একক প্রার্থীর চ্যালেঞ্জে বিএনপি, ইসিতে আশ্বস্ত নয় জামায়াত

ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন অনুষ্ঠানের সময়সূচি ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এবারের নির্বাচন পাঁচটি ধাপে আয়োজন করা হবে। প্রথম ধাপের ভোট হবে আগামী বছরের ২১ জানুয়ারি।

গতকাল সোমবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের সভাকক্ষে ইসির ১৩তম কমিশন সভায় সময়সূচি চূড়ান্ত করে কমিশন। পরে নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ ভোটের রোডম্যাপ প্রকাশ করেন। তিনি জানান, আগামী ২১ জানুয়ারি থেকে ২৭ মে পর্যন্ত পাঁচ ধাপে  ৪ হাজার ৩০০ ইউপির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

স্থানীয় নির্বাচনের এই সময়সূচি নিয়ে বিএনপি কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি। তবে চলতি বছরের নভেম্বর থেকে স্থানীয় নির্বাচন শুরুর ঘোষণা দিয়েও সরকারের প্রতিক্রিয়ার পর নির্বাচন কমিশন একবার পিছিয়ে যাওয়ায় ঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী সাংবিধানিক সংস্থাটি নির্বাচন আয়োজন করতে পারবে কিনা– এ নিয়ে সন্দিহান বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী।

জামায়াত বলছে, অভ্যন্তরীণ কোন্দলে হানাহানি হতে পারে এমন আশঙ্কায় সরকারি দল নির্বাচন চায় না। এ পরিস্থিতিতে নির্বাচন হবে কিনা, সন্দেহ রয়েছে। তবে জামায়াত নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত। এনসিপিও দ্রুত স্থানীয় নির্বাচন চায়।

জামায়াত ২০২৫ সালের শুরুতেই ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা, সিটি করপোরেশন এবং পৌরসভায় কারা দল সমর্থিত প্রার্থী হবেন, তা নির্ধারণ করেছে। তারা জনসংযোগও অব্যাহত রেখেছে। অন্যদিকে আসন্ন ইউপি নির্বাচনে কোন্দল মোকাবিলা করে চেয়ারম্যান পদে একক প্রার্থী বাছাই করা ক্ষমতাসীন বিএনপির জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে।

২০১৬ সালের ২২ মার্চ থেকে ৪ জুন পর্যন্ত ছয়টি ধাপে প্রথমবারের মতো রাজনৈতিক দলভিত্তিকভাবে এবং দলীয় প্রতীকে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন হয়। সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) তথ্যানুযায়ী, ওই নির্বাচন ছিল বাংলাদেশের ইতিহাসের অন্যতম রক্তাক্ত ভোট; তখন ১০১ জন নিহত হন।

২০২১ সালের নভেম্বর থেকে সাত ধাপে হয়েছিল ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন। সেবার চেয়ারম্যান পদে দলীয় প্রতীকে এবং ৯টি সাধারণ ওয়ার্ডে ও তিনটি সংরক্ষিত ওয়ার্ডে নির্দলীয় পদ্ধতিতে নির্বাচন হয়। আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওই নির্বাচনে ১১৩ জন নিহত এবং সাত হাজার ২০১ জন আহত হন।

আগের দুই নির্বাচনে সে সময়ের ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী এবং বিদ্রোহী স্বতন্ত্রদের সংঘর্ষে অধিকাংশ প্রাণহানি হয়েছিল। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর অন্তর্বর্তী সরকার অধ্যাদশে জারি করে স্থানীয় নির্বাচনে দলীয় প্রতীক বাদ দেয়। বিএনপি সরকার তা আইনে পরিণত করেছে।

ক্ষমতাসীন দলের সাম্প্রতিক বৈঠকগুলোতে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দল-সমর্থিত একক প্রার্থী বাছাইয়ের চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। দলের একাধিক প্রার্থী হলে সংঘাতের আশঙ্কা রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তা কতটা ঠেকাতে পারবে, এই শঙ্কার কথাও উঠেছে।

