Home Blog

নব্বই দশকের প্রেম-স্মৃতি নিয়ে কোয়েলের নতুন যাত্রা

০

একটি চিঠির জন্য দিনের পর দিন অপেক্ষা, প্রিয় মানুষের কণ্ঠ শুনতে এসটিডি বুথে ছুটে যাওয়া, ক্যাসেটে পছন্দের গান রেকর্ড করে উপহার দেওয়া-নব্বইয়ের দশকের প্রেমে এমন ছোট ছোট মুহূর্তই ছিল আনন্দের বড় উপলক্ষ।

যোগাযোগের মাধ্যম সীমিত হলেও অনুভূতি প্রকাশে ছিল না কোনো কমতি। সেই সময়ের প্রেম, আবেগ আর স্মৃতির ঝাঁপি খুলে এবার টেলিভিশনের পর্দায় আসছে নতুন ধারাবাহিক ‘ডিয়ার ৯০’স’। তবে শুধু নস্টালজিয়া নয়, এই ধারাবাহিকের বড় আকর্ষণ অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক। প্রথমবারের মতো টেলিভিশনের ধারাবাহিকে দেখা যাবে তাকে।

আগামী ২৩ নভেম্বর থেকে সোনি আটে প্রচারিত হবে ধারাবাহিকটি। নব্বইয়ের দশককে গল্পের পটভূমি করে সাজানো হয়েছে এর কাহিনি। সে সময়ের প্রেম, বন্ধুত্ব, স্বপ্ন, অপেক্ষা আর সম্পর্কের নানা সমীকরণ উঠে আসবে এতে। স্মার্টফোন কিংবা সামাজিক মাধ্যমের যুগে দাঁড়িয়ে অতীতের সেই দিনগুলো যেন অন্য এক পৃথিবী। যেখানে একটি চিঠি হাতে পাওয়া কিংবা প্রিয় মানুষের সঙ্গে কয়েক মিনিট কথা বলার সুযোগও হয়ে উঠত বিশেষ স্মৃতি। ‘ডিয়ার ৯০’স’ সেই হারিয়ে যাওয়া সময়ের অনুভূতিগুলোই নতুন করে সামনে আনতে চায়।

সম্প্রতি প্রকাশিত ধারাবাহিকটির প্রোমোতেও রয়েছে নব্বইয়ের দশকের আবহ। গোলাপি শাড়িতে কোয়েল মল্লিককে দেখা গেছে হাসিমুখে পুরোনো দিনের স্মৃতিচারণা করতে। পেছনে বাজছে সেই সময়ের জনপ্রিয় প্রেমের গান। নতুন এই কাজ নিয়ে উচ্ছ্বসিত কোয়েল মল্লিক।

তাঁর মতে, নব্বইয়ের দশকের প্রেমে ছিল এক ধরনের সারল্য ও জাদু। অপেক্ষা, ছোট ছোট উপহার কিংবা সামান্য কোনো মুহূর্তও তখন অনেক বড় আনন্দের কারণ হয়ে উঠত। ‘ডিয়ার ৯০’স’-এর গল্প তাঁকে সেই দিনগুলোর কথা মনে করিয়ে দিয়েছে। এমন একটি গল্পের সঙ্গে যুক্ত হতে পেরে ভালো লাগছে তাঁর। দর্শকরাও ধারাবাহিকটি দেখতে গিয়ে নিজেদের জীবনের পুরোনো কোনো স্মৃতির সঙ্গে মিল খুঁজে পাবেন বলে আশা করছেন অভিনেত্রী।

সুরিন্দর ফিল্মস প্রাইভেট লিমিটেডের প্রযোজনায় নির্মিত ধারাবাহিকটিতে কোয়েলের পাশাপাশি অভিনয় করবেন শঙ্খজিৎ সেনগুপ্ত ও অপরাজিতা মুখার্জি।

বিসিবির ইনস্টাগ্রাম হ্যাকিংয়ের চেষ্টা, সতর্কতা জারি

০

হ্যাকিংয়ের চেষ্টা করা হচ্ছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) অফিশিয়াল ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট। গত ১ নভেম্বর রাত থেকে অ্যাকাউন্টটির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করছে হ্যাকাররা।

বিসিবি সূত্রে জানা গেছে, এরই মধ্যে অ্যাকাউন্টটি থেকে বোর্ডের খেলোয়াড়, কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাছে অবৈধ ক্রিপ্টোকারেন্সি, বেটিং সাইট ও ফিশিং লিংকসংক্রান্ত বার্তা পাঠানো হচ্ছে।

এ ঘটনায় নিজেদের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে জরুরি সতর্কতা প্রকাশ করেছে বিসিবি। পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত বোর্ডের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট থেকে পাঠানো কোনো লিংকে ক্লিক না করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

একই সঙ্গে এসব বার্তা এড়িয়ে চলতে এবং কোনো লিংকের মাধ্যমে ব্যক্তিগত তথ্য, পাসওয়ার্ড কিংবা লগইনসংক্রান্ত তথ্য শেয়ার না করতে সতর্ক করেছে বোর্ড।

বিসিবি আরও জানিয়েছে, অ্যাকাউন্টটি পুনরুদ্ধার এবং এর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সাইবার নিরাপত্তা দল কাজ করছে। অ্যাকাউন্টটি পুরোপুরি নিরাপদ হওয়ার পর এ বিষয়ে পরবর্তী তথ্য জানানো হবে।

নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ ও উৎপাদন বাড়ানো গেলে সমস্যার সমাধান সম্ভব: জামায়াত আমির

গার্মেন্টস শিল্পের চলমান অস্থিরতাকে খুবই উদ্বেগজনক বলে আখ্যা দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। সব পক্ষকে সংযম প্রদর্শন করে মালিক এবং শ্রমিক উভয় পক্ষকে রক্ষায় দায়িত্বশীল ভূমিকা সরকারকে পালন করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা।

