আহ্বান জানান।

তিনি বিদেশে যেতে আগ্রহীদের দালালদের সম্পর্কে সচেতন ও সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন এবং নিবন্ধনের মাধ্যমে বৈধ উপায়ে বিদেশে যাওয়ার আহ্বান জানান।

এ সময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন, আইনমন্ত্রী আনিসুল হক মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে সুইজারল্যান্ডসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশীসহ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। সূত্র : বাসস

হিরো আলমের বিরুদ্ধে থানায় জিডি

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে হিরো আলমের পেইজ ব্যবহার করে গালাগালির অভিযোগে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন রিয়া চৌধুরী নামের এক নায়িকা। শুক্রবার ডিএমপির বাড্ডা থানায় এই জিডি করেন তিনি। জিডি নম্বর ৬৪৪।

শনিবার রাতে বাড্ডা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, একটি জিডি হয়েছে। তবে, এটা সাইবার সংক্রান্ত অভিযোগ হওয়ায় জিডিটি পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) সাইবার ইউনিটে পাঠানো হবে।

জিডিতে রিয়া অভিযোগ করেন, গত ৭ জুন বিকেলে হিরো আলমের ফেসবুক পেইজ ‘হিরো আলম বগুড়া’ থেকে তার সহযোগী রিয়া মনি (২৭) নামের একটি মেয়ে অশ্লীল গালাগালি করেছে। এতে হিরো আলমের ইন্ধন আছে। যার কারণে আমি সামাজিকভাবে মানহানি ও আমার মর্যাদা ক্ষুণ্ন হয়েছে। এই বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য উপাত্ত না থাকার কারণে আপাতত বিষয়টি সাধারাণ ডায়েরি করা হলো। ভবিষ্যতে তথ্য উপাত্তের ভিত্তিতে প্রয়োজন সাপেক্ষে মামলার জন্য আবেদন করা হবে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে হিরো আলম বলেন, আমার পেইজ থেকে একটি ভিডিও আপলোড হয়েছে। এতে যে বক্তব্য আছে তাতে রিয়া চৌধুরীর নাম বলা হয়নি। কিন্তু সে অভিযোগ করছে তাকে নাকি গালিগালাজ করা হয়েছে। আর পেইজ তো আমি চালাই না পেজের এডমিনরা চালায়। ‌সে প্রমাণ করুক যে আমি তাকে গালিগালাজ করেছি। আর এছাড়া জিডি কোনো ফ্যাক্টর নাকি।

জিডির বাদি রিয়া চৌধুরীর বাসা রাজধানীর পশ্চিম মেরুল বাড্ডায়। ‘টোকাই’ চলচ্চিত্রে হিরো আলমের নায়িকার চরিত্রে অভিনয় করেছেন রিয়া চৌধুরী।

পিকে এখন অতীত,বললেন পপ সম্রাজ্ঞী শাকিরা

অতীত ভুলে ভবিষ্যতের পথে হাঁটাই এখন শাকিরার জীবনের একমাত্র লক্ষ্য। স্প্যানিশ ফুটবল তারকা জেরার্ড পিকে এখন অতীত। শোনা যাচ্ছে নতুন সম্পর্কে জড়িয়েছেন ‘পপ সম্রাজ্ঞী’ শাকিরা। সম্প্রতি আলোচিত প্রেমিকের সাথে ক্যামেরাবন্দি হন তিনি। শাকিরার মতো তারকার সাথে সম্পর্কে জড়ানোর অর্থ তিনি আলাদা করে প্রচারের আলোয় চলে আসবেন। কিন্তু মজার বিষয় শাকিরার সাথে যাকে দেখা গেছে তিনিও কিন্তু নেহাত অখ্যাত কোনো ব্যক্তি নন। কে সেই সৌভাগ্যবান পুরুষ?

