ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ দাবিতে আয়োজিত বিক্ষোভে নজিরবিহীন ধরপাকড় চালিয়েছে দিল্লি পুলিশ ও কেন্দ্রীয় প্রশাসন। গতকাল শনিবার নয়াদিল্লির যন্তরমন্তরে এই কর্মসূচি ঠেকাতে পুরো রাজধানী কার্যত লকডাউন করে ফেলা হয়। আন্দোলন দমাতে মধ্য দিল্লিতে ২৪ ঘণ্টার জন্য মোবাইল ইন্টারনেট বন্ধ রাখার পাশাপাশি ৪৫টির বেশি মেট্রোস্টেশন এবং রাজধানীর সঙ্গে আড়াইশটির বেশি ট্রেনযাত্রা বাতিল করা হয়।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজিরবিহীন কড়াকড়ির কারণে যন্তরমন্তরে কোনো বিক্ষোভকারী ঢুকতে পারেননি। তবে দিল্লির এই বিক্ষোভের উত্তাপ মুম্বাই, বেঙ্গালুরু, কলকাতা, চেন্নাইসহ দেশটির প্রধান শহরগুলোতে ছড়িয়ে পড়েছে।
রয়টার্স ও ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের খবরে বলা হয়েছে, দিনভর চলা সাঁড়াশি অভিযানে চার সাবেক মুখ্যমন্ত্রী– পশ্চিমবঙ্গের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, দিল্লির অরবিন্দ কেজরিওয়াল, কেরালার পিনারাই বিজয়ন, ত্রিপুরার মানিক সরকারসহ বিরোধী দলগুলোর শীর্ষস্থানীয় নেতাদের আটক করা হয়েছে। এ ছাড়া সিজেপি প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে, ইউটিউবার ধ্রুব রাঠি, এআইএসএ নেত্রী নেহা বোরাসহ গতকাল সন্ধ্যা পর্যন্ত রাজধানীজুড়ে প্রায় ছয় হাজার বিক্ষোভকারীকে আটক করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এভাবে গণআটকের ঘটনায় উদ্বেগ জানিয়েছে জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনারের দপ্তর।
ভোটার তালিকা থেকে প্রায় ১৩ কোটি নাম বাদ দেওয়ার বিতর্কিত স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন (এসআইআর) প্রক্রিয়ার প্রতিবাদে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) আহ্বানে এই আন্দোলন গড়ে ওঠে। এই পরিস্থিতিতেও বিক্ষোভ চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে সিজেপি। গতকাল রাতে এক্সে এক পোস্টে দলটি জানিয়েছে, ‘আমরা পিছু হটছি না। আগামীকাল (রোববার) আমরা ফের যন্তরমন্তরের দিকে মার্চ করব এবং আমাদের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত সেখানেই অবস্থান করব।’
এর আগে পূর্ব ঘোষিত বিক্ষোভ দমন এবং যন্তরমন্তরে জমায়েত হওয়া ঠেকাতে সরকার নজিরবিহীন কড়াকড়ি আরোপ করে। দিল্লি মেট্রোরেল করপোরেশনের নির্দেশ অনুযায়ী, শুক্রবার রাত থেকে বন্ধ থাকা ৪৫টির বেশি মেট্রোস্টেশন গতকাল রাত ১০টা পর্যন্ত সম্পূর্ণ বন্ধ রাখা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে জনপথ ও কর্তব্য পথ এলাকার চারপাশে চার কিলোমিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে ২৪ ঘণ্টার জন্য মোবাইল ইন্টারনেট পরিষেবা সম্পূর্ণ বন্ধ রাখা হয়। নয়াদিল্লি ও হজরত নিজামউদ্দিন রেলওয়ে স্টেশনসহ বিভিন্ন রুটে অন্তত ২৫০টি ট্রেন চলাচল বাতিল করা হয়।
রাজধানীর প্রধান সড়কগুলোয় অন্তত ৩৭টি বেশি পয়েন্টে বসানো হয় বিশেষ নিরাপত্তা বলয়। কেন্দ্রীয় ও আধা সামরিক বাহিনীর প্রায় ২৫ হাজার জওয়ান ও পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।