এছাড়া, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত ও উৎপাদনের গতি বাড়ানো গেলে সমস্যার সমাধান সম্ভব বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

আজ রোববার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে এই অবস্থান জানিয়েছেন তিনি। জামায়াত আমির লিখেছেন,  প্রধান রপ্তানি খাত গার্মেন্টস শিল্প কঠিন অবস্থা অতিক্রম করছে। নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহে সরকারের ব্যর্থতা, জ্বালানির উচ্চমূল্য, উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি, বিশ্ববাজারে এ খাতের অনিশ্চয়তা এবং ক্রয়াদেশ বাতিল, প্রত্যাহার কিংবা আগের মতো না পাওয়া জনিত কারণে তৈরি পোশাক খাত কঠিন সময় পার করছে। অন্যদিকে ঘরভাড়া, নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি, যাতায়াত খরচ, চিকিৎসা খরচসহ এ শিল্পে কর্মরত জনশক্তির জীবনও কঠিন সংকটের মুখোমুখি।

বিরোধীদলীয় নেতা লিখেছেন, প্রধান এই রপ্তানি খাতকে টিকিয়ে রাখতে খাতটি যেসব সমস্যায় জর্জরিত হয়ে কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছে, তা দূর করার জন্য সরকারকে দ্রুতই টেকসই পদক্ষেপ নিতে হবে। যদি নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত ও উৎপাদনের গতি বাড়ানো যায়, তখন এই সমস্ত সমস্যাগুলো যৌক্তিকভাবে বিবেচনায় নিয়ে সমাধান করা সম্ভব।

শফিকুর রহমান লিখেছেন, শিল্প বাঁচলে শুধু মালিক বাঁচবে না, দেশও বাঁচবে। সুতরাং শিল্প উদ্যোক্তা ও শিল্পে নিয়োজিত জনশক্তি—দুটোকেই বাঁচানোর দায়িত্বশীল ভূমিকা সরকারকে পালন করতে হবে। সকল পক্ষকে সংযম প্রদর্শন ও নিজ নিজ জায়গা থেকে দায়িত্ববোধের পরিচয় দেওয়ার জন্য আন্তরিক আহ্বান জানাচ্ছি। এ ক্ষেত্রে যেকোনো ব্যর্থতা দেশের সমুদয় ভঙ্গুর অর্থনীতিকে ধ্বংসের শেষপ্রান্তে নিয়ে যাবে। এখানে কালক্ষেপণের সুযোগ নেই।

আওয়ামী লীগ মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে, আরেক দল জুলাই চেতনা নিয়ে ব্যবসা করছে: ধর্মমন্ত্রী

আওয়ামী লীগ মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে ব্যবসা করেছে, আরেকটি দল জুলাই চেতনা নিয়ে ব্যবসা করছে বলে মন্তব্য করেছেন ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ। তিনি বলেছেন, তারা কোনো বিষয় নিয়ে ব্যবসা করতে চান না। মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারীদের যথাযথ সম্মান দেওয়ার পাশাপাশি জুলাই চেতনাকে ভিত্তি করে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে।

সোমবার দুপুরে কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্সে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের মধ্যে অনুদান বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন মন্ত্রী। নিজের তহবিল থেকে এ অনুদান দেওয়া হয়।

কায়কোবাদ বলেন, ‘আওয়ামী লীগ মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে ব্যবসা করেছে, আরেকটি দল জুলাই চেতনা নিয়ে ব্যবসা করছে। আমরা ব্যবসা করতে চাই না। তারেক রহমান পরিষ্কারভাবে বলে দিয়েছেন, যার যার সম্মান তাকে দিতে হবে। জুলাই চেতনাকে ভিত্তি করে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। একই সঙ্গে যারা মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছেন, তাদেরও যথাযথ সম্মান জানাতে হবে।’

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা একজন মুক্তিযোদ্ধা এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান বলেও উল্লেখ করেন ধর্মমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রশংসা করে কায়কোবাদ বলেন, তিনি দেশের জন্য অনেক পরিশ্রম করেন। একদিন অফিস সময়ের পর তার সঙ্গে কথা বলার সময় তাকে অত্যন্ত ক্লান্ত দেখেছিলেন। তবে কথাবার্তায় ক্লান্তির কোনো ছাপ ছিল না। তিনি সব সময় দেশের অসহায় ও দরিদ্র মানুষের কথা চিন্তা করেন। এর প্রতিফলন হিসেবে কৃষক কার্ড ও ফ্যামিলি কার্ড চালুর ব্যবস্থা করেছেন। পাশাপাশি ইমাম, মুয়াজ্জিন ও অন্যান্য ধর্মীয় গুরুদের ভাতার ব্যবস্থাও করেছেন।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জন্য সবার কাছে দোয়া চান ধর্মমন্ত্রী। তিনি বলেন, আল্লাহ যেন তাকে সব ধরনের ষড়যন্ত্র থেকে হেফাজত করেন।

মুরাদনগর উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাকিব হাসান খান। সহকারী শিক্ষক শারমিন ফাতেমার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন মুরাদনগর, বাঙ্গরা বাজার ও তিতাস সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার এ কে এম কামরুজ্জামান, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শফিউল আলম তালুকদার, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা পাভেল খান পাপ্পু, সমাজসেবা কর্মকর্তা বরুণ চন্দ্র দে, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মহিউদ্দিন অঞ্জন ও সদস্যসচিব মোল্লা মুজিবুল হক।

অনুষ্ঠানে উপজেলা পরিষদের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী, বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

