Home Blog Page 677

শামিকে লক্ষ্য করে ‘জয় শ্রীরাম’ : কিছুই জানতেন না রোহিত!

আহমদাবাদে অনুষ্ঠিত ভারত ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার চতুর্থ ও শেষ টেস্টের ফলাফলকে ছাপিয়ে একটি বিতর্ক সামনে চলে এসেছে। ভারতের ফাস্ট বোলার মোহম্মদ শামিকে দেখে আহমদাবাদের গ্যালারি থেকে ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগান দেন দর্শকদের একাংশ। যে ঘটনার ভিডিও প্রকাশ্যে আসতেই তোলপাড় শুরু হয়ে যায়। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির রাজ্যেই কিনা এমনভাবে অপমানিত হতে হলো ভারতের জাতীয় দলের তারকা পেসারকে! এই অনভিপ্রেত ঘটনার পর অনেক প্রশ্নই উঠেছে। তীব্র নিন্দা হচ্ছে ক্রিকেটপ্রেমীদের এই আচরণ নিয়ে।

ঘটনাটি ঘটে গত বৃহস্পতিবার আহমদাবাদ টেস্টের প্রথম দিন। ফিল্ডিং করতে নামার আগে বাউন্ডারি লাইনের ধারে দাঁড়িয়ে ছিলেন ভারতীয় দলের ক্রিকেটাররা। তাদের সাথে ছিলেন পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের ফাস্ট বোলার শামিও। ওই সময় গ্যালারি থেকে কয়েকজন দর্শককে ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগান দিতে শোনা যায়। কয়েকজন শামির নাম করেই চিৎকার করেন। বহুক্ষণই এই ঘটনা চলতে থাকে। যদিও শামি বা ভারতীয় দলের অন্য ক্রিকেটাররা এতে কোনো প্রতিক্রিয়া দেখাননি।

একমাত্র সূর্যকুমার যাদবকে দেখা যায় হাত জোড় করে ‘জয় শ্রীরাম’ ধ্বনি দেয়া দর্শকদের চুপ করার অনুরোধ করতে। ভারতের বাকি ক্রিকেটাররা গ্যালারির দিকে ফিরেও তাকাননি ওই সময়ে। মজার ঘটনা হলো, ওই দিন সেই সময়ে স্টেডিয়ামে অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজের সাথে উপস্থিত ছিলেন খোদ ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তার সামনেই ঘটে এমন লজ্জাজনক ঘটনা।

সিরিজ শেষ হওয়ার পর রোহিত শর্মা সংবাদ সম্মেলনে এলে তাকে এই ঘটনা নিয়ে প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয়। এতে রোহিত বেশ অস্বস্তিতে পড়ে যান। ভারত অধিনায়ক সাফ জানিয়ে দেন, শামির বিষয়টি নাকি এই প্রথমবার শুনলেন তিনি! তাঁর দাবি, ‘শামিকে লক্ষ্য করে জয় শ্রীরাম ধ্বনি দেয়া হয়েছে, সেটা জানতাম না। এই প্রথমবার এহেন ঘটনার কথা শুনলাম। মাঠে কী হয়েছে, সত্যিই জানতাম না।’

দর্শকদের এই আচরণের নিন্দা করেছেন ক্রিকেটপ্রেমীদের একাংশ। ভারতীয় দলেরই এক ক্রিকেটারকে খেলা শুরুর আগে কেন এভাবে অস্বস্তিতে ফেলা হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে। খেলার মধ্যে অকারণে রাজনীতি আনার অভিযোগ করেছেন কেউ কেউ। যদিও ভারতীয় দল এই বিতর্কিত ঘটনা নিয়ে মুখে কুলুপ এঁটেছেন। কোনো মন্তব্য করা হয়নি ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষ থেকেও।

এই প্রথম নয়। আগেও শামিকে ক্রিকেটপ্রেমীদের একাংশের বিদ্রুপের মুখে পড়তে হয়েছে। বিজয়া দশমীর শুভেচ্ছা জানিয়েও বিদ্রুপের মুখে পড়তে হয়েছিল তাকে। ২০২১ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে ভালো বল করতে পারেননি শামি। তখনো ক্রিকেটপ্রেমীদের একাংশ হারের জন্য দায়ী করেছিলেন শামিকে। দলগত ব্যর্থতার দায় চাপানো হয়েছিল তার উপর। সে সময় শচিন টেন্ডুলকর, ভিভিএস লক্ষ্মণরা প্রতিবাদ করেছিলেন। শামির পাশে দাঁড়িয়েছিল আইপিএলের ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোও।
সূত্র : হিন্দুস্তান টাইমস