সিজেপিপ্রধান আটক
বিক্ষোভের শুরু থেকেই সাঁড়াশি অভিযান চালায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে এবং শীর্ষ নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা মুম্বাই থেকে দিল্লিতে অবতরণ করার সঙ্গে সঙ্গে বিমান থেকেই তাদের আটক করে পুলিশ। সিজেপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পুলিশ তাদের কোথায় রেখেছে বা তাদের শারীরিক অবস্থা কেমন, সে বিষয়ে কোনো তথ্য দেওয়া হচ্ছে না। এমনকি দীপকের নানি মারা যাওয়ার খবর আসার পরও পুলিশ প্রশাসন উপযুক্ত সহযোগিতা করেনি বলে অভিযোগ করে দলটি।

দিল্লিতে সিইসির পদত্যাগ দাবিতে বিক্ষোভ ঘিরে গতকাল শনিবার অন্যদের পাশাপাশি এআইএসএ সভাপতি নেহা বোরা (বাঁয়ে), পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও দিল্লির সাবেক মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে আটক করা হয়। কয়েক ঘণ্টা পর তারা মুক্তি পান এএফপি, এক্স
এদিন যন্তরমন্তরের দিকে যাওয়ার সময় বা নিজ বাসার সামনে থেকে বিরোধী জোট ইন্ডিয়ার শীর্ষস্থানীয় নেতাদের আটক করা হয়। দিল্লির লোধি এস্টেটে নিজের বাড়ির সামনে থেকে কেজরিওয়ালকে আটক করার সময় পুলিশ তাঁকে টেনেহিঁচড়ে প্রিজন ভ্যানে তোলে। অন্যদিকে, মুখে ব্যান্ডেজ বেঁধে দক্ষিণ অ্যাভিনিউতে অবস্থান নেওয়া পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আটক করে পুলিশ। কেরালার সাবেক মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন অভিযোগ করেন, বিরোধীদের কণ্ঠরোধ করতেই নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের আটক করে পুলিশ ভ্যানে করে ঘোরানো হয়েছে।
এ ছাড়া সিপিআই (এম) নেতা বৃন্দা কারাত, দীপঙ্কর ভট্টাচার্য, এম এ বেবি, সমাজকর্মী যোগেন্দ্র যাদব, প্রশান্ত ভূষণ, আপ নেতা সঞ্জয় সিং, সৌরভ ভরদ্বাজ, গোপাল রাই এবং তৃণমূলের ডেরেক ও’ব্রায়েন, দোলা সেন, সাকেত গোখলেসহ বহু নেতাকর্মীকে আটক করা হয়। আন্দোলনকারীদের ছত্রশাল স্টেডিয়াম, দ্বারকা এবং বানওয়ার রাজীব গান্ধী স্টেডিয়ামে আটকে রাখা হয়। পাশাপাশি গুরুগ্রামের সেক্টর ৫৬-এর একটি ফ্ল্যাট থেকে জনপ্রিয় ইউটিউবার ধ্রুব রাঠিকেও যৌথ অভিযানে আটক করে গোয়েন্দা বাহিনী।
অন্য রাজ্যেও প্রতিবাদ, দমনপীড়ন
দিল্লির প্রতিবাদের প্রভাব ছড়িয়ে পড়েছে ভারতের অন্যান্য শহরেও। বেঙ্গালুরু, মুম্বাই, চেন্নাই, চণ্ডীগড়, কলকাতা, পাটনা ও হায়দরাবাদে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও ছাত্র সংগঠনের উদ্যোগে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। বেঙ্গালুরুর ফ্রিডম পার্কে মিছিল শুরুর আগেই অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থীকে আটক করে পুলিশ। মুম্বাইয়ের ঐতিহাসিক আগস্ট ক্রান্তি ময়দানে এক নারী আন্দোলনকারীকে আটকের সময় পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তির ছবি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে শতাধিক ব্যক্তিকে আটক করা হয়; তাদের মধ্যে মহাত্মা গান্ধীর প্রপৌত্র তুষার গান্ধী এবং অভিনেতা ইমরান খানও রয়েছেন।
