Home Blog Page 673

সাকিবের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক মন্তব্য ব্যারিস্টার সুমনের

সাকিব আল হাসানের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন ব্যারিস্টার সুমন, বললেন তাকে মারার জন্য তেড়েফুঁড়ে এসেছিলেন সাকিব।

বৃহস্পতিবার (১৬ মার্চ) নিজের ফেসবুক পেজে এক ভিডিও বার্তায় এমন দাবি করেন স্বয়ং সুমন। শুধু তাই নয়, দুবাইয়ের স্বর্ণ ব্যবসায়ী আরাভ খানের স্বর্ণের দোকান উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সাকিবের অংশ গ্রহণ নিয়েও সমালোচনা করেন তিনি।

সাকিব আল হাসান বরাবরই থাকেন শিরোনামে, মাঠে কিংবা মাঠের বাইরে সর্বাবস্থায় আলোচনায় থাকেন তিনি। ইংল্যান্ডের বিপক্ষের দারুণ সিরিজ কাটানোর পর এবার সাকিব আলোচনায় দুবাইয়ে এক স্বর্ণের দোকান উদ্বোধন করতে গিয়ে। যে দোকানের মালিকদের একজন আরাভ খান পুলিশ খুনের মামলার পলাতক আসামি।

যাহোক সাকিব আল হাসান কেন গেলেন, কি কারণে গেলেন; কিংবা কার আমন্ত্রণ গেলেন তা আড়ালেই রয়ে গেছে। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। যার সাথে এবার তাল মেলালেন আলোচিত ইউটিউবার ব্যারিস্টার সুমন। সেই সমালোচনা করতে গিয়েই সুমন তোলে ধরলেন তাকে দেখে সাকিবের মারতে আসার বিষয়টি।

সুমন বলেন, ‘বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার সিরিজ চলাকালীন সময়ে হোটেল সোনারগাঁওয়ে সাকিবের সাথে আমার দেখা হয়েছিল। ওই সময় আমাকে দেখে সে পুলিশ এবং বিসিবি কর্মকতার্দের সামনে আমাকে মারতে এসেছিল। সেখানে কিছু আমেরিকান লোকজন ছিল, যাদের সাথে আমি দেখা করতে গিয়েছিলাম। তাদের সামনে সবাইকে অগ্রাহ্য করে আমাকে মারতে আসছিলেন। আমি কিছু বলিনি।’ এমনকি পুলিশের অনুরোধে নাকি তিনি বিষয়টা চেপে গিয়েছিলেন বলেও দাবি করেন সুমন।

কেন সাকিব তাকে মারতে গেলেন, সেটাও পরিষ্কার করে দেন ব্যারিস্টার সুমন। তিনি বলেন, ‘কিছুদিন আগে একটা ভিডিওতে তাকে বলেছিলাম যেন জুয়ার সাথে সে সম্পৃক্ত (বিজ্ঞাপনে) না হয়। প্রয়োজনে তিন লাখ টাকা লাগলে আমি তাও দিতে রাজি।’ অতঃপর তিনি বলেন, ‘সাকিব আল হাসান এমন একজন মানুষ, যিনি কোনো ধরনের সমালোচনা সহ্য করতে পারেন না।’

এর আগে দুবাইয়ের সেই দোকান উদ্বোধন নিয়ে তিনি বলেন, ‘যার দোকান উদ্বোধন করতে যাচ্ছেন তিনি একজন পুলিশ হত্যা মামলার পলাতক আসামি। ইন্টারপোলের সাহায্যে আমরা তাকে ধরে আনা চেষ্টা করছি। তারপরও সাকিব আল হাসান তার দোকান উদ্বোধন করতে গেছেন। আমার কাছে মনে হয়েছে, এটা যে একটা অপরাধ, সেটা তিনি জানেন কিনা! সেলিব্রেটি হলে কি তার কোনো অপরাধের বিচার হবে না।’

ইসলামী ব্যাংকের জমি কিনে নিল বাংলাদেশ ব্যাংক

মতিঝিল এলাকায় সেনা কল্যাণ ভবনের পাশে কিনে রাখা বেসরকারি খাতের ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের জমি কিনে নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ২০ বছর আগে প্রধান কার্যালয়ের জন্য জমিটি কিনেছিল ইসলামী ব্যাংক। ওই জমি ১১০ কোটি টাকায় কিনে নিল বাংলাদেশ ব্যাংক।

বৃহস্পতিবার (১৬ মার্চ) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র মেজবাউল হক এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

বাংলাদেশ ব্যাংক এমন এক সময়ে এই জমি কিনল, যখন সঙ্কটে পড়ে প্রতিনিয়ত ইসলামী ব্যাংককে তারল্য সহায়তা নিতে হচ্ছে। আবার কোনো কোনো ক্ষেত্রে নীতি ছাড়ও পেয়েছে ব্যাংকটি। বিশেষ সুবিধার আওতায় তারল্য জোগানও দেয়া হয়েছে।

জানা গেছে, গভর্নর আতিউর রহমান থাকাকালেই এ নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। তখনই এক প্রকার দামদরও ঠিক করা হয়েছিল। নানা সময়ে আলোচনা করার পরেও ইসলামী ব্যাংক জমিটি ছাড়তে রাজি হয়নি।

