যা–ই ঘটুক, আজ ওয়াশিংটনে ভাষণ দেব: ট্রাম্প

0
7

প্রতিকূল আবহাওয়ার আশঙ্কা সত্ত্বেও যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার ২৫০তম বার্ষিকী উপলক্ষে স্থানীয় সময় শনিবার রাতে পূর্বনির্ধারিত ভাষণ দেবেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, ‘যা–ই ঘটুক, আমি ভাষণ দেবই।’

সম্ভাব্য বজ্রঝড়ের কারণে ওয়াশিংটনের ন্যাশনাল মল থেকে কয়েক হাজার মানুষকে সাময়িকভাবে সরিয়ে নেওয়া হলেও অনুষ্ঠান বাতিল করা হয়নি। হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তা এবং আয়োজক প্রতিষ্ঠান ‘ফ্রিডম ২৫০’ জানিয়েছে, স্থানীয় সময় রাত ১১টার দিকে ট্রাম্প তার বহুল আলোচিত ভাষণ দেবেন। পরে থাকবে প্রায় ৪০ মিনিটের আতশবাজির প্রদর্শনী।

ট্রাম্পের ভাষণকে ঘিরে প্রচণ্ড গরমের মধ্যেও ন্যাশনাল মলে হাজারো সমর্থক জড়ো হন। তবে বজ্রঝড়ের আশঙ্কায় তাদের সরে যেতে নির্দেশ দেওয়া হলে কিছু সময়ের জন্য বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়। কেউ দ্রুত অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করেন, আবার কেউ সেখানে অবস্থান অব্যাহত রাখেন। অনেককে ‘ট্রাম্প, ট্রাম্প’ স্লোগান দিতেও দেখা যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে নিরাপত্তাকর্মীরা পুলিশি সহায়তায় উপস্থিত জনতাকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেন।

যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার ২৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে ট্রাম্পের এ আয়োজনের মধ্যে রয়েছে কয়েক ঘণ্টার সামরিক বিমান মহড়া, নির্বাচনী প্রচারণার আদলে একটি রাজনৈতিক সমাবেশ এবং বর্ণাঢ্য আতশবাজির আয়োজন। আয়োজকেরা এটিকে স্বাধীনতা দিবসের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় আয়োজনগুলোর একটি বলে প্রচার করছেন।

এর আগে নিজের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প লেখেন, প্রচণ্ড গরমের মধ্যেও ওয়াশিংটনে মানুষের উপস্থিতি ‘অবিশ্বাস্য’। শুক্রবার রাজধানীর তাপমাত্রা ১০১ ডিগ্রি ফারেনহাইট বা প্রায় ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছায়।

অনুষ্ঠানে অংশ নিতে আসা ৬২ বছর বয়সী অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা র্যান্ডি কোল বলেন, দেশের স্বাধীনতার জন্য মানুষের আত্মত্যাগের তুলনায় এই গরম সহ্য করা খুবই সামান্য বিষয়।

প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যেও অনুষ্ঠান চালিয়ে যাওয়ার বিষয়ে ৮০ বছর বয়সী ট্রাম্প বলেন, গরম তাকে দমিয়ে রাখতে পারেনি। তিনি রসিকতা করে বলেন, ‘আমি খুব দীর্ঘ একটি বক্তৃতা দেব, শুধু এটা দেখানোর জন্য যে আমি সবকিছুই করতে পারি।’

এর এক দিন আগে ট্রাম্প দক্ষিণ ডাকোটা অঙ্গরাজ্যের ঐতিহাসিক মাউন্ট রাশমোর স্মৃতিসৌধ পরিদর্শন করেন। সেখানে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক চার প্রেসিডেন্ট-জর্জ ওয়াশিংটন, টমাস জেফারসন, আব্রাহাম লিংকন এবং থিওডোর রুজভেল্টের পাথুরে ভাস্কর্যের সামনে দাঁড়িয়ে তিনি ভাষণ দেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here