অন্যদিকে, চেন্নাইয়ে এআইএসএফ ও এআইওয়াইএফ কর্মী-সমর্থকরা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ দেখান। তামিলনাড়ুর তিরুনেলভেলিতেও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হয়। চণ্ডীগড়ে আম আদমি পার্টি (আপ) এবং কলকাতায় বিভিন্ন কলেজের শিক্ষার্থীরা সংহতি মিছিলের ডাক দিয়েছেন। পাটনা ও হায়দরাবাদেও ছাত্র সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে প্রতিবাদ কর্মসূচির খবর পাওয়া গেছে।
অন্ধ্রপ্রদেশের বিশাখাপত্তনমে ইন্ডিয়া জোটের নেতারা ও ছাত্র সংগঠনগুলো বিশাল বিক্ষোভ মিছিল করেন। পাশাপাশি মুম্বাইয়ে শিবসেনা (ইউবিটি) বিধায়ক বরুণ দেশাইসহ অনেক নেতাকর্মীকে আটক করা হয়।
বিক্ষোভ থামবে না, লড়াই চলবে: রাহুল গান্ধী
ব্যাপক এই দমনপীড়নের তীব্র নিন্দা জানিয়ে লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী চেন্নাই থেকে এক বার্তায় বলেন, ‘সবাইকে গ্রেপ্তার করুন– নেতাদের, তরুণদের, আমাদের সবাইকে। আমরা চারপাশ থেকে ঘিরে ধরছি এবং পিছু হটছি না।’ তিনি দেশের তরুণ প্রজন্মকে অভিনন্দন জানিয়ে বিক্ষোভ চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।
কংগ্রেসসহ ইন্ডিয়া জোটের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আগামী সোমবার জোটের নেতারা সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে একটি স্মারকলিপি জমা দেবেন। এর আগে তারা রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর কাছেও স্মারকলিপি পেশ করেছিলেন। তাদের প্রধান দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে– সিইসি জ্ঞানেশ কুমারের অবিলম্বে পদত্যাগ, প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও কমিশনারদের আমৃত্যু আইনি সুরক্ষাদানকারী ২০২৩ সালের আইন বাতিল, ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়া ১৩ কোটি ৩০ লাখ ভোটারের নাম ফের অন্তর্ভুক্ত করা এবং বিতর্কিত ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়ার স্থায়ী স্থগিতাদেশ।
বিজেপির কঠোর অবস্থান
শাসক দল ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) এবং কেন্দ্র সরকার পুরো দমনপীড়ন ও কড়াকড়ির পক্ষে শক্ত অবস্থান নিয়েছে। এক প্রেস ব্রিফিংয়ে বিজেপির জাতীয় মুখপাত্র রবিশঙ্কর প্রসাদ বলেন, ভারত কোনো ব্যানানা রিপাবলিক (কলা প্রজাতন্ত্র) নয় এবং নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে দেশ কখনও মাথা নত করবে না। দেশের শাসনব্যবস্থা সংসদের মাধ্যমে পরিচালিত হবে, রাস্তার বিশৃঙ্খলা দিয়ে নয়।
সবাইকে মুক্তি না দিলে অনশনের ঘোষণা সোনম ওয়াংচুকের
বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে আটক সবাইকে রোববারের মধ্যে মুক্তি দেওয়া না হলে অনশন কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ম্যাগসাইসাই পুরস্কারজয়ী শিক্ষাবিদ ও পরিবেশ আন্দোলনকর্মী সোনম ওয়াংচুক। এক্সে দেওয়া এক বার্তায় তিনি লিখেছেন, ‘গতকাল যখন আমি ঐক্য ও শান্তির জন্য আবেদন জানিয়ে বার্তা দিয়েছিলাম, তখন কল্পনাও করতে পারিনি যে বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্র একটি অঘোষিত জরুরি অবস্থার মুখে পড়বে। রোববারের মধ্যে মুক্তি না দিলে আমি অনশন বা পদযাত্রা শুরু করতে বাধ্য হব।’