সূত্রগুলো জানায়, আব্দুর রউফ তালুকদার গভর্নর পদে যোগ দেয়ার পর এ নিয়ে তৎপরতা বাড়ান। এ সময় ব্যাংকটিও নানা সমস্যার মধ্যে পড়ে। ফলে ব্যাংকটির মালিকপক্ষ জমিটি ছেড়ে দিতে বলে। এর পরিপ্রেক্ষিতেই সম্প্রতি জমির দলিল সম্পন্ন হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক ইতোমধ্যে জমির দাম ব্যাংকটিকে পরিশোধ করে দিয়েছে।

সরজমিনে দেখা গেছে, জমি কেনার পর ভাঙা হচ্ছে ওই স্থাপনা। ইতোমধ্যে ইসলামী ব্যাংক সেনাকল্যাণ ভবন সংলগ্ন জমি থেকে তাদের বিভাগগুলো সরিয়ে ফেলেছে।

জমি ক্রয়ের বিষয়ে জানতে চাইলে ইসলামী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুহাম্মদ মুনিরুল মওলা বলেন, ‘প্রধান কার্যালয়ের ভবন তৈরির জন্য আমরা জায়গাটি কিনেছিলাম। সেটা প্রায় ২০ বছর আগে। জায়গাটি বাংলাদেশ ব্যাংক-সংলগ্ন। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আগ্রহ প্রকাশ করায় তা বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে বিক্রি করা হয়েছে।’

বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পরিকল্পনা রয়েছে ওই জমিতে দ্রুততম সময়ে সর্বাধুনিক সুবিধা ও নিরাপত্তাসংবলিত একটি ভবন তৈরির কাজ শুরু করা। কারণ বর্তমানে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিজস্ব যে দুটি ভবন রয়েছে, তাতে জায়গা সংকুলান হচ্ছে না। এজন্য সেনা কল্যাণ ভবনের বেশির ভাগ তলা ভাড়া নিয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

তদন্তের স্বার্থে জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে সাকিব-হিরো আলমকে

দুবাইয়ে স্বর্ণের দোকান ‘আরাভ জুয়েলার্স’ করেছেন পুলিশ হত্যা মামলার আসামি আরাভ খান। ওই ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের উদ্বোধনে গেছেন ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান ও কন্টেন্ট ক্রিয়েটর হিরো আলম। ওই মামলার তদন্তের স্বার্থে তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে বলে জানিয়েছেন ডিবি প্রধান অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মোহাম্মাদ হারুন অর রশীদ।

বৃহস্পতিবার (১৬ মার্চ) দুপুরে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

ডিবি প্রধান জানান, আরাভ জুয়েলার্সের মালিক পুলিশের বিশেষ শাখার পরিদর্শক মামুন এমরান খানের খুনের আসামি। বিষয়টি জানানো হয়েছিল সাকিবকে। তবুও তিনি সেখানে গেলেন। বিষয়টি খুবই দুঃখজনক।

তিনি বলেন, ‘তারা পুলিশ কর্মকর্তা মামুনকে কেবল হত্যাই করেনি। তার লাশটাও যেন না পাওয়া যায়, সেজন্য কালীগঞ্জের জঙ্গলে ফেলে এসেছে। আমরা এ হত্যা মামলার তদন্ত করে চার্জশিটও দিয়েছি। ইন্টারপোলের মাধ্যমে আসামি আরাভ খানকে দেশে ফিরিয়ে আনার জন্যও আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলেছি। এছাড়া সাকিবরা বিষয়টি জানার পরও একজন হত্যা মামলার আসামির ডাকে কেন সেখানে গেলেন, তদন্তের জন্য প্রয়োজনে দেশে ফেরার পর তাদেরও ডেকে জানতে চাওয়া হবে।’

নৈশভোজের আমন্ত্রণে ভারতীয় হাইকমিশনে বিএনপির ৫ নেতা

নৈশভোজের আমন্ত্রণে ভারতীয় হাইকমিশনে পৌঁছেছেন বিএনপির পাঁচ নেতা।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে তারা সেখানে পৌঁছান।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রেস উইং সদস্য শায়রুল কবির খান নয়া দিগন্তকে বলেন, ভারতীয় হাই কমিশনের আমন্ত্রণে বিএনপির পাঁচ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল নৈশভোজনে গেছে। প্রতিনিধি দলে রয়েছেন, বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. মোশাররফ হোসেন, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল আউয়াল মিন্টু ও সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ।

বিশ্বে গম-চালের দাম চড়াই থাকছে, নতুন ধাক্কায় আরো বাড়ার শঙ্কা

বিশ্বব্যাংক বলছে, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর বিশ্বব্যাপী খাদ্যদ্রব্যের দামে যে ঊর্ধ্বগতির সূচনা হয়েছিল, এক বছরে তা কিছুটা কমে এলেও, দাম বাড়তির দিকে থাকা এবং নতুন কোনো ধাক্কায় তা আবারো বেড়ে যাওয়ার মতো শঙ্কার কারণ রয়ে গেছে।