শাকিরার যে ছবি আপাতত নেটদুনিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে সেখানে কলম্বিয়ান পপ তারকার পাশে দেখা গেছে বিশ্বখ্যাত ফর্মুলা ওয়ান ব্যক্তিত্ব লুইস হ্যামিল্টনকে! রোববার মায়ামিতে ফর্মুলা ওয়ান রেসে অংশ নেন লুইস। রেসের শেষে শাকিরার সাথে ডিনার করতে দেখা যায় এই ব্রিটিশ ফর্মুলা ওয়ান তারকা ড্রাইভারকে। তবে শুধু একবার নয়, বেশ সাম্প্রতিক অতীতে বেশ কয়েকবার লুইসের সাথে শাকিরাকে দেখা গেছে। যেমন স্প্যনিশ গ্রাঁ প্রি-তে দ্বিতীয় স্থানে রেস শেষ করেন লুইস। ওই সাফল্য উদ্‌যাপনে বন্ধুদের তরফে বিশেষ পার্টির আয়োজন করা হয়। সেখানেও লুইসের পাশে ছিলেন শাকিরা। গত মাসে মায়ামিতে লুইসের সঙ্গে প্রমোদতরীতে সময় কাটাতেও দেখা গেছে শাকিরাকে।

২০১১ সালে পিকে’র সাথে সম্পর্কে জড়ান শাকিরা। কিন্তু পরবর্তীকালে পিকের বিরুদ্ধে সম্পর্কে প্রতারণার অভিযোগ আনেন ‘ওয়াকা ওয়াকা’র গায়িকা। গত বছর জুন মাসে শাকিরা এবং পিকে তাদের সম্পর্কে ইতি টানেন। চলতি বছরেই ক্লারা চিয়া মার্টি নামের এক প্রচার সহায়কের সাথে সম্পর্কে জড়ান পিকে। এবার বছর ঘুরতেই শাকিরার জীবনে ফের প্রেমের আগমন? উত্তর জানতে অধীর আগ্রহে অপেক্ষায় শিল্পীর অনুরাগীরা।
সূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা

শাহিদ এবং করিনার প্রেম

শাহিদ এবং করিনার প্রেম একসময় বলিউডের অন্যতম আলোচিত বিষয় ছিল। সময়ের সাথে ওই সম্পর্কে ভাঙন ধরে। আলাদা হয়ে যায় যুগলের পথ।

শাহিদ কাপুর এবং কারিনা কাপুরের প্রেম পর্ব নিয়ে এখনো বলিপাড়ার অন্দরে কথা হয়। প্রায় পাঁচ বছর তারা সম্পর্কে ছিলেন। ওই সময় জুটি বেঁধে ‘জব উই মেট’, ‘ফিদা’, ‘চুপ চুপ কে’র মতো ছবিতে দর্শকের মন জয় করেছিলেন। পরে অবশ্য এই সম্পর্ক স্থায়ী হয়নি। দু’জনেই জীবনসঙ্গিনী হিসেবে অন্য মানুষকে বেছে নেন। কিন্তু শাহিদ এবং কারিনার কিন্তু একে অপরের প্রতি সম্মান এখনো অটুট। দু’জনকে একসাথে বলিউডের কোনো অনুষ্ঠানে দেখা না গেলেও একে অপরের বিরুদ্ধে কখনো কোনো রকম কটু কথা তাদের বলতে শোনা যায়নি। ২০১৬ সালে দু’জনকে একসঙ্গে ‘উড়তা পাঞ্জব’ ছবিতে দেখেছিলেন দর্শক। এবার এক সাক্ষাৎকারে নিজের প্রাক্তনকে নিয়ে মন্তব্য করলেন শাহিদ।