বিক্ষোভকারীদের অবিলম্বে মুক্তির আহ্বান
ভারতে চলমান বিক্ষোভে ‘অযৌক্তিকভাবে আটক’ ব্যক্তিদের অবিলম্বে মুক্তি দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনারের দপ্তর। গতকাল এক বিবৃতিতে সংস্থাটি জানিয়েছে, ‘দিল্লিতে বিক্ষোভের আগে ও চলাকালে বিক্ষোভকারী, আন্দোলনের নেতা, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, আইনজীবী এবং সাংবাদিকদের গণআটকের খবরে আমরা উদ্বিগ্ন। যাদের অযৌক্তিকভাবে আটক করা হয়েছে, তাদের অবিলম্বে ও নিঃশর্তে মুক্তি দিতে হবে।
মমতা, কেজরিওয়াল ও নেহা বোরাকে মুক্তি
দিনভর কয়েক হাজার বিক্ষোভকারীকে আটকের পর সন্ধ্যা থেকে তাদের মুক্তি দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরুর কথা জানায় দিল্লি পুলিশ। পরে পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা, দিল্লির সাবেক মুখ্যমন্ত্রী কেজরিওয়াল ও অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের (এআইএসএ) সভাপতি নেহা বোরাকে ছেড়ে দেয় পুলিশ। মমতার সঙ্গে আটক বাকি তৃণমূল নেতাদেরও ছেড়ে দেওয়া হয়।
আন্দোলন যেভাবে শুরু
গত মাসে ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ হওয়ার পর প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) পদত্যাগ দাবিতে এই আন্দোলন শুরু হয়। ওই প্রতিবেদনে উঠে আসে, ভারতে ভোটার তালিকা সংশোধন, নিবন্ধন পদ্ধতি ও ডিজিটাল ব্যবস্থা নিয়ে দুই নির্বাচন কমিশনার অনেকবার প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কাছে উদ্বেগ জানিয়েছিলেন। কিন্তু তিনি তাতে গুরুত্ব দেননি।
ওই প্রতিবেদন প্রকাশের পর কংগ্রেসসহ বিরোধী দলগুলো বিজেপির বিরুদ্ধে ভোট চুরির অভিযোগ এনে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ দাবিতে আন্দোলন শুরু করে। এর এক পর্যায়ে এই দাবি নিয়ে মাঠে নামে সিজেপি। তরুণদের নেতৃত্বে গড়ে ওঠা এই সিজেপির কয়েক সপ্তাহের আন্দোলনের মুখে গত জুলাইয়ে পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছিলেন মোদির সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান।
সুপ্রিম কোর্টে আদালত অবমাননার বিশেষ শুনানি আজ
দিল্লিতে বিক্ষোভ ঠেকাতে ট্রেন ও মেট্রো চলাচল বন্ধের মাধ্যমে আদালতের আদেশ লঙ্ঘনের অভিযোগে আজ রোববার সুপ্রিম কোর্টে বিশেষ শুনানি হবে। আবেদনে বলা হয়, নির্দেশ অমান্য করে গণপরিবহন বন্ধ রাখা সুপ্রিম কোর্টের কর্তৃত্ব ক্ষুণ্ন করা ও নাগরিকদের অধিকার হরণের শামিল।
এর আগে গত শুক্রবার প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ শনিবারের কর্মসূচিতে ট্রেন ও মেট্রো বন্ধ না করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। সলিসিটর জেনারেলের আশ্বাসের পরও ৪৫টির বেশি মেট্রোস্টেশন ও ২৫০টির বেশি ট্রেন বাতিল করে সরকার।


