Home Blog Page 663

প্রধানমন্ত্রীর টোকিও সফর : প্রতিরক্ষা সহযোগিতাসহ ৮টি চুক্তি সইয়ের সম্ভাবনা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আসন্ন জাপান সফরে টোকিওতে দেশটির প্রধানমন্ত্রী কিশিদা ফুমিওর সাথে তার বৈঠককালে বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে আটটি চুক্তি বা সহযোগিতা স্মারক (এমওসি) সইয়ের সম্ভাবনা রয়েছে।

সোমবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো: শাহরিয়ার আলম এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সেহেলী সাবরিন উপস্থিত ছিলেন।

সম্মেলনে জানানো হয়, প্রধানমন্ত্রী মঙ্গলবার (২৫ এপ্রিল) সকাল ৭টা ৪৫ মিনিটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি বিশেষ ফ্লাইটে টোকিওর উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করবেন এবং ওইদিন বিকেল ৫টায় (স্থানীয় সময়) টোকিওতে অবতরণ করবেন।

ওইদিন সন্ধ্যায় জাপানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে দুই দেশের সরকারপ্রধানদের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় শীর্ষ বৈঠকের পর তাদের উপস্থিতিতে দুই দেশের মধ্যে কৃষি, মেট্রোরেল, শিল্পোন্নয়ন, শিপ রিসাইক্লিং, কাস্টমস ম্যাটারস, ইন্টেলেকচুয়াল প্রোপার্টি, ডিফেন্স কো-অপারেশন, আইসিটি এবং সাইবার সিকিউরিটি কো-অপারেশন ইত্যাদি খাতে দুই দেশের মধ্যে আটটি চুক্তি বা এমওসি সই হতে পারে।

মোমেন মিডিয়া ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের বলেন, ‘জাপানের সাথে আমাদের খুব ভালো সম্পর্ক রয়েছে। তারা এখানে বিনিয়োগ করছে এবং অবকাঠামো উন্নয়নসহ নানাভাবে সাহায্য করছে। আমাদের সম্পর্ক দৃঢ় হয়েছে। আমরা আশা করছি প্রধানমন্ত্রীর সফর অত্যন্ত ফলপ্রসূ ও সফল হবে। আমরা এই সফরের জন্য অপেক্ষা করছি। তারাও আমাদের দিকে তাকিয়ে আছে।’

জাপানের সাথে প্রতিরক্ষা সহযোগিতার বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মোমেন বলেন, বাংলাদেশ সুনীল অর্থনীতির সহযোগিতার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে এবং এক্ষেত্রে অবৈধ মাছ ধরা একটি প্রধান বিষয়। জাপান বাংলাদেশকে এ বিষয়ে সুরক্ষায় সহযোগিতা করতে পারে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোমেন আরো বলেন, ‘এই সফর দুদেশের সম্পর্ককে কৌশলগত অংশীদারিত্বে উন্নীত হওয়ার বিষয়টি অধিকতর গুরুত্ব সহকারে আলোচনার সুযোগ সৃষ্টি করবে।’

প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম বলেন, বাংলাদেশ ও জাপান সরকারের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা সংক্রান্ত প্রস্তাবিত স্মারকলিপির উদ্দেশ্য প্রতিরক্ষা সংলাপ, সফর বিনিময়, শিক্ষা, প্রশিক্ষণ, কোর্স, সেমিনার, ওয়ার্কশপ, প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং অন্য যেকোনো ক্ষেত্রে সহযোগিতার প্রচার ও জোরদার করা।

প্রধানমন্ত্রী ২৬ এপ্রিল জাপানের সম্রাট নারুহিতোর সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন এবং সেখানে তাকে গার্ড অব অনার দেয়া হবে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সম্মানে জাপানের প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে নৈশভোজের মাধ্যমে শীর্ষ বৈঠকের আনুষ্ঠানিকতা শেষ হবে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাপানের প্রধানমন্ত্রী কিশিদা ফুমিওর আমন্ত্রণে ২৫ থেকে ২৮ এপ্রিল জাপানে সরকারি সফরে যাবেন।

