জন্মভূমি প্রতিবেদকঃ গভীর ভালোবাসায় শেষ বিদায় জানানো হলো নৃত্যশিল্পী ও শিক্ষক তাসিন ফেরদৌসকে। ২২ অক্টোবর বৃহস্পতিবার নিউইয়র্কের ফরেস্ট হিলসের ফরেস্ট পার্ক ফিউনেরাল হোমে তার জানাজা ও শেষ বিদায়ের আয়োজনে সমবেত হন শত শত মানুষ। প্রিয়জনকে হারানোর বেদনায় শোকাতুর হয়ে ওঠে পুরো পরিবেশ।
তাসিন ছিলেন নিউইয়র্কের বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব পারফর্মিং আর্টসের (বিপা) অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ও শৈল্পিক পরিচালক অ্যানি ফেরদৌস এবং প্রকৌশলী জাফর আহমেদ দম্পতির একমাত্র কন্যা। গত ১৮ অক্টোবর রোববার ভোরে নিউইয়র্ক সিটির কুইন্সের জ্যামাইকা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তার বয়স হয়েছিল ৩৫ বছর। তিনি স্বামী, শিশুপুত্র লুকাস, বাবা-মাসহ অসংখ্য স্বজন, সহকর্মী ও শুভানুধ্যায়ী রেখে গেছেন।
তাসিনকে শেষ বিদায় জানাতে উপস্থিত হন নিউইয়র্কের সাংস্কৃতিক অঙ্গনের শিল্পী ও সংগঠক, বিভিন্ন সামাজিক ও কমিউনিটি সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, বন্ধু ও স্বজনেরা। মানুষের ভিড়ে ফিউনেরাল হোমে তিল ধারণের ঠাঁই ছিল না। কেউ এসেছিলেন তাসিনকে শেষবারের মতো দেখতে, কেউ শোকাহত বাবা-মায়ের পাশে দাঁড়াতে। অনেকের হাতে ছিল ফুলের গুচ্ছ। কেউ নীরবে চোখের জল মুছছিলেন, কেউ স্মৃতিচারণ করছিলেন সদা হাস্যোজ্জ্বল, প্রাণবন্ত ও প্রতিভাবান তাসিনকে নিয়ে।
জানাজা শেষে পরদিন ২৩ অক্টোবর শুক্রবার সকালে ফরেস্ট পার্ক ফিউনেরাল হোমে বাকি আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়। এরপর সকাল ১১টার দিকে মাসপেথের মাউন্ট ওলিভেট সেমিট্রিতে তাসিনের মরদেহ সমাহিত করা হয়।
তাসিনের শেষ বিদায়
ড. মোস্তফা সারওয়ারের ‘সানফ্লাওয়ার উউন্ডস’-এর সফল হিউস্টন ওপেন হাউস
জন্মভূমি প্রতিবেদকঃ ১০ অক্টোবর এক চমৎকার শরতের বিকেলে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসের হিউস্টনের ক্লিয়ার লেকে প্রবাসী বাংলাদেশি সম্প্রদায়ের অংশগ্রহণে এক ঘরোয়া পরিবেশে অনুষ্ঠিত হলো ড. মোস্তফা সারওয়ারের অত্যন্ত প্রশংসিত ও গভীর মর্মস্পর্শী কাব্যগ্রন্থ ‘সানফ্লাওয়ার উউন্ডস’-এর ঐতিহাসিক প্রথম প্রি-অর্ডার বুক ট্যুর ইভেন্ট।
একটি ফরাসি বহুজাতিক কোম্পানির উচ্চপদস্থ নির্বাহী সোহেনি তানজীমা এবং সিনিয়র বিজ্ঞানী ও জিওফিজিসিস্ট ড. ফারুক আকবরের সুনিপুণ আয়োজনে অনুষ্ঠিত এই ইভেন্টটি দারুণ সাফল্য অর্জন করে। অনুষ্ঠানে সুস্বাদু আপ্যায়নের ব্যবস্থা করা হয় এবং নিবেদিতপ্রাণ স্বেচ্ছাসেবক ডা. সৈয়দা সারওয়ার (এমডি), শাইনা, রাইসা এবং টোবা একটি উষ্ণ ও নিরবচ্ছিন্ন অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করেন। সম্প্রদায়ের স্বতঃস্ফূর্ত উচ্ছ্বাসের প্রতিফলন ঘটিয়ে এই সমাবেশে মোট ৪০টি প্রি-অর্ডার সম্পন্ন হয়, যা আগামী ১৬ মার্চ, ২০২৭-এ ইউনিভার্সিটি অব নিউ অরলিন্স প্রেস থেকে বইটির প্রাতিষ্ঠানিক প্রকাশের দিন সরবরাহ করা হবে। গ্রন্থটির বৈশ্বিক পরিবেশনা পরিচালনা করছে জন হপকিন্স ইউনিভার্সিটি প্রেসের এইচএফএস বুকস ।
এক শক্তিশালী বিক্রয় বার্তা : কবিতার মধ্য দিয়ে বৈশ্বিক যুদ্ধের প্রত্যক্ষদর্শী
‘সানফ্লাওয়ার উউন্ডস’ আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে গভীর সাড়া ফেলেছে; লাইভস্ট্রিম ও ডিজিটাল ফিডের মাধ্যমে কীভাবে আধুনিক বর্বরতা আমাদের সামনে উন্মোচিত হয় তা এই গ্রন্থে নিপুণভাবে ধরা পড়েছে। ১৯৭১ সালের বাংলাদেশ গণহত্যার এক বীর প্রতিকূলতার উত্তরসূরি হিসেবে ড. সারওয়ার সমসাময়িক যুদ্ধাবস্থাকে—ইউক্রেন থেকে ভিয়েতনাম—একই করুণ ধারাবাহিকতা হিসেবে দেখেন। এই মর্মস্পর্শী অনুভূতি কাব্যগ্রন্থটিকে প্রকাশের বহুদূরে থাকতেই এক দুর্লভ মাইলফলকে পৌঁছে দিয়েছে। বিশ্বজুড়ে ৬টি মহাদেশের (উত্তর আমেরিকা, দক্ষিণ আমেরিকা, ইউরোপ, এশিয়া, আফ্রিকা ও অস্ট্রেলিয়া) ৩৩টি দেশে—যার মধ্যে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, যুক্তরাজ্য, জার্মানি, ফ্রান্স, ইতালি, স্পেন, সুইজারল্যান্ড, ডেনমার্ক, তুরস্ক, রোমানিয়া, লিথুয়ানিয়া, ভারত, সিঙ্গাপুর, তাইওয়ান, ইউএই, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, ব্রাজিল, মেক্সিকো, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, মিশর ও দক্ষিণ আফ্রিকা—প্রকাশের কয়েক মাস আগেই এর প্রি-অর্ডার শুরু হয়ে গেছে।