গত রোববার স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়-সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভার পর কমিটির সভাপতি এ কে এম সেলিম রেজা হাবিব বলেন, নির্বাচন পরিচালনায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এখনও পুরোপুরি প্রস্তুত নয়। বাহিনীকে প্রস্তুতির সময় দিয়ে যেন নির্বাচনের তপশিল ঘোষণা করা হয়।

এ সময়ে তাঁর পাশে ছিলেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ড. আব্দুল মঈন খান এবং স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। তারা সভাপতির বক্তব্যে এ নিয়ে আপত্তি করেননি। যদিও সভায় বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্যরা দ্রুত স্থানীয় নির্বাচনের দাবি করেছেন বলে সমকালকে জানিয়েছেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান। স্থানীয় সরকারের স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেছেন, জামায়াত আগেও বলেছে, এখনও বলছে– দ্রুত নির্বাচন হতে হবে।

কমিশন সভায় সময়সূচি চূড়ান্ত
প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে গতকালের সভায় অন্য চার নির্বাচন কমিশনার এবং ইসির জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশ নেন। সভা শেষে ব্রিফিংয়ে নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ জানান, চূড়ান্ত সময়সূচি অনুযায়ী ২১ জানুয়ারি, ৪ ফেব্রুয়ারি, ২৯ এপ্রিল, ১৩ মে এবং ২৭ মে পাঁচ ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন হবে।

তিনি বলেন, আনুমানিক চার হাজার ৩০০-এর মতো ইউনিয়ন পরিষদের মেয়াদ পূর্ণ হয়ে গেছে।

আইন অনুযায়ী এই ইউনিয়ন পরিষদগুলোর নির্বাচন ২০২৭ সালের ২৭ মের মধ্যে শেষ করা হবে।

এর আগে গত ১৩ সেপ্টেম্বর ইসির প্রাক-প্রস্তুতিমূলক সভা শেষে সাত ধাপে ইউপি নির্বাচনের খসড়া সময়সূচি ঘোষণা করা হয়েছিল। তখন প্রথম ধাপে আগামী ১২ নভেম্বর দেশের ৮০টি উপজেলার সব ইউনিয়ন পরিষদে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা জানানো হয়।

তবে এর এক দিন পরই মন্ত্রী, উপদেষ্টা ও প্রতিমন্ত্রীরা জানান, ইউপি নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার বিষয়ে সরকার কিছু জানে না। সরকারের সঙ্গে আলোচনাও করা হয়নি। আর স্থানীয় নির্বাচন আয়োজনের বিষয়টি ইসির একক এখতিয়ার নয় বলেও দাবি করেন তারা। অবশ্য একই দিন ইসির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, ইউপি নির্বাচনের যে সম্ভাব্য সময়সূচি তারা ঘোষণা করেছিল, সেটি প্রাথমিক তারিখ ছিল।

এতে ইউপি নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা নিয়ে সরকারের সঙ্গে ইসির কিছুটা দূরত্ব ও টানাপোড়েন প্রকাশ্যে চলে আসে। পরে ১৭ সেপ্টেম্বর আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকে ইউপি নির্বাচনের তারিখ নিয়ে আগের অবস্থান থেকে সরে আসে ইসি। বৈঠক শেষে কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর বার্ষিক ও বিভিন্ন পরীক্ষার কারণে নভেম্বরে ইউপি নির্বাচন শুরু করা সম্ভব নয়। পরীক্ষা ছাড়াও রোজা, ঈদ ও পূজাকে বিবেচনায় নিয়েই পরবর্তী কমিশন সভায় নির্বাচনের তারিখ চূড়ান্ত করা হবে।

তপশিল কবে, আইনশৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন
গতকাল ব্রিফিংয়ে নির্বাচন কমিশনার মো. সানাউল্লাহ বলেন, ইসির ১৩ সেপ্টেম্বরের প্রাক-প্রস্তুতিমূলক সভা সাত ধাপে ইউপি নির্বাচন আয়োজনের কথা বলেছিল। তবে সময় স্বল্পতায় পাঁচ ধাপে নিয়ে এসেছি।