ঢাকা ও টোকিও উভয়ই আশা করছে, এই সফর দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরো জোরদার করবে।

এটি হবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ষষ্ঠ জাপান সফর। এর আগে প্রধানমন্ত্রী ১৯৯৭, ২০১০, ২০১৪, ২০১৬ ও ২০১৯ সালে জাপান সফর করেন।

সফরকালে, প্রধানমন্ত্রী কয়েকটি দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের পাশাপাশি একটি বিনিয়োগ শীর্ষ সম্মেলন এবং প্রবাসী বাংলাদেশের নাগরিকদের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এক নাগরিক সংবর্ধনায় যোগ দেয়ার কথা রয়েছে।

এছাড়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২৭ এপ্রিল টোকিওর একটি হোটেলে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি), বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) এবং জেট্রোর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত বাংলাদেশ বিনিয়োগ সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেবেন।

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বিশেষ অবদানের জন্য ২৭ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী চার জাপানি নাগরিককে ‘ফ্রেন্ডস অব লিবারেশন ওয়ার অনার’ প্রদান করবেন।

২৭ এপ্রিল সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রী জাপানে বসবাসরত বাংলাদেশী নাগরিকদের আয়োজিত নাগরিক সংবর্ধনায় যোগ দেবেন।

এ সফরে প্রধানমন্ত্রী আরো কিছু দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে অংশগ্রহণ করবেন। এর মধ্যে রয়েছে- জাপানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইয়োশিমাসা হায়াশি, জাইকা, জেটরো, জেবিক, জেবিপিএফএল, জেবিসিসিইসি-এর নেতৃবৃন্দ, জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবের স্ত্রী আকিয়ে আবে এবং জাপানের একজন স্থপতি তাদাও আন্দোর সাথে সাক্ষাৎ।

এছাড়াও, প্রধানমন্ত্রীর একটি সাক্ষাৎকার জাপানের রাষ্ট্রীয় টিভি চ্যানেল এনএইচকেতে প্রচার করা হবে।

প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরকালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছোট মেয়ে শেখ রেহানা, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. আব্দুল মোমেন, কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক, প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো: শাহরিয়ার আলম, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকসহ- উচ্চপর্যায়ের সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তারা তার সফরসঙ্গী হবেন।

টোকিও থেকে প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন কর্মসূচিতে যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য সফর করবেন।
সূত্র : ইউএনবি

কবিতা/ শুষ্ক হৃদ ভিটা

///শুষ্ক হৃদ ভিটা

——-✍️ মমতা মজুমদার 

এখন আমি তপ্ত রোদে পুড়ছি দিবারত

চৈত্র বৈশাখ পিঠে চেপে বসছে অবিরত।

খরায় ভীষণ পুড়ছে হিয়া শুষ্ক হৃদ ভিটা

একটুখানি প্রশান্তি পেলে মনটা হত মিঠা।

এখন শুধুই দাবানলে পুড়ছে কতক কায়া

পৃথিবীটা পুড়ে পুড়ে রেখে গেছে তার মায়া।

অধির হয়ে দেখি কোথাও নেই যে কোন ক্ষণ

দুঃখ স্রোতের বারিধায়ায় বসুধার শান্ত মন।

এখন সময় আঁধার ভীষণ দগ্ধতায় চারপাশ

তৃপ্তি ভরে এ ধরার বুকে পাইনা নিতে শ্বাস।

কোথায় আছে শান্তি খুঁজি পাখির মত ঘুরে

অবিশ্বাস্য হলেও যদি নিতাম খানিক কুঁড়ে।

কার বুকেতে দুঃখ খেলে কার হৃদয়ের দহন

সময় করে দেখতাম শুধু, নিরব সাগর বহন।

কবিতা/ খাণ্ডব দাহনে 

খাণ্ডব দাহনে 

এস ডি সুব্রত

বিষাদ বিস্বাদের অনুভূতিগুলো

মননে মগজে সেঁটে থাকে শুধু

তৃষ্ণায় কাতর মন বৃষ্টির অপেক্ষাতে

শান্তির জলে হৃদয় ভেজাতে

ভালবেসে তবু হই অপরাধী 

নিরবে নিভৃতে ভাঙ্গে অশ্রুনদী ,

বিধির বিধানে  ঘুরেফিরে  শোকের সঙ্গী

স্মৃতির পায়রারা  যায় যেন উড়ে

দূর থেকে দূরে  এক ধূসর  জগতে 

কষ্টে ভরা এক মায়া  নদী

খাণ্ডব দাহনে  পোড়ে  এই  মনোভূমি।

বীর মুক্তিযোদ্ধা ও গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী মারা গেছেন।