দীর্ঘ অভিযানেও গ্রেফতার হননি ইমরান, লাহোরে তীব্র উত্তেজনা

পাকিস্তানের লাহোরে দীর্ঘ ১৪ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে পুলিশ ও তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ চললেও এখনো সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও দলটির চেয়ারম্যান ইমরান খানকে গ্রেফতার করতে পারেনি নিরাপত্তা বাহিনী। লাহোরে ইমরান খানের জামান পার্কের বাসাটি ঘিরে রেখেছে পুলিশ, ইতোমধ্যে তাদের শক্তিও বাড়ানো হয়েছে।

এদিকে ইমরান খান বুধবার ভোর ৪.২০-এ তার সমর্থকদের উদ্দেশে বক্তৃতায় বলেছেন, তাকে গ্রেফতার করার চেষ্টা আরো জোরদার হয়েছে।

এক ভিডিও বার্তায় ইমরান খান মঙ্গলবারের সংঘর্ষকে ভারত অধিকৃত কাশ্মিরের পরিস্থিতির সাথে তুলনা করেন।

তিনি বলেন, পুলিশ ‘আমাদের লোকজনের ওপর যেভাবে হামলা চালাচ্ছে, তার কোনো নজির নেই। অল্প কয়েকজনের ওপর এভাকে কেন হামলা চালানো হবে?’

ইমরান বলেন, বিশৃঙ্খলা এড়াতে তিনি একটি আন্ডারটেকিং দিয়েছেন এলএইচসিবিএ সভাপতিকে। তিনি এটি তাকে গ্রেফতার করতে আসা ডিআইজিকে দেয়ার চেষ্টা করেছেন। কিন্তু ডিআইজি এলএইচসিবিএর সভাপতির সাথে সাক্ষাত করেননি।

ইমরান খঅন বলেন, ফৌজদারি দণ্ডবিধি ৭৬ অনুযায়ী, এই সিকিউরিটি বন্ড গ্রেফতার করতে আসা অফিসারকে দেয়া হলে, তিনি গ্রেফতার করতে পারেন না।

এদিকে আজ বুধবার সকালেও জামান পার্কে কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করেছে পুলিশ।

ইমরানকে পুলিশ তোষাখানা মামলায় গ্রেফতার করতে চাচ্ছে। তার বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি গ্রেফতারি পরোয়ানা থাকলেও এই একটি ছাড়া বাকি সবগুলোতে তিনি উচ্চতর আদালত থেকে জামিন পেয়েছেন।

সূত্র : ডন, ডিও টিভি ও অন্যান্য

আমানত ও খিয়ানত

আমানতের বিপরীত শব্দ হলো খিয়ানত। কুরআন ও হাদিসে আমানতকে ঈমানের সাথে জুড়ে দেয়া হয়েছে। রাসূলুল্লাহ সা: প্রায়ই তাঁর ভাষণে বলতেন, যার মধ্যে আমানতদারির গুণ নেই, তার মধ্যে ঈমান নেই এবং যার মধ্যে প্রতিশ্রুতি রক্ষা করার গুণ নেই তার মধ্যে দ্বীনদারি নেই। (বাইহাকি) কুরআন ও হাদিসের আলোকে আমানত যেমন ব্যাপক ও বিস্তর বিষয় তেমনি খিয়ানতও ব্যাপক ও বিস্তর। বুখারি ও মুসলিমে একযোগে বলা হয়েছে, ‘খিয়ানত; মুনাফিকের চারটি নিদর্শনের একটি। তাই কোনো ঈমানদার ব্যক্তি কখনো খিয়ানতকারী হতে পারে না। ঈমানদার হবে আমানতদার, বিশ্বস্ত, আমিন ও সৎবৃত্তি সম্পন্ন।

আমানত শব্দটি বিশ্ব-জাহানের প্রভু অথবা সমাজ কিংবা ব্যক্তি যে আমানত কাউকে সোপর্দ করেছেন তা সবগুলোর অর্থে ব্যবহৃত হয়। আর এমন যাবতীয় চুক্তি, প্রতিশ্রুতি ও অঙ্গীকারও এর অন্তর্ভুক্ত হয়, যা মানুষ ও আল্লাহর মধ্যে অথবা মানুষ ও মানুষের মধ্যে কিংবা জাতি ও জাতির মধ্যে সম্পাদিত হয়েছে। মানুষের প্রতি আল্লাহর প্রতিটি নির্দেশ তথা আদেশ ও নিষেধ আমানত। কুরআন ও রাসূলুল্লাহ সা:-এর সুন্নাহ আমানত। মানুষের শারীরিক প্রতিটি অঙ্গ আল্লাহর দান ও আমানত। মানুষের মেধা, জ্ঞান-বুদ্ধি ও যোগ্যতা আল্লাহর দান ও আমানত। তাদের জান-মাল আমানত। নেতৃত্ব ও পদ-পদবি একেকটি আমানত। এগুলোর যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করা হলে আমানত রক্ষা করা হবে। অন্যথায় খিয়ানতকারী হিসেবে অপরাধী হবে।

