দরপত্র জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে সিন্ডিকেট এবং ক্ষমতাসীন দলের নেতাদের প্রভাবের কারণে এ বছর পশুর হাট ইজারায় রাজস্ব কমছে। গত বছরের তুলনায় এ বছর এক-তৃতীয়াংশ মূল্যে হাট ইজারা দেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। দেশের চারটি মহানগর ও দুটি জেলার আটটি হাটের ইজারা পর্যালোচনা করে এ চিত্র পাওয়া গেছে। এতে দেখা যায়, ছয়টি হাটে রাজস্ব গতবারের তুলনায় কমেছে। দুটি হাটে রাজস্ব কিছুটা বেড়েছে।
যে ছয়টি হাটে রাজস্ব গতবারের চেয়ে কমেছে, সেগুলো হলো– চট্টগ্রামের সাগরিকা, রাজশাহী সিটি হাট ও বানেশ্বর, টঙ্গী পশুর হাট, খুলনার তেরখাদার ইখড়ি ও মানিকগঞ্জের আরিচা পশুর হাট। এসব হাটে গতবারের চেয়ে রাজস্ব কমেছে ৬ কোটি ৮২ লাখ টাকার বেশি। আর চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনাইচণ্ডী ও তক্তিপুর হাটে রাজস্ব বেড়েছে এক কোটি ৭৩ লাখ টাকার বেশি।
গাজীপুর, খুলনা, রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিএনপির স্থানীয় নেতারা হাটের ইজারা পেয়েছেন। রাজশাহীতে সিন্ডিকেটের কারণে অনেকে দরপত্র জমা দিতে পারেননি বলে অভিযোগ উঠেছে। বেশির ভাগ হাটের ক্ষেত্রেই দরপত্র জমা পড়েছে কম।
জানতে চাইলে রাজশাহী সিটি করপোরেশনের সিইও রেজাউল করিম সমকালকে বলেন, ‘সরকারি নীতিমালা মেনেই টেন্ডার দেওয়া হয়েছে। কোনো সিন্ডিকেটের সঙ্গে আমরা সম্পৃক্ত নই।’
চট্টগ্রামে কোটি টাকার রাজস্ব কমেছে
চট্টগ্রামের সবচেয়ে বড় সাগরিকা পশুর হাটের ইজারা মূল্য তিন বছরের মধ্যে এবার সবনিম্ন পর্যায়ে। এ বছর স্থায়ী এই হাট ইজারা দেওয়া হয়েছে ৮ কোটি ৮৮ লাখ টাকায়। ২০২৪ সালে ইজারা দেওয়া হয় ৯ কোটি ২১ লাখ টাকায়। ২০২৫ সালে প্রত্যাশিত দর না পাওয়ায় কোনো ইজারাই দেওয়া যায়নি।
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, ‘গতবার হাটের জন্য কোনো ইজারাদার পায়নি সিটি করপোরেশন। এবার সেই হাট ৮ কোটি ৮ লাখ টাকা দরে ইজারা দিয়েছি। রাজনৈতিক তদবির থাকলেও আমি সেটিকে প্রশ্রয় দিইনি।’ গতবার সব হাট দলীয় নেতাকর্মী পাওয়ার তথ্য তুলে ধরলে তিনি বলেন, ‘গতবারে অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতায় ছিল। অনেক কিছু চাইলেও করতে পারিনি। চাপ মেনে নিতে হয়েছে। এবারে সেটি হচ্ছে না। স্বচ্ছতার ভিত্তিতে কাজ করছে সিটি করপোরেশন।’
সিটি করপোরেশনের প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা এসএম সরওয়ার কামাল বলেন, আগের তুলনায় কম হলেও এবারে সিটি করপোরেশনের নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দর পাওয়া গেছে।
নিয়ম অনুযায়ী বাংলা সনের প্রথম দিন থেকে পরবর্তী এক বছরের জন্য স্থায়ী পশুর হাট ইজারা দেওয়া হয়। সে হিসাবে আগামী বছরের ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত ইজারাদার হাট থেকে হাসিল আদায়ের অধিকার পাবেন।
পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নগরে ১৬টি অস্থায়ী পশুর হাট বসানোর প্রক্রিয়াও চূড়ান্ত করছে। এ জন্য জেলা প্রশাসনের কাছে অনুমতি চেয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে।
বর্তমানে চট্টগ্রাম নগরে তিনটি স্থায়ী পশুর হাট রয়েছে– সাগরিকা, বিবিরহাট ও পোস্তারপাড় ছাগলের বাজার। গত বছর অস্থায়ী হাট ছিল ১০টি। এবার সেই সংখ্যা বাড়িয়ে ১৬ করা হয়েছে।
অস্থায়ী পশুর হাট বসানোর আগে নগর পুলিশের (সিএমপি) অনাপত্তি প্রয়োজন। এরপর জেলা প্রশাসন চূড়ান্ত অনুমতি দেবে। অনুমতি পাওয়ার পর প্রতিটি হাট ইজারা দেওয়ার জন্য পৃথক দরপত্র আহ্বান করবে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন।
রাজশাহীতে দরপত্র জমা পড়েছে কম
উত্তরবঙ্গের সর্ববৃহৎ পশুর হাট হিসেবে পরিচিত রাজশাহী সিটি হাট গত বছর ইজারা হয়েছিল ১৪ কোটি টাকায়। এবার হাটটি মাত্র আট কোটি টাকায় ইজারা দেওয়া হয়েছে। হাটটি থেকে সিটি করপোরেশন ছয় কোটি টাকা রাজস্ব হারিয়েছে।
স্থানীয় ব্যবসায়ীরা বলছেন, একটি সিন্ডিকেটের কাছে রাজশাহী সিটি করপোরেশনের হাট ইজারা কমিটি অসহায়। আগ্রহী অনেক ব্যবসায়ী শিডিউল উত্তোলন করলেও শেষ পর্যন্ত সিন্ডিকেটের কাছে শিডিউল জমা দিতে বাধ্য হয়েছেন। তাদের হাটের শেয়ার দেওয়ার কথা বলে শিডিউল জমা নেওয়া হয়েছিল। এখন শেয়ারও দিচ্ছে না, আবার সমঝোতার টাকার ভাগও দিচ্ছে না সিন্ডিকেটের হোতারা।
রাজশাহী সিটি করপোরেশনের সিইও রেজাউল করিম সমকালকে বলেন, ‘সরকারি নীতিমালা মেনেই টেন্ডার দেওয়া হয়েছে। কোনো সিন্ডিকেটের সঙ্গে আমরা সম্পৃক্ত নই। টেন্ডার দাখিলের পর মূল্যায়ন হয়েছে। সে অনুযায়ী নীতিমালা মেনে ইজারা দেওয়া হয়েছে। এটা একক কারও সিদ্ধান্তে হয়নি।’
এদিকে জেলার বৃহত্তম বানেশ্বর হাট ২০২৪ সালে চার কোটি ৫১ লাখ টাকায় ইজারা নিয়েছিলেন স্থানীয় ব্যবসায়ী ওসমান আলী। গত বছর হাটটি চার কোটি ১৬ লাখ টাকায় ইজারা নেন স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা জাকির হোসেন রাসেল। এবার তিনি ইজারা পেয়েছেন তিন কোটি ৬৯ লাখ টাকায়।
পুঠিয়া উপজেলা প্রশাসনের প্রশাসনিক কর্মকর্তা আব্দুল আজিজ জানান, এই হাটের শিডিউল কিনেছিলেন মাত্র দুজন ব্যক্তি। একজন হলেন আফজাল হোসেন, আরেকজন জাকির হোসেন রাসেল। কিন্তু আফজাল হোসেন সমঝোতা করে শিডিউল দাখিল করেননি। একমাত্র দরদাতা হওয়ায় জাকির হোসেন রাসেলকে হাটটি দেওয়া হয়।
গাজীপুরে মাত্র একটি দরপত্র জমা পড়ে
গাজীপুরের সবচেয়ে বড় অস্থায়ী হাট টঙ্গী পশুর হাটের এবার ইজারা মূল্য নির্ধারণ করা হয় এক কোটি ৩১ লাখ ৪১ হাজার ৫২৭ টাকা। দরপত্রে বৈধভাবে অংশ নেওয়া একমাত্র দরদাতা টঙ্গী পূর্ব থানা বিএনপির সভাপতি সরকার জাবেদ আহমেদ সুমনের ভাই কানন সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে আট হাজার ৪৭৩ টাকা বেশি দিয়ে এবার এক কোটি ৩১ লাখ ৫০ হাজার টাকা প্রস্তাব করেন।