শ্রমিক বিক্ষোভ আশুলিয়ায় ২৬৪ পোশাক কারখানা বন্ধ ১২ পুলিশ সদস্য আহত

ঢাকার সাভারের আশুলিয়াসহ আশপাশের এলাকার ২৬৪টি পোশাক কারখানায় আজ সোমবার সাধারণ ছুটি ও বন্ধ ঘোষণা করেছে মালিক পক্ষ। আশুলিয়া শিল্প পুলিশের এসপি মমিনুল ইসলাম ভূঁইয়া এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। শ্রমিক অসন্তোষ থেকে বিক্ষোভে শ্রমিকেরা সকাল থেকে ফ্যাক্টরির সামনে ইট-পাটকেল ও লাঠিসোঁটা নিক্ষেপ করে।

শিল্প পুলিশ জানিয়েছে, আশুলিয়ার  পিকার্ড বাংলাদেশ, জনরন সোয়েটার, ফেরারী গার্মেন্টস, ডেনিটেক্স, আনলিমা টেক্সটাইল, আল ইসলাম টেক্সটাইল ও  জি.কিউ. ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড কারখানায়  ইট-পাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে।

এছাড়া আর্টিস্টিক ডিজাইন লিমিটেড ফ্যাক্টরির সামনে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। পুলিশের সঙ্গে শ্রমিকদের একাধিক সংঘর্ষে ১২ জন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। –

সকালে আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলে বিক্ষোভে নামেন পোশাক কারখানার শ্রমিকরা। এ সময় পুলিশের সঙ্গে শ্রমিকদের একাধিকবার সংঘর্ষ হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করেছে। বিক্ষোভের মধ্যে একটি কাভার্ড ভ্যানে আগুন দেওয়া হয়।

সোমবার সকাল থেকে আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলের কয়েকটি কারখানার শ্রমিকেরা কাজ বন্ধ করে রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ শুরু করেন। একপর্যায়ে পুলিশের সঙ্গে তাদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

ন্যূনতম মাসিক মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবিতে কয়েক দিন ধরে রাজধানী ও আশপাশের শিল্পাঞ্চলে পোশাকশ্রমিকদের মধ্যে অসন্তোষ চলছে। গাজীপুরের কালিয়াকৈরেও টানা চতুর্থ দিনের মতো ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছেন শ্রমিকেরা। সোমবার সকাল থেকে চন্দ্রা, পল্লীবিদ্যুৎ, হরিণহাটি ও সফিপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় সড়কে অবস্থান নেন তারা। এতে মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এছাড়া নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোড অবরোধ করেন পোশাক কারখানার শ্রমিকরা। দুপুর ১২টার দিকে সদর উপজেলার শিবু মার্কেট এলাকায় সড়কে অবস্থান নিয়ে অবরোধ শুরু করেন তারা। এতে ওই সড়কে যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে।

আজ সকালে আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলে বিক্ষোভে নামেন পোশাক কারখানার শ্রমিকরা। এ সময় পুলিশের সঙ্গে শ্রমিকদের একাধিকবার সংঘর্ষ হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করেছে। বিক্ষোভের মধ্যে একটি কাভার্ড ভ্যানে আগুন দেওয়া হয়।

সোমবার সকাল থেকে আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলের কয়েকটি কারখানার শ্রমিকেরা কাজ বন্ধ করে রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ শুরু করেন। একপর্যায়ে পুলিশের সঙ্গে তাদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

এদিকে পোশাক শ্রমিকদের আন্দোলনে বহিরাগত ও দুষ্কৃতকারীরা যোগ দিয়েছে বলে জানিয়েছেন আশুলিয়া শিল্প পুলিশের এসপি মমিনুল ইসলাম ভূঁইয়া। বেতন বৃদ্ধির দাবিতে শ্রমিকদের বিক্ষোভের বিষয়ে তিনি বলেন, শিল্পাঞ্চলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। কয়েকটি কারখানার শ্রমিকেরা কাজ বন্ধ করে রাস্তায় নেমেছেন। পরিস্থিতি শান্ত রাখার চেষ্টা চলছে।

কাভার্ড ভ্যানে আগুন দেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ ঘটনায় অবশ্যই আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শিল্প পুলিশের এই কর্মকর্তা ভাষ্য, তাদের কাছে তথ্য রয়েছে, আন্দোলনে বহিরাগত ও দুষ্কৃতকারীরা যোগ দিয়েছেন। সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এখন পর্যন্ত শিল্প পুলিশ কাউকে আটক করেনি। তবে এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের আটকের চেষ্টা চলছে। তিনি জানান, শিল্পাঞ্চলে ২৪ ঘণ্টা নিরাপত্তাব্যবস্থা বহাল থাকবে।

শ্রমিকদের সড়ক অবরোধ, আগুন জ্বালানো এবং যানবাহনে অগ্নিসংযোগের চেষ্টার বিষয়ে এ পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, ঢাকা জেলার ফোর্সও তাদের সঙ্গে রয়েছে। যতটা সম্ভব যান চলাচল নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করছেন তারা।

এর আগে রোববার রাজধানীর মিরপুরেও শ্রমিকদের বিক্ষোভ, সড়ক অবরোধ ও পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। শ্রমিকদের নতুন মজুরি নির্ধারণে মজুরি বোর্ড গঠনের কথা জানানো হলেও বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে তাদের অসন্তোষ পুরোপুরি কাটেনি।  শ্রমিকদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে শ্রমিক ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় বেশ কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে নিরাপত্তার কারণে জেলার বহু পোশাক কারখানায় ছুটি ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ।

গার্মেন্টস শ্রমিকদের বেতন বৃদ্ধি ও অন্যান্য দাবিকে কেন্দ্র করে চলমান শ্রম অসন্তোষ নিরসনে গাজীপুরে ১০ প্লাটুন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) মোতায়েন করা হয়েছে। আজ সোমবার সকালে গাজীপুর জেলা প্রশাসন সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ২১ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে বিজিবি সদস্যরা মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালন করছেন বলে জানিয়েছেন গাজীপুর জেলা প্রশাসক নুরুল করিম ভূঁইয়া।