প্রারম্ভিক সমালোচকীয় প্রশংসা: বুকলাইফ “এডিটরস পিক” পাবলিশার্স উইকলির বুকলাইফ বিভাগ এই কাব্যগ্রন্থটিকে “এডিটরস পিক” (Editor’s Pick) হিসেবে ভূষিত করেছে, এবং এটিকে “প্রদীপ্ত, মর্মস্পর্শী, চমৎকার ও শক্তিশালী” বলে প্রশংসা করেছে। পর্যালোচনায় উল্লেখ করা হয় যে, সারওয়ারের কবিতাগুলো “গ্লোবাল-ইকো ডকুমেন্ট পোয়েট্রি”-র পক্ষে এক অনন্য যুক্তি উপস্থাপন করে, যা সাম্রাজ্যবাদী সহিংসতার সার্বজনীন কৌশলগুলোকে উন্মোচিত করে এবং ডিজিটাল মাধ্যমে দেখা বিশৃঙ্খলাকে এক গভীর মানবিক বেদনায় রূপান্তরিত করে।” সমালোচক এবং শিক্ষাবিদ উভয় মহলই এই গ্রন্থটিকে সহমর্মিতা, সহনশীলতা ও সংপ্রভাবী আশার এক মাস্টারপিস হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।
লেখক পরিচিতি ড. মোস্তফা সারওয়ার একাধারে একজন প্রখ্যাত বিজ্ঞানী ও কবি। তিনি নিউ অরলিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ইমেরিটাস ও সাবেক অ্যাসোসিয়েট প্রভোস্ট, এবং পূর্বে ডেলগাডো কমিউনিটি কলেজের ডিন, ভারপ্রাপ্ত ভিসি ও প্রভোস্টসহ বিভিন্ন দায়িত্বশীল পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন। লুইসিয়ানার নিউ অরলিন্সের বাসিন্দা ড. সারওয়ারের ইতিপূর্বে তিনটি বহুল প্রশংসিত বাংলা কাব্যগ্রন্থ (বিনষ্ট রূপান্তরের বিকারতত্ত্ব, অনুলিপি: অন্তরঙ্গ মুহূর্তে, এবং প্রার্থিত নির্বাসনের উন্মাদ পদাবলী) প্রকাশিত হয়েছে, এবং তাঁর সাহিত্যকর্ম বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের নানা সাময়িকীতে বিস্তৃতভাবে প্রকাশিত হয়েছে।
‘সানফ্লাওয়ার উউন্ডস’ বইটির প্রচার ও প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার জন্য নিম্নোক্ত ব্যক্তিবর্গকে বিশেষ ধন্যবাদ জানানো হয়েছে: সেলিনা রহমান, অলি আহমেদ, ড. ইশরাত গাজী, এমরান গাজী, সালেকিন চৌধুরী, জুবেদা চৌধুরী, ড. সাফানা হাসান, ড. আবু আসাদ, ডলি আসাদ, মনজুর চৌধুরী, বিনু চৌধুরী, লিসা জামান, মোহাম্মদ বাকী, সৈয়দা বাকী, কাজী হক, হেলেন হক, ড. সাব্বির হোসেন, ল্যূসি হোসেন, মোহাম্মদ লুৎফর রহমান, মাহমুদা বেগম, মো. নাসিমুজ্জামান, সৌদা মনিরা, সিরাজুল হাসান, সোনিয়া মাহজাবিন, ড. সাজাদুল হাসান, আফরোজা সাজাদুল, সাব্বির আশরাফ এবং ওশিমী শিমু।
জাতীয় পার্টি যুক্তরাষ্ট্র শাখা উপজেলা দিবস পালন
জন্মভূমি প্রতিবেদকঃ গত ২৪শে অক্টোবর শনিবার এ্যাষ্টোরিয়া বৈশাখী রেস্টুরেন্ট মিলানায়তনে সন্ধ্যা সাত ঘটিকায় জাতীয় পার্টি যুক্তরাষ্ট্র শাখার সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা হাজী আব্দুর রহমানের সভাপতিত্বে সাধারণ সম্পাদক আবু তালেব চৌধুরী চান্দুর পরিচালনায় বাংলাদেশের গরিব শ্রমিক মেহনতী মানুষের জন্য সাবেক সফল রাষ্ট্রপতি পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ সাহেব উপজেলা পরিষদ গঠন করেছিলেন। আজ উপজেলা দিবসের একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
উক্ত অনুষ্ঠানে আরোও বক্তব্য রাখেন জাপার উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা গিয়াস মজুমদার, সাবেক কমিশনার মোহাম্মদ আলী, জাপার উপদেষ্টা জসিম চৌধুরী, জাপার সিনিয়র সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট হারিস উদ্দিন আহমেদ, সহ সভাপতি ডাঃ মোহাম্মদ সেলিম, সহ সভাপতি শফিউল আলম , যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ আব্দুল করিম, যুগ্ম সাংগঠনিক সম্পাদক মীর জাকির, মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা জেসমিন আক্তার চৌধুরী, যুব বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল মোতালেব, যুগ্ম প্রচার সম্পাদক ওয়াহিদ ফেরদৌস, সদস্য মোঃ মুসলিম, সদস্য মহসিন আলী, মহিলা সভানেত্রী ডা. নারগিস আহমেদ, ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক মুজিবুর রহমান, সভার শুরুতে বাংলাদেশের জাতীয় সংগীতে উপস্থিত সবাই দাড়িয়ে সম্মান প্রদর্শন করা হয় এবং সকলে উপজেলা পরিষদ প্রতিষ্ঠাতা পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ সাহেবের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। বক্তব্যে পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের মানবতার কথা উল্লেখ করেন। পল্লীবন্ধু উপনিবেশ ও ব্যবস্থা ভেঙে সাধারণ মানুষের শাসন প্রতিষ্ঠা করতেই উপজেলা ব্যবস্থা প্রবর্তন করেছিলেন। উপজেলা পর্যায়ে ১৮টি দপ্তরে বিসিএস কর্মকর্তা নিয়োগ করে মানুষের চিকিৎসা, শিক্ষা, কৃষি, পশুপালন, মৎস্য চাষের বৈপ্লবিক উন্নতি সাধন করেছিলেন। শহরের সেবা গ্রামীণ মানুষের দুয়ারে পৌঁছে দিয়েছিলেন পল্লীবন্ধু। উপজেলা পর্যায়ে বিভাগীয় পর্যায়ে হাইকোর্ট ব্রাঞ্চ স্থাপন করে আইনি সেবা মানুষের দোড়গোড়ায় পৌঁছে দিতে কাজ করেছেন পল্লী বন্ধু এরশাদ। পল্লীবন্ধু এরশাদ উপজেলা পরিষদ প্রতিষ্ঠা করে জনগণের কাছে জবাবদিহিতামূলক একটি শাসন সৃষ্টি করেছিলেন।
জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও সাবেক সফল রাষ্ট্রপতি মরহুম পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ এর প্রশাসন বিকেন্দ্রীকরণের অনন্য সৃষ্টি উপজেলা ব্যবস্থা প্রবর্তন। উপজেলা দিবস আজ বাংলার ১৮ কোটি মানুষের সেই স্বপ্নের উপজেলা। সেই দিনের উপজেলা অনেক স্মৃতি কারণ উপজেলা আদালত ছিল মানুষ ঘর থেকে ভাত খাইয়ে পায়ে হেঁটে উপজেলা আদালতে বিচার চাইতে যাইতেন। এখন শুধু উপজেলা একজন নির্বাহী অফিসার মাত্র দেখাশোনা করেন উপজেলা থেকে মানুষ কোন সুবিধা পাইতেছে না।
কেন উপজেলা ছিল ইতিহাস বদলে দেওয়া পদক্ষেপ? স্বাধীনতার পর দীর্ঘ সময় বাংলাদেশ পরিচালিত হয়েছে “কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ” দিয়ে। ঢাকায় সিদ্ধান্ত, ঢাকার বাজেট ঢাকার প্রভাব। কিন্তু এরশাদ প্রথম বুঝলেন-ঢাকা নয়, আসল বাংলাদেশ বাস করে গ্রামে।
আদালতের নিষেধাজ্ঞা: বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন কমিশনের জরুরী সংবাদ সম্মেলন
জন্মভূমি প্রতিবেদকঃ আদালতের নির্দেশে ¯’গিত হয়ে গেছে যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশীদের অন্যতম ব…হৎ সংগঠন বাংলাদেশ সোসাইটি ইনকের নির্বাচন-২০২৬। সোসাইটির সাবেক কর্মকর্তা ওসমান চৌধুরীর সদস্যপদ প্রত্যাখ্যান এবং নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ না দেওয়ার অভিযোগে তার (ওসমান চৌধুরী) দায়ের করা মামলায় কুইন্স কাউন্টি সুপ্রিম কোর্ট গত ২৩ অক্টোবর শুক্রবার সাময়িক নিষেধাজ্ঞা জারি করেন। ২৫ অক্টোবর রোববার এই নির্বাচন হওয়ার কথা ছিলো। ভোটগ্রহণের মাত্র দুই দিন আগে আদালত এই সিদ্ধান্ত দিয়েছে। মামলার পরবর্তী শুনানি প্রথমে ৫ নভেম্বর জানানো হলেও পরবর্তীতে শুনানীর তারিখ ধার্য্য করা হয়েছে ১৭ নভেম্বর। এর ফলে ৩৫ হাজার ২১৫ জন ভোটারের অংশগ্রহণে নির্ধারিত নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এদিকে আদালতের সিদ্ধান্তের পর নির্বাচন কমিশন শুক্রবার সন্ধ্যায় জরুরী সংবাদ সম্মেলনে উদ্ভুতপরি¯ি’তিতে গভীর দু:খ প্রকাশ করে বলেছেন ওসমান চৌধুরীর মামলার নিষ্পত্তির দ্রুত সম্ভব নির্বাচনের উদ্যোগ নেয়া হবে। খবরইউএনএ’র।
আদালতের নথি অনুযায়ী, বিচারক চেরি এ বাগস ২৫ অক্টোবরের নির্ধারিত নির্বাচন আয়োজনের ওপর সাময়িক নিষেধাজ্ঞা দেন। একই সঙ্গে ওসমান চৌধুরীর সদস্যপদ প্রত্যাখ্যান সংক্রান্ত ২৮ আগস্টের সদ্ধান্ত কার্যকর না করার এবং ভোটার তালিকা, সদস্যপদের আবেদনপত্র, চাঁদা পরিশোধের হিসাব ও নির্বাচনী ব্যালটসহ গুরুত্বপূর্ণ নথি সংরক্ষণের নির্দেশ দেন। আদেশ অনুযায়ী, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ভোটগ্রহণ, ভোট গণনা কিংবা নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করা যাবে না।সটির এলমহার্স্ট¯’ বাংলাদেশ সোসাইটির নিজস্ব কার্যালয়ে আয়োজিত জনাকীর্ণ সংবাদ সম্মেলনে আদালতের আদেশ ও উদ্ভূত পরি¯ি’তি তুলে ধরেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার আবু নাসের। এসময় নির্বাচন কমিশনের সদস্য বদরুল এইচ. খান, মোহাম্মদ শামসুদ্দীন আজাদ, মোহাম্মদ রুহুল আমিন সরকার, আহবাব চৌধুরী, মিঠু হামিদ ও মোহাম্মদ দুলাল মিয়া এবং সোসাইটির সভাপতি আতাউর রহমান সেলিম, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী ও কোষাধ্যক্ষ মফিজুল ইসলাম ভূঁইয়া রুমি সহ অন্যান্য কর্মকর্তা এবং ট্রাষ্টি বোর্ডের সদস্য আব্দুর রহীম হাওলাদার, আজিমুর রহমান বুরহান, আতরাউল আলম, নাঈম টুটুল প্রমুখ উপ¯ি’ত ছিলেন। সংবাদ সম্মেলনের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন নির্বাচন কমিশনের সদস্য মোহাম্মদ রুহুল আমিন সরকার। পরে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার আবু নাসের, সভাপতি আতাউর রহমান সেলিম, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী ও কোষাধ্যক্ষ মফিজুল ইসলাম ভূঁইয়া রুমি।