Home Blog Page 651

ভোলায় বিয়ে বাড়িতে সংঘর্ষ, কনেসহ আহত ১৫

ভোলায় বিয়ে বাড়ির গেটে টাকা আদায়কে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের সংঘর্ষ হয়েছে। ঘণ্টাব্যাপী ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের কনে, কনের মা-বাবা, বরের বাবাসহ উভয়পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছে।

এতে পণ্ড হয়ে গেছে বিয়ের অনুষ্ঠান। আহতদের ১২ জনকে ভোলা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

শুক্রবার (৩০ জুন) দুপুরে শহরের শহরতলী জামিরা লতা মুন্সি সরদার বাড়ির হারুন অর রশিদের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

শনিবার (১ জুলাই) ভোলা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীন ফকির এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

জানা গেছে, দু’মাস আগে শহরতলী হারুন অর রশীদের মেয়ে নূপুরের সাথে একই এলাকার জাকির হোসেনের ছেলে শরীফের পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। শুক্রবার বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা ছিল। এতে বরকে বরণ করার জন্য কনেপক্ষ বাড়ির দরজায় গেট নির্মাণ করে। ওই গেটের টাকা দেয়াকে কেন্দ্র করে উভয়পক্ষের মধ্যে তর্কবিতর্ক হয়। এরই জেরে বরপক্ষের লোকজন হকস্টিক ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে কনে বাড়িতে হামলা চালিয়ে বিয়ের প্যান্ডেল, চেয়ার টেবিল ও আসবাবপত্র ভাঙচুর করে এবং অতিথি আপ্যায়নের জন্য রান্না করা খাবার তছনছ করে। এসময় উভয়পক্ষের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের কনে, কনের মা, বাবা, ভাই, বরের বাবা, খালুসহ অন্তত ১৫ জন আহত হয়। পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতাল ভর্তি করে।

কনেপক্ষের অভিযোগ, হামলাকারী বরপক্ষের লোকজন ভাঙচুরের পাশাপাশি ঘর ও বিয়ের মালামাল লুট করে নিয়ে গেছে।

তবে লুটের কথা অস্বীকার করে তাদের ওপর আগে হামলা হয়েছে বলে পাল্টা অভিযোগ করে বরপক্ষ।

ভোলা সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীন ফকির বলেন, শুক্রবার রাতে পুলিশ ঘটনাটি জানতে পারে। এরপর ঘটনাস্থল ও হাসপাতালে থাকা আহতদের দেখতে পুলিশের একটি টিম যায়। এ ঘটনায় কনের বাবাকে থানায় অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে। কিন্তু শনিবার দুপুর পর্যন্ত এ ঘটনায় কেউই থানায় কোনো অভিযোগ দেয়নি। উভয়পক্ষ স্থানীয়ভাবে এ ঘটনা সমাধান করে নিবে।

ব্রিকস বিরোধিতাই প্রমাণ করে বিএনপি দেশের উন্নয়ন চায় না : তথ্যমন্ত্রী

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, শীর্ষ উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলোর ‘ব্রিকস’ জোটে বাংলাদেশের যোগদানের বিরোধিতা করে বিএনপি প্রমাণ করেছে যে তারা দেশের উন্নয়ন-অগ্রগতিরও বিরোধী।

তিনি বলেন, বিএনপি মহাসচিব এই শুভ উদ্যোগকে যেভাবে সুবিধাবাদী পদক্ষেপ বলেছেন, তা অত্যন্ত নিন্দনীয়।

শনিবার দুপুরে বন্দরনগরী চট্টগ্রামের দেওয়ানজী পুকুর লেনে নিজ বাসভবনে স্থানীয় সুধীজনের সাথে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন।