একাধিক অভিনেতা প্রসঙ্গে শাহিদকে প্রশ্ন করা হয়। তার পর আসে করিনার নাম। অভিনেতাকে প্রশ্ন করা হয়েছিল যে সুযোগ পেলে অভিনেত্রীর কোন গুণটি তিনি পেতে চাইবেন। উত্তরে শাহিদ জানান, যে প্রথম ছবি থেকেই কারিনার মধ্যে তিনি একজন সুপারস্টার হওয়ার লক্ষণ দেখেছিলেন। এই গুণটিই তিনি পেতে চাইবেন।

এখানেই শেষ নয়, শাহিদের দিকে প্রশ্ন ছুড়ে দেয়া হয় যে সাইফের সাথে কখনো দেখা হলে তিনি কী করবেন। উত্তরে শাহিদ জানান যে তিনি সাইফকে হ্যালো বলবেন। এই প্রসঙ্গে শাহিদ জানান, এক সময় একই জিমে সাইফের সাথে নিয়মিত শরীরচর্চা করতেন শাহিদ। সময়টা ছিল ২০১৭ সাল। ‘রেঙ্গুন’ ছবির শুটিং করছিলেন শাহিদ। মীরা রাজপুতের সাথে বিয়ের পর এখন ভরা সংসার শাহিদের। আগামী ৭ জুলাই দম্পতির অষ্টম বিবাহবার্ষিকী।
সূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা

ঘুমের মধ্যে পায়ের পেশিতে টান ধরতে পারে ম্যাগনেশিয়ামের ঘাটতিতে

শারীরবৃত্তীয় বিভিন্ন কর্মকাণ্ড পরিচালনা করার জন্য প্রয়োজন বিভিন্ন খনিজের। গুরুত্বপূর্ণ খনিজের তালিকায় ক্যালশিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, সোডিয়াম, পটাশিয়া বেশ জনপ্রিয় হলেও ম্যাগনেশিয়ামের ভূমিকা কিন্তু কম নয়। দেহে প্রতিনিয়ত হয়ে চলা বিভন্ন রকম রাসায়নিক প্রক্রিয়া সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করতে সাহায্য করে এই ম্যাগনেশিয়াম।

নামে খুব একটা পরিচিত না হলেও এ খনিজটির অভাব কিন্তু শরীর বিভিন্নভাবে বুঝিয়ে দেয়।

চিকিৎসকেরা বলছেন, অবসাদ, ক্লান্তির মতো সাধারণ কিছু বিষয়ের সাথেও ম্যাগনেশিয়ামের যোগ থাকতে পারে।

শরীরে বেশ কিছু লক্ষণ দেখলে হতে হবে সতর্ক।

১। পেশিতে টান
এই ধরনের সমস্যাকে খুব একটা গুরুত্ব দিতে চায় না অনেকেই। সারাদিন পানি খাওয়া কম হলে পায়ের পেশিতে হঠাৎ করে টান লাগতে পারে।এ সমস্যা কিন্তু সাময়িক। চিকিৎসকেরা বলছেন, এমন পেশিতে টান লাগার সমস্যা যদি নিয়মিত হয়, তা ম্যাগনেশিয়ামের ঘাটতির লক্ষণ হতে পারে।

২। অবসাদ ও উদ্বেগ
তেমন কোনো বিষয় ছাড়াই মন খারাপ হওয়ার কোনো কারণই খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। তবু মন খারাপ হচ্ছে। চিকিৎসকেরা বলছেন, এই সমস্যার নেপথ্যেও রয়েছে ম্যাগনেশিয়াম। স্নায়ুর কর্মকাণ্ড সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করতে সাহায্য করে ম্যাগনেশিয়াম। বিভিন্ন সমীক্ষা থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে তৈরি হার্ভাডের একটি রিপোর্টেও একই কথা বলা হয়েছে।