গাজীপুর সিটি করপোরেশন সূত্র বলছে, আসন্ন কোরবানির ঈদ উপলক্ষে মহানগরে ১৪টি অস্থায়ী পশুর হাটের বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয় গত ৭ এপ্রিল। এরই মধ্যে ৮টি হাটের ইজারা সম্পন্ন হয়েছে। বাকিগুলো আগামী ১০ মে সম্পন্ন হবে। প্রথম দফায় টঙ্গী পশুর হাটের দরপত্র দাখিলের শেষ সময় ছিল ২৩ এপ্রিল। গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা মো. সোহেল রানা বলেন, টঙ্গী পশুর হাটের জন্য ১৮টি শিডিউল বিক্রি হলেও শেষ পর্যন্ত জমা পড়ে মাত্র একটি। এ বাজারের ইজারা নিতে কেউ আগ্রহী না হওয়ায় কোনো প্রতিযোগিতাই ছিল না।
গাজীপুর সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তারা বলছেন, মূলত পশুর হাট ইজারা নেওয়ার আগ্রহ কম থাকার কারণেই প্রতিযোগিতা হয়নি। তাই ইজারা হয়েছে কম দামে।
খুলনায় ইজারা পেয়েছেন দুই বিএনপি নেতা
জেলার মধ্যে তেরখাদার ইখড়ি ও ডুমুরিয়ার খর্ণিয়া বড় হাট। ২০২৫ সালে উপজেলা প্রশাসন ইখড়ি হাট ইজারা দিয়েছিল ৯৫ লাখ টাকায়। চলতি বছর ইজারা হয়েছে ৩১ লাখ ৪৫ হাজার ৬৩০ টাকায়। দুবারই ইজারা পেয়েছেন উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মিল্টন হোসেন মুন্সী।
২০২৪ সালে খর্ণিয়া হাট ৬৬ লাখ টাকায় ইজারা দেওয়া হয়। ২০২৫ সালে বিএনপি নেতারা খাস আদায় করেন ২০ লাখ টাকা। এ বছরও ৭৬ লাখ টাকা ইজারা মূল্যে বিএনপি নেতাদের দিয়ে খাস আদায় চলছে। তেরখাদা উপজেলায় খোঁজ নিয়ে ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, জুলাই অভ্যুত্থানের আগে আওয়ামী লীগ নেতারা স্থানীয় মাদ্রাসার নামে হাট পরিচালনা করতেন। অভ্যুত্থানের পর আওয়ামী লীগ নেতারা আত্মগোপন চলে যান। এরপর দুই বছর ধরে উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মিল্টন হোসেন মুন্সী হাটের ইজারা পাচ্ছেন।
তেরখাদার ইউএনও তাহমিনা সুলতানা নীলা বলেন, ‘কেউ যদি দরপত্রে অংশ না নেয়, আমাদের কী করার আছে? খাস আদায়ের মতো জনবল আমাদের নেই। এ জন্য খাস আদায়ের জন্য উন্মুক্ত নিলাম হয়েছে। এর আগে আমরা সব জায়গায় মাইকিং করেছি; সবাইকে অংশ নিতে বলেছি। সেখানে কেউ যদি ১০০ টাকাও দর দিত, নীতিমালা অনুযায়ী তাকেই দিতে হতো।’
মিল্টন হোসেন মুন্সী বলেন, ‘এই হাটের এত দাম না। এ জন্য কেউ টেন্ডারে যায়নি।’
২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে খর্ণিয়া হাট ইজারা পান মাগুরাঘোনা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক আশরাফ হোসেন। জুলাই অভ্যুত্থানের পর তিনি আত্মগোপনে চলে যান। ২০২৫ সালের ২১ এপ্রিল বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর ইজারা মূল্য ছিল ৭৬ লাখ ৩২ হাজার টাকা। পাঁচ দফা দরপত্র আহ্বান করলেও কেউ জমা দেয়নি। তখন উপজেলা প্রশাসন নিজস্ব উদ্যোগে রাজস্ব আদায়ের সিদ্ধান্ত নেয়। অভিযোগ রয়েছে, প্রশাসনের নামে খর্ণিয়া ইউনিয়ন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আবুল হোসেন সরদারসহ কয়েকজন সমঝোতা করে কাউকে দরপত্রে অংশ নিতে দেননি। পরে খাস আদায়ের সিদ্ধান্ত হলে তারাই উপজেলা প্রশাসনের হয়ে রাজস্ব আদায় করেন। রাজস্ব জমা পড়ে ২০ লাখ টাকা।