শ্রমিকদের বেতন বৃদ্ধি ও অন্যান্য দাবিকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট শ্রম অসন্তোষ মোকাবিলা এবং শিল্পাঞ্চলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে বিজিবি সদস্যরা জেলা ও মহানগরের বিভিন্ন স্থানে অবস্থান নিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার দায়িত্ব পালন করছেন। শ্রম অসন্তোষের কারণে যাতে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি না হয়, সে লক্ষ্যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং শিল্পাঞ্চলে শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিচ্ছে।

এদিকে তৈরি পোশাক শিল্পে শ্রমিকদের মজুরি পুনঃনির্ধারণে ৬ সদস্যের ‘নিম্নতম মজুরি বোর্ড’ গঠন করেছে সরকার। সচিবালয়ে রোববার সংবাদ সম্মেলনে নতুন মজুরি বোর্ডের ঘোষণা দেন শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। দাবি পূরণ হওয়ায় সড়ক ছেড়ে কাজে ফিরে যেতে শ্রমকিদদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

শুক্রবার শ্রমিক নেতা এবং শনিবার তৈরি পোশাক উৎপাদন ও রপ্তানিকারক উদ্যোক্তাদের সংগঠন বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন মন্ত্রী। দুই পক্ষের আলোচনার পর গতকাল এক সংবাদ সম্মেলনে রোববার মজুরি বোর্ড গঠনের ঘোষণা দেন তিনি। ঘোষিত মজুরি বোর্ডের চেয়ারম্যান (সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ) শেখ আশফাকুর রহমানের নেতৃত্বে বাকি সদস্যরা হলেন, মালিক পক্ষের প্রতিনিধি বিজিএমইএর পরিচালক এ বি এম শামছুদ্দিন, শ্রমিক পক্ষের প্রতিনিধি হিসেবে রয়েছেন বাংলাদেশ গার্মেন্টস অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল শ্রমিক ফেডারেশনের (বিজিআইডাব্লিউএফ) সাধারন সম্পাদক বাবুল আখতার, বাংলাদেশ এমপ্লয়ার্স ফেডারেশেনর যুগ্ন মহাসচিব আসিফ আইয়ুব ও নিরপেক্ষ দুই সদস্য মোসলেহ উদ্দিন আহমদ ও আনোয়ার হোসাইন। এই বোর্ড সব পদে শ্রমিকদের নূন্যতম মজুরির সুপারিশ করবে। বোর্ডের সুপারিশের ভিত্তিতে নতুন মজুরি কাঠামো ঘোষণা ও গেজেট হিসেবে প্রকাশ করবে সরকার।

সর্বশেষ ২০২৩ সালের ডিসেম্বর মাসে পোশাক খাতে ১২ হাজার ৫০০ টাকা নিম্নতম মজুরি ঘোষণা ও কার্যকর হয়। পরের মাস থেকে বর্ধিত মজুরি পেয়ে আসছেন শ্রমিকরা। সাধারণত প্রতি পাঁচ বছর পরপর পোশাক খাতে নিম্নতম মজুরি বোর্ড গঠন করে মজুরি পুনর্নির্ধারণ করা হয়। তবে গত ১০ এপ্রিল শ্রম আইন সংশোধন বিল সংসদে পাস হয়। এতে মজুরি পুনর্নির্ধারণের সময় পাঁচ বছর থেকে কমিয়ে তিন বছর করা হয়। সেই হিসাবে নভেম্বর মাসে নতুন নিম্নতম মজুরি বোর্ড ঘোষণার কথা।

ছয় বছরে তিন গুণ সম্পত্তি, সিনেমাপ্রতি কত পারিশ্রমিক নেন সারা

০

বলিউডে অভিষেকের পর সাত বছর পেরিয়েছে। এই সময়ে অভিনয়ের পাশাপাশি বিজ্ঞাপন ও বিভিন্ন প্রচারমূলক কাজ থেকেও আয় বাড়িয়েছেন সারা আলি খান। একসময় তাঁর সম্পত্তির পরিমাণ ছিল প্রায় ১৩ কোটি রুপি।

বিভিন্ন প্রতিবেদন অনুযায়ী, বর্তমানে সেই অঙ্ক বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৪১ কোটি রুপি। অর্থাৎ ছয় বছরের ব্যবধানে তার সম্পত্তির পরিমাণ বেড়েছে প্রায় তিন গুণ। অভিনয়ের জন্য কত পারিশ্রমিক নেন এই অভিনেত্রী, তা নিয়েও রয়েছে কৌতূহল।

২০১৮ সালে ‘কেদারনাথ’ সিনেমার মাধ্যমে বড়পর্দায় অভিষেক হয় সারা আলি খানের। এরপর একের পর এক সিনেমায় অভিনয় করে বলিউডে নিজের অবস্থান তৈরি করেছেন সাইফ আলি খানের মেয়ে।

সারা আলি খান। ছবি: ফেসবুক

সারা আলি খান। ছবি: ফেসবুক

বিভিন্ন প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০১৯ সালে সারার মোট সম্পত্তির পরিমাণ ছিল প্রায় ১৩ কোটি রুপি। ২০২১ সালে তা বেড়ে দাঁড়ায় আনুমানিক ২০ কোটি রুপিতে। ২০২৫ সালে সেই অঙ্ক ছিল প্রায় ২৪ কোটি রুপি। আর সাম্প্রতিক হিসাব বলছে, বর্তমানে তাঁর সম্পত্তির পরিমাণ প্রায় ৪১ কোটি রুপি।