তিনি বলেন, প্রতিটি ধাপের নির্বাচনের আগে তপশিল ঘোষণা করবেন জেলা নির্বাচন কর্মকর্তারা। সাধারণত ৪২ দিন থেকে ৪৫ দিন সময় দিয়ে তপশিল ঘোষণা করা হয়। প্রথম ধাপে সব জেলায়ই নির্বাচন শুরু করা হবে। সদর উপজেলাগুলোকে অগ্রাধিকার দেব। যেসব ইউনিয়ন পরিষদের মেয়াদ শেষ হয়েছে, সেগুলোও অগ্রাধিকার পাবে।

ইউপি নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্নের জবাবে এই নির্বাচন কমিশনার বলেন, বাহিনীগুলোর সঙ্গে পৃথক সভা করব। এর আগে যে সভা করেছিলাম, সেখানে সব আইনশৃঙ্খলা বাহিনী  উপস্থিত ছিল। তারা জানিয়েছিল,  নভেম্বরের মধ্যে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শেষ করবেন।

নিবন্ধিত সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সংলাপে বসার বিষয়ে সানাউল্লাহ বলেন, এখন ধারাবাহিকভাবে বাকি যেসব কার্যক্রম আছে সেগুলো চলমান থাকবে। আশা করব, আমরা যে ভালো নির্বাচনের সংস্কৃতি শুরু করেছি, সেই সংস্কৃতি বলবৎ রাখতে পারব। এ জন্য সংশ্লিষ্ট সব স্টেকহোল্ডার আমাদের সহায়তা করবেন বলে প্রত্যাশা করব।

স্থানীয় কোন্দলে বিএনপি, কেন্দ্রের কড়া বার্তা
প্রত্যেক ইউনিয়নে চেয়ারম্যান এমনকি সদস্য পদেও একাধিক প্রার্থী বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী। দলের স্থানীয় রাজনীতিতে বিভিন্ন বলয়ে বিভক্তি থাকায় এ সংকট আরও বাড়তে পারে। এ সমস্যা কাটাতে দলের চেয়ারম্যান এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দফায় দফায় বার্তা দিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে নির্বাচন প্রস্তুতির কথা বলেছেন।

গত রোববার রাতে বিএনপির সংসদীয় দলের সভায় দলের চেয়ারম্যান বার্তা দেন, স্থানীয় নির্বাচন সুষ্ঠু হবে। বিএনপি এমন কিছু চায় না, যাতে সরকার এবং দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়। দলীয় এমপিদের দল সমর্থিত প্রার্থীর পক্ষে থাকতে হবে।

তৃণমূল নেতাদের সরাসরি দিকনির্দেশনা দিতে মাঠপর্যায়ের সংগঠকদের সঙ্গে ধারাবাহিক বৈঠক করেন দলের চেয়ারম্যান। প্রত্যেক বিভাগীয় এবং বড় বড় জেলার নেতাদের সঙ্গে পৃথক বৈঠক করে একক প্রার্থী বাছাইয়ের পাশাপাশি ত্যাগী, যোগ্য আর জনপ্রিয় নেতাদের গুরুত্ব দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

সংসদ নির্বাচনে অন্তত ৭৮টি আসনে বিএনপি নেতারা ‘বিদ্রোহী প্রার্থী’ হিসেবে সক্রিয় ছিলেন। তাদের সবাই বহিষ্কার হয়েছেন। তারা এবং মনোনয়ন না পাওয়া নেতাদের সঙ্গে এমপিদের বিরোধ রয়েছে। এতে অনেক জায়গায় কোন্দল ও বিভক্তি তৈরি হয়েছে। তারেক রহমান দলের সাম্প্রতিক বৈঠকগুলোতে স্পষ্ট করেছেন, দলীয় প্রতীক না থাকলেও স্থানীয় নির্বাচনে প্রার্থী বাছাইয়ে দলের  সিদ্ধান্ত যেন সামষ্টিক হয়। একক প্রার্থীর পক্ষে সবাই একযোগে কাজ করেন।

