আর মাত্র কয়েক মুহূর্তের অপেক্ষা। শুরু হতে যাচ্ছে ফুটবল বিশ্বের সবচেয়ে বড় আসর ফিফা বিশ্বকাপের নতুন আসর। এবারের প্রতিযোগিতা ইতিহাসের সবচেয়ে বৃহৎ ও ব্যতিক্রমী আয়োজন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। প্রথমবারের মতো তিনটি স্বাগতিক দেশে পৃথক তিনটি উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। আর এসব অনুষ্ঠানের প্রতিটিতেই উত্তর আমেরিকার বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতি, সংগীত ও ঐতিহ্য তুলে ধরা হবে।
প্রতিযোগিতার আনুষ্ঠানিক সূচনা হবে মেক্সিকোর স্থানীয় সময় ১১ জুন (বৃহস্পতিবার) বেলা সাড়ে ১১টায়। প্রথম উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে মেক্সিকো সিটির ঐতিহাসিক আজতেকা স্টেডিয়ামে। উদ্বোধনী ম্যাচের ৯০ মিনিট আগে শুরু হবে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানে নাচে-গানে সুরে-তালে তুলে ধরা হবে মেক্সিকোর সংস্কৃতি, সংগীত এবং ঐতিহ্যের নানা দিক। এরপর স্বাগতিক মেক্সিকো মুখোমুখি হবে দক্ষিণ আফ্রিকার।
দ্বিতীয় উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে ১২ জুন (শুক্রবার) ক্যালিফোর্নিয়ার ইঙ্গলউডে অবস্থিত সোফাই স্টেডিয়ামে। এই বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিশ্বের জনপ্রিয় তারকা শিল্পী কেটি পেরি, ফিউচার, অনিতা, লিসা, রেমা ও টাইলা পরিবেশনা করবেন। বর্ণাঢ্য এই আয়োজনের পর নিজেদের প্রথম ম্যাচে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে মাঠে নামবে স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্র।
আন্তর্জাতিক ফুটবল সংস্থার সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠান বিশ্বকাপের ব্যাপ্তি ও মহিমার প্রতিফলন। শিল্পীদের বৈচিত্র্যময় উপস্থিতি দেশটির সাংস্কৃতিক বৈচিত্রকে তুলে ধরবে, যা মানুষকে একত্রিত করার অসাধারণ ক্ষমতা রাখে।
তিনটি উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের ধারাবাহিকতা সম্পূর্ণ করবে কানাডা। ১২ জুন (শুক্রবার) টরন্টোর বিএমও ফিল্ডে অনুষ্ঠিত হবে দেশটির উদ্বোধনী অনুষ্ঠান, যেখানে কানাডার প্রতিভাবান শিল্পীদের পরিবেশনা তুলে ধরা হবে। কানাডার প্রথম ম্যাচে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার মুখোমুখি হওয়ার আগে অ্যালানিস মরিসেট, আলেসিয়া কারা, এলিয়ানা, জেসি রেয়েজ, মাইকেল বুবলে, নোরা ফাতেহি, সানজয়, ভেজিড্রিম এবং উইলিয়াম প্রিন্স মঞ্চে পরিবেশনা করবেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সময়সূচি:
মেক্সিকোর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান
তারিখ: ১১ জুন, বৃহস্পতিবার
সময়: বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে এগারোটা
যুক্তরাষ্ট্রের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান
তারিখ: ১২ জুন, শুক্রবার
সময়: বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে পাঁচটা (শনিবার)
কানাডার উদ্বোধনী অনুষ্ঠান
তারিখ: ১২ জুন, শুক্রবার
সময়: বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে এগারোটা
তিন দেশ, তিন সংস্কৃতি এবং এক বিশ্বমঞ্চ- এই ব্যতিক্রমী আয়োজনের মধ্য দিয়েই শুরু হতে যাচ্ছে ফুটবল বিশ্বের সবচেয়ে প্রতীক্ষিত উৎসব।