বীর মুক্তিযোদ্ধা ও গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী মারা গেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাইহি রাজিউন। মঙ্গলবার (১১ এপ্রিল) রাত ১১টা ১৫ মিনিটে ধানমন্ডির গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতালে তিনি ইন্তেকাল করেন।

গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতালের প্রধান কিডনি বিশেষজ্ঞ ও ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর প্রধান চিকিৎসক অধ্যাপক মামুন মোস্তাফী রাত ১১টা ৩৫ মিনিটে জাফরুল্লাহ চৌধুরীর মৃত্যুর খবর আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেন ।একইসাথে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর জন্য গঠিত মেডিক্যাল বোর্ডের সদস্য অধ্যাপক ডা. এবিএম আব্দুল্লাহ।

এদিকে, ৮১ বছর বয়সী ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী দীর্ঘদিন কিডনি জটিলতায় ভুগছিলেন। কিছু দিন ধরে তিনি বার্ধক্যজনিত রোগেও ভুগছিলেন। গত বুধবার তাকে গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল।

উল্লেখ্য, ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী ১৯৪১ সালের ২৭ ডিসেম্বর চট্টগ্রামের রাউজানে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবার শিক্ষক ছিলেন বিপ্লবী মাস্টারদা সূর্যসেন। পিতামাতার ১০ জন সন্তানের মধ্যে তিনি সবার বড়।

তিনি বকশীবাজারের নবকুমার স্কুল থেকে মেট্রিকুলেশন এবং ঢাকা কলেজ থেকে ইন্টারমিডিয়েট উত্তীর্ণের পর তিনি ১৯৬৪ সালে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ থেকে এমবিবিএস এবং ১৯৬৭ সালে বিলেতের রয়্যাল কলেজ অব সার্জনস থেকে এফআরসিএস প্রাইমারি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন।

জাফরুল্লাহ চৌধুরী বিলেতের রয়্যাল কলেজ অব সার্জনসে এফআরসিএস পড়াকালীন বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ শুরু হলে তিনি চূড়ান্ত পর্ব শেষ না-করে লন্ডন থেকে ভারতে ফিরে এসে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেয়ার নিমিত্তে আগরতলার মেলাঘরে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র থেকে গেরিলা প্রশিক্ষণ নেন এবং এরপরে ডা. এম এ মবিনের সাথে মিলে সেখানেই ৪৮০ শয্যাবিশিষ্ট ‘বাংলাদেশ ফিল্ড হাসপাতাল’ প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনা করেন।

তিনি সেই স্বল্প সময়ের মধ্যে অনেক নারীকে প্রাথমিক স্বাস্থ্যজ্ঞান দান করেন, যা দিয়ে তারা রোগীদের সেবা করতেন এবং তার এই অভূতপূর্ব সেবাপদ্ধতি পরে বিশ্ববিখ্যাত জার্নাল পেপার ‘ল্যানসেট’-এ প্রকাশিত হয়।

জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে অনন্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৭৭ সালে স্বাধীনতা পুরস্কার লাভ করেন এই বীর মুক্তিযোদ্ধা। এছাড়াও তিনি ফিলিপাইন থেকে রামন ম্যাগসাইসাই (১৯৮৫) এবং সুইডেন থেকে বিকল্প নোবেল হিসেবে পরিচিত রাইট লাভলিহুড (১৯৯২), মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বার্কলি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ‘ইন্টারন্যাশনাল হেলথ হিরো’ (২০০২) এবং মানবতার সেবার জন্য কানাডা থেকে সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি পেয়েছেন। ২০২১ সালে আহমদ শরীফ স্মারক পুরস্কার পান।