সংবাদ সম্মেলনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার আবু নাসের বলেন, ২৫ অক্টোবরের নির্বাচনের জন্য আমাদের শতভাগ প্র¯‘তি সম্পন্ন হয়েছে। কিš‘ আদালতের আদেশে নির্বাচন আপাতত: ¯’গিত হওয়ায় হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হ”েছ, আমরা দু:খিত, ভারাক্রান্ত। মামলাটি মোকাবেলা করার জন্য বৃহস্পতিবার বেলা ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত কোর্টে ছিলাম। কিš‘ বৃহস্পতিবার কোন শুনানী না হওয়ায় আজ শুক্রবার সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত আবারও আমরা কোর্টে উপ¯ি’ত ছিলাম। সাথে আমাদের এটর্নীও ছিলেন। আবু নাসের বলেন, এদিন সকাল ১০টার দিকে কোর্টে বাদী ওসমান চৌধুরীর সাথে মামলা নিয়ে কথা বসোসাইটির স্বার্থেও কথা বলি। ২০১৮ সাল থেকে এই মামলাটি চলছে। তিনি বলেন, আদালতে জজ না থাকায় জজ-এর সেক্রেটারী আমাদের উভয় পক্ষের এটর্নীর বক্তব্য শুনেন এবং পরবর্তীতে বিকেল ৪টা ৪৫ মিনিটে আদালের সিদ্দান্তের কথা জানান।
আবু নাসের আবেগ-আপ্লাত কন্ঠে বলেন, আমরা অক্লান্ত চেষ্টা করেছি কমিউনিটির আমানত রক্ষা করার।
কিš‘ শত চেষ্টার পরও আজকে আমাদের এই অনাকাংখিত পরি¯ি’র শিকার হতে হয়েছে। আমরা আইনগতভাবে মামলা মোকাবেলা করে সত্তর নির্বাচনের ব্যব¯’া করবো।
সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে আবু নাসের বলেন, ওসমান চৌধুরী সোসাইটির বিরুদ্ধে বারবার মামলা করার কারনে তার বিরুদ্ধে রেজুলেশন নেয়া হয়েছে। তাতে তার ভোটার না হওয়ার সিদ্ধান্ত রয়েছে। কিš‘ কোনভাবে সে ভোটার হন এবং সোসাইটি তার ভোটার বাতিল করলে ওসমান চৌধুরী আদালতে সেই বিষয়টি তুলে ধরে মামলা করেছেন।
এছাড়াও আরো অনেক পয়েন্ট রয়েছে যার প্রেক্ষিতে নির্বাচন ¯’গিতাদেশ হয়েছে। অপর এক প্রশ্নের উত্তরে সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী বলেন, সোসাইটির গঠনতন্ত্র সংশোধন কমিটির মাধ্যমে ওসমান চৌধুরীর বিষয়ের সিদ্ধান্ত সাধারণ সভায় পাশ হয়। তিনি বলেন, সোসাইটির বিরুদ্ধে যে কেউ মামলা করতে পারেন তবে তাকে তার অভিযোগ সোসাইটির কার্যকরী পরিষদ ও ট্রাষ্টিবোর্ড-কে জানাতে হবে। তার অভিযোগ কার্যকরী কমিটিকে জানালেও ট্রাষ্টিবোর্ড জানে কিনা তা জানিনা। এসময় তিনি ওসমান চৌধুরীর ভোটার হওয়া এবং পরবর্তীতে তা বাতিল হওয়ার ব্যাখ্যা দেন। অপর এক প্রশ্নের উত্তরে আবু নাসের বলেন, মামলার পিছনে কোন ‘গড ফাদার’ আছে কিনা তা আমাদের জানা নেই।
এদিকে মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০২৬ সালের নির্বাচনে সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার উদ্দেশ্যে সাধারণ সদস্যপদের জন্য আবেদন করেছিলেন ওসমান এ চৌধুরী। তার দাবি, নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় আবেদন ও ২০ ডলার ফ জমা দেওয়ার পরও বাংলাদেশ সোসাইটির কার্যনির্বাহী কমিটি গত ২৮ আগস্ট সর্বসম্মতিক্রমে তার আবেদন প্রত্যাখ্যান করে। মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে, সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলীর পাঠানো প্রত্যাখ্যানপত্রে সংগঠনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট চলমান মামলা এবং গঠনতন্ত্রের নবম অনু”েছদের ৬ নম্বর ধারার উল্লেখ ছিল। ওসমান চৌধুরীর অভিযোগ, অতীতে সংগঠনের নির্বাচনী অনিয়ম ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড নিয়ে আদালতের আশ্রয় নেওয়ার কারণেই তার সদস্যপদ প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, এ সিদ্ধান্তের ফলে তনি এবারের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। তবে সদস্যপদ প্রত্যাখ্যানের পেছনে প্রতিশোধমূলক উদ্দেশ ছিল- এটি বাদীর অভিযোগ থাকলেও আদালতে এখনো তা প্রমাণিত হয়নি। একইভাবে কার্যনির্বাহী কমিটির সিদ্ধান্তের বৈধতা নিয়েও সচূড়ান্ত রায় হয়নি।
অপরদিকে সোসাইটির সদস্যপদ প্রত্যাখ্যানের পাশাপাশি বাংলাদেশ সোসাইটির গঠনতন্ত্রের নবম অনু”েছদের ৬ নম্বর ধারার বৈধতাও চ্যালেঞ্জ করেছেন বাদী। তার যুক্তি, নবম অনু”েছদের ৬ নম্বর ধারারটি নউইয়র্কের প্রচলিত আইন ও জননীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক এবং সদস্যদের আইনি প্রতিকার চাওয়ার অধিকার সীমিত করে। জানা গেছে, নিউইয়র্কের সিভিল প্র্যাকটিস ল অ্যান্ড রুলসের আর্টিকেল ৭৮-সহ সংশ্লিষ্ট বিধানের অধীনে আদালতের হস্তক্ষেপ চাওয়া হয়েছে। বাদী সদস্যপদ প্রত্যাখ্যানের সিদ্ধান্ত বাতিল, তাকে বৈধ সদস্য হসেবে অন্তর্ভুক্ত বা পুনর্বহাল এবং সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার যোগ্যতা স্বীক…তির আবেদন জানিয়েছেন।
অন্যদিকে, মামলার নথিতে গঠনতন্ত্রের সংশ্লিষ্ট ধারা ও কার্যনির্বাহী কমিটির সিদ্ধান্তকে ঘিরে বিরোধের কথা উঠে এলেও এসব বিষয়ে সবাংলাদেশ সোসাইটির পূর্ণাঙ্গ আইনি জবাব বা বিস্তারিত পাল্টা বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