দলের শীর্ষ নেতার এমন নির্দেশনার পর কেন্দ্র থেকে স্থানীয় নেতাদের একক ও যোগ্য প্রার্থী বাছাইয়ের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি দলের কেউ যেন ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী না হয় সেজন্য দলের দায়িত্বশীলরা কাজ করছে। কেউ ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী হলে তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানানো হচ্ছে।

সূত্র জানায়, ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী বাছাইয়ে উপজেলার নেতাদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী বাছাইয়ে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে জেলার নেতাদের।

জানতে চাইলে বিএনপির রাজশাহী বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ শাহীন শওকত সমকালকে বলেন, দলের চেয়ারম্যান সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার বার্তা দিয়েছেন। গ্রহণযোগ্য, সাংগঠনিক অবস্থান ভালো, বিগত আন্দোলনে সক্রিয় অবদান ছিল– এমন নেতাদের চেয়ারম্যান পদে দলীয় সমর্থন দেওয়া হবে। তা ঠিক করবেন জেলা ও উপজেলার দায়িত্বশীল নেতারা। একক প্রার্থী ঠিক করতে বিভাগীয় সাংগঠনিক নেতারা সমন্বয় করবেন। প্রয়োজনে কেন্দ্র হস্তক্ষেপ করবে।

জানা গেছে, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বিএনপি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থী ঘোষণা করবে না। শুধু সিটি করপোরেশনের মেয়র প্রার্থীদের আনুষ্ঠানিকভাবে পরিচয় করিয়ে দেবেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

নানা শঙ্কায় জামায়াত, জোট অনিশ্চিত
জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ সমকালকে বলেন, দলের সব প্রস্তুতিই রয়েছে। কিন্তু নির্বাচন হবে কিনা, কে জানে। ইসি সময়সূচি ঘোষণা করেছে বটে, কিন্তু যদি মন্ত্রীরা না চান, তাহলে তো ইসি আবার পিছিয়ে যাবে। এতেই বোঝা যাচ্ছে, নির্বাচন হলেও তা কেমন হবে। এই নির্বাচন কমিশন আজ্ঞাবহ এবং মেরুদণ্ডহীন, যা সংসদ নির্বাচনে দেখা গেছে।

জামায়াত কী কী শঙ্কা করছে– প্রশ্নে তিনি বলেন, স্থায়ী কমিটির সভাপতি বলছেন ‘আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রস্তুত নয়’। যে বাহিনী আইন অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ে নির্বাচন আয়োজনে সহায়তায় প্রস্তুত থাকে না, সেই বাহিনীর মন্ত্রী মানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কী করে পদে থাকেন?

হামিদুর রহমান আযাদের ভাষ্য, বিএনপি পরাজয়ের ভয়ে নির্বাচন পেছাতে চাইছে। দলটির সব জেলা, উপজেলায় কোন্দল রয়েছে। নির্বাচন হলে ভীষণ হানাহানি হবে। এ কারণে বিএনপি নির্বাচন চাইছে না। আবার নির্বাচন হলেও জনগণ ভোটাধিকার প্রয়োগ পারবে কিনা সন্দেহ রয়েছে।

এদিকে গত রোববার দলের সর্বোচ্চ নির্ধারণী ফোরাম রাজনৈতিক পর্ষদে এনসিপি সিদ্ধান্ত নিয়েছে এককভাবে স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নেবে। পর্ষদ সদস্য সালেদ উদ্দিন সিফাত বলেন, একক নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে এনসিপি। কারা দল সমর্থিত হবেন, তা বাছাই শুরু হবে শিগগির।

জামায়াতের জোট ১১ দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদও জানিয়েছেন, ইউপি নির্বাচনে জোট থাকবে না। তিনি বলেন, যদি জোটের শরিক দলগুলোর মধ্যে স্থানীয় পর্যায়ে কোনো সমঝোতা হয়, হতে পারে। কেন্দ্রীয়ভাবে জোট হবে না।

আরো খবর

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

জনপ্রিয় খবর