অভিনয়ই সারার আয়ের প্রধান উৎস। ইন্ডাস্ট্রি-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সূত্রের বরাতে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, একটি সিনেমায় অভিনয়ের জন্য প্রায় ৩ কোটি রুপি পারিশ্রমিক নেন তিনি। সিনেমার বাইরেও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন ও প্রচারমূলক কাজে অংশ নেন সারা। একটি প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য তাঁর পারিশ্রমিক প্রায় ১ কোটি রুপি বলে জানা গেছে। ফলে অভিনয়ের পাশাপাশি বিজ্ঞাপন থেকেও উল্লেখযোগ্য আয় করছেন এই অভিনেত্রী।

বিলাসবহুল গাড়ির প্রতিও আগ্রহ রয়েছে সারার। তাঁর গাড়ির সংগ্রহে রয়েছে মেরসিডিজ-বেঞ্জ জি-ক্লাস জি ৩৫০ডি ও জিপ কম্পাসের মতো দামি এসইউভি।

সারা আলি খান। ছবি: ফেসবুক

সারা আলি খান। ছবি: ফেসবুক

কাজ নিয়েও ব্যস্ত সময় পার করছেন সারা। বলিউডে নিজের অবস্থান আরও শক্ত করতে নিয়মিত নতুন সিনেমায় কাজ করছেন তিনি।

গত ২৩ অক্টোবর মুক্তি পেয়েছে তাঁর অভিনীত স্পাই-কমেডি ঘরানার সিনেমা ‘উড়তা তীর’। করণ জোহর প্রযোজিত এই ছবিতে আয়ুষ্মান খুরানার সঙ্গে জুটি বেঁধেছেন সারা।

প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে আইজেনকোটের পক্ষে ৬০, নেতানিয়াহু ৪৬ ইসরায়েলে নির্বাচন

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী পদে গাদি আইজেনকোটের নাম সুপারিশ করতে যাচ্ছে আরবদের নেতৃত্বাধীন দল জয়েন্ট লিস্ট ও রাআম। রোববার দেশটির হিব্রু ভাষার গণমাধ্যম ওয়াল্লাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এমন তথ্য জানিয়েছেন লিস্টের এক জ্যেষ্ঠ নেতা।

জেরুজালেম পোস্টের প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজগের সঙ্গে বৈঠকের সময় আরব দলগুলো আইজেনকোটের পক্ষে থাকার ইঙ্গিত দিয়েছে। আগামী বুধবার (৪ নভেম্বর) কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটির কাছে থেকে হারজগ আনুষ্ঠানিক ফলাফল গ্রহণ করবেন। এরপর তিনি নিজ বাসভবনে রাজনৈতিক দলগুলোর নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন।

রোববার এক অনুষ্ঠানে ইসরায়েলি প্রেসিডেন্ট রাজনৈতিক নেতাদেরকে ফলাফল মেনে নেওয়া এবং জোট সরকার গঠনের আলোচনায় নমনীয় হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি সতর্ক করে বলেন, কোনো পক্ষ অনড় অবস্থান নিলে দেশ নতুন করে নির্বাচন আয়োজনের পরিস্থিতিতে পড়বে।

হারজগ বলেন, ‘তাদের খোলা মন নিয়ে আসতে (বাসভবনে) হবে। একে অপরের কথা শুনতে হবে, ভাবনা বিনিময় করতে হবে। নতুন কোনো নির্বাচনের পরিস্থিতি এড়াতে সৃজনশীল সমাধান খুঁজে বের করতে হবে।’

৬০ বনাম ৪৬
ইসরায়েলি গণমাধ্যম ওয়াইনেট রোববার জানিয়েছে, প্রেসিডেন্টের সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর বৈঠক বুধবার শুরু হয়ে বৃহস্পতি এমনকি শুক্রবার পর্যন্ত গড়াতে পারে। আইন অনুযায়ী, আনুষ্ঠানিক ফল প্রকাশের সাতদিনের মধ্যে প্রেসিডেন্ট আলোচনার প্রক্রিয়া শেষ করে সরকার গঠনের জন্য একজনকে দায়িত্ব দেবেন।

যে নেতার প্রতি অন্য আইনপ্রণেতাদের সমর্থন বা সুপারিশ বেশি থাকে সাধারণত তাঁকে সরকার গঠনের দায়িত্ব দেওয়া হয়। বর্তমান হিসাব অনুযায়ী, এ দায়িত্ব পেতে পারেন আইজেনকোট। আরব দলগুলোসহ তাঁর পক্ষে ৬০টি সুপারিশ থাকার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। চেঞ্জ ব্লকের শরিক ইসরায়েল বেইতেনু সুপারিশ করলে শেষ পর্যন্ত সংখ্যাটি বেড়ে দাঁড়াবে ৬৭।

অন্যদিকে, লিকুদ, ওতজমা ইহুদিত, শাস ও রিলিজিয়াস জায়োনিজমের কাছে থেকে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ৪৬টি সুপারিশ পেতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। ইউনাইটেড তোরাহ জুডাইজমের সাতটি আসনের অবস্থান এখনো অনিশ্চিত। ফলে দলটি আলোচনা চলাকালে কোনো পক্ষের দিকে নাও যেতে পারে।

তবে সবচেয়ে বেশি সুপারিশ পেলেই স্থায়ী সরকার গঠন নিশ্চিত হয় না। দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতার পরবর্তী চ্যালেঞ্জ হবে রাজনৈতিক সমর্থনকে কার্যকর জোটে রূপ দেওয়া। যাতে পার্লামেন্টের (নেসেট) আস্থা ভোটেও জয় নিশ্চিত করা যায়।

তাহসিফ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দ্বীপকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ

বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা কে এম তাহসিফ সাউরির মৃত্যুর ঘটনায় গ্রেপ্তার আহমেদ শাহরিয়ার রেজা দ্বীপকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। রোববার রাজধানীর উত্তরখান থানায় তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