বিশ্বব্যাংক আরো বলেছে, ‘রুশ বাহিনী ইউক্রেনের কৃষ্ণ সাগর বন্দর অবরোধ করে বিশ্বের বৃহত্তম রফতানিকারক দেশগুলোর অন্যতম ইউক্রেনের গমের চালান বন্ধ করে দেয়। তখন খাদ্যের দাম বেড়ে যায়। উদ্ভুত পরিস্থিতিতে অনেক দেশ অভ্যন্তরীণ খাদ্য সরবরাহ অব্যহত রাখার জন্য খাদ্য বা সার রফতানি বন্ধ করে দেয়। এসব পদক্ষেপে হিতে বিপরীত হয় এবং কেবল খাদ্যের দামই বাড়িয়ে দেয়। খাদ্য আমদানির ওপর নির্ভরশীল উন্নয়নশীল দেশগুলোতে স্বল্প সময়ের জন্য খাদ্য সংকটের হুমকি দেখা দেয়।’

বিশ্বব্যাংক বলছে, এখন অবশ্য সেই পদক্ষেপের অনেকগুলোই আর কার্যকর নেই। এই উচ্চমূল্য মূলত বিস্তৃত বৈশ্বিক মূল্যস্ফীতির প্রতিফলন। চলতি বছরের জানুয়ারিতে ভুট্টার গড় মূল্য ২০২১ সালের জানুয়ারির তুলনায় ৩১ শতাংশ বেশি ছিল এবং গমের মূল্য ছিল ১৪ শতাংশ বেশি। চালের মূল্য ছিল দুই শতাংশ কম। তারপরও অবশিষ্ট বিধিনিষেধগুলোও সংকট সৃষ্টি করছে। গত বছরের ২৪ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরু হওয়ার এক বছর পর- কোটা, লাইসেন্স এবং সরাসরি নিষেধাজ্ঞাসহ ১০১টি রফতানি নিষেধাজ্ঞা বহাল রয়েছে। বিশ্বব্যাংকের মতে, এগুলো ডব্লিউটিও নীতির পরিপন্থী। আর এর সবগুলোর মেয়াদও অস্থায়ী নয়। অর্থাৎ এগুলো সাময়িক নিষেধাজ্ঞা নয়। এই নিষেধাজ্ঞাগুলো ২০২২ সালের খাদ্য বাণিজ্যের ১১ শতাংশেরও বেশির ওপর প্রভাব ফেলে। শুধুমাত্র রফতানি নিষেধাজ্ঞাগুলোই বিশ্বব্যাপী খাদ্য বাণিজ্যে ৩.৮ শতাংশ পর্যন্ত প্রভাব ফেলে।

বিশ্বব্যাংক জানায়, এই যুদ্ধের ফলে খাদ্যমূল্য ৫২.৭ শতাংশ বেড়ে যায় এবং ২০২২ সালের প্রথমার্ধে রাশিয়ার নিষেধাজ্ঞা এই মূল্যবৃদ্ধির এক চতুর্থাংশের জন্য দায়ী। দেশটি বিশ্বের এক তৃতীয়াংশ গমের সরবরাহ করে এবং অন্যান্য রফতানিকারকরা বৈশ্বিক গমের ৩৪.৫ শতাংশ চালান দেয়। বৈশ্বিক গম রফতানির ৫.২ শতাংশ চালানের ওপর নিষেধাজ্ঞা সার্বিক গমের ১৬.৭ শতাংশ মূল্যবৃদ্ধির তিন চতুর্থাংশেরও বেশির জন্য দায়ী।

তবে গত বছরের মাঝামাঝি থেকে পরিস্থিতির উন্নতি হতে শুরু করে উল্লেখ করে বিশ্বব্যাংক বলছে, ওই বছরের ২২ জুলাই ইউক্রেন, রাশিয়া, তুরস্ক ও জাতিসংঘের মধ্যে একটি চুক্তির পরিপ্রেক্ষিতে ইউক্রেনের তিনটি বন্দর থেকে খাদ্য রফতানি পুনরায় শুরু হয়। চুক্তিটির আওতায় রাশিয়া ও অন্য প্রধান তিন গম উৎপাদনকারী দেশ রফতানি নিষেধাজ্ঞা শিথিল করে এবং এর পাশাপাশি গ্রীষ্ম মৌসুমে শস্যের আবাদ ভাল হওয়ায় বিশ্ব বাজারে খাদ্যের মূল্য হ্রাসে সহায়ক হয়। ওই সময়ে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও অস্ট্রেলিয়া রফতানি বাড়ায়- যার ফলে কানাডার রফতানি হ্রাস পায়।

মার্কিন কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, ৩০ জুন ২০২২ পর্যন্ত ১২ মাসে বিশ্ব খাদ্য বাণিজ্য ৫ শতাংশ বেড়েছে। অন্যদিকে এই সময়ে ভিয়েতনাম, থাইল্যান্ড পাকিস্তান ও যুক্তরাষ্ট্রের চাল রফতানি বৃদ্ধি পাওয়ায় বিশ্বের অপর এই প্রধান খাদ্যটির রফতানি ৪.৫ শতাংশ বেড়েছে। অধিকন্তু ভারতও চাল রফতানি বাড়িয়ে দেয়।

বিশ্বব্যাংক আশঙ্কা করছে যে, এরপর যদি বাণিজ্যের ক্ষেত্রে নতুন করে কোন নিষেধাজ্ঞা আরোপ হয়, তবে বড় ধরনের মূল্যবৃদ্ধি হয়ে নিত্যপণ্যে বাজার অস্থিতিশীল হতে পারে। রুশ-উইক্রেন যুদ্ধের পরিপ্রেক্ষিতে উদ্ভুত বিশ্ব বাজার পরিস্থিতিতে ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ভারত ক্ষুদ রপ্তানি নিষিদ্ধ করে- যা মূলত পশুখাদ্য। এছাড়াও ধান উৎপাদনকারী অঞ্চলগুলোতে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ গড়ের চেয়ে কম হওয়ায় ভারত অভ্যন্তরীণ বাজারে সরবরাহ বাড়াতে ও স্থানীয় খাদ্যমূল্য স্থিতিশীল রাখতে অন্যান্য জাতের চাল রফতানির ওপর ২০ শতাংশ শুল্ক বাড়িয়ে দেয়।