আগের নির্বাচন নিয়েও অভিযোগ: বর্তমান মামলায় ওসমান চৌধুরী সোসাইটির আগের নির্বাচন নিয়েও একাধিক অভিযোগ তুলেছেন। এর মধ্যে রয়েছে উ”চ মনোনয়ন ফি নির্ধারণ, যথাযথ আবেদনপত্র ছাড়া সদস্য অন্তর্ভুক্তি এবং অন্যের সদস্যপদের চাঁদা পরিশোধের মাধ্যমে ভোটার তালিকা প্রভাবিত করার অভিযোগ। ২০১৮ সালের নির্বাচনসংক্রান্ত বিরোধে এক রাতে প্রায় ২৭ হাজার কথিত ভুয়া সদস্য অন্তর্ভুক্তির অভিযোগও মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে। বাদীর দাবী, এসব বিষয়ে সংগঠনের অভ্যন্তরে অভিযোগ জানিয়েও তিনি কার্যকর প্রতিকার পাননি। পরে আদালতের দ্বার¯’ হন। তার অভিযোগ, অতীতের আইনি পদক্ষেপের ধারাবাহিকতায় এবারও তাঁকে নির্বাচনের বাইরে রাখা হয়েছে।
তবে এসব অভিযোগের সত্যতা বর্তমান সাময়িক আদেশে প্রতিষ্ঠিত হয়নি। কথিত ভুয়া সদস্য অন্তর্ভুক্তি, আর্থিক অনিয়ম কিংবা নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় কারসাজির অভিযোগে আদালতের কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের কথাও এই আদেশে উল্লেখ নেই। ফলে অভিযোগগুলোকে প্রমাণিত ঘটনা হিসেবে উপ¯’াপনের সুযোগ নেই। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নয়, অপেক্ষা পরবর্তী শুনানির: আদালতের নথি অনুযায়ী, মামলাটির নম্বর ৭৩২১৭৪/২০২৬। বিবাদীদের মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ সোসাইটি ইনকরপোরেটেড, সভাপতি এস এম এ রহমান ওরফে সেলিম, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী, কোষাধ্যক্ষ মফিজুল ইসলাম ভূঁইয়া (রুমি) এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনার আবু নাসের।
আদালত প্রথমে ৫ নভেম্বর সকাল ১০টায় কুইন্স সুপ্রিম কোর্টের পার্ট ২৩, কক্ষ ১৪০-এ পরবর্তী শুনানি নির্ধারিত হলেও পরবর্তীতে শুনানীর দিন ধার্য্য করা হয়েছে ১৭ নভেম্বর।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন ঘিরে ২০১৮ সালেও ভোটার তালিকা, সদস্যপদ ও নির্বাচন পরিচালনার নিয়ম নিয়ে আইনি বিরোধ দেখা দিয়েছিল। আট বছর পর আবারও নির্বাচনের ঠিক আগমুহূর্তে আদালতের হস্তক্ষেপ সংগঠনের অভ্যন্তরীণ বিরোধ নিষ্পত্তি, সদস্যদে অধিকার এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্ব”ছতা নিয়ে পুনরায় প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
অর্থনৈতিক নীতিনির্ধারণে মানবাধিকারকে রাখতে হবে: আইরিন খান
জন্মভূমি প্রতিবেদকঃ অর্থনৈতিক নীতিনির্ধারণ ও বৈশ্বিক আর্থিক ব্যবস্থাপনায় মানবাধিকারকে অগ্রাধিকার দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত আইরিন জুবাইদা খান। আজ নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে ‘দ্য পলিটিক্যাল ইকোনমি অব হিউম্যান রাইটস’ শীর্ষক উচ্চপর্যায়ের এক সংলাপে তিনি এ আহ্বান জানান।
রাষ্ট্রদূত আইরিন খান বলেন, অর্থনৈতিক অগ্রগতির প্রকৃত মানদণ্ড কেবল প্রবৃদ্ধি নয়; বরং তা মানুষের জীবনমান উন্নয়ন, বৈষম্য হ্রাস এবং মানবিক মর্যাদা ও মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করতে কতটা ভূমিকা রাখছে, সেটিও বিবেচনায় নিতে হবে। এ লক্ষ্যে ন্যায্য করব্যবস্থা, সাশ্রয়ী উন্নয়ন অর্থায়ন, টেকসই ঋণ ব্যবস্থাপনা এবং আন্তর্জাতিক আর্থিক কাঠামোর সংস্কারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।অনুষ্ঠানে জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ভলকার তুর্ক বলেন, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ক্ষমতা ক্রমেই অল্পসংখ্যক ব্যক্তি ও গোষ্ঠীর হাতে কেন্দ্রীভূত হচ্ছে। একই সঙ্গে সামরিক ব্যয় বৃদ্ধি, ঋণের ক্রমবর্ধমান বোঝা ও অর্থনৈতিক বৈষম্য মানবাধিকার সুরক্ষার পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।