কুরআন ও রাসূলুল্লাহ সা:-এর সুন্নাহ আমানত : আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘আমি এ আমানতকে আকাশসমূহ, পৃথিবী ও পর্বতরাজির ওপর পেশ করি, তারা একে বহন করতে রাজি হয়নি এবং তা থেকে ভীত হয়ে পড়ে। কিন্তু মানুষ একে বহন করেছে, নিঃসন্দেহে সে বড় জালেম ও অজ্ঞ। এ আমানতের বোঝা উঠাবার অনিবার্য ফল হচ্ছে এই যে, আল্লাহ মুনাফিক পুরুষ ও নারী এবং মুশরিক পুরুষ ও নারীদেরকে সাজা দেবেন এবং মু’মিন পুরুষ ও নারীদের তাওবাহ কবুল করবেন, আল্লাহ ক্ষমাশীল ও করুণাময়।’ (সূরা আহযাব : ৭২-৭৩)

তাফসিরে ইবনে কাসির-এ আওফি হজরত ইবনে আব্বাস রা: থেকে বর্ণনা করেন, আমানত দ্বারা আনুগত্য বোঝানো হয়েছে। অন্য এক তাফসিরে আমানত অর্থ খিলাফত যা কুরআন মাজিদের দৃষ্টিতে মানুষকে দুনিয়ায় দান করা হয়েছে। মহান আল্লাহ মানুষকে আনুগত্য ও অবাধ্যতা উভয়ের স্বাধীনতা দান করেছেন এবং স্বাধীনতা দান করার জন্য তাকে অসংখ্য সৃষ্টির ওপর কর্তৃত্ব ক্ষমতা দিয়েছেন। যারা আল্লাহর সার্বভৌম কর্তৃত্বের মধ্যে অবস্থান করে তারা স্বেচ্ছায় ও সাগ্রহে তাঁর প্রাধান্যের স্বীকৃতি এবং তাঁর হুকুমের আনুগত্য করবে, নাফরমানির সুযোগ থাকা সত্ত্বেও আল্লাহর আনুগত্যের পথই অবলম্বন করবে; তাদের এমন উচ্চ মর্যাদা দান করা হবে যা তাঁর অন্য সৃষ্টি লাভ করেনি। পক্ষান্তরে যারা অস্বীকার করবে আর তার বিরুদ্ধে বিদ্রোহের ঝাণ্ডা উত্তোলন করবে তারা সুস্পষ্ট খিয়ানতকারী হিসেবে উত্থিত হবে এবং তাকে খিয়ানতের শাস্তি ভোগ করতে হবে।

বিদায় হজের ভাষণে আল্লাহর রাসূল সা: বলে গেছেন, ‘আমি তোমাদের মধ্যে একটি জিনিস রেখে যাচ্ছি, তোমরা যদি তা দৃঢ়ভাবে আঁকড়ে ধরো, তাহলে কখনো পথভ্রষ্ট হবে না আর তা হচ্ছে আল্লাহর কিতাব তথা আল-কুরআন।’ (সহিহ মুসলিম) অন্য বর্ণনায় এসেছে, ‘আমি তোমাদের মাঝে এমন কিছু রেখে গেলাম তা যদি তোমরা মেনে চলো তাহলে আমার পরে কখনো পথভ্রষ্ট হবে না, আল্লাহর কিতাব ও আমার সুন্নাহ।’

মানুষের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ আমানত : মানুষের গুপ্তাঙ্গ আমানত। এভাবে তাদের মাথা, নাক, কান, চোখ, জিহ্বা, পেট ও পা সবই আমানত। এগুলোকে যথার্থ ব্যবহার করা না হলে ওই আমানতের খেয়ানতকারী হিসেবে চিহ্নিত হবে। আল্লাহ তায়ালা সফলকাম মু’মিনের গুণ-বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে বলেছেন, ‘নিজেদের লজ্জাস্থানের হিফাজত করে।’ (সূরা মু’মিনুন : ৫)
মেধা, জ্ঞান-বুদ্ধি ও যোগ্যতা আল্লাহর দান ও আমানত : তাই সুস্থ বিবেকের দাবি হচ্ছে আল্লাহ ও রাসূলের আনুগত্য করা। আল্লাহ প্রদত্ত ও রাসূল সা: কর্তৃক প্রদর্শিত পথে নিজেকে পরিচালিত করা।

