ব্রাজিল থেকে নির্দিষ্ট কিছু পণ্য আমদানির ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির বাণিজ্য প্রতিনিধি (ইউএসটিআর) জেমিসন গ্রিয়ার স্থানীয় সময় বুধবার এক বিবৃতিতে এমন পদক্ষেপের ঘোষণা দেন।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, প্রায় বছরব্যাপী তদন্তের পর দেখা গেছে, ডিজিটাল বাণিজ্য, অন্যায্য অগ্রাধিকারমূলক শুল্ক, ইথানল বাজারে প্রবেশাধিকার এবং অন্যান্য ক্ষেত্রের সঙ্গে সম্পর্কিত ব্রাজিলের নীতিগুলো আমেরিকানদের স্বার্থের ক্ষতি করছে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এক্সে দেওয়া এক পোস্টে লিখেছেন, প্রেসিডেন্ট লুলা দা সিলভা ও তাঁর সরকার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সৎ উদ্দেশ্যে কোনো আলোচনা করেনি। তাঁর অর্থনৈতিক নীতি আমেরিকানদের পাশাপাশি ব্রাজিলিয়ানদের জন্যও ক্ষতিকর। গত এক বছর ধরে লুলা ব্রাজিলের জনগণের কল্যাণে কোনো চুক্তিতে পৌঁছানোর চেয়ে নিজের অহংকারকে বেশি প্রাধান্য দিয়েছেন। সেটির চড়া মূল্য হলো এই শুল্ক।
নতুন শুল্ক আরোপের বিষয়ে গত মাসে প্রথম একটি প্রস্তাব দেওয়া হয়। আগামী ২২ জুলাই থেকে এটি কার্যকর হবে। জেমিসন গ্রিয়ার বলেন, সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে ব্রাজিলের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যেতে যুক্তরাষ্ট্র এখনও প্রস্তুত।
যুক্তরাষ্ট্র গত বছরের জুলাই মাসে ১৯৭৪ সালের বাণিজ্য আইনের ‘সেকশন ৩০১’-এর অধীনে প্রাথমিক তদন্ত শুরু করে। এই ধারাটি মার্কিন বাণিজ্য ও প্রতিযোগিতাকে প্রভাবিত করা বিদেশি নীতিগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার লক্ষ্যে তৈরি করা হয়েছে।
একই মাসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ব্রাজিলের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিলেও পরে তা প্রত্যাহার করা হয়। ট্রাম্প হুমকি দিয়েছিলেন, ব্রাজিল যদি ডানপন্থী সাবেক প্রেসিডেন্ট জাইর বলসোনারোর বিরুদ্ধে বিচার প্রক্রিয়া বন্ধ না করে, তবে দেশটির বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