তদন্তসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, থানায় পুলিশের ঊর্ধ্বতন একাধিক কর্মকর্তা দ্বীপকে জিজ্ঞাসাবাদ করছেন। এর আগে শনিবার তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা টঙ্গী নৌপুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক (নিরস্ত্র) ফিরোজ উদ্দিন। শুনানি শেষে আদালত তার চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, মামলার মূল রহস্য উদ্‌ঘাটন, অজ্ঞাতনামা আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার এবং আলামত উদ্ধারের জন্য দ্বীপকে নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন।

আবেদনে উল্লেখ করা হয়, গত ২৭ অক্টোবর সন্ধ্যা ৬টার দিকে কে এম তাহসিফ সাউরিকে ডেকে নিয়ে বাইরে যান দ্বীপ। পরদিন বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে পুলিশ জানতে পারে, উত্তরখান থানার রাজাবাড়ী ঘাটসংলগ্ন তুরাগ নদে একটি অজ্ঞাতপরিচয় মরদেহ ভাসছে। পরে মরদেহের সুরতহাল তৈরির সময় পরনের ট্রাউজারের পকেটে থাকা আইফোনের মাধ্যমে তার পরিচয় শনাক্ত হয়। তিনি বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা কে এম তাহসিফ সাউরি বলে জানা যায়।

রিমান্ড আবেদনে আরও বলা হয়, তাহসিফের পরিচয় শনাক্তের পর তার মৃত্যুর ঘটনায় করা মামলায় সন্দেহভাজন হিসেবে দ্বীপকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাকে আদালতে হাজির করা হয়।

গত ২৭ অক্টোবর সন্ধ্যায় দ্বীপের সঙ্গে বাসা থেকে বের হন তাহসিফ। পরদিন বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে তুরাগ নদের রাজাবাড়ী ঘাট এলাকা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে নৌপুলিশ। এ ঘটনায় গত শুক্রবার দিবাগত রাতে তাহসিফের বাবা এনায়েতুল করিমের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে উত্তরখান থানায় হত্যা মামলা করা হয়। ওই মামলায় দ্বীপকে গ্রেপ্তার দেখায় পুলিশ।

এবার জার্মানিতে জেন-জি বিক্ষোভ সহিংস, দোকানপাটে লুটপাট

জার্মানিতে শিক্ষা খাতে বিনিয়োগ বাড়ানো ও জীবনযাত্রার ব্যয় কমানোর দাবিতে জেন-জি নেতৃত্বাধীন বিক্ষোভ সহিংসতায় রূপ নিয়েছে। শনিবার রাতে দেশটির ফ্রাঙ্কফুর্ট শহরে মুখোশধারী বিক্ষোভকারীরা বিভিন্ন দোকানে লুটপাট চালিয়েছেন। এ সময় আরও কয়েকটি দোকান ভাঙচুর করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কাজ করে পুলিশ।

শনিবার জার্মানির বড় শহরগুলোতে হাজারো মানুষ বিক্ষোভে অংশ নেন। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘জেন জেড রেগেল্ট’ (জেন-জিরাই দায়িত্ব নেবে) নামের একটি সংগঠনের উদ্যোগে দেশটির ৩৪টি শহরে এ কর্মসূচি পালিত হয়। বার্লিন, ফ্রাঙ্কফুর্ট ও মিউনিখ ছিল এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য।

বিক্ষোভকারীদের দাবি, শিক্ষা খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে, জীবনযাত্রার ব্যয় কমাতে হবে এবং বাধ্যতামূলক সামরিক নিয়োগ বন্ধ করতে হবে। এ ছাড়া শিক্ষা, সামাজিক সেবা, সংস্কৃতি ও স্বাস্থ্য খাতে সরকারি ব্যয় কমানোরও প্রতিবাদ জানান তারা।

জার্মানির আর্থিক কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত ফ্রাঙ্কফুর্টে অন্তত দুটি দোকানে লুটপাট চালানো হয়েছে। রয়টার্সের একজন প্রত্যক্ষদর্শী জানান, আরও কয়েকটি দোকান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশকে তৎপর হতে দেখা যায়।

জার্মানির আর্থিক কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত ফ্রাঙ্কফুর্টে অন্তত দুটি দোকানে লুটপাট চালানো হয়েছে। ছবি: রয়টার্স

জার্মানির আর্থিক কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত ফ্রাঙ্কফুর্টে অন্তত দুটি দোকানে লুটপাট চালানো হয়েছে। ছবি: রয়টার্স

ফ্রাঙ্কফুর্ট পুলিশ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে জানায়, শহরের কেন্দ্রে সহিংস পরিস্থিতি অব্যাহত রয়েছে। কয়েকটি দোকানের জানালা ভাঙচুর করা হয়েছে। জরুরি সেবায় নিয়োজিত কর্মীদের লক্ষ্য করে পেট্রলবোমাও নিক্ষেপ করা হচ্ছে। এ অবস্থায় সাধারণ মানুষকে শহরের কেন্দ্রীয় এলাকা এড়িয়ে চলার অথবা সেখান থেকে সরে যাওয়ার আহ্বান জানায় পুলিশ।

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ফ্রাঙ্কফুর্ট, মিউনিখ ও বার্লিনে বিক্ষোভকারীর সংখ্যা ছিল প্রায় ১৮ হাজার। তবে আয়োজকেরা শুরুতে দেশজুড়ে ১ লাখ ৮২ হাজার মানুষের অংশগ্রহণের আশা করেছিলেন। তাদের ওয়েবসাইটে উল্লেখ করা প্রায় ৩৬ হাজার অংশগ্রহণকারীর তুলনায় পুলিশের হিসাব অর্ধেক।