শুক্রবার একটি টেলিভিশন চ্যানেলে সাক্ষাৎকারে বিএনপি মহাসচিবের বক্তব্য ‘অর্থনৈতিক জোট ব্রিকসে যোগদান আমাদের জন্য শুভকর নয়’ এ নিয়ে প্রশ্নে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, ‘ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চীন, সাউথ আফ্রিকার জোট ‘ব্রিকসে’র উদীয়মান অর্থনীতির শক্তিকে সবাই সমীহ করে। বাংলাদেশ এতে যোগ দেয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছে তা নয়, উদীয়মান অর্থনীতির দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে তারা ব্রিকসে যোগদানের আহ্বান জানিয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘এটি বাংলাদেশের জন্য মর্যাদা ও সম্মানের এবং শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ যে এখন উদীয়মান অর্থনীতির দেশ, তার স্বীকৃতি। সেখানে যোগ দিলে বাংলাদেশের বহুমাত্রিক সুবিধা হবে। কিন্তু মির্জা ফখরুল সাহেবরা তা চান না।’

সাংবাদিকরা বিএনপি মহাসচিবের অপর এক মন্তব্য- ‘গত একবছর ধরে বিএনপি সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে যুক্ত নয়’ এ বিষয়ে জানতে চাইলে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘মির্জা ফখরুল সাহেবের এ বক্তব্য রেকর্ডেড এবং তারা যে আগে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সাথে যুক্ত ছিলেন সেটি তার বক্তব্যের মাধ্যমেই স্বীকার করে নিয়েছেন।’

‘এক বছর ধরে বিএনপি সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সাথে যুক্ত নয় সেটিও সঠিক নয়’ উল্লেখ করে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘আপনারা দেখেছেন গত কয়েক মাসে তারা বিভিন্ন স্থানে পুলিশের সাথে সংঘর্ষে জড়িয়েছে, গাড়ি ভাঙচুর করেছে, বাসে আগুন দিয়েছে, চট্টগ্রামের জামালখানে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালসহ ইতিহাস-ঐতিহ্যমণ্ডিত ছবি ভাংচুর করেছে। অর্থাৎ মির্জা ফখরুল সাহেব যতই বলুন না কেন, উনারা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের মধ্যেই আছেন।’

শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন, চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক সাবেক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক নোমান আল মাহমুদ এমপি, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এম এ সালাম, দক্ষিণ জেলার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোতাহেরুল ইসলাম চৌধুরী এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
সূত্র : বাসস

নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধির পেছনে সিন্ডিকেট ভাঙার চেষ্টা চলছে : বাণিজ্যমন্ত্রী

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি শনিবার বলেছেন, দেশে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বৃদ্ধির সাথে জড়িত সিন্ডিকেটকে দমনের চেষ্টা চলছে।

শনিবার খুলনার শহীদ আবু নাসের বিশেষায়িত হাসপাতালে রোটারি ক্লাবের ‘ডিস্ট্রিক্ট ইয়াং লঞ্চিং’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘আমরা চেষ্টা করছি যাতে কোনো সিন্ডিকেট কাজ করতে না পারে। ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেট বছরের পর বছর সক্রিয়, ফলে সময় লাগছে; কিন্তু আমরা চেষ্টা করছি।’

তিনি আরো বলেন, সরকার এক কোটি পরিবারকে স্বল্পমূল্যে খাদ্য সরবরাহ করছে এবং তারা মানুষকে সর্বোত্তমভাবে সাহায্য করার চেষ্টা করছে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন খুলনা সিটি করপোরেশনের (খুসিক) নবনির্বাচিত মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক, রোটারি ক্লাবের ডিস্ট্রিক্ট গভর্নর মো: আশরাফুজ্জামান নান্নু, জোনাল ইভেন্ট চেয়ার এস এম নজরুল ইসলাম প্রমুখ। সূত্র : ইউএনবি

শাকিবের ফেসবুক পোস্টের বিষয়ে যা বললেন অপু

একসময় ঢাকাই সিনেমার নায়ক শাকিব খানের সাথে দাম্পত্যে ছিলেন চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাস। তাদের রয়েছে জয় নামে এক সন্তান।

ঈদুল আজহায় মুক্তি পাওয়া অপু বিশ্বাস অভিনীত ‘লাল শাড়ি’ সিনেমাটি সরকারি অনুদানে নির্মিত হয়েছে অপু-জয় প্রোডাকশন হাউস থেকে। অপুর সিনেমার সাথে নিজের সন্তান জয়ের নাম যুক্ত থাকায় ছবিটির প্রতি আবেগ কাজ করছে শাকিব খানের।

