Home Blog Page 150

ভুল বুঝিয়ে মন্ত্রী পদমর্যাদায় আবেদন মাহমুদুলের, দুসপ্তাহ আগে সরিয়ে দেওয়া হয় জামায়াত আমিরের সেই উপদেষ্টাকে

সম্প্রতি একটি গণমাধ্যমে জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের দপ্তর থেকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো একটি চিঠি সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। বিষয়টি সম্পর্কে কিছু বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে আমিরে জামায়াতের ব্যক্তিগত দপ্তর থেকে।

জনকণ্ঠকে জানানো হয়—প্রকাশিত প্রতিবেদনে যে ঘটনার উল্লেখ করা হয়েছে, সেটি মূলত প্রায় দুই সপ্তাহ আগের একটি বিষয়। সে সময় অধ্যাপক মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসান আমিরে জামায়াতের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। তিনি উক্ত চিঠির বিষয়ে আমিরে জামায়াতকে অবহিত করেছিলেন এবং বিষয়টি একটি নির্দিষ্ট প্রেক্ষাপটে উপস্থাপন করেছিলেন।

তবে পরবর্তীতে বিষয়টি বিস্তারিতভাবে যাচাই করে দেখা যায় যে, চিঠির বিষয়বস্তু আমিরে জামায়াতকে যে ভাবে ব্রিফ করা হয়েছিল, বাস্তবে তা তার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল না। বিশেষ করে চিঠিতে উল্লেখিত ‘মন্ত্রীর পদমর্যাদা’ সংক্রান্ত অংশে আমিরে জামায়াতের কোনো সম্মতি ছিল না।
বিষয়টি স্পষ্ট হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আমিরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমান তাৎক্ষণিকভাবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।

মাহমুদুল হাসানকে উক্ত দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয় দু সপ্তাহ আগে এবং ঢাকা-১৪ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার মীর আহমাদ বিন কাসেম (আরমান) এমপি-কে বিরোধীদলীয় নেতার নতুন পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া বিষয়টি স্পষ্ট করার জন্য জামায়াতের পক্ষ থেকে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সরাসরি ফোনে যোগাযোগ করে জানানো হয়েছে যে উক্ত চিঠির বিষয়ে আমিরে জামায়াত অবগত ছিলেন না।

একই সঙ্গে জানানো হয়েছে যে সংশ্লিষ্ট দায়িত্ব ইতোমধ্যে বাতিল করা হয়েছে এবং নতুন উপদেষ্টা নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

বিষয়টি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকেও অবহিত করা হয়েছে। ফলে বিষয়টি তখনই নিষ্পত্তি হয়েছে।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী দায়িত্বশীল, স্বচ্ছ এবং জবাবদিহিমূলক রাজনৈতিক আচরণে বিশ্বাসী। কোনো বিষয়ে বিভ্রান্তি বা ভুল বোঝাবুঝি তৈরি হলে আমরা দ্রুত তা সংশোধন করার নীতিতে বিশ্বাস করি এবং এ ক্ষেত্রেও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ ইতোমধ্যে নেওয়া হয়েছে।

কয়েল ছাড়াই ৫ মিনিটে ঘরকে মশা মুক্ত রাখার কার্যকরী উপায়

ঘরে-বাইরে কোথাও নেই নিস্তার। গরম আবহাওয়ার সঙ্গে বেড়েই চলেছে মশাদের উৎপাত। মশার রোগজীবাণু সংক্রমণের কারণে প্রতিদিন বাড়ছে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা। ভয়াবহ মৃত্যুর হারও থামানো যাচ্ছে না। চিকুনগুনিয়া, ম্যালেরিয়া, ফাইলেরিয়া, পীত জ্বর, জিকা ভাইরাস প্রভৃতি মারাত্মক রোগও সংক্রমিত হচ্ছে। মশাদের উৎপাতের কারণে ঘরে টেকা দায় হয়ে পড়েছে। স্প্রে, কয়েল, অ্যারোসল কোন কিছুতেই মশা তাড়ানো সহজ নয়। আবার এসব দিয়ে মশা তাড়ালেও আমাদের স্বাস্থ্য এতে চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়।