কবিতা/এলো রে বৈশাখ

এলো রে বৈশাখ

-বিচিত্র কুমার 

এলো রে বৈশাখ –

বাজে ঢোল বাজে ঢাক

নতুনত্বের দিয়ে ডাক, 

মন নাচে প্রাণ নাচে

এলো ফিরে পহেলা বৈশাখ। 

এলো রে বৈশাখ –

শুভ দিন কাটে উল্লাসে 

খুকুর পায়ে নূপুর বাজে, 

শাড়ি পড়ে কানে দুল

নিত্য নতুন কত্ত সাজে।

কবিতা/ বৈশাখী মেলা

বৈশাখী মেলা

আতিকুর রহমান

চলরে সবাই বটের ছায়ায় 

বসলো বোশেক মেলা

কিনবো লাঠিম কিনবো গাড়ি 

করবো, দারুন খেলা।

বোনের জন্য কিনবো চুড়ি 

লেইস ফিতা আর শাড়ি 

বাংলা সাজে সাজবে বোন 

মাতিয়ে রাখবে বাড়ি।

ঢোলের শব্দে বাঁশির সুরে 

বৈশাখী গান তুলে

নতুন দিনের আনন্দেতে 

নাচবো হেলে দুলে।

কবিতা/ইচ্ছে কথা

ইচ্ছে কথা

এবি ছিদ্দিক 

ভাবি যেমন হয় না তেমন ইচ্ছে নদীর ধারা

হয়তো বেশি নয়তো কম, অন্য রকম সাড়া

রাত নিশীথে জীবন খাতা খুলে যখন পড়ি

কল্পনা আর বাস্তবতায় অসীম ফারাক দেখি

বোকা-সোকা এই আমিকেও নকল পাড়ায় পাই

ইচ্ছে দিনের কথা ভেবে একলা হেসে যাই

বলছি মুখে যেমন কথা নয়তো জীবন তেমন

কাব্য লেখাও হলো না আর মন চেয়েছে যেমন

ইচ্ছে নদীর এইতো ধারা ভাবলে আয়ু ক্ষয়

তবু ইচ্ছে সেলাই করে…ভাবি সুখের জয়।

কবিতা/ শুভ নববর্ষে

শুভ নববর্ষে

সুফিয়ান আহমদ চৌধুরী

রঙে রঙে সাজে দেশ

ঢোল বাজে হর্ষে

চারদিকে হাসি খুশি

শুভ নববর্ষে।

পাখি ওড়ে নীলাকাশে

গাছে ফুল ফুটে

ধান খেতে চাষি ওই

রাঙা পান ঠোঁটে।

বধূ গায় সুখে গান

মাঠে বসে মেলা

খোকা খুকু ঘুরে সুখে

কাটে কী যে বেলা।

নববর্ষে দুখ ভুলে

আনন্দে যে দেশ

সবুজের মেলা বয়

লাগে ভালো বেশ।

ঈদে ছুটি ৫ দিন করে প্রজ্ঞাপন জারি, বাড়তে পারে আরেক দিন

শবে কদরের পরে এবং ঈদের ছুটির আগে ২০ এপ্রিলকে (বৃহস্পতিবার) সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

মঙ্গলবার (১১ এপ্রিল) এ প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

ফলে এবার ঈদের সরকারি ছুটি পাঁচ দিন হবে। তবে রোজা ৩০টা পূর্ণ হলে ছয় দিন ছুটি পাবেন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। সবকিছু নির্ভর করছে শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখার ওপর।

এর আগে সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে ওই তারিখে সাধারণ ছুটি অনুমোদন করা হয়।

এবার ২২ এপ্রিল শনিবার ঈদুল ফিতরের তারিখ নির্ধারণ করে ছুটির তালিকা তৈরি করে সরকার। সে অনুযায়ী শুরুতে যে তিন দিন ছুটি ছিল। এর মধ্যে শুক্র ও শনিবার পড়ে যাচ্ছিল। অর্থাৎ সরকারি চাকুরেদের ঈদের ছুটির তিন দিনের দু’দিনই পড়ে যাচ্ছিল সাপ্তাহিক ছুটির দিনে।