সিনেমাটি দেখার আহ্বান জানিয়েছেন এই শাকিব খান। ৩০ জুন বিকেলে নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক পেজে এক স্ট্যাটাস দেন শাকিব। সাবেক স্বামীর ওই পোস্টের স্ট্যাটাস নজরে আসে অপু বিশ্বাসের। চিত্রনায়িকা ওই পোস্ট নিজের ভেরিফাইড পেজে শেয়ার করেছেন।

যার ক্যাপশনে অপু লিখেছেন, ‘আমার প্রত্যেকটা সাফল্যের পেছনে মা-বাবার পর তোমার অবদান।’

অভিনেত্রীর ক্যাপশনের কথাটি ভালোভাবেই নিয়েছে ভক্তরা। সাবেক স্বামী-স্ত্রীর একে অন্যের পাশে দাঁড়ানোর বিষয়কে ইতিবাচকভাবেই নিয়েছে তাদের ভক্তরা।

‘লাল শাড়ি’ সিনেমায় অপু বিশ্বাসের সাথে অভিনয় করেছেন চিত্রনায়ক সাইমন সাদিক এবং পরিচালনা করেছেন বন্ধন বিশ্বাস। সিনেমায় আরো অভিনয় করেছেন শহীদুজ্জামান সেলিম, সুমিত সেনগুপ্ত, দিলরুবা দোয়েল, রাশেদুজ্জামান অপু, শাহেদ আলী প্রমুখ।

গণঅধিকার পরিষদ থেকে রেজা কিবরিয়াকে অপসারণ

গণঅধিকার পরিষদের আহ্বায়ক ড. রেজা কিবরিয়াকে অপসারণ করা হয়েছে। আজ শনিবার অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে তাকে করা হয়েছে বলে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এর আগে শনিবার সকাল ১১টায় গণঅধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির সদস্যদের নিয়ে একটি জরুরি সভার আয়োজন করা হয়। সভায় উপস্থিত হননি ড. রেজা কিবরিয়া। এই সভাতেই তাকে অভিসংশন করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গঠনতন্ত্রের ৩৮ ধারা অনুযায়ী গণঅধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের ৮৪ সদস্যের স্বাক্ষরসহ আহ্বায়কের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে সদস্যদের কাছে বক্তব্য উপস্থাপনের জন্য আজ সকাল ১১টায় কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আহ্বায়ক জরুরি সভা আহ্বান করেন।

ঈদের ছুটিতে যানবাহন সঙ্কট ও প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যে সদস্যরা উপস্থিত হলেও সভা ডেকে আহ্বায়ক অনুপস্থিত থাকেন। তাই ওই সভায় উপস্থিত সদস্যদের মতামতের ভিত্তিতে ১ নম্বর যুগ্ম আহ্বায়ক মো: রাশেদ খানকে সভার সভাপতি হিসেবে নির্বাচন করা হয়, সদস্য সচিব মো: নুরুল হক (নুর) সভা সঞ্চালনা করেন।

সভায় গঠনতন্ত্রের ধারা ৩৮, ১৮ (গ) -এর (১) (৩) ও (৮), ৩৪ (ঙ) এবং ৪১ -এর ক্ষমতাবলে নিম্নলিখিত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। গঠনতন্ত্র অনুযায়ী কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের দুই-তৃতীয়াংশ সদস্য আহ্বায়কের প্রতি অনাস্থা প্রস্তাব সমর্থন করায় আহ্বায়ককে অপসারণের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।

আরো জানানো হয়েছে, কাউন্সিলের পূর্ব পর্যন্ত ১ নম্বর যুগ্ম আহ্বায়ক মো: রাশেদ খানকে ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে। কাউন্সিলের পূর্ব পর্যন্ত ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক এবং সদস্য সচিব মো: নুরুল হক (নুর)-কে রুটিন মাফিক নিয়মিত দায়িত্ব পালন করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।

বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেলো ও. ইন্ডিজ, প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে নেই দু’বারের চ্যাম্পিয়নরা

দেয়াল লিখন প্রায় স্পষ্টই ছিল। চলতি বছর একদিনের ক্রিকেট বিশ্বকাপের যোগ্যতা অর্জন পর্ব থেকে বিদায় নেয়ার দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে ছিল দু’বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ওয়েস্ট ইন্ডিজ। একটাই সুযোগ ছিল। সুপার সিক্স পর্বে নিজেদের তিনটি ম্যাচই জিততে হতো নিকোলাস পুরানদের। কিন্তু প্রথম ম্যাচেই স্কটল্যান্ডের কাছে হেরে গেলেন তারা। তার ফলে বিশ্বকাপের যোগ্যতা অর্জনে ব্যর্থ হলেন জেসন হোল্ডাররা। ভারতে অনুষ্ঠেয় বিশ্বকাপে খেলতে দেখা যাবে না তাদের। বাকি দু’টি ম্যাচ নিয়মরক্ষার হয়ে দাঁড়াল ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে।

১৯৭৫ সাল থেকে শুরু হওয়া একদিনের বিশ্বকাপ ও ২০০৭ সাল থেকে শুরু হওয়ায় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে এই প্রথমবার যোগ্যতা অর্জন করতে ব্যর্থ ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

গ্রুপ পর্বে জিম্বাবোয়ে ও নেদারল্যান্ডসের কাছে হেরে নিজেদের ভাগ্য নিজেরাই কঠিন করে ফেলেছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। সুপার সিক্সে যোগ্যতা অর্জন করলেও পুরানদের ঝুলিতে কোনো পয়েন্ট ছিল না। অন্য দিকে জিম্বাবুয়ে ও শ্রীলঙ্কা চার পয়েন্ট নিয়ে গিয়েছিল সুপার সিক্সে। সেখানে নিজেদের প্রথম ম্যাচ জেতে দু’দল। ফলে স্কটল্যান্ডের কাছে হারলেই ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিদায় নিশ্চিত ছিল। সেটাই হলো।

জিম্বাবুয়ের হারারে স্পোর্টস কমপ্লেক্সে প্রথমে ব্যাট করে ৪৩.৫ ওভারে ১৮১ রানে অলআউট হয়ে যায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। হোল্ডার ছাড়া আর কেউ রান পাননি। দলের প্রথম পাঁচ ব্যাটারই ব্যর্থ। পুরান ও হোল্ডার না থাকলে আরও সমস্যায় পড়ত ওয়েস্ট ইন্ডিজ। পুরান ২১ ও হোল্ডার ৪৫ রান করেন। রোমারিয়ো শেফার্ড করেন ৩৬ রান। জিম্বাবোয়ের হয়ে ব্রেন্ডন ম্যাকুলেন ৩, ক্রিস সোল, মার্ক ওয়াট ও ক্রিস গ্রিভস ২ ও সাফিয়ান শরিফ ১ উইকেট নেন।

জবাব রান তাড়া করতে নেমে প্রথম বলেই উইকেট হারায় স্কটল্যান্ড। ওই উইকেটের ফায়দা তুলতে পারেনি ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ম্যাথু ক্রস ও ম্যাকুলেনের মধ্যে ১২৫ রানের জুটি হয়। ওই জুটিই হারিয়ে দেয় ওয়েস্ট ইন্ডিজকে। তবে তার জন্য দলের ফিল্ডাররা অনেকটাই দায়ী। এবারের যোগ্যতা অর্জন পর্বে এই ম্যাচের আগে পর্যন্ত মোট ১৩টি ক্যাচ ফেলেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। স্কটল্যান্ডের বিরুদ্ধেও পড়েছে দু’টি ক্যাচ। তার খেসারত দিতে হয়েছে দলকে।

শেষ দিকে কয়েকটি উইকেট নিলেও তাতে হার বাঁচাতে পারেনি ওয়েস্ট ইন্ডিজ। সহজেই সাত উইকেটে ম্যাচ জিতে যায় স্কটল্যান্ড। সেইসাথে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিশ্বকাপ বিদায় নিশ্চিত হয়ে যায়।