বিএনপি নেতা আবুল হোসেন বলেন, ‘ইউএনও এবং নায়েবের সঙ্গে কথা বলে আমরা ৬০ জনের মতো খাজনা তুলি। যা হয় সবই জমা দিই।’
ইউএনও সবিতা সরকার বলেন, খর্ণিয়া হাটে কোনো শিডিউল বিক্রি হয়নি। এ কারণে হাটে খাস আদায়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
মানিকগঞ্জে খাস আদায়
এবার জেলার শিবালয় উপজেলা আরিচা পশুর হাট ইজারা হয়েছে চার কোটি ২১ লাখ টাকায়। গতবার ইজারা দেওয়া হয়েছিল চার কোটি ২২ লাখ টাকায়। সিংগাইর উপজেলার সিরাজপুর পশুর হাট গত বছর ইজারা হয়েছিল এক কোটি টাকার ওপরে। এবার সরকারিভাবে হাটের ইজারা মূল্য নির্ধারণ করা হয় এক কোটি ৪৮ লাখ টাকা। কিন্তু উপজেলা প্রশাসন পাঁচবার হাটের ইজারা ডেকেও সরকারি নির্ধারিত মূল্যে কাছাকাছি ইজারা মূল্য না পাওয়ায় খাস আদায়ে যাচ্ছে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জে রাজস্ব বেড়েছে কোটি টাকা
জেলার সবচেয়ে বড় পশুর হাট দুটি হলো শিবগঞ্জ উপজেলা তক্তিপুর হাট এবং নাচোল উপজেলার সোনাইচণ্ডী হাট।
নাচোল উপজেলা নির্বাহী অফিসের কর্মকর্তা রবিউল ইসলাম জানান, গত বছর সোনাইচণ্ডী হাটটি প্রায় সাড়ে ছয় কোটি টাকায় ইজারা দেওয়া হয়েছিল। ওই বছর দুটি দরপত্র জমা হলেও শেষ পর্যন্ত ইজারা পেয়েছিলেন আওয়ামী লীগ সমর্থক শিবগঞ্জ উপজেলার কানসাট ইউনিয়নের ওষুধ ব্যবসায়ী প্রবোধ কুমার দত্ত। এবার হাটটির দরপত্র প্রক্রিয়ায় অংশ নেন মাত্র দুজন। এর মধ্যে নওগাঁ জেলার হাজিরা আলী নামক এক বিএনপি নেতা সাত কোটি পাঁচ লাখ ৬৯ হাজার ৩৭৫ টাকায় ইজারা পেয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এ বছর প্রবোধ কুমার দত্ত হাট ইজারা না নিলেও হাটে তাঁর শেয়ার রয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে প্রবোধ কুমার দত্ত বলেন, যেহেতু হাটটি অনেক টাকা মূল্যে বিক্রি হয়, এ জন্য প্রতিযোগী অনেক কম। মাত্র দুটি টেন্ডার জমা পড়েছে। প্রতিযোগিতার মাধ্যমে বিএনপি নেতা হাজিরা হাটটির ইজারা পেয়েছেন।
জেলার শিবগঞ্জ পৌর এলাকার তক্তিপুর হাটটি জেলার দ্বিতীয় বৃহত্তম হাট। এ হাট গত বছর প্রায় তিন কোটি টাকায় এবং এ বছর তিন কোটি ৬৮ লাখ টাকায় ইজারা দেওয়া হয়েছে। ইজারা পেয়েছেন সোনামসজিদ স্থলবন্দরের আমদানিকারক ও বিএনপি নেতা আলমগীর কবির জুয়েল। স্থানীয়রা জানান, হাটের ইজারাদার জুয়েল হলেও এতে বিএনপি ও জামায়াতের কয়েক নেতার শেয়ার রয়েছে। জুয়েল দেশের বাইরে থাকায় এ বিষয়ে তাঁর বক্তব্য নেওয়া যায়নি। শিবগঞ্জ পৌরসভার প্রশাসনিক কর্মকতা আব্দুল বাতেন পবিত্র হজ পালনে সৌদি আরবে অবস্থান করায় তাঁর বক্তব্য নেওয়া যায়নি।
[প্রতিবেদনে তথ্য দিয়েছেন চট্টগ্রাম থেকে সারোয়ার সুমন, রাজশাহী থেকে সৌরভ হাবিব, খুলনা থেকে হাসান হিমালয়, ডুমুরিয়া থেকে এমএ এরশাদ, গাজীপুর থেকে ইজাজ আহ্মেদ মিলন, মানিকগঞ্জ থেকে বিপ্লব চক্রবর্তী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে এ কে এস রোকন]