‘আর (হে নবী)! লোকদের স্মরণ করিয়ে দাও সেই সময়ের কথা যখন তোমাদের রব বনি আদমের পৃষ্ঠদেশ থেকে তাদের বংশধরদের বের করেছিলেন এবং তাদেরকে নিজেদের ওপর সাক্ষী বানিয়ে জিজ্ঞেস করেছিলেন : আমি কি তোমাদের রব নই? তারা বলেছিল : নিশ্চয়ই তুমি আমাদের রব, আমরা এর সাক্ষ্য দিচ্ছি। এটা আমি এ জন্য করেছিলাম যাতে কিয়ামতের দিন তোমরা না বলে বসো, আমরা তো এ কথা জানতাম না। অথবা না বলে ওঠো শিরকের সূচনা তো আমাদের বাপ-দাদারা আমাদের আগেই করেছিলেন এবং পরবর্তীকালে তাদের বংশে আমাদের জন্ম হয়েছে। তবে কি ভ্রষ্টাচারী লোকেরা যে অপরাধ করেছিল সে জন্য তুমি আমাদের পাকড়াও করছো?’ (সূরা আরাফ : ১৭২-১৭৩)

সৃষ্টির প্রথম দিনের এ অঙ্গীকার কি আমাদের চেতনা ও স্মৃতিপটে সংরক্ষিত আছে ? যদি না থাকে তবে পদে পদে খিয়ানতের কাজ আমাদের দ্বারা সংঘটিত হতে থাকবে। সৃষ্টির সূচনাকালেই আল্লাহ তায়ালা হজরত আদমক আ:কে পৃথিবীতে পাঠানোর প্রাক্কালে বলেছিলেন, ‘আমরা বললাম, ‘তোমরা সবাই এখান থেকে নেমে যাও। এরপর যখন আমার পক্ষ থেকে কোনো হিদায়াত তোমাদের কাছে পৌঁছবে তখন যারা আমার সেই হিদায়াতের অনুসরণ করবে তাদের জন্য থাকবে না কোনো ভয় দুঃখ বেদনা। আর যারা একে গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানাবে এবং আমার আয়াতকে মিথ্যা বলে উড়িয়ে দেবে তারা হবে আগুনের মধ্যে প্রবেশকারী। সেখানে থাকবে চিরকাল।’ (সূরা বাকারা : ৩৮-৩৯)

সৃষ্টির সূচনায় আল্লাহর সাথে অঙ্গীকার খিয়ানত হলে, তার মধ্যে আরো অসংখ্য খিয়ানতের প্রবণতা জন্ম নেবে। কুফর, শিরক, মানুষের সাথে ওয়াদা ভঙ্গ করা, মিথ্যা বলা, অন্যায়ের পক্ষপাতিত্ব করা, অযোগ্য লোকদের হাতে গুরুদায়িত্ব দেয়া, ভুল পরামর্শ দেয়া, মানুষকে ভুল পথে পরিচালিত করা, পারিবারিক একান্ত কথা বাইরে প্রচার করা, মজলিসের আলোচনার বিষয় বাইরে প্রকাশ করা ইত্যাদি সবকিছু আমানতের খিয়ানত করার শামিল।

আমাদের প্রত্যেকেই দায়িত্বশীল। আর এ দায়িত্বটুকু আমার ওপর আমানত। এই আমানতের যথাযথ দায়িত্ব পালন করতে হবে। (বুখারি ও মুসলিম) অন্যথায় তা খিয়ানতে পরিণত হবে।

খিয়ানতকারীর সাথেও খিয়ানত করা যাবে না : আবু হুরায়রা রা: থেকে বর্ণিত। রাসূল সা: বলেছেন, যে তোমার সাথে আমানত রেখেছে তার আমানত আদায় করে দাও। যে তোমার সাথে খিয়ানত করেছে তার সাথেও খিয়ানত করো না। (তিরমিজি ও আবু দাউদ) ‘কোনো বান্দাকে যদি আল্লাহ তায়ালা জনগণের নেতৃত্ব প্রদান করেন, আর সে কল্যাণকামিতার সাথে তাদের তত্ত্বাবধান না করে তাহলে সে জান্নাতের ঘ্রাণও পাবে না।’ (বুখারি : ৬৭৩১ ও মুসলিম) ‘যদি কোনো দায়িত্বশীল ব্যক্তি মুসলিম জনগণের দায়িত্ব লাভ করল এবং তার মৃত্যু হলো এ অবস্থায় যে, সে ছিল খিয়ানতকারী, তাহলে আল্লাহ তায়ালা তার জন্য জান্নাত হারাম করে দেবেন।’ (বুখারি : ৬৭৩২)

জাফর আহমাদ

লেখক : শিক্ষাবিদ ও কলামিস্ট

ভারত আয়োজিত প্রশিক্ষণ কোর্সে আফগানিস্তানের তালেবান প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণ

ভারত সরকার আয়োজিত একটি প্রশিক্ষণ কোর্সে যোগ দিয়েছে আফগানিস্তানের তালেবান সরকারের প্রতিনিধিরা। ধারণা করা হচ্ছে, এই প্রশিক্ষণে তালেবানকে শামিল করে আফগানিস্তানের সাথে যোগাযোগ বাড়াতে চাইছে ভারত। ভারতে কেরল রাজ্যের কোঝিকোড়ের ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট (আইআইএম) মাধ্যমে এই প্রশিক্ষণ দিচ্ছে ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। বিষয় বৈচিত্র্যের মাঝে ঐক্য- দারি ভাষায় একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে আফগানিস্তানের ইনস্টিটিউট অব ডিপ্লোম্যাসি এই প্রশিক্ষণে যোগদানের কথা জানিয়েছে।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আগেই জানিয়েছে, তালেবান প্রতিনিধিরা প্রশিক্ষণে যোগ দিলেও কাবুল নিয়ে নয়াদিল্লির নীতি একই থাকছে। তা ছাড়া এই প্রশিক্ষণ হচ্ছে অনলাইনে। সরাসরি কাবুলের প্রতিনিধিরা এ দেশে আসছেন না। আর অন্য অনেক দেশের প্রতিনিধিরাও যোগ দিচ্ছেন প্রশিক্ষণে। যদিও বিরোধী কংগ্রেস এই দাবি মানতে চায়নি। তারা কেন্দ্রীয় সরকারের দিকে আঙুল তুলেছে। অবশ্য, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়েরই একটি অংশ মনে করছে, এই প্রশিক্ষণে তালেবানকে শামিল করে আফগানিস্তানের সাথে যোগাযোগ বাড়াতে চাইছে ভারত।

২০২১ সালের অগস্টে আফগানিস্তানে ক্ষমতা দখল করে তালেবান। তালেবান সরকারকে স্বীকৃতি দেয়নি ভারত। ১০ মাস পর ২০২২ সালের জুলাইয়ে কাবুলে দূতাবাস খোলে দিল্লি। তবে দূতাবাস না বলে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, কাবুলে ‘প্রযুক্তি দল’ মোতায়েন করা হয়েছে, যারা পরিস্থিতির উপর নজর রাখবে। এর পর ক্রমে তালেবানের সাথে যোগাযোগ বাড়িয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

মঙ্গলবার থেকে অনলাইনে এই প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে। তাতে যোগ দেয়ার জন্য ভারতের প্রযুক্তি এবং আর্থিক সহযোগী (ইন্ডিয়ান টেকনিক্যাল অ্যান্ড ইকোনমিক কোঅপারেশন প্রোগ্রাম) দেশগুলোকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। সর্বোচ্চ ৩০ জনকে প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন সরকারি আমলা, শিল্পপতি, উদ্যোগপতি।

ঠিক কী প্রশিক্ষণ দেয়া হবে এই চার দিনে? আয়োজকদের তরফে জানানো হয়েছে, ‘বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্য রয়েছে বলেই ভারত অনন্য। তবে এই কারণে অনেক সময়ই বাইরের দেশগুলোর কাছে ভারত কিছুটা অবোধ্য হয়ে ওঠে। ভারতে আপাত বিশৃঙ্খলার মধ্যে যে শৃঙ্খলা রয়েছে, এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সেটাই বুঝতে পারবেন বিদেশী রাষ্ট্রের প্রতিনিধিরা। ভারতের বাণিজ্যিক আবহের বিষয়টিও বুঝতে পারবেন তারা।’ আয়োজকরা আরো জানিয়েছেন, ভারতের অর্থনীতি, সামাজিক প্রেক্ষাপট, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের বিষয়টিও তুলে ধরা হবে প্রশিক্ষণে।

আয়োজকদের সূত্রের খবর, কাবুলের বেশ কয়েকজন প্রতিনিধি যোগ দিচ্ছেন এই প্রশিক্ষণে। তাদের মধ্যে থাকবেন আফগানিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারাও। যেহেতু অনলাইনেই নেয়া যাবে প্রশিক্ষণ, সে কারণে ভারতে না এসেই যোগ দিতে পারবেন তারা।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি অংশ বলছে, এ ভাবেই প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে আরও একটু যোগাযোগ বাড়বে ভারতের।
সূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা

সেবা দিয়ে মানুষের মন জয় করলে আত্মতৃপ্তি আসবে : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের যুবসমাজকে নার্সিং শিক্ষাগ্রহণ এবং বৃহৎ পরিসরে সেবা প্রদানে নিয়োজিত থাকার আহবান জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘আমি দেশের যুব সমাজকে নার্সিং শিক্ষা গ্রহণ এবং সেবায় নিয়োজিত হওয়ার আহবান জানাচ্ছি। নার্সের শিক্ষা গ্রহণ করলে শুধু দেশে নয়, বিদেশেও কর্মসংস্থান হবে।’