ফ্রান্স জুড়ে দাঙ্গায় পুলিশের ওপর গুলি, ১৩০০ গ্রেফতার

প্যারিসের শহরতলি নানতেরে পুলিশের গুলিতে নিহত নাহেলের জানাজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আলজিরীয় বংশোদ্ভূত এই মুসলিম তরুণের হত্যাকাণ্ড নিয়ে গত কয়েক দিন ধরে ফ্রান্সের বিভিন্ন শহরে ব্যাপক দাঙ্গা-হাঙ্গামা চলছে।

ফরাসী দৈনিক ল্য মদ লিখেছে নিহত নাহেলের স্বজন এবং বন্ধু-বান্ধব ছাড়াও নানতের মহল্লার অনেক বাসিন্দা এই জানাজায় অংশ নেয়। দাফনের আগে স্থানীয় ইবনে বাদিস মসজিদেও জানাজা হয়েছে বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে।

নাহেলের পরিবার এসব অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের ঢুকতে দেয়নি।

জানা গেছে, স্থানীয় সময় বেলা আড়াইটায় তার দাফন হবে।

এদিকে মঙ্গলবার থেকে শুরু হওয়া দাঙ্গা গতরাতেও (শুক্রবার) অব্যাহত ছিল।

শুক্রবার রাতে দাঙ্গা উপদ্রুত বিভিন্ন শহরে ৪৫ হাজার পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে চার দিনে ১ হাজার ৩০০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে, তার মধ্যে গত রাতেই গ্রেফতার করা হয়েছে ১ হাজার ৩১১ জনকে।

উদ্বিগ্ন প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রঁ জার্মানিতে তার এক নির্ধারিত সফর স্থগিত করেছেন।

পুলিশের ওপর গুলি
বন্দর নগরী মার্সেইতে দাঙ্গার সময় একটি বন্দুকের দোকানও আক্রান্ত হয়েছে। ফরাসী দৈনিক ল্য প্যারিসিয়েন খবর দিয়েছে ৩০ জনের মতো তরুণ-যুবক দোকান ভেঙ্গে ঢুকে পাঁচ থেকে আটটি শিকার করার রাইফেল নিয়ে যায়।

রোন অঞ্চলে গত রাতে তিনজন পুলিশ সদস্য গুলিতে জখম হয়েছে। একটি দেয়ালের পেছনে ঘাপটি মেরে থাকা এক ব্যক্তি অতর্কিতে ওই পুলিশ সদস্যদের ওপর গুলি চালায়।

সম্প্রচার সংস্থা বিএফএমটিভি একজন পুলিশ কর্মকর্তাকে উদ্ধৃত করেছে যিনি বলেছেন, একটি রেড-লাইন ভেঙ্গে গেছে। এমন ঘটনা এখানে আগে কখনো ঘটেনি। খুবই উদ্বেগের বিষয়।

লিও শহরে গতরাতের দাঙ্গায় পুলিশের ৩৫ জন সদস্য আহত হয়েছে। তাদের দুজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

লিওতে একটি পুলিশ স্টেশনসহ আটটি সরকারি ভবনে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাংচুর করা হয়।

বন্দর শহর মার্সেইতে শনিবার রাতের সহিংসতা অব্যাহত থাকতে পারে এই আশঙ্কায় কর্তৃপক্ষ সন্ধ্যা সাতটা থেকে সমস্ত গণ-পরিবহন বন্ধ করে দেয়ার কথা ঘোষণা করেছে। সমস্ত বড় অনুষ্ঠানও বাতিল করেছে। আজ মার্সেইতে সমকামী অধিকার নিয়ে একটি শোভাযাত্রা হওয়ার কথা ছিল।

লিল শহরের রুবাইক্স শহরতলী থেকে বিবিসির একজন সংবাদদাতা জানাচ্ছেন সেখানে বিভিন্ন অফিস ভবনে ব্যাপক ভাংচুর, অগ্নিকাণ্ড বং লুঠপাট হয়েছে।