এক গবেষণায় দেখা গেছে, যদি ৮ ঘন্টা আপনি কোন কয়েল জ্বালিয়ে রাখেন তাহলে সেটি ১৪০টি সিগারেটের ধোঁয়া উৎপন্ন করে যেটি সরাসরি আপনার মধ্যে শোষিত হয়। যা আপনার হার্ট, ফুসফুস এবং শ্বাসনালী ক্ষতিগ্রস্ত করতে থাকে। এ জন্য সচেতনতা প্রয়োজন আরও বেশি। প্রাকৃতিক উপায়ে মশা তাড়ানোর ব্যবস্থা করা জরুরী। একনজরে জেনে নিন মশা তাড়ানোর কার্যকরী উপায়-

কর্পূর

কর্পূরের গন্ধ মশা একেবারেই সহ্য করতে পারে না। আপনি যে কোনও ওষুধের দোকানে বা মুদির দোকান থেকেও কর্পূরের ট্যাবলেট কিংবা গুঁড়া কিনে আনতে পারেন। একটি কর্পূরের টুকরা একটি ছোটো পাত্রতে রেখে সেটি পানি দিয়ে পূর্ণ করুন। এর পর এটি ঘরের কোণে রেখে দিন। অল্প সময়ের মধ্যেই ঘর থেকে মশা গায়েব হয়ে যাবে। দু’দিন পর পাত্রের পানির পরিবর্তন করুন। পাত্রে রাখা আগের পানি ফেলে দেবেন না। এই পানি ঘর মোছার কাজে ব্যবহার করলে ঘরে পিঁপড়ের উপদ্রব থেকেও মুক্তি পাবেন।

লেবু ও লবঙ্গ

একটি লেবু দুই টুকরা করে কেটে নিন। এর পর কাটা লেবুর ভেতরের অংশে বেশ কয়েকটা করে লবঙ্গ গেঁথে দিন। লেবুর মধ্যে লবঙ্গের পুরোটা গেঁথে শুধুমাত্র মাথার দিকের অংশ বাইরে রেখে লবঙ্গ গেঁথে দিন। এর পর লেবুর টুকরাগুলো একটি প্লেটে রেখে ঘরের কোণায় রেখে দিন। ব্যস, এতেই বেশ কয়েকটা দিন মশার উপদ্রব থেকে মুক্তি পেতে পারেন। এই পদ্ধতিতে মশা ঘরের ধারেকাছে ঘেঁসবে না একেবারেই। আপনি চাইলে লেবুতে লবঙ্গ গেঁথে জানালার গ্রিলেও রাখতে পারেন। এতেও মশার ঘরে ঢোকার পথ বন্ধ হবে।

জৈবিক প্রক্রিয়া

প্রথমে আপনাকে একটি মাটির প্রদীপ নিয়ে নিতে হবে এবং তার মধ্যে দিতে হবে এক চামচ রসুন বাটা । এবং তার মধ্যে যোগ করতে হবে কিছুটা পরিমাণ তেজপাতা গুঁড়া এবং সামান্য পরিমাণ কর্পূর গুঁড়া। সমস্ত উপকরণগুলোকে ভাল করে মিশিয়ে তার মধ্যে দিয়ে দিন সরিষার তেল । যাতে সমস্ত উপকরণগুলো সরিষার তেলের মধ্যে নিমজ্জিত অবস্থায় থাকে । এরপর একটি সলতে যোগ করে দিন তার মধ্যে । এবং প্রদীপটি ধরিয়ে দিন । এর ফলে যে ধোঁয়া নির্গত হবে সেখান থেকে আপনার বাড়ির আনাচে-কানাচে থাকা মশা বাড়ির বাইরে চলে যাবে । এতে আপনার শরীরও কিছু ক্ষতি হবে না।

নিমের তেলের ব্যবহার

নিমের মশা তাড়ানোর বিশেষ একটি গুণ রয়েছে। নিমের তেল ত্বকের জন্যও বেশ ভালো। তাই একসাথে দুটি উপকার পেতে ব্যবহার করতে পারেন নিমের তেল। সমপরিমাণ নিমের তেল ও নারকেল তেল মিশিয়ে ত্বকে লাগিয়ে নিন। দেখবেন মশা আপনার ধারে কাছে ভিড়বে না এবং সেই সাথে ত্বকের অ্যালার্জি, ইনফেকশন জনিত নানা সমস্যাও দূর হবে।