‘উন্নত সেবা দিয়ে মানুষের মন জয় করতে পারলে নিজেরও একটা আত্মতৃপ্তি আসবে,’ বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

প্রধানমন্ত্রী আজ বুধবার সকালে গাজীপুরের কাশিমপুরে ‘শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব মেমোরিয়াল কেপিজে নার্সিং কলেজ’ এর দ্বিতীয় স্নাতক সমাপনী অনুষ্ঠান-২০২৩ এ প্রধান অতিথির ভাষণে এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, সবসময় এটা মনে রাখতে হবে যারা আজকে গ্রাজুয়েট হলেন, ডিগ্রি পেলেন, তাদের জনগণকে সেবা দেয়ার কথা সবসময় মনে রাখতে হবে। একজন রোগী চিকিৎসা এবং ওষুধে যতটা না সুস্থ হবে ডাক্তারদের সহানুভূতি এবং নার্সদের সেবা পেয়েই কিন্তু তার চেয়ে বেশি তাড়াতাড়ি সুস্থ হতে পারে। তাদের মধ্যে একটা আত্মবিশ্বাস গড়ে ওঠে।

তিনি আরো বলেন, যারা চার বছর কঠোর অধ্যবসায়ের ফসল হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছেন, তারা নিশ্চয়ই জনগণের সেবায় নিবেদিত প্রাণ হয়ে কাজ করবেন। আপনাদের অর্জিত জ্ঞান আপনারা কর্মক্ষেত্রে প্রয়োগ করবেন। সকল ক্ষেত্রে যেমন বাংলাদেশ এগিয়ে গেছে এই ক্ষেত্রেও এগিয়ে যাবে, সেটাই আমি চাই।

তিনি এ সময় সেবাধর্মের প্রতীক বিশ্বের খ্যাতনামা নার্স ও মানবসেবী ফ্লোরেন্স নাইটিংগেলের কথা উল্লেখ করেন, যিনি মানব সেবায় নিজের জীবনকে উৎসর্গ করেছিলেন।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাস্টের চেয়ারম্যান শেখ হাসিনা এই নার্সিং কলেজ ও হাসপাতালের সাথে ট্রাষ্টের পক্ষ থেকে একটি মেডিক্যাল কলেজ স্থাপন করবেন বলেও জানান। এজন্য জমিও নেয়া হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব মেমোরিয়াল কেপিজে স্পেশালাইজড হসপিটাল অ্যান্ড নার্সিং কলেজ বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের নামে নামকরণ করা হয়েছে এবং এটি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাস্ট কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব মেমোরিয়াল কেপিজে স্পেশালাইজড হসপিটাল অ্যান্ড নার্সিং কলেজের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ তৌফিক বিন ইসমাইল এবং দ্বিতীয় ব্যাচের স্নাতক শিক্ষার্থী আনামুল হক।

স্নাতক বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন কেপিজে হেলথকেয়ার বেরহাদের সভাপতি নরহাইজাম বিনতি মোহাম্মদ।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক এবং শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব মেমোরিয়াল কেপিজে নার্সিং কলেজের গভর্নিং বডির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) আব্দুল হাফিজ মল্লিক এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী কলেজের ২১০ জন স্নাতকের মধ্যে সনদপত্র বিতরণ করেন। তিনি ছয়জন স্নাতক শিক্ষার্থীকে তাদের অসামান্য অ্যাকাডেমিক রেকর্ডের জন্য ‘প্রাইমিনিস্টার্স এওয়ার্ড’ ও তুলে দেন।
অনুষ্ঠানে শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব মেমোরিয়াল কেপিজে নার্সিং কলেজের ওপর একটি তথ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।

প্রধানমন্ত্রী হাসপাতালের ওয়েবসাইট, হাসপাতাল ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার এবং মেডিক্যাল জার্নালও উদ্বোধন করেন।

স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সাবেক মহাপরিচালক অধ্যাপক দ্বীন মো: নূরুল হক প্রধানমন্ত্রীর কাছে কেপিজে ঢাকা জার্নাল অব মেডিক্যাল সায়েন্সের একটি সংখ্যা হস্তান্তর করেন।

এছাড়া বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) কমিশনার শেখ শামসুদ্দিন আহমেদ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে একটি স্লিট ল্যাম্প ও অপারেটিভ মাইক্রোস্কোপের ডামি হস্তান্তর করেন।

সূত্র : বাসস

হেযবুত তওহীদের দুই সদস্যকে নির্মমভাবে হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ

ঢাকা ডেস্ক: নোয়াখালীর সোনাইমুড়িতে মিথ্যা গুজব রটিয়ে ধর্মীয় উন্মাদনা সৃষ্টি করে হেযবুত তওহীদের দুই সদস্যকে নৃশংসভাবে হত্যা, বাড়িঘর লুটপাট ও ধ্বংসযজ্ঞের সাথে জড়িতদের বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেছে নোয়াখালী জেলা হেযবুত তওহীদ। মঙ্গলবার সকাল ১০টায় নোয়াখালী জেলা প্রেসক্লাবের সামনে হেযবুত তওহীদের নেতাকর্মীরা এ বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেন। মসজিদ নির্মাণকে কেন্দ্র করে ২০১৬ সালের ১৪ মার্চ সোনাইমুড়ি উপজেলার পোরকরা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

এ সময় তারা সোনাইমুড়ির পোরকরায় অবস্থিত হেযবুত তওহীদের বিভিন্ন কৃষিভিত্তিক, শিল্পভিত্তিক ও শিক্ষামূলক উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি জানান।
বক্তাগণ অভিযোগ করে বলেন, ‘হত্যাকাণ্ডের ৭ বছর পেরিয়ে গেলেও অপরাধীদের আজও বিচার হয়নি। হামলার ঘটনায় জড়িত থাকা বহু আসামী স্থানীয় রাজনৈতিক দলগুলোর আশ্রয়ে নির্বিঘ্নে ঘুরে বেড়াচ্ছে কিন্তু পুলিশ তাদেরকে গ্রেপ্তার করছে না। আর সেই সুযোগ নিয়ে ধর্মব্যবসায়ী গোষ্ঠী ও কুচক্রী মহল পুনরায় হেযবুত তওহীদের এমামের বাড়িতে হামলার ষড়যন্ত্র করছে।’

অনুষ্ঠানে সোনাইমুড়ীতে উগ্রবাদীদের হাতে নির্মমভাবে খুন হওয়া ইব্রাহীম রুবেলের স্ত্রী হাজেরা আক্তার এর বক্তব্যে আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। মানববন্ধনে হাজেরা আক্তার বলেন, মসজিদ নির্মাণের মত পবিত্র কাজে স্বেচ্ছাশ্রম দিতে গিয়ে নির্মমভাবে খুন হয় আমার স্বামী। এই উগ্রবাদী ধর্মব্যবসায়ীরা প্রচার করতে থাকে যে, হেযবুত তওহীদ খ্রিস্টান, তারা গ্রামে একটি গির্জা নির্মাণ করছে। এসব গুজব ছড়িয়ে ঘটনার দিন বিভিন্ন কওমি মাদ্রাসা থেকে ছাত্রদের নিয়ে এসে ‘খ্রিস্টান মারো, গির্জা ভাঙো’ স্লোগান দিয়ে তারা একযোগে হামলা চালায়। তারা আমার স্বামীর হাত পায়ের রগ কাটে, দুই চোখ উপড়ে ফেলে, পরে গলাকেটে আগুনে পুড়িয়ে পৈশাচিকভাবে হত্যা করে। কি দোষ ছিল আমার স্বামীর? আমি কেন বিচার পাব না? কেন বিচারের দাবিতে আমাকে রাস্তায়-রাস্তায়, দ্বারে-দ্বারে ঘুরতে হবে? আর কতকাল ধর্মের মুখোষধারী, ধর্মব্যবসায়ী গুজব-সন্ত্রাসীদের এভাবে প্রশ্রয় দিয়ে যাওয়া হবে? আমি এর জবাব চাই, আমার স্বামীর খুনীদের বিচার চাই।
মানববন্ধন শেষে খোকন ও রুবেলের হত্যাকারীদের বিচারের দাবিতে এবং উগ্রতা, ধর্মব্যবসা, ধর্মান্ধতা ও সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় কেন্দ্রীয় সহকারী সাহিত্য সম্পাদক রাকিবুল হাসান, চট্টগ্রাম বিভাগীয় সভাপতি মো. নিজাম উদ্দিন, নোয়াখালী জেলা সভাপতি মো. গোলাম কবির প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

বাংলাওয়াস ইংল্যান্ড, সাকিবদের প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন

০

ঢাকা ডেস্ক: সফরকারী ইংল্যান্ডকে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে হোয়াইট ওয়াশ করায় বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
এক অভিনন্দন বার্তায় ক্রিকেটপ্রেমী প্রধানমন্ত্রী বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ডকে হোয়াইট ওয়াশ করায় জাতীয় ক্রিকেট দলের সকল খেলোয়াড়, কোচ ও কর্মকর্তাদের পাশাপাশি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের জয়ের ধারা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন শেখ হাসিনা।
আজ শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে তিন ম্যাচ সিরিজের তৃতীয় টি-টোয়েন্টিতে ১৬ রানে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে সংক্ষিপ্ত ভার্সনে প্রথমবারের মতো হোয়াইট ওয়াশ করে বাংলাদেশ।
এর আগে প্রথম দুই ম্যাচে যথাক্রমে ৬ ও ৪ উইকেটে জয় পেয়েছিল টাইগাররা।