জার্মান কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শনিবারের বিক্ষোভের বড় অংশই ছিল শান্তিপূর্ণ। তবে উগ্রপন্থী গোষ্ঠীগুলো এই আন্দোলনকে নিজেদের স্বার্থে ব্যবহারের চেষ্টা করতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে। হামবুর্গে কয়েকটি ব্যারিকেডে আগুন দেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে।

‘জেন জেড রেগেল্ট’-এর মুখপাত্র লিনা ফ্রিডরিখ শনিবার বার্লিনে বলেন, ‘যুদ্ধ ও জবরদস্তির পরিবর্তে শান্তি ও স্বাধীনতার জন্য আমরা এখানে এসেছি।’

তিনি আরও বলেন, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা ব্যবস্থায় আরও ভালো সহায়তা নিশ্চিত করাই তাদের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তারা বাধ্যতামূলক সামরিক নিয়োগের বিরোধী এবং দায়িত্বের বোঝা সবার মধ্যে ন্যায্যভাবে বণ্টনের পক্ষে।

জার্মানির কোলনে স্কুলে অর্থায়ন সংকট, শিক্ষা, সামাজিক সেবা, সংস্কৃতি ও স্বাস্থ্য খাতে ব্যয় কমানো, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি এবং বাধ্যতামূলক সামরিক নিয়োগের প্রতিবাদে ‘জেন জেড রেগেল্ট’ আয়োজিত দেশব্যাপী বিক্ষোভে অংশ নিয়েছেন মানুষ। ছবি: রয়টার্স

জার্মানির কোলনে স্কুলে অর্থায়ন সংকট, শিক্ষা, সামাজিক সেবা, সংস্কৃতি ও স্বাস্থ্য খাতে ব্যয় কমানো, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি এবং বাধ্যতামূলক সামরিক নিয়োগের প্রতিবাদে ‘জেন জেড রেগেল্ট’ আয়োজিত দেশব্যাপী বিক্ষোভে অংশ নিয়েছেন মানুষ। ছবি: রয়টার্স

আতঙ্কে দোকানের জানালা বন্ধ

জার্মানির কয়েকটি শহরে বিক্ষোভ ঘিরে সহিংসতার আশঙ্কায় আগেভাগেই দোকানপাট বন্ধের প্রস্তুতি নেওয়া হয়। বার্লিনের অভিজাত কুরফুরস্টেনডাম বিপণিবিতান এলাকার কিছু দোকানের জানালা কাঠের পাটাতন দিয়ে বন্ধ করে দেওয়া হয়।

জার্মানির কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, দেশটির উগ্র বামপন্থী গোষ্ঠীর কিছু অংশ এবং বিদেশি উগ্রপন্থী সংগঠনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কয়েকটি গোষ্ঠী আন্দোলনে সমর্থন জোগাড়ের চেষ্টা করেছে।

হেসে রাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রোমান পোসেক বলেন, ফ্রান্সের বিক্ষোভে দোকানপাট লুটপাট, বাড়িঘরে আগুন, পুলিশের গাড়ি পোড়ানো এবং পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলার দৃশ্য সবার মনে রয়েছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ডের ক্ষেত্রে ফ্রান্সকে আদর্শ হিসেবে তুলে ধরা উচিত নয়।

অন্যদিকে মিউনিখের সমাবেশে বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে ১৮ বছর বয়সী স্টিভের। তিনি জার্মানির চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্ৎসের উদ্দেশে বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে তাদের উদ্বেগের কোনো সমাধান দেওয়া হয়নি। বরং ব্যয় সংকোচন ও সাধারণ মানুষের ওপর বাড়তি চাপ অব্যাহত রয়েছে। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত তারা সমাবেশ করার সাংবিধানিক অধিকার প্রয়োগ করে যাবেন।

জার্মানিতে দীর্ঘদিন ধরে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বাড়ানোর চেষ্টা চলছে। একই সঙ্গে অবসরপ্রাপ্ত মানুষের সংখ্যা বাড়া এবং কর্মক্ষম জনগোষ্ঠী কমে যাওয়ায় পেনশন ও সরকারি সেবা খাতেও চাপ তৈরি হয়েছে।

তবে আন্দোলনটি কতটা প্রকৃত অর্থে তরুণদের নেতৃত্বে পরিচালিত হচ্ছে, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। কারণ, এতে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও নাগরিক সংগঠনের অংশগ্রহণ রয়েছে। দেশটির জাতীয় স্কুলশিক্ষার্থী সংগঠন বিএসকে এই উদ্যোগ থেকে নিজেদের দূরে সরিয়ে নিয়েছে। তারা আগামী ২০ নভেম্বর আলাদা বিক্ষোভ কর্মসূচি পালনের পরিকল্পনা করেছে।

বার্লিনের টেকনিক্যাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী শন বেকারও শনিবারের বিক্ষোভে অংশ নেওয়ার কথা জানান। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভবনগুলোর বেহাল অবস্থা তুলে ধরাই তার উদ্দেশ্য। রয়টার্সকে তিনি বলেন, ভবনের ভেতরে প্রবেশ করলে পরিত্যক্ত বাড়ির মতো মনে হয়। অথচ শিক্ষার্থীদের নিয়মিত সেখানে পড়াশোনা করতে হচ্ছে।

জামায়াত জোটের লংমার্চ গণভোট অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফর নিয়ে প্রশ্ন

গণভোটে অনুমোদিত জুলাই জাতীয় সনদ অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাপান সফর নিয়ে প্রশ্ন তুলে বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর নিয়ে কোনো লুকোচুরি হচ্ছে কিনা– জাতি তা পরিষ্কার জানতে চায়। কানেকটিভিটির নামে বাংলাদেশকে কারও কাছে ইজারা দেওয়া চলবে না।’

১১ দলের নেতারা অভিযোগ করেছেন, মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর নিয়ে জাপানের সঙ্গে যে চুক্তি হচ্ছে, তাতে আদতে কক্সবাজার থেকে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলোকে করিডোর দেওয়া হবে। এই চুক্তি মানবে না জামায়াত জোট।