বিশ্বব্যাংক জানায়, ‘ভারতের নিষেধাজ্ঞার কারণে বৈশ্বিক চালের বাজারে ৫ শতাংশ চালান হ্রাস পায় এবং বিশ্ববাজারে চালের মূল্য ২ শতাংশ বৃদ্ধি পাওয়া আশঙ্কা দেখা দেয়। আর অন্যান্য রফতানিকারকরা নিষেধাজ্ঞা আরোপ করলে চালের দাম আরো ২.৩ শতাংশ বেড়ে যেতে পারে। আর এরপর ভারত চাল রফতানির ওপর আবারো নিষেধাজ্ঞা আরোপ করলে বিশ্ববাজারে চালের দাম ৪.৩ শতাংশ থেকে ১২.১ শতাংশ বেড়ে যেতে পারে। আর থাইল্যান্ড ও ভিয়েতনামও যদি এই নিষেধাজ্ঞায় যোগ দেয়- তবে বিশ্ববাজারে চালের দাম ২০ শতাংশ বেড়ে যাবার আশঙ্কা রয়েছে।’

বিশ্বব্যাংক বলছে যে, অনুরূপভাবে ভুট্টা অথবা গম রফতানিকারক শীর্ষ তিন দেশ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করলে বিশ্ববাজারে ভুট্টার দাম ৪৪ শতাংশ ও গমের দাম ৮ শতাংশ বেড়ে যেতে পারে। এভাবে খাদ্যমূল্যে আরো বৃদ্ধি পেলে, নিম্ন ও নিম্নমধ্য আয়ের দেশগুলো সংকটে পড়বে- যারা রফতানির ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল।

সূত্র : বাসস

যৌনতায় মত্ত দম্পতির কার্যকলাপ দেখতে যানজট বেধে গেল রাস্তায়

জন্মভূমি ডেস্কঃ হোটেলর ঘরে যৌনতায় মত্ত এক দম্পতি। আর তাঁদের চিৎকার শুনে হোটেলের সামনেই জমে গেল ভিড়। সম্পর্কের ভিত দৃঢ় ও মজবুত করতে শরীরী মিলন জরুরি। প্রিয়জনকে এত নিবিড় ভাবে স্পর্শের মুহূর্তে একটা বাড়তি উত্তেজনা ও উন্মাদনা স্বাভাবিক ভাবেই কাজ করে। কিন্তু এই একান্ত ব‍্যক্তিগত মুহূর্তের আবেগ যদি বাইরের লোকেও কানেও পৌঁছে যায়, তখনই ঘটে বিপত্তি! যৌনতা চলাকালীন শীৎকার খুবই সাধারণ মনে হতে পারে অনেকের কাছেই। কিন্তু সেই শব্দে যদি রাস্তায় লোক জমে যায়, তাহলে বোধ হয় অনুভূতি আর ব্যক্তিগত থাকে না। ওই দম্পতির পরিচয় এখনও প্রকাশ্যে আসেনি। জানা গিয়েছে, রিয়াল মাদ্রিদের একটি হোটেলে উঠেছিলেন তাঁরা। হোটেলের নীচের একটি ঘরে ছিলেন তাঁরা।

এক দিন সকাল থেকে হোটেলের ওই ঘরের সামনে এক জন-দু’জন করে লোক জমতে শুরু করে। লোক জড়ো হওয়ার কারণ খুঁজতে এসে চক্ষু চড়কগাছ হয়ে যায় এক হোটেলকর্মীর। জানলার পর্দা তোলা। অথচ সে দিকে কোনও ভ্রুক্ষেপ নেই দম্পতির। নিজেদের মতো যৌনতায় মগ্ন তাঁরা। সেই সময় তাঁদের ঘরে ফোন করে সচেতন করা হয় হোটেলের তরফে। কিন্তু তাতে লাভ হয়নি কিছুই। ঘর থেকে পাশের স্নানঘরে চলে যান তাঁরা। পাতলা কাচের আড়াল থেকেও দম্পতির সঙ্গমরত ভঙ্গি চোখে পড়ে অনেকের। এবং স্নানঘরের ঘুলঘুলি থেকে সেই আবেগ মিশ্রিত শীৎকার শুনতে দাঁড়িয়ে পড়েন পথচারীরা। গোটা রাস্তা জুড়ে যানজট হয়ে যায়। সেই দৃশ্য শুনে এবং দেখেই ক্ষান্ত হননি কেউই। অনেকেই নাকি সেই শীৎকারে শব্দ ফোনে রেকর্ডও করেছেন।

বাইরে তাঁদের ঘিরে এত কিছু হয়ে যাচ্ছে, অথচ সে দিকে কোনও হুঁশ নেই দম্পতির। অনেকেরই মনে, শারীরিক ঘনিষ্ঠতার সময় অন্য কোনও দিকে মন দিতে ইচ্ছে করে না ঠিকই। কিন্তু তাই বলে চোখ, কান খোলা না রেখে শরীরী উদ্‌যাপনে মগ্ন হয়ে যাওয়া বাড়াবাড়ি।