পুদিনার ব্যবহার

ছোট গ্লাসে একটু পানি নিয়ে তাতে ৫ থেকে ৬ গাছি পুদিনা রেখে দিন খাবার টেবিলে। ৩ দিন অন্তর পানি বদলে দেবেন। জার্নাল অফ বায়োরিসোর্স টেকনোলোজির গবেষণা মতে তুলসির মতো পুদিনা পাতারও রয়েছে মশা দূরে রাখার ক্ষমতা। শুধু মশাই নয় পুদিনার গন্ধ অনেক ধরণের পোকামাকড়কে ঘর থেকে দূরে রাখে। পুদিনা পাতা ছেঁচে নিয়ে পানিতে ফুটিয়ে নিন। এই পানির ভাপ পুরো ঘরে ছড়িয়ে দিন। দেখবেন ঘরের সব মশা পালিয়েছে। চাইলে পুদিনার তেলও গায়ে মাখতে পারেন।

টবে লেমন গ্রাস লাগান

থাই লেমন গ্রাসে আছে ‘সাইট্রোনেলা অয়েল’ যা থেকে বের হয় একধরনের শক্তিশালী সুগন্ধ। এই সুগন্ধ কিন্তু মশাদের যম। মশারা এর কাছেও ঘেঁষে না। ফলে আপনার আশেপাশে লেমন গ্রাসের ঝাঁড় থাকলে মশারা আপনাকে খুঁজে পাবে না। আর লেমন গ্রাস দেখতেও কিন্তু মন্দ নয়। এমনসব স্থানে এসব গাছের টব রাখুন যেখানে সকাল বিকাল কিংবা রাতে পরিবারের অন্যদের নিয়ে কিংবা বন্ধু বান্ধব নিয়ে আড্ডা বা সময় কাটান। এভাবে থাকুন মশা মুক্ত।

ধুনোর সঙ্গে নিশিন্দা ও নিমপাতার গুঁড়া

প্রতিদিন নিশিন্দা ও নিমপাতার গুঁড়া ধুনোর সঙ্গে ব্যবহার করলে মশার হাত থেকে রেহাই পাওয়া যায়।

হলুদ বৈদ্যুতিক আলো

ঘরের মধ্যে মশার উৎপাত কমাতে চাইলে, ঘরের বৈদ্যুতিক আলোটি হলুদ সেলোফেনে জড়িয়ে দিন। ফলে হলুদ আলো হবে। দেখবেন মশা কমে গেছে, কারণ মশা হলুদ আলো থেকে দূরে থাকতে চায়। এছাড়া ঘরে এবং ঘরের বাইরে লাইট বাল্বগুলো পরিবর্তন করুন। মশারা সাধারণত সব লাইটের প্রতি আকৃষ্ট হয় না। এলইডি লাইট, হলুদ ‘বাগ লাইট’, বা সোডিয়াম লাইট এক্ষেত্রে উপকারী। এগুলো জ্বালালে সন্ধ্যাবেলা ঘরে বাইরে মশাদের আক্রমণ অনেকটাই কমে যাবে।

চা-পাতা পোড়ান

ব্যবহৃত চা-পাতা ফেলে না দিয়ে ভাল করে রোদে শুকিয়ে নিন। এইভাবে ওই চা পাতা ধুনোর বদলে ব্যবহার করুন। শুকনো চা পাতা পোড়ানো ধোঁয়ায় ঘরের সমস্ত মশা, মাছি পালিয়ে যাবে।

নিমপাতা পোড়ান

কয়লা বা কাঠ-কয়লার আগুনে নিমপাতা পোড়ালে যে ধোঁয়া হবে তা মশা তাড়ানোর জন্য খুবই কার্যকর।

ক্যাটনিপ অয়েল

ক্যাটনিপ অয়েলের নেপেটালেকটন নামক পদার্থ মশা তাড়াতে ডিথাইল-মেটাটোলোয়ামাইড থেকে প্রায় ১০ গুন বেশি শক্তিশালী। ক্যাটনিপ অয়েল মাখালে মশারা ধারে কাছেও ঘেঁষবে না।

ফ্যান চালু রাখুন

মশারা খুবই হালকা। অন্যদিকে একটি ফ্যানের স্পীড ঘন্টায় প্রায় দুই মাইল। মশাদের উড়বার গতিবেগের চাইতে ফ্যানের ঘুরবার গতি অনেক বেশি হওয়াতে সহজেই মশাদের ব্লেডের কাছে টেনে নেয়। আপনার বসার স্থান কিংবা ডেক বা যেসব স্থান থেকে মশারা খুব সহজে আপনার গৃহে প্রবেশ করতে পারে, এমনসব স্থানে মশাদের আগমন সময়ে আপনার টেবিল ফ্যান বা পেডাল ফ্যানটি চালু রাখুন। মশাদের হাত থেকেও যেমন নিস্কৃতি পাবেন তেমনি গরমেও পাবেন আরাম।