তিনি জানান, গত রাতে বিক্ষুব্ধ লোকজন বিশাল একটি অফিস ভবনে- যেখানে কমপক্ষে ৫০০ লোক কাজ করতো- ঢুকে আগুন দেয়। আগুনে ভবনটির একাংশ পুরোপুরি পুড়ে কালো হয়ে গেছে। পরদিন সকালেও সেখান থেকে পোড়া গন্ধ বেরুচ্ছিল। ভবনের সমস্ত অফিসের সবকিছু পুড়ে গেছে।
সূত্র : বিবিসি

আমরা এক দফাতেই আন্দোলন শুরু করব : মির্জা ফখরুল

‘আমরা এক দফাতেই আন্দোলন শুরু করবো’- এমন মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ শনিবার বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশান রাজনৈতিক কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সাথে অনানুষ্ঠানিক মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন তিনি।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, আন্দোলন কখনো কোনো ছকে ফেলানো যায় না। যেকোনো আন্দোলন তার নিজস্ব গতিতে চলে।

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার কথা স্মরণ করিয়ে তিনি বলেন, এই ঘরেই বেগম খালেদা জিয়া বলেছিলেন এই তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাতিলের মধ্যে দিয়ে দেশটাকে একটা অনিশ্চয়তার মুখে ফেলে দেয়া হলো। সে কথার প্রতিফলন আমরা ১৪ ও ১৮ নির্বাচনে দেখেছি।

তিনি বলেন, আমরা নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের জন্য আন্দোলন করে যাচ্ছি। এতে আমাদের আন্দোলনের জনগণ সম্পৃক্ত হয়ে রাস্তায় নেমেছে। তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে দ্রব্যমূলের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদ জানাতে আমাদের ১৭ জন নেতা কর্মী নিহত হয়েছেন। ৩৫ লক্ষাধিক নেতাকর্মী আসামি, শত শত নেতাকর্মী গুম, খুন হয়েছে।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমাদের আন্দোলন শক্তি তরুণরা। যেকোনো সমস্যা সমাধানের আন্দোলনে আমরা তাদের অন্তর্ভুক্ত করতে পারছি। আগামীতে আমরা যতগুলো দফা আছে সবগুলো একত্রে করে এক দফা দাবিতে রাস্তায় নামবো। আমরা এক দফাতেই আন্দোলন শুরু করবো।’

এই এক দফার মধ্যে দিয়ে বর্তমান অবৈধ সরকারকে পদত্যাগ করতে বাধ্য হবে মন্তব্য করে বিএনপির মহাসচিব বলেন, ‘আমি আশা করি জনগণ আন্দোলন সম্পৃক্ত হচ্ছে, দিন দিন আর সম্পৃক্ত হতে পারবে আন্দোলনের মধ্যে দিয়েই এই অবৈধ সরকার নতি স্বীকার করে একটি নির্দলীয় নিরপক্ষে সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে বাধ্য হবে।’

দেশ ও জাতির জন্য যেন ইবরাহিম আ:-এর মতো সর্বোচ্চ ত্যাগ করতে পারি : জিএম কাদের

দেশ ও জাতির জন্য যেন হজরত ইবরাহিম আ:-এর মতো সর্বোচ্চ ত্যাগ করতে পারি আল্লাহর কাছে এই প্রার্থনা করেছেন উল্লেখ করে বিরোধী দলীয় উপনেতা ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের এমপি বলেছেন, দেশের নির্বাচনী ব্যবস্থাটা সঠিক হোক, যাতে মানুষ তাদের নেতৃত্ব সঠিকভাবে নির্বাচিত করতে পারে। কারণ সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন না হলে সেটি সম্ভব নয়।

বৃহস্পতিবার (২৯ জুন) সকাল পৌনে ৯ টায় রংপুর জেলা মডেল মসজিদে ঈদের নামাজ আদায় শেষে তিনি সংবাদিকদের কাছে এ কথা বলেন। এ সময় তার সাথে ছিলেন প্রেসিডিয়াম সদস্য সিটি মেয়র মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা, মহানগর সাধারণ সম্পাদক এস এম ইয়াসিরসহ দলীয় নেতাকর্মীরা।