৩। অনিয়ন্ত্রিত হৃদস্পন্দন
ঘড়ির কাটার মতো হৃদ্স্পন্দেরও একটা ছন্দ আছে। সুস্থ, স্বাভাবিক মানুষের হৃদ‌যন্ত্র ওই ছন্দ মেনেই চলে। তবে রক্তে ম্যাগনেশিয়ামের মাত্রা কমে গেলে কারো হৃদস্পন্দনের হার বেড়ে যেতে পারে। চিকিৎসা পরিভাষায় এ রোগ ‘অ্যারিদমিয়া’ নামে পরিচিত।

৪। ভঙ্গুর হাড়
অনেকেই মনে করে, হাড়ের স্বাস্থ্যের জন্য জরুরি দু’টি উপাদান হল ক্যালশিয়াম ও ভিটামিন ডি। তবে বিভিন্ন গবেষণা থেকে জানা গেছে, এই দু’টি উপাদানের পাশাপাশি হাড়ের যত্নে ম্যাগনেশিয়াম যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। পর্যাপ্ত ম্যাগনেশিয়াম না থাকলে অস্টিয়োপোরোসিসের সমস্যাও বেড়ে যেতে পারে।

৫। ক্লান্তি
পরিশ্রম করলে ক্লান্ত লাগা স্বাভাবিক। কিন্তু ঘুম থেকে ওঠার পর যদি ঘুম পায়, ক্লান্ত লাগে, তা সুস্থ মানুষের ক্ষেত্রে খুব একটা স্বাভাবিক নয়। চিকিৎসকেরা বলছেন, এই ক্লান্তির কারণও হতে পারে ম্যাগনেশিয়ামের ঘাটতি।
সূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা

মিষ্টি খেলেই ডায়াবেটিস হয় না, নেপথ্যে ৫ অভ্যাসও

মিষ্টির প্রতি প্রবল আকর্ষণ ডায়াবেটিসের একমাত্র কারণ- এই ধারণা কিন্তু একেবারেই ঠিক নয়। অত্যধিক মিষ্টি খাওয়ার প্রবণতা রক্তে শর্করার পরিমাণ বাড়িয়ে দিতে পারে, এটা ঠিক। কিন্তু মিষ্টি খাওয়া ছাড়াও দৈনন্দিন কিছু অভ্যাসেও ডায়াবেটিস বাসা বাঁধে শরীরে। তাই ঝুঁকি এড়িয়ে নিয়মে বদল আনা জরুরি। অভ্যাসও বদলে ফেলা প্রয়োজন।

সারাক্ষণ কাজ করা

কাজ নিয়ে সারাক্ষণ ব্যস্ত থাকেন অনেকেই। ব্যস্ততা মানেই নানা রকম চিন্তা, উদ্বেগও থাকে মন জুড়ে। সেগুলোর প্রভাব পড়ে শরীরে। কাজের চাপে খাবার খাওয়ার কথাও মনে থাকে না অনেক সময়। দীর্ঘক্ষণ পেট খালি থাকলে শর্করার মাত্রাও বাড়তে থাকে। এই অভ্যাস দূর করা জরুরি।

পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান

পানির মধ্যেই লুকিয়ে রয়েছে অনেক শারীরিক সমস্যার সমাধান। ডায়াবেটিসও সেই তালিকায় রয়েছে। সারা দিন কাজের চাপে পানি খাওয়ার কথা মনে থাকে না অনেকেরই। সেজন্য কাজের টেবিলে চোখের সামনে পানির বোতলটি রাখুন। যাতে পানি খাওয়ার কথা ভুলে না যান। শরীরে আর্দ্রতার অভাবেই ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি থাকে।

কম ঘুমোনো

আধুনিক ব্যস্ততম জীবনে ঘুমের জন্য আলাদা করে সময় পাওয়া দুষ্কর। এই অপর্যাপ্ত ঘুম নানা রোগবালাই ডেকে আনে। শরীর সুস্থ রাখতে যে পরিমাণ ঘুমের প্রয়োজন, তার চেয়ে কম হলে ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি থেকে যায়। ঘুম যাতে পর্যাপ্ত হয়, সে দিকে অতি অবশ্যই খেয়াল রাখা জরুরি।