কালো, নীল ও লাল কাপড় এড়িয়ে চলুন

মশাদের পছন্দের রঙের পোশাক এড়িয়ে চলুন। কি অবাক হচ্ছেন! কিছু কিছু প্রজাতির মশারা কয়েকটি গাঢ় রঙের প্রতি আকৃষ্ট হয় যেমন কালো, নীল আর লাল। আর তারা গরমের প্রতিও সংবেদনশীল। তাই ঠান্ডা রাখুন ঘর আর পোষাক পড়ুন হালকা রঙের।

নারিকেলের আঁশ পোড়ান

নারিকেলের গায়ে থাকা আঁশের সাহায্য দূর করতে পারেন মশা। নারিকেলের আঁশ শুকিয়ে টুকরা করুন। একটি কাঠের পাত্রে রেখে জ্বলন্ত ম্যাচের কাঠি ধরুন। ৫-৬ মিনিটের মধ্যেই মশা দূর হবে।

কেরোসিন তেল স্প্রে

কেরোসিন তেল স্প্রে বোতলে নিন। কয়েক টুকরা কর্পূর মেশান। ভালো করে ঝাঁকিয়ে স্প্রে করুন রুমে। মশা থাকবে না।

সুগন্ধি ব্যবহার করুন

মশারা সুগন্ধি থেকে দূরে থাকে। সুতরাং রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে শরীরে আতর, সুগন্ধি, কিংবা লোসন মেখে শুতে পারেন। নিশ্চিত করে বলা যায় এতে মশা সাধারণ থেকে অনেক কম দেখা যাবে।

রসুনের স্প্রে করুন

রসুনের স্প্রে মশা তাড়াতে খুবই কার্যকারী প্রাকৃতিক উপায়। ৫ ভাগ পানিতে ১ ভাগ রসুনের রস মেশান। মিশ্রণটি একটি বোতলে ভরে শরীরের যেসব স্থানে মশারা কামড়াতে পারে সেসব স্থানে স্প্রে করুন। এতে করে যে কোন ধরণের রক্ত চোষারা আপনার ধারে কাছেও আসবে না।

জমানো পানি থেকে দূরে থাকুন

খেয়াল রাখুন যেন কোথাও জল জমে না থাকে। ঘরের আনাচে-কানাচে কিংবা উঠোনে পানি জমে থাকলে সেখানে মশারা বংশবিস্তার করতে পারে। তাই যেখানেই পানি জমুক না কেন, তা সরিয়ে ফেলুন। মশার বংশবিস্তার রোধ করুন।

তেলের ডিপোতে সেনাবাহিনী মোতায়েনের অনুরোধ বিপিসির

জ্বালানি তেলের সরবরাহ ঘিরে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে দেশের প্রধান প্রধান ডিপোর নিরাপত্তা জোরদারে সেনাবাহিনী মোতায়েনের অনুরোধ করেছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি)। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে। সেই সঙ্গে জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে কেন্দ্রীয় ও আঞ্চলিক পর্যায়ে মনিটরিং ও কন্ট্রোল সেল গঠন করেছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন।
বিপিসি এক চিঠিতে জানায়, সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে বিভিন্ন ডিপো থেকে ডিলারদের আকস্মিক বাড়তি চাহিদার কারণে অনেক ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় পরিমাণ জ্বালানি তেল সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে না। এতে কিছু স্থানে অনাকাক্সিক্ষত পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
জ্বালানি তেল বিপণন কোম্পানিগুলোর সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রাম মহানগরীর পতেঙ্গায় অবস্থিত প্রধান স্থাপনাসহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ডিপোকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে খুলনার দৌলতপুর, সিরাজগঞ্জের বাঘাবাড়ি, নারায়ণগঞ্জের গোদনাইল ও ফতুল্লা, দিনাজপুরের পার্বতীপুর এবং বরিশালের ডিপো।
সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, দেশের জ্বালানি তেলের এসব ডিপো গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা বা কেপিআইভুক্ত হওয়ায় এগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি। তাই সম্ভাব্য যে কোনো অনাকাক্সিক্ষত পরিস্থিতি মোকাবিলায় এসব স্থাপনায় জরুরি ভিত্তিতে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
এ প্রেক্ষাপটে উল্লিখিত ডিপোগুলোর সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনী মোতায়েনের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করেছে বিপিসি।
মনিটরিং ও কন্ট্রোল সেল গঠন
জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে কেন্দ্রীয় ও আঞ্চলিক পর্যায়ে মনিটরিং ও কন্ট্রোল সেল গঠন করেছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন। এসব সেলে অভিযোগ বা তথ্য জানাতে একাধিক যোগাযোগ নম্বরও নির্ধারণ করা হয়েছে। সোমবার এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি হয়েছে।
এতে বলা হয়, জ্বালানি তেলের মজুত ও সরবরাহ পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক তদারকি এবং ভোক্তাদের অভিযোগ দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য এই কেন্দ্রীয় ও আঞ্চলিক মনিটরিং সেল চালু করা হয়েছে। এতে কেন্দ্রীয় মনিটরিং সেল ছাড়াও বিপিসির বিভিন্ন আঞ্চলিক কার্যালয়ে কন্ট্রোল সেল গঠন করা হয়েছে।
কেন্দ্রীয় মনিটরিং সেল হিসেবে কাজ করবে চট্টগ্রামের বিপিসির বিজনেস সাপোর্ট সেন্টার। এখান থেকে দেশের বিভিন্ন ডিপো, শোর ট্যাংক, ফ্লোটিং, ডিসপাচ ও বিক্রয় কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করা হবে। পাশাপাশি জ্বালানি তেলের মজুত, সরবরাহ ও বিপণন কার্যক্রম নিয়মিত মনিটরিং করা হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কোথাও জ্বালানি তেলের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি, মজুত বা সরবরাহে কোনো ধরনের সমস্যা দেখা দিলে সংশ্লিষ্ট কন্ট্রোল সেলে তাৎক্ষণিকভাবে জানাতে হবে। এসব সেলে প্রাপ্ত তথ্য যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ভারত থেকে দেশে আসছে ৫ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল

ভারতের আসামের নুমালিগড় রিফাইনারি থেকে বাংলাদেশে ৫ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল আসছে। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) এই জ্বালানি তেল পাইপলাইনের মাধ্যমে দেশে পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের (বিপিসি) বাণিজ্য ও অপারেশন বিভাগের মহাব্যবস্থাপক মুহাম্মদ মোরশেদ হোসাইন আজাদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বিপিসি সূত্রে জানা গেছে, ভারত থেকে এই ডিজেল পাঠানোর পাম্পিং কার্যক্রম ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। জ্বালানি তেলের মজুত স্বাভাবিক রাখা এবং দেশজুড়ে নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করতে সরকার জরুরিভিত্তিতে এই উদ্যোগ নিয়েছে। পাইপলাইনের মাধ্যমে এই আমদানির ফলে পরিবহন খরচ ও সময় সাশ্রয় হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

এর আগে গত রবিবার জ্বালানি সংকট মেটাতে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মার সঙ্গে বৈঠক করেন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। বৈঠকে বাংলাদেশ-ভারত পাইপলাইন দিয়ে আগামী চার মাসে অতিরিক্ত ৫০ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল সরবরাহের একটি আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব দেয় বাংলাদেশ। সরকারের এই উচ্চপর্যায়ের তৎপরতার অংশ হিসেবেই ৫ হাজার টনের প্রথম চালানটি দেশে আসছে।

ট্রাম্প-পুতিনের ঘণ্টাব্যাপী ফোনালাপ, যুদ্ধ বন্ধের ইঙ্গিত

ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের যুদ্ধ এবং ইউক্রেন সংঘাত নিয়ে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে এক ঘণ্টার মতো টেলিফোনে আলাপ করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। ক্রেমলিন জানিয়েছে, এই আলোচনা ছিল ‘খোলামেলা ও গঠনমূলক।’

সোমবার (৯ মার্চ) হওয়া ওই ফোনালাপটি গত ডিসেম্বরের পর দুই নেতার প্রথম কথোপকথন। রুশ প্রেসিডেন্টের কূটনৈতিক উপদেষ্টা ইউরি উশাকফ দেশটির গণমাধ্যমকে জানান, ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকেই আলোচনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল।

উশাকভ বলেন, আলোচনায় মূল গুরুত্ব দেওয়া হয় ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং ইউক্রেন সংকট সমাধানে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান দ্বিপক্ষীয় আলোচনার ওপর।

তিনি জানান, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের যুদ্ধে দ্রুত রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সমাধানের আহ্বান জানিয়েছেন পুতিন। ইরান দীর্ঘদিন ধরে রাশিয়ার ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে বিবেচিত।

এছাড়া ইউক্রেন যুদ্ধের বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কেও ট্রাম্পকে অবহিত করেন পুতিন। তিনি বলেন, ফ্রন্টলাইনে রুশ সেনারা উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করছে।