ফুরফুরে মেজাজে জ্যাকুলিন

বিনোদন ডেস্ক : গত বছর থেকেই ব্যক্তিজীবন নিয়ে বেশ ঝামেলার মধ্যে আছেন জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ। ২০০ কোটি রুপির আর্থিক জালিয়াতি মামলায় গত বছর গ্রেপ্তার হন তাঁর প্রেমিক সুকেশ চন্দ্রশেখর। সুকেশ চন্দ্রশেখরের সঙ্গে ২০০ কোটি রুপির আর্থিক জালিয়াতির মামলার চার্জশিটেও নাম উঠেছে তাঁর। প্রেমিক সুকেশ চন্দ্রশেখর বর্তমানে আছেন দিল্লির মান্ডোলি জেলে।

ব্যক্তিজীবন নিয়ে ঝামেলার মধ্যে থাকলেও অভিনয়ে অনেকটা নিয়মিত জ্যাকুলিন। এবছর তিনি ব্যস্ত আছেন ‘ক্রাক, ও ‘ফাতেহ’ সিনেমার শুটিংয়ে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিয়মীতই ফ্যাশনেবল লুকে দেখা যায় জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজকে।

11 1 3
বলিউড অভিনেত্রী জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ।

সুকেশের সঙ্গে আর্থিক জালিয়াতির মামলায় গত বছরজুড়েই আদালতে দৌড়ঝাঁপ করতে হয়েছে জ্যাকুলিনকে। এই ধারা অব্যাহত রয়েছে চলতি বছরও।

সম্প্রতি অভিযুক্ত সুকেশ চন্দ্রশেখর একটি বিবৃতি পাঠিয়েছেন। বিবৃতিতে সুকেশ বলেন, ‘আমি আর জ্যাকুলিন গভীর সম্পর্কে ছিলাম। তাই নোরাকে সব সময়ই এড়িয়ে চলার চেষ্টা করতাম। কিন্তু ও আমাকে বারবার ফোন করে বিরক্ত করত। বিভিন্ন ধরনের সাহায্যও চাইত আমার কাছে।’

বলিউড অভিনেত্রী জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ যেখানে এই মামলা থেকে নিষ্কৃতি পেতে চাচ্ছেন, সেখানে একের পর এক বিস্ফোরক তথ্য সামনে এনে পরিস্থিতি আরও জটিল করে যাচ্ছেন সুকেশ।

11 4
বলিউড অভিনেত্রী জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ। ছবি: ইনস্টাগ্রাম

জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ মডেল হিসাবে ক্যারিয়ার শুরু করে ২০০৬ সালে মিস ইউনিভার্স শ্রীলঙ্কার মুকুট জেতেন। ২০০৯ সালে ‘আলাদিন’ সিনেমার মাধ্যমে তিনি বলিউডে আত্মপ্রকাশ করেন।

সূত্র : আজকের পত্রিকা

অরুণাচল প্রদেশকে ভারতের অংশ হিসেবে স্বীকৃতি যুক্তরাষ্ট্রের 

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : চীনকে দমিয়ে রাখতে চেষ্টার কোন কসুর করছে না যুক্তরাষ্ট্র। এজন্য তারা দীর্ঘদিন ধরেই ভারতকে ব্যবহারের চেষ্টা করছে। তারই অংশ হিসাবে এবার বিতর্কিত অরুণাচল প্রদেশকে ভারতের অংশ হিসাবে স্বীকৃতি দিল যুক্তরাষ্ট্র। যদিও সেখানকার কিছু অংশ নিজেদের বলে দাবি করে আসছে চীন। মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্র সিনেটে একটি প্রস্তাব পেশ করে বলা হয়, ম্যাকমোহন লাইনকেই ভারত-চীনের প্রকৃত সীমানা হিসাবে স্বীকৃতি দিতে হবে বেইজিংকে। অরুণাচল প্রদেশের যে অঞ্চলগুলো নিজেদের বলে দাবি করে থাকে চীন, সেই দাবিকেও ভিত্তিহীন বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র প্রস্তাব। সর্বসম্মতিতে যুক্তরাষ্ট্র সেনেটে পাশও হয়ে গিয়েছে এ প্রস্তাব। জানিয়ে দেয়া হয়েছে, সমগ্র অরুণাচল প্রদেশ আসলে অখণ্ড ভারতের অংশ।

বিল হ্যাগার্টি নামে এক সিনেটরের উদ্যোগে এ প্রস্তাব পেশ হয় যুক্তরাষ্ট্র সংসদের উচ্চকক্ষ সিনেটে। সেখানে বলা হয়, ‘ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে স্থিতাবস্থা নষ্ট করছে চীন। এমন পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের উচিত বন্ধুরাষ্ট্রগুলির সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সহযোগিতা করা। বিশেষত ভারতের বিষয়টি আমাদের মাথায় রাখতে হবে।’ এ প্রস্তাব পেশ হওয়ার পরেই সর্বসম্মতিতে পাশ হয়ে যায়। কী আছে এই প্রস্তাবে? বিল জানিয়েছেন, ‘সমগ্র অরুণাচল প্রদেশকে ভারতের অখণ্ড অংশ বলে স্বীকৃতি দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র সিনেট। ম্যাকমোহন লাইনকেই ভারত ও চীনের মধ্যে সীমানা হিসাবে স্বীকৃতি দিতে হবে। প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় যেভাবে স্থিতাবস্থা নষ্ট করছে চীন, তার তীব্র নিন্দা করছি আমরা। ভারত-সহ কোয়াড সদস্যভুক্ত দেশগুলির মধ্যে সহযোগিতা আরও বাড়াতে চায় আমেরিকা।’