আলোচনায় বক্তারা বলেন, সংঘাত, ঋণ পরিশোধের উচ্চ ব্যয় ও উন্নয়ন সহায়তা হ্রাসের কারণে শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, সামাজিক সুরক্ষা ও টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠায় প্রয়োজনীয় বিনিয়োগ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। এসব সংকট মোকাবিলা, কাঠামোগত বৈষম্য দূর করা এবং ঝুঁকিতে থাকা জনগোষ্ঠীর অধিকার সুরক্ষায় ন্যায়সংগত আন্তর্জাতিক করব্যবস্থা, ঋণ পুনর্গঠনে ন্যায্যতা, আর্থিক ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি এবং নাগরিক সমাজের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার ওপর তাঁরা গুরুত্বারোপ করেন। বাংলাদেশ, মরক্কো, দক্ষিণ আফ্রিকা ও উরুগুয়ের জাতিসংঘ স্থায়ী মিশনের যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ সংলাপে দেশগুলোর রাষ্ট্রদূতসহ ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধি এবং মানবাধিকার ও উন্নয়নবিষয়ক বিশেষজ্ঞরা অংশ নেন। আলোচনায় আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক শাসনব্যবস্থার সংস্কার এবং ২০৩০-পরবর্তী বৈশ্বিক উন্নয়ন পরিকল্পনায় মানবাধিকারকে অগ্রাধিকার দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়। -প্রেস বিজ্ঞপ্তি
জাতিসংঘের তদন্ত প্রতিবেদন বাংলাদেশিদের জোর করে যুদ্ধে পাঠিয়েছে রাশিয়া
জন্মভূমি প্রতিবেদকঃ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন লঙ্ঘন করে বাংলাদেশসহ বিশ্বের ২৯টি দেশের নাগরিকদের প্রতারণার মাধ্যমে জোরপূর্বক রাশিয়ার সেনাবাহিনীতে নিয়োগ করানোর প্রমাণ পেয়েছে জাতিসংঘ। ইউক্রেনে রাশিয়ার যুদ্ধ নিয়ে গঠিত জাতিসংঘের স্বাধীন তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদনে এমন তথ্য উঠে এসেছে। সোমবার জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের মানবাধিকার কমিটির কাছে এই প্রতিবেদন তুলে ধরা হয়।
তদন্ত প্রতিবেদন বলা হয়, আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে প্রলোভন ও জোরপূর্বকভাবে ১৮ থেকে ৬০ বছর বয়সি বিদেশি নাগরিকদের রাশিয়ার সেনাবাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়া, প্রান্তিক ও কম শিক্ষাগত যোগ্যতার সুযোগ নিয়ে তাদের এই নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
বিভিন্ন দেশে সক্রিয় ট্রাভেল এজেন্সি ও স্থানীয় দালালদের মাধ্যমে চাকরির প্রলোভন দিয়ে ভুক্তভোগীদের রাশিয়ায় নেওয়া হয়। সেখানে যাওয়ার পরই রুশ ভাষায় লেখা দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের চুক্তিপত্রে সই করতে বাধ্য করা হয় তাদের। এটি রুশ ভাষায় হওয়ায় তারা আসলে বুঝতেও পারেন না কিসে তারা সই করছেন। এভাবে নিয়োগ পাওয়া ব্যক্তিরা যখন বুঝতে পারেন যে তাদের রুশ সামরিক বাহিনীর হয়ে সরাসরি ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নিতে হবে, তখন তারা হতভম্ব হয়ে যান এবং তাদের আসলে কিছু করার থাকে না।
জাতিসংঘের তদন্ত কমিশন বিশ্বের ৪৮টি দেশের নাগরিকদের ওপর তথ্য অনুসন্ধান চালিয়েছে। সেগুলোর মধ্যে ২৯টি দেশের ক্ষেত্রে এ ধরনের প্রতারতামূলক নিয়োগের প্রমাণ পেয়েছে কমিশন। তাদের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওই ২৯টি দেশ হলো-বাংলাদেশ, ভারত, শ্রীলঙ্কা, বেলারুশ, আজারবাইজান, বলিভিয়া, ব্রাজিল, বতসোয়ানা, ক্যামেরুন, কলম্বিয়া, ডোমিনিকান রিপাবলিক, এল সালভাদর, ঘানা, হন্ডুরাস, জর্ডান, কেনিয়া, মরক্কো, নাইজেরিয়া, পেরু, ফিলিপাইনস, দক্ষিণ আফ্রিকা, সোমালিয়া, তাজিকিস্তান, তিউনিসিয়া, তুরস্ক, উগান্ডা, উজবেকিস্তান, ইয়েমেন ও জিম্বাবুয়ে।
এই প্রতিবেদনে ইউক্রেনে রাশিয়ার ধারাবাহিক হামলার মারাত্মক চিত্রও তুলে ধরা হয়েছে। এতে বলা হয়, তীব্র শীতের মধ্যে বিদ্যুৎসেবা বন্ধ করে লাখ লাখ বেসামরিক মানুষকে দুর্ভোগে ফেলার এই কাজ যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের সামিল।
এ বিষয়ে জাতিসংঘে নিযুক্ত রাশিয়ার মিশন জানিয়েছে, মস্কো এই কমিশনের প্রতিবেদনকে স্বীকার করে না। তাদের উত্থাপিত সব অভিযোগ ভিত্তিহীন ও ভুয়া তথ্যনির্ভর।
বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিবর্তনে জাতিসংঘের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন
জন্মভূমি প্রতিবেদকঃ বাংলাদেশে ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পরিবর্তন, শেখ হাসিনা সরকারের পতন এবং জুলাই-আগস্টের সহিংসতায় নিহতের সংখ্যা নিয়ে জাতিসংঘের ভূমিকা ও অবস্থানের সমালোচনা করেছেন মার্কিন বিশ্লেষক মাইকেল রুবিন। তাঁর অভিযোগ, পর্যাপ্ত প্রমাণ ছাড়াই জাতিসংঘ নিহতের সংখ্যা নির্ধারণ করেছে এবং এর ফলে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি সম্পর্কে একটি পক্ষপাতদুষ্ট বয়ান প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