ইউক্রেন সংঘাতে মধ্যস্থতার জন্য ট্রাম্পের উদ্যোগকেও ইতিবাচকভাবে মূল্যায়ন করেছেন রুশ প্রেসিডেন্ট। যদিও রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউক্রেনের প্রতিনিধিদের মধ্যে একাধিক বৈঠক হলেও এখনও যুদ্ধবিরতির কোনো বড় অগ্রগতি হয়নি।

উশাকভ জানান, বর্তমান আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি ঘিরে গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করতেই এই ফোনালাপ চেয়েছিল ওয়াশিংটন। ক্রেমলিনের ভাষ্য অনুযায়ী, আলোচনাটি ছিল গঠনমূলক।

এর আগে গত বছরের আগস্টে আলাস্কায় মুখোমুখি বৈঠক করেছিলেন ট্রাম্প ও পুতিন।

সোমবার (৯ মার্চ) হওয়া ওই ফোনালাপটি গত ডিসেম্বরের পর দুই নেতার প্রথম কথোপকথন। রুশ প্রেসিডেন্টের কূটনৈতিক উপদেষ্টা ইউরি উশাকফ দেশটির গণমাধ্যমকে জানান, ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকেই আলোচনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল।

উশাকভ বলেন, আলোচনায় মূল গুরুত্ব দেওয়া হয় ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং ইউক্রেন সংকট সমাধানে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান দ্বিপক্ষীয় আলোচনার ওপর।

 

ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

রাজধানীর কড়াইল বস্তির নারী ও শিশুদের হাতে ফ্যামিলি কার্ড তুলে দেওয়ার মাধ্যমে নতুন এক মানবিক কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসের মাধ্যমে সরাসরি প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে অর্থ সহায়তা পৌঁছে দেওয়াই এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য।

কড়াইল, সাততলা বস্তি ও ভাষানটেকের ১৫ জন নারীর হাতে কার্ড হস্তান্তরের মাধ্যমে আজ এই সেবার সূচনা হয়। প্রাথমিকভাবে দেশের ১৩টি জেলার ১৫টি ওয়ার্ডের প্রায় ৩৭ হাজার ৫৬৭ জন এই ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আসছেন।

সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনের সভাপতিত্বে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে জানানো হয়, আগামী ৩০ জুনের মধ্যে পাইলটিং শেষে পর্যায়ক্রমে সারাদেশে এই কার্যক্রম বিস্তৃত করা হবে।

কড়াইল, সাততলা বস্তি ও ভাষানটেকের ১৫ জন নারীর হাতে কার্ড হস্তান্তরের মাধ্যমে আজ এই সেবার সূচনা হয়। প্রাথমিকভাবে দেশের ১৩টি জেলার ১৫টি ওয়ার্ডের প্রায় ৩৭ হাজার ৫৬৭ জন এই ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আসছেন।

সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনের সভাপতিত্বে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে জানানো হয়, আগামী ৩০ জুনের মধ্যে পাইলটিং শেষে পর্যায়ক্রমে সারাদেশে এই কার্যক্রম বিস্তৃত করা হবে।

ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে জানানো হয়, কোনো রাজনৈতিক পরিচয় নয় বরং কেবল হতদরিদ্র পরিবারগুলোই এই সুবিধা পাবে। ভবিষ্যতে দেশের ৯৫টি সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিকে একটি সমন্বিত ডিজিটাল কাঠামোর আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।

সব রেকর্ড ভেঙ্গে সবচেয়ে জনপ্রিয় নেতা হতে যাচ্ছেন তারেক রহমান!

কড়াইল বস্তিতে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার ১০ মার্চ রাজধানীর কড়াইল বস্তি, সাততলা ও ভাষানটেকে নারী ও শিশুদের হাতে ফ্যামিলি কার্ড তুলে দিয়ে নতুন মানবিক উদ্যোগের সূচনা করেন তিনি। এসময় প্রটোকল ভেঙে সরাসরি মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাদের খোঁজখবর নেন, যা সমসাময়িক বিশ্বনেতাদের মধ্যে বিরল নজির হিসেবে ধরা হচ্ছে।

কড়াইল বস্তিতে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার ১০ মার্চ রাজধানীর কড়াইল বস্তি, সাততলা ও ভাষানটেকে নারী ও শিশুদের হাতে ফ্যামিলি কার্ড তুলে দিয়ে নতুন মানবিক উদ্যোগের সূচনা করেন তিনি। এসময় প্রটোকল ভেঙে সরাসরি মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাদের খোঁজখবর নেন, যা সমসাময়িক বিশ্বনেতাদের মধ্যে বিরল নজির হিসেবে ধরা হচ্ছে।

এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসের মাধ্যমে সরাসরি অর্থ সহায়তা পৌঁছে দেওয়া। প্রাথমিকভাবে দেশের ১৩টি জেলার ১৫টি ওয়ার্ডে প্রায় ৩৭,৫৬৭ জন মানুষ এই সুবিধা পাবেন। সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে জানানো হয়, পাইলট প্রকল্পের সফলতার পর জুনের মধ্যে এটি ধাপে ধাপে সারাদেশে সম্প্রসারিত হবে।

সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ যে সুবিধা পাবেন শুধুমাত্র হতদরিদ্র পরিবাররা, রাজনৈতিক পরিচয় নয়, এবং পুরো প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বজায় রাখা হবে। ভবিষ্যতে দেশের ৯৫টি সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিকে এক সমন্বিত ডিজিটাল কাঠামোর মধ্যে আনার পরিকল্পনা রয়েছে।

উল্লেখ্য, দীর্ঘ ১৭ বছরের আওয়ামী ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসানের পর দেশ ফেরেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তার দেশে ফেরার দিনই সাধারণ মানুষের মধ্যে উচ্ছ্বাস দেখা যায়। গত ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির এই বিজয়কে অনেকেই দেখছেন স্বপ্ন পূরণের প্রথম ধাপ হিসেবে। নতুন সরকারের নেতৃত্বে দেশের মানুষের জন্য নতুন ধারা, নতুন সম্ভাবনা এবং প্রশাসনিক সংস্কৃতিতে নতুন উদাহরণ স্থাপন করা শুরু হয়েছে।

নিরীক্ষকরা বলছেন, এই উদ্যোগগুলো প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেতা হিসেবে আরও সুদৃঢ় অবস্থানে নিয়ে যাবে এবং দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক দৃশ্যপটে এক নতুন অধ্যায় সূচনা করবে।

টয়লেট করতে টিম থেকে বিচ্ছিন্ন পুলিশ, অতঃপর…

নারায়ণগঞ্জে দায়িত্ব পালনের সময় পুলিশের একজন সহকারী উপপরিদর্শক ছিনতাইয়ের শিকার হয়েছেন। সোমবার (৯ মার্চ) সকালে পৌনে ৬টার দিকে নগর ভবনের সামনে, নিতাইগঞ্জ এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

পুলিশের অতিরিক্ত সুপার তাসমিন আক্তার জানিয়েছেন, অন-ডিউটিতে থাকা লুৎফর রহমান টয়লেট ব্যবহারের জন্য টিম থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন। পথে তিনজন ছিনতাইকারী তাঁর মোটরসাইকেল আটকিয়ে সরকারি পিস্তলটি ছিনিয়ে নেন। ঘটনার সময় তিনি পুলিশের পোশাকে ছিলেন।

এ বিষয়ে তাসমিন আক্তার জানান, পুলিশ ইতোমধ্যেই ছিনতাই ও অস্ত্র লুটের ঘটনায় জড়িতদের চিহ্নিত করতে এবং আইনের আওতায় আনার জন্য একাধিক টিম মাঠে কাজ করছে।

সৌদি থেকে আনা হবে ২ বাংলাদে‌শির মরদেহ

সৌদি আরবে নিহত দুইজনের মরদেহ দেশটির কর্তৃপক্ষের ছাড়পত্র প্রাপ্তি সাপেক্ষে দেশে আনা হবে ব‌লে জা‌নি‌য়ে‌ছে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়। সোমবার প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এক ক্ষু‌দে বার্তায় এই তথ্য জা‌নি‌য়ে‌ছে।

রবিবার বার্তাসংস্থা রয়টার্স সৌ‌দির সিভিল ডিফেন্সের বরাতে জানিয়েছে, সৌদি আরবে ইরানের ছোড়া মিসাইলের আঘাতে এক বাংলাদেশি ও এক ভারতীয়সহ দুজন নিহত হয়েছেন। এছাড়া আহত হয়েছেন আরও ১২ জন। আহতদের সবাই বাংলাদেশি।

রয়টার্সের খব‌রে বলা হ‌য়ে‌ছে, সৌদির আল-কারজ শহরে রোববার এ হামলার ঘটনা ঘটে। সেখানে একটি আবাসিক এলাকায় মিসাইল আছড়ে পড়ে।