জিএম কাদের দেশবাসিসহ বিশ্বের সকল মুসলমানদের ঈদের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, ব্যক্তিগতভাবে আমি আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেছি, হযরত ইব্রাহিম আঃ এর যে আদর্শ। আল্লাহর খেদমত তথা আল্লাহর সন্তুস্টি লাভের জন্য সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করার যে প্রস্তুতি, দেশ জাতির প্রয়োজনে সেই যেন ত্যাগ স্বীকার করতে পারি, আল্লাহ যেন সেই তৌফিক আমাকে দান করেন।

জিএম কাদের বলেন, আমরা অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন চাই। দেশটা এভাবে একটা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নির্বাচন ব্যবস্থাটা সঠিক হোক। যাতে দেশের মানুষ সঠিকভাবে তাদের নেতৃত্ব নির্বাচন করতে পারে। জনগনের কাছে যাতে তাদের জবাবদিহীতা থাকে। যাতে নির্বাচিত কোন সরকার যদি জনগনের আশা আকাংখা পুরণ করতে না পারে, তাহলে যেন নির্বাচনের মাধ্যমে তাদের নেতৃত্ব আবার পরিবর্তন করতে পারে। আমরা মনে করি এটা অগ্রসরমান। এটা সফল হবে। এটা জনগন চাচ্ছে। আমরা মনে করি জনগণের দোয়া আল্লাহ কবুল করবেন।

পরে তিনি পল্লী নিবাসে প্রয়াত হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ এর কবর এবং মুন্সিপাড়া কবরস্থানে বাবা মায়ের কবর জিয়ারত শেষে পৈত্রিক নিবাস স্কাইমুনে যান। সেখানে নেতাকর্মীদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

জাতীয় ঈদগাহে প্রধান জামাত অনু‌ষ্ঠিত

ঢাকা দক্ষিণ সিটিকরপোরেশনের (ডিএসসিসি) ব্যবস্থাপনায় হাইকোর্ট-সংলগ্ন জাতীয় ঈদগাঁহ ময়দানে ঈদুল আজহার প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ঢাকা দক্ষিণ সিটিকর্পোরেশন (ডিএসসিসি) জাতীয় ঈদগাহে ঈদুল আজহার প্রধান জামাতের আয়োজন করে।
জাতীয় ঈদগাহে প্রধান জামাতে প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী, ঢাকা উত্তর সিটিকরপোরেশনের মেয়র মো.আতিকুল ইসলাম, ঢাকা দক্ষিণ সিটিকরপোরেশনের মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস নামাজ আদায় করেন।
জাতীয় ঈদগাহে ঈদের প্রধান জামাতে ইমামতি করেন তেজগাঁও রেলওয়ে জামে মসজিদের খতিব ও ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সম্পাদক ড. মাওলানা মুশতাক আহমেদ। বিকল্প ইমাম হিসেবে ছিলেন মিরপুর জামেয়া আরাবিয়া মসজিদের মুহতামিম মাওলানা সৈয়দ ওয়াহিদুজ্জামান।এই ঈদ জামাতে মোকাব্বির হিসেবে ছিলেন বাংলাদেশ বেতারের ক্বারী মো. এমদাদুল ইসলাম এবং বিকল্প হিসেবে ছিলেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের মুয়াজ্জিন ক্বারী মো. ইসহাক।

ঈদের নামাজ শেষে মোনাজাতে দেশের শান্তি, সমৃদ্ধি ও দেশের মানুষের সুস্থতা কামনায় দোয়া করা হয়।
জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে প্রায় ৩৫ হাজার মুসল্লির ঈদের নামাজ আদায়ের ব্যবস্থা ছিল। তবে বৈরী আবহাওয়ার কারণে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমেও মুসল্লিদের কম উপস্থিত লক্ষ্য করা গেছে।

এদিকে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে সকাল ৭টা থেকে ১১টা পর্যন্ত পাঁচটি জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সূত্র : বাসস