তবে ১৯ এপ্রিল শবে কদরের ছুটির পর ২০ এপ্রিল সাধারণ ছুটি ঘোষণা হওয়ায় এখন ঈদের ছুটি দাঁড়াচ্ছে পাঁচ দিনে। প্রধানমন্ত্রীর নির্বাহী ক্ষমতাবলে ২০ এপ্রিল সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।

সিটি নির্বাচনে বিএনপি ঘোমটা পরে আসবে : ওবায়দুল কাদের

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিএনপি সরাসরি না এলেও ঘোমটা পরে আসবে। এটা তাদের রাজনীতির আরেক ভণ্ডামি।

তিনি বলেন, ‘বিভিন্ন পর্যায়ের স্থানীয় নির্বাচনে বিএনপির দলীয় প্রতীক (ধানের শীষ) ছিল না, কিন্তু ঘোমটা পরে সব খানেই তাদের প্রার্থী ছিল। এই ঘোমটা পরা প্রার্থী কিন্তু সিটি নির্বাচনেও থাকবে। সিলেটের বর্তমান মেয়র আরিফ অলরেডি ঘোষণা দিয়েছেন। অন্যান্য সিটিতেও ঘোমটা পরা তাদের স্বতন্ত্র প্রার্থী রয়েছেন।’

মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউস্থ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক মতবিনিময় সভায় ওবায়দুল কাদের এ কথা বলেন।

আগামী ১৭ এপ্রিল ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস পালন উপলক্ষে মেহেরপুর, চুয়াডাঙ্গা, কুষ্টিয়া, ঝিনাইদাহ ও যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এবং স্থানীয় দলীয় সংসদ সদস্য, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানদের সাথে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটা মহল বিএনপির নেতৃত্বে স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের সাথে সম্পর্কিত দিবসগুলোকে অস্বীকার করে, পালন করে না, উপেক্ষা করে। এর মধ্যে ১৭ এপ্রিল একটি। এদিন দেখবেন বিএনপির কোনো কর্মসূচি নেই।

তিনি বলেন, ৭ মার্চ তারা পালন করে না। স্বাধীনতার পথে স্বাধীকার আন্দোলনে ৭ জুন গুরুত্বপূর্ণ। এদিনও তারা পালন করে না। এরা নাকি স্বাধীনতায় বিশ্বাসী! দেখবেন তাদের বিজয় দিবসে বঙ্গবন্ধু নেই। তাদের অনুষ্ঠানমালায় বঙ্গবন্ধু নেই। স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে স্বাধীনতার মহানায়ক নেই।

ওবায়দুল কাদের বলেন, জিয়াউর রহমান যা শুরু করে দিয়েছিল সেই ধারা বিএনপি এখনো অব্যাহত রেখেছে। ক্ষমতায় থাকতে বিএনপি এমনটা করেছে এখনো তারা সেই ভাবধারা বহন করছে। মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার চেতনায় তারা বিশ্বাস করে না।

তিনি বলেন, জিয়াউর রহমান স্বাধীনতা ঘোষণার পাঠক মাত্র। ঘোষণার পাঠক ঘোষক হতে পারে না। স্বাধীনতার ঘোষণা অনেকেই পাঠ করেছেন। স্বাধীনতা ঘোষণার একমাত্র বৈধ অধিকার ছিল বঙ্গবন্ধুর। সত্তরের নির্বাচনে জনগণ তাকে সেই ম্যান্ডেট দিয়েছিল।

মতবিনিময় সভায় আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ ও আফম বাহাউদ্দীন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, দফতর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন, আওয়ামী লীগের উপপ্রচার সম্পাদক সৈয়দ আব্দুল আউয়াল শামীম, উপদফতর সম্পাদক সায়েম খানসহ নির্দিষ্ট জেলাসমূহের দলীয় নেতৃবৃন্দ ও সংসদ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
সূত্র : বাসস