৪৯ বছরেও আকর্ষণীয় থাকার রহস্য ফাঁস করলেন মৌ

নব্বই দশক থেকে জনপ্রিয়তার শীর্ষে সাদিয়া ইসলাম মৌ। মডেলিং জগতে নিজেকে অনন্যা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। ১৯৮৯ সালে প্রথম মডেলিংয়ে পা রাখেন মৌ। একটি শ্যাম্পুর বিজ্ঞাপনের জন্য সে সময় তার সঙ্গে রেকর্ড ১ লাখ টাকা পারিশ্রমিকের চুক্তি করা হয়। সেই থেকে এখন পর্যন্ত তিনিই বাংলাদেশের সর্বাধিক পারিশ্রমিক পাওয়া নারী মডেল। জনপ্রিয়তার দিক থেকেও এখন পর্যন্ত নারী মডেলদের মধ্যে তাকে কেউ ছাড়িয়ে যেতে পারেননি।

সেই সঙ্গে এদেশের অন্যতম জনপ্রিয় একজন নৃত্যশিল্পী ও অভিনেত্রী মৌ। অনেক বছর ধরে তার রূপ-লাবণ্যে মুগ্ধ হয়েছে টিভি পর্দার দর্শকেরা। তাকে অনুসরণ করে মডেলিংয়ে এসেছেন অনেক নায়িকা-অভিনেত্রী।

১৯৭৬ সালের ২১ জুন জন্মগ্রহণ করা এই তারকার বর্তমানে ৪৯ বছর ১১ মাস চলছে বয়স। তবু নিজেকে তিনি ধরে রেখেছেন ফিট, সুস্থ, প্রাণোচ্ছ্বাসে ভরপুর আকর্ষণীয় এক নারী হিসেবে। তার এই ফিট থাকার আসল রহস্য কী? সেই তথ্য ফাঁস করলেন নিজেই।

সাদিয়া ইসলাম মৌ বলেন, ‘আমার ছেলে হওয়ার পরে প্রচন্ড মোটা হয়ে গেছিলাম। তারপর আমি একজন নিউট্রিশনিস্টের তত্ত্বাবধানে ছিলাম। তার পরামর্শ মেনে নিজেকে সুস্থ রেখেছি, ওজন নিয়ন্ত্রণে রেখেছি। তিনি ডক্টর শম্পা। উনি শমরিতা হাসপাতালে বসেন। উনার আন্ডারে আমি নয় মাস একটা ডায়েট করেছিলাম।’

তিনি আরও বলেন, ‘মানুষ অনেক কথা বলে যে আমি ওষুধ খেয়েছি। পেট কেটেছি। এই সেই। আসলে এসব কিছুই করিনি। একটা নিউট্রিশনিস্টের আন্ডারে আমি ডায়েট করেছি নয় মাস। এবং ওই নয় মাসে আরেকটা জিনিস আমার কমন ছিল। সেটা হলো ৪০ মিনিট থেকে এক ঘন্টা হাঁটা। হাঁটার উপরে কোন এক্সারসাইজ নাই। হ্যাঁ, হাঁটলে মনটাও ভালো থাকবে দেখবেন। এক ঘন্টা হেঁটে বাড়ি ফিরে দেখবেন আপনার মনটা আসলে অন্যরকম হয়ে যাবে। অনেক ভালো লাগবে।’

এখন আর সেভাবে মডেলিং করেন না মৌ। তবে নৃত্যে এখনো সরব তিনি। বিভিন্ন অনুষ্ঠানে স্টেজে নৃত্য পরিবেশন করেন মৌ। তিনি কাজ করেন নাটকেও। তার অভিনীত নাটকগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘চিত্রাঙ্গদা’, ‘শ্যামা’, ‘মায়ার খেলা’, ‘চণ্ডালিকা’ ও ‘নকশীকাঁথার মাঠ’ ইত্যাদি। এছাড়াও তিনি অভিনয় করেছেন ‘অল দ্য বেস্ট’, ‘বদনাম’, ‘মনে পড়ে রুবি রায়’, ‘নীল আকাশ প্রেম বিষ’ ইত্যাদি টিভি নাটকে।

পেশাগতভাবে বাংলাদেশ একাডেমি অব ফাইন আর্টস (বাফা)-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। ব্যক্তি জীবনে নন্দিত অভিনেতা জাহিদ হাসানের স্ত্রী মৌ। পুষ্পিতা ও পূর্ণ নামে তাদের দুই সন্তান রয়েছে।