গণভোটের ফল বাস্তবায়নসহ সাত দফা দাবিতে গতকাল শনিবার ঢাকা থেকে মুন্সীগঞ্জ, শরীয়তপুর, মাদারীপুর, ফরিদপুর, গোপালগঞ্জ, বাগেরহাট, খুলনা, যশোর, ঝিনাইদহ হয়ে কুষ্টিয়া পর্যন্ত ৪১০ কিলোমিটার দীর্ঘ লংমার্চ করে জামায়াত জোট। সকালে বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটের সমাবেশ থেকে শুরু হওয়া লংমার্চ রাতে কুষ্টিয়া জিলা স্কুল মাঠে সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়। এতে দেড় হাজারের মতো গাড়ি অংশ নেয়। পথে পথে হয় পথসভা। পুরো পথে রাস্তার দুই পাশে ছিলেন জামায়াত এবং জোটের শরিক দলের নেতাকর্মীরা।

প্রতারণা করে সরকার পার পাবে না
গতকাল সকালে রাজধানীর গুলিস্তান, জিপিও এলাকায় জমায়েত হন জামায়াতের হাজারো নেতাকর্মী। ১১ দলের শরিকদের মধ্যে খেলাফতের কিছু নেতাকর্মী ছিলেন। গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময়কার গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ, জ্বালানি, গ্যাস ও সারের সংকট নিরসন; নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণ; আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি; দুর্নীতি-চাঁদাবাজি ও দখলদারি বন্ধ; প্রশাসনের সর্বস্তরে দলীয়করণ বন্ধসহ সাত দফা দা‌বি‌তে লংমার্চ কর‌ছে জামায়াত জোট। ৫ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম ও ১৯ সেপ্টেম্বর রংপুর অভিমুখে লংমার্চ করেছিল তারা। আগামী ২১ নভেম্বর হ‌বে সিলেট অভিমুখে লংমার্চ।

খুলনা বিভাগ অভিমুখী লংমার্চের উদ্বোধনী সমাবেশে শফিকুর রহমান জাপানের সঙ্গে চুক্তি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। ভারত ও আওয়ামী লী‌গের সম্প‌র্কের প্রতি ইঙ্গিত ক‌রে তিনি বিএন‌পি সরকা‌রের উদ্দে‌শে ব‌লেন, ‘অতীতে যারা দাসত্ব স্বীকার করেছিল, তাদের পরিণতি তারা এখন ভোগ করছে। তাদের তো দিদি-দাদা ছিল, আপনাদের কে আছে? জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করে পার পাবেন না।’

সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে অলি আহমদ বলেন, ব্যবস্থা ভালো না থাকলে দেশ ভালোভাবে চলতে পারে না। মামুনুল হক বলেন, সরকার গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন না করে গাদ্দারি করছে। জনগণকে অসম্মান করছে।

যশোরের মুড়লী মোড়ে লংমার্চে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল গোলাম পরওয়ার বলেন, বিএনপি সরকার আট মাসেই দেশ ধ্বংস করে দিয়েছে।
যশোরে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, বিএনপি সরকার যদি ক্রসফায়ার দেওয়া শুরু করে, তাহলে নিজের দলে আর লোক খুঁজে পাবে না। বিএনপির সবাই চাঁদাবাজি করে না– এটা যেমন সত্য। আবার যারা চাঁদাবাজি করে তারা প্রত্যেকেই বিএনপি– এটিও তেমন সত্য।

এনসিপির শীর্ষ নেতারা ছিলেন না 
১১ দলের শীর্ষ নেতার লংমার্চে অংশ নিলেও এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ও সদস্য সচিব আখতার হোসেন ছিলেন না। জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক হাসনাত আবদুল্লাহ, যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদিব, আবদুল হান্নান মাসউদ এবং যুগ্ম সদস্য স‌চিব এসএম সাইফ মুস্তা‌ফিজ পথসভায় যোগ দেন। ঠাকুরগাঁওয়ের উপনির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ তোলার পর বিএনপি প্রার্থীর হাতে মিষ্টি খাওয়ায় জামায়াতের সমালোচনাও করেন হাসনাত।

এন‌সি‌পি সূত্র জানি‌য়ে‌ছে, দল‌টি জামায়াত নিয়‌ন্ত্রিত– এমন সমালোচনা‌কে ভুল প্রমা‌ণে জো‌টের কর্মসূ‌চি‌তে স‌ক্রিয়তা কমা‌চ্ছে। নিজস্ব কর্মসূ‌চি‌ নি‌য়ে সরব হওয়ার সিদ্ধান্ত নি‌য়ে‌ছে।

লংমার্চে ১১ দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ, নেজামে ইসলাম পার্টির আমির আব্দুল কাইয়ুম ছোবহানী, জাগপার সহসভাপতি ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধান, লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরানসহ জামায়াতের কেন্দ্রীয় নেতা এবং সংসদ সদস্যরা বক্তৃতা করেন।

লংমার্চের বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে, নিহত ১  
সাতক্ষীরা প্রতিনিধি জানান, লংমার্চের একটি বাস এক পথচারীকে বাঁচাতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশের খাদে খাদে পড়ে গেছে। ওই বাসের ধাক্কায় আব্দুল খালেক (৬৫) নামে একজন আহত হন। হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান। এ সময় আহত হন বাসের চালকসহ ১০ জন যাত্রী।

গতকাল শনিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে সাতক্ষীরা-খুলনা মহাসড়কে সাতক্ষীরার তালা উপজেলার চারা বটতলা নামক স্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে। আব্দুল খালেক তালা উপজেলার কাশিয়াডাঙ্গা গ্রামের মৃত আফতাব মোড়লের ছেলে।