প্রসঙ্গত, কয়েকদিন আগেই যুক্তরাষ্ট্র গোয়েন্দা রিপোর্টে বলা হয়েছিল, ভারত-চীন সীমান্তে উত্তেজনা ক্রমেই বাড়ছে। কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে যদি দুই দেশের মধ্যে মতবিরোধ না মেটে, তাহলে যুদ্ধ অবশ্যম্ভাবী। পরমাণু শক্তিধর দুই দেশ যদি যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে, তার প্রভাব পড়বে সারা বিশ্বে। এমন পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র সিনেটে পাশ হল চীন বিরোধী প্রস্তাব। পরিস্থিতি সমাধানে আলোচনায় চাপ না দিয়ে ভারতের পক্ষে তাদের এমন একতরফা সমর্থনকে সংঘাতে উস্কানি দেয়া বলেই মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা। একইভাবে তারা ইউক্রেন সংঘাতেও উস্কানি দিয়ে আসছে।

সূত্র : ইন্ডিপেন্ডেন্ট।

বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক মানদন্ডে অবাধ- সুষ্ঠু নির্বাচন চায় যুক্তরাষ্ট্র : পিটার হাস

ঢাকা ডেস্ক :  বাংলাদেশে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র আগামীতেও শীর্ষে থাকতে চায় বলে মন্তব্য জানিয়েছেন ঢাকায় কর্মরত রাষ্ট্রদূত পিটার হাস। তবে তিনি বলেছেন সে ক্ষেত্রে বাংলাদেশের যাত্রাপথের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো আসন্ন সংসদ নির্বাচন। এই নির্বাচনগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের দিক থেকে পছন্দের কেউ নেই। কিন্তু বাইডেন প্রশাসন দেখতে চায় যে আন্তর্জাতিক মানদন্ড অনুযায়ী এখানে (বাংলাদেশ) একটি অবাধ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হয়েছে। বাংলাদেশের মানুষ স্বাধীনভাবে ভোট দিয়ে তাদের নিজেদের সরকার তারাই নির্বাচন করুক, এটাই যুক্তরাষ্ট্রের চাওয়া। গতকাল বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত হিসেবে এক বছর পূর্তি উপলক্ষে দেওয়া এক বার্তায় তিনি এই মন্তব্য করেন।

‘বাংলাদেশ কোন পথে’ শীর্ষক নিবন্ধে রাষ্ট্রদূত পিটার হাস লিছেছেন, গণতন্ত্রকে সমর্থন করা এবং ব্যক্তি অধিকারের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে পথ চলা আরো নিরাপদ, স্থিতিশীল এবং সমৃদ্ধ বিশ্ব গড়তে সাহায্য করে। তিনি মনে করছেন, বাংলাদেশে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করা সবার দায়িত্ব। এই দায়িত্ব নির্বাচন কমিশন থেকে শুরু করে সরকার, মিডিয়া থেকে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা, নাগরিক সমাজ থেকে রাজনৈতিক দল, প্রত্যেকেরই গুরুত্বপূর্ণ ভ‚মিকা রয়েছে। তাদের কেউ যদি নিজেদের দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয় বা তাদের কেউ যদি অন্যকে তাদের দায়িত্ব পালনে বাধা দেয়, তাহলে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়বে। এছাড়াও বিক্ষোভকারী, রাজনৈতিক দলগুলো, সরকার ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থাসহ প্রত্যেকের আইনের শাসনকে সম্মান করা এবং সহিংসতা, হয়রানি এবং ভয় দেখানো থেকে বিরত থাকা গুরুত্বপূর্ণ।

স্বাধীনতার মাত্র ৫১ বছরের মধ্যে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের ভ‚য়সী প্রশংসা করে পিটার হাস বলেছেন, আমি অবাক হই যে মাত্র ৫১ বছরে বাংলাদেশ কতোটা এগিয়েছে! আমি এমন এক বাংলাদেশকে দেখি যারা শুধু স্বাধীনতা আর গর্বকে সম্বল করে যাত্রা শুরু করেও আজ স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে উত্তীর্ণ হওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে। আমি কল্পনা করতে পারি, আগামী ৫১ বছরে বাংলাদেশ আরো কতদূর এগুবে। আগামী কয়েক দশকে একটি সমৃদ্ধ, গণতান্ত্রিক উন্নত দেশ হয়ে ওঠার জন্য যা কিছু প্রয়োজন তার সবই বাংলাদেশের আছে। তবে, সামনের রাস্তায় বাংলাদেশের জন্য বহু প্রতিবন্ধকতা রয়েছে স্মরণ করিয়ে দিয়ে দূত বলেছেন, এই প্রতিবন্ধকতাগুলো পার হয়ে যাওয়ার জন্য বাংলাদেশকে গণতন্ত্রের পরিচর্যা, সুশাসনের উন্নতি, প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং জনগণকে শিক্ষিত করে তোলার পদক্ষেপ নিতে হবে।

