0
3

হাওরাঞ্চলের বৃহত্তম জেলা সুনামগঞ্জে চাহিদার চেয়ে অনেক কম বিদ্যুৎ পাওয়া যাচ্ছে। এ কারণে ঘনঘন লোডশেডিংয়ের কবলে পড়েছেন এই জেলার বাসিন্দারা। গতকাল সোমবার শহরের বাণিজ্যিক এলাকা হিসেবে পরিচিত পুরাতন বাসস্টেশন থেকে থানামুখী ফিডারে ঘণ্টায় কমপক্ষে পাঁচবার আসা-যাওয়া করেছে বিদ্যুৎ। এতে বিশেষ করে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও ব্যবসায়ীরা পড়েছেন মহাসংকটে।
পুরাতন বাসস্টেশন এলাকায় বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা মিজানুর রহমান সুমন বললেন, ‘যেভাবে কয়েক মিনিট পরপর বিদ্যুৎ আসা-যাওয়া করছে, তাতে যন্ত্রপাতি সবকিছু নষ্ট হয়ে যাবে। এর চেয়ে বিদ্যুৎ না থাকাই ভালো।’ তিনি বলেন, সকাল থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত কমপক্ষে ১৫ বার বিদ্যুৎ আসা-যাওয়া করছে। একই এলাকার ডাচ্‌-বাংলা ব্যাংকের ম্যানেজার গোলাম আজাদ বললেন, মাত্রাহীন লোডশেডিংয়ের কারণে গ্রাহকরা অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন। সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত কমপক্ষে ১২ বার বিদ্যুৎ আসা-যাওয়া করছে।

শহরের মুক্তারপাড়া এলাকার মিতালি ওয়ার্কশপের মালিক উজ্জ্বল বলেন, ‘আমাদের দুই দোকানে ২০ জন স্টাফ। বিদ্যুতের এই অবস্থা চলতে থাকলে কর্মচারীই রাখা যাবে না।’
সুনামগঞ্জ বিদ্যুৎ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী রাসেল আহমাদ বলেন, ‘সোমবার চাহিদা ছিল ১২ মেগাওয়াট। পেয়েছি তিন মেঘাওয়াট। এ জন্য  শহরের সব ফিডারেই লোডশেডিং করতে হয়েছে।
কেবল জেলা শহরের অবস্থা এমন নয়, উপজেলা সদরে আরও করুণ অবস্থা। শান্তিগঞ্জের পাগলা সরকারি মডেল হাইস্কুল ও কলেজের প্রভাষক ইয়াকুব শাহরিয়ার বলেন, এক সপ্তাহ পর অর্থাৎ ২১ এপ্রিল থেকে এসএসসি পরীক্ষা শুরু। এখন যেভাবে বিদ্যুৎ যন্ত্রণা আছে। একঘণ্টা পাওয়া গেলে দুই ঘণ্টা অন্ধকারে থাকতে হয়। এভাবে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় সমস্যা হচ্ছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here