জার্মানি এখনো অধিকৃতই রয়ে গেছে: পুতিন

জন্মভূমি ডেস্ক: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে আত্মসমর্পণের কয়েক দশক পরও জার্মানি ‘অধিকৃতই’ রয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তিনি বলেছেন, দেশটি স্বাধীনভাবে কাজ করতে অক্ষম।

নর্থ সি-র পাইপলাইনে বিস্ফোরণের ঘটনায় জার্মানির অবস্থান দেখে তিনি এ মন্তব্য করেন। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

রুশ টেলিভিশনে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে পুতিন বলেন, ইউরোপের নেতারা চাপে থেকে তাদের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বোধ হারিয়েছেন।

গত বছর রাশিয়ার নর্ড স্ট্রিম গ্যাস পাইপলাইনে আঘাত হানা বিস্ফোরণের তদন্ত নিয়ে জার্মানিসহ পশ্চিমা দেশগুলো সতর্কভাবে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। ওই বিস্ফোরণ পরিকল্পিতভাবে ঘটানো হয়েছে বলে তারা বিশ্বাস করে, এমনটি জানালেও এর জন্য কারা দায়ী বলে মনে করে তা জানাতে অস্বীকার করে তারা।

তবে পুতিন জানান, নর্ড স্ট্রিমে বিস্ফোরণটি ‘রাষ্ট্রীয় পর্যায়’ থেকে ঘটানো হয়েছে। এ বিস্ফোরণের জন্য ইউক্রেইনপন্থী স্বায়ত্তশাসিত কোনো গোষ্ঠী দায়ী এমন ধারণা তিনি ‘পুরোপুরি ভিত্তিহীন’ বলে উড়িয়ে দেন।

এদিকে জার্মানির প্রতিরক্ষামন্ত্রী গত সপ্তাহে বলেছেন, “ইউক্রেইনকে ‘দায় দেওয়ার জন্য’ অন্য কেউ বিস্ফোরণটি ঘটিয়ে থাকতে পারে।”

প্রসঙ্গ, ওই পাইপলাইন দিয়ে রাশিয়ার গ্যাস জার্মানিতে নেওয়ার পরিকল্পনা ছিল। যদিও ইউক্রেনে মস্কোর আক্রমণ শুরু হওয়ার পর থেকে রাশিয়ার হাইড্রোকার্বনের ওপর বার্লিন তাদের নির্ভরতা কমিয়ে আনার পদক্ষেপ নেয়।

ওই বিস্ফোরণের দায় কাউকে দেয়ার বিষয়ে বার্লিনের নেতারা সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন।

বিস্ফোরক মামলায় বিএনপি নেতা গ্রেফতার

ঢাকা ডেস্ক: নোয়াখালীর সেনবাগে ভাংচুর, বিস্ফোরক মামলায় এক বিএনপি নেতাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

গ্রেফতারকৃত মো.মাহফুজ (৪৫) উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের ২নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক।

বুধবার (১৫ মার্চ) দুপুরে গ্রেফতারকৃত আসামিকে নোয়াখালী চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হয়। এর আগে,মঙ্গলবার দিবাগত রাতে উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ রাজারামপুর এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

সেনবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকবাল হোসেন পাটোয়ারী বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে ভাংচুর ও বিস্ফোরক আইনে মামলা রয়েছে। ওই মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখিয়ে বিচারিক আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

দেশের সকল বিভাগেই মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় করা হবে : প্রধানমন্ত্রী

জন্মভূমি ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমাদের দেশে কোনো মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় ছিল না। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় এসে প্রথম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় করে দিয়েছে। এখন আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি প্রতিটি বিভাগেই মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় করে দেব। এরই মধ্যে চারটি মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় করে দেওয়া হয়েছে।

আজ নেছা মুজিব মেমোরিয়াল কেপিজে নার্সিং কলেজের দ্বিতীয় স্নাতক সমাপনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। গাজীপুরের তেতুইবাড়ির কলেজ প্রাঙ্গণে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিব মেমোরিয়াল কেপিজে হাসপাতাল ও নার্সিং কলেজের সিইও মো. তৌফিক বিন ইসমাইল।

এতে স্নাতক সমাপনী বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মালয়েশিয়া কেপিজে হেলথকেয়ার ইউনিভার্সিটি উপাচার্য প্রফেসর ইমেরিটাস দাতো ডা. লোকমান সাইম।