রুবিনের মতে, ২০২৪ সালের জুলাই ও আগস্টে ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মধ্য দিয়ে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নতুন মোড় নেয়। তাঁর নিবন্ধে তিনি দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র ও জাতিসংঘ ইসলামপন্থী রাজনৈতিক শক্তিগুলোর ভূমিকা মূল্যায়নে যথেষ্ট সতর্কতা দেখায়নি।
রুবিনের নিবন্ধে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের আন্দোলনে নিহতের সংখ্যা নিয়ে জাতিসংঘের হিসাব এবং আওয়ামী লীগের উল্লেখ করা সংখ্যার মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। তাঁর দাবি, জাতিসংঘ প্রায় ১,৪০০ জন নিহত হওয়ার কথা উল্লেখ করলেও আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে প্রায় ৮০০ জনের মৃত্যুর কথা বলা হয়েছে।
তিনি নিহত ব্যক্তিদের নাম, পরিচয় এবং মৃত্যুর পরিস্থিতি প্রকাশ করে একটি পূর্ণাঙ্গ তালিকা তৈরির আহ্বান জানিয়েছেন। তাঁর মতে, এ ধরনের তালিকা প্রকাশ করা হলে নিহতের সংখ্যা ও সংশ্লিষ্ট দাবিগুলো স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হবে।
রুবিন বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিবর্তনকে ইরানের ১৯৭৯ সালের বিপ্লব এবং মিসরের ২০১৩ সালের রাজনৈতিক পরিবর্তনের সঙ্গে তুলনা করেছেন। তাঁর বক্তব্য, ইসলামপন্থী রাজনৈতিক গোষ্ঠীগুলোর সম্ভাব্য প্রভাব সম্পর্কে অবমূল্যায়ন করলে গণতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা এবং সামাজিক সহনশীলতা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধের সময় জামায়াতে ইসলামীর ভূমিকার প্রসঙ্গ তুলে ধরে দলটির রাজনৈতিক প্রভাব নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, আন্তর্জাতিক মহল শেখ হাসিনা সরকারের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগগুলো মূল্যায়নের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক পক্ষপাতের শিকার হয়েছে। শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করে। রুবিন তাঁর নিবন্ধে ইউনূসের রাজনৈতিক অবস্থান এবং জাতিসংঘের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁর দাবি, জাতিসংঘের বক্তব্য ও নিহতের সংখ্যা নির্ধারণের পদ্ধতি আরও স্বচ্ছ হওয়া প্রয়োজন।
রুবিন জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস এবং পশ্চিমা কর্মকর্তাদের ভূমিকারও সমালোচনা করেছেন। তাঁর মতে, নিহতের সংখ্যা নির্ধারণের ভিত্তি, তথ্য সংগ্রহের পদ্ধতি এবং সংশ্লিষ্ট প্রমাণ প্রকাশ করা উচিত।
রুবিন বাংলাদেশের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে অবাধ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের আহ্বান জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, ধর্মনিরপেক্ষতা, গণতন্ত্র, অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং সামাজিক সহনশীলতায় বিশ্বাসী সব রাজনৈতিক শক্তির নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ থাকা প্রয়োজন।
১৯৫০ থেকে ২০২৫, ওঁরা পরিবর্তন হয়নি?
১৯৫০ সালে, পূর্ব পাকিস্তানের বরিশাল, একজন প্রবীণ হিন্দু শিক্ষককে তার নিজের মুসলিম ছাত্ররা জীবন্ত পুড়িয়ে হত্যা করে। অবিবাহিত ওই শিক্ষক তার বিধবা বোনের সাথে মুলাদীতে (বরিশাল) বসবাস করতেন, তিনি তার পেশায় জীবন উৎসর্গ করেছিলেন। তার ছাত্রদের মধ্যে, যাদের বেশিরভাগই মুসলমান ছিল, তারা তাদের পুরানো শিক্ষককে তুলে নিয়ে তাকে একটি বিশাল আগুনের মধ্যে রেখেছিল। যখন তাকে জীবন্ত পোড়া করা হচ্ছিল, তখন এই ছেলেরা আনন্দে আগুনের চারপাশে নাচছিল। বোন কলকাতায় পালিয়ে যান এবং এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের গল্প শোনান। (এ.জে. কামরা, দীর্ঘায়িত পার্টিশন এবং এর পোগ্রোমস, ভয়েস পিএফ ইন্ডিয়া, নয়াদিল্লি, ২০২০, পৃষ্ঠা ৬৮/ কোয়েনরাড এলস্ট দ্বারা ফরোয়ার্ড)।
পাকিস্তানের তৎকালীন আইনমন্ত্রী যোগেন্দ্রনাথ মণ্ডলের ০৯ অক্টোবর ১৯৫০ তারিখে প্রধানমন্ত্রী লিয়াকত আলী খানকে লেখা পদত্যাগপত্রে মুলাদির উল্লেখ রয়েছে এবং এটি সহজেই ওয়েবে পাওয়া যায়। যোগেন্দ্রনাথ মণ্ডল তাঁর পদত্যাগপত্রে লিখেছেন: মুলাদি নামে একটি জায়গা ভয়াবহ নরকের সাক্ষী ছিল। শুধুমাত্র মুলাদি বন্দরে নিহত সংখ্যার সংখ্যা ৩০০ এরও বেশি হবে, যেমনটি কিছু অফিসার সহ স্থানীয় মুসলমানরা আমাকে জানিয়েছেন। আমি মুলাদি গ্রামেও গিয়েছিলাম, যেখানে আমি কিছু জায়গায় মৃতদেহের কঙ্কাল পেয়েছি। আমি নদীর তীরে কুকুর এবং শকুনদের মৃতদেহ খেতে দেখেছি। সেখানে আমি খবর পেয়েছি যে সমস্ত প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষকে পুরোপুরি হত্যা করার পরে, সমস্ত যুবতী মেয়েদের দুর্বৃত্তদের মধ্যে বিতরণ করা হয়েছিল। প্রাপ্ত বিস্তারিত তথ্য থেকে, হতাহতের রক্ষণশীল অনুমান কেবল বরিশাল জেলায় ২৫০০ জন নিহত হয়েছিল। ঢাকা এবং পূর্ববঙ্গ দাঙ্গায় মোট হতাহতের সংখ্যা আশেপাশে ১০,০০০ জন নিহত বলে অনুমান করা হয়েছিল। (ঢাকা এখন ঢাকা)।