হরমোনজনিত সমস্যা

হরমোনের ভারসাম্য বজায় না থাকলে শরীর বিগড়োতে শুরু করে। হরমোনের এই ধারাবাহিক ভারসাম্যহীনতা ডায়াবিটিসের জন্ম দিতে পারে। তাই হরমোনজনিত কোনো সমস্যা থেকে থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। অসুখ ফেলে রাখলে সেই সূত্র ধরে নতুন কিছু সমস্যা দেখা দিতে শুরু করে।

শারীরিক পরীক্ষা না করানো

কয়েক মাস অন্তর শারীরিক পরীক্ষা করানো সুস্থ থাকার নিয়মগুলোর মধ্যে পড়ে। কিন্তু অনেকেই সময়ের অভাবে শরীরের প্রতি অবহেলা করে থাকেন। ফলে শরীরের অন্দরে কোনো সমস্যা হয়ে থাকলেও তা সঠিক সময়ে ধরা পড়ে না। আর কিছু না হোক, মাঝেমাঝে রক্ত পরীক্ষা করিয়ে ডায়াবেটিস হলো কি না, তা জেনে নেয়া জরুরি।
সূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা

১৪ বছরে অর্ধশতাধিক সাংবাদিক নিহত হয়েছে : বিএফইউজে সভাপতি

বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) সভাপতি এম আব্দুল্লাহ বলেছেন, ‘এ সরকারের আমলে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নেই। স্বাধীনতা নেই সাংবাদিকেরও। গত ১৪ বছরে অর্ধশতাধিক সাংবাদিক নিহত হয়েছে। নির্যাতনের শিকার হয়েছে হাজার হাজার সাংবাদিক। এ অবস্থার পরিবর্তন দরকার।’

বুধবার সাংবাদিক ইউনিয়ন যশোর (জেইউজে) দ্বি-বার্ষিক সাধারণ সভার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

এ সময় তিনি দিগন্ত টেলিভিশনসহ বন্ধ সকল গণমাধ্যম খুলে দেয়ারও দাবি জানান।

প্রেসক্লাব অডিটোরিয়ামে আয়োজিত সাধারণ সভায় সংগঠনের সভাপতি এম আইউবের সভাপতিত্বে প্রধান বক্তা ছিলেন বিএফইউজের মহাসচিব নুরুল আমিন রোকন। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট গবেষক ও সাংবাদিক বেনজীন খান, বিএফইউজের সহ-সভাপতি রাশিদুল ইসলাম, কার্যনির্বাহী সদস্য এইচ এম আলাউদ্দিন, প্রেসক্লাব যশোরের সভাপতি জাহিদ হাসান টুকুন, সাধারণ সম্পাদক এস এম তৌহিদুর রহমান ও বিএফইউজের সাবেক সহকারী মহাসচিব নুর ইসলাম।

এ সময় আরো বক্তব্য রাখেন সাংবাদিক ইউনিয়ন যশোরের সাবেক সম্পাদক আহসান কবীর, সাইফুল ইসলাম সজল, তৌহিদ জামান ও সাইফুর রহমান সাইফ।

স্বাগত বক্তব্য রাখেন সাধারণ সম্পাদক আকরামুজ্জামান। কোরআন তেলাওয়াত করেন সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাইফুর রহমান সাইফ।

অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে বিজনেস সেশন অনুষ্ঠিত হয়। ওই সেশনে সাধারণ সম্পাদক আকরামুজ্জামান সেক্রেটারির রিপোর্ট ও কোষাধ্যক্ষ এম এ আর মশিউর রিপোর্ট পেশ করেন। সংগঠনের সভাপতি এম আইউবের সভাপতিত্বে সদস্যরা সাধারণ সম্পাদক ও কোষাধ্যক্ষের রিপোর্টের ওপর আলোচনা করেন।