পিটার হাস বলেন, আমরা বিশ্বাস করি, বাংলাদেশের পক্ষে অগ্রগতির এই ধারা অব্যাহত রাখা সম্ভব, যদি বাংলাদেশ বিনিয়োগের জন্য যতটা সম্ভব আমন্ত্রণমূলক ব্যাবসায়িক পরিবেশ তৈরি করে। আরো অনেক কোম্পানি বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে আগ্রহী হবে যদি বাংলাদেশে নিম্নলিখিত সংস্কারগুলো ঘটে : দক্ষ কর্মিবাহিনী গড়ে তোলার আরো ব্যবস্থা নেওয়া এবং তাদের অধিকারের সুরক্ষা দেওয়া; এমন একটি আইনি কাঠামো তৈরি করা, যা ব্যবসায়-সহায়ক; দুর্নীতির কারণে গোপন খরচ (লুকানো কর!) ও অপ্রয়োজনীয় আমলাতান্ত্রিকতা দূর করা; সব ধরনের মেধা সম্পদের সুরক্ষা দেওয়া এবং আরো অবাধে মুদ্রা রূপান্তরের অনুমতি দেওয়া।

এই ধরনের এবং অন্যান্য অর্থনৈতিক সংস্কার বাংলাদেশে আরো বিনিয়োগকে উৎসাহিত করবে এবং ভবিষ্যতের সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে সাহায্য করবে। বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শন : এদিকে গতকাল নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে ইউনিক মেঘনাঘাট পাওয়ার লিমিটেডের (ইউএমপিএল) ৫৮৪ মেগাওয়াট কম্বাইন্ড সাইকেল পাওয়ার প্রকল্প পরিদর্শন করতে গিয়ে পিটার হাস বলেন, আমরা (যুক্তরাষ্ট্র) বাংলাদেশে বিদেশী বিনিয়োগে নম্বর ওয়ান আগামিতেওবিনিয়োগের এই ধারা অব্যাহত থাকবে। তবে বিদেশি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বাংলাদেশী রেগুলেটরি বডিগুলোকে আরো আপডেট করতে হবে। বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি প্রসঙ্গে আমেরিকান রাষ্ট্রদূত বলেন, আধুনিক এ বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি দেশেরউন্নয়নেভুমিকারাখবে

তুলনামূলকভাবে জ্বালানি সাশ্রয় ও কার্বন নিঃসরণ কম করবে। একই পরিমাণ বিদ্যুৎ উৎপাদনে জ্বালানি খরচ কম হবে।এর আগে পিটার হাস হেলিকপ্টারে করে বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পে গিয়ে পৌঁছান। চৌধুরী নাফিজ সরাফাত তাকে ফুলের তোড়া দিয়ে স্বাগত জানান। বিদ্যুৎকেন্দ্রের ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান জিই গ্যাস পাওয়ারের সাইট ম্যানেজার কালুম ডেভিড কর্নফোর্থ প্রকল্পের সর্বশেষ অবস্থার বর্ণনা দেন। এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ঢাকায় বাংলাদেশে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে আগামীতেও শীর্ষে থাকতে চায় আমেরিকানরা। দূতাবাসের অর্থনৈতিক ইউনিটের প্রধান জোসেফ গিবলিন, ইউএমপিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) চৌধুরী নাফিজ সরাফাত, ইউএমপিএলের চেয়ারম্যান মো. ন‚র আলী, কোম্পানির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ জহির উদ্দিন মোল্লা এবং জিই (জেনারেল ইলেকট্রিক) গ্যাস পাওয়ারের দক্ষিণ এশিয়ার সিইও দীপেশ নন্দা এ সফরে পিটার হাসের সঙ্গে ছিলেন।

বাংলাদেশের নারায়ণগঞ্জের মেঘনাঘাটে ৫৮৪ মেগাওয়াট গ্যাস-ভিত্তিক কম্বাইন্ড সাইকেল পাওয়ার প্লান্ট নির্মাণের জন্য স্ট্র্যাটেজিক ফাইন্যান্স লিমিটেড, ইউনিক হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টস লিমিটেড এবং জিই-এর কনসোর্টিয়াম ২০১৮ সালের ২৫ জুন এ প্রকল্পের ঠিকাদার বা ইপিসি নিযুক্ত করে জিইকে। পরবর্তী পর্যায়ে নেব্রাস পাওয়ার কিউ.পি.এস.সির প্রতিষ্ঠান ২৪ শতাংশ ইক্যুইটি অংশীদারিত্ব নিয়ে প্রকল্পে যুক্ত হয়। প্রকল্প উদ্যোক্তাদের ২৫ শতাংশ ইক্যুইটি বিনিয়োগ রয়েছে। প্রকল্প ব্যয়ের বাকি ৭৫ শতাংশ স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক (সুইস), এশিয়ান ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক, জার্মান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক এবং ফান্ড ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট দিয়েছে। প্রকল্পের ৯২ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। চলতি বছরের অক্টোবর মাসে প্রকল্পটি বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদনে যাওয়ার কথা রয়েছে। প্রকল্পটি সামাজিক ও পরিবেশগতভাবে আন্তর্জাতিক উচ্চ মান বজায় রাখছে।

সূত্র : দৈনিক ইত্তেফাক

নিউইয়র্কে ন্যান্সির কণ্ঠে তালমিলিয়ে হাজারকণ্ঠে উদযাপিত হতে যাচ্ছে ১৪৩০ বাংলা বর্ষবরণ