আসুন এখন বিন্দুগুলি সংযুক্ত করি এবং ১৮ই ডিসেম্বর ২০২৫-এ বাংলাদেশের ময়মনসিংহের ভালুকায় জঙ্গি ইসলামপন্থীদের হাতে দীপু চন্দ্র দাসের ঘৃণ্য মৃত্যুর দিকে মনোনিবেশ করি। হিন্দুদের প্রতি একই ঘৃণা কি এটি নয়, বা আরও স্পষ্টভাবে বলতে গেলে অমুসলিমদের প্রতি ৭৫বছর পরেও একই ঘৃণা বিরাজ করছে? হ্যাঁ, তাই। এটা ধর্মীয় বিদ্বেষ। এই সমস্ত হত্যাকাণ্ড, গণপিটুনি, ব্লাসফেমির অভিযোগগুলি ধর্মীয় গোঁড়ামি থেকে উদ্ভূত। এই নৃশংসতা এবং ৯/১১ এবং হামাস ও আইএসআইএস, আল-কায়েদা, জোইশা মুহাম্মদ এবং আরও অনেক কিছুর মধ্যে সহজেই সংযোগ খুঁজে পাওয়া যায়। এই পৃথিবীতে খিলাফত প্রতিষ্ঠার জন্য এই সব খুনি গোষ্ঠী একক উদ্দেশ্য নিয়ে আলাদাভাবে কাজ করছে। তারা বিভিন্ন দেশে ভিন্নভাবে কাজ করে। বাংলাদেশে তাদের টার্গেট হিন্দু, মধ্যপ্রাচ্যে ইহুদি, নাইজেরিয়ায় খৃষ্টান ইত্যাদি। ইসরাইল এই ভাইরাসের বিরুদ্ধে অত্যন্ত কার্যকর অ্যান্টিবায়োটিক, এবং বিশ্বের এখন এই ভাইরাস নিয়ন্ত্রণের জন্য ইসরায়েলের মতো আরও দেশ প্রয়োজন। করোনা ভাইরাস চলে গেছে, কিন্তু ইসলামিক ভাইরাস বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন রূপে কাজ করছে, যার মধ্যে বাংলাদেশি জঙ্গি ইসলামপন্থীরা রয়েছে।
(From Sitangshu Guha’s book Bangladesh: Extinction of Hindus in global context).
সরকারি ৪০০ গাছ কেটে নিলেন শ্রমিক লীগ নেতার করাতকলে লালমোহনে যুবদল নেতার কাণ্ড
ভোলার লালমোহনে কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই রাস্তার পাশের চার শতাধিক সরকারি গাছ কেটে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক যুবদল নেতার বিরুদ্ধে। সম্প্রতি রমাগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদল
সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন দিনরাত এসব গাছ কেটে মজুত করেছেন ইউনিয়ন শ্রমিক লীগের সাবেক সভাপতি মো. শাহাবুদ্দিনের করাতকল, পাশের মাঠ ও বাগানে।
বন বিভাগ ও স্থানীয় প্রশাসনের নাকের ডগায় এমন অপকর্ম চলছেও কোনো আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। অভিযুক্ত জসিম উদ্দিন প্রভাবশালী হওয়ায় মুখ খোলার সাহস পাচ্ছেন না এলাকাবাসী। তবে প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তায় ক্ষুব্ধ তারা।
বুধবার দুপুরে লালমোহন উপজেলার কর্তারহাট বাজার থেকে রায়চাঁদের রাস্তা ধরে সামনে এগোলেই দেখা যায় গাছ কাটার চিত্র। রাস্তার দুপাশে পড়ে আছে অসংখ্য গাছের গুঁড়ি। সদ্য কেটে নেওয়া হয়েছে শত শত গাছ। রাস্তার পাশের বাসিন্দাদের অনেকেই মুখ খুলতে চান না এ বিষয়ে। জনৈক খোরশেদ আলম বলেন, ‘গত কয়েক দিন ধরে দিনরাত গাছ কেটে নিতে দেখেছি। বড় বড় ভেকু (এক্সক্যাভেটর) দিয়ে পুরো গাছ তুলে নিয়েছে। কে, কীভাবে গাছ কেটেছে ইউনিয়নের সবাই জানে; কিন্তু নাম বলবে না। আমরা ভেকু চালক ও শ্রমিকদের দেখেছি। এর পেছনে যারা আছেন, তাদের নাম বলে সামলানোর ক্ষমতা আমাদের নাই। নাম বলে বিপদে পড়তে চাই না।’
কর্তারহাট বাজারের পূর্ব পাশের এক করাতকলেও রাস্তার পাশ থেকে কাটা বেশ কিছু গাছের গুঁড়ি দেখা গেছে। করাতকলের পাশে সমবেত কয়েকজন জানান, একদল মানুষ রাস্তার গাছগুলো কেটে নিয়েছে। তাদের সবাই চেনেন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক ব্যক্তি জানান, কর্তৃপক্ষের কোনো অনুমতি কিংবা টেন্ডার ছাড়াই এসব কেটে নেন রমাগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন। অক্টোবর মাসের শুরুর দিকে রাস্তা সংস্কারের কথা বলে ১০-১৫টি গাছ কাটা হয়। গত সপ্তাহ থেকে ভেকু দিয়ে দিনরাতে প্রায় ৪০০ গাছ কেটে রায়চাঁদ বাজারের রমাগঞ্জ ইউনিয়ন শ্রমিক লীগের সাবেক সভাপতি মো. শাহাবুদ্দিনের স’মিলে রাখা হয়েছে। কর্তারহাট থেকে পূর্বদিকে রায়চাঁদ পর্যন্ত প্রায় পাঁচ কিলোমিটার রাস্তাজুড়ে গাছ কেটে নেওয়ার চিহ্ন দেখা যায়।
যুবদল নেতা জসিম উদ্দিন সাংবাদিকদের কাছে গাছ কাটার কথা অস্বীকার করে বলেন, তিনি স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করবেন। সে কারণে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ তাঁর বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে।