নিউইয়র্ক ডেস্কঃ নিউইয়র্কে বৈশাখ উদযাপনের থিম সং গেয়েছেন কণ্ঠশিল্পী নাজমুন মুনিরা ন্যান্সি। দর্পণ কবীরের লেখা গানটি সুর ও সঙ্গীত আয়োজন করেছেন জে. কে. মজলিশ। রূপসী বাংলা এন্টারটেইনমেন্ট নেটওয়ার্কের প্রযোজনায় ঢাকার ফোকাস ষ্টুডিওতে গানটি রেকর্ড হয় ১৫ মার্চ সন্ধ্যায়। এনআরবি ওয়ার্ল্ড ওয়াইডের আয়োজনে নিউইয়র্কে শতকণ্ঠে ১৪৩০ বাংলা বর্ষবরণ, শোভাযাত্রা ও বৈশাখী মেলা অনুষ্ঠিত হবে ১৪ ও ১৫ এপ্রিল। থিম সং এর পরিকল্পনা করেছেন বিশ্বজিত সাহা ও তোফাজ্জল লিটন। রেকর্ডিং অনুষ্ঠানে মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন আয়োজক সংগঠনের সভাপতি বিশ্বজিত সাহা, কণ্ঠশিল্পী নাজমুন মুনিরা ন্যান্সি, আবৃত্তি শিল্পী মেহেদী হাসান এবং রূপসী বাংলা এন্টারটেইনমেন্টের নির্বাহী সম্পাদক মুবিন খান।

কণ্ঠশিল্পী নাজমুন মুনিরা ন্যান্সি গান রেকর্ডিং শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের বলেন, দেশ থেকে হাজার মাইল দূরে বিশ্বের বাণিজ্যিক রাজধানী নিউইয়র্কে বৈশাখের বিশাল এ আয়োজন উপলক্ষে একটি মৌলিক গান নির্মিত হয়েছে। আমার মনে হয় দেশের বাইরে যারা থাকেন তাঁরা দেশকে অনেক অনেক বেশি ভালোবাসেন। তাদের সংস্কৃতি কার্যক্রমও নিখাদ। গান গাওয়ার মাধ্যমে এই আয়োজনে সম্পৃক্ত হতে পেরে আমি আপ্লুত।
আয়োজক সংগঠন এনআরবি ওয়ার্ল্ড ওয়াইড এর সভাপতি বিশ্বজিত সাহা রেকর্ডিং অনুষ্ঠানে বলেন, নিউ ইয়র্কের সক্রিয় প্রগতিশীল সামাজিক সংস্কৃতিক সাহিত্যিক সংগঠনের সহযোগিতায় রমনার বটমূলের আদলে শতকন্ঠে বর্ষবরণ, বর্ণাঢ্য মঙ্গল শোভাযাত্রা ও বৈশাখী মেলার আয়োজন করছে। বাঙালিরা যেখানে যায় সেখানে লাল সবুজের পতাকা গৌরবের সাথে উড়ায়, তাঁদের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি লালন ও ধারণ করে।
রূপসী বাংলা এন্টারটেইনমেন্ট নেটওয়ার্কের প্রযোজনায় এই গানটি তৈরি হয়েছে। মিউজিক ভিডিওসহ অচিরেই তা প্রচারিত হবে যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের বিভিন্ন টেলিভিশনে। গানটির প্রযোজক শাহ্ জে. চৌধুরী বলেন, গানের কথাগুলো দেখেই আমার খুব ভালো লেগেছে। ভালো শিল্পী ও সুরকার দিয়ে বৈশাখের প্রাণবন্ত একটি গান উপহার দিতে চেয়েছি সারা বিশ্বের বাঙ্গালীদের।

সুর ও সঙ্গীত আয়োজক জে. কে. মজলিশ রেকর্ডিং অনুষ্ঠানে বলেন, দেশীয় বাদ্যযন্ত্র ব্যবহার করে গানটির সঙ্গীতায়োজন করা হয়েছে। বৈশাখী আয়োজনের সকল উপাদান উপস্থিত আছে এ গানে। গানের কাব্যময়তার কারণে এটি জনপ্রিয় হয়ে উঠবে বলে আমরা আশাবাদী। বৈশাখের এ নতুন গানটি সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে বাঙালি ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির প্রসার ঘটাবে এই প্রত্যাশা করি ।

থিম সং রেকর্ড ও মিউজিক ভিডিও নির্মাণের এনআরবি ওয়ার্ল্ড ওয়াইড এর সমন্বয়ক সুদীপ কুমার দীপ জানান, কণ্ঠশিল্পী ন্যান্সির সঙ্গে কোরাস শিল্পী হিসেবে ছিলেন প্রমা, টুটুল, জে.কে ও অথৈ। ঢোল ও তবলায় ছিলেন মিলন। বাঁশি বাজিয়েছেন ফিরোজ। হারমোনিয়াম, একতারা, খমক এবং খঞ্জনির দায়িত্বে ছিলেন জে. কে. মজলিশ। রেকর্ডিস্ট সেলিম এস. রেজা। মিউজিক ভিডিও নির্মাণ করছেন তৌহিদ হোসেন চৌধুরী । ক্যামেরার দায়িত্বে ছিলেন আব্দুল আজিজ।